শেয়ার
 
Comments
দেশের ১০ কোটি পরিবারকে পাইপ বাহিত পরিশ্রুত জলের সুবিধার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে
গোয়া হর ঘর জল’এ প্রথম প্রত্যায়িত রাজ্যের শিরোপা অর্জন করেছে
দাদরা নগর হাভেলী এবং দমন ও দিউ প্রথম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে এই সাফল্যের অংশীদার হয়েছে
দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ১ লক্ষেরও বেশি গ্রাম উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম মুক্ত অতিরিক্ত সুবিধা প্রদানের যোগ্যতা অর্জন করেছে
“অমৃতকালে এর থেকে ভালো সূচনা আর কিছু হতে পারে না”
“দেশের ভালো-মন্দের তোয়াক্কা করেন না যারা তারা দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎকে বিনষ্ট করতেও দ্বিধান্বিত নন”
“এই জাতীয় মানুষরা মুখে বড় বড় কথা বলেন কিন্তু জলের ব্যাপারে বৃহৎ দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে তারা কখনই কাজ করেন না”
“সাত দশক ধরে যেখানে দেশের ৩ কোটি গৃহ পাইপ বাহিত পরিশ্রুত জলের সুবিধা পেয়েছে সেখানে গত ৩ বছরে ৭ কোটি গ্রামীণ গৃহ পাইপ বাহিত পরিশ্রুত জলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে”
“মানব কেন্দ্রিক উন্নয়নের এই উজ্জ্বল নমুনাকে আমি এবার লালকেল্লার ভাষণে তুলে ধরেছি”
“জল জীবন অভিযান কেবলমাত্র একটি সরকারি প্রকল্প নয়, এটা এমন এক প্রকল্প যা সম্প্রদায়ের উন্নতিকল্পে সম্প্রদায় করছে”

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ এক ভিডিও বার্তায় জল জীবন মিশনের আওতায় হর ঘর জল উৎসব নিয়ে বক্তব্য রাখেন। গোয়ার পানাজিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। জন্মাষ্টমীর আজ পুন্য লগ্নে প্রধানমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

অমৃতকালে ভারত তিনটি মাইল ফলকের সুউচ্চ লক্ষ্য অর্জনে আজ যে সমর্থ হয়েছে তা নিয়ে প্রত্যেক ভারতীয়ের গর্বের কথা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, “প্রথমত দেশের ১০ কোটি গ্রামীণ ঘর-বাড়িকে নলবাহিত পরিশ্রুত জলের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেক ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার সরকারের কর্মসূচির এটা বড় সাফল্য। ‘সবকা প্রয়াস’এর এ এক উজ্জ্বল নমুনা।” দ্বিতীয়ত প্রত্যেক ঘরে জল সংযোগ ঘটানোয় দেশের মধ্যে প্রথম হর ঘর জলের প্রত্যয়িত রাজ্যের শিরোপা পাওয়ায় তিনি গোয়াকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দাদরা নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ প্রথম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে এই সাফল্য অর্জন করেছে বলেও তিনি জানান। প্রধানমন্ত্রী এই নিয়ে জনসাধারণ, সরকার এবং স্থানীয় স্বসরকারি প্রতিষ্ঠানকে তাদের উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আরও অনেক রাজ্য খুব শীঘ্রই এই তালিকাভুক্ত হবে।

তৃতীয় সাফল্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ১ লক্ষ গ্রাম উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম মুক্ত অতিরিক্ত সুবিধা সম্পন্ন গ্রামের প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। কেবলমাত্র কয়েক বছর আগে দেশকে যেখানে উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল তখন তার পরবর্তী লক্ষ্যই ছিল উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম মুক্ত ছাড়াও অতিরিক্ত সুবিধা সম্পন্ন গ্রামের শিরোপা অর্জন। যা হল তাদের গণ শৌচালয় থাকবে, বর্জ্য প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা থাকবে, নিকাশী জল ব্যবস্থাপনা এবং গোবর্ধন প্রকল্প থাকবে।

