Inaugurates multiple development projects worth over Rs 860 crores
“Rajkot is recognized as the growth engine of Saurashtra”
“I always try to repay the debt that I owe to Rajkot”
“We came with a guarantee of ‘Sushasan’ and we are fulfilling it”
“Both neo-middle class and middle class are the government’s priority”
“Expansion of air services has given new heights to India’s aviation sector”
“Ease of living and quality of life is among the top priorities for the government”
“Today, the RERA law is preventing lakhs of people from being robbed of their money”
“Today, inflation is increasing at the rate of 25-30 percent in our neighboring countries. But this is not the case in India”

আপনারা সবাই কেমন আছেন? সব কিছু ভালো তো?

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র ভাই প্যাটেল জি, আমার মন্ত্রিসভার সদস্য শ্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিজয় রুপানি জি, সিআর প্যাটেল জি।

বন্ধুগণ, 

বিজয় এই মুহূর্তে আমার কানে কানে বলে গেল এবং আমিও রাজকোটে বিশাল সমাবেশ লক্ষ্য করছি। সাধারণত কেউই দিনের এই সময় রাজকোটে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা ভাবে না। তাও আবার সপ্তাহে কাজের দিনে, বিকেলে। যাই হোক, আমি দেখতে পারছি বিশাল জনসমাগম এবং মানুষ এত বেশি সংখ্যায় এসেছে যে রাজকোট আজ তা সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। অন্যথায় আমরা বছরের বছর দেখে এসেছি যে রাত ৮টার পর সেখানে যে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। কারণ রাজকোটের মানুষের বিকেলে ভাতঘুমের প্রয়োজন হয়। 

আজ রাজকোটের পাশাপাশি সমগ্র সৌরাষ্ট্র এবং গুজরাটের জন্য খুবই উল্লেখযোগ্য দিন। তবে, শুরুতেই আমি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে চাই। কয়েকদিন আগে এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছিল এবং বন্যাও ধ্বংসলীলা চালিয়েছিল। এই সঙ্কটের সময় আবারও জনগণ এবং সরকার একযোগে এর মোকাবিলা করেছে। ভূপেন্দ্র ভাইয়ের সরকার যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করার জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করেছে। রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় সব ধরণের সাহায্য ও সহযোগিতা করেছে কেন্দ্রীয় সরকারও।

 

ভাই ও বোনেরা,

বছরের পর বছর ধরে আমরা রাজকোটকে সব দিক থেকে উন্নতিলাভ করতে দেখেছি। এখন রাজকোটকে সৌরাষ্ট্রের উন্নয়নের চালিকাশক্তি হিসেবেও স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এখানে শিল্প, ব্যবসা, সংস্কৃতি, খাদ্যের মতো একাধিক জিনিসের প্রাচুর্য রয়েছে। কিন্তু এখানে কিছু জিনিস ছিল না এবং আপনারা সবাই আমার কাছে বরাবর সেই দাবিই করতেন। সেই দাবি আজ পূরণ হয়েছে। 

কিছুক্ষণ আগে আমি নবনির্বিত বিমানবন্দরে ছিলাম। আমিও অনুভব করেছি আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আনন্দ। আমি সবসময় বলি রাজকোট সেই জায়গা যা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এখান থেকে আমি প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছি। রাজকোট সেই জায়গা যা আমার রাজনৈতিক যাত্রার সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল। আর তাই আমি রাজকোটের কাছে চির ঋণী। আমিও সেই ঋণ একটু একটু করে শোধ করছি। 

আজ রাজকোট এক নতুন এবং বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পেয়েছে। এখন রাজকোট থেকে দেশের এমনকি বিশ্বের যে কোনো শহরে যাওয়া যাবে। এই বিমাবন্দর থেকে শুধু যাতায়াত সহজ হবে না, সমগ্র অঞ্চলের শিল্প উপকৃত হবে। প্রথম দিকে যখন আমি মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম, তখন আমার তেমন অভিজ্ঞতা ছিল না। একবার আমি বলেছিলাম, “এটি মিনি জাপানে পরিণত হচ্ছে”। তখন আমাকে অনেকেই ব্যঙ্গ করেছিলেন। কিন্তু আজ আপনারা প্রমাণ করেছেন, আমার কথা সত্যি ছিল। 

বন্ধুগণ, 

এখন এখানকার কৃষকদের ফল ও শাকসব্জি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং দেশের বাইরের মান্ডিতে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে। অর্থাৎ রাজকোট শুধু একটি বিমানবন্দর নয়, একটি পাওয়ার হাউজ পেয়েছে, যা সমগ্র অঞ্চলের উন্নয়নে এক নতুন শক্তি এবং নতুন ডানা মেলবে। 

আজ সৌনী যোজনার আওতায় একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলি সম্পন্ন হলে সৌরাষ্ট্রের কয়েক ডজন গ্রামের কৃষকদের জন্য সেচ ও পানীয় জলের সুবিধা মিলবে। এর পাশাপাশি আমরা আজ এখানে রাজকোটের উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধনের সুযোগ পেয়েছি। আমি এইসমস্ত প্রকল্পের জন্য আপনাদের সকলকে অভিনন্দন জানাই।

