Sports is an important investment for the human resource development of a society: PM Modi
Sports can be expanded to mean S for Skill; P for Perseverance; O for Optimism; R for Resilience; T for Tenacity; S for Stamina: PM
We have no dearth of talent. But we need to provide right kind of opportunity & create an ecosystem to nurture the talent: PM
Women in our country have made us proud by their achievements in all fields- more so in sports: PM Modi
A strong sporting culture can help the growth of a sporting economy: PM Modi

“ঊষা স্কুলঅফ অ্যাথলেটিক্স”-এর সিন্থেটিক ট্র্যাকের উদ্বোধন উপলক্ষে সকল ক্রীড়াপ্রেমীকেজানাই অভিনন্দন।

ঊষা স্কুলেরউন্নয়নের ক্ষেত্রে এই ট্র্যাকের সূচনা এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। প্রশিক্ষণার্থীদেরকাছে তা আধুনিক সুযোগ-সুবিধার প্রসার ঘটাবে। এই স্কুলের উন্নয়নের জন্য আমাদেরনিজস্ব পাওলি এক্সপ্রেস ‘উড়ান পরী’ তথা ভারতের ‘স্বর্ণ বালিকা’ পি টি ঊষাজির অবদানওঅনস্বীকার্য ।

ভারতেরক্রীড়া জগতে পি টি ঊষা হলেন এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক।

জীবনে অনেকচ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েও তিনি উন্নীত হয়েছিলেন অলিম্পিক্সের ফাইনালে। কিন্তুএকটুর জন্য পদক তাঁর হাতছাড়া হয়ে যায়।

ভারতীয়অ্যাথলেটিক্সের ইতিহাসে এ ধরনের ট্র্যাক রেকর্ড মেলা ভার।

ঊষাজি, দেশআপনার জন্য গর্বিত। দেশের পক্ষে আরও ভালো হয়েছে ঊষাজি খেলাধূলার সঙ্গে নিজেকেযুক্ত রাখার জন্য। তাঁর ব্যক্তিগত দৃষ্টি ও মনযোগ আমাদের সুফল এনে দিয়েছে। কুমারীটিন্টু লুকান্ত, কুমারী জিসনা ম্যাথু-এর মতো তাঁর শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিকপর্যায়ে আজ এক বিশেষ সুনামের অধিকারী।

ঊষাজির মতোইঊষা স্কুলও সাধারণ অথচ সীমিত সহায়সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব করে তুলেছে।

এই সুযোগেকেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রক, স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এবং কেন্দ্রীয়পূর্ত দপ্তরকে অভিনন্দন জানাই এই প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য। অনেকবাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করে এই কাজ শেষ করতে কিছুটা বিলম্বও ঘটেছে।

কিন্তু যাইহোক, একেবারেই না হওয়ার থেকে দেরিতে হলেও ভালো। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ দ্রুততারসঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পূর্ণ করার বিষয়টিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে আমাদেরসরকার ।

প্রকল্পটিঅনুমোদিত হয় ২০১১ সালে। কিন্তু সিন্থেটিক ট্র্যাক নির্মাণের জন্য বরাত দেওয়া হয়২০১৫-তে। এই ট্র্যাকটি যে সম্পূর্ণরূপে একটি পিইউআর ট্র্যাক, সে সম্পর্কেও আমিঅবহিত।

এটির নকশাতৈরি করা হয়েছে এমনভাবে যাতে আঘাত লাগার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। শুধু তাইনয়, এটি নির্মাণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী।

যে কোনসমাজের মানবসম্পদ বিকাশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে ক্রীড়াক্ষেত্রের।

আমি বরাবরইমনে করি যে শরীরকে শুধুমাত্র সুস্থ রাখাই বড় কথা নয়, সেইসঙ্গে প্রয়োজন খেলাধূলারও।কারণ, তা আমাদের ব্যক্তিত্বের বিকাশে সাহায্য করে। আর এইভাবেই সার্বিক বিকাশ ঘটেএকজন ব্যক্তি মানুষের । তা কঠোর পরিশ্রমের নীতি ও শৃঙ্খলা এনে দেয় আমাদের মধ্যে ।

খেলাধূলাজীবন সম্পর্কে আমাদের অনেক কিছুই শিক্ষা দেয় যা আমাদের মননশীলতাকে সমৃদ্ধ করে।খেলার মাঠ হল আমাদের কাছে এক শিক্ষক বিশেষ । কারণ ক্রীড়াক্ষেত্রে আমাদের শ্রেষ্ঠ লাভের বিষয়টি হল এই যে জয় বা পরাজয়উভয়কেই জীবনের অঙ্গ রূপে আমরা গ্রহণ করতে শিখি।

একদিকে যেমনজয়লাভের পর আমরা বিনীত ও নম্র হতে শিখি, অন্যদিকে তেমনই পরাজয় আমাদের দমিয়ে রাখতেপারে না। কারণ, পরাজয় মানেই সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়, বরং, তা উঠে দাঁড়ানোর এবংঘুরে দাঁড়ানোর এক সূচনা মাত্র। আর এইভাবেই পৌঁছে যাওয়া যায় এক কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে।