সারা বিশ্ব জলের সুরক্ষা সংক্রান্ত যে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলের প্রার্দুভাব উন্নত ভারত- বিকশিত ভারত গড়ে তোলার সংকল্প সম্পাদনের ক্ষেত্রে এক বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দেখা দিতে পারে। তিনি বলেন, “গত ৮ বছর ধরে আমাদের সরকার জল সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রকল্প নিয়ে নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।” স্বার্থপর, স্বল্পমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গী গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা দেশ গড়ার জন্য যে কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় কেবলমাত্র একটা সরকার গড়তে সেই প্রচেষ্টার প্রয়োজন নেই একথা সত্যি। আমরা দেশ গড়ার কাজে ব্রতী হয়েছি। এ জন্যই বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় আমরা কাজ করে চলেছি। যারা দেশের মঙ্গল নিয়ে ভাবেন না, দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যকে বিনষ্ট করতে তারা দ্বিধান্বিত নন। এই সমস্ত মানুষরা মুখে বড় বড় কথা বলেন, কিন্তু জলের ব্যাপারে বৃহৎ দৃষ্টিভঙ্গীকে সামনে রেখে তারা কাজ করেন না।

জল সুরক্ষার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এজন্য বহুমুখী উদ্যোগের প্রয়োজন। যেমন ‘বর্ষার জলকে ধরে রাখা’, অটল ভূ-জল প্রকল্প, প্রত্যেক জেলায় ৭৫টি অমৃত সরোবর, নদী সংযোগ এবং জল জীবন মিশন। তিনি বলেন, ৭৫টি যে রামসর জলাভূমি এলাকা রয়েছে গত ৮ বছরে ৫০টি এতে যুক্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অমৃতকালের এর থেকে ভালো সূচনা আর হতে পারে না।” স্বাধীনতার পর গত সাত দশকে যেখানে কেবল ৩ কোটি গৃহ এই সুবিধা পেয়েছিল সেখানে গত ৩ বছরে ৭ কোটি গ্রামীণ গৃহ এই সুবিধার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “দেশে ১৬ কোটি গ্রামীণ গৃহ রয়েছে। জলের জন্য যাদের বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। গ্রামের বৃহৎ এই জনসংখ্যাকে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের এই লড়ায়ের জন্য ছেড়ে দিতে পারি না। কেবলমাত্র এই কারনেই লালকেল্লা থেকে আমি ঘোষণা করেছিলাম প্রত্যেক ঘরকে পাইপ বাহিত পরিশ্রুত জলের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ৩ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা এই অভিযানে ব্যয় হয়েছে। গত ১০০ বছরে সব থেকে বড় মহামারী সত্ত্বেও এই অভিযানের গতি শ্লথ হয়নি। এই নিরলস প্রয়াসের ফল হল গত সাত দশক ধরে যা হয়নি কেবলমাত্র ৩ বছরে তার দ্বিগুণ কাজ করা সম্ভব হয়েছে। মানব কেন্দ্রিক উন্নয়নের এ হল এক উজ্জ্বল নমুনা এ বছর আমি লালকেল্লা থেকে যার উল্লেখ করলাম।”

আগামী প্রজন্ম এবং মহিলাদের জন্য হর ঘরের সুবিধার ওপর আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জল সংক্রান্ত এই সমস্যার মূল কষ্টের শিকার যে মহিলারা সরকারি প্রচেষ্টার মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন তারাই। জল ব্যবস্থাপনায় মহিলাদের জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্যের উন্নতির দিকে তাকিয়ে এক্ষেত্রে তাদেরকেই মূল ভূমিকা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “জল জীবন অভিযান কেবল একটি সরকারি প্রকল্প নয়, এটি এমন একটি প্রকল্প যা সম্প্রদায় দ্বারা সম্প্রদায়ের স্বার্থে পরিচালিত।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জল জীবন মিশনের ক্ষেত্রে সাফল্যের চারটি স্তম্ভ হল এর ভিত্তি যেগুলি হল জন-ভাগিদারি, অংশীদারি অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা এবং সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার। এই অভিযানের অভূতপূর্ব সাফল্যের পিছনে স্থানীয় মানুষ, গ্রামসভা এবং স্থানীয় প্রশাসনের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নির্ণায়ক ভূমিকা নিয়েছে। জল পরীক্ষার কাজে স্থানীয় মহিলাদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে এবং তাদের ‘জল সমিতি’র সদস্য করা হচ্ছে। অংশীদারি অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং যাবতীয় মন্ত্রকের স্বদিচ্ছা চোখে পরার মতো। এর পাশাপাশি গত ৭ দশকে যা হয়নি গত ৭ বছরে তার থেকে বেশি সাফল্য অর্জন রাজনৈতিক স্বদিচ্ছার দিকটিও সূচিত করে। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারকে সূচিত করতে এমজিএনআরইজিএ-র মতো প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পাইপ বাহিত পরিশ্রুত জল সকলের কাছে পৌঁছনোর মধ্যে দিয়ে যে কোনো রকম বৈষ্যমকে নির্মূল করা সম্ভব।

