শেয়ার
 
Comments
“দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ফাইভ জি স্টেট বেড, টেলিকম ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিতে স্ব-নির্ভরতা অর্জনের দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ”
“সংযোগই একবিংশ শতকের ভারতে উন্নয়নের গতি নির্ধারণ করবে”
“ফাইভ জি প্রযুক্তি দেশের শাসন ব্যবস্থা, জীবনযাপনের অনুকূল প্রেক্ষাপট এবং ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চলেছে”
“টু জি যুগের আশাভঙ্গ, হতাশা, দুর্নীতি ও নীতিগত পক্ষাঘাত থেকে বেরিয়ে এসে দেশ দ্রুত থ্রি জি থেকে ফোর জি এবং এখন ফাইভ জি ও সিক্স জি-র পথে চলছে”
“গত ৮ বছরে টেলিকম ক্ষেত্রে পরিধি বৃদ্ধি, সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিক্রিয়া এবং বৈপ্লবিক চিন্তাভাবনার ‘পঞ্চামৃত’-এর মাধ্যমে নতুন শক্তির সঞ্চার হয়েছে”
“২ থেকে বেড়ে দেশে আজ ২০০টি মোবাইল উৎপাদন কেন্দ্র, মোবাইল ফোন এখন দরিদ্রতম পরিবারের নাগালের মধ্যে”
“প্রত্যেকেই এখন সহযোগিতামূলক নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। এজন্য সব নিয়ন্ত্রককে একসঙ্গে এগিয়ে এসে সাধারণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে উন্নততর সমন্বয়ের পন্থা খুঁজে বের করতে হবে”

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া – ট্রাইয়ের রজতজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এই উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিটের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণ, শ্রী দেবুসিং চৌহ্বান, শ্রী এল. মুরুগান এবং টেলিকম ও সম্প্রচার ক্ষেত্রের অগ্রণী ব্যক্তিত্বরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
 
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ জাতির উদ্দেশে তিনি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যে ফাইভ জি টেস্ট বেড উৎসর্গ করলেন, তা টেলিকম ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আইআইটি সহ সংশ্লিষ্ট যেসব পক্ষ এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত, প্রধানমন্ত্রী তাদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “দেশের নিজস্ব ফাইভ জি মান, ফাইভ জিআই আকারে তৈরি করা হয়েছে, দেশের কাছে এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। দেশের গ্রামে গ্রামে ফাইভ জি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি বড় ভূমিকা পালন করবে।” 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংযোগই একবিংশ শতকের ভারতে উন্নয়নের গতি নির্ধারণ করবে। সেজন্য প্রতিটি স্তরেই সংযোগের আধুনিকীকরণ প্রয়োজন। ফাইভ জি প্রযুক্তি দেশের শাসন ব্যবস্থা, জীবনযাপনের অনুকূল প্রেক্ষাপট এবং ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চলেছে। কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিকাঠামো, সরবরাহ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রের বিকাশেই এটি সহায়ক হবে। এর জেরে নানাবিধ সুবিধার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের বহু সুযোগও সৃষ্টি হবে। ফাইভ জি দ্রুত চালু করার জন্য সরকার এবং শিল্পমহল – উভয়েরই প্রয়াস প্রয়োজন।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আত্মনির্ভরশীলতা এবং স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা, সমাজ ও অর্থনীতিতে কীভাবে বহুমুখী প্রভাব সৃষ্টি করে, টেলিকম ক্ষেত্র তার এক বড় উদাহরণ। টু জি যুগের আশাভঙ্গ, হতাশা, দুর্নীতি ও নীতিগত পক্ষাঘাত থেকে বেরিয়ে এসে দেশ দ্রুত থ্রি জি থেকে ফোর জি এবং এখন ফাইভ জি ও সিক্স জি-র পথে এগিয়ে চলছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৮ বছরে টেলিকম ক্ষেত্রে পরিধি বৃদ্ধি, সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিক্রিয়া এবং বৈপ্লবিক চিন্তাভাবনার ‘পঞ্চামৃত’-এর মাধ্যমে নতুন শক্তির সঞ্চার হয়েছে। এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য ট্রাইয়ের প্রভূত প্রশংসা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশ এখন সরকারের সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে চলেছে। দূর সংযোগের ঘনত্ব এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর নিরিখে ভারতের বিকাশ বিশ্বের মধ্যে দ্রুততম। এর পিছনে টেলিকম সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ভূমিকা রয়েছে। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দরিদ্রতম পরিবারগুলির নাগালের মধ্যে মোবাইল পরিষেবাগুলিকে নিয়ে আসতে দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। ২ থেকে বেড়ে আজ দেশে মোবাইল উৎপাদন কেন্দ্রের সংখ্যা ২০০ পেরিয়ে গেছে।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন. এখন দেশের প্রতিটি গ্রামকে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হচ্ছে। ২০১৪ সালের আগে ১০০টি গ্রাম পঞ্চায়েতেও অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ ছিল না, আজ দেশের ১ লক্ষ ৭৫ হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে গেছে। এর মাধ্যমে গ্রামের মাধ্যমে অজস্র সরকারি পরিষেবার সুবিধা ভোগ করছেন।  
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের এই সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি, ট্রাইয়ের মতো নিয়ন্ত্রকদের কাছে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়ন্ত্রণ আজ আর কেবল একটি ক্ষেত্রের সীমায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হচ্ছে। সেজন্যই প্রত্যেকে এখন সহযোগিতামূলক নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। এজন্য সব নিয়ন্ত্রককে একসঙ্গে এগিয়ে এসে সাধারণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে উন্নততর সমন্বয়ের পন্থা খুঁজে বের করতে হবে।

