Today, North-East India is the center of India’s Act East Policy; It is becoming a bridge that connects India with South-East Asia: PM
The farmers of Barak Valley and tea garden workers have made a significant contribution to Assam’s development; the Government is continuously working for farmers’ welfare: PM
We consider border villages as the nation’s first villages; the next phase of the Vibrant Village Programme was launched from Cachar district to boost development in several Barak Valley villages as well: PM

ভারত মাতা কি জয়।

ভারত মাতা কি জয়।

ভারত মাতা কি জয়।

আমার প্রিয় বরাক উপত্যকার সম্মানিত নাগরিকগণ, আপনাদের সবাইকে আমার প্রণাম জানাই।

রাজ্যের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আমার সহকর্মী সর্বানন্দ সোনোয়াল জি, বর্তমান রাজ্য সরকারের মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা।

আপনাদের সকলের মধ্যে, বরাক উপত্যকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সংস্কৃতি, সাহস এবং প্রাণবন্ততায় পরিপূর্ণ এই স্থানের সঙ্গে থাকতে পারাটা খুবই আনন্দের অভিজ্ঞতা। শিলচর বরাক উপত্যকার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। এটি এমন একটি স্থান যেখানে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং উদ্যোগ একত্রিত হয়ে এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেছে। এখানে বাংলা ভাষা বলা হয়, অসমীয়া প্রতিধ্বনি শোনা যায় এবং অন্যান্য উপজাতি ঐতিহ্যও বিকশিত হয়। এই বৈচিত্র্যকে আপনাদের শক্তি হিসেবে কাজে লাগিয়ে আপনারা সকলেই ভ্রাতৃত্ব এবং সম্প্রীতির মধ্যে দিয়ে সমগ্র অঞ্চলকে উন্নত করছেন। এটাই বরাক উপত্যকার অপরিসীম শক্তি।

বন্ধুগণ,

বরাক নদীর উর্বর সমভূমি, এর চা বাগান, এর কৃষক, এর বাণিজ্য পথ এবং এর শিক্ষা কেন্দ্রগুলি সর্বদা উন্নয়নকে অনুপ্রাণিত করেছে। এই অঞ্চলটি কেবল আসামকেই নয়, সমগ্র উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গকে সংযুক্ত করে। একবিংশ শতাব্দীতে বরাক উপত্যকার গুরুত্ব আরও জোরদার করার জন্য আমি আজ আপনাদের আশীর্বাদ নিতে এসেছি। কিছুক্ষণ আগে, বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে এবং বরাক উপত্যকা এবং উত্তর-পূর্বের সংযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সড়ক, রেলপথ, বা কৃষি কলেজ, এই জাতীয় প্রতিটি প্রকল্পই বরাক উপত্যকাকে উত্তর-পূর্বের একটি প্রধান সরবরাহ এবং বাণিজ্য কেন্দ্রে রূপান্তরিত করতে চলেছে। এর ফলে এখানকার যুবকদের জন্য অসংখ্য কর্মসংস্থান এবং স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এই সমস্ত উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য আমি আপনাদের সকলকে অভিনন্দন জানাই।

বন্ধুগণ,

স্বাধীনতার পর বহু দশক ধরে, কংগ্রেস সরকার উত্তর-পূর্বকে দিল্লি এবং আমাদের হৃদয় উভয় থেকেই দূরে রেখেছিল। কংগ্রেস দল কার্যত উত্তর-পূর্বকে ভুলে গিয়েছিল। তবে, বিজেপির ডাবল-ইঞ্জিন সরকার উত্তর-পূর্বকে এমনভাবে সংযুক্ত করেছে যে তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে। আজ, উত্তর-পূর্ব ভারত অ্যাক্ট ইস্ট নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, যা ভারতকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করার সেতু হয়ে উঠেছে।

 

কিন্তু বন্ধুগণ,


কংগ্রেস যেমন উত্তর-পূর্বকে তার নিজস্ব কৌশলে পরিত্যাগ করেছিল, তেমনি বরাক উপত্যকার ধ্বংসযজ্ঞেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভারত যখন স্বাধীনতা লাভ করে, তখন কংগ্রেস এমন একটি সীমানা তৈরি করতে দেয় যা বরাক উপত্যকার সঙ্গে সমুদ্রের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। একসময় বাণিজ্য পথ এবং শিল্প কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বরাক উপত্যকা তার প্রাণশক্তি হারিয়ে ফেলে। স্বাধীনতার পরেও কংগ্রেস সরকার কয়েক দশক ধরে শাসন করেছে, কিন্তু বরাক উপত্যকার উন্নয়নের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছুই করা হয়নি।

