অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা থেকে প্রযুক্তি শিল্পকে মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী
নতুন সুযোগ-সুবিধাগুলিকে সদ্ব্যবহারের ক্ষেত্রে তরুণ শিল্পোদ্যোগীদের স্বাধীনতা থাকা প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

নমস্কার!

 

এবার ন্যাসকমের টেকনলজি এবং লিডারশিপ ফোরাম আমার দৃষ্টিতে অত্যন্ত বিশেষ। এটা এমন একটা সময় যখন বিশ্ব ভারতের দিকে আগের থেকে বেশি প্রত্যাশা ও ভরসা নিয়ে তাকিয়ে আছে।

 

আমাদের শাস্ত্রে বলা হয়েছে – “না দৈন্যম না পলায়নম!” অর্থাৎ, সমস্যা যত কঠিন হোক আমাদের নিজেদের দুর্বল ভাবা উচিৎ নয়, আর সমস্যাকে ভয় পেয়ে পালিয়ে যাওয়াও উচিৎ নয়। করোনার সময় ভারতের জ্ঞান-বিজ্ঞান, আমাদের প্রযুক্তি শুধু নিজেকে প্রমাণিত করেনি, নিজেকে বিবর্তিতও করেছে। একটা সময় ছিল যখন আমরা গুটি বসন্তের টিকার জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। এখন এমন সময় এসেছে যখন আমরা বিশ্বের অনেক দেশকে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ করোনা টিকা দিচ্ছি। করোনার সময় ভারত যে সমাধান দিয়েছে তা আজ গোটা বিশ্বের জন্য প্রেরণা। আজ যেভাবে এখন আপনাদের সকলের বক্তব্যে আমি শুনছিলাম, কয়েকজন সিইও যেভাবে বললেন, এতেও স্পষ্ট হয় যে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প দারুণ সাফল্য অর্জন করেছে। যখন অন্যদের প্রযুক্তি কাজ করেনি, তখনও আপনারা সবকিছু সচল রেখেছেন। যখন গোটা দেশ চার দেওয়ালের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল, তখন আপনারা বাড়ি থেকেই শিল্পগুলিকে নির্বিঘ্নে পরিচালনার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বিগত বছরের পরিসংখ্যান বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। আপনাদের ক্ষমতা দেখে সকলে অবাক হয়েছে। ভারতীয়দের কাছে হয়তো এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার।

 

বন্ধুগণ,

 

এমন পরিস্থিতিতে যখন প্রতিটি ক্ষেত্র করোনা দ্বারা প্রভাবিত ছিল, তখনও আপনারা প্রায় ২ শতাংশ ‘গ্রোথ’ অর্জন করেছেন। যখন সারা পৃথিবীতে ‘ডি-গ্রোথ’-এর আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছিল, তখনও ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প তাদের আয়ের ক্ষেত্রে আরও ৪ বিলিয়ন ডলার জুড়েছে যা সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সেজন্য আপনাদের সকলের নেতৃত্বাধীন টিমগুলি অভিনন্দনের অধিকারী। এই সময়ে লক্ষ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প প্রমাণ করেছে যে তারা ভারতের উন্নয়নের শক্তিশালী স্তম্ভ কেন। আজ সমস্ত তথ্য, সমস্ত সূচক এটা দেখাচ্ছে যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের এই ‘গ্রোথ মোমেন্টাম’ নতুন নতুন উচ্চতা স্পর্শ করতে চলেছে।

 

বন্ধুগণ,

 

নতুন ভারত। নতুন ভারতের জন্য প্রত্যেক ভারতবাসী অপেক্ষায় রয়েছে। উন্নয়নের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছে। আমাদের সরকার নতুন ভারতের যুব সম্প্রদায়ের এই ভাবনাকে বোঝে। ১৩০ কোটিরও বেশি ভারতবাসীর আকাঙ্ক্ষা আমাদের দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রেরণা যোগায়। নতুন ভারতের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যাশাগুলি যতটা সরকারের থেকে রয়েছে ততটাই আপনাদের থেকেও রয়েছে, দেশের বেসরকারি ক্ষেত্রের থেকেও রয়েছে।

বন্ধুগণ,

 

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প তাদের নিজস্ব পায়ের ছাপ বিশ্ব মঞ্চে পোক্ত করেছে। গোটা বিশ্ব আমাদের ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের পরিষেবা এবং সমাধান প্রদানের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, নিজেদের অবদান রাখছিলেন। কিন্তু কিছু বিশেষ কারণে এই তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প ভারতের বিশাল দেশীয় বাজার থেকে খুব একটা লাভবান হচ্ছিল না। সেজন্য ভারতে ডিজিটাল বিভাজন ক্রমবর্ধমান ছিল। একভাবে আমি বলতে পারি, প্রদীপের নিচের অন্ধকারের মতো অবস্থা আমাদের সামনে ছিল। আমাদের সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তগুলি সাক্ষী কিভাবে বিগত বছরগুলিতে আমাদের সরকার এই দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলে দিয়েছে।

 

বন্ধুগণ,

 

আমাদের সরকারও এটা খুব ভালোভাবে জানে যে বেঁধে রাখলে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব বিকশিত হতে পারবে না। সেজন্য সরকার টেক-ইন্ডাস্ট্রিকে অনাবশ্যক নিয়মকানুনের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করছে। ন্যাশনাল ডিজিটাল কমিউনিকেশন পলিসি এমনই একটি বড় প্রচেষ্টা। ভারতকে গ্লোবাল সফটওয়্যার প্রোডাক্ট হাব করার জন্যও জাতীয় নীতি রচনা করা হয়েছে। সংস্কারের এই প্রক্রিয়া করোনার সঙ্কটকালেও অবিরাম কাজ করেছে। করোনার সঙ্কটকালেও ‘আদার সার্ভিস প্রোভাইডার’ (ওএসপি) গাউডলাইন্স জারি করা হয়েছে। আপনাদের আলোচনায় কিছুক্ষণ আগেই যে বিষয়টি উল্লেখিত হয়েছে। এর ফলে নতুন পরিস্থিতিতে আপনাদের কাজ করতে সুবিধা হয়েছে। আপনাদের ন্যূনতম বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়েছে। আজও আপনারা, যেভাবে আপনাদের মধ্যে কয়েকজন বন্ধু বললেন যে ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ এখন বাড়ি থেকেই কাজ করছেন। শুধু তাই নয়, কিছু মানুষ তো তাঁদের নিজের গ্রামে বসে কাজ করছেন। দেখুন, এই বিষয়টি নিজেই অত্যন্ত শক্তি অর্জনকারী বিষয়। ১২টি চ্যাম্পিয়ন পরিষেবা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তিকেও সামিল করার ফলে আপনারা লাভবান হতে শুরু করেছেন।

