Sustainable agricultural practices can serve as a model for farmers across the country: PM
Pulses farming not only boosts farmer income but also contributes to the nutritional security of the country: PM
Where water is scarce, millets are a lifeline, the global market for millets is growing rapidly: PM
PM encourages the idea of group farming with focus on selecting high-value crops to enhance production, reduce cost, and gain better access to markets

প্রধানমন্ত্রী- রাম রাম !

কৃষক- রাম রাম ! আমি হরিয়ানার হিসার জেলার। আমি কাবুলি চানা দিয়ে চাষাবাদ শুরু করি...

প্রধানমন্ত্রী- কত বছর আগে আপনি এটা শুরু করেছিলেন? 

কৃষক- এখন থেকে ৪ বছর আগে। আমি প্রতি একর জমিতে প্রায় ১০ কুইন্টাল কাবুলি চানা চাষ করি। 

প্রধানমন্ত্রী- ডালের মতো কিছু মধ্যবর্তী ফসলও রয়েছে।

কৃষক- হ্যাঁ।

প্রধানমন্ত্রী- আপনি কিছুটা বাড়তি শ্রম দিলে অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। এটি দেখে অন্য চাষিরাও ডাল চাষে অনুপ্রাণিত হবেন, এই ভেবে যে, তাঁদের জমিও পুনরুজ্জীবিত হবে। 

কৃষক- হ্যাঁ, আমরাও এটা মনে করি। আমি অন্য কৃষকদের বলি যে, যদি আমরা ছোলার ডালের মতো ডাল চাষ করি, আমরা শুধুমাত্র এই ডালই পাবো না, এর সঙ্গে পরের ফসলও লাভবান হবে। ছোলার ডাল এবং অন্যান্য ডাল থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন তৈরি হয়, যা পরের ফসলকে সমৃদ্ধ করে। 

 

কৃষক- আমার জীবনে এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি একজন অত্যন্ত ভালো প্রধানমন্ত্রী, কৃষকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং একজন সাধারণ মানুষের মতোই। 

কৃষক- আমিও কৃষক উৎপাদক সংস্থা (এফপিও)-র সঙ্গে যুক্ত। পেশাগতভাবে আমি একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কিন্তু আমি ডাল চাষ করি। আমাদের পরিবারের ১৬ বিঘা জমি রয়েছে। সেখানে আমি ছোলার ডাল চাষ করি। আমাদের গ্রামে ২০ জন মহিলাকে নিয়ে আমরা একটি করে দলও তৈরি করেছি। আমরা একসঙ্গে চানা-রসুন-পাঁপড় তৈরি করি। 

প্রধানমন্ত্রী- ওহ্, আপনারা নিজেরা পণ্য তৈরি করেন?

কৃষক- হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ।

প্রধানমন্ত্রী- আপনারা আপনাদের পণ্যের কোনও নাম দিয়েছেন কি?

কৃষক- হ্যাঁ, আমাদের গ্রামে একে দুগারি বলা হয়ে থাকে, তাই আমরা এর নাম দিয়েছি দুগারিওয়ালে। 

প্রধানমন্ত্রী- আচ্ছা।

কৃষক- চানা-রসুন-পাঁপড়ের নাম দেওয়া হয়েছে দুগারিওয়ালে চানা-রসুন-পাঁপড়। 

প্রধানমন্ত্রী- মানুষ কী সেগুলি কেনে?

 

কৃষক- হ্যাঁ স্যার। আমরা সরকারের ই-বিপণন পোর্টাল GeM-এ নাম নথিভুক্ত করেছি। স্যার, সেনাকর্মীরা সেখান থেকে কিনে থাকেন। 

প্রধানমন্ত্রী- এটি কি রাজস্থানজুড়ে পরিচিত?

কৃষক- স্যার, এটি গোটা ভারতে বিক্রি হয়।

প্রধানমন্ত্রী- সত্যি? 

কৃষক- হ্যাঁ।

প্রধানমন্ত্রী- অন্যরাও কী একই ধরনের জিনিস উৎপাদন করছেন?