এ ব্যাপারে প্রযুক্তিগত ব্যবহারের ক্ষেত্রে জল সম্পদের জিও ট্যাগিং এবং জলের সরবরাহ ও মান নির্নয়ের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট নির্ভর সমাধান সূত্রের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনশক্তি, মহিলা শক্তি এবং প্রযুক্তিগত শক্তি জল জীবন মিশনকে এক বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বঙ্গানুবাদ
India's forex kitty jumps USD 3.03 bn to USD 576.76 bn in third weekly rise

Media Coverage

India's forex kitty jumps USD 3.03 bn to USD 576.76 bn in third weekly rise
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s address at the Krishnaguru Eknaam Akhand Kirtan for World Peace
February 03, 2023
শেয়ার
 
Comments
“Krishnaguru ji propagated ancient Indian traditions of knowledge, service and humanity”
“Eknaam Akhanda Kirtan is making the world familiar with the heritage and spiritual consciousness of the Northeast”
“There has been an ancient tradition of organizing such events on a period of 12 years”
“Priority for the deprived is key guiding force for us today”
“50 tourist destination will be developed through special campaign”
“Gamosa’s attraction and demand have increased in the country in last 8-9 years”
“In order to make the income of women a means of their empowerment, ‘Mahila Samman Saving Certificate’ scheme has also been started”
“The life force of the country's welfare schemes are social energy and public participation”
“Coarse grains have now been given a new identity - Shri Anna”

जय कृष्णगुरु !

जय कृष्णगुरु !

जय कृष्णगुरु !

जय जयते परम कृष्णगुरु ईश्वर !.

कृष्णगुरू सेवाश्रम में जुटे आप सभी संतों-मनीषियों और भक्तों को मेरा सादर प्रणाम। कृष्णगुरू एकनाम अखंड कीर्तन का ये आयोजन पिछले एक महीने से चल रहा है। मुझे खुशी है कि ज्ञान, सेवा और मानवता की जिस प्राचीन भारतीय परंपरा को कृष्णगुरु जी ने आगे बढ़ाया, वो आज भी निरंतर गतिमान है। गुरूकृष्ण प्रेमानंद प्रभु जी और उनके सहयोग के आशीर्वाद से और कृष्णगुरू के भक्तों के प्रयास से इस आयोजन में वो दिव्यता साफ दिखाई दे रही है। मेरी इच्छा थी कि मैं इस अवसर पर असम आकर आप सबके साथ इस कार्यक्रम में शामिल होऊं! मैंने कृष्णगुरु जी की पावन तपोस्थली पर आने का पहले भी कई बार प्रयास किया है। लेकिन शायद मेरे प्रयासों में कोई कमी रह गई कि चाहकर के भी मैं अब तक वहां नहीं आ पाया। मेरी कामना है कि कृष्णगुरु का आशीर्वाद मुझे ये अवसर दे कि मैं आने वाले समय में वहाँ आकर आप सभी को नमन करूँ, आपके दर्शन करूं।

