ইমাম হুসেইন সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এবং শান্তি ও ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য শহীদ হয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী মোদী
সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলার সংস্কৃতি ও কৃষ্টিই ভারতকে অন্যান্য দেশের থেকে পৃথক করেছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী
আমাদের অতীত নিয়ে আমরা গর্বিত, আমরা বর্তমানে বিশ্বাস রাখি এবং আমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ব্যাপারে আমরা আস্থাশীল: প্রধানমন্ত্রী মোদী
দাউদি বোহরা সম্প্রদায় ভারতের সার্বিক অগ্রগতি ও বিকাশে সর্বদাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, বললেন প্রধানমন্ত্রী
সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার (১৪ই সেপ্টেম্বর) ইন্দোরে দাউদি বোহরা সম্প্রদায় আয়োজিত শহীদ ইমাম হুসেমের স্মৃতিরক্ষা উদযাপন অনুষ্ঠান আশারা মুবারকা উপলক্ষে এক বিরাট জনসভায় ভাষণ দিলেন।

ইমাম হুসেনের আত্মবলিদান স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী বলেন, ইমাম সর্বদাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এবং শান্তি ও ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য শহীদ হয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ইমামের আদর্শ ও শিক্ষা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। ডঃ সৈয়দনা মুফাদ্দল সইফুদ্দিনের কাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা ও আন্তরিকতাই তাঁর শিক্ষার মূল উপাদান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলার সংস্কৃতি ও কৃষ্টিই ভারতকে অন্যান্য দেশের থেকে পৃথক করেছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমাদের অতীত নিয়ে আমরা গর্বিত, আমরা বর্তমানে বিশ্বাস রাখি এবং আমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ব্যাপারে আমরা আস্থাশীল।”

দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সম্প্রদায় ভারতের সার্বিক অগ্রগতি ও বিকাশে সর্বদাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সমগ্র বিশ্বে ভারতীয় সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সক্ষমতা ছড়িয়ে দিতে এই সম্প্রদায়ের মহান প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

বোহরা সম্প্রদায়ের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই সম্প্রদায়ের মানুষের স্নেহ ও ভালোবাসা পাওয়া তাঁর কাছে সৌভাগ্যের ব্যাপার। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এই সম্প্রদায়ের সহায়তার কথা স্মরণ করে শ্রী মোদী বলেন, এই সম্প্রদায়ের মানুষের ভালোবাসা ও স্নেহপরায়ণতার টানেই তিনি ইন্দোরে এসেছেন।

দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র ও আর্ত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এই প্রেক্ষিতে, তিনি ‘আয়ুষ্মান ভারত’, ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’ ও ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’র মতো বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। সরকারি এই উদ্যোগগুলি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনছে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

 

‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইন্দোরের মানুষকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতাই প্রকৃত সেবা’ কর্মসূচির আগামীকাল সূচনা হচ্ছে। ব্যাপক এই স্বচ্ছতা অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান জানান।

ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বোহরা সম্প্রদায়ের সততা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিন্ন পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) এবং দেউলিয়া ও ঋণ পরিশোধে অক্ষমতা আইনের মাধ্যমে সরকার সৎ ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করার কাজ করছে। তিনি বলেন, ভারতীয় অর্থনীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং নতুন ভারত গড়ে ওঠার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, ডঃ সৈয়দনা মুফাদ্দল সইফুদ্দিন দৃষ্টান্তমূলক কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন এবং দেশের স্বার্থে তাঁর কর্মপ্রচেষ্টার সাফল্য কামনা করেন।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s data centre boom: Mumbai cracks global top 15, Hyderabad pipeline set to surge 15x

Media Coverage

India’s data centre boom: Mumbai cracks global top 15, Hyderabad pipeline set to surge 15x
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
২৭শে আগস্ট ‘খেলো ইন্ডিয়া ডায়ালগ’-এ তরুণদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
August 26, 2026
Khelo India Dialogue will bring together sports, youth leadership, civic responsibility, volunteering, fitness and nation-building on a common platform
Yuva Samvaad under Khelo India Dialogue to Focus on Five Key Themes: Sports, Olympic Aspirations, Youth Leadership, Viksit Bharat and Nasha Mukt Yuva

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২৭শে আগস্ট সকাল ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ‘খেলো ইন্ডিয়া ডায়লগ’-এ ভাষণ দেবেন। তরুণদের ভারতের খেলাধুলোয় যুক্ত করা, তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলি তুলে ধরা এবং যুব-নেতৃত্বাধীন এক শক্তিশালী ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধারণা বা পরামর্শ প্রদান করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

‘মেরা যুব ভারত’ (MY Bharat)-এর আয়োজনে এবং ‘জাতীয় ক্রীড়া দিবস ২০২৬’-এর উদযাপনের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিটি দেশজুড়ে পরিচালিত হবে। এতে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিটি জেলার দুটি করে কলেজের তরুণরা অংশগ্রহণ করবেন। একটি সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও ক্রীড়াপ্রেমী দেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন কর্মসূচিতে তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই কর্মসূচিটি আয়োজন করা হচ্ছে।

দেশব্যাপী আয়োজিত এই ‘খেলো ইন্ডিয়া ডায়লগ’ ক্রীড়া, যুব নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, স্বেচ্ছাসেবা, শারীরিক সুস্থতা এবং দেশ গঠনের বিষয়গুলিকে একটি অভিন্ন মঞ্চে নিয়ে আসবে। এটি তরুণদের জন্য দেশের ক্রীড়া-সংক্রান্ত লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটি সরাসরি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া ভারতের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক যে চলতি আলোচনা ও কর্মসূচিতে, তাদের ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি যাতে অন্তর্ভুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করবে।

এই জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও তরুণ অংশগ্রহণকারী, ‘মাই ভারত’-এর স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় ক্রীড়াবিদ এবং জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিনিময় বা আলোচনার আয়োজন করা হবে। খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী তরুণদের সঙ্গে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও পদকজয়ীদের সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়া এই উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। কর্মসূচির একটি কেন্দ্রীয় আকর্ষণ হলো ‘যুব সংবাদ’। এখানে তরুণ অংশগ্রহণকারীদের তাদের নিজস্ব ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি ও আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই আলোচনাটি মূলত পাঁচটি মূল বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে:

• উন্নত সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং সর্বজনীন অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারতের ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়ন।

• বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রতিভা শনাক্তকরণ, স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং ক্রীড়াবিদদের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের মাধ্যমে ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের জন্য প্রতিভাবানদের গড়ে তোলা।

• শাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন মঞ্চ ও ‘মাই ভারত’-এর নেতৃত্বাধীন স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির মাধ্যমে যুব নেতৃত্ব গড়ে তোলা।

• নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যতের উপযোগী দক্ষতা অর্জন এবং সুসংগঠিত স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে যুবসমাজকে ক্ষমতাবান করে তোলা।

• খেলাধুলা ও সমবয়সী নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষ্যে ‘নেশা মুক্ত যুব’বা মাদক-মুক্ত যুবসমাজ আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এর অংশ হিসেবে ২ আগস্ট ২০২৬-এ শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রীর ১০০-সপ্তাহব্যাপী দেশব্যাপী প্রচার অভিযানের আওতায় সাপ্তাহিক ‘জন-অংশীদারিত্ব’কর্মসূচি পরিচালিত হবে।