কৃষক- হ্যাঁ। কিন্তু এটি প্রধানত মহিলারা তৈরি করে থাকেন। 


কৃষক- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা সাক্ষাৎ করবো, এই ভেবে আমরা শিহরিত হচ্ছিলাম। তিনি যখন এলেন, তাঁকে দেখে আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি। এটি ছিল এক অবর্ণনীয় মুহূর্ত। 

কৃষক- আমি ২০১৩-১৪ থেকে ডাল চাষ করছি। আমি এক একরে চাষাবাদ শুরু করেছিলাম এবং তারপর তা ক্রমশ বাড়িয়ে ১৩-১৪ একর জমিতে ছোলার ডাল চাষ করতে থাকি। 

প্রধানমন্ত্রী- হ্যাঁ, অনেক আগেই আপনি এক একর জমিতে ছোলার ডাল এবং অন্যত্র কি অন্য চাষ করতেন?

কৃষক- হ্যাঁ স্যার। 

প্রধানমন্ত্রী- আপনি ধীরে ধীরে জমি বাড়িয়েছেন! 

কৃষক- হ্যাঁ, আমি ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ১৩-১৪ একর করেছি।

প্রধানমন্ত্রী- এতে আপনার আয়ের ওপর কীরকম প্রভাব পড়েছে?

কৃষক- আমার আয় বেড়েছে, কারণ বছরের পর বছর ধরে আমি উন্নতমানের বীজ ব্যবহার করছি এবং উৎপাদন বেড়ে চলেছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী- নিরামিষভোজী মানুষের কাছে ডাল হল প্রোটিনের প্রধান উৎস, তাই নয় কি?

কৃষক- হ্যাঁ স্যার। 

প্রধানমন্ত্রী- এখনকার দিনে আমাদের জমিগুলি ছোট ছোট। সেই কারণে কেউ যখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে, তিনি প্রায়ই নিজেকে একাকী মনে করেন। কিন্তু কল্পনা করুন, যদি ২০০ জন কৃষক একত্রিত হন...

কৃষক- হ্যাঁ।

প্রধানমন্ত্রী- ...এবং ২০০ জন সিদ্ধান্ত নেন যে, তাঁরা মিলিতভাবে ৪০০ বা ৫০০ বিঘা জমিতে একটি বা দুটি বাছাই করা ফসল চাষ করবেন এবং সেগুলিকে বিক্রি করবেন- তাতে কি কৃষকদের আরও বেশি লাভ হবে না?

কৃষক- অবশ্যই স্যার।

কৃষক- আমি বীড জেলা থেকে এসেছি। 

প্রধানমন্ত্রী- কোথা থেকে? বীড জেলা। সেখানে সাধারণত জলের ঘাটতি থাকে, তাই নয় কি?

কৃষক- সেই কারণে স্যার ধনধান্য প্রকল্প চালু করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী- ধন্যবাদ। আপনারা সর্বত্র মিলেটকে তুলে ধরছেন, বাজরা, জোয়ার এবং অন্য পরম্পরাগত শস্যেরও এখন বিশ্বের বাজারে প্রভূত চাহিদা রয়েছে। এমনকি জলের ঘাটতি থাকা জমিতেও কৃষকরা ভালো আয় করতে পারেন।   

কৃষক- আমার এলাকায় আমি অড়হর ডাল চাষ করি। আমি এই ডালের ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তরুণদের কাছেও আবেদন জানিয়েছি। এটি কৃষকদের পক্ষে লাভবান হবে এবং ভাল ব্যবসারও সুযোগ রয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী- আপনারা কি কখনও সারের ব্যবহার কমানোর কথা ভেবেছেন?

কৃষক- হ্যাঁ।

 

প্রধানমন্ত্রী- আমাদের মনে রাখা উচিত, এই পৃথিবী হল আমাদের মা। আমরা যদি এই ধরনের রাসায়নিক তাকে খাওয়াতে থাকি, তবে তিনি কতদিন বাঁচবেন?

কৃষক- হ্যাঁ স্যার, সেটা সত্যি। 

প্রধানমন্ত্রী- যদি একবার কৃষকরা অনুভব করেন যে, তাঁরা তাঁদের সন্তানদের জন্য উর্বর জমি রেখে যাবেন, তবে তাঁরা এর ক্ষতি করবেন না। 

প্রধানমন্ত্রী- আপনারা কি আপনাদের জমির চারপাশে কখনও বেড়া দেওয়ার কথা ভেবেছেন? সাধারণত প্রতিবেশীরা বেড়া দিয়ে থাকেন। এতে জমি নষ্ট হয়। যদি উভয় পক্ষ মিলে সৌর প্যানেল বসান, তবে আপনারা দুই পক্ষই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেন, ব্যবহার করতে পারেন এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারেন।

কৃষক- অত্যন্ত সুন্দর ভাবনা স্যার। এটা সম্ভব...