বন্ধুগণ,

বিজেপির ডাবল-ইঞ্জিন সরকার এই পরিস্থিতি পরিবর্তন করছে। আমরা বরাক উপত্যকাকে আবারও বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছি। আজ, এই লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আজ, ২৪,০০০ কোটি টাকা মূল্যের শিলং-শিলচর হাই-স্পিড করিডোরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে।  ২৪,০০০ কোটি টাকা, কত? কত? ২৪,০০০ কোটি টাকা। কত? কত? কত? কত? কংগ্রেসের লোকদের কাছে শুধু এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করুন, তাদের একটি কলম এবং কাগজ দিন, এবং তাদের বলুন কাগজে ২৪,০০০ কোটি টাকা লিখে রাখতে। তারা বুঝতে পারবে না যে এতে কত শূন্য লাগে। কংগ্রেসের লোকদের মন যেখানে আটকে আছে, সেখান থেকে আমাদের কাজ শুরু হয়। এটি হবে উত্তর-পূর্বের প্রথম অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রিত হাই-স্পিড করিডোর।

বন্ধুগণ,

এটি কেবল একটি হাইওয়ে প্রকল্প নয়; এটি উত্তর-পূর্বের জনগনের জন্য কয়েক দশকের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। এই করিডোর শিলচর, মিজোরাম, মণিপুর এবং ত্রিপুরাকে সংযুক্ত করবে। এই তিনটি রাজ্যের বাইরে বাংলাদেশ ও মায়ানমার এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিশাল বাজার রয়েছে। বরাক উপত্যকা আজ একটি অত্যন্ত উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছে। এটি আসাম সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বের কৃষক এবং যুবকদের উপকার করবে। এই অঞ্চলে এত ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকার ফলে, সমগ্র অঞ্চলের শিল্প শক্তিশালী হবে, পর্যটন উপকৃত হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ভারতের প্রতিটি প্রান্ত সহজেই এই অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।

বন্ধুগণ,

শিলচরের যানজট দেখে আপনারা সকলেই বেশ সমস্যায় পড়েছেন। শিলচর উড়ালপুলটি এখন এই সমস্যা দূর করবে। শিলচর মেডিকেল কলেজ, এনআইটি শিলচর এবং আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে। এর ফলে তাদের মূল্যবান যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হবে।

বন্ধুগণ,

ডাবল ইঞ্জিনের বিজেপি সরকার আসামের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উপরও ব্যাপকভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে রেলপথের বিদ্যুতায়ঙ্কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আসামের ২,৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি রেল নেটওয়ার্ক এখন বিদ্যুতায়িত হয়েছে। এখন এখানে উচ্চ-গতির ট্রেন চলাচল করবে এবং এর ফলে বরাক উপত্যকার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশের সুবিধা হবে ।

 

বন্ধুগণ,

বরাক উপত্যকার কৃষক এবং এখানকার চা বাগানের শ্রমিকরা আসামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ডাবল ইঞ্জিন সরকার কৃষকদের কল্যাণের জন্য ক্রমাগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। গতকালই, গুয়াহাটি থেকে, আমি প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির পরবর্তী কিস্তি প্র্দান করেছি। এখনও পর্যন্ত, সারা দেশের কৃষকরা প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির আওতায় লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা পেয়েছেন, এবং আমাদের অসমীয়া কৃষকরা ২০,০০০ কোটি টাকারও বেশি পেয়েছেন। এখন কল্পনা করুন, ১০ বছরে, আমরা এখানকার কৃষকদের পকেটে ২০,০০০ কোটি টাকা দিয়েছি। কংগ্রেসীরা ১০ বছর ধরে শাসন করেছে, প্রধানমন্ত্রী আসাম থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, তবুও তারা কৃষকদের এক পয়সাও দেয়নি। আমরা ২০,০০০ কোটি টাকা দিয়েছি। গতকাল, এই  কিস্তি বরাক উপত্যকার হাজার হাজার কৃষকের অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে। এই কিস্তি নির্বাচনের পরে আরও আসবে। এই টাকা গ্রামের ছোট কৃষক ভাই-বোনদের তাদের কৃষিকাজ সম্পর্কিত নানা চাহিদা মেটাতে প্রচুর সাহায্য করছে।

