“Our tribal brothers and sisters took charge of the change and the government extended all possible help”
“Govind Guru University in Godhra and Birsa Munda University in Narmada make for the finest institutions of higher education”
“For the first time, the tribal society has a feeling of increased participation in development and policy-making”
“The development of places of pride for tribals and places of faith will give a lot of impetus to tourism”

ভারত মাতা কি জয়!

ভারত মাতা কি জয়!

ভারত মাতা কি জয়!

আজকের দিনটি গুজরাট এবং সমগ্র দেশের আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু আগে আমি মানগড় ধাম দর্শন করেছি। আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের এই সময়কালে মানগড় ধামে গোবিন্দগুরু সহ আদিবাসী সম্প্রদায়ের হাজার হাজার ভাই-বোনেদের আত্মবলিদানকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়েছি। আর এখন আমি জাম্বুঘোড়ায় আমাদের আদিবাসী সমাজের এক মহান আত্মত্যাগকে দর্শন করছি। আজ শহীদ জরিয়া পরমেশ্বর, রূপসিন নায়ক, গালালিয়া নায়ক, রাবজিদা নায়ক এবং বাবারিয়া গালমা নায়কের মতো অমর শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর এক সুযোগ আমরা পেয়েছি। আজ স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দক্ষতা বিকাশের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্পের প্রসার ঘটাতে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। এর জন্য যে প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে আদিবাসী সমাজ সেগুলির বিষয়ে গর্ববোধ করে। গোবিন্দ গুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনটি আরো সুন্দর হয়েছে। এই অঞ্চলের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় গড়ে তোলার সঙ্গে সঙ্গে আমার পরবর্তী প্রজন্মের ভাই-বোনেরা দেশের পতাকাকে গর্বের সঙ্গে আরো উঁচুতে তুলে ধরবেন। আজ এই প্রকল্পগুলির শিলান্যাস অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যায় আমার ভাই ও বোনেরা এসেছেন। তাঁদের অভিনন্দন জানাই!

ভাই ও বোনেরা,

জাম্বুঘোড়া আমার কাছে নতুন জায়গা নয়। বহুবার এসেছি। যখনই আমি এই জায়গায় আসি তখনই আমার মনে হয় আমি এক পবিত্র ভূমিতে পদচারণা করছি। ১৮৫৭ সালের বিপ্লবকে জাম্বুঘোড়া সহ সমস্ত অঞ্চল নায়েকদা আন্দোলনের মাধ্যে উজ্জীবিত করেছিল। পরমেশ্বর জরিয়াজি এই আন্দোলনকে প্রসারিত করেন। রূপসিন নায়ক তাতে সামিল হয়েছিলেন। ১৮৫৭ সালের বিপ্লবে তাঁতিয়া টোপি ছিলেন এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু তাঁতিয়া টোপির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বীর বাঁকার লড়াইয়ের কথা ক’জন জানেন? মাতৃভূমির প্রতি তাঁদের ভালোবাসা এবং মাতৃভূমির জন্য লড়াই করার সাহস তাঁদের ছিল। সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও তাঁরা বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং প্রাণ বিসর্জনে পিছপা হননি। সেদিনের নায়কদের এই গাছের তলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। এই পবিত্র ভূমিতে মাথা নত করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আমি ২০১২ সালে একটি পুস্তক এখানে প্রকাশ করেছি। 

বন্ধুগণ,

গুজরাট জুড়ে দীর্ঘদিন ধরে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করেছি। শহীদের নামে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয়েছে। এইসব স্কুলে যেসব ছেলেমেয়ারা লেখাপড়া করছে তাদের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম শহীদদের বীরত্বের সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমরা সন্ত জরিয়া পরমেশ্বর এবং রূপ সিং নায়েকের নামে বাদেক এবং ডান্ডিয়া পুরান স্কুলগুলির নামকরণ করেছি। আজ এইসব স্কুলগুলি অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার জন্য প্রস্তুত। এই দুই আদিবাসী নেতার অবয়ব উন্মোচনের সুযোগ আমার হয়েছে। শিক্ষা প্রসারের পাশাপাশি স্বাধীনতা যুদ্ধে আদিবাসী সমাজের অবদানের স্বীকৃতিও এই বিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে নিশ্চিত হবে। 

ভাই ও বোনেরা,

আজ থেকে ২০-২২ বছর আগে এই আদিবাসী জনপদগুলির অবস্থা কেমন ছিল তা আপানাদের মনে আছে। আজ যাদের বয়স ২০-২২ তাদের কোনো ধারনা নেই সেই সময় কত রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। ২০-২২ বছর আগে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা আদিবাসী এবং আদিবাসী নয় এ ধরনের অঞ্চলের মধ্যে উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি করেছিলেন। আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যে এখানকার কোনো শিশু যদি স্কুলে যেতে চাইতো তাহলে সেটিও সমস্যার কারন হয়ে দাঁড়াতো। থাক্কর বাপা আশ্রম থেকে কয়েকটি গাড়ি স্কুল পর্যন্ত যেত। এর পাশাপাশি অপুষ্টি এবং খাদ্যাভাবের সমস্যা তো ছিলই। ১৩-১৪ বছরের মেয়েদের শারীরিক বিকাশ যথাযথভাবে হতো না। কিন্তু ২০-২২ বছর আগে আপনারা যখন আমাকে গুজরাটের সেবা করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন তখন থেকে পরিস্থিতির পরিবর্তন শুরু হয়। আজ সবকা প্রয়াসের ভাবনায় আমরা সেদিনের পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে আসতে পেরেছি। আমার আদিবাসী ভাই ও বোনেদের উদ্যোগে তাঁরা আমার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছেন। আজ হাজার হাজার আদিবাসী ভাই-বোন, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই পরিবর্তনের সুযোগ গ্রহণ করতে পেরেছেন। কিন্তু একটা জিনিস ভুলে গেলে চলবে না, এই পরিবর্তন কিন্তু রাতারাতি হয়নি। এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য আদিবাসী পরিবারগুলি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করেছেন এবং আমাকে সহায়তা করেছেন। আর এর মাধ্যমে পরিবর্তন এসেছে। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ১০ হাজার নতুন স্কুল গড়ে তোলা হয়েছে যা অবিশ্বাস্য। একলব্য মডেল স্কুল, মেয়েদের জন্য বিশেষ আবাসিক স্কুল এবং আশ্রমগুলির আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। স্কুল যাওয়ার সময় আমাদের মেয়েরা যাতে বিনামূল্য বাস পরিষেবা পান, তাদের খাবারে যাতে পুষ্টিকর উপাদান থাকে তা নিশ্চিত করা হয়েছে। 