প্রধানমন্ত্রী- আমরা এখন এর জন্য টাকাও দিয়ে থাকি। 

কৃষক- পশুপালন ও ডেয়ারি মন্ত্রককে ধন্যবাদ। আমরা ৫০% ভর্তুকি পেয়ে থাকি। আগে আমার কয়েকটি গরু ছিল, এখন আমার ২৫০-টির বেশি গির গরু রয়েছে। আজকে আমি কয়েক কোটি টাকার গোশালার মালিক। ২০১০-এ আমি একটি হোটেলে রুম বয় হিসেবে কাজ করতাম।  

প্রধানমন্ত্রী- আপনি কীভাবে এই জায়গায় এলেন? 

কৃষক- সরকারি উদ্যোগের জন্যই এটা পেরেছি। 

প্রধানমন্ত্রী- বিশ্বজুড়ে মৎস্য চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষক- হ্যাঁ স্যার।

প্রধানমন্ত্রী- এক্ষেত্রে ভারতের বিশেষ সুবিধা রয়েছে। 

 

কৃষক- প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা স্টার্টআপের সঙ্গে যুক্ত কৃষকদের কাছে বড় আশা নিয়ে এসেছে। সরাইকেলায় আমি ১২৫টি গরিব আদিবাসী পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে সুসংহত চাষ শুরু করি। 

কৃষক- স্যার আমি সখি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। ২০ জন মহিলাকে নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এখন আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন ৯০,০০০ মহিলা। 

প্রধানমন্ত্রী- ৯০,০০০ !

কৃষক- হ্যাঁ স্যার। দুধ বিক্রি করে এইসব মহিলারা ভালো আয় করেন এবং এ পর্যন্ত আমরা ১৪,০০০-এর বেশি লাখপতি দিদি তৈরি করেছি। 

কৃষক- পিএমএমএসওয়াই প্রকল্পের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা বরফ তৈরি এবং মৎস্য চাষ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত।

প্রধানমন্ত্রী- আপনাদের সঙ্গে কতজন কাজ করেন?

কৃষক- প্রায় ১০০ জন। 

কৃষক- স্যার আমি কাশ্মীর থেকে এসেছি। আমি পিএমএমএসওয়াই প্রকল্প সম্পর্কে জানার পর কাজ করতে শুরু করি। এখন আমার ১৪ জন কর্মী রয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রী- আচ্ছা।

কৃষক- আমি বছরে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা লাভ করি। বাজার খুব ভালো এবং অন্যরাও উপকৃত হচ্ছেন। 

কৃষক- নমস্কার।

প্রধানমন্ত্রী- নমস্কার।

 

কৃষক- স্যার আমি ২০১৪-তে আমেরিকা থেকে ফিরে আসি। আমি ১০ একর জমিতে চাষাবাদ শুরু করি। এখন ৩০০ একরের বেশি জমিতে চাষাবাদ করছি। আমি এফআইডিএফ থেকে উপকৃত হয়েছি। বর্তমানে আমার ২০০ জন কর্মী রয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী- ওহ! খুব ভাল!

কৃষক- স্যার আমি গুজরাটের আমরেলি জেলার ধারী থেকে এসেছি। আমার নাম ভাবনা গোন্ডভিয়া। আমার এফপিও-তে ১৭০০ জন কৃষক রয়েছেন। আমি চার বছর ধরে তাঁদের ২০% ডিভিডেন্ড দিয়ে আসছি। 

প্রধানমন্ত্রী- ১৭০০ কৃষক?

