ভারতের সাফল্য বিশ্বজুড়ে নতুন আশার স্পন্দন জাগিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
ভারত আজ বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
আজকের ভারত বৃহৎ চিন্তা করতে পারে, উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যকে সামনে রাখে এবং উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করে: প্রধানমন্ত্রী
আমরা ভারতের গ্রামীণ পরিবারগুলিকে সম্পত্তির অধিকার প্রদানের জন্য স্বামীত্ব প্রকল্প চালু করেছি: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সর্ববৃহৎ সুবিধাপ্রাপকরা হলেন যুব সম্প্রদায়। বিকশিত ভারতের তাঁরাই বৃহত্তম অংশীদার এবং আজকের ভারতের তাঁরা এক্স ফ্যাক্টর: প্রধানমন্ত্রী
গত এক দশকে দেশ এক নতুন পরিচালন ব্যবস্থা প্রত্যক্ষ করছে যাতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কমছে: প্রধানমন্ত্রী
আগে, গৃহ নির্মাণ সরকার-চালিত ছিল, কিন্তু আমরা এটিকে মালিক-চালিত পদ্ধতিতে রূপান্তরিত করেছি: প্রধানমন্ত্রী

নমস্কার!
আপনারা নিশ্চয়ই ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, অর্ণবের উঁচু গলার আওয়াজে আপনাদের কান ঝালাপালা হয়ে গেছে, বসুন অর্ণব, এখন নির্বাচনের সময় নয়। সবার আগে আমি রিপাবলিক টিভিকে তাদের এই অভিনব উদ্যোগের জন্য অভিনন্দন জানাই। উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মধ্য দিয়ে আপনারা তৃণমূল স্তরের যুবসমাজকে আজ এখানে নিয়ে এসেছেন, এত বড় একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। দেশের যুবসমাজকে যখন জাতীয় কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তখন চিন্তাভাবনার মধ্যে নবীনতা আসে, সমগ্র পরিবেশে উৎসাহের সঞ্চার হয় এবং এই উৎসাহ আজ আমি এখানে অনুভব করছি। যেখানে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকে, সেখানে যে কোনও প্রতিবন্ধকতা অগ্রাহ্য করা যায়, যে কোনও সীমা পেরিয়ে যাওয়া যায়, যে কোনও লক্ষ্য অর্জন করা যায়, যে কোনও উচ্চতা স্পর্শ করা যায়। রিপাবলিক টিভি এই সম্মেলনে এক নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করেছে। আমি আপনাদের সকলকে এই সম্মেলন সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাই। এখানে আমার সামান্য একটু স্বার্থও রয়েছে। আমি কিছুদিন ধরে বলে আসছি যে, রাজনীতিতে ১ লক্ষ তরুণ-তরুণীকে আনতে হবে। এমন ১ লক্ষ তরুণ-তরুণী যাঁদের পরিবারে কেউ কখনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তাই, একদিক থেকে দেখলে এই ধরনের সমাবেশ আমার অভীষ্ট লক্ষ্যের জন্যই পরিবেশ ও পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। দ্বিতীয়ত, আমার একটা ব্যক্তিগত লাভ এখানে রয়েছে, সেটা হ’ল – ২০২৯ সালে যাঁরা ভোট দিতে যাবেন, তাঁরা জানেনও না যে, ২০১৪ সালে সংবাদ শিরোনামগুলি কেমন থাকতো। তাঁরা জানেন না যে, ১০-১২ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি হ’ত। এরা যখন ২০২৯ সালে ভোট দিতে যাবেন, তখন এদের সামনে তুলনা করার মতো কিছু থাকবে না। তাই, আমাকে সেই মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হতে হবে। যে ধরনের ভিত্তিভূমি গড়ে উঠছে, তাতে আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, আমার কাজ সফল হবে। 

বন্ধুগণ,
সারা বিশ্ব আজ বলছে যে, এই শতাব্দী হ’ল ভারতের শতাব্দী। ভারতের সাফল্য, ভারতের অর্জন আজ সারা বিশ্বে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। যে ভারত সম্পর্কে বলা হ’ত, ও নিজেও ডুববে আমাদেরও ডোবাবে, সেই ভারত আজ বিশ্বের বিকাশের চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। আগামী দিনে ভারতের ভবিষ্যতের দিশা কী হতে চলেছে, তা আমাদের আজকের কাজ ও লক্ষ্য অর্জনের ভিত্তিতে স্থির হবে। স্বাধীনতার ৬৫ বছর পরেও ভারতের অর্থনীতি বিশ্বের একাদশতম স্থানে ছিল। গত এক দশকে আমরা পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছি। এখন আমরা দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে এগোচ্ছি। 

 

বন্ধুগণ,
আমি আপনাদের ১৮ বছর আগেকার কথা মনে করাচ্ছি। ১৮ বছর বলার একটা বিশেষ কারণ আছে। কারণ, যাঁরা আজ ১৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, তাঁরাই প্রথমবারের জন্য ভোট দিতে যাবেন। তাঁরা তো ১৮ বছর আগের কথা জানেন না। তাই, আমি ১৮ সংখ্যাটা নিয়েছি। ১৮ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০৭ সালে, ভারতের বার্ষিক জিডিপি ১ লক্ষ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল। সহজ কথায় বললে, সেই সময়ে ভারতে এক বছরে ১ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক কাজকর্ম হ’ত। আর দেখুন, আজ কী হচ্ছে! আজ প্রতি ত্রৈমাসিকেই ভারতে ১ লক্ষ কোটি ডলারের কাজকর্ম হয়। এর মানে কী? ১৮ বছর আগে ভারতে এক বছরে যে পরিমাণ অর্থনৈতিক কাজকর্ম হ’ত, আজ তা মাত্র তিন মাসের মধ্যেই হচ্ছে। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে, আজকের ভারত কত দ্রুত বেগে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আমি আপনাদের কয়েকটি উদাহরণ দেব, যার থেকে বোঝা যাবে যে, গত এক দশকে কত বড় পরিবর্তন এসেছে এবং তার ফল কী হয়েছে। গত ১০ বছরে আমরা ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যের করাল গ্রাস থেকে বের করে আনতে পেরেছি। এই সংখ্যাটা বেশ কিছু দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। আপনি মনে করে দেখুন, যখন সরকার নিজেই স্বীকার করত, প্রধানমন্ত্রী নিজে বলতেন যে, ১ টাকা বরাদ্দ করলে মাত্র ১৫ পয়সা গরীব মানুষের কাছে পৌঁছয়। মানে, মাঝখানে ৮৫ পয়সা গায়েব হয়ে যেত। এর পাশাপাশি, আজকের দিনের কথা ভাবুন। গত এক দশকে সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর পদ্ধতি ডিবিটি-র মাধ্যমে ৪২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি সরাসরি গরীব মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার আপনারা যদি হিসেব করেন, ঐ ১৫ পয়সার হিসেব, তা হলে ৪২ লক্ষ কোটি টাকা, কত টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে? বন্ধুগণ, আজ দিল্লি থেকে ১ টাকা বরাদ্দ করা হলে, ১০০ পয়সাই শেষ পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছয়। 

