“India's dairy sector is characterized by ‘production by masses’ more than ‘mass production’”
“ Dairy Cooperative in India is unique in the whole world and can be a good business model for poor countries”
“Dairy cooperatives collect milk twice a day from about two crore farmers in more than two lakh villages in the country and deliver it to the customers”
“More than 70 per cent of the money that is received from the customers goes directly to the farmer”
“Women are the real leaders of India's dairy sector”
“At more than eight and a half lakh crore rupees, the dairy sector is more than the combined value of wheat and rice production”
“India produced 146 million tonnes of milk in 2014. It has now increased to 210 million tonnes. That is, an increase of about 44 per cent”
“Indian milk production is increasing at 6 per cent annual rate against 2 per cent global growth”
“India is building the largest database of dairy animals and every animal associated with the dairy sector is being tagged”
“We have resolved that by 2025, we will vaccinate 100% of the animals against Foot and Mouth Disease and Brucellosis”
“Our scientists have also prepared indigenous vaccine for Lumpy Skin Disease”
“ India is working on a digital system which will capture the end-to-end activities of the livestock sector”

উত্তরপ্রদেশের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথজি, আমার মন্ত্রিসভার সহকর্মী শ্রী পুরুষোত্তম রুপালাজি, অন্যান্য মন্ত্রী ও সাংসদগণ, ইন্টারন্যাশনাল ডেয়ারি ফেডারেশনের সভাপতি শ্রী পি. ব্রাজালেজি, আইডিএফ-এর মহানির্দেশক শ্রীমতী ক্যারোলিন ইমন্ডজি, এখানে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ!

আমি আনন্দিত যে আজ সারা বিশ্ব থেকে দুগ্ধ বিশেষজ্ঞ এবং উদ্ভাবকরা ভারতে জড়ো হয়েছেন। ভারতের প্রাণীসম্পদ, ভারতের নাগরিক এবং ভারত সরকারের পক্ষ থেকে, আমি বিশ্ব দুগ্ধ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। দুগ্ধ ক্ষেত্রের সম্ভাবনা শুধু গ্রামীণ অর্থনীতিকেই চাঙ্গা করে না, এটি সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবিকার একটি প্রধান উৎসও বটে। আমি নিশ্চিত, এই শীর্ষ সম্মেলন দুগ্ধ ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রযুক্তি, দক্ষতা এবং ঐতিহ্যের পরিপ্রেক্ষিতে একে অপরের জ্ঞান বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক মতবিনিময় এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বন্ধুগণ,

আজকের অনুষ্ঠানটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ভারত তার স্বাধীনতার ৭৫ বছর পালন করছে। প্রসঙ্গত, ভারতের ৭৫ লক্ষেরও বেশি গো-পালকরাও প্রযুক্তির মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। এই ধরনের শিখর সম্মেলন থেকে প্রান্তিক কৃষক ভাই-বোনের উপকৃত হবেন। বিশ্ব দুগ্ধ সম্মেলন উপলক্ষে আমি আমার কৃষক বন্ধুদের স্বাগত ও অভিনন্দন জানাই।

বন্ধুগণ,

পশুসম্পদ এবং দুধের ব্যবসা হাজার হাজার বছর ধরে ভারতের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আমাদের এই উত্তরাধিকারগত কিছু বৈশিষ্ট্য ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করেছে। অন্যান্য দেশ থেকে এখানে আসা বিশেষজ্ঞদের সামনে আমি এই বৈশিষ্ট্যগুলো বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই।

বন্ধুগণ,

ভারতের ক্ষুদ্র কৃষকরা দুগ্ধ ক্ষেত্রের চালিকাশক্তি যা বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশগুলির তুলনায় স্বতন্ত্র। ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হল, "গণ-উৎপাদন"-এর পরিবর্তে "জনগণের দ্বারা উৎপাদন"। ভারতে দুগ্ধ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত অধিকাংশ কৃষকের একটি, দুটি বা তিনটি গবাদি পশু রয়েছে। এই ক্ষুদ্র কৃষকদের কঠোর পরিশ্রম এবং তাঁদের পশুপালনের কারণেই আজ ভারত সারা বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিগণিত। আজ এই ক্ষেত্রটি ভারতে ৮ কোটিরও বেশি পরিবারকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। ভারতীয় দুগ্ধ ক্ষেত্রের এমন স্বতন্ত্রতা আপনি আর কোথাও খুঁজে পাবেন না। আজ আমি বিশ্ব দুগ্ধ সম্মেলনেও এটি উল্লেখ করছি কারণ, এটি বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলির কৃষকদের জন্য একটি দুর্দান্ত ব্যবসায়িক মডেল হয়ে উঠতে পারে।