খেলাধূলামানুষকে দলবদ্ধভাবে কাজ করার শক্তি যোগায়। মানুষকে তা করে তোলে উদার এবং অন্যদেরসহজ স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতা যোগায় তাদের মধ্যে। দেশের তরুণ ও যুবকদেরজীবনযাত্রার একটি অঙ্গ হিসেবে তাই ক্রীড়াকে গ্রহণ করা আমাদের পক্ষে একান্ত জরুরি।

আমার কাছেখেলাধূলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর গুণের সমাহার।

স্পোর্টস –এই কথাটিকে আমি ব্যাখ্যা করতে চাই এইভাবে :

এস – যারঅর্থ হল দক্ষতা;

পি – এরঅর্থ অধ্যবসায়;

ও – এর অর্থহল আশাবাদ;

আর – বোঝায়স্থিতিশীলতাকে;

টি – মানুষের অদম্য মনোবলের প্রতীক;

এস – একাগ্রথাকার মতো শক্তি বা মনোবল ।

ক্রীড়াসুলভশক্তি ও মানসিকতার জন্ম দেয় খেলাধূলাই, যা খেলার মাঠে বা তার বাইরে উভয় ক্ষেত্রেইএকান্ত প্রয়োজন।

এই কারণেইআমি প্রায়ই বলে থাকি – জো খেলে, ও খিলে – অর্থাৎ, যে খেলাধূলা করে, সেইজীবনে সফল হয়।

বর্তমানবিশ্ব পরস্পর সংযুক্ত এবং পরস্পর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতিতে একটি জাতির মসৃণক্ষমতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে কোন জাতিরই অর্থনৈতিক এবং সামরিক শক্তিরবাইরেও সবদিক দিয়ে সে কতটা বল বা ক্ষমতার অধিকারী তা দিয়েই একটি দেশের অবস্থানচিহ্নিত হয়। এই কারণে মসৃণ শক্তি বা ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠেছেখেলাধূলা।

ক্রীড়া এবংক্রীড়া ব্যক্তিত্বের প্রেক্ষাপটে একটি দেশ খেলাধূলার মাধ্যমেই তার নিজের অবস্থানকেগড়ে তুলতে পারে।

ক্রীড়াক্ষেত্রেযাঁরা সফল, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁরা উৎসাহ-উদ্দীপনার উৎস । তরুণ ও যুবসমাজ এই সফল ব্যক্তিদের কাছথেকেই জীবনে সাফল্য ও সংগ্রামের জন্য অনুপ্রেরণা লাভ করে। অলিম্পিক বা বিশ্বকাপকিংবা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের যে কোন বড় ধরনের মঞ্চেই একটি দেশের সাফল্যে আনন্দিতহয় সমগ্র বিশ্ববাসীই। তা সেই দেশ ছোট বা বড় যাই হোক না কেন।

এইভাবেইমানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার শক্তি যোগায় খেলাধূলা। মানুষে মানুষে নিবিড় ওশক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির রয়েছে এক রূপান্তরমুখীসম্ভাবনা। এমনকি, ভারতের মতো একটি দেশেও একজন মাত্র খেলোয়াড়কে ঘিরেই গড়ে উঠেতেপারে এক কল্পনার জগৎ। ক্রীড়াক্ষেত্র জন্ম দেয় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শক্তি। কারণ সকলেইমনে-প্রাণে প্রার্থনা জানায় ক্রীড়াক্ষেত্রে একজন খেলোয়াড়ের সাফল্যের জন্য।

অ্যাথলিটদেরএই জনপ্রিয়তা কাল বা সময়কে অতিক্রম করে যায়। বহু বছর ধরেই জ্ঞান সাধনার মতোইখেলাধূলা হল ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক বিশেষ অঙ্গ।

তীরন্দাজি,তরবারি খেলা, কুস্তি এবং নৌকা বাইচ-এর মতো খেলাধূলা চলে আসছে যুগ যুগ ধরে।

কেরলেকুট্টিয়ামকোলাম এবং কালাড়ির মতো খেলাধূলা খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ফুটবলও যেকতটা জনপ্রিয় তাও আমার অজানা নয়। আমি নিশ্চিত যে আপনাদের অনেকেই পরিচিত ‘সাগ্‌লকাংজেই’ – এই নামটির সঙ্গে। এর জন্ম মূলত মণিপুরে। জানা গেছে যে এই খেলাটি পোলোরথেকেও অনেক অনেক বেশি সুপ্রাচীনকালের। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপভোগ করতেন এইবিশেষ খেলাটি।

প্রাচীনকালেরএই সমস্ত খেলাধূলা যাতে কোনভাবেই জনপ্রিয়তা না হারায়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদেরই । তাই যে সমস্ত খেলাধূলা আমাদের দেশেরএকান্তই নিজস্ব, সেগুলির উন্নয়নেও আমাদের অবশ্যই সচেষ্ট হতে হবে। কারণ, আমাদেরজীবনযাত্রা থেকে খুব স্বাভাবিকভাবেই উত্থান ঘটেছে এই সমস্ত খেলাধূলার।

মানুষ সহজেইআকৃষ্ট হয় এই ধরনের খেলাধূলার প্রতি। খেলাধূলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে আমাদেরব্যক্তিত্বের ওপর তার এক ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। আর এইভাবেই গড়ে ওঠে আত্মসম্ভ্রম বোধও মানসিকতা।