বন্ধুগণ,

বরাক উপত্যকা এখন কেবল ফসলের জন্যই নয়, কৃষি শিক্ষা এবং গবেষণার জন্যও পরিচিত হবে। পাথরকান্দিতে বরাক উপত্যকার প্রথম কৃষি কলেজের নির্মাণ কাজ আজ থেকে শুরু হচ্ছে। এটি কেবল কৃষকদেরই উপকৃত করবে  তা নয় বরং কৃষি স্টার্টআপের জন্য এখানকার যুবকদের সহায়তা, উৎসাহ এবং সহযোগিতা প্রদান করবে।

বন্ধুগণ,

বিজেপির মন্ত্র হল উন্নয়নের দৌড়ে পিছিয়ে থাকাদের অগ্রাধিকার দেওয়া। কংগ্রেস সরকার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে দেশের শেষ গ্রাম হিসেবে বিবেচনা করত। আমরা সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে দেশের প্রথম গ্রাম হিসেবে বিবেচনা করি। তাই, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য, আমরা কাছাড় জেলায় প্রাণবন্ত গ্রাম কর্মসূচির পরবর্তী পর্যায় শুরু করেছি। এর ফলে বরাক উপত্যকার অনেক গ্রামে উন্নতি নিশ্চিত হয়েছে।

বন্ধুগণ,

এখানে প্রচুর সংখ্যক চা বাগান শ্রমিক আছেন। আসাম সরকার চা বাগানের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার পরিবারকে জমির অধিকার প্রদানের ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এই পরিবারগুলির ভবিষ্যৎ রূপান্তরের এটি একটি বড় সূচনা। জমির ইজারা প্রদানের মাধ্যমে, এই পরিবারগুলি নিরাপত্তা পেয়েছে  এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবন যাপন নিশ্চিত করেছে।

বন্ধুগণ,

দয়া করে এখানে থেকে  একটু দূরে থাকুন। আর কোনও জায়গা অবশিষ্ট নেই, আপনারা এগিয়ে আসতে পারবেন না। দেখুন, তাদের একটু দূরে রাখুন। তারা এগিয়ে যেতে পারবেন না।  ভাই। আমাদের আসামের ভাইবোনেরা খুবই বিচক্ষণ। আপনার ভালোবাসা, আপনার আশীর্বাদ,  অনেক শক্তিশালী শক্তি। দয়া করুন।

 

বন্ধুগণ,

আমি হেমন্তজির সরকারকে অভিনন্দন জানাই।, আপনি আজ প্রায় ২০০ বছর ধরে চা বাগানে কাজ করে আসা প্রজন্মের সংগ্রামকে সম্মান জানিয়েছেন। দেখুন, আমার কথায় মেঘও গর্জন করতে শুরু করেছে। আমি খুশি যে বিজেপি সরকার পূর্ববর্তী সরকারগুলি দ্বারা পরিত্যক্তদের যত্ন নিয়েছে।

বন্ধুগণ,

এটি কেবল জমির আইনি অধিকারের বিষয় নয়। এর ফলে এই লক্ষ লক্ষ পরিবার দ্রুত কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের অসংখ্য কল্যাণমূলক প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে। পাকা বাড়ি প্রকল্প হোক বা বিদ্যুৎ, জল এবং গ্যাস প্রকল্প, এই পরিবারগুলি এখন এই সমস্ত প্রকল্পের সম্পূর্ণ সুবিধা পেতে সক্ষম হবে।

বন্ধুগণ,

বিগত বছরগুলিতে, বিজেপি সরকার চা বাগানে অসংখ্য স্কুল খুলেছে, শিশুদের বৃত্তি প্রদান করেছে এবং সরকারি চাকরির সুযোগ করে দিয়েছে। এই ধরনের প্রচেষ্টা চা বাগানের যুবকদের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দরজা খুলে দিচ্ছে।