साथियों,

कृष्णगुरु जी ने विश्व शांति के लिए हर 12 वर्ष में 1 मास के अखंड नामजप और कीर्तन का अनुष्ठान शुरू किया था। हमारे देश में तो 12 वर्ष की अवधि पर इस तरह के आयोजनों की प्राचीन परंपरा रही है। और इन आयोजनों का मुख्य भाव रहा है- कर्तव्य I ये समारोह, व्यक्ति में, समाज में, कर्तव्य बोध को पुनर्जीवित करते थे। इन आयोजनों में पूरे देश के लोग एक साथ एकत्रित होते थे। पिछले 12 वर्षों में जो कुछ भी बीते समय में हुआ है, उसकी समीक्षा होती थी, वर्तमान का मूल्यांकन होता था, और भविष्य की रूपरेखा तय की जाती थी। हर 12 वर्ष पर कुम्भ की परंपरा भी इसका एक सशक्त उदाहरण रहा है। 2019 में ही असम के लोगों ने ब्रह्मपुत्र नदी में पुष्करम समारोह का सफल आयोजन किया था। अब फिर से ब्रह्मपुत्र नदी पर ये आयोजन 12वें साल में ही होगा। तमिलनाडु के कुंभकोणम में महामाहम पर्व भी 12 वर्ष में मनाया जाता है। भगवान बाहुबली का महा-मस्तकाभिषेक ये भी 12 साल पर ही होता है। ये भी संयोग है कि नीलगिरी की पहाड़ियों पर खिलने वाला नील कुरुंजी पुष्प भी हर 12 साल में ही उगता है। 12 वर्ष पर हो रहा कृष्णगुरु एकनाम अखंड कीर्तन भी ऐसी ही सशक्त परंपरा का सृजन कर रहा है। ये कीर्तन, पूर्वोत्तर की विरासत से, यहाँ की आध्यात्मिक चेतना से विश्व को परिचित करा रहा है। मैं आप सभी को इस आयोजन के लिए अनेकों-अनेक शुभकामनाएं देता हूँ।

साथियों,

कृष्णगुरु जी की विलक्षण प्रतिभा, उनका आध्यात्मिक बोध, उनसे जुड़ी हैरान कर देने वाली घटनाएं, हम सभी को निरंतर प्रेरणा देती हैं। उन्होंने हमें सिखाया है कि कोई भी काम, कोई भी व्यक्ति ना छोटा होता है ना बड़ा होता है। बीते 8-9 वर्षों में देश ने इसी भावना से, सबके साथ से सबके विकास के लिए समर्पण भाव से कार्य किया है। आज विकास की दौड़ में जो जितना पीछे है, देश के लिए वो उतनी ही पहली प्राथमिकता है। यानि जो वंचित है, उसे देश आज वरीयता दे रहा है, वंचितों को वरीयता। असम हो, हमारा नॉर्थ ईस्ट हो, वो भी दशकों तक विकास के कनेक्टिविटी से वंचित रहा था। आज देश असम और नॉर्थ ईस्ट के विकास को वरीयता दे रहा है, प्राथमिकता दे रहा है।

इस बार के बजट में भी देश के इन प्रयासों की, और हमारे भविष्य की मजबूत झलक दिखाई दी है। पूर्वोत्तर की इकॉनमी और प्रगति में पर्यटन की एक बड़ी भूमिका है। इस बार के बजट में पर्यटन से जुड़े अवसरों को बढ़ाने के लिए विशेष प्रावधान किए गए हैं। देश में 50 टूरिस्ट डेस्टिनेशन्स को विशेष अभियान चलाकर विकसित किया जाएगा। इनके लिए आधुनिक इनफ्रास्ट्रक्चर बनाया जाएगा, वर्चुअल connectivity को बेहतर किया जाएगा, टूरिस्ट सुविधाओं का भी निर्माण किया जाएगा। पूर्वोत्तर और असम को इन विकास कार्यों का बड़ा लाभ मिलेगा। वैसे आज इस आयोजन में जुटे आप सभी संतों-विद्वानों को मैं एक और जानकारी देना चाहता हूं। आप सबने भी गंगा विलास क्रूज़ के बारे में सुना होगा। गंगा विलास क्रूज़ दुनिया का सबसे लंबा रिवर क्रूज़ है। इस पर बड़ी संख्या में विदेशी पर्यटक भी सफर कर रहे हैं। बनारस से बिहार में पटना, बक्सर, मुंगेर होते हुये ये क्रूज़ बंगाल में कोलकाता से आगे तक की यात्रा करते हुए बांग्लादेश पहुंच चुका है। कुछ समय बाद ये क्रूज असम पहुँचने वाला है। इसमें सवार पर्यटक इन जगहों को नदियों के जरिए विस्तार से जान रहे हैं, वहाँ की संस्कृति को जी रहे हैं। और हम तो जानते है भारत की सांस्कृतिक विरासत की सबसे बड़ी अहमियत, सबसे बड़ा मूल्यवान खजाना हमारे नदी, तटों पर ही है क्योंकि हमारी पूरी संस्कृति की विकास यात्रा नदी, तटों से जुड़ी हुई है। मुझे विश्वास है, असमिया संस्कृति और खूबसूरती भी गंगा विलास के जरिए दुनिया तक एक नए तरीके से पहुंचेगी।