বন্ধুগণ,
১০ বছর আগে সৌরশক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বে ভারতকে কেউ ধর্তব্যের মধ্যেই আনতো না। কিন্তু, আজ সৌর ক্ষমতার দিক থেকে ভারত বিশ্বের প্রথম ৫টি দেশের অন্যতম। আমরা আমাদের সৌরশক্তি উৎপাদন ক্ষমতা ৩০ গুণ বাড়িয়েছি। ১০ বছর আগে তো আমরা দোলের পিচকারি, শিশুদের খেলনা – সবই বিদেশ থেকে আমদানি করতাম। আজ আমাদের খেলনার রপ্তানির পরিমাণ তিন গুণ বেড়েছে। ১০ বছর আগে আমরা আমাদের সেনাদের জন্য রাইফেলও বিদেশ থেকে আনাতাম। এই ১০ বছরে আমাদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি ২০ গুণ বেড়েছে। 

 

বন্ধুগণ,
এই ১০ বছরে আমরা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইস্পাত উৎপাদক, দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদক হয়ে উঠেছি। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ পরিমণ্ডল আমাদের দেশে গড়ে উঠেছে। আমরা পরিকাঠামো ক্ষেত্রে মূলধনী ব্যয় ৫ গুণ বাড়িয়েছি। দেশে বিমানবন্দরের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে, এইমস্‌ - এর সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে। এই ১০ বছরে দেশে মেডিকেল কলেজ এবং মেডিকেল আসনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। 

বন্ধুগণ,
আজকের ভারতের মানসিকতাই অন্যরকম। আজকের ভারত বড় করে ভাবতে পারে, নিজের সামনে বড় লক্ষ্য রাখতে পারে, আর তা অর্জন করে দেখাতেও পারে। এর কারণ হ’ল – দেশের ভাবনাচিন্তা বদলে গেছে, ভারত উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে। আগে আমাদের চিন্তাভাবনায় একটা গয়ংগচ্ছ ভাব ছিল – হবে, চলবে, আরে যেতে দাও, যে করবে করবে - এইসব। আগে ভাবনাচিন্তা কতটা ক্ষুদ্র ছিল, তার একটা উদাহরণ আমি আপনাদের দিচ্ছি। আগে কংগ্রেসের শাসনকালে কোথাও খরা হলে, খরাগ্রস্ত এলাকা থাকলে গ্রামের লোকেরা মিলে স্মারকলিপি জমা দিতেন। তাতে তাঁরা কী দাবি করতেন? তাঁরা বলতেন, সাহেব, ত্রাণ দিন, মাটি খনন করে জলের ব্যবস্থা করুন। কেউ বলতেন, সাহেব, আমার এলাকায় একটা টিউবঅয়েল বসিয়ে দিন। কখনও কখনও সেখানকার সাংসদ সেখানে তাড়াতাড়ি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার কথা বলতেন। তাঁরা ২৫টি কুপন পেতেন, আর সেগুলি তাঁদের এলাকায় বিতরণ করতেন। এটা ছিল ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়কার ছবি। সাংসদরা কী দাবি করতেন? তাঁরা বলতেন, অমুক ট্রেনের একটা স্টপেজ আমার এলাকায় করে দিন। এগুলি সব ২০১৪ সালের আগেকার কথা। কংগ্রেস দেশের মানুষের উচ্চকাঙ্ক্ষাকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছিল। সেজন্য দেশের মানুষের মনে কোনও আশা ছিল না। তাঁরা ভবতেন, কিছুই হবার নয়। লোকে বলতেন, এইটুকুই ঠিক আছে। তুমি এইটুকুই করতে পারো। আর আজকে আপনারা দেখুন, পরিস্থিতি ও চিন্তাভাবনা কতটা বদলে গেছে। আজ মানুষ জানেন, কে কাজ করতে পারবে। এটা শুধু সাধারণ নাগরিকদের কথাই নয়, আপনারা যদি সংসদে বিরোধীদের ভাষণ শোনেন, সেখানেও এটা পাবেন। তাঁরা বলেন, মোদীজি এটা করছেন না। তার মানে, তাঁরা জানেন, মোদীজিই এটা করতে পারেন। 

বন্ধুগণ,
আজকের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন মানুষের বক্তব্যের মধ্যে পাওয়া যায়। তাঁদের বলার ভঙ্গিমা বদলে গেছে। এখন মানুষ কী দাবি করেন? আগে যাঁরা ট্রেনের স্টপেজ চাইতেন, তাঁরা আজ বলেন, আমার এখান থেকেও একটা বন্দে ভারত চালু করুন। আমি কয়েকদিন আগে কুয়েত গিয়েছিলাম। আমি সেখানে একটি শ্রমিক কলোনীতে যাই। আমি যখনই বিদেশ যাই, তখন আমার দেশের লোকেরা যেখানে কাজ করেন, সেখানে যাবার চেষ্টা করি। সেই শ্রমিক কলোনীতে কেউ ১০ বছর, কেউ ১৫ বছর ধরে রয়েছেন। আমি তাঁদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। আমি বিহারের একজন শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলছিলাম, যিনি ৯ বছর ধরে কুয়েতে রয়েছেন। মাঝে মাঝে নিজের দেশে আসেন। তিনি আমাকে বললেন, স্যর, আমার জেলার সদর দপ্তর আমার গ্রামের কাছে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ করে দিন। আমার এটা শুনে এত ভালো লেগেছিল! ৯ বছর ধরে কুয়েতে কাজ করা বিহারের একজন শ্রমিক, এখন তাঁর জেলায় একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চাইছেন। ভারতের সাধারণ নাগরিকদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আজ এই পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। এটাই সারা দেশকে উন্নত ভারত গঠনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। 

 

বন্ধুগণ,
কোনও সমাজ বা দেশের শক্তি তখনই বাড়ে, যখন নাগরিকদের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞাগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়, প্রতিবন্ধকতা দূর করা হয়, বাধার দেওয়ার ভেঙে ফেলা হয়। তখন নাগরিকদের শক্তি আকাশ স্পর্শ করে। সেজন্য আগেকার সরকারগুলি নাগরিকদের উপর যেসব বিধিনিষেধ চাপিয়ে রেখেছিল, আমরা ক্রমাগত তা অপসারণ করছি। আমি আপনাদের মহাকাশ ক্ষেত্রের একটি উদাহরণ দিই। আগে মহাকাশ ক্ষেত্রের যাবতীয় দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল ইসরো’র উপর। ইসরো অবশ্যই চমৎকার কাজ করেছে। কিন্তু, মহাকাশ বিজ্ঞান ও মহাকাশ সংক্রান্ত উদ্যোগের যে বিপুল সম্ভাবনা আমাদের দেশে ছিল, তার সদ্ব্যবহার করা হয়নি। সবকিছুই ইসরো-কেন্দ্রিক হয়ে থেকেছে। আমরা মহাকাশ ক্ষেত্রকে তরুণ উদ্ভাবকদের জন্য খুলে দেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি যখন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন কোনও কাগজের শিরোনামে তা জায়গা পায়নি। কারণ, এর গুরুত্ব কেউ বোঝেননি। রিপাবলিক টিভির দর্শকরা জেনে খুশি হবেন যে, আজ দেশে ২৫০টিরও বেশি মহাকাশ সংক্রান্ত স্টার্টআপ রয়েছে। এটাই আমার দেশের যুবসমাজের শক্তি। এই স্টার্টআপ-গুলি আজ বিক্রম-এস এবং অগ্নিবাণের মতো রকেট তৈরি করছে। একই জিনিস ঘটেছে মানচিত্রের ক্ষেত্রেও। সেখানে এত রকমের বিধিনিষেধ ছিল যে, আপনি বিশ্বের একটি মানচিত্রও তৈরি করতে পারতেন না। আগে ভারতের একটি মানচিত্র তৈরি করতে গেলে আপনাকে বছরের পর বছর ধরে সরকারি দপ্তরগুলিতে ঘুরে বেড়াতে হ’ত। আমরা এইসব বাধা সরিয়ে দিয়েছি। আজ ভূ-স্থানিক মানচিত্র সংক্রান্ত তথ্য নতুন স্টার্টআপ – এর পথ সুগম করছে।