আমরা যত্ননিলে এই সমস্ত খেলাধূলার শিকড় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যোগাভ্যাস তথা যোগসাধনারপ্রতি আজ আবার নতুন করে আগ্রহ দেখাতে শুরু করেছে সমগ্র বিশ্ব। শারীরিক ও মানসিকদিক থেকে ভালো ও দক্ষ থাকার একটি উপায় হিসেবে দেখা হয় যোগকে, যা আমাদের উদ্বেগ ওউৎকন্ঠাকে প্রশমিত রাখতে সাহায্য করে। এই কারণে আমাদের অ্যাথলিটদের উচিৎ তাঁদেরদৈনন্দিন কাজ ও প্রশিক্ষণের একটি নিয়মিত অঙ্গ হিসেবে যোগসাধনার অভ্যাস গড়ে তোলা।এর সুফল প্রত্যেকেই অনুভব এবং উপলব্ধি করতে পারবেন।

যোগেরপীঠস্থান হল আমাদের দেশ। এই কারণে সমগ্র বিশ্বে যোগকে জনপ্রিয় করে তোলার একঅতিরিক্ত দায়িত্ব রয়েছে আমাদের। ঠিক যেভাবে যোগ আজ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, আমাদেরসুপ্রাচীন অন্যান্য খেলাধূলাকেও সেইভাবে বিশ্বে জনপ্রিয় করে তোলার উপায় আমাদেরখুঁজে দেখতে হবে।

সাম্প্রতিকবছরগুলিতে আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে কবাডি কিভাবে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ক্রীড়াপ্রতিযোগিতায় এক বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেছে। এমনকি, বর্তমানে আমাদের দেশেও বড় আকারেকবাডি টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে। এই সমস্ত টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা করছেশিল্প জগৎ।

কবাডির মতোইদেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্থানীয় ও আঞ্চলিক খেলাধূলাকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে আসারজন্য আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এই কাজে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি, বিভিন্নক্রীড়া সংস্থা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষেরও এক বড় ভূমিকা রয়েছে।

সাংস্কৃতিকবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ আমাদের দেশ। এই দেশে রয়েছে ১০০টির মতো ভাষা এবং ১,৬০০-রও বেশিউপ-ভাষা। রয়েছে নানা পোশাক বৈচিত্র্য, খাদ্যাভ্যাস এবং পালা-পার্বণও। তাই, আমাদেরঐক্যবদ্ধ করে তোলার কাজে খেলাধূলার রয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

নিরন্তরযোগাযোগ, ম্যাচ প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতার জন্য সফর আমাদের সুযোগ এনে দেয় দেশেরঅন্যান্য অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার।

‘এক ভারতশ্রেষ্ঠ ভারত’ – এই অনুভব ও উপলব্ধিকে তা জোরদার করে তোলে এইভাবেই। জাতীয় সংহতির বিকাশেও রয়েছে তার এক বিশেষ অবদান।

মেধা বাপ্রতিভার কোন অভাব আমাদের দেশে নেই। কিন্তু এজন্য প্রয়োজন সঠিক সুযোগ-সুবিধারব্যবস্থা করা। শুধু তাই নয়, মেধা ও প্রতিভা বিকাশের উপযোগী এক পরিবেশ গড়ে তোলাওএকান্ত জরুরি। এই লক্ষ্যেই আমরা সূচনা করেছি ‘খেলো ইন্ডিয়া’ – এই বিশেষকর্মসূচিটির। এর আওতায় স্কুল এবং কলেজ পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়েপ্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত। মেধা ও প্রতিভা চিহ্নিত করেপ্রয়োজনীয় সাহায্য ও সহযোগিতা প্রসারের জন্য আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে।

‘খেলোইন্ডিয়া’য় জোর দেওয়া হবে ক্রীড়া পরিকাঠামো প্রসারের ওপরও। দেশের মহিলারা খেলাধূলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অর্জিত সাফল্যের মধ্য দিয়ে আমাদের গর্বিত করে তুলেছেন।

বিশেষভাবেউৎসাহ দিতে হবে আমাদের কন্যাসন্তানদের। খেলাধূলাকে যাতে তাঁরা জীবনের অঙ্গ হিসেবেগ্রহণ করতে পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধারও ব্যবস্থা করতে হবে তাঁদের জন্য।আনন্দের বিষয় যে গত প্যারালিম্পিক্স-এ আমাদের ক্রীড়াবিদরা বিশেষ কৃতিত্বেরস্বাক্ষর রেখেছেন।

ক্রীড়াক্ষেত্রেএই সাফল্যের বাইরেও প্যারালিম্পিক্স থেকে আমরা অর্জন করেছি আরও বেশি কিছু। তা হল,আমাদের অ্যাথলিটদের এই সাফল্য দিব্যাঙ্গ ভাই-বোনদের প্রতি সকলের দৃষ্টিভঙ্গি ওমানসিকতারও বিশেষ পরিবর্তন ঘটিয়েছে। ভারতের ঘরে ঘরে আজ সুপরিচিত একটি নাম দীপামালিকের কথা আমি কখনই বিস্মৃত হব না। যখন তাঁকে পদক দিয়ে সম্মানিত করা হয়, তখনতিনি বলেছিলেন, “এই পদক জয়ের মাধ্যমে আমি প্রতিবন্ধকতাকে পরাস্ত করেছি । ”