साथियों,

कृष्णगुरु सेवाश्रम, विभिन्न संस्थाओं के जरिए पारंपरिक शिल्प और कौशल से जुड़े लोगों के कल्याण के लिए भी काम करता है। बीते वर्षों में पूर्वोत्तर के पारंपरिक कौशल को नई पहचान देकर ग्लोबल मार्केट में जोड़ने की दिशा में देश ने ऐतिहासिक काम किए हैं। आज असम की आर्ट, असम के लोगों के स्किल, यहाँ के बैम्बू प्रॉडक्ट्स के बारे में पूरे देश और दुनिया में लोग जान रहे हैं, उन्हें पसंद कर रहे हैं। आपको ये भी याद होगा कि पहले बैम्बू को पेड़ों की कैटेगरी में रखकर इसके काटने पर कानूनी रोक लग गई थी। हमने इस कानून को बदला, गुलामी के कालखंड का कानून था। बैम्बू को घास की कैटेगरी में रखकर पारंपरिक रोजगार के लिए सभी रास्ते खोल दिये। अब इस तरह के पारंपरिक कौशल विकास के लिए, इन प्रॉडक्ट्स की क्वालिटी और पहुँच बढ़ाने के लिए बजट में विशेष प्रावधान किया गया है। इस तरह के उत्पादों को पहचान दिलाने के लिए बजट में हर राज्य में यूनिटी मॉल-एकता मॉल बनाने की भी घोषणा इस बजट में की गई है। यानी, असम के किसान, असम के कारीगर, असम के युवा जो प्रॉडक्ट्स बनाएँगे, यूनिटी मॉल-एकता मॉल में उनका विशेष डिस्प्ले होगा ताकि उसकी ज्यादा बिक्री हो सके। यही नहीं, दूसरे राज्यों की राजधानी या बड़े पर्यटन स्थलों में भी जो यूनिटी मॉल बनेंगे, उसमें भी असम के प्रॉडक्ट्स रखे जाएंगे। पर्यटक जब यूनिटी मॉल जाएंगे, तो असम के उत्पादों को भी नया बाजार मिलेगा।

साथियों,

जब असम के शिल्प की बात होती है तो यहाँ के ये 'गोमोशा' का भी ये ‘गोमोशा’ इसका भी ज़िक्र अपने आप हो जाता है। मुझे खुद 'गोमोशा' पहनना बहुत अच्छा लगता है। हर खूबसूरत गोमोशा के पीछे असम की महिलाओं, हमारी माताओं-बहनों की मेहनत होती है। बीते 8-9 वर्षों में देश में गोमोशा को लेकर आकर्षण बढ़ा है, तो उसकी मांग भी बढ़ी है। इस मांग को पूरा करने के लिए बड़ी संख्या में महिला सेल्फ हेल्प ग्रुप्स सामने आए हैं। इन ग्रुप्स में हजारों-लाखों महिलाओं को रोजगार मिल रहा है। अब ये ग्रुप्स और आगे बढ़कर देश की अर्थव्यवस्था की ताकत बनेंगे। इसके लिए इस साल के बजट में विशेष प्रावधान किए गए हैं। महिलाओं की आय उनके सशक्तिकरण का माध्यम बने, इसके लिए 'महिला सम्मान सेविंग सर्टिफिकेट' योजना भी शुरू की गई है। महिलाओं को सेविंग पर विशेष रूप से ज्यादा ब्याज का फायदा मिलेगा। साथ ही, पीएम आवास योजना का बजट भी बढ़ाकर 70 हजार करोड़ रुपए कर दिया गया है, ताकि हर परिवार को जो गरीब है, जिसके पास पक्का घर नहीं है, उसका पक्का घर मिल सके। ये घर भी अधिकांश महिलाओं के ही नाम पर बनाए जाते हैं। उसका मालिकी हक महिलाओं का होता है। इस बजट में ऐसे अनेक प्रावधान हैं, जिनसे असम, नागालैंड, त्रिपुरा, मेघालय जैसे पूर्वोत्तर राज्यों की महिलाओं को व्यापक लाभ होगा, उनके लिए नए अवसर बनेंगे।

