It is only partnerships that will get us to our goals: PM Modi
The health of mothers will determine the health of the children and the health of children will determine the health of our tomorrow: PM Modi
The India story is one of hope: PM Narendra Modi at Partners' Forum
We are committed to increasing India’s health spending to 2.5 percent of GDP by 2025: Prime Minister

মঞ্চে উপস্থিত সম্মানীয় অতিথিবৃন্দ,

ভারত ও বিদেশ থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ,

ভদ্র মহোদয়া ও মহোদয়গণ,

নমস্কার,

২০১৮-র পার্টনার্স ফোরামে সারা বিশ্ব থেকে আগত প্রতিনিধিদের সাদর আমন্ত্রণ জানাই।

অংশীদারিত্বই একমাত্র আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করবে। নাগরিকদের মধ্যে অংশীদারিত্ব, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে অংশীদারিত্ব এবং নানা দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব। এর প্রতিফলনই হচ্ছে ধারাবাহিক উন্নয়ন।

বিভিন্ন দেশ এককভাবে তাঁদের প্রচেষ্টা চালানোর সময় পেরিয়ে এসেছে। বর্তমানে তাঁরা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার কাজে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মায়েদের স্বাস্থ্যের ওপর শিশুদের স্বাস্থ্য নির্ভর করে। শিশুর স্বাস্থ্য স্থির করবে আমাদের ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য।

আমরা এখানে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যের মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনার জন্য সমবেত হয়েছি। আমাদের আজকের আলোচনার ফলাফল ভবিষ্যতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।

এই পার্টনার্স ফোরামের লক্ষ্য ভারতের সুপ্রাচীন ঐতিহ্য ‘বসুধৈব কুটুম্বকম্‌’ – এর সঙ্গে এক সূত্রে গাঁথা। এই বিশ্ব একটি পরিবার। এর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে আমার সরকারের দর্শন ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’। যার অর্থ সর্বজনীন উন্নয়নের জন্য সমন্বিত প্রয়াস ও অংশীদারিত্ব।

মা নবজাতক ও শিশুদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে অংশীদারিত্ব নিয়ে এটি একটি কার্যকর মঞ্চ। আমরা কেবলমাত্র উন্নত স্বাস্থ্যের লক্ষ্যে আলোচনা করছি না। আমরা দ্রুত উন্নয়নের জন্যও মতবিনিময় করছি।

বিশ্বে দ্রুত উন্নয়নের জন্য সর্বদা নতুন নতুন পন্থা-পদ্ধতির খোঁজ চলছে। মহিলাদের সুস্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করা এই লক্ষ্য পূরণের অন্যতম প্রধান পন্থা হয়ে উঠতে পারে। গত কয়েক বছরে আমরা বিপুল পরিমাণ সাফল্য অর্জন করেছি। তবে, এখনও আমাদের অনেক কিছু করা বাকি। বড় বাজেট তৈরি থেকে শুরু করে উন্নত ফলাফল এবং সর্বোপরি মানসিক চিন্তাভাবনা পরিবর্তন থেকে শুরু করে এই প্রেক্ষিতে নজরদারি ব্যবস্থার উন্নতি, সব ক্ষেত্রেই আমাদের অনেক কিছু করতে হবে।

ভারতের কাহিনী অন্যতম আশার আলো। আশার বিষয় হ’ল এই যে, যে কোনও প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করা যায়। ব্যবহারিক পরিবর্তন সুনিশ্চিত করার আশা। আশা এই যে, দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

গত কয়েক বছরে ভারতে মহিলা ও শিশু মৃত্যুর হার দ্রুত হারে কমেছে। নবজাতক, শিশু ও মায়েদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে এসডিজি-র ধার্য করা লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য ভারত সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে।

কিশোরদের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়নে ভারত যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছে। মহিলা, শিশু ও কিশোররা যাতে তাঁদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে ২০১৫ সালে গৃহীত মহিলা, শিশু ও কিশোর বিষয়ক আন্তর্জাতিক কৌশল অনুযায়ী কাজ চলছে।

বন্ধুগুণ,

আমাদের ইতিহাস বলে, যেখানে মহিলাদের সম্মান করা হয়, সেখানেই ঈশ্বর বসবাস করেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, কোনও দেশের মহিলা ও শিশু যখন শিক্ষিত হন, স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে পারেন, তাঁদের সঠিকভাবে ক্ষমতায়ন করা যায় এবং যথাযথভাবে জীবনযাপন করতে পারেন, সেই দেশই তখন উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলে।