তাঁর এই উক্তিরমধ্যে ছিল এক বিশেষ জোর বা শক্তি। তাই, খেলাধূলাকে সাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্য করেতুলতে আমাদের নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

বিগতদশকগুলিতে এমন এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল যখন খেলাধূলাকে জীবনের একটি বিশেষ অঙ্গহিসেবে অনুসরণ করা হত না। কিন্তু এই চিন্তাভাবনা এখন বদলাতে শুরু করেছে। খেলারমাঠে এর প্রতিফলন ঘটবে অদূর ভবিষ্যতে। যে দেশে রয়েছে এক বলিষ্ঠ ক্রীড়া সংস্কৃতি,সেই দেশই জন্ম দিতে পারে এক বলিষ্ঠ অর্থনীতির ।

ক্রীড়া গড়েতুলতে পারে এমন এক পরিবেশ যোগানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি, আমাদেরঅর্থনীতিও আরও বিকশিত হয়ে উঠতে পারে। পেশাদারী লিগ, ক্রীড়া সরঞ্জাম, ক্রীড়াবিজ্ঞান, চিকিৎসা, পোশাক, পুষ্টি, দক্ষতা বিকাশ, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা সহ বিভিন্নক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধার প্রসার ঘটাতে পারে ক্রীড়া শিল্প।

ক্রীড়া হলকোটি কোটি বিলিয়ন ডলারের এক আন্তর্জাতিক শিল্প যার পেছনে রয়েছে এক বিশাল চাহিদা।আন্তর্জাতিক ক্রীড়া শিল্পের মূল্যমান প্রায় ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতে সমগ্রক্রীড়াক্ষেত্রের আন্তর্জাতিক মূল্য সেক্ষেত্রে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মাত্র।

তবেপরিস্থিতি যাই হোক না কেন, ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতের রয়েছে এক বিশাল সম্ভাবনা। কারণ,আমাদের দেশ হল ক্রীড়াপ্রেমীদের দেশ। আমার তরুণ বন্ধুরা যে আবেগ ও উৎসাহ নিয়ে এখনক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন্‌স ট্রফির খেলা দেখে চলেছেন, তাঁরাই আবার সমান উৎসাহ ও আবেগনিয়ে প্রত্যক্ষ করবেন ইপিএল ফুটবল কিংবা এনবিএ বাস্কেট বল প্রতিযোগিতা অথবা এফ-১দৌড় প্রতিযোগিতা।

আমিইতিপূর্বেই উল্লেখ করেছি যে কবাডির মতো একটি খেলার প্রতিও তাঁরা আকৃষ্ট হতে শুরুকরেছেন। এই পরিস্থিতিতে আমাদের স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠগুলিকে এখন সর্বোচ্চ মাত্রায়ব্যবহারের জন্য উদ্যোগী হতে হবে। এমনকি, ছুটির দিনগুলিতেও বাইরে গিয়ে খেলাধূলারঅভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। স্কুল-কলেজের মাঠ কিংবা আধুনিক সাজে সজ্জিত জেলাস্টেডিয়ামগুলিকেও এই লক্ষ্যে ব্যবহার করা উচিৎ।

আমারবক্তব্য শেষ করার আগে খেলাধূলার ক্ষেত্রে কেরলের অবদানের কথা আমি অবশ্যই স্বীকারকরব। ভারতে যাঁরা খেলাধূলা করেছেন, তাঁদের সকলকেই জানাই আমার অভিনন্দন। উৎকর্ষসাধনায় যে সমস্ত ক্রীড়াবিদ পরিশ্রম করে চলেছেন, তাঁদের সঙ্কল্পকে আমি সম্মানজানাই।

ঊষা স্কুলেরএক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আমি কামনা করি। নতুন সিন্থেটিক ট্র্যাক এই প্রতিষ্ঠানটিকে একনতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে আমি মনে করি। আমি আরও আশাবাদী যে ২০২০-রটোকিও অলিম্পিক্স সহ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের বড় বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্যপ্রস্তুতির কাজেও তা বিশেষভাবে সাহায্য করবে।

আগামী ২০২২সালে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ক্রীড়াক্ষেত্রে এক বিশেষ লক্ষ্য স্থির করারজন্য আমি আহ্বান জানাই দেশের ক্রীড়া সংস্থাগুলিকে। এই লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার জন্য তাদেরসঙ্কল্পবদ্ধ হওয়ারও আবেদন জানাই আমি।

আমি আশাবাদীযে অলিম্পিক্স এবং বিশ্বের অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আরও বেশি সংখ্যায় চ্যাম্পিয়ন গড়েতোলার কাজে সফল হবে ঊষা স্কুল। ভারত সরকার এই কাজে পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা যুগিয়েযাবে। অ্যাথলেটিক্সে উৎকর্ষের লক্ষ্যে সম্ভাব্য সকল রকম সহযোগিতার জন্য সরকারপ্রস্তুত।

ধন্যবাদ।

আপনাদেরঅনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India's $13 billion semiconductor mission: Boosting domestic chip manufacturing and design

Media Coverage

India's $13 billion semiconductor mission: Boosting domestic chip manufacturing and design
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The Dedicated Freight Corridor is the lifeline of a rapidly developing India: PM Modi in Vadodara, Gujarat
September 08, 2026
We are strengthening India's infrastructure to move people and goods faster, create new opportunities and power economic growth: PM
The Dedicated Freight Corridor is the lifeline of a rapidly developing India: PM
From chips to ships, India is now building a new manufacturing future: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