ভাই ও বোনেরা,

আপনাদের হয়তো মনে আছে জুন মাসে প্রখর গরমে আমি আমার সহকর্মীদের সঙ্গে কন্যা কেলাবনি রথে বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে বেড়িয়েছি। মেয়েরা যাতে লেখাপড়া করতে পারে তার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের আদিবাসী ভাই ও বোনেরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছেন। একটু ভাবুন, উমরগাঁও থেকে অম্বাজি পর্যন্ত এই আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে কেউ যদি চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন, তাঁরা তা পূরণ করতে পারতেন না। এখানে তো কোনো স্কুলে বিজ্ঞানই পড়ানো হতো না। তাহলে কীভাবে তাদের স্বপ্ন পূরণ হবে? আমরা দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত স্কুলে বিজ্ঞান পড়ানোর ব্যবস্থা করেছি। আর আজ দু-দশকের মধ্যেই ১১টি বিজ্ঞান কলেজ, ১১টি বাণিজ্য শাখার কলেজ, কলা বিভাগে পঠন-পাঠনের জন্য ২৩টি কলেজ এবং শত শত ছাত্রাবাস তৈরি করা হয়েছে। আমাদের আদিবাসী ভাই-বোনেদের উন্নতির জন্যই এই উদ্যোগ। ২০-২৫ বছর আগে গুজরাটের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে খুব কম স্কুল ছিল। আজ এই অঞ্চলে আদিবাসীদের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গোধরার গোবিন্দগুরু বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্মদায় বীরসা মুন্ডা বিশ্ববিদ্যালয় যথেষ্ট প্রশংসিত। আদিবাসী সমাজের পরবর্তী প্রজন্ম যাতে উচ্চশিক্ষা পায় তার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গোবিন্দ গুরু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য পরিকাঠামো বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আমেদাবাদের দক্ষতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচমহল সহ অন্যান্য আদিবাসী অধ্যুষিত জায়গার ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্রোন পাইলটের লাইসেন্স দেওয়া হবে। দেশের মধ্যে অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এর আগে এ ধরনের লাইসেন্স দেওয়া হতো না। এর উদ্যোগের ফলে আমাদের আদিবাসী ভাই ও বোনেরা ড্রোন ওড়াতে পারবেন। বনবন্ধু কল্যান যোজনার মাধ্যমে গত কয়েক দশক ধরে পিছিয়ে পড়া আদিবাসী সমাজের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পের বিশেষত্ব হল কোন কোন অঞ্চলে প্রকল্পের প্রয়োজন সেটি গান্ধীনগরে বসে নয়, এখান থেকেই আমার আদিবাসী ভাই-বোনেরা সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। 

গত ১৪-১৫ বছর ধরে আমাদের আদিবাসী ভাই-বোনেদের জন্য এই প্রকল্পের আওতায় ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। আদিবাসী কল্যাণে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, তা আসলে বহু রাজ্যের আদিবাসী কল্যাণে বরাদ্দের থেকে অনেক কম। এর মধ্য দিয়ে আদিবাসী সমাজের প্রতি আমাদের ভালোবাসা, একাত্মতা প্রকাশিত। গুজরাট সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামীদিনে আরো ১ লক্ষ কোটি টাকা এই খাতে বিনিয়োগ করবে। আদিবাসী অধুষ্যিত অঞ্চলের প্রত্যেক বাড়িতে যাতে নলবাহিত জল পৌঁছায় এবং সমগ্র অঞ্চলে ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায় আমরা তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। আমি যখন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি তখন বিধায়কদের একটিই দাবি ছিল। তাদের অঞ্চলে একটি হ্যান্ড পাম্পের ব্যবস্থা করা হোক। হ্যান্ড পাম্পের প্রস্তাব অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গেই সেই অঞ্চলে উৎসব শুরু হয়ে যেত। কিন্তু এখন মোদী সাহেব এবং ভূপেন্দ্রভাই প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত জল পৌঁছিয়ে দিচ্ছেন। পাঁচমহলের মতো আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে দুগ্ধশিল্প পিছিয়ে ছিল। আজ আমাদের সঙ্গে এখানে জেঠাভাই রয়েছেন। এখন পাঁচমহল ডেয়ারী আমুলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। উন্নয়নের মাত্রাটা একবার বোঝার চেষ্টা করুন। আমাদের আদিবাসী বোনেদের আয় বাড়াতে, তাদের ক্ষমতায়ণের জন্য আমরা সখি মন্ডল গড়ে তুলেছি। এইসব সখি মন্ডল যাতে আরো বেশি করে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পায় আমরা তা নিশ্চিত করেছি। তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। আজ গুজরাট জুড়ে দ্রুত গতিতে শিল্পায়ন হচ্ছে। আমার আদিবাসী যুবক ভাই-বোনেরা তার সুফল পাচ্ছেন। আজ আপনি যদি হালোল বা কালোলে যান তাহলে দেখতে পাবেন প্রত্যেক কারখানায় ৫০ শতাংশ কর্মী আমার পাঁচমহলের আদিবাসী ভাইয়েরা। আমাদের এই কাজ করতে হয়েছে। নয়তো আগের মতোই আমাদের আদিবাসী ভাই-বোনেরা কচ্ছ-কাথিয়াবাড় অঞ্চলে সড়ক নির্মাণের কাজে ব্যস্ত থাকতেন। আমরা অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্র, আইটিআই ও কিষাণ বিকাশ কেন্দ্র গড়ে তুলেছি। এখান থেকে ১৮ লক্ষ আদিবাসী যুবক-যুবতী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং চাকরিও পেয়েছেন। আমার প্রিয় আদিবাসী ভাই-বোনেরা ২০-২৫ বছর আগে যে সরকারগুলি ছিল তারা এ বিষয়গুলি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করতো না। আপনারা হয়তো জানেন আবার নাও জানতে পারেন উমারগাঁও থেকে অম্বাজি এবং ডাং অঞ্চলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ সিকল সেল অসুখে ভুগতেন। কিন্তু আমরা এই অসুখ থেকে তাদের মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। দেশ জুড়ে এই বিষয়ে গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। বৈজ্ঞানিকদের সঙ্গে আমরা মতবিনিময় করি এবং এর জন্য প্রচুর বিনিয়োগও করা হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনাদের আশীর্বাদে আমরা এই সমস্যার নিরসন করতে পারবো। আমরা আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে ছোট ছোট ডিসপেনসারি এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র খুলেছি। মেডিকেল কলেজও খোলা হয়েছে। আমাদের মেয়েরা এখন নার্সিং-এর কোর্সে যোগদান করেছেন। সম্প্রতি আমি দাহোদে আদিবাসী সম্প্রদায়ের কয়েকটি মেয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তাঁরা জানিয়েছেন উচ্চশিক্ষার পর তাঁরা বিদেশে চাকরি পেয়েছেন। এখন তাঁরা নার্সিং-এর কাজ করতে বিদেশেও যাচ্ছেন। 