আমি আনন্দিত যে, আমার পছন্দের ভারতের টিকাকরণ কর্মসূচির সাফল্যের কাহিনী হিসাবে এই মঞ্চে তুলে ধরা হবে। মিশন ইন্দ্রধনুষের আওতায় আমরা গত তিন বছরে ৩২ লক্ষ ৮ হাজার শিশু ও ৮০ লক্ষ ৪০ হাজার গর্ভবতী মহিলার টিকাকরণ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। আমাদের এই টিকা বর্তমানে নিউমোনিয়া ও ডায়েরিয়ার মতো মারণ রোগের প্রতিষেধক হিসাবেও ব্যবহৃত হয়।

বন্ধুগণ,

২০১৪ সালে আমার সরকার যখন দায়িত্বভার গ্রহণ করে, তখন আমরা প্রতি বছর শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে ৪৪ হাজার মা’কে হারাতাম। গর্ভাবস্থায় মায়েদের যথাসম্ভব সহায়তা প্রদানের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষিত মাতৃত্ব অভিযান চালু করি। আমরা চিকিৎসকদের প্রতি মাসে একদিন এই অভিযানে অংশ নিয়ে চিকিৎসার আহ্বান জানাই। এই প্রচারাভিযানের অঙ্গ হিসাবে ১ কোটি ৬০ লক্ষ গর্ভবতী মহিলাকে চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

দেশে ২ কোটি ৫০ লক্ষ নবজাতক রয়েছে। নবজাতকদের উন্নত পরিষেবা প্রদানের জন্য ৭৯৪টি ওত্যাধুনিক নবজাতক পরিষেবা কেন্দ্র ১০ লক্ষেরও বেশি নবজাতক শিশুকে বিশেষ চিকিৎসা ও পরিষেবার সুবিধা দিতে পেরেছে। আমাদের এই প্রয়াসের ফলে, গত চার বছরের তুলনায় বর্তমানে প্রতিদিন ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৮৪০ জনকে অতিরিক্ত জীবনদান করা সম্ভব হচ্ছে।

পোষণ অভিযানের মাধ্যমে শিশুর পুষ্টির বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, ভারতকে অপুষ্টির সমস্যা মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। শিশুদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আমরা চালু করেছি জাতীয় শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচি। এর মাধ্যমে গত চার বছরে ২ কোটিরও বেশি শিশুর বিনামূল্যে চিকিৎসা করানো হয়েছে।

যে বিষয়টি আমাদের অনবরত ভাবিয়ে তোলে, সেটি হ’ল স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য ব্যয়বহুল ব্যবস্থা। এই সমস্যা সমাধানে আমরা চালু করেছি আয়ুষ্মান ভারত যোজনা। এর দুটি ভাগ রয়েছে।

প্রথমটিতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির সাহায্যে যোগাভ্যাস ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ওপর দিশা-নির্দেশ দেখানো হচ্ছে। ‘ফিট ইন্ডিয়া’ এবং ‘ইট রাইট’ অর্থাৎ সুস্থ ভারত এবং সঠিক খাবার গ্রহণ করুন – এই দুটি কর্মসূচি সুস্বাস্থ্যের লক্ষ্যে আমাদের গৃহীত বিভিন্ন কৌশলের মধ্যে অন্যতম। মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপের মতো সাধারণ সমস্যা মোকাবিলায় বিনামূল্যে পরিষেবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া, তিনটি সাধারণ ক্যান্সার মোকাবিলাতেও সরকারের তরফে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। রোগীরা তাঁদের নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে ওষুধ ও রোগ নির্ণায়ক পরীক্ষার সুবিধা পাবেন। আমরা ২০২২ সালের মধ্যে এ ধরণের ১ কোটি ৫০ লক্ষ স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছি।

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অন্য একটি ভাগ হ’ল – প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা। এর মাধ্যমে প্রতি বছর প্রত্যেক পরিবার ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পাবেন। দরিদ্র শ্রেণীর ৫০ কোটি জনগণকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই জনসংখ্যা প্রায় কানাডা, মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার সমতুল। আমরা এই প্রকল্প চালুর ১০ সপ্তাহের মধ্যেই ৫ লক্ষ পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছি, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৭০০ কোটি টাকা।