বন্ধুগণ, 

বিগত ৯ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার সমাজের প্রতিটি স্তর এবং প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে। আমরা সুশাসনের নিশ্চয়তা দিয়েছি। আজ আমরা সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করছি। দরিদ্র, দলিত, অনগ্রসর শ্রেণী হোক বা আদিবাসী সমাজ সবার জীবনকে উন্নত করার জন্য আমরা নিরলস কাজ করছি। 

আমাদের সরকারের প্রচেষ্টায় আজ দেশে দারিদ্র্য দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমাদের সরকারের শাসনকালে ৫ বছরে ১৩.৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। অর্থাৎ আজ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে ভারতে একটি নব্য – মধ্যবিত্ত, একটি নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণী তৈরি হচ্ছে। এই কারণেই আমাদের সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে মধ্যবিত্ত, নব্য – মধ্যবিত্ত মূলত সমগ্র মধ্যবিত্ত শ্রেণী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। 

 

বন্ধুগণ, 

২০১৪ সালের আগে মধ্যবিত্তদের খুব সাধারণ অভিযোগের কথা মনে করার চেষ্টা করুন। লোকেরা অভিযোগ করতেন, যে খারাপ যোগাযোগের কারণে তাঁদের যাতায়াতে অনেক সময় নষ্ট হতো। কেউ কেউ বিদেশে গিয়ে টিভিতে বিদেশী চলচ্চিত্র দেখে ভাবতেন, আমাদের দেশেও কবে এমন ব্যবস্থা হবে? কবে এমন রাস্তা তৈরি হবে? এই ধরণের বিমানবন্দর কবে নির্মিত হবে? আগে বিদ্যালয় এবং অফিসে যাতায়াতের অসুবিধা হত এবং ব্যবসা-বাণিজ্য করতেও সমস্যার মধ্যে পড়তে হতো। বিগত ৯ বছরে আমরা এই সমস্যা সমাধানের জন্য সম্ভাব্য সবধরণের প্রচেষ্টা চালিয়েছি। ২০১৪ সালে মাত্র চারটি শহরে মেট্রো যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল। আজ দেশের ২০টিরও বেশি শহরে মেট্রো যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। আজ বন্দে ভারতের মতো আধুনিক ট্রেন দেশের ২৫টি ভিন্ন রুটে চলছে। ২০১৪ সালে দেশে প্রায় ৭০টি বিমানবন্দর ছিল। এখন সেই সংখ্যাও বেড়েছে এবং দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

বিমান পরিষেবার সম্প্রসারণে ভারতে বিমান চলাচল ক্ষেত্র বিশ্বে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ ভারতীয় কোম্পানিগুলি লক্ষ কোটি টাকায় নতুন বিমান কিনছে। আজ ১ হাজার নতুন বিমানের বরাত দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে ২ হাজার বিমানের বরাত দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনারা স্মরণ করতে পারেন? আমার মনে আছে, যে গুজরাট নির্বাচনের সময় আমি আপনাদের বলেছিলাম – “সেই দিন আর বেশি দূরে নেই, যখন গুজরাটও বিমান তৈরি করবে।” আজ গুজরাট সেই দিকে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।

 

ভাই ও বোনেরা,

সহজ জীবনযাপন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আমাদের সরকার সব থেকে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছে। এর আগে দেশের মানুষকে যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল, আমরা তা ভুলতে পারিনি। বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের বিল পরিশোধের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হতো। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হতো। আপনি যদি বীমা বা পেনশন পেতে চাইতেন, তবে তো আরও সমস্যা সম্মুখীন হতে হতো। এমনকি কর জমা দিতেও অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হতো। আমরা ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মধ্য দিয়ে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করেছি। আগে ব্যাঙ্কে গিয়ে কাজ করতে অনেক সময় ব্যয় করতে হতো। আজ ব্যাঙ্ক আপনার মোবাইল ফোনে চলে এসেছে। অনেকের হয়তো মনে থাকবে না, যে তারা শেষ কবে ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন, কারণ এখন সেখানে যাওয়ার আর প্রয়োজন নেই। 

বন্ধুগণ, 

সেইসব দিনগুলির কথা মনে করার চেষ্টা করুন, যখন কর দাখিল করাও এক বড় সমস্যা ছিল। আপনাকে কাউকে খুঁজতে হতো এবং এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দৌড়তে হতো, এটাই ছিল ব্যবস্থা। আজ আপনি খুব সহজেই অনলাইনে কর দাখিল করতে পারবেন। যদি টাকা ফেরত হয়, তাহলে কয়েকদিনের মধ্যে সেই টাকা সরাসরি আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে আসবে। আগে এই টাকা ফেরত পেতে কয়েক মাস সময় লাগতো। 