ভাই ও বোনেরা,

নরেন্দ্র-ভূপেন্দ্র ডাবল ইঞ্জিন সরকার আদিবাসী অঞ্চলে ১৪০০র বেশি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তুলেছে। আগে ছোটখাটো অসুখের চিকিৎসার জন্যও শহরে যেতে হতো। এরজন্য সারা রাত ফুটপাতে কাটাতে হত। কেউ যদি তার ওষুধ পেতেন তাহলে তো ভালোই নয়তো তিনি খালি হাতেই ফিরে আসতেন। আমরা এই পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছি। এখন গোধরা পাঁচমহলে মেডিকেল কলেজ হয়েছে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা এখান থেকে চিকিৎসক হবে। তারা তাদের মাতৃভাষায় লেখাপড়া করার সুযোগও পাবে। অর্থাৎ গরিব ঘরের ছেলে-মেয়েরা নিজেদের ভাষায় লেখাপড়া করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবেন। ইংরাজি না জানলেও তাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হবে না। এখন গোধরা মেডিকেল কলেজের নতুন ভবনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। দাহোদ, সবরকান্থা, বোনসকান্থা, ভালসাদ, কুমারগাঁও থেকে অম্বাজি পর্যন্ত অঞ্চলে একটি মেডিকেল কলেজ তৈরি হচ্ছে। 

ভাই ও বোনেরা,

আমাদের এই উদ্যোগগুলির জন্য আজ আদিবাসী অধ্যুষিত জেলাগুলিতে সড়ক নির্মাণ হচ্ছে। অরণ্য বিধি মেনেই এই কাজ করা হচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ পান তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর সুফল আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। 

ভাই ও বোনেরা,

আপনারা হয়তো জানেন গুজরাটের মধ্যে ডাং হল প্রথম জেলা যেখানে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ পরিষেবা নিশ্চিত হয়েছে। আমি যদি ভোট রাজনীতিতে বিশ্বাসী হতাম তাহলে আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট বা ভাদোদরার মতো বড় শহরগুলিতে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতাম। কিন্তু আমি আদিবাসী অধ্যুষিত একটি জেলাকে বেছে নিয়েছি কারণ, আমার হৃদয় জুড়ে আমার আদিবাসী ভাই-বোনেরা রয়েছেন। আপনাদের আশীর্বাদে আমরা এই কাজগুলি সম্পন্ন করবো। আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের শিল্পায়ন হচ্ছে। এখানে ছেলেমেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। সুবর্ণ করিডরের মাধ্যমে টুইন সিটি উন্নয়ন শুরু হয়েছে। এখন পাঁচমহল ও দাহোদ আর পিছিয়ে নেই। ভাদোদরা, হালোল বা কালোলের মতোই একই সারিতে এই অঞ্চলের উন্নতি হচ্ছে। এখন পাঁচমহলের নগরায়ন হচ্ছে। 

বন্ধুগণ,

দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দেশে আদিবাসী সমাজ বসবাস করেন। এমনটা নয় যে ভূপেন্দ্রভাই এবং নরেন্দ্রভাইয়ের সরকার যখন গঠিত হয়েছে তখন আদিবাসী সমাজের আত্মপ্রকাশ হয়েছে। আচ্ছা বলুন তো ভগবান রামের সময় থেকে কী আদিবাসী সমাজ ছিল না? আমরা শবরী মাতাকে ভুলতে পারি না। সৃষ্টির শুরু থেকেই আদিবাসী সমাজ এখানে রয়েছে। অথচ আপনারা জেনে আশ্চর্য হবেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অটলজি দিল্লিতে দায়িত্ব নেওয়ার আগে আদিবাসী সমাজের জন্য কোনো মন্ত্রকই ছিল না। যেহেতু কোনো মন্ত্রক ছিল না তাই আদিবাসীদের জন্য কোনো বাজেট বরাদ্দও ছিল না। আদিবাসী সমাজের প্রতি বিজেপি-র ভালোবাসার জন্য আদিবাসী মন্ত্রক গঠিত হয়েছে। ফলে আদিবাসী কল্যাণে অর্থাৎ বরাদ্দ হয়েছে। বিজেপি সরকার বন্ধনের মতো প্রকল্পের সূচনা করেছে। আমাদের আদিবাসী ভাই-বোনেদের সম্পত্তি এবং ভারতের বিভিন্ন বনাঞ্চলে উপাদিত পণ্য বাজারজাত করার উদ্যোগ আমরা নিয়েছি। বৃটিশ আমলে একটি কালা কানুন ছিল যা আদিবাসীদের ধ্বংস করে দিয়েছিল। সেই আইন অনুযায়ী কেউ বাঁশ অবধি কাটতে পারতো না। গাছ কাটলে জেল হয়ে যেতো। আমি সেই আইনের পরিবর্তন করেছি। বাঁশ তো হল ঘাস জাতীয়। তা তো গাছ নয়। ফলে আজ আদিবাসী ভাই-বোনেরা বাঁশ উৎপাদন করছেন, তা কেটে বিক্রি করছেন। বাঁশ থেকে সুন্দর সুন্দর জিনিস তৈরি করে তা বিক্রি করা হচ্ছে। ন্যুনতম সহায়ক মূল্যের মাধ্যমে আমরা ৮০ টির বেশি বনজ সম্পদ সরাসরি কিনে নিচ্ছি। বিজেপি সরকার আদিবাসীদের গর্ব বৃদ্ধি করছে। তাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করার জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