गुजरात के राज्यपाल आचार्य देवव्रत जी, यहां के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भूपेंद्र भाई पटेल, इस कार्यक्रम में ऑनलाइन हमारे साथ अनेक राज्यों के महानुभाव जुड़े हैं। महाराष्ट्र के गवर्नर जिष्णु देव वर्मा जी, मुख्यमंत्री देवेंद्र फ़डणवीस जी, डिप्टी सीएम एकनाथ शिंदे जी, डिप्टी सीएम श्रीमती सुनेत्र पवार जी, अन्य मंत्रीगण, सांसदगण, विधायकगण और वहां पर भी इकट्ठे हुए लाखों नागरिक भाई-बहन। यहां मंच पर उपस्थित केंद्रीय मंत्रिमंडल के मेरे साथी अश्विनी वैष्णव, उपमुख्यमंत्री, युवा नेता हर्ष संघवी, गुजरात सरकार के मंत्रीगण, उपस्थित अन्य जनप्रतिनिधिगण, गुजरात के मेरे प्यारे भाइयों और बहनों।

और खास इसलिए के मेरे ब़डौदा के महाराजा सयाजीराव यूनिवर्सिटी का ये मैदान अलग-अलग फील्ड में काम करने वाले सभी साथियों का साथ और विकास का ये उत्सव, यहां सबकुछ एक साथ हो रहा है।

साथियों,

आज मैं विकसित भारत की यात्रा को और गति देने के लिए आपके बीच आया हूं। थोड़ी देर पहले यहां देश के विकास से जुड़े हज़ारों करोड़ रुपए के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। मैं देश की जनता को बहुत-बहुत बधाई देता हूं। इस विकास पर्व पर आप सभी ने जिस सेवा भाव से और सेवा भाव के साथ पूरे वडोदरा शहर में स्वच्छता से स्वागत अभियान चलाया है, इसके लिए मैं वड़ोदरा के हर एक नागरिक को ह्दय से बहुत-बहुत बधाई देता हूं, उनकी सराहना करता हूं। और ये जो आपने रंग दिखाया ना, मैं कल एक वीडियो देख रहा था, सीना चौड़ा हो गया, वाह! क्या ये मेरा वडोदरा है? और अब तो गणेशोत्सव की तैयारी, बाद में नवरात्रि। और गणेशोत्सव और नवरात्रि पूरा गुजरात का ध्यान वडोदरा पर होता है। और आज आपने, मैं देख रहा था पिछले एक सप्ताह से हर परिवार में वातावरण बन गया है स्वच्छता का। मुझे लगता है कि इस बार जब गणेश जी पधारेंगे ना, सारे आशीर्वाद वड़ोदरा पर बरसने वाले हैं।

साथियों,

इस वर्ष लाल किले से मैंने विकसित भारत के लिए संकल्प की सप्तधारा का आह्वान किया है। इस सप्तधारा में एक धारा गतिशक्ति की भी है। विकसित भारत के लिए हमें ऐसी कनेक्टिविटी चाहिए, जो सुगम भी हो और जमाने के हिसाब से जरा तेज भी हो। वड़ोदरा तो गतिशक्ति यूनिवर्सिटी का शहर है। आज यहां से डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर की आखिरी कड़ियां भी जुड़ गई हैं। आज 2800 किलोमीटर से अधिक का डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर प्रोजेक्ट पूरा हो गया। ये 21वीं सदी के भारत के लिए बहुत ऐतिहासिक कार्य संपन्न हुआ है।

साथियों,

ये डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, इस बात का साक्षी है कि बीते 12 साल में देश की काम करने की संस्कृति कैसे बदली है। इस डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर पर 2004 में विचार शुरू हुआ था। यानी, यहां मैं सारे नौजवान देख रहा हूं, जब इसका विचार शुरू हुआ, आप में से बहुत लोग होंगे जिनका जन्म भी नहीं हुआ होगा, उस समय शुरू हुआ था। 2006 में एक विशेष कंपनी बनाई गई इस काम को करने के लिए और फिर 2014 तक फाइलें ही यहां से वहां होती रहीं। फाइलें टेबल पर यात्रा कर रही थी और दुर्भाग्य देखिए, इन फाइलों को भी कोई डेडिकेटेड कॉरिडोर नसीब नहीं हुआ, फाइल को भी नहीं नसीब हुआ। फाइलें अटकती थीं, लटकती थीं, भटकती थीं। और 2014 में वड़ोदरा के और गुजरात के और देश के लोगों ने मुझे गुजरात से निकाल करके दिल्ली भेज दिया। पहले वाली सरकार 2000 तक रही। आपने मुझे भेजा और उनकी विदाई हुई, और सच्चाई ये थी कि सात-आठ वर्ष में, जरा मेरे नौजवान सुन लीजिए, ये याद रखिए, सात-आठ वर्ष में एक किलोमीटर फ्रेट कॉरिडोर पर भी काम पूरा नहीं हो पाया था। अगर उनके हिसाब से देश चलाते, तो पता नहीं आपके बाद तीन-चार पीढ़ियां आती, तो भी नहीं होता। भारत के लॉजिस्टिक्स इकोसिस्टम को ट्रांसफॉर्म करने वाले प्रोजेक्ट की ये हालत करके रखी थी।