বন্ধুগণ, 

মধ্যবিত্ত মানুষের নিজস্ব ঘরের অধিকার পাওয়ার বিষয়ে বিগত সরকারের কোনো তৎপরতা ছিল না। আমরা দরিদ্রদের জন্য ঘর নিশ্চিত করেছি এবং মধ্যবিত্তদের একটি বাড়ির স্বপ্ন পূরণে কাজ করেছি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় আমরা বাড়ি তৈরিতে সাহায্যের জন্য মধ্যবিত্ত পরিবারকে বিশেষ ভর্তুকি দিয়েছি। এর আওতায় যেসমস্ত পরিবারের বার্ষিক আয় ১৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এপর্যন্ত দেশের ৬ লক্ষের বেশি মধ্যবিত্ত পরিবার এই প্রকল্পের বিশেষ সুবিধা পেয়েছে। এখানে গুজরাটে ৬০ হাজারেরও বেশি পরিবার কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে।

বন্ধুগণ, 

আগের সরকার যখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল, আমরা প্রায় বাড়ি-ঘর নিয়ে একটা না একটা দুর্নীতির কথা শুনতাম। বছরের পর বছর ধরে বাড়ির মালিকানাও দেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে কোনো আইন ছিল না। প্রশ্ন করার কেউ ছিল না। কিন্তু আমাদের সরকার জনগণের স্বার্থরক্ষা করে আরইআরএ আইন প্রণয়ন করেছে। আরইআরএ আইনের কারণে আজ লক্ষ লক্ষ মানুষ তাঁদের টাকা লুট হওয়া থেকে রক্ষা পাচ্ছেন। 

 

ভাই ও বোনেরা, 

আজ যখন দেশে এত কাজ হচ্ছে এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কিছু মানুষের তাতে সমস্যা হওয়াই খুব স্বাভাবিক। যারা সবসময় দেশের মানুষকে তাদের প্রয়োজনে নিজেদের অনুকূলে রাখতে চান, যারা দেশের মানুষের চাহিদা ও আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত ছিল না, তারাই আজ দেশের মানুষের স্বপ্ন পূরণ হতে দেখতে নারাজ। 

আর সেজন্যই দেখতে পারছেন, আজকাল এই দুর্নীতিগ্রস্ত এবং পরিবারতন্ত্ররাও তাদের দলের নামও পাল্টে ফেলেছে। চেহারা একই, পাপ একই, পদ্ধতি একই, কিন্তু দলের নাম বদলে গেছে। তাদের কাজের ধরনও একই। তাদের উদ্দেশ্যও একই। মধ্যবিত্তরা যখন কম দামে কিছু পায় তখন তারা বলে যে কৃষক ফসলের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। কৃষক বেশি দাম পেলে মুদ্রাস্ফীতিকে দায়ী করে। তারা দ্বৈত রাজনীতির আশ্রয় নিচ্ছে।

সুতরাং, মুদ্রাস্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে অতীতে তাদের ভূমিকা কি ছিল? তারা যখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল তখন মুদ্রাস্ফীতির হার ১০ শতাংশে পৌঁছেছিল। আমাদের সরকার যদি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ না করত তাহলে আজ ভারতে জিনিসপত্রের দাম হত আকাশছোঁয়া। আগের সরকার ক্ষমতায় থাকলে আজকে দুধ লিটার পিছু ৩০০ এবং ডাল প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হতো। শিশুদের বিদ্যালয় খরচ থেকে শুরু করে যাতায়াতের ভাড়া সবকিছুই আকাশচুম্বী হয়ে যেতো। 

কিন্তু বন্ধুরা, আমাদের সরকার করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলা সত্ত্বেও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। বর্তমানে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতি ২৫-৩০ শতাংশ হারে বেড়েছে। কিন্তু ভারতে তা হয়নি। আমরা সম্পূর্ণ সংবেদনশীলতার সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবো।

ভাই ও বোনেরা,

দরিদ্র এবং মধ্যবিত্তের খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি আমাদের সরকার মধ্যবিত্তের পকেটে যাতে সর্বোচ্চ সঞ্চয় থাকে তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে। আপনি হয় তো মনে রাখবেন, ৯ বছর আগে পর্যন্ত ২ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয়ের উপর কর ধার্য ছিল। আপনি আজ ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করলেও কত টাকা কর দিতে হয়? শূন্য! ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ের উপর কোনো কর নেই। এতে শহরে বসবাসকারী মধ্যবিত্ত পরিবারে প্রতি বছর হাজার হাজার টাকা সাশ্রয়ে সাহায্য করেছে। আমরা স্বল্প সঞ্চয়ে উচ্চ সুদের হার নিশ্চিত করার বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছি। এই বছর ইপিএফও-এর জন্য ৮.২৫ শতাংশ সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বন্ধুগণ, 

আমাদের সরকারের নীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে আপনার অর্থ কিভাবে সাশ্রয় হচ্ছে তার একটি উদাহরণ হল মোবাইল ফোন। সম্ভবত আপনি লক্ষ্য করেননি আজ ধনী অথবা দরিদ্র, বেশিরভাগ মানুষের কাছে একটি ফোন রয়েছে। আজ প্রত্যেক ভারতীয় গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ২০ জিবি করে ডেটা ব্যবহার করেন। আপনি কি জানেন, ২০১৪ সালে ১ জিবি ডেটার দাম কত ছিল? ২০১৪ সালে ১ জিবি ডেটার জন্য আপনাকে ৩০০ টাকা খরচ করতে হতো। বিগত সরকার যদি আজ ক্ষমতায় থাকতো তাহলে মোবাইল বিলের জন্য আপনাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৬ হাজার টাকা খরচ করতে হতো। সেখানে আজ আপনি ২০ জিবি ডেটার জন্য মাত্র ৩০০-৪০০ টাকা খরচ করছেন। অর্থাৎ আজ সাধারণ মানুষ তাদের মোবাইল বিলে প্রতি মাসে প্রায় ৫ হাজার টাকা সাশ্রয় করছে।