 

বন্ধুগণ,

 

দু’দিন আগেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি সংস্কার করা হয়েছে যাকে আপনারা সবাই স্বাগত জানিয়েছেন। ম্যাপ এবং জিও-স্পেশিয়াল ডেটাকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত করে তাকে শিল্প জগতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটা এমন একটা পদক্ষেপ যা এই ফোরামের এবারের মূল ভাবনা ‘শেপিং দ্য ফিউচার টুওয়ার্ডস আ বেটার নর্মাল’-এর অনুকূল। আমি মনে করি, আপনাদের এই শীর্ষ সম্মেলনের যে কাজ তা অনেকটাই আমাদের সরকার করে দিয়েছে। এটা এমন একটি পদক্ষেপ যা আমাদের টেক স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেমকে সশক্তিকরণ করবে। এটা এমন একটি পদক্ষেপ যা শুধু তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প নয়, আত্মনির্ভর ভারতের ব্যাপক অভিযানকে শক্তিশালী করে তোলে। আমার মনে আছে, আপনাদের মধ্যে অনেক শিল্পোদ্যোগী ম্যাপস এবং জিও-স্পেশিয়াল ডেটা সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ এবং লাল ফিতের ফাঁস সংক্রান্ত অভিযোগ ভিন্ন ভিন্ন ফোরামে কিভাবে তুলে ধরেছেন।

 

এখন একটি কথা বলি, এই সমস্ত বিষয়ের মধ্যে সবথেকে বড় যেটি রেডলাইট দেখাত তা হল নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ। অমুক জিনিসটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে নিরাপত্তা সঙ্কটগ্রস্ত হবে, এই আশঙ্কা বারবার বাধা হয়ে দাঁড়াত। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে সুনিয়ন্ত্রিত করার জন্য আত্মবিশ্বাস একটি বড় শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আর আজ ভারত আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। এর প্রতিফলন আমরা সীমান্তেও দেখতে পাচ্ছি। এ ধরনের সিদ্ধান্ত সম্ভব হয়। এই সিদ্ধান্ত শুধুই প্রযুক্তির আওতাধীন নয়, এই সিদ্ধান্ত শুধুই প্রশাসনিক সংস্কারে সীমাবদ্ধ নয়, এই সিদ্ধান্ত শুধুই সরকারের একটি নীতি-নিয়ম থেকে সরে যাওয়া নয়, এই সিদ্ধান্ত ভারতের সামর্থ্যের পরিচায়ক। ভারত বিশ্বাস করে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও আমরা দেশকে নিরাপদ রাখতে পারব এবং দেশের নবীন প্রজন্মকে বিশ্বে সমস্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য সুযোগও দেব। আমি যখনই আপনাদের মতো বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করতাম তখন আপনাদের এই সমস্যা অনুভব করতাম। আমাদের নবীন শিল্পোদ্যোগীদের, আমাদের স্টার্ট-আপগুলি যাতে বিশ্বে গড়ে ওঠা নতুন নতুন সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যেন সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পায়, এই দৃষ্টিকোণ থেকেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার দেশের নাগরিকদের, আমাদের স্টার্ট-আপগুলিকে এবং আমাদের অধ্যাপকদের ওপর সম্পূর্ণ ভরসা করে। এই ভরসা নিয়েই স্বপ্রত্যয়নকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

 

বন্ধুগণ,

 

বিগত ছয় বছরে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প যত প্রোডাক্ট, যত সমাধান তৈরি করেছে সেগুলিকে আমরা গভর্ন্যান্সের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তুলেছি, বিশেষ করে ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পে ডিজিটাল প্রযুক্তি দেশের সাধারণ মানুষের সশক্তিকরণ করেছে, সরকারের সঙ্গে যুক্ত করেছে। আজ তথ্যকেও গণতন্ত্রীকরণ করা হচ্ছে। আর ‘লাস্ট মাইল সার্ভিস ডেলিভারি’ও প্রভাবিত হয়েছে। আজ কয়েকশ’ সরকারি পরিষেবা অনলাইন সরবরাহ করা হচ্ছে। গভর্ন্যান্সের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির কার্যকরি ব্যবহারের মাধ্যমে গরীব এবং মধ্যবিত্তরা অনেক বেশি উপকৃত হচ্ছেন। পাশাপাশি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেক সাফল্য পাওয়া গেছে। আমাদের ‘ফিনটেক প্রোডাক্টস’ এবং ইউপিআই-এর মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি নিয়েও এখন গোটা বিশ্বে আলোচনা চলছে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক সহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর সামর্থ্য নিয়ে আলোচনা করছে কিভাবে ৩-৪ বছরের মধ্যে একটি হেভিলি ক্যাশ ডিপেন্ডেন্ট সোসাইটি থেকে আমরা লেস ক্যাশ সোসাইটির দিকে এগিয়ে চলেছি এটা আপনাদের সকলের সামনে রয়েছে। ডিজিটাল লেনদেন যত বাড়ছে, কালো টাকার লেনদেনও তত কমছে। জন ধন-আধার-মোবাইল – ত্রয়ী আর ডিবিটি-র ফলে আজ গরীবরা তাঁদের অধিকারের এক একটি পয়সা কোনও ‘লিকেজ’ ছাড়াই পাচ্ছেন।

 

বন্ধুগণ,

 