বিশ্বের সর্বজনীন স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়নে আমরা কাজ করে যাব বলে আমি আবারও প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

১০ লক্ষ সামাজিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মী বা আশা কর্মী এবং ২ লক্ষ ৩২ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী আমাদের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। মহিলাদের একটি শক্তিশালী বাহিনী স্বাস্থ্য কর্মী হিসাবে অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। তাঁরা আমাদের এই কর্মসূচির অন্যতম স্তম্ভ।

ভারত একটি বিশাল দেশ। কয়েকটি রাজ্য ও জেলা উন্নত দেশগুলির মতো ভূমিকা পালন করছে। কয়েকটি রাজ্য বা জেলা হয়তো পিছিয়েও রয়েছে। আমি আমার আধিকারিকদের এমন ১১৭টি সম্ভাবনাময় জেলা চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছি। এই প্রতিটি জেলায় শিক্ষা, জল, স্বচ্ছতা, গ্রামোন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির মানোন্নয়নে একটি দল কাজ করবে।

অন্যান্য বিভাগেও মহিলা-কেন্দ্রিক প্রকল্প চালুর জন্য আমরা কাজ করছি। ২০১৫ সাল পর্যন্ত ভারতের মহিলাদের অর্ধেকই রান্নার জন্য স্বচ্ছ জ্বালানি পেতেন না। উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে আমরা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন করেছি। ৫৮ কোটি মহিলা বর্তমানে স্বচ্ছ জ্বালানি ব্যবহার করে রান্না করেন।

২০১৯ সালের মধ্যে ভারত’কে খোলা জায়গায় শৌচ মুক্ত করতে আমরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছি। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য চালু করা হয়েছে স্বচ্ছ ভারত মিশন। গত চার বছরে গ্রামীণ এলাকায় স্বচ্ছতার হার ৩৯ শতাংশ থেকে বেরে দাঁড়িয়েছে ৯৫ শতাংশে।

আমরা সকলেই জানি যে, আপনি যদি একজন পুরুষ মানুষকে শিক্ষা দেন, তা হলে একজন ব্যক্তিকেই শুধু শিক্ষিত করা হয়। কিন্তু, একজন মহিলাকে শিক্ষিত করে তুলতে গোটা পরিবারকে শিক্ষিত করে তোলা সম্ভব হয়। আমরা এই বিষয়টিকে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করেছি। এর আওতায় বালিকাদের শিক্ষাদানের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা বালিকাদের জন্য একটি ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পও চালু করেছি, যার নাম ‘সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা’। এই প্রকল্পের আওতায় বালিকাদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।

আমরা প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনাও চালু করেছি। এর ফলে, ৫০ কোটি গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মহিলা উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাককাউন্টে সরাসরি নগর হস্তান্তরের ব্যবস্থা রয়েছে।

আমরা মাতৃত্বকালীন ছুটির পরিমাণ ১২ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ২৬ সপ্তাহ করেছি। আমরা ভারতের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে জিডিপি-র হার ২০২৫ সালের মধ্যে বাড়িয়ে ২.৫ শতাংশ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা জনগণের উন্নয়নের জন্য কাজ চালিয়ে যাব। মহিলা, শিশু ও তরুণদের কথা ভেবেই প্রতিটি নীতি, কর্মসূচি ও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বন্ধুগণ,

আগামী দু’দিনে এই মঞ্চে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সারা বিশ্বের সাফল্যের ১২টি কাহিনী নিয়ে আলোচনা হবে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে আলোচনার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে, আমরা একে অপরের থেকে শিখতে পারব। ভারত দক্ষতা প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে এবং স্বল্প মূল্যে ওষুধ ও টিকার ব্যবস্থা করে দিয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

মন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় ফলাফল জানতে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করব। এই মঞ্চ সঠিক সময়ে আমাদের যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিশেষ ভূমিকা পালনে সাহায্য করবে।

আমরা সকলের জন্য সুস্বাস্থ্যের লক্ষ্যে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভারত সর্বদাই তাঁর সহযোগী দেশগুলির পাশে সহমর্মিতার সঙ্গে দাঁড়ায়।

সমগ্র মানবজাতির সহায়তায় ভারত সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানায়। চলুন, এই বিশেষ লক্ষ্য পূরণের জন্য আমরা একযোগে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই।

সকলকে ধন্যবাদ।

 

 

 

 

 