ভাই ও বোনেরা,

প্রথমবারের মতো আদিবাসী সমাজ তাঁদের উন্নয়নের জন্য নীতি নির্ধারণের কাজে অংশীদার হয়ে উঠেছেন। আজ আদিবাসী সমাজ নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। তারা সমগ্র শক্তিতে গুজরাটকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহান আদিবাসী নেতা ভগবান বীরসা মুন্ডার জন্মদিনটি জনজাতীয় গৌরব দিবস হিসেবে উদযাপন করবে। ১৫ নভেম্বর তাঁর জন্মদিনটি দেশজুড়ে জনজাতীয় গৌরব দিবস হিসেবে উদযাপন করা হবে। এইভাবে আমাদের আদিবাসী সমাজের আত্মমর্যাদা, গৌরব ও সাহসের কথা সারা দেশ জানতে পারবে। তাঁরা নিঃস্বার্থ মনের মানুষ এবং পরিবেশ রক্ষক। ডাবল ইঞ্জিন সরকার দরিদ্র, দলিত, পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষ এবং আমার আদিবাসী ভাই ও বোনেদের আয় বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা যুব সম্প্রদায়ের জন্য শিক্ষা ও অর্থ উপার্জনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছি। একইসঙ্গে কৃষকদের সেচের সুবিধা এবং প্রবীণ নাগরিকদের ওষুধের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কাজে যাতে ঘাটতি না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। গত ১০০ বছরের মধ্যে করোনা ছিল সব থেকে ভয়াবহ মহামারী। সংকটের সেই সময়ে কুসংস্কার নিয়ে বেঁচে থাকাটা খুব কষ্টকর ছিল। আমরা আদিবাসী ভাই-বোনেদের নানা ভাবে সহায়তা করেছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের বিনামূল্যে টিকাকরণ নিশ্চিত করেছি। এইভাবে আদিবাসী ভাই-বোনেদের জীবন রক্ষা করা হয়েছে। তাদের ঘরের কোনো শিশু যাতে অভুক্ত না থাকে, কেউ যেন অনাহারে না থাকেন তা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত আড়াই বছর ধরে ৮০ কোটি ভাই-বোনকে আমরা বিনামূল্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করছি। অসুস্থ হলে দরিদ্র পরিবারগুলি যাতে সেরা চিকিৎসা পায় আমরা সেটি নিশ্চিত করেছি। প্রত্যেক পরিবার বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। অর্থাৎ আপনি যদি আরো ৪০ বছর বাঁচেন তাহলে আরো ৪০ গুণ টাকা পাবেন। তবে আমি কখনই চাইবো না আপনারা অসুস্থ হয়ে পড়ুন। যদি অসুস্থ হন তাহলে আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি। আমার গর্ভবতী মা-বোনেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অর্থ পাঠানো হয় যাতে গর্ভাবস্থায় থাকা তাঁদের শিশু সহ তাঁরা পুষ্টিকর খাবার পান। এর মাধ্যমে গর্ভে থাকা শিশুটির বিকাশ যথাযথ হবে। সে কোনো প্রতিবন্ধকতার শিকার হবে না যা পরিবার এবং সমাজ উভয়ের পক্ষেই শুভ হবে। 

ক্ষুদ্র চাষীরা যাতে সার ও বিদ্যুৎ পান সেটি নিশ্চিত করতে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। আমাদের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের কৃষক ভাই-বোনেদের অ্যাকাউন্টে বছরে ৩ বার কিষাণ সম্মান নিধির ২ হাজার টাকা ঢোকে। পাথুরে জমিতে দরিদ্র কৃষকরা ভুট্টা বা বাজরার চাষ করেন। তার কৃষিকাজ যাতে আরো ভালোভাবে হয় সেটি নিশ্চিত করতে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। আজ আন্তর্জাতিক স্তরে সারের দাম বেড়েছে। বিশ্বের বাজারে যে সারের দাম ২ হাজার টাকা তা আমাদের সরকার কৃষকের কাছে ২৬০ টাকায় পৌঁছে দিচ্ছে। এর ফলে তাঁরা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হবেন না। আজ আমরা দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি ও শৌচাগার নির্মাণ করছি। সমাজের বঞ্চিত অংশের মানুষদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য গ্যাস ও জলের সংযোগ নিশ্চিত করছি। এরফলে সমাজের সার্বিক বিকাশ হবে। চম্পানর, পাভাগড়, সোমনাথ, হলদিঘাটি সহ বিভিন্ন অঞ্চলে আজ উন্নয়নের জোয়াড় দেখা দিয়েছে। আদিবাসী নায়কদের সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি আমরা তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাসকেও শ্রদ্ধা জানাই। পাভাগড়ের মা কালীর কাছে বহু মানুষ আশীর্বাদ চাইতে যান। কিন্তু তাদের অভিযোগ ছিল মন্দিরের চুড়ায় কোনো পতাকা নেই। গত ৫০০ বছর ধরে এই বিষয়টি নিয়ে কেউ ভাবনা-চিন্তাও করেন নি। কিন্তু আপনাদের আশীর্বাদে আজ মহাকালের মন্দিরে আমরা পতাকা উত্তোলন করেছি। আপনারা যদি শামলাজিতে যান তাহলে দেখবেন কালিয়াদেবের মন্দিরটি অযত্নে ছিল। কিন্তু আজ সেই মন্দিরেরও সংস্কার করা হয়েছে। আদিবাসী অধ্যুষিত উন্নাই মাতা মন্দির এবং শ্রী অম্বেধামের সংস্কার করা হয়েছে। আমার এই উন্নয়ন মূলক প্রকল্পগুলির ফলে আজ লক্ষ লক্ষ মানুষ এই জায়গাগুলি দর্শন করছেন। একইভাবে সাপুতারার উন্নয়ন এবং স্ট্যাচু অফ ইউনিটির কারনেও আদিবাসী সমাজের আয় বেড়েছে। 