সুপ্রশাসনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল স্বচ্ছতা। এই পরিবর্তন এখন দেশের শাসন ব্যবস্থায় আসছে। সেজন্যই প্রত্যেক সার্ভেতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর জনগণের ভরসা নিয়মিত মজবুত থেকে আরও মজবুত হচ্ছে। এখন সরকারি কাজকে সরকারি রেজিস্টারের বাইরে বের করে ড্যাশবোর্ডে রাখা হচ্ছে। সরকার এবং সরকারি বিভাগের প্রতিটি কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে দেশের সাধারণ নাগরিক যেন যে কোনও মুহূর্তেই জানতে পারেন, তাঁদের মোবাইল ফোনে দেখতে পারেন সেই প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। সরকার যতটাই কাজ করবে তা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে।

 

বন্ধুগণ,

 

সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে আগে কত অভিযোগ শোনা যেত তা আমরা প্রত্যেকেই জানি। এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকার ই-মার্কেটপ্লেস বা জিইএম-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সবকিছু কিনছে। আজ অধিকাংশ সরকারি টেন্ডার অনলাইন জমা পড়ছে। আমাদের প্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলি থেকে শুরু করে গৃহহীনদের বাড়ি তৈরি করা, প্রতিটি প্রকল্পকে জিও-ট্যাগিং করা হচ্ছে যাতে তা নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যায়। এমনকি, আজ গ্রামের বাড়িগুলিকেও ড্রোনের মাধ্যমে মানচিত্রায়ন করা হচ্ছে। কর সংক্রান্ত মামলাগুলিতেও হিউম্যান ইন্টারফেস ন্যূনতম করা হচ্ছে, ফেসলেস ব্যবস্থা বিকশিত করা হচ্ছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে দ্রুত, সঠিক এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থা প্রদানই ‘ন্যূনতম সরকার অধিকতম প্রশাসন’-এর অপর নাম।

 

বন্ধুগণ,

 

আজ বিশ্বে ভারতীয় প্রযুক্তির যে চিত্র, যে পরিচিতি তা দেখে দেশবাসী আপনাদের কাছে অনেক প্রত্যাশা করে। আপনারা এটা সুনিশ্চিত করেছেন যে আমাদের প্রযুক্তি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ প্রযুক্তি। আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ যে আপনাদের সমাধানের ক্ষেত্রেও এখন ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ছাপ রাখুন। আমরা যদি মাল্টিপল ডোমেইন-এ ইন্ডিয়ান টেকনলজি লিডারশিপকে আরও বাড়াতে পারি, এই গতি আরও বাড়াতে পারি, সেজন্য প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের নতুন মাপদণ্ড তৈরি করতে হবে। আমাদের নিজেদের মধ্যেই প্রতিযোগিতা করতে হবে। বিশ্ব প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উদ্ভাবন এবং বাণিজ্যের পাশাপাশি ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকে ‘কালচার অফ এক্সেলেন্স’ এবং ‘ইনস্টিটিউশন বিল্ডিং’-এর দিকে ততটাই জোর দিতে হবে। এক্ষেত্রে আমার দেশীয় স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠাতাদের জন্য একটি বিশেষ বার্তা রয়েছে। নিজেদের শুধুই ‘ভ্যালুয়েশন্স’ এবং ‘একজিট স্ট্র্যাটেজি’ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখবেন না। আপনারা ভাবুন, কিভাবে নতুন নতুন এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন যা শতাব্দীকাল ধরে চলবে। আপনারা ভাবুন, কিভাবে বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন যা উৎকর্ষের ক্ষেত্রে নতুন উচ্চতা সৃষ্টি করবে। এই দুটি লক্ষ্যের ক্ষেত্রে কোনও সমঝোতা করলে চলবে না। তা না হলে আমাদের সব সময়েই অনুসরণ করে যেতে হবে, কখনই আমরা নেতৃত্ব দিতে পারব না।

 

বন্ধুগণ,

 

এ বছর আমরা স্বাধীনতার ৭৫তম বছরে পদার্পণ করতে চলেছি। এটা নতুন লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত সঠিক সময়। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে কাজ করার সময়। এখন থেকে ২৫-২৬ বছর পর যখন ভারত স্বাধীনতার শততম বছর পালন করবে, ততদিনে আমরা কতগুলি বিশ্বমানের পণ্য তৈরি করব তার ওপর নির্ভর করছে আমরা বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রে কত বিশ্ব নেতা তৈরি করব। একথা মাথায় রেখে আমাদের কাজ করতে হবে। আপনারা লক্ষ্য নির্ধারণ করুন, দেশ আপনাদের সঙ্গে আছে। ভারতের এতবড় জনসংখ্যা আপনাদের বিরাট বড় শক্তি। বিগত মাসগুলিতে আমরা দেখেছি কিভাবে ভারতের জনগণের মনে প্রযুক্তিগত সমাধানের জন্য অস্থিরতা বেড়েছে। মানুষ নতুন নতুন প্রযুক্তিগত সমাধানের জন্য অপেক্ষা করছেন। মানুষ নতুন নতুন পণ্য ব্যবহার করে দেখতে চান বিশেষ করে ভারতীয় প্রয়োগের ওপর তাদের প্রবল উৎসাহ। এই দেশ আত্মনির্ভর হওয়ার সঙ্কল্প নিয়েছে। আপনারাও সেই সঙ্কল্প নিন।

 

বন্ধুগণ,

 

একবিংশ শতাব্দীর ভারতের সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য প্রো-অ্যাক্টিভ টেকনলজিক্যাল সলিউশন্স প্রদান করা তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প, টেক ইন্ডাস্ট্রি, উদ্ভাবক, গবেষক, নবীন মনের মানুষদের অনেক বড় দায়িত্ব। এখন যেমন আমাদের চাষের ক্ষেত্রে জল এবং সারের প্রয়োজন থেকে বেশি ব্যবহার হলে অনেক বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, আমাদের কি এমন স্মার্ট প্রযুক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করতে পারে না যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রত্যেক ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় জল ও সার সম্পর্কে কৃষকদের সচেতন করতে পারে? শুধু প্রযুক্তি নির্মাণ করলে কাজ চলবে না, তাকে ভারতে গণ-ভিত্তিতে অভিযোজন করাতে হবে। এই ধরনের সমাধানের জন্যই আমাদের চেষ্টা করতে হবে, অন্বেষণ করতে হবে। একইরকমভাবে স্বাস্থ্য ও সুস্থতার তথ্যের শক্তি দিয়ে গরীব থেকে গরীব মানুষ কিভাবে লাভবান হবেন, সেজন্যও আজ ভারত আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। টেলি-মেডিসিনকে কার্যকর তোলার ক্ষেত্রেও আপনাদের উন্নত সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছে ভারত।