বন্ধুগণ,

ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের আরও একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হল ভারতের দুগ্ধ সমবায় ব্যবস্থা। আজ ভারতে দুগ্ধ সমবায়ের এত বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে যা সারা বিশ্বের আর কোথাও পাওয়া যাবে না। এই দুগ্ধ সমবায়গুলি দেশের ২ লক্ষেরও বেশি গ্রামের প্রায় ২ কোটিরও বেশি কৃষকের কাছ থেকে দিনে দু’বার দুধ সংগ্রহ করে এবং ক্রেতাদের কাছে তা পৌঁছে দেয়। পুরো প্রক্রিয়াটির মধ্যে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী নেই এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৭০ শতাংশের বেশি সরাসরি কৃষকদের কাছে যায়। তাছাড়া গুজরাট রাজ্যের কথা যদি বলি, এই সমস্ত টাকা সরাসরি মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যায়। এই অনুপাতের তুলনা সারা বিশ্বে মেলা ভার। এখন ভারতে ডিজিটাল বিপ্লবের কারণে দুগ্ধ ক্ষেত্রের বেশিরভাগ লেনদেন খুব দ্রুতগতিতে হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি যে ভারতের দুগ্ধ সমবায়গুলির কাজকর্ম বিশ্লেষণ এবং সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করলে ও দুগ্ধ ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবস্থাকে অনুসরণ করলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কৃষকরা উপকৃত হতে পারেন।

ভারতের ক্ষেত্রের আরও একটি বড় শক্তি এবং অনন্যতা হল আমাদের দেশীয় প্রজাতি। ভারতের গরু এবং মহিষের স্থানীয় জাতগুলি সবচেয়ে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও বেঁচে থাকতে সক্ষম। আমি আপনাকে গুজরাটের বান্নি মহিষের উদাহরণ দিতে চাই। বন্নি মহিষগুলি যেভাবে কচ্ছের মরুভূমির অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে থাকে তা দেখে অবাক লাগে। সেখানে দিনের আবহাওয়া খুব গরম এবং রৌদ্রের তাপও প্রবল। তাই রাতের কম তাপমাত্রায় বন্নি মহিষ চড়তে বের হয়। আমাদের বন্ধুরা, যাঁরা বিদেশ থেকে এসেছেন তাঁরাও জেনে অবাক হবেন যে চড়ানোর সময় এই প্রাণীদের সাথে কোন পশুপালক থাকে না। বন্নি মহিষগুলো একাই গ্রামের কাছাকাছি চারণভূমিতে যায়। মরুভূমিতে জল কম থাকায় বান্নি মহিষরা সেই সামান্য জলেই বাঁচতে পারে। বান্নি মহিষ রাতে ১০-১৫ কিলোমিটার পথ হেঁটেও সকালে নিজ থেকেই বাড়ি ফিরে আসে। কারোর বান্নি মহিষ হারিয়ে গেছে বা ভুল বাড়িতে গেছে, এমন কথা খুব কমই শোনা যায়। আমি আপনাদের শুধুমাত্র বান্নি মহিষের উদাহরণ দিয়েছি। তবে ভারতে অনেক প্রজাতির মহিষ যেমন মুরাহ, মেহসানা, জাফরাবাদি, নিলি রাভি, পান্ধরপুরি এখনও তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে জীবনযাপন করছে। একইভাবে, গির গরু, সাহিওয়াল, রাঠি, কাঙ্করেজ, থারপারকার, হরিয়ানা এবং আরও অনেক প্রজাতির গরু রয়েছে, যা ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রকে এক কথায় অনন্য করে তুলেছে। ভারতীয় প্রজাতির এই প্রাণীরা জলবায়ুর খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

বন্ধুগণ,

এ পর্যন্ত আমি ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের তিনটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছি। সেগুলি হল ক্ষুদ্র কৃষকদের শক্তি, সমবায়ের শক্তি এবং ভারতীয় প্রজাতির গবাদি পশুর শক্তি যা সম্মিলিতভাবে এক সম্পূর্ণ আলাদা শক্তি তৈরি করে। কিন্তু ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের একটি চতুর্থ বৈশিষ্ট্যও রয়েছে, যা তেমন আলোচিত হয় না এবং স্বীকৃতিও পায় না। বিদেশ থেকে আসা আমাদের অতিথিরা সম্ভবত জেনে আশ্চর্য হবেন যে ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের ৭০ শতাংশ কর্মশক্তির প্রতিনিধিত্ব করে নারীশক্তি। মহিলারাই ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের আসল নেতা। ভারতে দুগ্ধ সমবায়ের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সদস্য মহিলা৷ ভারতীয় দুগ্ধ ক্ষেত্রের চালিকাশক্তি হল ভারতের গ্রামাঞ্চলের মহিলারা, অর্থাৎ আমাদের মা ও বোনেরা। গম এবং চালের মোট উৎপাদন মূল্যের অতিরিক্ত সাড়ে আট লক্ষ কোটি ভারতীয় দুগ্ধ ক্ষেত্র থেকে আসে। আমি বিশ্ব দুগ্ধ শিখর সম্মেলনের সাথে যুক্ত সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভারতের নারীশক্তির এই ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়ার এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করব।