বন্ধুগণ,
পরমাণু শক্তি ক্ষেত্রটিও আগে সরকারি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল। নানাধরনের বিধিনিষেধ ও সীমাবদ্ধতার দেওয়াল তোলে হয়েছিল, এই ক্ষেত্রকে ঘিরে। এই বছরের বাজেটে সরকার এটিকে বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এর ফলে, ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পরমাণু শক্তি উৎপাদনের যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছি, তা অর্জন করার পথে এগোতে সুবিধা হচ্ছে।

 

বন্ধুগণ,
আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, আমাদের দেশে ১০০ লক্ষ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সম্পদ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এর সিংহভাগই রয়েছে আমাদের গ্রামগুলিতে। আমি বিষয়টি সহজ করে আপনাদের বোঝাই। দিল্লির মতো একটি শহরে আপনার বাড়ির মূল্য ৫০ লক্ষ, ১ কোটি বা ২ কোটি টাকা। এর উপর ভিত্তি করে আপনি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পেতে পারেন। এখন কথাটা হ’ল – বাড়ি তো শুধু দিল্লিতে নেই, গ্রামগুলিতেও রয়েছে। কিন্তু, গ্রামে থাকা বাড়িগুলির উপর ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাওয়া যায় না। কারণ, সেখানকার সঠিক মানচিত্র নেই। এটা কেবল ভারতের সমস্যা নয়। বিশ্বের বড় বড় দেশগুলিতেও এই সমস্যা রয়েছে। বড় বড় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি বলছে, যে দেশ তার নাগরিকদের সম্পত্তির অধিকার দিতে পারে, তার জিডিপি বাড়ে।

বন্ধুগণ,
ভারতে গ্রামে থাকা বাড়িগুলির সম্পত্তির অধিকার দিতে আমরা স্বামিত্ব প্রকল্প চালু করেছি। এজন্য প্রতিটি গ্রামে ড্রোনের মাধ্যমে সমীক্ষা চালিয়ে প্রতিটি বাড়ির মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে। দেশ জুড়ে গ্রামবাসীদের প্রপার্টি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ২ কোটিরও বেশি প্রপার্টি কার্ড দেওয়া হয়েছে। এই কাজ এখনও চলছে। প্রপার্টি কার্ড না থাকায় আগে গ্রামগুলিতে নানা বিবাদের সৃষ্টি হ’ত, মানুষকে আদালতে ছুটতে হ’ত। সেসবের অবসান হয়েছে। এখন প্রপার্টি কার্ড দেখিয়ে গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিতে পারেন। সেই টাকায় নিজেদের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই সেদিনই আমি ভিডিও কনফারেন্সিং – এর মাধ্যমে স্বামিত্ব যোজনার সুবিধাপ্রাপকদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। রাজস্থানের এক বোনের সঙ্গে আমার কথা হ’ল। তিনি আমাকে জানালেন, তাঁর প্রপার্টি কার্ড দেখিয়ে তিনি ৯ লক্ষ টাকা ঋণ পেয়েছেন এবং সেই টাকায় ব্যবসা শুরু করেছেন। ঋণের অর্ধেক টাকা শোধ হয়ে গেছে। বাকি টাকা শোধ করতেও বেশি সময় লাগবে না। এই ঋণ শোধের পর তিনি আবার ঋণ নেবেন। ভেবে দেখুন, আত্মবিশ্বাস কোথায় পৌঁছেছে। 

 

বন্ধুগণ,
আমি যেসব উদাহরণ দিলাম, সেগুলি থেকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছেন আমার দেশের যুবক-যুবতীরা। এই যুবসমাজই উন্নত ভারতের সবচেয়ে বড় অংশীদার। যুবসমাজ হ’ল আজকের ভারতের এক্স ফ্যাক্টর। এই এক্স মানে এক্সপেরিমেন্টেশন, এক্সেলেন্স এবং এক্সপ্যানশন। এক্সপেরিমেন্টেশন অর্থাৎ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার অর্থ হ’ল – আমাদের যুবক-যুবতীরা পুরনো পথ ছেড়ে নতুন পথ তৈরি করছেন। এক্সেলেন্স অর্থাৎ - তাঁরা বিশ্ব স্তরে নতুন মান সৃষ্টি করছেন। আর এক্সপেনশনের অর্থ হ’ল – উদ্ভাবনকে তাঁরা ১৪০ কোটি দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। আমাদের যুবসমাজ দেশের অনেক বড় বড় সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা রাখে। কিন্তু, আগে তাঁদের এই ক্ষমতার সদ্ব্যবহার করা হয়নি। আগের সরকারগুলি ভাবতেই পারতো না যে, যুবসমাজ হ্যাকাথন – এর মাধ্যমে দেশের সমস্যার সমাধান করতে পারে। আজ আমরা প্রতি বছর স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন – এর আয়োজন করি। এ পর্যন্ত ১০ লক্ষ যুবক-যুবতী এতে অংশগ্রহণ করেছেন। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক ও দপ্তর শাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা তাঁদের সামনে রেখেছে। এইসব হ্যাকাথন – এর মাধ্যমে প্রায় আড়াই হাজার সমাধান বেড়িয়ে এসেছে। আপনারা হ্যাকাথনের এই সংস্কৃতি গ্রহণ করেছেন দেখে আমার ভালো লাগছে। যে তরুণ-তরুণীরা এতে জয়ী হয়েছেন, তাঁদের আমি অভিনন্দন জানাই। তাঁদের সঙ্গে এখানে দেখা করার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত। 