 

বন্ধুগণ,

 

শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়েও টেক ইন্ডাস্ট্রিকে দেশের জন্য এমন সব সমাধান তৈরি করতে হবে যা দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সুলভে ব্যবহার করতে পারে। আজ দেশে ‘অটল টিঙ্কারিং ল্যাব’ থেকে শুরু করে ‘অটল ইনকিউবেশন সেন্টার’-এ প্রযুক্তির ইন্ধন যোগাতে স্কুল-কলেজেই আবহ গড়ে তোলা হচ্ছে। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের ওপরও সমানভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। এই প্রচেষ্টা শিল্প জগতের সহযোগিতা ছাড়া সফল হবে না। আমি আরেকটি কথা বলব যে আপনারা নিজেদের সিএসআর অ্যাক্টিভিটিজ-এর আউটকামের দিকে আরেকবার জোর দিন। আপনারা যদি নিজেদের সিএসআর অ্যাক্টিভিটিজ-এর লক্ষ্য দেশের পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলির ছেলে-মেয়েদের অগ্রাধিকার দেন, তাহলে আপনারা তাদের অধিকাংশকেই ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে যুক্ত করতে পারবেন, তাদের মনে বিশ্লেষণমূলক চিন্তাভাবনার ক্ষমতা এবং ল্যাটারাল থিঙ্কিং বিকশিত করতে পারবেন। এই সাফল্য দেশে অনেক বড় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। সরকার নিজের দিক থেকে চেষ্টা করছে কিন্তু এতে আপনাদের সহযোগিতা যুক্ত হলে অনেকদূর এগিয়ে যাওয়া যাবে। ভারত ভাবনা-চিন্তার ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই কিন্তু ভারতের চাই সঠিক পরামর্শদাতা ও নেতৃত্ব যাঁরা এই ভাবনাগুলিকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে পারেন।

 

বন্ধুগণ,

 

আত্মনির্ভর ভারতের বড় কেন্দ্রগুলি আজ দেশের টিয়ার-২ টিয়ার-৩ শহরগুলি ঘিরে গড়ে উঠছে। এই ছোট শহরগুলি আজ তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা এবং বিকাশের ক্ষেত্রেও বড় বড় কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। দেশের এই ছোট শহরগুলির নবীন প্রজন্ম অদ্ভূত উদ্ভাবক হিসেবে সাফল্য পাচ্ছেন। সরকারের অগ্রাধিকারও এই ছোট শহরগুলিতে উন্নত পরিকাঠামো নির্মাণ করা যাতে সেখানে বসবাসকারী জনগণের পাশাপাশি আপনাদের মতো শিল্পোদ্যোগীদেরও অসুবিধা না হয়। আপনারা যত বেশি এই ছোট ছোট শহরগুলি ও মফঃস্বলে যাবেন দেশ তত বেশি উন্নত হবে।

 

বন্ধুগণ,

 

আমার দৃঢ় বিশ্বাস আগামী তিনদিনে আপনারা বর্তমান এবং ভবিষ্যতের এ ধরনের সমাধানগুলি নিয়ে অনেক গভীর আলোচনা করবেন। সরকার আগের মতোই আপনাদের পরামর্শ নিয়ে গভীরভাবে ভাবনা-চিন্তা করবে। আমি একটি কথা অবশ্যই বলতে চাইব, গত ১৫ আগস্টে যখন লালকেল্লার প্রাকার থেকে কথা বলছিলাম, আপনারা শুনেছিলেন আমি দেশের সামনে একটা লক্ষ্য রেখেছিলাম যে ১ হাজার দিনের মধ্যে ভারতের ৬ লক্ষ গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের কাজ বাস্তবায়িত করতে হবে। তার মানে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের একটি পরিকাঠামো দেশে দ্রুতগতিতে গড়ে উঠছে। আর আমি যেভাবে পেছনে পড়ে আছি, নির্ধারিত সময়ের আগেই এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হয়ে যেতে পারে। রাজ্যগুলিও আমাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। কিন্তু তারপর যে কাজ সেটা আপনাদের মস্তিষ্কপ্রসূত হবে। এই অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের পরিকাঠামোকে ভারতের দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম মানুষ কিভাবে ব্যবহার করবেন, কিভাবে ইউজার ফ্রেন্ডলি নতুন নতুন প্রোডাক্ট আনবেন, কিভাবে গ্রামের মানুষও সরকার, বাজার, শিক্ষা ও আরোগ্যের সঙ্গে যুক্ত হবেন, এই পরিকাঠামো তাঁদের জীবন পরিবর্তনের একটি বড় পথ কিভাবে খুলে দেবে, সেই কাজ এখন থেকে আপনাদের ছোট ছোট স্টার্ট-আপগুলির মাধ্যমে এমন সব পণ্য নিয়ে আসুন যাতে গ্রামের মানুষ অপটিক্যাল ফাইবারের সুবিধা নিয়ে গ্রামের কমপক্ষে ১০টি প্রয়োজন মেটাতে পারে। গ্রামের শিশুদের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।

 

আপনারা দেখুন কত বড় সুযোগ, কত বড় সুযোগ। আর সেজন্য আমি আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সরকার এই কাজ করছে। আপনারা ঠিক করুন, আমাদের নেতৃত্বকে সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নিতে হবে, প্রত্যেক ক্ষেত্রে নিতে হবে, পূর্ণ সামর্থ্য নিয়ে নিতে হবে। আর এই নেতৃত্বের ভাবনা-চিন্তার মন্থন থেকে যে অমৃত উঠে আসবে তা গোটা দেশের কাজে লাগবে।

 

এই প্রত্যাশা নিয়ে আরেকবার আপনাদের সবাইকে শুভকামনা জানাই।

 

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা!