 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
With HPV vaccine rollout, AIIMS oncologist says it’s the beginning of the end for cervical cancer in India

Media Coverage

With HPV vaccine rollout, AIIMS oncologist says it’s the beginning of the end for cervical cancer in India
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The HPV vaccination campaign, launched from Ajmer, marks a significant step towards empowering the nation’s Nari Shakti: PM Modi in Rajasthan
February 28, 2026
Our government is committed to all-round development: PM
Today, I had the privilege of launching the nationwide HPV vaccination campaign from Ajmer, inaugurating and laying foundation stones for multiple projects and distributing appointment letters to the youth: PM
The HPV vaccination campaign has commenced from Ajmer, this campaign is a significant step towards empowering the Nari Shakti of the country: PM
The double-engine government is moving forward by taking both Rajasthan’s heritage and development together: PM
The campaign to link rivers started by our government will significantly benefit Rajasthan: PM
There is no shortage of sunlight in Rajasthan, this very sunshine is becoming a source of savings and income for the common man: PM
A very significant role is being played by the PM Surya Ghar Free Electricity Scheme, this scheme has the power to change Rajasthan's destiny: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

तीर्थराज पुष्कर और माता सावित्री की इस पावन भूमि पर, आज मुझे आप सबके बीच आने का, आपके आशीर्वाद प्राप्त करने का अवसर मिला है। इस मंच से मैं सुरसुरा के तेजाजी धाम को, पृथ्वीराज की भूमि अजमेर को प्रणाम करता हूं।

मेरे साथ बोलिए –

तीर्थराज पुष्कर की जय।

तीर्थराज पुष्कर की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

वरूण अवतार भगवान झूलेलाल जी की जय।

भगवान झूलेलाल जी की जय।

मंच पर विराजमान राजस्थान के राज्यपाल हरिभाउ बागडे जी, राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भजनलाल शर्मा जी, पूर्व मुख्यमंत्री बहन वसुंधरा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी भगीरथ चौधरी जी, उपमुख्यमंत्री प्रेमचंद भैरवा जी, दिया कुमारी जी, संसद में मेरे साथी, भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष मदन राठौर जी, उपस्थित अन्य मंत्रिगण, अन्य महानुभाव और राजस्थान के मेरे प्यारे भाई और बहनों। मैं पूज्य संतों का बहुत आभारी हूं, कि हमें आशीर्वाद देने के लिए इतनी बड़ी संख्या में पूज्य संतगण यहां मौजूद हैं।

साथियों,

अजमेर आस्था और शौर्य की धरती है। यहां तीर्थ भी है और क्रांतिवीरों के पदचिन्ह भी हैं। अभी कल ही मैं इजराइल की यात्रा को पूरा करके भारत लौटा हूं। राजस्थान के सपूत मेजर दलपत सिंह के शौर्य को इजराइल के लोग आज भी गौरव से याद करते हैं। मुझे भी इजराइल की संसद में, मेजर दलपत सिंह जी के शौर्य को नमन करने का सौभाग्य मिला। राजस्थान के वीर बाकुरों की, इजराइल के हाइफा शहर को आजाद कराने में जो भूमिका थी, मुझे उसका गौरवगान करने का अवसर मिला है।

साथियों,

कुछ समय पहले ही, राजस्थान में भाजपा की डबल इंजर सरकार को दो साल पूरे हुए हैं, मुझे संतोष है कि आज राजस्थान विकास के नए पथ पर अग्रसर है। विकास के जिन वायदों के साथ भाजपा सरकार आपकी सेवा में आई थी, उन्हें तेजी के साथ पूरा कर रही है। और आज का दिन, विकास के इसी अभियान को तेज करने का दिवस है। थोड़ी देर पहले यहां राजस्थान के विकास से जुड़ी करबी 17 हजार करोड़ रूपयों की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। सड़क, बिजली, पानी, स्वास्थ्य, शिक्षा, हर क्षेत्र में नई शक्ति जुड़ रही है। ये सारे प्रोजेक्टस राजस्थान की जनता की सुविधा बढ़ाएंगे और राजस्थान के युवाओं के लिए, रोजगार के भी अवसर पैदा करेंगे।