বন্ধুগণ,

২০১৪ সাল থেকে আমাদের সরকার ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের সম্ভাবনা বাড়ানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছে। আজ দুধ উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষকদের আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এর ফলাফল পরিলক্ষিত হচ্ছে। ২০১৪ সালে ভারত ১৪ কোটি ৬০ লক্ষ টন দুধ উৎপাদন হত এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি টনে। অর্থাৎ প্রায় ৪৪ শতাংশ বেড়েছে! আজ বিশ্বের দুগ্ধ উৎপাদন যেখানে বার্ষিক ২ শতাংশ হারে বাড়ছে, ভারতে সেই বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের বেশি। ভারতে মাথাপিছু দুধের প্রাপ্যতা বিশ্বের গড় থেকে অনেক বেশি। গত ৩-৪ বছরে আমাদের সরকার ভারতের ক্ষুদ্র কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা সরাসরি হস্তান্তর করেছে। এর একটি বড় অংশ দুগ্ধ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত কৃষকরা পেয়েছেন।

বন্ধুগণ,

আজ আমাদের লক্ষ্য হল দেশে একটি সুষম দুগ্ধ ইকো-সিস্টেম গড়ে তোলা। এমন এক ইকো-সিস্টেম যেখানে আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র দুধ এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের গুণমান নয়, অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলারও। কৃষকদের অতিরিক্ত আয়, দরিদ্রদের ক্ষমতায়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রাসায়নিকমুক্ত কৃষি, পরিচ্ছন্ন শক্তি এবং পশুর যত্ন - সবই অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। অর্থাৎ, আমরা ভারতের গ্রামগুলির সবুজ এবং স্থায়ী উন্নয়নের জন্য দুগ্ধ ক্ষেত্র এবং পশুপালনকে একটি বড় মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরছি। রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন, গোবর্ধন যোজনা, দুগ্ধ ক্ষেত্রের ডিজিটাইজেশন এবং পশুদের জন্য সর্বজনীন টিকাকরণ – এগুলি এই লক্ষ্যের অঙ্গস্বরূপ। এছাড়াও, ভারতে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধকরণের প্রচারাভিযান পশুদের জন্য পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পশু অধিকাররক্ষা কর্মী এবং পশুপ্রেমীরা যাঁরা পশুদের প্রতি দয়া এবং পশুপালনে বিশ্বাসী, তাঁরা তাদের কল্যাণের বিষয়ে চিন্তা করেন। প্রাণীদের ক্ষেত্রে বিশেষত গরু-মহিষদের ক্ষেত্রে প্লাস্টিক কতটা বিপজ্জনক তা আমরা সকলেই জানি। আমরা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নির্মূল করতে নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি।

বন্ধুগণ,

ভারতে দুগ্ধ ক্ষেত্রকে বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত করে আরও প্রসারিত করা হচ্ছে। ভারত গবাদি পশুর বৃহত্তম তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে। দুগ্ধ ক্ষেত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রাণীকে যুক্ত করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে আমরা প্রাণীদের বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণের উদ্যোগ নিচ্ছি। আমরা এর নাম দিয়েছি- 'পশু আধার'। পশু আধারের মাধ্যমে পশুদের ডিজিটাল শনাক্তকরণ করা হচ্ছে, যা তাদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সাহায্য করবে।

বন্ধুগণ,

আজ ভারত পশুপালনের ক্ষেত্রের ব্যবসার প্রসারের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা কৃষক উৎপাদক সংস্থা এবং মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে দুগ্ধ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ক্ষুদ্র কৃষকদের একত্রিত করে একটি বড় বাজার শক্তি হিসেবে পরিচালিত করছি। আমরা আমাদের তরুণ প্রতিভাকে কৃষি ও দুগ্ধ ক্ষেত্রে স্টার্ট-আপ গড়ে তুলতে ব্যবহার করছি। আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে গত ৫-৬ বছরে ভারতে কৃষি এবং দুগ্ধ ক্ষেত্রে ১ হাজারেরও বেশি স্টার্ট-আপ তৈরি হয়েছে।

বন্ধুগণ,

এই ক্ষেত্রে ভারত কিভাবে কাজ করছে তার এক অনন্য উদাহরণ হল গোবর্ধন প্রকল্প। কিছুক্ষণ আগে, রূপলাজি অর্থনীতিতে গোবরের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব বর্ণনা করেছিলেন। পশুর গোবর থেকে জৈব-গ্যাস এবং জৈব-সিএনজি তৈরির জন্য আজ ভারতে ব্যাপক প্রচার চলছে। আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি যে দুগ্ধ উৎপাদন কেন্দ্রগুলি তাদের বেশিরভাগ বিদ্যুতের চাহিদা গোবর থেকে পূরণ করতে পারে। এটি এমন একটি উপায় যা দিয়ে কৃষকরা বাড়তি আয় করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ায় যে জৈব সার তৈরি হয় তা কৃষকদের চাষের ক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী হয়ে উঠবে। এতে চাষের খরচও কমবে এবং মাটিও নিরাপদ থাকবে। ভারতে আজ প্রাকৃতিক চাষের উপর অভূতপূর্ব জোর দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রাণীরা একটি প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