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Startup India recognises 2.07 lakh ventures, 21.9 lakh jobs created

Media Coverage

Startup India recognises 2.07 lakh ventures, 21.9 lakh jobs created
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM Modi’s speech at public rally in Guwahati, Assam
February 14, 2026
This year’s Budget places strong emphasis on making the North East economically self-reliant: PM Modi in Assam
Assam will continue to move ahead on the path of peace, security and rapid development: PM Modi
The Congress, frustrated after being out of power for ten years, wants to push Assam back into instability: PM’s strong jibe at the opposition
In 70 years of Congress rule, only 3 bridges were built over the Brahmaputra; in the last 10 to 11 years, BJP NDA has completed 5 major bridges: PM in Assam rally

होकोलुके नमोस्कार जोनाइशु….

की खोबोर आपुनलुकोर?…

भाले आसे?…

जॉय आई अहोम..

जॉय आई अहोम…

जॉय आई अहोम !

मैं असम भारतीय जनता पार्टी के सभी कार्यकर्ताओं का हृदय से बहुत-बहुत अभिवादन करता हूं अभिनंदन करता हूं। बड़ी-बड़ी आमसभाएं करने का तो बहुत अवसर मिलता है, जनता-जनार्दन का दर्शन करना उन्हें संबोधित करना, ये लगातार चलता रहता है। लेकिन असम के बूथ लेवल के कार्यकर्ताओं का दर्शन करना, ये मेरे लिए बहुत बड़ा सौभाग्य है। आज भारतीय जनता पार्टी जहां पहुंची है उसका श्रेय उसकी क्रेडिट अगर किसी को मिलती है तो वो सिर्फ और सिर्फ भाजपा के कार्यकर्ताओं को मिलती है। हमारा विश्वास संगठन में है। हम राष्ट्र जीवन में परिवर्तन का आधार संगठन की शक्ति मानते हैं और इसलिए इतनी बड़ी तादाद में जमीन की जड़ों से जुड़े हुए कार्यकर्ताओं का दर्शन करना ये अपने आप में बहुत बड़ा सौभाग्य है। साथियों हमलोग एक ही मंत्र लेकर जीए हैं। हमलोग एक मंत्र को साकार करने के लिए अपने आप को खपा रहे हैं। और वो मंत्र है भारत माता की जय.. दोनों मुट्ठी बंद करके पूरी ताकत से मेरे साथ बोलिए भारत माता की... भारत माता की... भारत माता की... वंदे...वंदे ... वंदे...

यहां इस विशाल कार्यकर्ता सम्मेलन में आए हुए भाजपा के हरेक कार्यकर्ता का हृदय से मैं स्वागत करता हूं अभिनंदन करता हूं। भाजपा में रहते हुए आपने मां भारती की सेवा को...जनता की सेवा को अपना धर्म बनाया है। आप सभी भाजपा कार्यकर्ता ही भाजपा की प्राणवायु है ऑक्सीजन है। भाजपा का कार्यकर्ता...परिश्रम की पराकाष्ठा करता है, और उसके कारण भारतीय जनता पार्टी आगे बढ़ती है। साथियों मैं गर्व से कहता हूं अगर मेरा सबसे बड़ा क्वालिफिकेशन है, मेरी सबसे बड़ी गौरवपूर्ण जीवन की बात है वो यही है कि नरेंद्र मोदी भाजपा का कार्यकर्ता है। और एक भाजपा कार्यकर्ता के तौर पर...मैं असम के अपने सभी कार्यकर्ता और भाइयों और बहनों को और संगठन की शक्ति को सर झुकाकर का नमन करता हूं।

साथियों,

मैं मां आदिशक्ति मां कामाख्या को भी कोटि-कोटि प्रणाम करता हूं। मां कामाख्या की असम पर, असम वासियों पर बहुत कृपा रही है। उनके आशीर्वाद से असम ने, राष्ट्ररक्षा और देश की स्वतंत्रता, देश की संस्कृति को आगे बढ़ाने वाली अनेक संतानें दी हैं। ऐसी ही एक महान संतान, कविन्द्र पुरकायस्थ जी को मैं आज प्रणाम करता हूं। उन्होंने अपना पूरा जीवन असम और समाज की सेवा के लिए समर्पित किया। इसी योगदान को नमन करते हुए...बीजेपी-NDA सरकार को उन्हें पद्म पुरस्कार से सम्मानित करने का सौभाग्य मिला है। वर्ष 2014 के बाद, नॉर्थ ईस्ट के सवा सौ से अधिक महान व्यक्तित्वों को पदम् पुरस्कार मिले हैं। सवा सौ से अधिक... ये दिखाता है कि असम की धरती का, नॉर्थ ईस्ट की धरती का सामर्थ्य कितना बड़ा है। नॉर्थ ईस्ट का यही सामर्थ्य अब विकसित भारत का बहुत बड़ा आधार है।

साथियों,

कुछ दिन पहले ही, देश का बजट आया है। बजट के बाद, असम का, नॉर्थ ईस्ट का मेरा ये पहला दौरा है। जिस नॉर्थ ईस्ट को कांग्रेस ने हमेशा नजरअंदाज किया...हम उस नॉर्थ ईस्ट की भक्ति भाव से सेवा कर रहे हैं। नॉर्थ ईस्ट हमारे लिए अष्टलक्ष्मी है। इस वर्ष का बजट... अष्टलक्ष्मी के लिए बीजेपी-NDA के विजन को और मजबूती देने वाला है। बजट में बहुत अधिक फोकस... नॉर्थ ईस्ट को आर्थिक रूप से आत्मनिर्भर बनाने पर है। इस साल असम को टैक्स की हिस्सेदारी के रूप में... लगभग पचास हज़ार करोड़ रुपए मिलने वाले हैं।

साथियों,

कांग्रेस सरकार के समय असम को कैसे पाई-पाई के लिए तरसा कर रखा जाता था... वो भी आपको याद रखना है। कांग्रेस के समय असम को टैक्स के हिस्से के रूप में सिर्फ 10 हजार करोड़ रुपए मिलते थे। अब भाजपा सरकार में असम को कांग्रेस सरकार के मुकाबले 5 गुना ज्यादा रुपए मिल रहे हैं। अगर मैं पिछले 11 वर्ष की बात करूं..तो असम को तमाम विकास परियोजनाओं के लिए....केंद्र सरकार से साढ़े पांच लाख करोड़ रुपए से अधिक मिले हैं। ये आंकड़ा आपको याद रहेगा… मैं जो आंकड़ा बोल रहा हूं वो आपको याद रहेगा आपको… केंद्र सरकार से साढ़े पांच लाख करोड़ रुपए से अधिक मिले हैं। कितने… कितने.. पीछे से आवाज आनी चाहिए कितने… आप मुझे बताइए...जो कांग्रेस, असम के विकास के लिए पैसे देने से भी बचती हो...वो कांग्रेस क्या असम का विकास कर सकती है? असम का विकास कर सकती है, असम का विकास कर सकती है। आपका भला कर सकती है। … यहां के युवाओं का भला कर सकती है… यहां के किसानों का भला कर सकती है? यहां के गांवों का भला कर सकती है?