বন্ধুগণ,

বিজেপির ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের কাছে  শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়েছে। কংগ্রেসের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রতি অবহেলার কারণে আসাম দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে। আজ, আসাম শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বরাক উপত্যকা এর থেকে ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছে। আজ, এখানে অনেক বড় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। 

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস আসামের যুবসমাজকে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের দুষ্টচক্রের মধ্যে আটকে রেখেছিল। তারা আসামকে তার বিভাজন ও শাসন নীতির জন্য একটি পরীক্ষাগারে পরিণত করেছিল। আজ, আসামের যুবসমাজের কাছে সুযোগের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আসাম ভারতের সেমিকন্ডাক্টর সেক্টরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। এখানে পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পরিমন্ডল এবং প্রতিভা নেটওয়ার্ক গড়ে উঠছে। এখানে আইআইটি এবং আইআইএম-এর মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।  মেডিকেল কলেজ, এইমস এবং ক্যান্সার হাসপাতালের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হচ্ছে। শান্তি ও অগ্রগতির এই নতুন যুগ অনেক ত্যাগ এবং অসংখ্য প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে এসেছে। এখন, আসামকে অতীতে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে এমন  যেকোনো শক্তিকে আমাদের উপযুক্ত জবাব দিতে হবে।

বন্ধুগণ,

আজ, শিলচর থেকে, আমি আসামকে সতর্ক করতে চাই। আপনারা কংগ্রেসকে আসাম থেকে বিতাড়িত করেছেন। আজ, দেশের প্রতিটি রাজ্য কংগ্রেসকে শিক্ষা দিচ্ছে। কংগ্রেস একের পর এক নির্বাচন হেরে যাচ্ছে। এখন, অদূর ভবিষ্যতে, কংগ্রেস তার নিজস্ব পরাজয়ের ইতিহাসের এক শতাব্দী পার করতে চলেছে। তারা তাদের পরাজয়ে হতাশ হয়ে দেশের বিরুদ্ধে পরিণত হয়েছে। কংগ্রেস নেতারা দেশকে অপমান করতে ব্যস্ত। আপনারা দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিশাল এআই শীর্ষ সম্মেলন দেখেছেন। আজ, যখন সমগ্র বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতি গভীরভাবে আগ্রহী, তখন দিল্লিতে একটি এআই শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সম্মেলন সমগ্র বিশ্বের জন্য নতুন আশার আলো তৈরি করেছে । বিশ্ব নেতারা, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলি এবং বিশিষ্ট প্রযুক্তি নেতারা দিল্লিতে এসেছিলেন। কংগ্রেস এই শীর্ষ সম্মেলনকে অপমান করার জন্য কাপড় ছিঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ করেছে। এখন, কংগ্রেসের নিজস্ব পোশাক ছিঁড়ে ফেলা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। সমগ্র দেশ কংগ্রেসের এই অশ্লীল এবং কুৎসিত প্রদর্শনের সমালোচনা করেছে। কিন্তু দিল্লির কংগ্রেস রাজপরিবার এই কেলেঙ্কারিকে নিজেদের পদক হিসেবে দাবি করছে । যারা দেশের অপমান করছে তারা  তাদের প্রশংসা করছে । দেশের  প্রতি শত্রুভাবাপন্ন কংগ্রেস কোনও রাজ্যের উপকার করতে পারে না, এমনকি আসামের যুবসমাজের মঙ্গলের কথাও ভাবতে পারে না।

 

বন্ধুগণ,

আজকাল, সারা বিশ্বে, বিশেষ করে আমাদের আশেপাশেও, যুদ্ধ চলছে। আপনারা সকলেই প্রতিদিন যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখতে পাচ্ছেন। আমাদের সরকার যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।  আমাদের নাগরিকদের যে কষ্টের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তা কমানোর জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের দেশের নাগরিকদের উপর যুদ্ধের প্রভাব কমানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই সময়ে, কংগ্রেস একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হয়েছিল।  কিন্তু দেশের স্বার্থের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে কংগ্রেস আবারও ব্যর্থ হয়েছে। কংগ্রেস দেশে আতঙ্ক তৈরি করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে, দেশকে সমস্যায় ফেলছে।  কংগ্রেস তারপর মোদীকে প্রচুর গালি দেবে।