বন্ধুগণ,

আমি প্রায়শই বলি যে এক ফসলি চাষই একমাত্র সমাধান নয়। পরিবর্তে বৈচিত্র্য অনেক বেশি প্রয়োজন। এটি পশুপালনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাই, ভারতে আজ দেশীয় প্রজাতির পাশাপাশি হাইব্রিড প্রজাতির ওপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির ঝুঁকিও কমবে।

বন্ধুগণ,

আরেকটি বড় সমস্যা হল পশুদের রোগ। যখন একটি গবাদি পশু অসুস্থ হয়, তা কৃষকের জীবনকে প্রভাবিত করে, প্রভাবিত করে তাঁর আয়কেও। এটি পশুর কার্যক্ষমতার পাশাপাশি তার দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের গুণগত মানকেও তা প্রভাবিত করে। তাই ভারতেও আমরা পশুদের সার্বজনীন টিকা দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছি। আমরা স্থির করেছি যে ২০২৫ সালের মধ্যে আমরা ১০০ শতাংশ প্রাণীকে পা এবং মুখের রোগ এবং ব্রুসেলোসিসের প্রতিরোধে টিকা প্রদান করব। আমরা এই দশকের শেষ নাগাদ এই রোগগুলি সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি।

বন্ধুগণ,

আজ আপনাদের সাথে এই আলোচনা করার সময়, আমি দুগ্ধ ক্ষেত্রের সর্বশেষ চ্যালেঞ্জটির উল্লেখ করতে চাই। সাম্প্রতিক অতীতে, ভারতের অনেক রাজ্যে লাম্পি নামক রোগের কারণে গবাদি পশুদের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার, বিভিন্ন রাজ্য সরকার একত্রে এটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। আমাদের বিজ্ঞানীরা লাম্পি চর্মরোগের জন্য একটি দেশীয় টিকাওও তৈরি করেছেন। টিকার পাশাপাশি এই রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং প্রাণীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বন্ধুগণ,

পশুর টিকা বা অন্যান্য প্রযুক্তি হোক না কেন, ভারত সব সময়েই সারা বিশ্বের দুগ্ধ ক্ষেত্রে অগ্রবর্তী স্থান ধরে রাখতে এবং তার সমস্ত অংশীদার দেশের কাছ থেকে শিখতে প্রস্তুত। ভারতেও খাদ্য নিরাপত্তার মান সুনিশ্চিত করতে দ্রুত কাজ চলছে। আজ ভারত প্রাণীসম্পদ ক্ষেত্রে এমন এক ডিজিটাল সিস্টেমে তৈরি করছে যা এই ক্ষেত্রে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত কার্যকলাপগুলিকে ধরে রাখবে। এটি এই ক্ষেত্রের উন্নতিতে প্রয়োজনীয় ও সঠিক তথ্য সরবরাহ করবে। সারা বিশ্বজুড়ে এই ধরনের প্রযুক্তিগত যে কাজ চলেছে, এই শিখর সম্মেলন তার ওপর আলোকপাত করবে। এটি এমন উপায়গুলি সুপারিশ করবে যার মাধ্যমে আমরা এ সম্পর্কিত দক্ষতা বিনিময় করতে পারি। আমি দুগ্ধ শিল্পের বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে ভারতের দুগ্ধ ক্ষেত্রের ক্ষমতায়নের অভিযানে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানাই। আমি আন্তর্জাতিক দুগ্ধ ফেডারেশনকে তাদের চমৎকার কাজ এবং অবদানের জন্য প্রশংসা করি। আবারও যারা বিদেশ থেকে এসেছেন তাঁদের সবাইকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন! দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশক পর আপনাদের সকলকে স্বাগত জানানো এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করার ভারত সুযোগ পেয়েছে। এই সম্মেলন থেকে যে অমৃত বের হবে তা এই 'অমৃতকাল'-এ দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে এবং দেশের গবাদি পশুর সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে ও দরিদ্রতম ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে সহায়তা করবে। এটা একটি মহান অবদান হবে! এই প্রত্যাশা এবং আশা নিয়ে, আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

অনেক অনেক শুভ কামনা। ধন্যবাদ।

মূল ভাষণ হিন্দিতে দেওয়া হয়েছে

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
How India's digital public infrastructure can push inclusive global growth

Media Coverage

How India's digital public infrastructure can push inclusive global growth
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Our government is dedicated to tribal welfare in Chhattisgarh: PM Modi in Surguja
April 24, 2024
Our government is dedicated to tribal welfare in Chhattisgarh: PM Modi
Congress, in its greed for power, has destroyed India through consistent misgovernance and negligence: PM Modi
Congress' anti-Constitutional tendencies aim to provide religious reservations for vote-bank politics: PM Modi
Congress simply aims to loot the 'hard-earned money' of the 'common people' to fill their coffers: PM Modi
Congress will set a dangerous precedent by implementing an 'Inheritance Tax': PM Modi

मां महामाया माई की जय!

मां महामाया माई की जय!