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকার প্রবীণ নাগরিক, বৃদ্ধ বাবা-মা এবং দাদু-দিদার পরিবারকেও সাহায্য করছে, যাঁদের নানা অসুস্থতার জন্য নিয়মিত ওষুধ কেনার প্রয়োজন। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে এতে প্রচুর সাশ্রয় হচ্ছে। আগে এইসমস্ত মানুষদের বাজারে বেশি দামে ওষুধ কিনতে হতো। তাঁদের সমস্যা সমাধানে আমরা জন ঔষধি কেন্দ্রে সস্তায় ওষুধ বিক্রি শুরু করেছি। এই কেন্দ্রগুলির কারণে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। গরিবদের জন্য সংবেদনশীল সরকার, মধ্যবিত্তদের জন্য সংবেদনশীল সরকার, সাধারণ নাগরিকের পকেটে যাতে চাপ না পরে সেজন্য একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছে।

ভাই ও বোনেরা,

এখানে আমাদের সরকার গুজরাট এবং সৌরাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য সম্পূর্ণ সংবেদনশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। গুজরাট ও সৌরাষ্ট্র ভালো করেই জানে যে জলের অভাব বলতে কি বোঝায়। সৌরাষ্ট্র দেখেছে, সৌনী যোজনার আগে কি পরিস্থিতি ছিল এবং সৌনী যোজনার পরে কি পরিবর্তন ঘটেছে। কয়েকডজন বাঁধ, হাজার হাজার চেক ড্যাম আজ সৌরাষ্ট্রে জলের উৎস হয়ে উঠেছে। হর ঘর জল যোজনার আওতায় গুজরাটের কোটি কোটি পরিবার এখন নলবাহিত জল পাচ্ছে।

বন্ধুগণ, 

এই সুশাসনের মডেল যা আমরা সফলভাবে দেশে ব্যবহার করছি। সাধারণ মানুষের সেবা, চাহিদা পূরণে বিগত ৯ বছরে একের পর এক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমনই এই সুশাসন যেখানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণী এবং প্রতিটি পরিবারের চাহিদা ও আশা-আকাঙ্ক্ষা বিবেচনা করা হয়। এটি আমাদের উন্নত ভারত গড়ার পথ। এই পথে হাঁটতে হাঁটতে ‘অমৃত কাল’-এর সংকল্প পূরণ করতে হবে। 

আমার সৌরাষ্ট্রের মানুষ, গুজরাটের রাজকোটের মানুষ, একটি নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সহ বেশ কিছু প্রকল্পের উপহার পেয়েছেন। বহু মানুষ এখানে এসেছেন। আমি এই সমস্ত প্রকল্পের জন্য আপনাদের অভিনন্দন জানাই। আপনাদের সকলকে আমার শুভেচ্ছা। আমি দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী যে ভূপেন্দ্র ভাইয়ের সরকার আপনাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কোনো খামতি রাখবে না। 

আরও একবার আমি আমার হৃদয় অন্তঃস্থল থেকে আপনাদের স্বাগত, ভালোবাসা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

আপনাদের অনেক ধন্যবাদ!

প্রধানমন্ত্রীর মূল ভাষণটি হিন্দি এবং কিছু অংশ গুজরাটি ভাষায় ছিল।

 

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
Indian Air Force’s Made-in-India Samar-II to shield India’s skies against threats from enemies

Media Coverage

Indian Air Force’s Made-in-India Samar-II to shield India’s skies against threats from enemies
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
New India is finishing tasks at a rapid pace: PM Modi
February 25, 2024
Dedicates five AIIMS at Rajkot, Bathinda, Raebareli, Kalyani and Mangalagiri
Lays foundation stone and dedicates to nation more than 200 Health Care Infrastructure Projects worth more than Rs 11,500 crore across 23 States /UTs
Inaugurates National Institute of Naturopathy named ‘Nisarg Gram’ in Pune
Inaugurates and dedicates to nation 21 projects of the Employees’ State Insurance Corporation worth around Rs 2280 crores
Lays foundation stone for various renewable energy projects
Lays foundation stone for New Mundra-Panipat pipeline project worth over Rs 9000 crores
“We are taking the government out of Delhi and trend of holding important national events outside Delhi is on the rise”
“New India is finishing tasks at rapid pace”
“I can see that generations have changed but affection for Modi is beyond any age limit”
“With Darshan of the submerged Dwarka, my resolve for Vikas and Virasat has gained new strength; divine faith has been added to my goal of a Viksit Bharat”
“In 7 decades 7 AIIMS were approved, some of them never completed. In last 10 days, inauguration or foundation stone laying of 7 AIIMS have taken place”
“When Modi guarantees to make India the world’s third largest economic superpower, the goal is health for all and prosperity for all”