ভাই ও বোনেরা,

মানুষের আয়ের সুযোগ বাড়ানোর জন্য, তাদের ক্ষমতায়নের জন্য আমি কাজ করছি। পাঁচমহল একটি পর্যটন কেন্দ্র। চম্পানড় ও পাভাগড় তাদের প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তির জন্য বিখ্যাত। সরকার এইসব ঐতিহাসিক ক্ষেত্রগুলি দর্শনের জন্য নানা ব্যবস্থা নিয়েছে। একইসঙ্গে জাম্বুঘোড়ার অরণ্য জীবন, হাথনিমাতা জলপ্রপাত ও কারা জলাধার পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় জায়গা। ধনপুরিতে ইকোট্যুরিজম গড়ে তোলা যায়। ধনেশ্বরী মাতা, জন্দ হনুমানজি- কী নেই আমাদের। আমি জানি এ বিষয়ে আপনারা আমাদের থেকে আরো ভালো জানেন। তাই এই অঞ্চলগুলির আমি উন্নতি ঘটাতে চাই।

ভাই ও বোনেরা, 

কীভাবে পর্যটনের বিকাশ ঘটানো যায়, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো যায়, আমাদের আদিবাসীদের গর্বের জায়গাগুলির উন্নয়ন ঘটানো যায় তা নিয়ে আমাদের ভাবনা-চিন্তা করতে হবে। নরেন্দ্র-ভূপেন্দ্র ডাবল ইঞ্জিন সরকার একটি উন্নত ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। আমাদের লক্ষ অত্যন্ত স্পষ্ট। আর তাই উন্নয়নের গতিকে আমরা কখনই শ্লথ হতে দিতে পারিনা। আমাদের সতর্ক হয়ে এগোতে হবে। এই বিপুল সংখ্যক মা ও বোনেদের আর্শীবাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। তাই চিন্তার কোনো কারন নেই। কুমারগাঁও থেকে অম্বাজি পর্যন্ত আমাদের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল, ভালসাদ থেকে মুন্দ্রা পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের অঞ্চল অথবা শহরাঞ্চলে উন্নয়নের গতিতে আরো বাড়াতে হবে। ভারতের উন্নয়নের জন্য গুজরাটের উন্নয়ন প্রয়োজন। আমাদের সাহসী শহীদদের আরো একবার প্রণাম জানাই। তাঁরাই আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 

ভারত মাতা কি জয়!

ভারত মাতা কি জয়!

ভারত মাতা কি জয়!

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Engineering goods exports up 10.4% in January,2026, crosses $100 billion mark in April-January Period of FY26

Media Coverage

Engineering goods exports up 10.4% in January,2026, crosses $100 billion mark in April-January Period of FY26
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s address at the News18 Rising Bharat Summit
February 27, 2026

इजराइल की हवा यहाँ भी पहुँच गई है।

नमस्कार!

नेटवर्क 18 के सभी पत्रकार, इस व्यवस्था को देखने वाले सभी साथी, यहां उपस्थित सभी महानुभाव, देवियों और सज्जनों!

आप सभी राइजिंग भारत की चर्चा कर रहे हैं। और इसमें strength within पर आपका जोर है, यानी साधारण शब्दों में कहूं, तो देश के अपने खुद के सामर्थ्य पर आपका फोकस है। और हमारे यहां तो शास्त्रों में कहा गया है - तत् त्वम असि! यानी जिस ब्रह्म की खोज मे हम निकले हैं, वो हम ही हैं, वो हमारे भीतर ही है। जो सामर्थ्य हमारे भीतर है उसे हमें पहचानना है। बीते 11 वर्षों में भारत ने अपना वही सामर्थ्य पहचाना है, और इस सामर्थ्य को सशक्त करने के लिए आज देश निरंतर प्रयास कर रहा है।

साथियों,

सामर्थ्य किसी देश में अचानक पैदा नहीं होता, सामर्थ्य पीढ़ियों में बनता है। वो ज्ञान से, परंपरा से, परिश्रम से और अनुभव से निखरता है, लेकिन इतिहास के एक लंबे कालखंड में, गुलामी की इतनी शताब्दियों में, हमारे सामर्थ्यवान होने की भावना को ही हीनता से भर दिया गया था। दूसरे देशों से आयातित विचारधारा ने समाज में कूट-कूट कर ये भर दिया था, कि हम अशिक्षित हैं और अनुगामी यानी, फॉलोअर हैं, हमारे यहां ये भी कहा गया है – यादृशी भावना यस्य, सिद्धिर्भवति तादृशी। यानी जैसी जिसकी भावना होती है, उसे वैसी ही सिद्धि प्राप्त होती है। जब भावना में ही हीनता थी, तो सिद्धि भी वैसी ही मिल रही है। हम विदेशी तकनीक की नकल करते थे, विदेशी मुहर का इंतजार करते थे, ये वो गुलामी थी जो राजनीतिक और भौगोलिक से ज्यादा मानसिक गुलामी थी। दुर्भाग्य से आजादी के बाद भी, भारत गुलामी की मानसिकता से बाहर नहीं निकल पाया। और इसका नुकसान हम आज तक उठा रहे हैं। इसका ताजा उदाहरण, हम ट्रेड डील्स में हो रही चर्चा में देख रहे हैं। कुछ लोग चौंक गए हैं कि अरे ये क्या हो गया, कैसे हो गया, विकसित देश भारत से ट्रेड डील्स करने में इतने उत्सुक क्यों हैं। इसका उत्तर है हताशा, निराशा से बाहर निकल रहा आत्मविश्वासी भारत। अगर देश आज भी 2014 से पहले वाली निराशा में होता, फ्रेजाइल फाइव में गिना जाता, पॉलिसी पैरालिसिस से घिरा होता, अगर ये हाल होते तो कौन हमारे साथ ट्रेड डील्स करता, अरे हमारी तरफ देखता भी नहीं।