हमर बहिनी, भाई, दद्दा अउ जम्मो संगवारी मन ला, मोर जय जोहार। 

भाजपा ने जब मुझे पीएम पद का उम्मीदवार बनाया था, तब अंबिकापुर में ही आपने लाल किला बनाया था। और जो कांग्रेस का इकोसिस्टम है आए दिन मोदी पर हमला करने के लिए जगह ढ़ूंढते रहते हैं। उस पूरी टोली ने उस समय मुझपर बहुत हमला बोल दिया था। ये लाल किला कैसे बनाया जा सकता है, अभी तो प्रधानमंत्री का चुनाव बाकि है, अभी ये लाल किले का दृश्य बना के वहां से सभा कर रहे हैं, कैसे कर रहे हैं। यानि तूफान मचा दिया था और बात का बवंडर बना दिया था। लेकिन आप की सोच थी वही  मोदी लाल किले में पहुंचा और राष्ट्र के नाम संदेश दिया। आज अंबिकापुर, ये क्षेत्र फिर वही आशीर्वाद दे रहा है- फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार !

साथियों, 

कुछ महीने पहले मैंने आपसे छत्तीसगढ़ से कांग्रेस का भ्रष्टाचारी पंजा हटाने के लिए आशीर्वाद मांगा था। आपने मेरी बात का मान रखा। और इस भ्रष्टाचारी पंजे को साफ कर दिया। आज देखिए, आप सबके आशीर्वाद से सरगुजा की संतान, आदिवासी समाज की संतान, आज छत्तीसगढ़ के मुख्यमंत्री के रूप में छत्तीसगढ़ के सपनों को साकार कर रहा है। और मेरा अनन्य साथी भाई विष्णु जी, विकास के लिए बहुत तेजी से काम कर रहे हैं। आप देखिए, अभी समय ही कितना हुआ है। लेकिन इन्होंने इतने कम समय में रॉकेट की गति से सरकार चलाई है। इन्होंने धान किसानों को दी गारंटी पूरी कर दी। अब तेंदु पत्ता संग्राहकों को भी ज्यादा पैसा मिल रहा है, तेंदू पत्ता की खरीद भी तेज़ी से हो रही है। यहां की माताओं-बहनों को महतारी वंदन योजना से भी लाभ हुआ है। छत्तीसगढ़ में जिस तरह कांग्रेस के घोटालेबाज़ों पर एक्शन हो रहा है, वो पूरा देश देख रहा है।

साथियों, 

मैं आज आपसे विकसित भारत-विकसित छत्तीसगढ़ के लिए आशीर्वाद मांगने के लिए आया हूं। जब मैं विकसित भारत कहता हूं, तो कांग्रेस वालों का और दुनिया में बैठी कुछ ताकतों का माथा गरम हो जाता है। अगर भारत शक्तिशाली हो गया, तो कुछ ताकतों का खेल बिगड़ जाएगा। आज अगर भारत आत्मनिर्भर बन गया, तो कुछ ताकतों की दुकान बंद हो जाएगी। इसलिए वो भारत में कांग्रेस और इंडी-गठबंधन की कमज़ोर सरकार चाहते हैं। ऐसी कांग्रेस सरकार जो आपस में लड़ती रहे, जो घोटाले करती रहे। 

साथियों,

कांग्रेस का इतिहास सत्ता के लालच में देश को तबाह करने का रहा है। देश में आतंकवाद फैला किसके कारण फैला? किसके कारण फैला? किसके कारण फैला? कांग्रेस की नीतियों के कारण फैला। देश में नक्सलवाद कैसे बढ़ा? किसके कारण बढ़ा? किसके कारण बढ़ा? कांग्रेस का कुशासन और लापरवाही यही कारण है कि देश बर्बाद होता गया। आज भाजपा सरकार, आतंकवाद और नक्सलवाद के विरुद्ध कड़ी कार्रवाई कर रही है। लेकिन कांग्रेस क्या कर रही है? कांग्रेस, हिंसा फैलाने वालों का समर्थन कर रही है, जो निर्दोषों को मारते हैं, जीना हराम कर देते हैं, पुलिस पर हमला करते हैं, सुरक्षा बलों पर हमला करते हैं। अगर वे मारे जाएं, तो कांग्रेस वाले उन्हें शहीद कहते हैं। अगर आप उन्हें शहीद कहते हो तो शहीदों का अपमान करते हो। इसी कांग्रेस की सबसे बड़ी नेता, आतंकवादियों के मारे जाने पर आंसू बहाती हैं। ऐसी ही करतूतों के कारण कांग्रेस देश का भरोसा खो चुकी है।

भाइयों और बहनों, 

आज जब मैं सरगुजा आया हूं, तो कांग्रेस की मुस्लिम लीगी सोच को देश के सामने रखना चाहता हूं। जब उनका मेनिफेस्टो आया उसी दिन मैंने कह दिया था। उसी दिन मैंने कहा था कि कांग्रेस के मोनिफेस्टो पर मुस्लिम लीग की छाप है। 