বন্ধুগণ,
গত ১০ বছরে দেশ শাসনের এক নতুন যুগ প্রত্যক্ষ করেছে। গত এক দশকে আমরা প্রভাবহীন প্রশাসনকে প্রভাবপূর্ণ শাসনে রূপান্তরিত করেছি। আপনি দেখবেন, এখন বহু মানুষ বলেন, তাঁরা এই প্রথম কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেলেন। অথচ, এমন নয় যে, সেই সরকারি প্রকল্প আগে ছিল না। প্রকল্প আগেও ছিল। কিন্তু, শেষ মানুষটির কাছে তার সুফল এই প্রথম পৌঁছচ্ছে। আপনারা প্রায়ই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সুবিধাপ্রাপকদের সাক্ষাৎকার নেন। আগে গরীবদের জন্য কাগজে-কলমে বাড়ি বরাদ্দ হ’ত। আজ তা বাস্তবে হয়। আগে বাড়ি নির্মাণের গোটা প্রক্রিয়াটাই সরকার চালাতো। কী ধরনের বাড়ি তৈরি করা হবে, কী ধরনের কাঁচামাল ব্যবহার করা হবে – সবকিছুই সরকার ঠিক করতো। আমরা এটা বদলে দায়িত্বটা বাড়ির মালিকের উপর দিয়েছি। সরকার সুবিধাপ্রাপকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেয়। সুবিধাপ্রাপক নিজেই ঠিক করেন, কোন ধরনের বাড়ি নির্মাণ হবে। আমরা দেশ জুড়ে বাড়ির নকশার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি, বাড়ির বিভিন্ন মডেল সামনে রেখেছি এবং সবকিছুই সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঠিক করা হয়েছে। এজন্য বাড়ির গুণমান উন্নত হয়েছে এবং অনেক দ্রুত বাড়ি নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে। আগে ইঁট, পাথর জুড়ে একটি বাড়ি অর্ধেক তৈরি করে রাখা হ’ত। এখন গরীব মানুষের স্বপ্নের বাড়ি গড়ে উঠছে। এইসব বাড়িতে নলবাহিত জল থাকছে, উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় রান্নার গ্যাস সংযোগ দেওয়া হচ্ছে, সৌভাগ্য প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ সংযোগও পাওয়া যাচ্ছে। আমরা শুধু ৪টি দেওয়াল তৈরি করিনি। এর মধ্যে প্রাণের সঞ্চার করেছি। 

 

বন্ধুগণ,
যে কোনও দেশের উন্নয়নে জাতীয় সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। গত এক দশকে এই ক্ষেত্রে আমরা অনেক কাজ করেছি। আপনাদের মনে থাকবে যে, আগে টিভিতে ধারবাহিক বোমা বিস্ফোরণের একের পর এক ব্রেকিং নিউজ দেখা যেত, স্নিপার সেলগুলির নেটওয়ার্ক নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান হ’ত। আজ টিভির পর্দা এবং দেশের মাটি থেকে এসব দূর হয়েছে। আগে যখন আপনি ট্রেনে সফর করতেন বা বিমানবন্দরে যেতেন, আপনি সতর্কবার্তা শুনতে পেতেন যে, কোনও ব্যাগ কোথাও পড়ে থাকলে, তাতে হাত দেবেন না। আজকের ১৮-২০ বছরের তরুণ-তরুণীরা এসব তো শোনেই নি। আজ দেশ থেকে নকশালবাদও নিশ্চিহ্ন হওয়ার মুখে। আগে দেশের ১০০টিরও বেশি জেলা নকশাল প্রভাবিত ছিল। তা আজ দু’ডজনেরও কম জেলায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা ‘দেশ সর্বাগ্রে’ – এর চেতনা নিয়ে কাজ করেছি বলেই এটা হয়েছে। ঐসব এলাকায় শাসনকে আমরা তৃণমূল স্তরে নিয়ে গেছি। অতিদ্রুত হাজার হাজার কিলোমিটার রাস্তা, স্কুল, হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। ফোর-জি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফল আজ সকলে দেখতে পাচ্ছেন। 

বন্ধুগণ,
সরকারের নির্ণায়ক সিদ্ধান্তের জন্য আজ অরণ্য থেকে নকশালবাদ মুছে গেলেও, শহুরে কেন্দ্রগুলিতে এর ডালপালা এখনও রয়েছে। আর্বান নকশালরা এত দ্রুত তাদের নেটওয়ার্ক ছড়িয়েছে যে, যেসব রাজনৈতিক দল তাদের বিরুদ্ধে ছিল, এক সময় যারা গান্ধীজিকে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল, আজ সেইসব রাজনৈতিক দলের মধ্যেও এই নকশালরা ঢুকে পড়ছে। তাদের মধ্যে আর্বান নকশালদের কন্ঠস্বর ও ভাষা শোনা যাচ্ছে। এর থেকেই বোঝা যায় যে, এই আর্বান নকশালদের শিকড় কতটা গভীর। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ভারতের উন্নয়ন ও আমাদের ঐতিহ্য – এই দুইয়ের পক্ষেই আর্বান নকশালরা অত্যন্ত বিপজ্জনক। অবশ্য, অর্ণব এই আর্বান নকশালদের মুখোশ খুলে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে। উন্নত ভারত গঠনের জন্য দেশের উন্নয়ন ও ঐতিহ্য দুই-ই জরুরি। সেজন্যই আমাদের এই আর্বান নকশালদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। 

বন্ধুগণ,
আজকের ভারত প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় নতুন উচ্চতা স্পর্শ করছে। রিপাবলিক টিভি নেটওয়ার্কের সঙ্গে আপনারা যাঁরা জড়িত রয়েছেন, তাঁরা যে সর্বদাই ‘দেশ সর্বাগ্রে’ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সাংবাদিকতার এক নতুন মাত্রা দিচ্ছেন, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত। আপনাদের সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে আপনারা উন্নত ভারতের আশা-আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরবেন – এই বিশ্বাসের সঙ্গে আমি আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই। ধন্যবাদ!

(প্রধানমন্ত্রীর মূল ভাষণটি হিন্দিতে ছিল)

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Boost to small exporters, MSMEs as govt removes Rs 10-lakh cap on courier trade

Media Coverage

Boost to small exporters, MSMEs as govt removes Rs 10-lakh cap on courier trade
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Corruption and appeasement politics of LDF and UDF harm Keralam’s culture and faith: PM Modi in Thiruvalla
April 04, 2026
If any group has benefited the most from NDA policies, it is women. Women empowerment is our priority, says PM Modi in Thiruvalla
The Sabarimala Railway Project will unlock new opportunities across the region, directly connecting Sabarimala with devotees: PM Modi
In Keralam, we will form the government, improve quality of life, and address the concerns of fishermen and local communities, says PM Modi
From April 16–18, Parliament will reconvene to deliberate on the Nari Shakti Vandan Act, aiming to ensure 33% women’s representation from 2029: PM

जय केरलम... जय केरलम...

जय विकसिता केरलम... जय विकसिता केरलम

केरलत्तिले एंडे प्रियप्पेट्टा….