বন্ধুগণ,

কংগ্রেসের অসমের জন্য, দেশের জন্য কোনও দৃষ্টিভঙ্গি নেই। তাই, তারা গুজব, মিথ্যা এবং প্রতারণাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। তারা যেন মিথ্যা রিল তৈরির একটি শিল্প খুলেছে। ভারতের দ্রুত উন্নয়ন যারা হজম করতে পারে না কংগ্রেস সেইসব বিশ্বশক্তির হাতের পুতুলে পরিণত হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত, কংগ্রেস সেইসব বিদেশী শক্তির হাতের পুতুলে পরিণত হচ্ছে যারা দেশের অগ্রগতিতে খুশি হয়না। অতএব, আসামের প্রতিটি নাগরিক, প্রতিটি যুবককে, কংগ্রেস থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

বন্ধুগণ,

আসাম, এমনকি বরাক উপত্যকাও এখন উন্নয়নের পথে। বরাক উপত্যকা তার ভাষা, সাহিত্য এবং সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। সেই দিন খুব বেশি দূরে নয় যখন বরাক উপত্যকা উন্নয়নের একটি নতুন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।

বন্ধুগণ,

আপনারা এত বিশাল সংখ্যায় আমাদের আশীর্বাদ করতে এসেছেন। যারা রাজনীতির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করেন, যারা ক্রমাগত বিভিন্ন সম্ভাবনা অন্বেষণ করেন, তাদের কাছে আজকের বরাক উপত্যকার এই দৃশ্য, গতকাল বোড়ো সম্প্রদায়ের দৃশ্য, চা বাগানের শ্রমিকদের দলের ছবি, স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে এই নির্বাচনের ফলাফল কী হবে। আর আপনারা এত বিশাল সংখ্যায় আমাকে আশীর্বাদ করতে এসেছেন বলে  আমি আপনাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আবারও আপনাদের সকলকে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমার সঙ্গে বলুন:

ভারত মাতা কি জয়!

বন্দে মাতরম!
বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম!

বন্দে মাতরম

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India's banking sector resilient; 11-13% credit growth for January-June likely: Survey

Media Coverage

India's banking sector resilient; 11-13% credit growth for January-June likely: Survey
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
List of Outcomes: State Visit of President of Republic of Korea to India
April 20, 2026

Outcomes:

1. Joint Strategic Vision for the India-ROK Special Strategic Partnership

2. India-ROK Comprehensive Framework for Partnership in Shipbuilding, Shipping & Maritime Logistics

3. India-Republic of Korea Joint Statement on Cooperation in Field of Sustainability

4. India-Republic of Korea Joint Statement on Energy Resource Security

MOUs/ Frameworks

1. MOU on Cooperation in the Field of Ports

2. MOU on the Establishment of the Industrial Cooperation Committee

3. MOU on Cooperation in the Field of Technology and Trade for Steel Supply Chain

4. MOU on Cooperation in the Field of Small and Medium sized Enterprises

5. MoU for Cooperation in the Field of Maritime Heritage

6. Joint Declaration on Resuming the Negotiations to upgrade the Comprehensive Economic Partnership Agreement between India and ROK

7. MoU between IFSCA and FSS/FSC in relation to Mutual Cooperation

8. MOU between NPCI International Payments Limited and Korean Financial Telecommunications & Clearings Institute

9. MOU on Cooperation in the Field of Science & Technology

10. Framework for India-Korea Digital Bridge

11. MOU on on Cooperation in the Field of Climate and the Environment

12. MOU on the Cooperative Approach under Article 6.2 of the Paris Agreement

13. Cultural Exchange Programme between India and ROK for the Years 2026-2030

14. MOU on Cooperation in Cultural and Creative Industries

15. MOU on Cooperation in the Field of Sports

Announcements

1. Launch of Economic Security Dialogue

2. Establishment of Distinguished Visitors Programme (DVP)

3. Launch of dialogue between the two Foreign Ministries on Global Themes, including Climate Change, Arctic, and Maritime Cooperation.

4. ROK joining Indo Pacific Oceans Initiative

5. ROK joining International Solar Alliance and India joining Global Green Growth Institute (GGGI)

6. Commemoration of the Year 2028-29 as Year of India-ROK Friendship