साथियों,

2014 के बाद आपने जो मुझे शिक्षा-दीक्षा दी थी, इस धरती ने मुझे जो सिखाया था, आपके पास से जो लेसन लेके मैं दिल्ली पहुंचा था, हमने वहां पहुंचते ही इसको गति देने का काम प्रारंभ कर दिया। 2800 किलोमीटर के कॉरिडोर का काम आज पूरा करके दिखाया। और आज ईस्टर्न और वेस्टर्न डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, देश के व्यापार-कारोबार का मुख्य आधार बन रहा है।

साथियों,

डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, तेजी से विकसित होते भारत की जीवन रेखा है। इसने भारत के ट्रांसपोर्टेशन सेक्टर का कायाकल्प कर दिया है। पहले पैसेंजर ट्रेन जिस ट्रैक पर चलती थी, उसी ट्रैक पर मालगाड़ी भी चलती थी। यानि ट्रैवल और ट्रांसपोर्ट, दोनों धीमा था। लेकिन, डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर ने इस स्थिति को बदल दिया है। आज पूर्वी और पश्चिमी फ्रेट कॉरिडोर्स पर हर रोज़ 430 से ज्यादा मालगाड़ियां चलती हैं, प्रतिदिन 430 मालगाड़ी। और पहले जो मालगाड़ी, साढ़े 6 घंटे में 100 किलोमीटर का सफऱ तय करती थी और अब वही मालगाड़ी आधे से भी कम समय में 100 किलोमीटर का सफर तय कर लेगी। जिस जगह पर ट्रक से सामान भेजने में सामान्य तौर पर 30 घंटे लगते हैं, डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर पर यही दूरी 10-12 घंटे में पूरी हो जाती है। यानि, इस कॉरिडोर पर मालगाड़ी के चलने से ट्रक और ट्रेन में लगने वाला फ्यूल बचता है, किराया-भाड़ा का खर्च कम हुआ है, समय बचा है, पर्यावरण को फायदा हुआ है। यानि, इन्वेस्टमेंट एक ट्रैक पर किया और फायदे अनेक सारे हुए हैं।

साथियों,

इस फ्रेट कॉरिडोर से पूर्वी और पश्चिमी भारत के किसानों की उपज अब तेज़ी से बड़े बाज़ार तक पहुंच पा रही है। कई तरह के फूल, कई तरह की सब्जियां, कई तरह के फल, यानि जो चीजें मौसम के हिसाब से जल्दी खराब होती हैं, उनके लिए भी सही समय पर मंडियों और लोगों के बीच पहुंचने का रास्ता बना है। इससे किसान का बहुत बड़ा फायदा हुआ है।

साथियों,

ये फ्रेट कॉरिडोर एक और वजह से कमाल का है। हाल ही में JNPT मुंबई, JNPT पोर्ट से वड़ोदरा तक Double स्टैक Container मालगाड़ी का संचालन किया गया है। यानि डिब्बे के ऊपर एक और डिब्बा लगाकर मालगाड़ी को चलाया गया। इस मालगाड़ी के चलने से एक बार में ही 250 से अधिक ट्रकों के बराबर का सामान मुंबई से वड़ोदरा चला आया, 250 ट्रक। अब ये जो नाराज फूफा जी है, वो चिल्लाएंगे कि ट्रक वालों का क्या होगा? ट्रक कहां जाएंगे? जिन्होंने ट्रक खरीदा है, उनका क्या होगा? अब फूफा जी को काम मिल गया। यानि अब बड़ी मात्रा में सामान तेजी से देश के एक कोने से दूसरे कोने तक पहुंच पाएगा।

साथियों,

फ्रेट कॉरिडोर के साथ-साथ अब भारत में रेल वहां भी पहुंच रही है, जहां इतने दशकों तक नहीं पहुंची थी। गुजरात हो, मध्य प्रदेश हो, महाराष्ट्र हो, यहां जो आदिवासी क्षेत्र हैं, वो भी इस प्रोजेक्ट के द्वारा रेल से जुड़ रहे हैं। पहले की सरकार में बजट में एक-दो ट्रेनों की घोषणा होती थी और उसके भी साल भर ढोल पीटे जाते थे। जबकि आज देश में साल भर एक के बाद एक नई ट्रेनें चलाई जा रही हैं। आज भी इस कार्यक्रम में कई नई ट्रेन शुरु हुई हैं। नई ट्रेन से वड़ोदरा, छोटा उदयपुर और अलीराजपुर के लोगों को बहुत सुविधा होगी।