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

मंच पर उपस्थित गुजरात के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्रीमान भूपेंद्र भाई पटेल, केंद्र में मंत्रिपरिषद के मेरे सहयोगी मनसुख मांडविया, गुजरात प्रदेश भारतीय जनता पार्टी के अध्यक्ष और संसद में मेरे साथी सी आर पाटिल, मंच पर विराजमान अन्य सभी वरिष्ठ महानुभाव, और राजकोट के मेरे भाइयों और बहनों, नमस्कार।

आज के इस कार्यक्रम से देश के अनेक राज्यों से बहुत बड़ी संख्या में अन्य लोग भी जुड़े हैं। कई राज्यों के माननीय मुख्यमंत्री, माननीय गवर्नर श्री, विधायकगण, सांसदगण, केंद्र के मंत्रीगण, ये सब इस कार्यक्रम में वीडियो कांफ्रेंसिंग से हमारे साथ जुड़े हैं। मैं उन सभी का भी हृदय से बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं।

एक समय था, जब देश के सारे प्रमुख कार्यक्रम दिल्ली में ही होकर रह जाते थे। मैंने भारत सरकार को दिल्ली से बाहर निकालकर देश के कोने-कोने तक पहुंचा दिया है और आज राजकोट पहुंच गए। आज का ये कार्यक्रम भी इसी बात का गवाह है। आज इस एक कार्यक्रम से देश के अनेकों शहरों में विकास कार्यों का लोकार्पण और शिलान्यास होना, एक नई परंपरा को आगे बढ़ा रहा है। कुछ दिन पहले ही मैं जम्मू कश्मीर में था। वहां से मैंने IIT भिलाई, IIT तिरुपति, ट्रिपल आईटी DM कुरनूल, IIM बोध गया, IIM जम्मू, IIM विशाखापट्टनम और IIS कानपुर के कैंपस का एक साथ जम्‍मू से लोकार्पण किया था। और अब आज यहां राजकोट से- एम्स राजकोट, एम्स रायबरेली, एम्स मंगलगिरी, एम्स भटिंडा, एम्स कल्याणी का लोकार्पण हुआ है। पांच एम्स, विकसित होता भारत, ऐसे ही तेज गति से काम कर रहा है, काम पूरे कर रहा है।

साथियों,

आज मैं राजकोट आया हूं, तो बहुत कुछ पुराना भी याद आ रहा है। मेरे जीवन का कल एक विशेष दिन था। मेरी चुनावी यात्रा की शुरुआत में राजकोट की बड़ी भूमिका है। 22 साल पहले 24 फरवरी को ही राजकोट ने मुझे पहली बार आशीर्वाद दिया था, अपना MLA चुना था। और आज 25 फरवरी के दिन मैंने पहली बार राजकोट के विधायक के तौर पर गांधीनगर विधानसभा में शपथ ली थी, जिंदगी में पहली बार। आपने तब मुझे अपने प्यार, अपने विश्वास का कर्जदार बना दिया था। लेकिन आज 22 साल बाद मैं राजकोट के एक-एक परिजन को गर्व के साथ कह सकता हूं कि मैंने आपके भरोसे पर खरा उतरने की पूरी कोशिश की है।

आज पूरा देश इतना प्यार दे रहा है, इतने आशीर्वाद दे रहा है, तो इसके यश का हकदार ये राजकोट भी है। आज जब पूरा देश, तीसरी बार-NDA सरकार को आशीर्वाद दे रहा है, आज जब पूरा देश, अबकी बार-400 पार का विश्वास, 400 पार का विश्वास कर रहा है। तब मैं पुन: राजकोट के एक-एक परिजन को सिर झुकाकर नमन करता हूं। मैं देख रहा हूं, पीढ़ियां बदल गई हैं, लेकिन मोदी के लिए स्नेह हर आयु सीमा से परे है। ये जो आपका कर्ज है, इसको मैं ब्याज के साथ, विकास करके चुकाने का प्रयास करता हूं।