साथियों,

इस साल के बजट में...नॉर्थ ईस्ट की कनेक्टिविटी को और अधिक मजबूती देने का काम किया गया है। कनेक्टिविटी बढ़ती है, तो रोजगार के अवसर भी बढ़ते हैं। इसलिए असम में हाइवे और अन्य रोड प्रोजेक्ट्स के लिए...करीब हज़ारों करोड़ रुपए देना तय हुआ है। बजट में जो घोषणा हुई है, उससे असम में टूरिज्म का भी विस्तार होगा। अभी आपने देखा होगा...परीक्षा पे चर्चा का कार्यक्रम गुवाहाटी में हुआ था। हमने ब्रह्मपुत्र नदी में क्रूज पर विद्यार्थियों से चर्चा की थी। आने वाले समय में ब्रह्मपुत्र पर ऐसे ही रिवर टूरिज्म को और बढ़ाया जाएगा। मैं ऐसे ही वहां नहीं गया था। मैं देश को बताना चाहता था कि टूरिज्म के लिए इससे बेहतर जगह नहीं है। आओ ये मेरा आसाम है, ये मेरी ब्रह्मपुत्र है, आइए.. इस बार के बजट में, इसके लिए भी व्यवस्था की गई है।

साथियों,

आज के दिन देश की नज़रें असम पर हैं... सबने देखा कि असम का, नॉर्थ ईस्ट का सामर्थ्य क्या है। थोड़ी देर पहले जब मैं वायुसेना के विमान से मोरान के हाईवे पर उतरा... रनवे पर नहीं, हाईवे पर विमान से उतरा, तो एक नया इतिहास बन गया। कभी नॉर्थ ईस्ट का नाम आते ही लोग सोचते थे… अरे यार छोड़ो.. टूटी फूटी सड़कें, कोई ठिकाना नहीं, निकलें तो पता नहीं कब पहुंचेंगे वो भी एक वक्त था, ये भी एक वक्त है। और आज यहां ऐसे हाईवे बनकर तैयार हो रहे हैं.. जहां सिर्फ गाड़ियां ही नहीं चलतीं… बल्कि हवाई जहाज भी लैंड करते हैं।

साथियों,

आप मुझे बता दीजिए आपके हाईवे पर विमान लैंड हो, ये आपको गर्व हुआ कि नहीं हुआ… गर्व हुआ कि नहीं हुआ… तो अब अपना मोबाइल निकालिए और अपना फ्लैश लाइट ऑन कीजिए आपको गर्व हुआ है ना....? मोबाइल फोन निकालिए और फ्लैश लाइट ऑन कीजिए सबके सब दूर-दूर तक ये गर्व का पल है ये असम का बदलता हुआ मिजाज है हाथ बढ़ाकर ऊपर कर के दिखाइए। आपको गर्व हुआ कि नहीं हुआ… गर्व से मन भर गया कि नहीं भर गया बोलिए भारत माता की…

साथियों,

असम का इतना विकास इसलिए हो रहा है... क्योंकि यहां आप सभी की मेहनत से बीजेपी सरकार बनी है... यहां के नागरिकों ने भाजपा पर भरोसा किया है। आपने मेरा बूथ-सबसे मजबूत … मेरा बूथ- सबसे मजबूत, मेरा बूथ- सबसे मजबूत, की भावना से बूथ बूथ जाकर, एक-एक परिवार को मिलकर, एक-एक मतदाता को मिलकर बीजेपी के हर समर्थक को अपने साथ जोड़ा उन्हें उनके वोट की ताकत का परिचय करवाया । और इस प्रयास से ही, असम में बीजेपी की सरकार बनी। असम के इसी आशीर्वाद के कारण, असम के नागरिकों के वोट के कारण.. यहां लाखों गरीबों के घर बने लाखों परिवारों में शौचालय की व्यवस्था हुई। पीने का साफ पानी उनके घर तक पहुंचा। आप मुझे बताइए… गरीबों को घर मिलता है तो पुण्य मिलता है कि नहीं मिलता है। गरीब के घर टॉयलेट बनता है तो पुण्य मिलता है कि नहीं मिलता है… गरीब के घर में पीने का पानी पहुंचता है तो पुण्य मिलता है कि नहीं मिलता है। इस पुण्य का हकदार कौन है…इस पुण्य का हकदार कौन है… इस पुण्य का हकदार कौन है… इस पुण्य का अधिकार भारतीय जनता पार्टी के बूथ का कार्यकर्ता है। गरीबों को आय़ुष्मान योजना का लाभ मिला, उन्हें सुरक्षा और आत्मविश्वास मिला... इसलिए... इस बार भी आपको ऐसे ही अपने बूथ पर एक-एक वोट पर ध्यान रखना है...रखोगे… अब और कुछ मत करो बस पूरी ताकत बूथ पर लगा दो.. आपका बूथ विजयी होगा...तो बीजेपी विजयी होगी कि नहीं होगी। आपको विजय पाना है तो कहां पाना है, बूथ में विजय पाना है।