साथियों,

भाजपा की डबल इंजर सरकार लगातार युवा शक्ति को सशक्त कर रही है। दो साल पहले तक राजस्थान से भर्तियों में भ्रष्टाचार और पेपर लीक की ही खबरें चमकती रहती थीं, आती रहती थीं। अब राजस्थान में पेपर लीक पर लगाम लगी है, दोषियों पर सख्त कार्रवाई हो रही है। आज यहां इसी मंच से राजस्थान के 21 हजार से अधिक युवाओं को नियुक्ति पत्र भी सौंपे गए हैं। ये बहुत बड़ा बदलाव आया है। मैं इस बदलाव के लिए, नई नौकरियों के लिए, विकास के सभी कामों के लिए, राजस्थान के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज वीरांगनाओं की इस धरती से, मुझे देशभर की बेटियों के लिए एक अहम अभियान शुरू करने का अवसर मिला है। यहां अजमेर से HPV वैक्सीनेशन अभियान शुरू हुआ है। ये अभियान, देश की नारीशक्ति को सशक्त करने की दिशा में अहम कदम है।

साथियों,

हम सब जानते हैं कि परिवार में जब मां बीमार होती है, तो घर बिखर सा जाता है। अगर मां स्वस्थ है, तो परिवार हर संकट का सामना करने में सक्षम रहता है। इसी भाव से, भाजपा सरकार ने महिलाओं को संबल देने वाली अनेक योजनाएं चलाई हैं।

साथियों,

हमने 2014 से पहले का वो दौर देखा है, जिसमें शौचालय के अभाव में बहनों-बेटियों को कितनी पीड़ा, कितना अपमान झेलना पड़ता था। बच्चियां स्कूल छोड़ देती थीं, क्योंकि वहां अलग टॉयलेट की सुविधा नहीं होती थी। गरीब बेटियां सेनिटरी पैड्स नहीं ले पाती थीं। पहले जो सत्ता में रहे, उनके लिए ये छोटी बातें थीं। इसलिए इन समस्याओं की चर्चा तक नहीं होती थी। लेकिन हमारे लिए ये बहनों-बेटियों को बीमार करने वाला, उनके अपमान से जुड़ा संवेदनशील मसला था। इसलिए, हमने इनका मिशन मोड पर समाधान किया।

साथियों,

गर्भावस्था के दौरान कुपोषण माताओं के जीवन के लिए बहुत बड़ा खतरा होता था। हमने सुरक्षित मातृत्व के लिए योजना चलाई, मां को पोषक आहार मिले, इसके लिए पांच हज़ार रुपए बहनों के खाते में जमा करने की योजना शुरु की। मां धुएं में खांसती रहती थी, लेकिन उफ्फ तक नहीं करती थी। हमने कहा ये नहीं चलेगा। और इसलिए उज्जवला गैस योजना बनाई गई। ये सब इसलिए संभव हुआ, क्योंकि भाजपा सरकार, सत्ता भाव से नहीं, संवेदनशीलता के साथ काम करती है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। आज का समय राजस्थान के विकास के लिए बड़ा महत्वपूर्ण है। भाजपा की डबल इंजन सरकार, राजस्थान की विरासत और विकास, दोनों को साथ लेकर चल रही है। हम सब जानते हैं, अच्छी सड़क, अच्छी रेल और हवाई सुविधा सिर्फ सफर आसान नहीं करती, वो पूरे इलाके की किस्मत बदल देती है। जब गांव-गांव तक अच्छी सड़क पहुँचती है, तो किसान अपनी फसल सही दाम पर बेच पाता है। व्यापारी आसानी से अपना सामान बाहर भेज पाते हैं। और हमारा अजमेर-पुष्कर तो, उसकी पर्यटन की ताकत कौन नहीं जानता। अच्छी कनेक्टिविटी का पर्यटन पर सबसे अच्छा असर पड़ता है। जब सफर आसान होता है, तो ज्यादा लोग घूमने आते हैं।

और साथियों,

जब पर्यटक आते हैं तो स्वाभाविक है होटल चलते हैं, ढाबे चलते हैं, कचौड़ी और दाल बाटी ज्यादा बिकती है, यहां राजस्थान के कारीगरों का बनाया सामान बिकता है, टैक्सी चलती है, गाइड को काम मिलता है। यानी एक पर्यटक कई परिवारों की रोज़ी-रोटी बन जाता है। इसी सोच के साथ हमारी सरकार, राजस्थान में आधुनिक कनेक्टिविटी पर बहुत बल दे रही है।

साथियों,

जैसे-जैसे राजस्थान में कनेक्टिविटी का विस्तार हो रहा है, वैसे-वैसे यहां निवेश के लिए भी अवसर लगातार बढ़ते जा रहे हैं। दिल्ली-मुंबई इंडस्ट्रियल कॉरिडोर के इर्द-गिर्द उद्योगों के लिए एक बहुत ही शानदार इंफ्रास्ट्रक्चर बनाया जा रहा है। यानी राजस्थान को अवसरों की भूमि बनाने के लिए, डबल इंजन सरकार हर संभव, अनेक विध काम कर रही है।

साथियों,

राजस्थान की माताएं अपने बच्चों को पालने में ही, राष्ट्र भक्ति का संस्कार देती हैं। राजस्थान की ये धरा जानती है कि देश का सम्मान क्या होता है, और इसीलिए आज राजस्थान की इस धरा पर, मैं आप लोगों से एक और बात कहने आया हूं।

साथियों,

हाल में ही, दिल्ली में, दुनिया का सबसे बड़ा AI सम्मेलन हुआ, Artificial Intelligence इसमें दुनिया के अनेक देशों के प्रधानमंत्री, अनेक देशों के राष्ट्रपति, अनेक देशों के मंत्रि, उस कार्यक्रम में आए थे। दुनिया की बड़ी-बड़ी कंपनियां, उन कंपनियों के कर्ता-धर्ता वो भी एक छत के नीचे इकट्ठे हुए थे। सबने भारत की खुले मन से प्रशंसा की। मैं जरा राजस्थान के मेरे भाई-बहनों से पूछना चाहता हूं। जब दुनिया के इतने सारे लोग, भारत की प्रशंसा करते हैं, ये सुनकर के आपको गर्व होता है की नहीं होता है? आपको गर्व होता है कि नहीं होता है? आपको अभिमान होता है कि नहीं होता है? आपका माथा ऊंचा हुआ या नहीं हुआ? आपका सीना चौड़ा हुआ कि नहीं हुआ?

साथियों,

आपको गर्व हुआ, लेकिन हताशा निराशा में डूबी, लगातार पराजय के कारण थक चुकी कांग्रेस ने क्या किया, ये आपने देखा है। दुनियाभर के मेहमानों के सामने, कांग्रेस ने देश को बदनाम करने की कोशिश की। इन्होंने विदेशी मेहमानों के सामने देश को बेइज्जत करने के लिए पूरा ड्रामा किया।

साथियों,

कांग्रेस, पूरे देश में ल्रगातार हार रही है, और गुस्से में वो इसका बदला, वो भारत को बदनाम करके ले रही है। कभी कांग्रेस, INC यानी इंडियन नेशनल कांग्रेस थी, लेकिन अब INC नहीं बची है, इंडियन नेशनल कांग्रेस नहीं बची है, आज वो INC के बजाय MMC, MMC बन गई है। MMC यानी मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस हो चुकी है।

राजस्थान के मेरे वीरों,

इतिहास गवाह है, मुस्लिम लीग भारत से नफरत करती थी, और इसलिए मुस्लिम लीग ने देश बांट दिया। आज कांग्रेस भी वही कर रही है। माओवादी भी, भारत की समृद्धि, हमारे संविधान और हमारे सफल लोकतंत्र से नफरत करते हैं, ये घात लगाकर हमला करते हैं, कांग्रेस भी घात लगाकर, देश को बदनाम करने के लिए कहीं भी घुस जाती है। कांग्रेस के ऐसे कुकर्मों को देश कभी माफ नहीं करेगा।

साथियों,

देश को बदनाम करना, देश की सेनाओं को कमजोर करना, ये कांग्रेस की पुरानी आदत रही है। आप याद कीजिए, यही कांग्रेस है, जिसने हमारी सेना के जवानों को हथियारों और वर्दी तक के लिए तरसा कर रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसने सालों तक हमारे सैनिक परिवारों को वन रैंक वन पेंशन से वंचित रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसके जमाने में विदेशों से होने वाले रक्षा सौदों में बड़े-बड़े घोटाले होते थे।

साथियों,

बीते 11 वर्षों में भारत की सेना ने हर मोर्चे पर आतंकियों पर, देश के दुश्मनों पर करारा प्रहार किया। हमारी सेना, हर मिशन, हर मोर्चे में विजयी रही। सर्जिकल स्ट्राइक से लेकर ऑपरेशन सिंदूर तक, वीरता का लोहा मनवाया, लेकिन कांग्रेस के नेताओं ने इसमें भी दुश्मनों के झूठ को ही आगे बढ़ाया। देश के लिए जो भी शुभ है, जो भी अच्छा है, जो भी देशवासियों का भला करने वाला है, कांग्रेस उस सबका विरोध करती है। इसलिए, देश आज कांग्रेस को सबक सिखा रहा है।