साथियों, 

जब संविधान बन रहा था, काफी चर्चा विचार के बाद, देश के बुद्धिमान लोगों के चिंतन मनन के बाद, बाबासाहेब अम्बेडकर के नेतृत्व में तय किया गया था कि भारत में धर्म के आधार पर आरक्षण नहीं होगा। आरक्षण होगा तो मेरे दलित और आदिवासी भाई-बहनों के नाम पर होगा। लेकिन धर्म के नाम पर आरक्षण नहीं होगा। लेकिन वोट बैंक की भूखी कांग्रेस ने कभी इन महापुरुषों की परवाह नहीं की। संविधान की पवित्रता की परवाह नहीं की, बाबासाहेब अम्बेडकर के शब्दों की परवाह नहीं की। कांग्रेस ने बरसों पहले आंध्र प्रदेश में धर्म के आधार पर आरक्षण देने का प्रयास किया था। फिर कांग्रेस ने इसको पूरे देश में लागू करने की योजना बनाई। इन लोग ने धर्म के आधार पर 15 प्रतिशत आरक्षण की बात कही। ये भी कहा कि SC/ST/OBC का जो कोटा है उसी में से कम करके, उसी में से चोरी करके, धर्म के आधार पर कुछ लोगों को आरक्षण दिया जाए। 2009 के अपने घोषणापत्र में कांग्रेस ने यही इरादा जताया। 2014 के घोषणापत्र में भी इन्होंने साफ-साफ कहा था कि वो इस मामले को कभी भी छोड़ेंगे नहीं। मतलब धर्म के आधार पर आरक्षण देंगे, दलितों का, आदिवासियों का आरक्षण कट करना पड़े तो करेंगे। कई साल पहले कांग्रेस ने कर्नाटका में धर्म के आधार पर आरक्षण लागू भी कर दिया था। जब वहां बीजेपी सरकार आई तो हमने संविधान के विरुद्ध, बाबासाहेब अम्बेडर की भावना के विरुद्ध कांग्रेस ने जो निर्णय किया था, उसको उखाड़ करके फेंक दिया और दलितों, आदिवासियों और पिछड़ों को उनका अधिकार वापस दिया। लेकिन कर्नाटक की कांग्रेस सरकार उसने एक और पाप किया मुस्लिम समुदाय की सभी जातियों को ओबीसी कोटा में शामिल कर दिया है। और ओबीसी बना दिया। यानि हमारे ओबीसी समाज को जो लाभ मिलता था, उसका बड़ा हिस्सा कट गया और वो भी वहां चला गया, यानि कांग्रेस ने समाजिक न्याय का अपमान किया, समाजिक न्याय की हत्या की। कांग्रेस ने भारत के सेक्युलरिज्म की हत्या की। कर्नाटक अपना यही मॉडल पूरे देश में लागू करना चाहती है। कांग्रेस संविधान बदलकर, SC/ST/OBC का हक अपने वोट बैंक को देना चाहती है।

भाइयों और बहनों,

ये सिर्फ आपके आरक्षण को ही लूटना नहीं चाहते, उनके तो और बहुत कारनामे हैं इसलिए हमारे दलित, आदिवासी और ओबीसी भाई-बहनों  को कहना चाहता हूं कि कांग्रेस के इरादे नेक नहीं है, संविधान और सामाजिक न्याय के अनुरूप नहीं है , भारत की बिन सांप्रदायिकता के अनुरूप नहीं है। अगर आपके आरक्षण की कोई रक्षा कर सकता है, तो सिर्फ और सिर्फ भारतीय जनता पार्टी कर सकती है। इसलिए आप भारतीय जनता पार्टी को भारी समर्थन दीजिए। ताकि कांग्रेस की एक न चले, किसी राज्य में भी वह कोई हरकत ना कर सके। इतनी ताकत आप मुझे दीजिए। ताकि मैं आपकी रक्षा कर सकूं। 

साथियों!

कांग्रेस की नजर! सिर्फ आपके आरक्षण पर ही है ऐसा नहीं है। बल्कि कांग्रेस की नज़र आपकी कमाई पर, आपके मकान-दुकान, खेत-खलिहान पर भी है। कांग्रेस के शहज़ादे का कहना है कि ये देश के हर घर, हर अलमारी, हर परिवार की संपत्ति का एक्स-रे करेंगे। हमारी माताओं-बहनों के पास जो थोड़े बहुत गहने-ज़ेवर होते हैं, कांग्रेस उनकी भी जांच कराएगी। यहां सरगुजा में तो हमारी आदिवासी बहनें, चंदवा पहनती हैं, हंसुली पहनती हैं, हमारी बहनें मंगलसूत्र पहनती हैं। कांग्रेस ये सब आपसे छीनकर, वे कहते हैं कि बराबर-बराबर डिस्ट्रिब्यूट कर देंगे। वो आपको मालूम हैं ना कि वे किसको देंगे। आपसे लूटकर के किसको देंगे मालूम है ना, मुझे कहने की जरूरत है क्या। क्या ये पाप करने देंगे आप और कहती है कांग्रेस सत्ता में आने के बाद वे ऐसे क्रांतिकारी कदम उठाएगी। अरे ये सपने मन देखो देश की जनता आपको ये मौका नहीं देगी। 