साथियों,

आज देश को सिर्फ एक और इमरजेंसी लैंडिंग स्ट्रिप नहीं मिली है... ये इस बात का भी प्रमाण है कि नया भारत, अपनी सुरक्षा के लिए हर तरह से तैयार हो रहा है। आज का भारत ना सिर्फ अपनी सीमाओं को सशक्त कर रहा है, बल्कि देश के दुश्मनों को उनके घर में घुसकर जवाब भी देता है। साथियों, आज ही पुलवामा हमले की बरसी है। मैं इस हमले में जान गंवाने वाले मां भारती के वीर सपूतों को नमन करता हूं। इस आतंकी हमले के बाद भारत ने जिस तरह आतंकियों को सजा दी, वो पूरी दुनिया ने देखा है। और कुछ लोग तो आज भी कांप रहे हैं। अभी आपने भारत की ये शक्ति ऑपरेशन सिंदूर में भी देखी है। लेकिन साथियों, मैं आपसे जानना चाहता हूं... क्या कभी कांग्रेस से हम देशहित के लिए इतनी हिम्मत के साथ फैसले करने की ताकत थी क्या ? वो कर सकते थे क्या। वो ज्यादा से ज्यादा बयान दे सकते हैं। कुछ नहीं कर सकते। जो कांग्रेस भारत को राष्ट्र मानने से भी इनकार करती हो... जो सवाल करते हैं कि मां भारती क्या होती है, जो मां भारती के नाम तक से परहेज करती हो, जो मां भारती के प्रति जरा सा सम्मान तक नहीं दिखाते, वो कांग्रेस कभी भारत का भला नहीं कर सकती। इसलिए कांग्रेस ने कभी देश की सुरक्षा को प्राथमिकता नहीं दी। कांग्रेस की सरकारों के इसी नकारेपन से.... पूरा नॉर्थ ईस्ट, डर और असुरक्षा में जीता था। कांग्रेस ने हमेशा देश को खतरे में डा के रखा। कांग्रेस के समय में जब भी सेना के लिए हथियार खरीदे गए... उसका मतलब होता था- हजारों करोड़ का घोटाला।

साथियों,

आज देश अपनी सेनाओं को मजबूत कर रहा है... भारत अपनी सीमाओं पर शानदार हाईवे, शानदार टनल्स, ऊंचे-ऊंचे ब्रिज, आधुनिक एयरफील्ड्स... ये सब बना रहा है... देश की सुरक्षा बढ़ा रहा है... और इसलिए कांग्रेस बौखलाई हुई है। उनको यही हो रहा है कि मोदी सब कैसे कर लेता है उन बेचारों को नींद नहीं आती… नींद नहीं आती । और जब नींद नहीं आती दो दिन में कुछ भी बोलते रहते हैं। साथियों, आज की कांग्रेस हर उस विचार.. हर उस आतंकी को कंधे पर बिठाती है... जो देश का बुरा सोचता है। जो लोग देश के टुकड़े-टुकड़े करने का सपना देखते हैं... जो लोग, नॉर्थ ईस्ट को भारत से अलग करने के नारे लगाते हैं... वो कांग्रेस के लिए पूजनीय बन चुके हैं। आजादी के समय मुस्लिम लीग ने देश का बंटवारा कराया... अब आज की कांग्रेस... मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस बनकर फिर देश बांटने में जुट गई है। ये एमएमसी है- माओवादी मुस्लिमलीगी कांग्रेस इसलिए आपको कांग्रेस से सावधान रहना है... और असम की जनता को भी सावधान करना है।

साथियों,

यहां जो नौजवान हैं, जो अभी 20-25 वर्ष के हैं... उन्हें कांग्रेस का कुशासन शायद पता नहीं होगा… याद नहीं होगा... कांग्रेस की सरकारें चाहे असम में रही हों या फिर दिल्ली में... उन्होंने असम को अपने हाल पर छोड़ दिया था। आज जब मैं यहाँ ब्रह्मपुत्र के तट पर खड़ा हूं... तो इस महान नदी का ही उदाहरण देता हूं। असम के विकास में... असम के लोगों के जीवन को आसान बनाने में... ब्रह्मपुत्र की बहुत बड़ी भूमिका है। लेकिन कांग्रेस के सत्तर साल के शासन में ब्रह्मपुत्र को पार करना हमेशा बड़ी चुनौती रहा। आज़ादी के बाद से लेकर 2014 तक… और उनके तो प्रधानमंत्री यहां से चुनकर गए थे यानी लगभग सात दशक में कांग्रेस सरकारों ने ब्रह्मपुत्र पर सिर्फ़ तीन पुल बनवाए थे। इतने दशकों में कितने पुल… कितने… आप कल्पना कर सकते हैं कि इतनी विशाल नदी पर, असम की इतनी बड़ी जनसंख्या को जीवन देने वाली नदी पर, सिर्फ तीन पुल बने थे। क्या ऐसी हालत में असम का तेज विकास संभव था ?

मेरे कार्यकर्ता साथियों,

2014 में आपकी मेहनत का परिणाम था कि मुझे भारत सरकार में देश की सेवा का अवसर मिला। उसके 2-3 साल बाद, आप सभी भाजपा कार्यकर्ताओं ने यहां डबल इंजन सरकार बनाई। और इसका नतीजा क्या हुआ? बीते 10-11 वर्षों में... बीजेपी-NDA सरकार ने ब्रह्मपुत्र नदी पर 5 बड़े पुल पूरे कर लिए हैं। ये आंकड़े याद रहेंगे ना? कांग्रेस की 70 साल की सत्ता में, सिर्फ तीन पुल बने थे... लेकिन हमने सिर्फ 10 वर्षों में 5 पुल बनाए हैं... यानि कांग्रेस ने असम को सिर्फ समस्याएं दीं... जबकि बीजेपी ने असम को समाधान दिए हैं।

साथियों,

आज गुवाहाटी के दो हिस्सों को जोड़ने वाले शानदार पुल का भी लोकार्पण हो गया है। इस सेतु का नाम, प्राचीन कामरूप के महाप्रतापी सम्राट... कुमार भास्कर वर्मन जी के नाम पर रखा गया है। ये लोग होते तो अपने परिवार के नाम पर ही चढ़ा देते। यानि ये भास्कर सेतु, असम के आधुनिक इंफ्रास्ट्रक्चर और असम के समृद्ध इतिहास का संगम है। ये इस बात का प्रमाण है... कि बीजेपी तेज़ विकास करती है, और विरासत को भी आगे बढ़ाती है।