लेकिन साथियों,

बीते 11 वर्षों में देश की चेतना में नई ऊर्जा का प्रवाह हुआ है। भारत अब अपने खोये हुए सामर्थ्य को वापस पाने का प्रयास कर रहा है। एक समय में जब भारत का वैश्विक अर्थव्यवस्था में सबसे ज्यादा दबदबा था, तो हमारा क्या सामर्थ्य था? भारत की मैन्युफैक्चरिंग, भारत के प्रोडक्टस की क्वालिटी, भारत की अर्थ नीति, अब आज का भारत फिर से इन बातों पर फोकस कर रहा है। इसलिए हमने मैन्युफैक्चरिंग पर काम किया, हमने मेक इन इंडिया पर बल दिया, हमने अपनी बैंकिंग सिस्टम को सशक्त किया, महंगाई जो डबल डिजिट की दर से भाग रही थी, उसका कंट्रोल किया और भारत को दुनिया का ग्रोथ इंजन बनाया। भारत का यही सामर्थ्य है कि दुनिया के विकसित देश सामने से भारत के साथ ट्रेड डील करने के लिए खुद आगे आ रहे हैं।

साथियों,

जब किसी राष्ट्र के भीतर, छिपी हुई उसकी शक्ति जागती है, तो वह नई उपलब्धियां हासिल करता है। मैं आपको कुछ और उदाहरण देता हूं। जैसे मैं जब कभी दूसरी देशों के हेड ऑफ द गर्वमेंट से मिलता हूं, तो वो जनधन, आधार और मोबाइल की इतनी शक्ति के बारे में सुनने के लिए बहुत उत्सुक होते हैं। जिस भारत में एटीएम भी, दुनिया की विकसित देशों की तुलना में काफी समय बाद आया, उस भारत ने डिजिटल पेमेंट सिस्टम में ग्लोबल लीडरशिप कैसे हासिल कर ली? जहां पर सरकारी मदद की लीकेज को कड़वा सच मान लिया गया था, वो भारत डीबीटी के जरिये 24 लाख करोड़ रूपये, यानी Twenty four trillion रुपीज कैसे लाभार्थियों को भेज पा रहा है? भारत का डिजिटल पब्लिक इंफ्रास्ट्रक्चर, आज पूरे विश्व के लिए चर्चा का विषय बन चुका है।

साथियों,

दुनिया हैरान होती है, कि जिस भारत में 2014 तक, करीब तीन करोड़ परिवार अंधेरे में थे, वो आज सोलर पावर कैपेसिटी में दुनिया के टॉप के देशों में कैसे आ गया? जिस भारत के शहरों में पब्लिक ट्रांसपोर्ट सुधरने की कोई उम्मीद ना थी, वो भारत आज दुनिया का तीसरा बड़ा मेट्रो नेटवर्क वाला देश कैसे बन गया? जिस भारत के रेलवे की पहचान सिर्फ लेट-लतीफी और धीमी-रफ्तार से होती थी, वहां वंदे भारत, नमो भारत, ऐसी सेमी-हाईस्पीड कनेक्टिविटी कैसे संभव हो पा रही है?

साथियों,

एक समय था, जब भारत नई टेक्नोलॉजी का सिर्फ और सिर्फ कंज्यूमर था। आज भारत नई टेक्नोलॉजी का निर्माता भी है और नए मानक भी स्थापित कर रहा है। और ऐसा इसलिए हुआ है क्योंकि हमने अपने सामर्थ्य को पहचाना है, जिस Strength Within की आप चर्चा कर रहे हैं, ये उसका ही उदाहरण है।

साथियों,

जब हम गर्व से आगे बढ़ते हैं, तो दुनिया हमें जिस नजर से देखती रही है, वो नजर भी बदली है। आप याद कीजिए, कुछ साल पहले तक दुनिया में, ग्लोबल मीडिया में, भारत के किसी इवेंट की कितनी कम चर्चा होती थी। भारत में होने वाले इवेंट्स को उतनी तवज्जो ही नहीं दी जाती थी। और आज देखिए, भारत जो करता है, जो एक्शन यहां होते हैं, उसका वैश्विक विश्लेषण होता है। AI समिट का उदाहरण आपके सामने है, इसी भवन में हुआ है। AI समिट में 100 से ज्यादा देश शामिल हुए, ग्लोबल नॉर्थ हो या फिर ग्लोबल साउथ, सभी एक साथ, एक ही जगह, एक टेबल पर बैठे। दुनिया के बड़े-बड़े कॉर्पोरेशन्स हों या फिर छोटे-छोटे स्टार्ट अप्स, सभी एक साथ जुटे।

साथियों,

अब तक जितनी भी औद्योगिक क्रांतियां आई हैं, उनमें भारत और पूरा ग्लोबल साउथ सिर्फ फॉलोअर रहा है। लेकिन आर्टिफिशियल इंटेलीजेंस के इस युग में, भारत निर्णयों में सहभागी भी है और उन्हें शेप भी कर रहा है। आज हमारे पास खुद का AI स्टार्टअप इकोसिस्टम है, डेटा-सेंटर में निवेश करने की ताकत है और AI डेटा को स्टोर करने के लिए, प्रोसेस करने के लिए, जिस पावर की सबसे ज्यादा ज़रूरत है, उस पर भी भारत तेजी से काम कर रहा है। हमने न्यूक्लियर पावर सेक्टर में जो Reform किया है, वो भी भारत के AI इकोसिस्टम को मजबूती देने में मदद करेगा।

साथियों,

AI समिट का आयोजन पूरे भारत के लिए गौरव का पल था। लेकिन दुर्भाग्य से देश की सबसे पुरानी पार्टी ने, देश के इस उत्सव को मैला करने का प्रयास किया। विदेशी अतिथियों के सामने कांग्रेस ने सिर्फ कपड़े नहीं उतारे, बल्कि इसने कांग्रेस के वैचारिक दिवालिएपन को भी expose कर दिया है। जब नाकामी की निराशा-हताशा मन में हो, और अहंकार सिर चढ़कर बोलता हो, तब देश को बदनाम करने की ऐसी सोच सामने आती है। ज़ाहिर है, कांग्रेस की इस हरकत से देश में गुस्सा है। इसलिए, इन्होंने अपने पाप को सही ठहराने के लिए महात्मा गांधी जी को आगे कर दिया। कांग्रेस हर बार ऐसा ही करती है। जब अपने पाप को छुपाना हो तो कांग्रेस बापू को आगे कर देती है, और जब अपना गौरवगान करना हो, तो एक ही परिवार को सारा क्रेडिट देती है।