साथियों, 

कांग्रेस पार्टी के खतरनाक इरादे एक के बाद एक खुलकर सामने आ रहे हैं। शाही परिवार के शहजादे के सलाहकार, शाही परिवार के शहजादे के पिताजी के भी सलाहकार, उन्होंने  ने कुछ समय पहले कहा था और ये परिवार उन्हीं की बात मानता है कि उन्होंने कहा था कि हमारे देश का मिडिल क्लास यानि मध्यम वर्गीय लोग जो हैं, जो मेहनत करके कमाते हैं। उन्होंने कहा कि उनपर ज्यादा टैक्स लगाना चाहिए। इन्होंने पब्लिकली कहा है। अब ये लोग इससे भी एक कदम और आगे बढ़ गए हैं। अब कांग्रेस का कहना है कि वो Inheritance Tax लगाएगी, माता-पिता से मिलने वाली विरासत पर भी टैक्स लगाएगी। आप जो अपनी मेहनत से संपत्ति जुटाते हैं, वो आपके बच्चों को नहीं मिलेगी, बल्कि कांग्रेस सरकार का पंजा उसे भी आपसे छीन लेगा। यानि कांग्रेस का मंत्र है- कांग्रेस की लूट जिंदगी के साथ भी और जिंदगी के बाद भी। जब तक आप जीवित रहेंगे, कांग्रेस आपको ज्यादा टैक्स से मारेगी। और जब आप जीवित नहीं रहेंगे, तो वो आप पर Inheritance Tax का बोझ लाद देगी। जिन लोगों ने पूरी कांग्रेस पार्टी को पैतृक संपत्ति मानकर अपने बच्चों को दे दी, वो लोग नहीं चाहते कि एक सामान्य भारतीय अपने बच्चों को अपनी संपत्ति दे। 

भाईयों-बहनों, 

हमारा देश संस्कारों से संस्कृति से उपभोक्तावादी देश नहीं है। हम संचय करने में विश्वास करते हैं। संवर्धन करने में विश्वास करते हैं। संरक्षित करने में विश्वास करते हैं। आज अगर हमारी प्रकृति बची है, पर्यावरण बचा है। तो हमारे इन संस्कारों के कारण बचा है। हमारे घर में बूढ़े मां बाप होंगे, दादा-दादी होंगे। उनके पास से छोटा सा भी गहना होगा ना? अच्छी एक चीज होगी। तो संभाल करके रखेगी खुद भी पहनेगी नहीं, वो सोचती है कि जब मेरी पोती की शादी होगी तो मैं उसको यह दूंगी। मेरी नाती की शादी होगी, तो मैं उसको दूंगी। यानि तीन पीढ़ी का सोच करके वह खुद अपना हक भी नहीं भोगती,  बचा के रखती है, ताकि अपने नाती, नातिन को भी दे सके। यह मेरे देश का स्वभाव है। मेरे देश के लोग कर्ज कर करके जिंदगी जीने के शौकीन लोग नहीं हैं। मेहनत करके जरूरत के हिसाब से खर्च करते हैं। और बचाने के स्वभाव के हैं। भारत के मूलभूत चिंतन पर, भारत के मूलभूत संस्कार पर कांग्रेस पार्टी कड़ा प्रहार करने जा रही है। और उन्होंने कल यह बयान क्यों दिया है उसका एक कारण है। यह उनकी सोच बहुत पुरानी है। और जब आप पुरानी चीज खोजोगे ना? और ये जो फैक्ट चेक करने वाले हैं ना मोदी की बाल की खाल उधेड़ने में लगे रहते हैं, कांग्रेस की हर चीज देखिए। आपको हर चीज में ये बू आएगी। मोदी की बाल की खाल उधेड़ने में टाइम मत खराब करो। लेकिन मैं कहना चाहता हूं। यह कल तूफान उनके यहां क्यों मच गया,  जब मैंने कहा कि अर्बन नक्सल शहरी माओवादियों ने कांग्रेस पर कब्जा कर लिया तो उनको लगा कि कुछ अमेरिका को भी खुश करने के लिए करना चाहिए कि मोदी ने इतना बड़ा आरोप लगाया, तो बैलेंस करने के लिए वह उधर की तरफ बढ़ने का नाटक कर रहे हैं। लेकिन वह आपकी संपत्ति को लूटना चाहते हैं। आपके संतानों का हक आज ही लूट लेना चाहते हैं। क्या आपको यह मंजूर है कि आपको मंजूर है जरा पूरी ताकत से बताइए उनके कान में भी सुनाई दे। यह मंजूर है। देश ये चलने देगा। आपको लूटने देगा। आपके बच्चों की संपत्ति लूटने देगा।