सहोदरी सहोदरनमारे, एल्लावर्कम एंडे नमस्कारम।

सर्वप्रथम मैं भगवान श्रीवल्लभन के चरणों में प्रणाम करता हूं।

तिरुवल्ला की इस पवित्र धरती से मैं सबरीमला तीर्थ को, और स्वामी अय्यप्पा को भी प्रणाम करता हूं।

मैं सबसे पहले तो छोटी बिटिया को आशीर्वाद देता हूं जो बढ़िया चित्र बनाकर मुझे भेंट किया है। उधर भी एक नौजवान ने मेरी मां का चित्र मुझे दिया है। मैं इन सबका हृदय से आभार व्यक्त करता हूं। इस बेटी को आशीर्वाद देता हूं। मैं अपना भाषण शुरू करूं उससे पहले इस चुनाव में जो कैंडिडेट है उनसे आग्रह करता हूं कि कैंडिडेट सारे आगे आ जाएं। कैंडिडेट वहां खड़ें हो जाएं जरा। मैं एक दो मिनट जाकर के आता हूं आपके पास।

आज तिरुवल्ला में इतनी बड़ी संख्या में आप सबकी उपस्थिति...NDA पर आप लोगों का ये भरोसा... मेरी माताओं-बहनों का ये स्नेह और विश्वास...पूरे केरलम में आज ऐसा ही माहौल दिख रहा है। मुझे निकट से केरलम के चुनाव देखने का अवसर मिला है। मैं पहले भी आया हूं लेकिन इस बार हवा का रूख कुछ और है। लोगों का मिजाज कुछ और है। केरलम में अब सबसे बड़ा परिवर्तन होने जा रहा है। 9 अप्रैल को वोटिंग और 4 मई को दशकों के कुशासन का अंत की घोषणा....अब ये पक्का हो चुका है....LDF सरकार के जाने का काउंट डाउन शुरू हो चुका है...केरलम में पहली बार बीजेपी और NDA की सरकार आने वाली है।

इस चुनाव में केरलम का तो फायदा होने वाला है लेकिन मेरा एक निजी नुकसान होने वाला है। आपको लगता होगा ऐसी क्या बात है कि केरलम का फायदा होगा और मोदी का नुकसान होगा। जी मेरा व्यक्तिगत नुकसान होने वाला है। आपके मन में होता होगा क्या है बताऊं... बताऊं आपको। ऐसा है ये जो अनूप लड़ रहा है ना चुनाव आपके यहां.. ये पिछले पांच साल से मेरे साथ काम करता है। और देश भर में घूमकर के चीजें खोज कर के लाता है। यानि एक प्रकार से मेरा डेडिकेटेड साथी रहा है। एक प्रकार से ऐसे कामों के लिए वो मेरा बांया हाथ बन गया है। और कभी भी, शायद यहां भी कई लोगों को पता नहीं होगा कि अनूप मेरे साथ इतने सालों से है। कभी बोलता नही है और मैंने इसकी शक्तियों को जाना है। चूपचाप काम करना। अपने काम के लिए दिन रात जुटे रहना। मैंने ऐसा नौजवान मुझे मिला मेरा बहुत काम हो गया। लेकिन मैंने देखा कि जब केरलम को इस नौजवान की सेवाओं का फायदा होगा तो मैंने कहा मेरा भले ही नुकसान हो जाए लेकिन मैं आज अनूप को आपको सुपुर्द करने के लिए आया हूं।

एंडे सुहुर्तगले,

तिरुवल्ला केरलम में विकास के नए युग की शुरुआत का केंद्र बनकर उभरा है। मैं इस जनसमर्थन के लिए तिरुवल्ला की जनता का बहुत-बहुत धन्यवाद करता हूं। तिरुवल्ला के लोगों का विश्वास हमारी सबसे बड़ी ताकत है। तिरुवल्लयिले जनंगलुडे विश्वासमाण्, यंगलुडे एट्टवुं वलिय शक्ति।

एंडे सुहुर्तगले,

अभी दो-तीन दिन पहले जब मैं दिल्ली में था...मेरी केरलम के बीजेपी कार्यकर्ताओं से फोन पर लंबी चर्चा हुई। मेरा बूथ सबसे मजबूत कार्यक्रम में 5 हजार से ज्यादा शक्ति केंद्र, इतने छोटे केरलम में 5 हजार से ज्यादा शक्ति केंद्र में बीजेपी के एक लाख 25 हजार से ज्यादा कार्यकर्ता मेरे साथ फोन पर जुड़े थे। और तीस-चालीस मिनट इस चर्चा में मैंने देखा, साफ दिखा कि केरलम की जनता ने LDF सरकार की विदाई पक्की कर ली है। इस चुनाव में मेहनत कर रहे सभी बीजेपी-एनडीए कार्यकर्ताओं की मैं हृदय से सराहना करता हूं, उनका बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं।

एंडे सुहुर्तगले,

मैं केरलम की ताकत को देख रहा हूं। अभी मेरा हेलीकॉप्टर जहां लैंड हुआ, हेलीपैड से यहां तक मैं आया, जितने लोग यहां हैं ना इससे ज्यादा लोगो वहां रोड शो में खड़े थे। मेरे लिए बड़ा सरप्राइज था... रोड शो का कार्यक्रम नहीं था, लेकिन पूरे रास्ते भर मैं देख रहा था। लोग ह्यूमन चेन की बात करते हैं लेफ्ट के लोग, आज यहां के लोगों ने ह्यूमल वॉल बनाकर के दिखा दिया।

एंडे सुहुर्तगले,

हमारे केरलम को ईश्वर ने अपार संसाधन और संभावनाएं दी हैं।
यहाँ समंदर में ब्लू इकोनॉमी के असीम अवसर हैं। यहाँ उद्योगों के लिए संभावनाएं हैं। पर्यटन के क्षेत्र में कितना बड़ा potential है। लेकिन फिर भी, केरलम विकास की दौड़ में बाकी राज्यों से लगातार पिछर रहा है..पिछरते-पिछरते जा रहा है।

एंडे सुहुर्तगले,

LDF-UDF की सरकारों ने कभी इस क्षेत्र की परवाह नहीं की।
यहाँ कनेक्टिंग रोड्स का हाल बेहाल है। मुझे आपके ही साथी बता रहे थे कि यहां कई बरसों से एक भी बड़ा पुल नहीं बना है। कोट्टयम में मेडिकल कॉलेज की हालत इतनी खराब है कि उसका वर्णन करना मुश्किल है। जहां बेसिक इंफ्रास्ट्रक्चर की ऐसी कमी हो, वहां आपकी क्वालिटी ऑफ लाइफ कैसी होगी, इसका अंदाजा हर कोई लगा सकता है।

एंडे सुहुर्तगले,

केरलम में कभी BJP सरकार नहीं रही। लेकिन, आप सब के आशीर्वाद से, देश की जनता-जनार्दन के आशीर्वाद से हम केंद्र सरकार के जरिए केरलम के विकास में कोई कोर कसर नहीं छोड़ रहे। जब कांग्रेस दिल्ली में सत्ता में थी.. और एलडीएफ-यूडीएफ दोनों मिलकर के दिल्ली में सरकार चलाते थे, उस समय जो केरलम को मदद मिली.उसकी तुलना में NDA सरकार ने मोदी सरकार ने 5 गुना ज्यादा पैसा केरलम को भेजा है।