साथियों,

रोड, रेल, मेट्रो, एयरपोर्ट, गैस पाइपलाइन, गरीबों का घर, जब देश में करोड़ों लोगों के लिए ये चीजें बनती हैं, तो इससे लोगों का जीवन आसान होता है और साथ ही छोटे से बड़े कामगार को रोजगार के लाखों-लाख अवसर मिलते हैं। आप रेलवे का ही देखिए, इस वर्ष का रेल बजट पौने तीन लाख करोड़ रुपए से अधिक रहा है। जो 12 वर्ष पहले की तुलना में कई गुणा अधिक है। यानि रेलवे के आधुनिकीकरण पर हो रहा खर्च, हज़ारों हज़ार नए रोजगार बना रहा है। और ये रोजगार कंस्ट्रक्शन के दौरान तो बनता ही है। एक बार रोड, रेल, पाइपलाइन, पोर्ट, एयरपोर्ट बन गया, तो फिर उसके आसपास नए उद्योग लगना शुरू हो जाते हैं, नए बिजनेस आते हैं, ये फिर नए रोजगार बनाते हैं। वहां कुछ लोग, वो बेटी चित्र लेकर कब से खड़ी है, वो सज्जन भी कुछ कला लेकर के आए हैं। जरा हमारे साथी उसको कलेक्ट कर लें। ये आगे पहुंचा दीजिए, हां। एक और भी है कोई, हां, ले लीजिए। आपका बहुत-बहुत धन्यवाद।

साथियों,

मैंने देश के सामने विकसित भारत की जिन सप्तधाराओं का विजन रखा है, उनमें एक धारा मैन्युफैक्चरिंग की भी है। और वड़ोदरा शहर, इसकी ताकत अच्छे से जानता भी है, समझता भी है। एजुकेशन, स्किल और इंडस्ट्री का कोलैब कैसे होता है, ये वड़ोदरा करीब डेढ़ सौ साल से इसका प्रतिबिंब है। दशकों पहले, यहां टेक्स्टाइल और टाइल्स के निर्माण से एक यात्रा शुरु हुई थी, जो बाद में ऑयल और पेट्रोकेमिकल्स के साथ आगे बढ़ी। पिछले दो-ढाई दशक में वड़ोदरा MSMEs का एक बड़ा हब बन गया है। और मुझे याद है, जब मैं नया-नया मुख्यमंत्री बना था, तो वड़ोदरा का मेरे पर स्पेशल अधिकार रहा है हमेशा, तो हर हफ्ते कोई ना कोई डेलीगेशन आता था। बस हमारे वड़ोदरा में कुछ मैन्युफैक्चरिंग का हो, मैन्युफैक्चरिंग का हो, क्योंकि यहां पर आते थे, तो या तो ज्योति या एलएमबी या तो जीएसएफसी, यही सब दिखता था और कुछ सुनता नहीं देता। आज कहां से कहां बदल गया है। अब तो ये शहर देश के पहले मेड इन इंडिया मिलिट्री ट्रांसपोर्ट एयरक्राफ्ट के लिए भी जाना जा रहा है। C-295 एयरक्राफ्ट की पहली फ्लाइट यहां आसमान देख चुकी है। मैं वड़ोदरा के लोगों को ये गौरव पाने के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

जब देश की मैन्युफैक्चरिंग की बात हो रही है, तो मैं एक और आंकड़ा बताना चाहता हूं। बीते एक दशक में भारत रेल कोच-मेट्रो कोच बनाने का, रेल इंजन बनाने का भी एक बड़ा निर्माता बना है। 2014 के बाद से अब तक, भारत ने करीब 50 हज़ार, ये आंकड़ा सुनिए, 2014 के बाद भारत ने अब तक 50 हज़ार आधुनिक रेलवे कोच बनाए हैं। पुरानी सरकार 10 साल में 50 हजार टॉयलेट नहीं बना सकती थी। 50 हजार आधुनिक कोच तो किए ही हैं, करीब ढाई लाख वेगन, मालगाड़ी के लिए जो वेगन होते हैं, भारतीय रेल में जोड़े गए हैं, ढाई लाख।

साथियों,

अब भारत चिप से लेकर शिप तक, निर्माण की एक नई गाथा लिख रहा है। यानि पुर्जे भी हमारे और प्रोडक्ट भी हमारा, आत्मनिर्भरता की एक पूरी चेन भारत में ही बनेगी। और ये हम सोलर पावर के मामले में देख रहे हैं। जैसे कडाणा डैम पर जो फ्लोटिंग सोलर प्लांट का प्रोजेक्ट है, कुछ साल पहले तक देश में सोलर प्रोजेक्ट्स लगाने बहुत महंगे पड़ते थे। क्योंकि पीवी मॉड्यूल से लेकर, हर प्रकार का हार्डवेयर इंपोर्ट करना पड़ता था। लेकिन बीते वर्षों में हमने भारत में ही पीवी मॉड्यूल बनाने शुरु किए। और आज हम इसमें 200 गीगावॉट से ज्यादा की कैपेसिटी विकसित कर चुके हैं। और ऐसी ही आत्मनिर्भरता के कारण आज पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना का विस्तार हो रहा है। अब तक देश में 55 लाख परिवार अपने छत पर, टेरेस पर सोलर प्लांट लगा चुके हैं। और इसमें 11 लाख परिवार हमारे गुजरात के हैं। यहां इतने सारे परिवार, बिजली उत्पादक बन चुके हैं और इसके कारण, प्रोडक्शन से लेकर इंस्टॉलेशन और सर्विस तक, कितने ही युवाओं को रोजगार मिला है, कितने नए वेंडर्स आए हैं।

साथियों,

‘झूठ की गूंज’ से भरमाने वाले तो हर चौराहे पर मिल जाएंगे, लेकिन भारत का नौजवान सच की हुंकार से चलता है, सच की हुंकार के साथ चलता है, सच की हुंकार के लिए चलता है। हमारे युवा साथी ये देख रहे हैं कि आज देश में सोलर हो, विंड हो, हाइड्रो हो, न्यूक्लियर हो, सारे सेक्टर्स पर सरकार कितना फोकस से काम कर रही है।