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ
World Tourism Day: PM Narendra Modi’s 10 significant tourism initiatives that have enhanced India’s soft power

Media Coverage

World Tourism Day: PM Narendra Modi’s 10 significant tourism initiatives that have enhanced India’s soft power
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Centre extends Pradhan Mantri Garib Kalyan Ann Yojana (PMGKAY) for another three months (October 2022-December 2022)
September 28, 2022
শেয়ার
 
Comments
Free good grains at 5 kg per person per month for all the beneficiaries of NFSA will be continued till December, 2022
PMGKAY has so far had an estimated subsidy of Rs 3.45 lakh crore in six phases
Phase VII of PMGKAY from Oct to Dec entails an estimated subsidy of Rs. 44,762 Crore
The total outgo of foodgrains in Phase VII is expected to 122 LMT
Decision will ensure that poor and vulnerable sections of society are supported for the forthcoming major festivals

In pursuance of the pro-people announcement made by Hon’ble Prime Minister in 2021and successful implementation of additional food security under PMGKAY, the Union Cabinet has approved the extension for the Pradhan Mantri Garib Kalyan Anna Yojana (PMGKAY-Phase VII) for a further period of 3 months i.e. October to December 2022.

At a time when the world is battling with the effects of Covid on its decline and insecurity due to various reasons, India has been successfully maintaining food security for its vulnerable sections while taking necessary steps to keep availability and affordability for common man.

Recognising that people have gone through a difficult period of pandemic, Govt has decided to extend PMGKAY for a period of three months so that poor and vulnerable sections of society are supported for the forthcoming major festivals like Navratri, Dussehra, Milad-un-nabi, Deepawali, Chhath pooja, Gurunanak dev Jayanti, Christmas, etc. which they can celebrate with great gaiety and community for festivities. With a view to ensuring this, Govt. has approved this extension of PMGKAY for three months, so that they continue to enjoy the benefits of easy availability of foodgrains without any financial distress.

Under this welfare scheme, 5 kg of food grain per person per month is provided free of cost for all the beneficiaries covered under the National Food Security Act (NFSA) [Antodaya Anna Yojana & Priority Households] including those covered under Direct Benefit Transfer (DBT).

Financial implication for the Government of India has been about Rs. 3.45 Lakh Crore upto Phase-VI of PMGKAY. With the additional expenditure of about Rs. 44,762 Crore for Phase-VII of this scheme, the overall expenditure of PMGKAY will be about Rs. 3.91 lakh crore for all the phases.

The total outgo in terms of food grains for PMGKAY Phase VII is likely to be about 122 LMT. The aggregate allocation of food grain for phases I- VII is about 1121 LMT.

So far, PMGKAY has been in operation for 25 months as under

Phase I and II ( 8 months) : April’20 to Nov.’20
Phase-III to V (11 months) : May’21 to March’22
Phase-VI ( 6 months) : April’22 to Sept.’22
PM Garib Kalyan Anna Yojana (PM-GKAY), started during difficult time of COVID-19 crisis, has provided food security to the poor, needy and the vulnerable households/beneficiaries so that they do not suffer on account of non-availability of adequate foodgrains. Effectively it has doubled the quantity of monthly foodgrains entitlements being normally delivered to beneficiaries.

Going by the experience of earlier phases, the performance of PMGKAY-VII is expected to be on the same high level as achieved before.