एंडे सुहुर्तगले,

बीजेपी-एनडीए को आपकी Ease of Living और क्वालिटी ऑफ लाइफ, दोनों की चिंता है। हमने पीएम आवास योजना के तहत गरीबों को पक्के घर दिये हैं। जल जीवन मिशन के तहत गांव-गांव पाइप से पानी पहुंचाने का काम हो रहा है। यहां रबर के किसान बड़ी संख्या में रहते हैं...केरलम के किसानों को हमने पीएम-किसान सम्मान निधि के जरिए Around thirteen thousand करोड़ रुपये की सहायता राशि सीधे उनके खातों में पहुंचाई है। इससे रबर के किसानों को भी मदद मिली है।

साथियों,

नॉर्थ-ईस्ट में ईसाई समाज की संख्या बहुत अधिक है। एक राज्य को छोड़कर के नॉर्थ-ईस्ट के सात राज्यों में एनडीए की सरकार है और वहां पिछले 50-60 साल में जो काम नही हुआ है वो हमने कर के दिखाया है। गोवा में ईसाई समाज निर्णायक है। गोवा के अंदर लगातार बिजेपी की एनडीए की सरकार है, गोवा विकास के नए ऊंचाइयों को छू रहा है।
केरलम में भी NDA सरकार बनेगी तो विकास की नई ऊंचाइयों को पाएंगे, स्थानीय किसानों और फिशरमेन की हर समस्या का हम समाधान करेंगे।

एंडे सुहुर्तगले,

केंद्र की NDA सरकार ही केरलम में आधुनिक इनफ्रास्ट्रक्चर और सुविधाओं पर ज़ोर दे रही है। हम यहाँ नेशनल हाइवेज बनाने को गति दे रहे हैं। रेलवे इनफ्रास्ट्रक्चर का विकास किया गया है। यहाँ रेलवे लाइनों की डबलिंग का काम भी पूरा हो गया है। कोट्यम से अब हाइस्पीड आधुनिक वंदेभारत ट्रेन भी चलाई जा रही है।

एंडे सुहुर्तगले,

यहां सबरीमला रेलवे प्रोजेक्ट इस क्षेत्र में नई संभावनाओं को खोल सकता है। इससे सबरीमला तक सीधी कनेक्टिविटी बनेगी। श्रद्धालुओं की यात्रा आसान होगी... स्थानीय व्यापार को नई गति मिलेगी...और मेरे नौजवान मित्रों को मेरे युवा साथियों के लिए रोजगार के नए-नए रास्ते खुलेंगे। लेकिन साथियों, आपको ये बात हमेशा याद रखनी है। यहां प्रदेश सरकार ने इस प्रोजेक्ट को आगे बढ़ाने की जगह उसको लटकाए रखा! तिरुवल्ला को इसका बहुत बड़ा नुकसान हो रहा है। जब बीजेपी की डबल इंजन सरकार आएगी, तो ऐसी सभी रुकावटें हटेंगी। और ये मोदी की गारंटी है। NDA की राज्य सरकार में केरलम तेज गति से विकास की राह पर आगे बढ़ेगा।
एनडीए सरकारिनु कीड़िल केरलम
कसनत्तिन्टे पातयिल अतिवेगम मुन्नेरुम।

एंडे सुहुर्तगले,

NDA की नीतियों का सबसे बड़ा लाभ अगर किसी वर्ग को होता है, तो वो मेरी माताएं-बहने महिलाओं को होता है। महिलाओं का सशक्तिकरण, महिलाओं का प्रतिनिधित्व....ये हमारी प्राथमिकता है। हमने महिलाओं के जीवन से जुड़ी हर समस्या के समाधान का प्रयास किया है। हमने घर घर शौचालय बनवाए, जनधन खाते खुलवाए, महिलाओं के नाम उनके घर महिलाओं के नाम पर बनवाए...मुद्रा लोन के जरिए अपना कारोबार शुरू करने वालों में भी बड़ी हिस्सेदारी महिलाओं की है। उनको बैंक से पैसा मिला है। हम वूमन सेल्फ हेल्प ग्रुप्स को भी लाखों करोड़ रुपए की मदद दे रहे हैं। लखपति दीदी का अभियान सफलतापूर्वक आगे बढ़ा रहे हैं। पहले मैंने तीन करोड़ लखपति दीदी बनाने का लक्ष्य रखा था। देश में तीन करोड़ लखपति दीदी बन चुकी अब मैंने और नाइनटीन करोड़ महिलाओं को लखपति दीदी बनाने का लक्ष्य रखा है। केरलम में बीजेपी सरकार आएगी, तो यहाँ भी डबल इंजन सरकार का सबसे बड़ा लाभ मेरी माताओं, बहनों को, बेटियों को, महिलाओं को मिलने वाला है। आपने देखा होगा, अभी हमने एक बड़ा कार्यक्रम शुरू किया है। भविष्य में माताओ-बहनों को कैंसर ना हो, इसलिए 13-14 साल की बच्चियों को उनकी जांच करके वैक्सीन लेने की योजना है। ये भविष्य में हमारी माताओ-बहनों को, ये बटियां जब बड़ी हो जाएंगी, वो कैंसर से बच पाएगी। इतना बड़ा काम आज देश की बेटियों के लिए, महिलाओं के लिए, माताओं के लिए एनडीए-भाजपा सरकार कर रही है।

एंडे सुहुर्तगले,

ये हमारी ही सरकार है जिसने लोकसभा और विधानसभा में महिलाओं को thirty three percent reservation दिया है। और आप सभी की जानकारी में है कि बजट सत्र का हमने पूर्णाहुति करने वी बजाए उसका विस्तार किया है। तीन दिन के लिए 16-17 और 18 अप्रैल को संसद फिर से मिलने वाली है। आपको पता है क्यों मिलने वाली है। जो कानून हमने पारित किया है। 33 पर्सेंट महिलाओं के लिए 2029 में लोकसबा के चुनाव से इसका लाभ मिलना शुरू हो जाए। 33 पर्सेंट बहनें पार्लियामेंट में आकर बैठे। इसके लिए कानून बनाने की जरूरत है। जैसे पार्लियामेंट ने सर्वसम्मति से महिला आरक्षण बिल पास किया था बैसे ही 16-17 -18 को दो काम करने हैं। केरल हो तमिलनाडु हो और बाकी राज्य हो, जिन्होंने जनसंख्या नियंत्रण में अच्छा काम किया है, लोग झूठ फैला रहे हैं कि जनसंख्या कम हो रही हैं तो सीटें कम हो जाएगी। हम इस बार पार्लियामेंट में पक्का करना चाहते हैं कि पार्लियामेंट में कानून में ठप्पा लगाना चाहते हैं कि केरल हो, तमलनाडु हो, कर्नाटक हो, आंध्र हो, गोवा हो, तेलंगाना हो कहीं पर भी लोकसभा की सीटें कम ना हो, इसका ठप्पा लगाने के लिए और दूसरा महिलाओं के लिए जो सीटें होंगी वो अतिरिक्त सीटें बढ़ जाएं इतना बड़ा फायदा हमारे दक्षिण भारत के राज्य को मिले इसके लिए हम कानून संशोधन के लिए हम सत्र बुला रहे हैं। हमने कांग्रेस के लोगों को मीटिंग के लिए बुलाया। हम आशा करते हैं कि वो हमारी बात मानकर के आएंगे।