কৃষক- নমস্কার প্রধানমন্ত্রী জি। আমার নাম সুনীল কুমার। আমি রাজস্থানের জয়সলমীর থেকে এসেছি। আমরা প্রধানত জিরা চাষ করে থাকি। আমার এফপিও-তে ১০৩৫ জন কৃষক রয়েছেন। আমরা গুজরাটের বিভিন্ন রপ্তানিকারকদের কাছে জিরা সরবরাহ করে থাকি। 

 

কৃষক- স্যার, আমি কাশ্মীর থেকে এসেছি। আমার নাম ফৈয়জ আহমেদ। আমরা আপেল উৎপাদন করি। 

প্রধানমন্ত্রী- ৬০,০০০ টন ফল, সব্জি এবং ফুল ট্রেনে করে দিল্লিতে পৌঁছয়। 

কৃষক- হ্যাঁ, আমরা দিল্লি এবং অন্যত্র পৌঁছে দিয়ে থাকি।

কৃষক- স্যার, আমার নাম মহম্মদ আসলাম। আমি রাজস্থানের বড়াঁ জেলা থেকে আসছি। আমরা রসুন চাষ করে থাকি। আমাদের রপ্তানির লাইসেন্সও রয়েছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী- আমি একজন তরুণের সঙ্গে কথা বলেছি, যিনি বেসন এবং রসুন থেকে পাঁপড় তৈরি করে থাকেন। 

কৃষক- স্যার, মন কি বাতের মাধ্যমে আপনার সঙ্গে এই মতবিনিময় করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। 

 

কৃষক- আমি বছরে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা লাভ করি। বাজার খুব ভালো এবং অন্যরাও উপকৃত হচ্ছেন। 

কৃষক- নমস্কার।

প্রধানমন্ত্রী- নমস্কার।

কৃষক- স্যার আমি ২০১৪-তে আমেরিকা থেকে ফিরে আসি। আমি ১০ একর জমিতে চাষাবাদ শুরু করি। এখন ৩০০ একরের বেশি জমিতে চাষাবাদ করছি। আমি এফআইডিএফ থেকে উপকৃত হয়েছি। বর্তমানে আমার ২০০ জন কর্মী রয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী- ওহ! খুব ভাল!

কৃষক- স্যার আমি গুজরাটের আমরেলি জেলার ধারী থেকে এসেছি। আমার নাম ভাবনা গোন্ডভিয়া। আমার এফপিও-তে ১৭০০ জন কৃষক রয়েছেন। আমি চার বছর ধরে তাঁদের ২০% ডিভিডেন্ড দিয়ে আসছি। 

প্রধানমন্ত্রী- ১৭০০ কৃষক?

কৃষক- নমস্কার প্রধানমন্ত্রী জি। আমার নাম সুনীল কুমার। আমি রাজস্থানের জয়সলমীর থেকে এসেছি। আমরা প্রধানত জিরা চাষ করে থাকি। আমার এফপিও-তে ১০৩৫ জন কৃষক রয়েছেন। আমরা গুজরাটের বিভিন্ন রপ্তানিকারকদের কাছে জিরা সরবরাহ করে থাকি। 

কৃষক- স্যার, আমি কাশ্মীর থেকে এসেছি। আমার নাম ফৈয়জ আহমেদ। আমরা আপেল উৎপাদন করি। 

 

প্রধানমন্ত্রী- ৬০,০০০ টন ফল, সব্জি এবং ফুল ট্রেনে করে দিল্লিতে পৌঁছয়। 

কৃষক- হ্যাঁ, আমরা দিল্লি এবং অন্যত্র পৌঁছে দিয়ে থাকি।

কৃষক- স্যার, আমার নাম মহম্মদ আসলাম। আমি রাজস্থানের বড়াঁ জেলা থেকে আসছি। আমরা রসুন চাষ করে থাকি। আমাদের রপ্তানির লাইসেন্সও রয়েছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী- আমি একজন তরুণের সঙ্গে কথা বলেছি, যিনি বেসন এবং রসুন থেকে পাঁপড় তৈরি করে থাকেন। 

কৃষক- স্যার, মন কি বাতের মাধ্যমে আপনার সঙ্গে এই মতবিনিময় করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। 

প্রধানমন্ত্রী- খুব ভাল! ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Centre's ₹9,585-cr green scheme for NCR may boost CV replacement demand

Media Coverage

Centre's ₹9,585-cr green scheme for NCR may boost CV replacement demand
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM to visit Surat and Daman on 5th June
June 04, 2026
PM to inaugurate, dedicate to the nation and lay the foundation stone of various development projects worth around ₹18,800 Crore in Surat
PM to dedicate key packages of the 8-Lane Access-Controlled Vadodara-Mumbai Expressway to the nation
PM to lay foundation stone for four-laning of critical sections on NH-56; project to enhance connectivity across tribal regions and boost access to the Statue of Unity
PM to inaugurate, dedicate to the nation and lay the foundation stone of development projects worth around ₹2,970 Crore in Daman
PM to dedicate New Terminal Building of NAMO Airport in Daman
PM to lay foundation stones of port projects worth ₹885 Crore for the UT of Lakshadweep