साथियों,

मैं आप सबकी भी क्षमा चाहता हूं, और सभी अलग-अलग राज्यों में माननीय मुख्यमंत्री और वहां के जो नागरिक बैठे हैं, मैं उन सबसे भी क्षमा मांगता हूं क्योंकि मुझे आज आने में थोड़ा विलंब हो गया, आपको इंतजार करना पड़ा। लेकिन इसके पीछे कारण ये था कि आज मैं द्वारका में भगवान द्वारकाधीश के दर्शन करके, उन्हें प्रणाम करके राजकोट आया हूं। द्वारका को बेट द्वारका से जोड़ने वाले सुदर्शन सेतु का लोकार्पण भी मैंने किया है। द्वारका की इस सेवा के साथ-साथ ही आज मुझे एक अद्भुत आध्यात्मिक साधना का लाभ भी मिला है। प्राचीन द्वारका, जिसके बारे में कहते हैं कि उसे खुद भगवान श्रीकृष्ण ने बसाया था, आज वो समुद्र में डूब गई है, आज मेरा सौभाग्य था कि मैं समुद्र के भीतर जाकर बहुत गहराई में चला गया और भीतर जाकर मुझे उस समुद्र में डूब चुकी श्रीकृष्‍ण वाली द्वारका, उसके दर्शन करने का और जो अवशेष हैं, उसे स्पर्श करके जीवन को धन्य बनाने का, पूजन करने का, वहां कुछ पल प्रभु श्रीकृष्ण का स्मरण करने का मुझे सौभाग्य मिला। मेरे मन में लंबे अर्से से ये इच्छा थी कि भगवान कृष्ण की बसाई उस द्वारका भले ही पानी के भीतर रही हो, कभी न कभी जाऊंगा, मत्था टेकुंगा और वो सौभाग्य आज मुझे मिला। प्राचीन ग्रंथों में द्वारका के बारे में पढ़ना, पुरातत्वविदों की खोजों को जानना, ये हमें आश्चर्य से भर देता है। आज समंदर के भीतर जाकर मैंने उसी दृश्य को अपनी आंखों से देखा, उस पवित्र भूमि को स्पर्श किया। मैंने पूजन के साथ ही वहां मोर पंख को भी अर्पित किया। उस अनुभव ने मुझे कितना भाव विभोर किया है, ये शब्दों में बताना मेरे लिए मुश्किल है। समंदर के गहरे पानी में मैं यही सोच रहा था कि हमारे भारत का वैभव, उसके विकास का स्तर कितना ऊंचा रहा है। मैं समुद्र से जब बाहर निकला, तो भगवान श्रीकृष्ण के आशीर्वाद के साथ-साथ मैं द्वारका की प्रेरणा भी अपने साथ लेकर लाया हूं। विकास और विरासत के मेरे संकल्पों को आज एक नई ताकत मिली है, नई ऊर्जा मिली है, विकसित भारत के मेरे लक्ष्य से आज दैवीय विश्वास उसके साथ जुड़ गया है।

साथियों,

आज भी यहां 48 हज़ार करोड़ से ज्यादा के प्रोजेक्ट्स आपको, पूरे देश को मिले हैं। आज न्यू मुंद्रा-पानीपत पाइपलाइन प्रोजेक्ट का शिलान्यास हुआ है। इससे गुजरात से कच्चा तेल सीधे हरियाणा की रिफाइनरी तक पाइप से पहुंचेगा। आज राजकोट सहित पूरे सौराष्ट्र को रोड, उसके bridges, रेल लाइन के दोहरीकरण, बिजली, स्वास्थ्य और शिक्षा सहित अनेक सुविधाएं भी मिली हैं। इंटरनेशनल एयरपोर्ट के बाद, अब एम्स भी राजकोट को समर्पित है और इसके लिए राजकोट को, पूरे सौराष्‍ट्र को, पूरे गुजरात को बहुत-बहुत बधाई! और देश में जिन-जिन स्‍थानों पर आज ये एम्स समर्पित हो रहा है, वहां के भी सब नागरिक भाई-बहनों को मेरी तरफ से बहुत-बहुत बधाई।

साथियों,

आज का दिन सिर्फ राजकोट और गुजरात के लिए ही नहीं, बल्कि पूरे देश के लिए भी ऐतिहासिक है। दुनिया की 5वीं बड़ी अर्थव्यवस्था का हेल्थ सेक्टर कैसा होना चाहिए? विकसित भारत में स्वास्थ्य सुविधाओं का स्तर कैसा होगा? इसकी एक झलक आज हम राजकोट में देख रहे हैं। आज़ादी के 50 सालों तक देश में सिर्फ एक एम्स था और भी दिल्ली में। आज़ादी के 7 दशकें में सिर्फ 7 एम्स को मंजूरी दी गई, लेकिन वो भी कभी पूरे नहीं बन पाए। और आज देखिए, बीते सिर्फ 10 दिन में, 10 दिन के भीतर-भीतर, 7 नए एम्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। इसलिए ही मैं कहता हूं कि जो 6-7 दशकों में नहीं हुआ, उससे कई गुना तेजी से हम देश का विकास करके, देश की जनता के चरणों में समर्पित कर रहे हैं। आज 23 राज्यों और केंद्र शासित प्रदेशों में 200 से अधिक हेल्थ केयर इंफ्रास्ट्रक्चर प्रोजेक्ट्स का भी शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। इनमें मेडिकल कॉलेज हैं, बड़े अस्पतालों के सैटेलाइट सेंटर हैं, गंभीर बीमारियों के लिए इलाज से जुड़े बड़े अस्पताल हैं।