साथियों,

कांग्रेस अब विचारधारा के नाम पर केवल विरोध की टूलकिट बनकर रह गई है। और ये अंध-विरोध की मानसिकता इतनी बढ़ गई है, कि ये देश को हर मंच, हर प्लेटफॉर्म पर नीचा दिखाने से नहीं चूकते। देश कुछ भी अच्छा करे, देश के लिए कुछ भी शुभ हो रहा हो, कांग्रेस को विरोध ही करना है।

साथियों,

मेरे पास एक लंबी सूची है, देश की संसद की नई इमारत बनी, उसका विरोध। संसद के ऊपर अशोक स्तंभ के शेरों का विरोध। अब जिनके बब्बर शेर सामान्य नागरिकों के जूते खाकर के भाग रहे थे, उनके संसद भवन के शेर के दांत देखकर के डर लग गया उनको। कर्तव्य भवन बना, उसका भी विरोध। सेनाओं ने सर्जिकल स्ट्राइक की, उसका भी विरोध। बालाकोट में एयर स्ट्राइक हुई, उसका भी विरोध। ऑपरेशन सिंदूर हुआ, उसका भी विरोध। यानी देश की हर उपलब्धि पर कांग्रेस के टूलकिट से एक ही चीज निकलती है- विरोध।

साथियों,

देश ने आर्टिकल 370 की दीवार गिराई, देश खुश हुआ। लेकिन कांग्रेस ने विरोध किया। हमने CAA का कानून बनाया- उसका विरोध। हम महिला आरक्षण कानून लाए- उसका विरोध। तीन तलाक के विरुद्ध कानून लाए- उसका विरोध। हम UPI लेकर आए, उसका विरोध। स्वच्छ भारत अभियान लेकर आए, उसका विरोध। देश ने कोरोना वैक्सीन बनाई, तो उसका भी विरोध।

साथियों,

लोकतंत्र में विपक्ष का मतलब सिर्फ अंध-विरोध नहीं होता, डेमोक्रेसी में विपक्ष का मतलब वैकल्पिक विजन होता है। इसलिए देश की प्रबुद्ध जनता, कांग्रेस को सबक सिखा रही है, आज से नहीं, बीते चार दशकों से लगातार ये काम देश की जनता कर रही है। मैं जो कहने जा रहा हूं, मीडिया के साथी उसका भी ज़रा एनालिसिस करिएगा। आपको पता लगेगा कि कांग्रेस के वोट चोरी नहीं हो रहे, बल्कि देश के लोग अब कांग्रेस को वोट देने लायक ही नहीं मानते। और इसकी शुरुआत 1984 के बाद ही होनी शुरू हो गई थी। 1984 में कांग्रेस को 39 परसेंट वोट मिले थे, और 400 से अधिक सीटें मिली थीं। इसके बाद हुए चुनावों में कांग्रेस के वोट कम ही होते चले गए। और आज कांग्रेस की हालत ये है कि, देश में सिर्फ, सिर्फ चार राज्य ऐसे बचे हैं, जहां कांग्रेस के पास 50 से ज्यादा विधायक हैं। बीते 40 वर्षों में युवा वोटर्स की संख्या बढ़ती गई और कांग्रेस साफ होती गई। कांग्रेस, परिवार की गुलामी में डूबे लोगों का एक क्लब बनकर रह गई है। इसलिए पहले मिलेनियल्स ने कांग्रेस को सबक सिखाया, और अब जेन जी भी तैयार बैठी है।

साथियों,

कांग्रेस और उसके साथियों की सोच इतनी छोटी है, कि उन्होंने दूरदृष्टि से काम करने को भी गुनाह बना दिया है। आज जब हम विकसित भारत 2047 की बात करते हैं, तो कुछ लोग पूछते हैं— “इतनी दूर की बात अभी क्यों कर रहे हो?” कुछ लोग ये भी कहते हैं कि तब तक मोदी जिंदा थोड़ी रहेगा, सच्चाई यह है कि राष्ट्र निर्माण कभी भी तात्कालिक सोच से नहीं होता। वो एक बड़े विजन, धैर्य और समय पर लिए गए निर्णयों से होता है। मैं कुछ और तथ्य नेटवर्क 18 के दर्शकों के सामने रखना चाहता हूं। भारत हर साल विदेशी समुद्री जहाजों से मालढुलाई पर 6 लाख करोड़ रुपये से अधिक खर्च करता है किराए पर। फर्टिलाइजर के आयात पर हर साल सवा दो लाख करोड़ रुपये खर्च होते हैं। पेट्रोलियम आयात पर हर साल 11 लाख करोड़ रुपये खर्च होते हैं। यानी हर वर्ष लाखों करोड़ रुपये देश से बाहर जा रहे हैं। अगर यही निवेश 20–25 वर्ष पहले आत्मनिर्भरता की दिशा में किया गया होता, तो आज ये पूंजी भारत के इंफ्रास्ट्रचर, रिसर्च, इंडस्ट्री, किसान और युवाओं की क्षमताओं को मजबूत कर रही होती। आज हमारी सरकार इसी सोच के साथ काम कर रही है। विदेशी जहाजों को 6 लाख करोड़ रुपए ना देना पड़े इसलिए भारतीय शिपिंग और पोर्ट इंफ्रास्ट्रक्चर को मजबूत किया जा रहा है। फर्टिलाइजर का domestic प्रोडक्शन बढ़ाने के लिए नए प्लांट लग रहे हैं, नैनो-यूरिया को बढ़ावा दिया जा रहा है। पेट्रोलियम पर निर्भरता कम करने के लिए एथेनॉल ब्लेंडिंग, ग्रीन हाइड्रोजन मिशन, सोलर और इलेक्ट्रिक मोबिलिटी को प्राथमिकता दी जा रही है।