Prime Minister Shri Narendra Modi will visit Gujarat and Daman on 5th June, 2026. At around 2:30 PM, Prime Minister will visit Hazira in Surat district and review ongoing industrial operations and infrastructure projects. At around 4:15 PM, Prime Minister will inaugurate, dedicate to the nation and lay the foundation stone of various development projects worth around ₹18,800 crore in Surat. He will also address the gathering on the occasion.

Prime Minister will then travel to Daman, where at around 6:15 PM, he will inaugurate the New Terminal Building of NAMO Airport in Daman. This will be followed by the dedication of NAMO Hospital in Daman to the nation. Thereafter, at around 7:15 PM, Prime Minister will inaugurate, dedicate and lay the foundation stone of various development projects worth around ₹2,970 crores in Daman. He will also lay the foundation stone of four important projects for the Union Territory of Lakshadweep worth around ₹885 crore. He will also address the gathering on the occasion.

PM in Surat

Prime Minister will inaugurate, dedicate to the nation and lay the foundation stone of multiple development projects worth over ₹18,800 crore in Surat across the road, power and industrial sectors.

Prime Minister will dedicate Packages VI and VII of the Vadodara-Mumbai Expressway to the nation, enhancing high-speed transportation, logistics efficiency and economic connectivity between Gujarat and Maharashtra. Prime Minister will lay the foundation stone for key infrastructure projects which includes the four-laning of critical sections on NH-56 to enhance connectivity across tribal regions and boost access to the Statue of Unity.

Prime Minister will also inaugurate a 200 bedded ESIC Hospital in Surat, providing modern secondary healthcare across key specialties, backed by a central laboratory and essential ancillary services. It also features 24/7 emergency and trauma care to ensure the timely management of occupational injuries and medical emergencies. Prime Minister will inaugurate critical utility and industrial infrastructure projects, including the Transmission Network Expansion in Gujarat to enhance power evacuation capacity under the Inter-State Transmission System. Prime Minister will also inaugurate several important initiatives of Government of Gujarat, including modern power distribution upgrades under the Revamped Reforms-Based Distribution Sector Scheme in Valsad, advanced effluent disposal and treatment infrastructure at Dahej Petroleum, Chemicals and Petrochemical Investment Region (PCPIR) and Sarigam Gujarat Industrial Development Corporation (GIDC), and essential layout utilities at the Jambusar Bulk Drug Park.

PM in Daman

Prime Minister will inaugurate, dedicate to the nation and lay the foundation stone of development projects worth around ₹2,970 crore in Daman. These projects span various sectors including healthcare, civil aviation, tourism, infrastructure, connectivity and public welfare and are expected to provide a major boost to the overall development of the Union Territory of Dadra and Nagar Haveli and Daman and Diu.

Prime Minister will inaugurate and dedicate projects worth around ₹1,340 crore, including the New Terminal Building of NAMO Airport and NAMO Hospital, among others in Daman. The new airport terminal will significantly enhance regional air connectivity and facilitate economic growth in the region. NAMO Hospital, the district hospital in Daman district, has been developed to cater to nearly 1,500 OPD patients per day and will strengthen access to quality healthcare services for the people.

Prime Minister will also lay the foundation stone of projects worth around ₹1,630 crore. Major projects include the Iconic Bridge, the Daman Convention Centre and the NIFT Campus at Daman, among others. These projects are expected to strengthen modern infrastructure, boost tourism, promote investment, generate employment opportunities and improve the quality of life of the people.

Prime Minister will also lay the foundation stone of important projects for the Union Territory of Lakshadweep worth around ₹885 crore. These projects include Development of Port Facilities on the Eastern and Western Sides of both Kalpeni Island and Kadmat Island. The development of these multipurpose jetties will facilitate year-round berthing of large passenger vessels, including cruise vessels of up to 300 metres in length. The projects will enable safe and efficient passenger and cargo handling and provide integrated facilities for fish handling, fuel distribution, ice supply and boat repair. These initiatives will strengthen maritime connectivity, support the livelihoods of local fishermen, promote tourism and contribute to the socio-economic development of the islands.