দুর্যোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক অগ্রাধিকারের রূপরেখা তুলে ধরেছেন
ভারত ২৯টি দেশকে উপকৃত করে এমন একটি সুনামি সতর্কতা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছে: প্রধানমন্ত্রী
ভারত ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলিকে বৃহৎ মহাসাগরীয় দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তাঁদের দুর্বলতার দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং সমন্বয় জোরদার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
বিপর্যয় থেকে পুনর্নির্মাণের জন্য শিক্ষা এবং সর্বোত্তম অনুশীলনের একটি বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল ভাণ্ডার সমগ্র বিশ্বের জন্য উপকারী হবে: প্রধানমন্ত্রী

মাননীয়গণ,

বিশিষ্ট প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রিয় বন্ধুরা, নমস্কার।

২০২৫-এর বিপর্যয় সহনশীল পরিকাঠামো সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আপনাদের স্বাগত জানাই। এই প্রথম ইউরোপে এই সম্মেলন হচ্ছে। আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ এবং ফরাসী সরকারকে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। রাষ্ট্রসংঘের আসন্ন সামুদ্রিক সম্মেলনকেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। 

বন্ধুগণ,

এই সম্মেলনের বিষয়বস্তু হল, উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভবিষ্যতের উপযোগী প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে তোলা। উপকূলবর্তী অঞ্চল এবং দ্বীপ রাষ্ট্রগুলিতে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সবচেয়ে বেশি থাকে। সাম্প্রতিককালে আমরা ভারত ও বাংলাদেশে সাইক্লোন রেমাল, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে হ্যারিকেন বেরিল, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় টাইফুন ইয়াগির মতো ঘূর্ণিঝড় দেখেছি। এই সব প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে অসংখ্য জীবনহানি এবং সম্পত্তি নষ্টের ঘটনা ঘটেছে। 

বন্ধুগণ,

ভারত ২০০৪ সালে সুনামি দেখেছে। বিশ্বের ২৯টি দেশের জন্য সুনামি সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা সাহায্য করেছি। বিপর্যয় সহনশীল পরিকাঠামো সংক্রান্ত জোট ২৫টি উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করছে। বিপর্যয় প্রতিরোধী ঘরবাড়ি, হাসপাতাল, স্কুল, বিদ্যুৎ, জল, সুরক্ষা এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। আমি খুশি যে, প্রশান্ত মহাসাগরীয়, ভারত মহাসাগর এবং ক্যারিবীয় দ্বীপের দেশগুলির বন্ধুরা এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। 

 

বন্ধুগণ, 

পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিষয়ে আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। 

প্রথম : বিপর্যয় প্রতিরোধ সংক্রান্ত পাঠক্রম এবং দক্ষতার বিকাশকে উচ্চশিক্ষার অংশ করে তোলা হোক। এর ফলে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় দক্ষ কর্মীবাহিনী তৈরি হবে। 

দ্বিতীয় : বহু দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয় এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থার পুনর্নির্মাণ করে। এক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা উপযোগী হতে পারে। 

তৃতীয় : বিপর্যয় প্রতিরোধের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনমূলক অর্থের যোগান প্রয়োজন। এই অর্থ যোগানোর জন্য আমাদের অবশ্যই সক্রিয় কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য অর্থ যোগানের পথ সুগম করতে হবে। 

 

চতুর্থ : উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলিকে আমাদের বৃহৎ সামুদ্রিক দেশ হিসেবে গণ্য করতে হবে। বেশি বিপদের কারণে সেই সব দেশের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। 

পঞ্চম : আগাম সতর্কতা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং সমন্বয় বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে, সঠিক সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং শেষ স্তর পর্যন্ত কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। 

বন্ধুগণ, 

আসুন আমরা এমন এক পরিকাঠামো গড়ে তুলি, যা বিশ্বের ভবিষ্যৎকে মজবুত ও বিপর্যয় প্রতিরোধী গড়ে তুলবে। 

ধন্যবাদ। 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India develops first indigenous expendable turbo jet engine in 350 kg thrust class

Media Coverage

India develops first indigenous expendable turbo jet engine in 350 kg thrust class
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 27 জুলাই 2026
July 27, 2026

Viksit Bharat in Motion: Indigenous Warships, Deepwater Energy, Transparent Exams & Cultural Revival