और साथियों,

हमें भविष्य की ओर देखते हुए भी आज ही निर्णय लेने हैं। इसलिए आज भारत में सेमीकंडक्टर इकोसिस्टम का निर्माण हो रहा है। रक्षा उत्पादन में, मोबाइल मैन्युफैक्चरिंग में, ड्रोन टेक्नोलॉजी में, क्रिटिकल मिनरल्स सेक्टर में, और उसमें निवेश, आने वाले दशकों की आर्थिक सुरक्षा की नींव है। 2047 का लक्ष्य कोई राजनीतिक नारा नहीं है। यह उस ऐतिहासिक भूल को सुधारने का संकल्प भी है, जहाँ कांग्रेस की सरकारों के समय कई क्षेत्रों में समय रहते निवेश नहीं किया। आज अगर हम ख़ुद स्वदेशी जहाज, स्वदेशी शिप्स बनाएँगे, ख़ुद एनर्जी का प्रोडक्शन करेंगे, ख़ुद नई टेक्नोलॉजी डेवलप करेंगे, तो आने वाली पढ़ियाँ इम्पोर्ट के बोझ की नहीं, एक्सपोर्ट की क्षमता पर चर्चा करेंगी। राष्ट्र की प्रगति “आज की सुविधा” से नहीं, “कल की तैयारी” से तय होती है। और दूरदृष्टि से की गई मेहनत ही 2047 के आत्मनिर्भर, सशक्त और समृद्ध भारत की आधारशिला है। और इसके लिए कांग्रेस अपने कितने ही कपड़े फाड़ ले, हम निरंतर काम करते रहेंगे।

साथियों,

राष्ट्र निर्माण की, Nation Building की एक बहुत अहम शर्त होती है- नेक नीयत की। कांग्रेस और उसके साथी दल, इसमें भी फेल रहे हैं। कांग्रेस और उसके साथियों ने कभी नेक नीयत के साथ काम नहीं किया। गरीब का दुख, उसकी तकलीफ से भी इन्हें कोई वास्ता नहीं है। जैसे बंगाल में आज तक आयुष्मान भारत योजना लागू नहीं हुई। अगर नेक नीयत होती तो क्या गरीबों को 5 लाख रुपए तक मुफ्त इलाज देने वाली इस योजना को बंगाल में रोका जाता क्या? नहीं। आप भी जानते हैं कि देश में पीएम आवास योजना के तहत गरीबों के लिए पक्के घर बनवाए जा रहे हैं। नेटवर्क 18 के दर्शकों को मैं एक और आंकड़ा देता हूं। तमिलनाडु के गरीब परिवारों के लिए, करीब साढ़े नौ लाख पक्के घर एलोकेट किए गए हैं, साढ़े नौ लाख। लेकिन इनमें से तीन लाख घरों का निर्माण अटक गया है, क्यों, क्योंकि DMK सरकार गरीबों के इन घरों के निर्माण में दिलचस्पी नहीं दिखा रही। इसकी वजह क्या है? इसकी वजह है, नीयत नेक नहीं है।

साथियों,

मैं आपको एग्रीकल्चर सेक्टर का भी उदाहरण देता हूं। कांग्रेस के समय में खेती-किसानी को अपने हाल पर छोड़ दिया गया था। छोटे किसानों को कोई पूछता नहीं था, फसल बीमा का हाल बेहाल था, MSP पर स्वामीनाथन कमेटी की रिपोर्ट फाइलों में दबा दी गई थी, कांग्रेस बजट में घोषणाएं जरूर करती थी, लेकिन ज़मीन पर कुछ नहीं होता था, क्योंकि उसकी नीयत ही नहीं थी। हमने देश के किसानों के लिए नेक नीयत के साथ काम करना शुरू किया, और आज उसके परिणाम दुनिया देख रही है। आज भारत दुनिया के बड़े एग्रीकल्चर एक्सपोर्टर्स में से एक बन रहा है। हमने हर स्तर पर किसानों के लिए एक सुरक्षा कवच बनाया है। पीएम किसान सम्मान निधि के माध्यम से किसानों के खाते में चार लाख करोड़ रुपए से अधिक जमा किए गए हैं। हमने लागत का डेढ़ गुणा MSP तय किया और रिकॉर्ड खरीद भी की है। मैं आपको सिर्फ दाल का ही आंकड़ा देता हूं। UPA सरकार ने 10 साल में सिर्फ 6 लाख मीट्रिक टन दाल, किसानों से MSP पर खरीदी- 6 लाख मीट्रिक टन। और हमारी सरकार अभी तक, करीब 170 लाख मीट्रिक टन, यानी लगभग 30 गुणा अधिक दाल MSP पर खरीद चुकी है। अब आप तय करिये, कौन किसानों के लिए काम करता है।

साथियों,

यूपीए सरकार किसान क्रेडिट कार्ड के जरिए भी किसानों को मदद देने में कंजूसी करती थी। अपने 10 साल में यूपीए सरकार ने सात लाख करोड़ रुपए का कृषि ऋण किसानों को दिया। 7 lakh crore rupees. जबकि हमारी सरकार इससे चार गुणा अधिक यानी 28 लाख करोड़ रुपए दे चुकी है। यूपीए सरकार के दौरान जहां सिर्फ पांच करोड़ किसानों को इसका लाभ मिलता था, आज ये संख्या दोगुने से भी अधिक करीब-करीब 12 करोड़ किसानों को पहुंची है। यानी देश के छोटे किसान को भी पहली बार मदद मिली है। हमारी सरकार ने पीएम फसल बीमा योजना का सुरक्षा कवच भी किसानों को दिया। इसके तहत करीब 2 लाख करोड़ रुपए किसानों को संकट के समय मिल चुके हैं। हम नेक नीयत से काम कर रहे हैं, इसलिए भारत के किसानों का आत्मविश्वास बढ़ रहा है, उनकी प्रोडक्टिविटी बढ़ रही है, और आय में भी वृद्धि हो रही है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। अब अगला चरण भारत के विकास का निर्णायक दौर है। वर्तमान में लिए गए निर्णय ही भविष्य की दिशा तय करेंगे। हमें अपने सामर्थ्य को पहचानते हुए, उसे बढ़ाते हुए आगे चलना है। हर व्यक्ति अपने क्षेत्र में श्रेष्ठता को लक्ष्य बनाए, हर संस्था excellence को अपना संस्कार बनाए, हम सिर्फ उत्पाद न बनाएं, best-quality product बनाएं, हम सिर्फ रुटीन काम न करें, world-class काम करें, हम क्षमता को performance में बदलें। मैंने लाल किले से कहा है- यही समय है, सही समय है। यही समय है, भारत को नई ऊँचाइयों पर ले जाने का। एक बार फिर आप सभी को बहुत-बहुत शुभकामनाएं, बहुत-बहुत धन्यवाद। नमस्कार।