हमने इंडिया एलायंस के मित्रों से बात की है। आप ही लोगों को बताइए, कांग्रेस के लोगो को बताइए, एलडीएफ के लोगों को बताएं कि महिलाओं के अधिकार ये कानून निर्विरोध पास होना चाहिए। ये उन से वादा लीजिए आपलोग । और में उनसे भी प्रार्थना करता हूं कि मेरी माताओं-बहनों का ये हक 40 सालों से लटका हुआ है। अब 2029 के चुनाव में फिर से लटकना नहीं चाहिए। इसलिए मैं सभी राजनीतिक दलों पर देश की माताएं-बहनें दबाव डालें। सब संसद में आएं और इस कानून को पारित करें। महिला जनप्रतिनिधियों की संख्या इस विषय को देखते हुए नारीशक्ति वंदन कानून में संशोधन किया जाएगा। ये आवश्यक है कि ये संशोधन सर्वसम्मति से पास हो ताकि साल 2029 में होने वाले चुनाव में ही इसका लाभ हमारी माताओं -बहनों को मिलना शुरू हो जाए। मैं सभी दलों से आग्रह करूंगा कि ये नारीशक्ति से हित से जुड़ा काम है, इसलिए खुले मन से, कोई भी राजनीतिक हिसाब किए बिना पूर्ण समर्थन कर के माताओं-बहनों का विश्वास जीतने में आप भी भागीदान बनिए।

एंडे सुहुर्तगले,

आज केरलम में युवाओं का पलायन सबसे बड़ी चिंता बन चुका है। केरलम में रोजगार के लिए यहाँ इंडस्ट्री लगाने की जरूरत है। रोजगार के लिए जरूरी है कि, यहाँ service sector बढ़े। start-ups को जगह मिले, skill को सही value मिले। लेकिन इन सबके आगे केरलम में सबसे बडी दीवार है- करप्शन और कम्यूनलिज्म। जब यहां करप्शन और कम्यूनलिज्म की दीवार टूटेगी, तभी केरलम का विकास होगा। और इसके लिए आपको LDF-UDF दोनों को हराना होगा।

एंडे सुहुर्तगले,

रोजगार की तलाश में यहाँ से लाखों युवा विदेशों में भी गए हैं। NRI के तौर पर भी वो केरलम की सेवा करते हैं। यहाँ अपनी आय का बड़ा हिस्सा remittance के तौर पर भेजते हैं। इसी का परिणाम है, ये क्षेत्र बैंकिंग कैपिटल बनकर उभरा है। लेकिन कांग्रेस ने आपके और आपके संबंधियों के खिलाफ एक बहुत खतरनाक काम किया है। मैं विस्तार से आपको ये बात बताना चाहता

एंडे सुहुर्तगले,

वेस्ट एशिया के युद्ध संकट ने कांग्रेस और उसके साथी दलों के मंसूबों को एक्सपोज कर दिया है। आज पूरा देश देख रहा है... खाड़ी के देशों में कैसे हालात बने हुये हैं। और वहां हमारे लाखों लोग केरल के मेरे भाई-बहन वहां काम कर रहे हैं। लेकिन कांग्रेस के बड़े-बड़े नेता जानबूझकर ऐसे बयान देते हैं... ऐसे बयान देते हैं... जिनसे वेस्ट एशिया में रहने वाले भारतीयों की सुरक्षा खतरे में पड़ जाए ! वहां के लोगों को बीच में अविश्वास पैदा हो जाए। वहां की सरकार ये तो हमारी दोस्ती अच्छी है कि गल्फ की सभी सरकारें हमारे सभी भारतीयों को अपने ही परिवार मानकर के उनकी रक्षा कर रहे हैं। लेकिन यहां से ऐसी-ऐसी भाषा बोली जा रही है। ऐसी भड़काव बातें हो रही हैं। मैं उनको कह-कह कर थक गया कि ये बोलने का समय नहीं है। ये हमारे लाखों भाई-बहन वहां है ना उनकी सुरक्षा ही मेरा पहला दायित्व है। सबसे बड़ी प्रायरिटी है, कृपा कर के अनाप-शनाप बोलना बंद करो ताकि हमारे नौजवानों को हमारी बेटियों को वहां कोई तकलीफ ना हो।

एंडे सुहुर्तगले,

कांग्रेस चाहती है कि वेस्ट एशिया के देश भारत को अपना दुश्मन समझें...यहां हम कोई गलती कर दे ऐसा कोई बयान कर दे और गल्फ कंट्रीज से भारतीयों को वहां से बाहर निकलने के लिए मूसीबत आ जाए ! इसलिए कांग्रेस...गल्फ कंट्रीज को नाराज करने वाले बयान दे रही है। कांग्रेस चाहती है कि पैनिक फैले और उसे मोदी को गाली देने का मौका मिल जाए। अरे कांग्रेस के लोगो, एलडीएफ के लोगो, यूडीएफ के लोगो, अरे राजनीति अपनी जगह पर है, अरे चुनाव आते जाते रहेंगे, लेकिन मेरे केरलम के लाखों भाई-बहन वहां है मेरे लिए उनकी सुरक्षा सबसे बड़ा काम है और मैं इसके लिए कमिटेड हूं। चुनाव जीतने के लिए, मोदी को गाली देने के लिए....कांग्रेस 1 करोड़ प्रवासियों का जीवन संकट में डालने को तैयार बैठी है। उधर ईरान में हमारा फिशरमैन केरल के हैं तमिलनाडु के हैं, गोवा के हैं आंध्र के हैं, तेलंगाना के हैं, पुड्डुचेरी के हैं। उनकी जिंदगी खतरे में है। हम वहां के संकट में से उनको बाहर ले आ रहे हैं। आज सैकड़ों की तादाद में मेरे मछुआरे भाई-बहन भारत लौटने वाले हैं। हमारे लिए उनकी जिंदगी बचाना ये महत्वपूर्ण है बयानबाजी करने के लिए और बहुत मौके आएंगे अभी तो हमारे लोगों की, हमारे मछुआरे भाई-बहनों को हमें जिंदा वापस लाना है। कांग्रेस को इन सारी चीजों से कोई लेना देना नहीं है। बस चुनाव... चुनाव... चुनाव.. क्या देश के लोगों की चिंता नहीं करोगे... काँग्रेस इस स्वार्थी सियासत के लिए केरलम के लोगों से माफी मांगनी चाहिए। पाप कर रहे हो।

एंडे सुहुर्तगले,

युद्ध की इन परिस्थितियों में मैं आपकी चिंता समझता हूं। इसलिए गल्फ कंट्रीज के नेताओं से लगातार संपर्क में हूं। इसलिए गल्फ कंट्रीज के नेताओं से मैं लगातार संपर्क में हूं। वहां की सरकारों से हम लगाता बात कर रहे हैं। मैं आप सभी परिजनों को आश्वस्त करता हूँ.... आपका बेटा, आपकी बेटी, आपके परिवारजन भले ही आपसे दूर हों...लेकिन, वो अकेले नहीं हैं। भारत सरकार इन देशों में रह रहे हर भारतीय के साथ है। युद्ध के बीच भी हम भारत के लोगों को हर संभव मदद पहुंचा रहे हैं।