साथियों,

राजस्थान में तो आपने कांग्रेस के कुशासन को करीब से अनुभव किया है। यहां जितने दिन कांग्रेस की सरकार रही, वो भ्रष्टाचार करने और आपसी लड़ाई-झगड़े में ही उलझी रही। कांग्रेस ने हमारे किसानों को भी हमेशा धोखा दिया है। आप याद कीजिए, कांग्रेस ने दशकों तक सिंचाई की परियोजनाओं को कैसे लटकाए रखा। इसका राजस्थान के किसानों को बहुत अधिक नुकसान हुआ है। ERCP परियोजना को कांग्रेस की सरकारों ने केवल फाइलों और घोषणाओं में उलझाकर रखा। हमारी सरकार ने आते ही इस स्कीम को फाइलों से निकालकर धरातल पर उतारने का प्रयास किया है।

साथियों,

हमारी सरकार ने नदियों को जोड़ने का जो अभियान शुरु किया है, उसका बहुत अधिक फायदा राजस्थान को मिलना तय है। संशोधित पार्वती-कालीसिंध-चंबल लिंक परियोजना हो, यमुना-राजस्थान लिंक प्रोजेक्ट हो, डबल इंजन सरकार ऐसी अनेक सिंचाई परियोजनाओं का लाभ किसानों तक पहुंचाने के लिए प्रतिबद्ध है। आज भी झालावाड़, बारां, कोटा और बूंदी जिले के लिए पानी की अनेक परियोजनाओं पर काम शुरु हुआ है। हमारा प्रयास है, कि राजस्थान में भूजल का स्तर भी ऊपर उठे।

साथियों,

भाजपा सरकार, राजस्थान के सामर्थ्य को समझते हुए, योजनाएं बना रही है, उन्हें लागू कर रही है। मुझे खुशी है कि राजस्थान अब, सूरज की ताकत से समृद्धि कमाने वाली धरती बन गया है। हम सब जानते हैं, हमारे राजस्थान में धूप की कोई कमी नहीं। अब यही धूप, सामान्य मानवी के घर की बचत और कमाई का साधन बन रही है। और इसमें बहुत बड़ी भूमिका है, प्रधानमंत्री सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना की। इस योजना में राजस्थान का भाग्य बदलने की ताकत है। इस योजना में भाजपा सरकार लोगों को अपनी छत पर सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए की सहायता देती है। सरकार सीधे आपके बैंक खाते में पैसे भेजती है। आजादी के बाज सब बजट, सब योजनाएं देख लीजिए, जिसमें मध्यम वर्ग को सबसे ज्यादा लाभ होने वाला है, ऐेसी योजना कभी नजर नहीं आएगी, आज इन परिवारों को सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए सीधा सरकार देती है। सबसे अधिक लाभ मध्यम वर्ग के लोग ले रहे हैं। और जिससे घर पर एक छोटा सा बिजली घर तैयार हो जाता है। दिन में सूरज की रोशनी से बिजली बनती है, घर में वही बिजली काम आती है और जो ज्यादा बिजली बनती है, वो बिजली ग्रिड में जाती है। और जिस घर में बिजली बनी होती है, उसे भी इसका लाभ मिलता है।

साथियों,

आज राजस्थान में सवा लाख से अधिक परिवार इस योजना से जुड़ चुके हैं। और इस योजना की वजह से, कई घरों का बिजली बिल लगभग जीरो आ रहा है। यानी खर्च कम हुआ है, बचत ज़्यादा हुई है।

साथियों,

विकसित राजस्थान से विकसित भारत के मंत्र पर हम लगातार काम कर रहे हैं। आज जिन योजनाओं पर काम शुरू हुआ है, वो विकसित राजस्थान की नींव को और अधिक मजबूत करेंगे। जब राजस्थान विकसित होगा, तो यहां के हर परिवार का जीवन समृद्ध होगा। आप सभी को एक बार फिर, विकास परियोजनाओं के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम के 150 साल देश मना रहा है। मेरे साथ बोलिये-

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

बहुत-बहुत धन्यवाद।