साथियों,

जितने साल देश में कांग्रेस की सरकार रही, आपके हक का पैसा लूटा जाता रहा। लेकिन भाजपा सरकार आने के बाद अब आपके हक का पैसा आप लोगों पर खर्च हो रहा है। इस पैसे से छत्तीसगढ़ के करीब 13 लाख परिवारों को पक्के घर मिले। इसी पैसे से, यहां लाखों परिवारों को मुफ्त राशन मिल रहा है। इसी पैसे से 5 लाख रुपए तक का मुफ्त इलाज मिल रहा है। मोदी ने ये भी गारंटी दी है कि 4 जून के बाद छत्तीसगढ़ के हर परिवार में जो बुजुर्ग माता-पिता हैं, जिनकी आयु 70 साल हो गई है। आज आप बीमार होते हैं तो आपकी बेटे और बेटी को खर्च करना पड़ता है। अगर 70 साल की उम्र हो गई है और आप किसी पर बोझ नहीं बनना चाहते तो ये मोदी आपका बेटा है। आपका इलाज मोदी करेगा। आपके इलाज का खर्च मोदी करेगा। सरगुजा के ही करीब 1 लाख किसानों के बैंक खाते में किसान निधि के सवा 2 सौ करोड़ रुपए जमा हो चुके हैं और ये आगे भी होते रहेंगे।

साथियों, 

सरगुजा में करीब 400 बसाहटें ऐसी हैं जहां पहाड़ी कोरवा परिवार रहते हैं। पण्डो, माझी-मझवार जैसी अनेक अति पिछड़ी जनजातियां यहां रहती हैं, छत्तीसगढ़ और दूसरे राज्यों में रहती हैं। हमने पहली बार ऐसी सभी जनजातियों के लिए, 24 हज़ार करोड़ रुपए की पीएम-जनमन योजना भी बनाई है। इस योजना के तहत पक्के घर, बिजली, पानी, शिक्षा, स्वास्थ्य, कौशल विकास, ऐसी सभी सुविधाएं पिछड़ी जनजातियों के गांव पहुंचेंगी। 

साथियों, 

10 वर्षों में भांति-भांति की चुनौतियों के बावजूद, यहां रेल, सड़क, अस्तपताल, मोबाइल टावर, ऐसे अनेक काम हुए हैं। यहां एयरपोर्ट की बरसों पुरानी मांग पूरी की गई है। आपने देखा है, अंबिकापुर से दिल्ली के ट्रेन चली तो कितनी सुविधा हुई है।

साथियों,

10 साल में हमने गरीब कल्याण, आदिवासी कल्याण के लिए इतना कुछ किया। लेकिन ये तो सिर्फ ट्रेलर है। आने वाले 5 साल में बहुत कुछ करना है। सरगुजा तो ही स्वर्गजा यानि स्वर्ग की बेटी है। यहां प्राकृतिक सौंदर्य भी है, कला-संस्कृति भी है, बड़े मंदिर भी हैं। हमें इस क्षेत्र को बहुत आगे लेकर जाना है। इसलिए, आपको हर बूथ पर कमल खिलाना है। 24 के इस चुनाव में आप का ये सेवक नरेन्द्र मोदी को आपका आशीर्वाद चाहिए, मैं आपसे आशीर्वाद मांगने आया हूं। आपको केवल एक सांसद ही नहीं चुनना, बल्कि देश का उज्ज्वल भविष्य भी चुनना है। अपनी आने वाली पीढ़ियों का भविष्य चुनना है। इसलिए राष्ट्र निर्माण का मौका बिल्कुल ना गंवाएं। सर्दी हो शादी ब्याह का मौसम हो, खेत में कोई काम निकला हो। रिश्तेदार के यहां जाने की जरूरत पड़ गई हो, इन सबके बावजूद भी कुछ समय आपके सेवक मोदी के लिए निकालिए। भारत के लोकतंत्र और उज्ज्वल भविष्य के लिए निकालिए। आपके बच्चों की गारंटी के लिए निकालिए और मतदान अवश्य करें। अपने बूथ में सारे रिकॉर्ड तोड़नेवाला मतदान हो। इसके लिए मैं आपसे प्रार्थना करता हूं। और आग्राह है पहले जलपान फिर मतदान। हर बूथ में मतदान का उत्सव होना चाहिए, लोकतंत्र का उत्सव होना चाहिए। गाजे-बाजे के साथ लोकतंत्र जिंदाबाद, लोकतंत्र जिंदाबाद करते करते मतदान करना चाहिए। और मैं आप को वादा करता हूं। 

भाइयों-बहनों  

मेरे लिए आपका एक-एक वोट, वोट नहीं है, ईश्वर रूपी जनता जनार्दन का आर्शीवाद है। ये आशीर्वाद परमात्मा से कम नहीं है। ये आशीर्वाद ईश्वर से कम नहीं है। इसलिए भारतीय जनता पार्टी को दिया गया एक-एक वोट, कमल के फूल को दिया गया एक-एक वोट, विकसित भारत बनाएगा ये मोदी की गारंटी है। कमल के निशान पर आप बटन दबाएंगे, कमल के फूल पर आप वोट देंगे तो वो सीधा मोदी के खाते में जाएगा। वो सीधा मोदी को मिलेगा।      

भाइयों और बहनों, 

7 मई को चिंतामणि महाराज जी को भारी मतों से जिताना है। मेरा एक और आग्रह है। आप घर-घर जाइएगा और कहिएगा मोदी जी ने जोहार कहा है, कहेंगे। मेरे साथ बोलिए...  भारत माता की जय! 

भारत माता की जय! 

भारत माता की जय!