साथियों,

आज देश कह रहा है, मोदी की गारंटी यानि गारंटी पूरा होने की गारंटी। मोदी की गारंटी पर ये अटूट भरोसा क्यों है, इसका जवाब भी एम्स में मिलेगा। मैंने राजकोट को गुजरात के पहले एम्स की गारंटी दी थी। 3 साल पहले शिलान्यास किया और आज लोकार्पण किया- आपके सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने पंजाब को अपने एम्स की गारंटी दी थी, भटिंडा एम्स का शिलान्यास भी मैंने किया था और आज लोकार्पण भी मैं ही कर रहा हूं- आपके सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने यूपी के रायबरेली को एम्स की गारंटी दी थी। कांग्रेस के शाही परिवार ने रायबरेली में सिर्फ राजनीति की, काम मोदी ने किया। मैंने रायबरेली एम्स का 5 साल पहले शिलान्यास किया और आज लोकार्पण किया। आपके इस सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने पश्चिम बंगाल को पहले एम्स की गारंटी दी थी, आज कल्याणी एम्स का लोकार्पण भी हुआ-आपके सेवक ने गारंटी पूरी कर दी। मैंने आंध्र प्रदेश को पहले एम्स की गारंटी दी थी, आज मंगलगिरी एम्स का लोकार्पण हुआ- आपके सेवक ने वो गारंटी भी पूरी कर दी। मैंने हरियाणा के रेवाड़ी को एम्स की गारंटी दी थी, कुछ दिन पहले ही, 16 फरवरी को उसकी आधारशिला रखी गई है। यानि आपके सेवक ने ये गारंटी भी पूरी की। बीते 10 वर्षों में हमारी सरकार ने 10 नए एम्स देश के अलग-अलग राज्यों में स्वीकृत किए हैं। कभी राज्यों के लोग केंद्र सरकार से एम्स की मांग करते-करते थक जाते थे। आज एक के बाद एक देश में एम्स जैसे आधुनिक अस्पताल और मेडिकल कॉलेज खुल रहे हैं। तभी तो देश कहता है- जहां दूसरों से उम्मीद खत्म हो जाती है, मोदी की गारंटी वहीं से शुरू हो जाती है।

साथियों,

भारत ने कोरोना को कैसे हराया, इसकी चर्चा आज पूरी दुनिया में होती है। हम ये इसलिए कर पाए, क्योंकि बीते 10 वर्षों में भारत का हेल्थ केयर सिस्टम पूरी तरह से बदल गया है। बीते दशक में एम्स, मेडिकल कॉलेज और क्रिटिकल केयर इंफ्रास्ट्रक्चर के नेटवर्क का अभूतपूर्व विस्तार हुआ है। हमने छोटी-छोटी बीमारियों के लिए गांव-गांव में डेढ़ लाख से ज्यादा आयुष्मान आरोग्य मंदिर बनाए हैं, डेढ़ लाख से ज्यादा। 10 साल पहले देश में करीब-करीब 380-390 मेडिकल कॉलेज थे, आज 706 मेडिकल कॉलेज हैं। 10 साल पहले MBBS की सीटें लगभग 50 हज़ार थीं, आज 1 लाख से अधिक हैं। 10 साल पहले मेडिकल की पोस्ट ग्रेजुएट सीटें करीब 30 हज़ार थीं, आज 70 हज़ार से अधिक हैं। आने वाले कुछ वर्षों में भारत में जितने युवा डॉक्टर बनने जा रहे हैं, उतने आजादी के बाद 70 साल में भी नहीं बने। आज देश में 64 हज़ार करोड़ रुपए का आयुष्मान भारत हेल्थ इंफ्रास्ट्रक्चर मिशन चल रहा है। आज भी यहां अनेक मेडिकल कॉलेज, टीबी के इलाज से जुड़े अस्पताल और रिसर्च सेंटर, PGI के सैटेलाइट सेंटर, क्रिटिकल केयर ब्लॉक्स, ऐसे अनेक प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण किया गया है। आज ESIC के दर्जनों अस्पताल भी राज्यों को मिले हैं।

साथियों,

हमारी सरकार की प्राथमिकता, बीमारी से बचाव और बीमारी से लड़ने की क्षमता बढ़ाने की भी है। हमने पोषण पर बल दिया है, योग-आयुष और स्वच्छता पर बल दिया है, ताकि बीमारी से बचाव हो। हमने पारंपरिक भारतीय चिकित्सा पद्धति और आधुनिक चिकित्सा, दोनों को बढ़ावा दिया है। आज ही महाराष्ट्र और हरियाणा में योग और नेचुरोपैथी से जुड़े दो बड़े अस्पताल और रिसर्च सेंटर का भी उद्घाटन हुआ है। यहां गुजरात में ही पारंपरिक चिकित्सा पद्धति से जुड़ा WHO का वैश्विक सेंटर भी बन रहा है।

साथियों,

हमारी सरकार का ये निरंतर प्रयास है कि गरीब हो या मध्यम वर्ग, उसको बेहतर इलाज भी मिले और उसकी बचत भी हो। आयुष्मान भारत योजना की वजह से गरीबों के एक लाख करोड़ रुपए खर्च होने से बचे हैं। जन औषधि केंद्रों में 80 परसेंट डिस्काउंट पर दवा मिलने से गरीबों और मध्यम वर्ग के 30 हजार करोड़ रुपए खर्च होने से बचे हैं। यानि सरकार ने जीवन तो बचाया, इतना बोझ भी गरीब और मिडिल क्लास पर पड़ने से बचाया है। उज्ज्वला योजना से भी गरीब परिवारों को 70 हज़ार करोड़ रुपए से अधिक की बचत हो चुकी है। हमारी सरकार ने जो डेटा सस्ता किया है, उसकी वजह से हर मोबाइल इस्तेमाल करने वाले के करीब-करीब 4 हजार रुपए हर महीने बच रहे हैं। टैक्स से जुड़े जो रिफॉर्म्स हुए हैं, उसके कारण भी टैक्सपेयर्स को लगभग ढाई लाख करोड़ रुपए की बचत हुई है।