साथियों,

आने वाले दौर में हर आधुनिक सेक्टर बिजली से ही चलेगा, इलेक्ट्रिक इकोसिस्टम पर निर्भर होगा। जैसे चिप इंडस्ट्री है, डेटा सेंटर और AI से जुड़ी इंडस्ट्री है, इनका खाद पानी बिजली ही है। इसलिए अगर हमें AI में दुनिया के सामने सुपर पावर बनना है, तो देश को उसकी तैयारी, उसका इकोसिस्टम भी बनाना होगा। यही काम भारत ग्राउंड पर कर रहा है। तभी किसी देश से यूरेनियम के लिए समझौते हो रहे हैं, किसी से क्रिटिकल मिनरल्स और रेयर अर्थ मिनरल्स को लेकर समझौते किए जा रहे हैं। ये सारी मेहनत देश के युवाओं का फ्यूचर सुरक्षित करने के लिए दिन-रात मेहनत करके की जा रही है, आपके भविष्य के लिए किया जा रहा है।

साथियों,

दुनिया तेज़ी से बदल रही है, तो दुनिया की ज़रूरतें भी बदल रही हैं और इसी प्रकार हमारी पढ़ाई-लिखाई के तौर-तरीके भी बदल रहे हैं। पहले फोकस सिर्फ डिग्री पर होता था, लेकिन अब डिग्री के साथ-साथ स्किल पर भी फोकस है, स्किल का महत्मय बढ़ रहा है। नौजवानों के पास स्किल हो और वो स्किल समय-समय पर अपग्रेड हो, एक बड़ी जरूरत बन गई है। और इसीलिए, आज हम अपनी शिक्षा नीति को, शिक्षण और ट्रेनिंग के संस्थानों को नए रूप में ढाल रहे हैं। और इसी भाव के साथ ही मैंने लाल किले से भी युवाशक्ति के लिए दो बड़ी घोषणाएं की हैं। पहली घोषणा, देश की पारंपरिक ज़रूरत से जुड़ी है। आप सब जानते हैं कि हमारे यहां लाखों नौजवान ऐसे हैं, जो प्रतियोगी परीक्षाओं की तैयारी करते हैं। हर साल, हमारे मिडिल क्लास परिवारों की कमाई का एक बड़ा हिस्सा इन बच्चों की कोचिंग पर खर्च हो जाता है। हमारी कोशिश है कि गरीब और मिडिल क्लास के ऐसे बच्चों की, परिवारों के पैसे की बचत हो। और इसीलिए अब सरकार स्टूडेंट्स को ऑनलाइन फ्री-कोचिंग व्यवस्था देने की दिशा में आगे बढ़ रही है। और हिंदुस्तान के बेस्ट टीचर के द्वारा उनके कोचिंग हो। हमारे जो नौजवान, अपनी तैयारी कर रहे हैं, उनकी कोचिंग का ध्यान सरकार खुद रखेगी।

साथियों,

भारत के नौजवानों को AI में पारंगत होना उतना ही जरूरी है। हम चाहते हैं कि हमारे नौजवानों की पीढ़ी AI के लिए तैयार हो। ऐसा नहीं है, AI सीखने वालों की जरूरत सिर्फ आईटी सेक्टर में है, अगर कोई इस स्किल को जानता है, तो वो खेती के लिए नया AI solution बना सकता है। आरोग्य के क्षेत्र में technology विकसित कर सकता है। Manufacturing की productivity बढ़ा सकता है। Robotics में अपना startup शुरू कर सकता है। इसलिए जरूरी है कि हमारे पास देश और दुनिया की इंडस्ट्री के लिए AI को समझने वाले और AI का इस्तेमाल करने वाले युवा हों। सरकार इसके लिए एक बड़ा अभियान शुरू करने जा रही है।

साथियों,

भारत का ये कालखंड अभूतपूर्व है। ये भारत की युवाशक्ति का उत्कर्ष काल है, ये समय फिर भारत के जीवन में लौटकर नहीं आएगा। और इसलिए, हमें 2047 में विकसित भारत के लक्ष्य को सर्वोपरि रखना है। हमें भारत को विकसित बनाकर ही रहना है। इसी आह्वान के साथ, एक बार फिर आप सभी को विकास कार्यों की बहुत शुभकामनाएं।

अब मेरा एक काम करना पड़ेगा वडोदरा वालों को, करेंगे? पक्के तौर पर? आप सबने वड़ोदरा को इतना स्वच्छ बना दिया, कितनी मेहनत करनी पड़ी। मैं देख रहा था, हमारे नौजवान दिन-रात सफाई में लगे हुए थे। लेकिन एक बार हम तय करें कि अब हम वडोदरा को गंदा होने ही नहीं देंगे। मैं खुद गंदगी नहीं करूँगा, ये संकल्प लें, तो वडोदरा गंदा होगा? वडोदरा गंदा होगा? तो दिवाली ऐसी चकाचक जाएगी या नहीं, नवरात्रि शानदार जाएगी या नहीं, गणेशोत्सव में चार चाँद लगेंगे या नहीं, तो इतना काम तो हो जाएगा।

शाबाश।

धन्यवाद।

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!