साथियों,

कृष्णगुरू कहा करते थे- नित्य भक्ति के कार्यों में विश्वास के साथ अपनी आत्मा की सेवा करें। अपनी आत्मा की सेवा में, समाज की सेवा, समाज के विकास के इस मंत्र में बड़ी शक्ति समाई हुई है। मुझे खुशी है कि कृष्णगुरु सेवाश्रम समाज से जुड़े लगभग हर आयाम में इस मंत्र के साथ काम कर रहा है। आपके द्वारा चलाये जा रहे ये सेवायज्ञ देश की बड़ी ताकत बन रहे हैं। देश के विकास के लिए सरकार अनेकों योजनाएं चलाती है। लेकिन देश की कल्याणकारी योजनाओं की प्राणवायु, समाज की शक्ति और जन भागीदारी ही है। हमने देखा है कि कैसे देश ने स्वच्छ भारत अभियान शुरू किया और फिर जनभागीदारी ने उसे सफल बना दिया। डिजिटल इंडिया अभियान की सफलता के पीछे भी सबसे बड़ी वजह जनभागीदारी ही है। देश को सशक्त करने वाली इस तरह की अनेकों योजनाओं को आगे बढ़ाने में कृष्णगुरु सेवाश्रम की भूमिका बहुत अहम है। जैसे कि सेवाश्रम महिलाओं और युवाओं के लिए कई सामाजिक कार्य करता है। आप बेटी-बचाओ, बेटी-पढ़ाओ और पोषण जैसे अभियानों को आगे बढ़ाने की भी ज़िम्मेदारी ले सकते हैं। 'खेलो इंडिया' और 'फिट इंडिया' जैसे अभियानों से ज्यादा से ज्यादा युवाओं को जोड़ने से सेवाश्रम की प्रेरणा बहुत अहम है। योग हो, आयुर्वेद हो, इनके प्रचार-प्रसार में आपकी और ज्यादा सहभागिता, समाज शक्ति को मजबूत करेगी।

साथियों,

आप जानते हैं कि हमारे यहां पारंपरिक तौर पर हाथ से, किसी औजार की मदद से काम करने वाले कारीगरों को, हुनरमंदों को विश्वकर्मा कहा जाता है। देश ने अब पहली बार इन पारंपरिक कारीगरों के कौशल को बढ़ाने का संकल्प लिया है। इनके लिए पीएम-विश्वकर्मा कौशल सम्मान यानि पीएम विकास योजना शुरू की जा रही है और इस बजट में इसका विस्तार से वर्णन किया गया है। कृष्णगुरु सेवाश्रम, विश्वकर्मा साथियों में इस योजना के प्रति जागरूकता बढ़ाकर भी उनका हित कर सकता है।

साथियों,

2023 में भारत की पहल पर पूरा विश्व मिलेट ईयर भी मना रहा है। मिलेट यानी, मोटे अनाजों को, जिसको हम आमतौर पर मोटा अनाज कहते है नाम अलग-अलग होते है लेकिन मोटा अनाज कहते हैं। मोटे अनाजों को अब एक नई पहचान दी गई है। ये पहचान है- श्री अन्न। यानि अन्न में जो सर्वश्रेष्ठ है, वो हुआ श्री अन्न। कृष्णगुरु सेवाश्रम और सभी धार्मिक संस्थाएं श्री-अन्न के प्रसार में बड़ी भूमिका निभा सकती हैं। आश्रम में जो प्रसाद बँटता है, मेरा आग्रह है कि वो प्रसाद श्री अन्न से बनाया जाए। ऐसे ही, आज़ादी के अमृत महोत्सव में हमारे स्वाधीनता सेनानियों के इतिहास को युवापीढ़ी तक पहुंचाने के लिए अभियान चल रहा है। इस दिशा में सेवाश्रम प्रकाशन द्वारा, असम और पूर्वोत्तर के क्रांतिकारियों के बारे में बहुत कुछ किया जा सकता है। मुझे विश्वास है, 12 वर्षों बाद जब ये अखंड कीर्तन होगा, तो आपके और देश के इन साझा प्रयासों से हम और अधिक सशक्त भारत के दर्शन कर रहे होंगे। और इसी कामना के साथ सभी संतों को प्रणाम करता हूं, सभी पुण्य आत्माओं को प्रणाम करता हूं और आप सभी को एक बार फिर बहुत बहुत शुभकामनाएं देता हूं।

धन्यवाद!