साथियों,

अब हमारी सरकार एक और ऐसी योजना लेकर आई है, जिससे आने वाले वर्षों में अनेक परिवारों की बचत और बढ़ेगी। हम बिजली का बिल ज़ीरो करने में जुटे हैं और बिजली से परिवारों को कमाई का भी इंतजाम कर रहे हैं। पीएम सूर्य घर- मुफ्त बिजली योजना के माध्यम से हम देश के लोगों की बचत भी कराएंगे और कमाई भी कराएंगे। इस योजना से जुड़ने वाले लोगों को 300 यूनिट तक मुफ्त बिजली मिलेगी और बाकी बिजली सरकार खरीदेगी, आपको पैसे देगी।

साथियों,

एक तरफ हम हर परिवार को सौर ऊर्जा का उत्पादक बना रहे हैं, तो वहीं सूर्य और पवन ऊर्जा के बड़े प्लांट भी लगा रहे हैं। आज ही कच्छ में दो बड़े सोलर प्रोजेक्ट और एक विंड एनर्जी प्रोजेक्ट का शिलान्यास हुआ है। इससे रिन्यूएबल एनर्जी के उत्पादन में गुजरात की क्षमता का और विस्तार होगा।

साथियों,

हमारा राजकोट, उद्यमियों का, श्रमिकों, कारीगरों का शहर है। ये वो साथी हैं जो आत्मनिर्भर भारत के निर्माण में बहुत बड़ी भूमिका निभा रहे हैं। इनमें से अनेक साथी हैं, जिन्हें पहली बार मोदी ने पूछा है, मोदी ने पूजा है। हमारे विश्वकर्मा साथियों के लिए देश के इतिहास में पहली बार एक राष्ट्रव्यापी योजना बनी है। 13 हज़ार करोड़ रुपए की पीएम विश्वकर्मा योजना से अभी तक लाखों लोग जुड़ चुके हैं। इसके तहत उन्हें अपने हुनर को निखारने और अपने व्यापार को आगे बढ़ाने में मदद मिल रही है। इस योजना की मदद से गुजरात में 20 हजार से ज्यादा लोगों की ट्रेनिंग पूरी हो चुकी है। इनमें से प्रत्येक विश्वकर्मा लाभार्थी को 15 हजार रुपए तक की मदद भी मिल चुकी है।

साथियों,

आप तो जानते हैं कि हमारे राजकोट में, हमारे यहाँ सोनार का काम कितना बड़ा काम है। इस विश्वकर्मा योजना का लाभ इस व्यवसाय से जुड़े लोगों को भी मिला है।

साथियों,

हमारे लाखों रेहड़ी-ठेले वाले साथियों के लिए पहली बार पीएम स्वनिधि योजना बनी है। अभी तक इस योजना के तहत लगभग 10 हज़ार करोड़ रुपए की मदद इन साथियों को दी जा चुकी है। यहां गुजरात में भी रेहड़ी-पटरी-ठेले वाले भाइयों को करीब 800 करोड़ रुपए की मदद मिली है। आप कल्पना कर सकते हैं कि जिन रेहड़ी-पटरी वालों को पहले दुत्कार दिया जाता था, उन्हें भाजपा किस तरह सम्मानित कर रही है। यहां राजकोट में भी पीएम स्वनिधि योजना के तहत 30 हजार से ज्यादा लोन दिए गए हैं।

साथियों,

जब हमारे ये साथी सशक्त होते हैं, तो विकसित भारत का मिशन सशक्त होता है। जब मोदी भारत को तीसरे नंबर की आर्थिक महाशक्ति बनाने की गारंटी देता है, तो उसका लक्ष्य ही, सबका आरोग्य और सबकी समृद्धि है। आज जो ये प्रोजेक्ट देश को मिले हैं, ये हमारे इस संकल्प को पूरा करेंगे, इसी कामना के साथ आपने जो भव्‍य स्‍वागत किया, एयरपोर्ट से यहां तक आने में पूरे रास्ते पर और यहां भी बीच में आकर के आप के दर्शन करने का अवसर मिला। पुराने कई साथियों के चेहरे आज बहुत सालों के बाद देखे हैं, सबको नमस्ते किया, प्रणाम किया। मुझे बहुत अच्छा लगा। मैं बीजेपी के राजकोट के साथियों का हृदय से अभिनंदन करता हूं। इतना बड़ा भव्य कार्यक्रम करने के लिए और फिर एक बार इन सारे विकास कामों के लिए और विकसित भारत के सपने को साकार करने के लिए हम सब मिलजुल करके आगे बढ़ें। आप सबको बहुत-बहुत बधाई। मेरे साथ बोलिए- भारत माता की जय! भारत माता की जय! भारत माता की जय!

बहुत-बहुत धन्यवाद!

डिस्क्लेमर: प्रधानमंत्री के भाषण का कुछ अंश कहीं-कहीं पर गुजराती भाषा में भी है, जिसका यहाँ भावानुवाद किया गया है।