एंडे सुहुर्तगले,

इस चुनाव में LDF-UDF वालों ने मिलकर एक और propaganda शुरू किया है। लेफ्ट वाले कहते हैं कि, कांग्रेस बीजेपी की B टीम है। और, कांग्रेस कहती है कि लेफ्ट BJP की B टीम है। इन्हें ये इसलिए कहना पड़ रहा है... क्योंकि ये दोनों भी जानते हैं कि इस चुनाव में केरलम में अगर कोई पार्टी A टीम है तो A टीम BJP ही है।

साथियों,

आपने ये भी देखा है कि इस चुनाव में LDF और UDF दोनों मिलकर सिर्फ BJP को गालियां दे रही हैं, उनके निशाने पर सिर्फ बीजेपी है। इसकी एक वजह और भी है जो आपको जरूर नोट करनी चाहिए। दरअसल LDF और UDF की सीक्रेट पार्टनरशिप इतनी पक्की है कि ये एक दूसरे पर आरोप लगाने से बच रहे हैं। असल में ये दोनों एक ही सिक्के दो साइड हैं। इनकी दुश्मनी नकली है... WWWF है। LDF और UDF की दोस्ती एवरग्रीन है! जब दिल्ली में सरकार बनती है दोनों साथ होते हैं। बगल में तमिलनाडु में साथ में चुनाव लड़ रहे हैं।

एंडे सुहुर्तगले,

लेफ्ट और काँग्रेस दोनों वोटबैंक के लिए कट्टरपंथी लोगों को राजनीति में आगे बढ़ाते हैं। मुनंबम जैसी घटनाएं केरलम में आम होती जा रही हैं... वहाँ सैकड़ों ईसाई और हिंदू परिवारों को डराया गया। लेकिन, केरलम सरकार पीड़ितों को सहायता देने की जगह कट्टरपंथी ताकतों के साथ ही खड़ी नज़र आती है। ये एक खतरनाक ट्रेंड है। वोटबैंक के लिए केरलम और देश की सुरक्षा से ये खिलवाड़.... केरलम के देशभक्त लोग इसे कभी भी कामयाब नहीं होने देंगे।

एंडे सुहुर्तगले,

लेफ्ट और काँग्रेस का भ्रष्टाचार हो, या उनका तुष्टीकरण... इसका सीधा हमला केरलम की संस्कृति और आस्था पर हो रहा है। पहले इन लोगों ने सबरीमला तीर्थ को बदनाम करने के लिए कैसे-कैसे षड्यंत्र रचे थे! और अब, सबरीमला इनकी लूट और चोरी के निशाने पर भी आ गया है।

एंडे सुहुर्तगले,

सबरीमला में हुये इस पाप का एक पैटर्न है... ये चोरी LDF की सरकार में हुई। और, इसमें चोरी करने वालों के तार काँग्रेस के शीर्ष नेताओं के जुड़े पाए गए। लेफ्ट वाले तो हमेशा से हिन्दू आस्था पर हमले के लिए जाने जाते हैं। इसीलिए, LDF सरकार मामले की जांच CBI को नहीं सौंप रही है। और, जो काँग्रेस हमेशा मंदिर से जुड़े विषयों को अछूत मानती थी... वो आज हिंदुओं की हितैषी बनने का नाटक कर रही है दिखावा कर रही है। मैं ये साफ-साफ कहना चाहता हूँ... NDA सरकार बनने के बाद LDF-UDF को उनके अपराध की सजा जरूर मिलेगी। और जो लूटा है वो लौटाना पड़ेगा। स्वामी अयप्पा और उनके भक्तों के आक्रोश के आगे ये लोग बच नहीं पाएंगे। ये कांग्रेस वाले ये यूडीएफ वाले, ये एलडीएफ वाले हर चीज में झूठ बोलना ये जैसे उनका स्वभाव बन गया है।

देश को गुमराह करना ये उनका स्वभाव बन गया है। जब सीएए लाए तो देश को इतना झूठ बोला... इतना झूठ बोला आज सीएए लागून हुआ देश को कोई नुकसान नहीं हुआ, झूठ बोलने में माहिर है.. केरलम फाइल्स आई फिल्म तो बोलने लगे कि सब झूठ है... कश्मीर फाइल आई तो बोलने लगे सब झूठ है..धुरंधर फिल्म आई तो बोलने लगे कि झूठ है। कुछ भी करो बता देना... झूठ फैला देना। इन दिनो सीआआर को लेकर भी, ऐसा ही झूठ फैलाया जा रहा है। यूसीसी के लिए ऐसा ही झूठ फैलाया जा रहा है। गोवा में सीसीए आया हुआ है, दशकों से है लेकिन झूठ फैलाना एफसीआरए के लिए झूठ फैलाना, सीएए के लिए झूठ फैलाना, धुरंधर जैसी फिल्म के लिए झूठ फैलाना केरलम फिल्म के लिए झूठ फैलाना, कश्मीर फाइल्स के लिए झूठ फैलाना। झूठ फैलाने का कारोबाल लेकर के बैठे हुए हैं।

एंडे सुहुर्तगले,

केरलम की आस्था, संस्कृति इसकी रक्षा हो... केरलम विकास की नई ऊंचाइयों को छूए... ये हम सभी का संकल्प है। आप भाजपा-एनडीए उम्मीदवार को वोट देकर विकसित केरलम की यात्रा शुरू करिए। मैं आपको निमंत्रण देता हूं आप आइए.. ये मेरी जिम्मेदारी है ये मेरी गारंटी है 50 सालों में केरलम का विकास नहीं हुआ, हम पांच साल में करके देंगे।

एंडे सुहुर्तगले,

कल ईस्टर है। मैं ईस्टर की आपको शुभकामनाएं देता हूं। कुछ ही सप्ताह में सभी मलयाली साथी विशु भी मनाएंगे। मैं विशु की भी अग्रिम शुभकामनाएं देता हूं। मैं सबसे पहले तो आप सबसे माफी मांगना चाहता हूं, क्योंकि मैं मलयालम, मलयाली, ये आपकी बहुत सुंदर भाषा है, मैं बोल नहीं पाता हूं, मुझे हिंदी में बोलना पड़ा। लेकिन इसके बावजूद भी, एक भी व्यक्ति यहां से हटा नहीं। मैं जानता हूं यहां गांव के लोग आए हैं, हो सकता है मेरी भाषा नहीं समझ पाते हों, लेकिन ये आपके प्यार की ताकत है। ये आपका आशीर्वाद है... एक भी व्य़क्ति हिल नहीं रहा है हट नहीं रहा है। मेरा ये बहुत बड़ा सौभाग्य है। मैं आपका ये कर्ज, मैं आपका प्यार कभी भूलूंगा नहीं, ये मेरे पर आपका कर्ज है... और मैं केरलम के विकास को प्राथमिकता देकर के सवा गुना विकास करके इस कर्ज को चुकाऊंगा ये आज मैं वादा करता हूं।

मैं आप सब का बहुत-बहुत धन्यवाद करता हूं। मेरे साथ बोलिए, दोनों हाथ ऊपर करके बोलिए...

भारत माता की... जय! भारत माता की... जय!

भारत माता की... जय! भारत माता की... जय!

वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे...