Bangladesh Bhavan is a symbol of the cultural ties between India and Bangladesh: PM Modi
Gurudev Tagore connects India and Bangladesh: PM Modi
Gurudev Tagore's credo of Universal Humanism is reflected in the Union Government's guiding principle of "Sabka Saath, Sabka Vikas”: PM Modi

মিত্ররাষ্ট্র বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহোদয়া, সম্মানিত অতিথিগণ, রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল মহোদয় এবং বন্ধুগণ,

‘বাংলাদেশ ভবন’ ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধুত্বের প্রতীক। এই ভবন উভয় দেশের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে ললিতকলা, ভাষা, সংস্কৃতি, শিক্ষা, পারিবারিক সম্পর্ক, এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সমবেত লড়াইয়ের মাধ্যমে শক্তিশালী হয়ে ওঠা সম্পর্কেরও প্রতীক। এই ভবন নির্মাণের জন্য আমি শেখ হাসিনা মহোদয়া এবং বাংলাদেশের জনগণকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

গুরুদেব টেগোর, যিনি আমাদের উভয় দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা, তাঁর কর্মভূমিতে, রমজানের পবিত্র মাসে, এই ভবনের উদ্বোধন অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।

বন্ধুগণ, এই বিশ্ববিদ্যালয় এবং এই পবিত্র ভূমির ইতিহাস বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ভারতের স্বাধীনতা, এবং উপনিবেশকালে বঙ্গভঙ্গের থেকে অনেক পুরনো। এটি আমাদের মিলিত ঐতিহ্যের প্রতীক, একে ব্রিটিশ শাসক কিম্বা কোনও বিভাজনের রাজনীতি ভাগ করতে পারেনি। এই মিলিত ঐতিহ্যের গঙ্গাসাগরের অসংখ্য ঢেউ উভয় দেশের তটভূমিকে সমানভাবে স্পর্শ করে। এক্ষেত্রে আমাদের সমান ভালবাসা আমাদের সম্পর্কের সর্বাধিক শক্তিশালী সূত্র।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে বাংলাদেশের মানুষ যত শ্রদ্ধা করে, ভারতবাসীও ততটাই শ্রদ্ধা করে। স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং মহাত্মা গান্ধীকে ভারতবাসী যতটা ভালবাসে, বাংলাদেশবাসীর মনেও ততটাই ভালবাসা লক্ষ্য করা যায়।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতাগুলি এবং গান বাংলাদেশের গ্রামে গুঞ্জরিত হয়, কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান তেমনি আমাদের পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র শোনা যায়।

বাংলাদেশের অনেক গণ্যমান্য মানুষের নাম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁদের মধ্যে আছেন রিজওয়ানা চৌধুরি বন্যা, অদিতি মহসিন, লিলি ইসলাম, লীনা তাপসী, শর্মিলা ব্যানার্জি এবং নিস্তার হুসেনের মতো কৃতি মানুষেরা।

গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দূরদৃষ্টির ফসল এই প্রতিষ্ঠান আমাদের রাজনৈতিক সীমা আর বন্ধনসমূহের ঊর্ধ্বে। গুরুদেব নিজে এক স্বতন্ত্র ভাবধারার মানুষ ছিলেন, যাকে কোনও সীমার বন্ধনে বাঁধা যায় না! তিনি যতটা ভারতের ততটাই বাংলাদেশের। গগন হরকরা আর লালন ফকিরের বাংলা লোকসঙ্গীতের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বর্তমান বাংলাদেশের মাটিতেই হয়েছিল। ‘আমার সোনার বাংলা…’ গানের সুরটির প্রেরণা তিনি গগন হরকরার থেকেই পেয়েছিলেন। বাউল সঙ্গীতের প্রভাব রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্পষ্ট শোনা যায়।

স্বয়ং বঙ্গবন্ধু গুরুদেবের দর্শন এবং তাঁর শিল্পসাহিত্যের অনেক বড় প্রশংসক ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বমানবতাবাদ বঙ্গবন্ধুকে সবচাইতে বেশি প্রভাবিত করেছিল। গুরুদেবের ‘সোনার বাংলা’ বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রমুগ্ধকর ভাষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছিল। রবীন্দ্রনাথের এই বিশ্ব মানবতাবাদ আমাদের জন্যেও প্রেরণাস্বরূপ। আমরা নিজেদের শব্দে একে ‘সকলের সঙ্গে, সকলের উন্নয়ন’ মূলমন্ত্রে পরিণত করেছি।

বন্ধুগণ,

ভারত ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে এই সমৃদ্ধ পরম্পরা, এই মহাপুরুষদের সম্পর্কে জানতে ওবুঝতে পারে, সেজন্যে আমাদের সবাইকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের সরকারের সকল সংশ্লিষ্ট অঙ্গ যেমন ভারতীয় হাই কমিশন এবং অন্যান্য সংগঠন ও ব্যক্তি, ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদ এই কাজ এগিয়ে নিয়ে চলেছে।

আজ যেমন এখানে ‘বাংলাদেশ ভবন’ এর উদ্বোধন হল, তেমনি বাংলাদেশের কুষ্ঠিয়া জেলায় গুরুদেব রবীন্দ্র বাসভবনটি সংস্কারের দায়িত্ব নিয়েছে ভারত সরকার।

বন্ধুগণ, এই মিলিত ঐতিহ্য এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের মাধুর্য আমাদের সম্পর্ককে অমৃতসিঞ্চনকরেছে আর আমাদের সুখে-দুঃখে একসূত্রে বেঁধেছে। সেজন্যে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের লড়াই সীমান্তের ওই পারে হলেও এর প্রেরণার বীজ আহরিত হয়েছিল এপারের মাটি থেকে। অত্যাচারী শাসকেরা নিজেদের স্বার্থে বাংলাদেশের মানুষকে যত আঘাত করেছে, তার পীড়া অনুভূত হয়েছে এপারের মানুষও। সেজন্যে বঙ্গবন্ধু যখন মুক্তির বিউগল বাজিয়েছিলেন, তখন কোটি কোটি ভারতবাসীর ভাবনাও সেই মুক্তির সঙ্গে অবলীলায়জুড়ে গেছে। অত্যাচার এবং আতঙ্কের বিরুদ্ধে আমাদের মিলিত সংকল্প এবং তার ইতিহাস এই ভবনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও প্রেরণা দিয়ে যাবে।

বন্ধুগণ, আমার মনে আছে গতবছর দিল্লিতে বাংলাদেশ সরকার যখন ভারতীয় সৈনিকদের সম্মানীত করছিল, তখন কেমন আনন্দঘন অশ্রুসজল মুহূর্ত সৃষ্টি হয়েছিল! ওই অনুষ্ঠান নিছকই বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে শহিদ হওয়া ১৬৬১জন ভারতীয় সৈনিকের সম্মান অনুষ্ঠান ছিল না, সেই কোটি কোটি মানুষের ভাবনাকে সম্মান প্রদর্শন ছিল যা সেই যুদ্ধে বাংলাদেশের প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার প্রেরণা যুগিয়েছিল। এমন খুব কমই হয় দেখা যায় যে প্রতিবেশী দেশ পরস্পরের সৈনিকদের এধরণের সম্মান জানাচ্ছে।

বন্ধুগণ, বিগত কয়েকবছর ধরে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে সোনালী অধ্যায় লেখা হচ্ছে। স্থল সীমান্ত এবং সমুদ্রসীমা নিয়ে সমস্যার মতো জটিল দ্বিপাক্ষিক বিষ্যের সমাধান করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু আমরা এই দুই ক্ষেত্রে নিজেদের সমস্যা সাফল্যের সঙ্গে মিটিয়ে নিয়েছি। সড়ক, রেল, জলপথ এবং তটবর্তী জাহাজ চলাচলের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির কাজ আমরা দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। ১৯৬৫ সাল থেকে বন্ধ যোগাযোগের পথগুলিও এখন খোলার ব্যবস্থা হচ্ছে এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রাও বিকশিত হচ্ছে।

গতবছর কলকাতা ও খুলনার মাঝে এয়ারকন্ডিশন রেল পরিষেবা চালু হয়েছে। এই রেলপরিষেবাকে আমরা বন্ধনের নামেনামকরণ করেছি, -মৈত্রী!

ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়মিত বিদ্যুৎশক্তি যায় ৬০০ মেগাওয়াট।এবছর আমরা সেই মাত্রা বৃদ্ধি করে ১১০০ মেগাওয়াট করার লক্ষ্যরেখেছি।

উত্তর-পূর্বভারতের রাজ্যগুলিতে ইন্টারনেট সংযোগের একটি পথ বাংলাদেশের মাধ্যমে আসছে। বাংলাদেশের উন্নয়নেপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে অগ্রাধিকারগুলি বেছে নিয়েছেন, সেসব ক্ষেত্রে সহায়তার জন্যে ভারত ৮ বিলিয়ন ডলার এর লাইনস অফ ক্রেডিট এর ব্যবস্থা করেছে। এগুলির প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত গতিতে এগুচ্ছে, প্রকল্পগুলির চিহ্নিতকরণ সম্পন্ন হয়েছে, এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে তো ক্রেডিটও প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মহাকাশ প্রযুক্তিতেও এগিয়ে চলেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে। সেজন্যেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের জনগণকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আজ ভারতে আমরা মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গরিব মানুষের জীবন মান উন্নত করতে এবং ব্যবস্থায় একটা স্বচ্ছতা আনতে পেরেছি। আমার বিশ্বাস যে ভবিষ্যতে মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দরজা খুলবে।

আমি খুশি যে বাংলাদেশেরপ্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনা এবং আমাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগ আরও প্রাণশক্তি অর্জন করছে। তিনি গত বছরও ভারতে এসেছিলেন আর আজকের অনুষ্ঠানেও তিনি স্বয়ং উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

বন্ধুগণ, আমাদের আশা এবং আকাঙ্ক্ষায় যেমন মিল রয়েছে তেমনি আমাদের সমস্যাগুলিও একইরকম। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্কট আজ আমাদের সকলের সামনেই রয়েছে। আবার গনগনে সূর্য থেকেই আমরা সৌরশক্তিআহরণ করতে পারি। বাংলাদেশেরউন্নয়নেপ্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ‘সকলের জন্যে বিদ্যুৎ’ এর লক্ষ্য রেখেছেন। ভারতও তেমনি আগামী বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছনোর লক্ষ্য ধার্য করেছে। আমরা ইতিমধ্যেই দেশের প্রত্যেক গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছনোর লক্ষ্যপূরণে সফল হয়েছি। আমাদের সংকল্পে মিল রয়েছে, আর সেগুলি বাস্তবায়নের পথও একই।

বন্ধুগণ, ভারত আন্তর্জাতিক সৌর সঙ্ঘ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ এই সঙ্ঘের সদস্য হয়েছে। এই সঙ্ঘ বিশ্বময় সৌরশক্তির ক্ষমতা ‘এক্সপ্লোর’ করবে আর ভিন্ন ভিন্ন দেশকে অর্থপ্রদানের একটা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে বাংলাদেশও এই সঙ্ঘের সদস্য হয়েছে। এ বছর মার্চ মাসে দিল্লিতে আন্তর্জাতিকসৌরসঙ্ঘেরশিখর সম্মেলনহয়েছে।আমরাআনন্দিতযেবাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি স্বয়ংসেইসম্মেলনেঅংশগ্রহণকরেছিলেন।

এথেকেস্পষ্টহয়যেসীমান্তেরদুদিকেইসমস্যাগুলিকেসুযোগেপরিবর্তনেরজন্যেসহযোগিতারইচ্ছাকতপ্রবল।

গতমাসেআমিবাংলাদেশের১০০সদস্যবিশিষ্টযুবপ্রতিনিধিমন্ডলেরসঙ্গেমিলিতহয়েছি।আমিদেখেছিযেতাঁদেরআকাঙ্খাগুলি, তাঁদেরস্বপ্ন, ভারতেরযুবসম্প্রদায়েরআকাঙ্ক্ষাআরস্বপ্নেরমতোই।আরউভয়দেশেরউন্নয়নেরজন্যে, আমাদেরযুবসম্প্রদায়েরস্বপ্নসফলকরতেআমরাসবাইমিলেমিশেকাজকরতেদায়বদ্ধ।

আজযখনপ্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের নতুন পথে এগিয়ে চলেছে, আজ যখন বাংলাদেশ উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেষের মর্যাদা পাওয়ার সকল মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হয়েছে, তখন যতটা গর্ব বাংলাদেশের হচ্ছে, ভারতও ততটাই গর্বিত।

বাংলাদেশ সামাজিক ক্ষেত্রে যে ধরণের প্রগতি করেছে, গরিব মানুষের জীবন সহজ করার জন্যে এমন অদ্ভূত কাজ করেছে যে তা ভারতবাসীকেও প্রেরণা যোগাচ্ছে।

বন্ধুগণ, আজ ভারত ও বাংলাদেশের উন্নয়নের সুত্র, উভয় দেশই একটি সুন্দর হারের মতো পরস্পরের সঙ্গে গেঁথে চলেছে। বিশ্বের কিছু অংশে যে ধরণের অনিশ্চয়তার পরিবেশ গড়ে উঠেছে, বিশ্ব পরিস্থিতি তীব্রগতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে একটি ধ্রুবসত্য আমাদের সামনে উঠে এসেছে যে, প্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্যে, শান্তি এবং স্থিরতার জন্যে, সুখ আর সদ্ভাবের জন্যে মৈত্রী এবং পারস্পরিক সহযোগিতার কোনও বিকল্প নেই। ভারত ও বাংলাদেশ সেই পারস্পরিক সহযোগিতারমাধ্যমেই এগিয়ে চলেছে। এই অগ্রগতি শুধু দ্বিপক্ষীয় স্তরেই নয়, বিমস্টেক-এর মতো মঞ্চেও আমাদের সহযোগ আঞ্চলিক প্রগতি এবং যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সহায়কহয়েছে।

বন্ধুগণ, এসব ক্ষেত্রে প্রগতির মধ্যে প্রত্যেক দেশের প্রগতি নিহিত। সময়ের এই কালখণ্ডে এটি আমাদের সকলের জন্যে একটি সুযোগ তৈরি করেছে। আজ ভারত ও বাংলাদেশ যেভাবে পরস্পরের পাশে দাঁড়িয়ে বন্ধুত্ব পালন করছে, পরস্পরের উন্ন্যয়ণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, তা অন্যদের জন্য একটি শিক্ষা, একটি উদাহরণ, একটি গবেষণার বিষয়।

বন্ধুগণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ২০৪১সালের মধ্যে উন্নত দেশ করে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছেন তা তাঁর দূরদৃষ্টি, তিনি যে বঙ্গবন্ধু পরম্পরার উত্তরাধিকারী, তিনি সর্বদাই বাংলাদেশের হিতের কথা ভাবেন। এই লক্ষ্যপূরণে ভারত সবসময়ই সহযোগিতা করে যাবে।

আমি আরেকবার প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা এবংতাঁরসঙ্গেআসাবিশিষ্টজনেদেরএখানেআসারজন্যেকৃতজ্ঞতাজানাই।আপনাদের সবাইকে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন উপলক্ষ্যে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Indian Railways to roll out the first rake of 20 LHB coaches for Bangladesh Railway on August 12

Media Coverage

Indian Railways to roll out the first rake of 20 LHB coaches for Bangladesh Railway on August 12
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister highlights India’s strong conservation efforts on World Elephant Day
August 12, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi today stated that on World Elephant Day, we celebrate the majestic elephant, which has remained an integral part of India’s ecological heritage. He expressed gladness that India is home to over 60% of the world’s wild Asian elephants.

The Prime Minister noted that our nation has 33 Elephant Reserves, which provide habitats for elephants and strengthen our efforts towards their long-term conservation. Shri Modi also expressed pride in all forest personnel, scientists, veterinarians, mahouts, and the local communities who are integral to all such efforts.

In a post on X, the Prime Minister shared:

"On World Elephant Day, we celebrate the majestic elephant which has remained an integral part of India’s ecological heritage. It is gladdening that India is home to over 60% of the world’s wild Asian elephants. Our nation has 33 Elephant Reserves, which provide habitats for elephants and strengthen our efforts towards their long-term conservation. We are also proud of all forest personnel, scientists, veterinarians, mahouts and the local communities who are integral to all such efforts."