साथियों,

इस नए सेतु के बनने से... गुवाहाटी देश का एक बड़ा ग्रोथ सेंटर बनने की दिशा में आगे बढ़ेगा... सिक्स लेन के इस ब्रिज से... नौजवान हो या बुजुर्ग... किसान हो या उद्यमी... सबको फायदा होगा। और मैं आपको एक और बात बता दूं... यहां अभी ऐसे कई सारे पुलों पर काम चल रहा है। जब ये सभी तैयार हो जाएंगे, तो असम और नॉर्थ ईस्ट के विकास को बहुत तेज गति मिलने वाली है।

भाइयों और बहनों,

कांग्रेस के दशकों के कुशासन की सबसे बड़ी वजह रही है- कांग्रेस की तुष्टिकरण की राजनीति...वोट बैंक पॉलिटिक्स। कांग्रेस ने असम को हमेशा वोट के चश्मे से ही देखा... कांग्रेस ने हर वो काम किया, जिससे तुष्टिकरण को बढ़ावा मिले… और हर वो काम रोका, जिससे असम का विकास हो। कांग्रेस के समय..केंद्र सरकार की योजनाओं को असम तक पहुंचने में भी बरसों लग जाते थे। लेकिन साथियों, बीजेपी ने असम के विकास को, नॉर्थ ईस्ट के विकास को...हमेशा प्राथमिकता दी है। बीते 11 वर्षों में देखिए... जब भी कोई नई शुरुआत देश में हुई, तो तुरंत उसका लाभ नॉर्थ ईस्ट को भी मिला। कोई भी विलंब के बिना मिला। देश में सेमी-हाईस्पीड वंदेभारत ट्रेनें लॉन्च हुई... तो असम और नॉर्थ ईस्ट भी इससे शुरुआत में ही कनेक्ट हो गया। अभी कुछ समय पहले देश की पहली स्लीपर वंदेभारत ट्रेन असम से ही शुरू हुई है। जब देश ने तय किया... कि अब सेमीकंडक्टर सेक्टर में तेजी से काम करना है। और असम इस सेक्टर में भी ग्रोथ इंजन बन रहा है... और वो दिन दूर नहीं जब असम की चाय की तरह ही... असम की चाय की तरह ही...असम में बनी चिप्स की भी पूरी दुनिया में चर्चा होगी। चाय से लेकर के चिप्स तक असम की विकास यात्रा दिखाई देती है।

साथियों,

असम का ये प्यार मैं कैसे भूल सकता हूं। लेकिन मैं असम से वादा करता हूं कि आपने जो मुझे प्यार दिया है, उसे ब्याज समेत लौटाउंगा और विकास करके लौटाउंगा। मैं आपको डिजिटल कनेक्टिविटी का भी उदाहरण दूंगा। आप देखिए... कांग्रेस के समय में 3G और 4G टेक्नोलॉजी आई.. .ये टूजी के घोटाले भी आए लेकिन नॉर्थ ईस्ट तक, असम तक उसे तेजी से पहुंचाने के लिए कांग्रेस ने मेहनत ही नहीं की... और जब भाजपा सरकार में 5G टेक्नॉलॉजी आई तो हमने क्या किया? हमने इस टेक्नॉलजी को पूरे असम में, पूरे नॉर्थ ईस्ट में... गांव गांव तक पहुंचाने के लिए काम किया। इस सैचुरेशन अप्रोच के कारण, आज गुवाहाटी के युवाओं को हाई-स्पीड इंटरनेट का लाभ मिल रहा है। और अब असम में NIC डेटा सेंटर की भी शुरुआत हुई है, ये डेटा सेंटर, यहां के नौजवानों को बहुत बड़ा लाभ देने वाला है।

साथियों,

एक और उदाहरण स्वास्थ्य सेवाओं का भी है। कांग्रेस ने दशकों तक AIIMS के विस्तार पर ध्यान नहीं दिया। जब अटल जी की सरकार बनी तो एम्स की संख्या बढ़ाई गई। इसके बावजूद हालत ये थी कि 2014 में देश में सिर्फ 6 एम्स थे। आपने 2014 में मोदी को देश की सेवा का अवसर दिया... और आज देश में एम्स की संख्या बढ़कर 20 से ज्यादा हो चुकी है। बीजेपी सरकार ने एम्स गुवाहाटी का भी निर्माण किया है। इसके अलावा असम में कई मेडिकल कॉलेज और कैंसर हॉस्पिटल भी खोले गए हैं। और कल ही, हमने पीएम राहत स्कीम को भी मंजूरी दी है... देश के किसी भी हिस्से में, अगर कोई भी व्यक्ति किसी दुर्घटना में घायल होता है... तो केंद्र की सरकार की ओर से, उसका डेढ़ लाख रुपये तक का इलाज मुफ्त में कराया जाएगा। एक्सीडेंट के बाद तुरंत मदद मिलने से जान बच जाती है।

साथियों,

यहां आए भाजपा कार्यकर्ताओं में बड़ी संख्या में मेरे युवा बेटे-बेटियों की है...आप याद रखिए...देश में जब मैनेजमेंट और उच्च शिक्षा की बात होती थी...तो असम और नॉर्थ ईस्ट के युवाओं के पास सिर्फ पलायन का ही विकल्प होता था। लेकिन आज देखिए...IIM पालसबारी का नया कैंपस शुरू हो चुका है। IIT गुवाहाटी का भी आधुनिकीकरण हो रहा है। इसके अलावा असम में IARI की भी स्थापना की गई है। ये संस्थान, असम में नए टेक्नॉलजी लीडर्स को तैयार करेगी।

साथियों,

आज केंद्र की बीजेपी-NDA सरकार...देश के छोटे-छोटे शहरों में इलेक्ट्रिक बसों का जाल बिछा रही है। आज ही, मुझे गुवाहाटी में हंड्रेड, सौ इलेक्ट्रिक बसों को हरी झंडी दिखाने का अवसर मिला है। इस वर्ष के बजट में भी पूर्वोदय स्कीम के तहत चार हज़ार इलेक्ट्रिक बसों की घोषणा की गई है। इससे आने वाले समय में बहुत बड़ी संख्या में असम को भी इलेक्ट्रिक बसें मिलने वाली हैं।

साथियों,

कांग्रेस ने असम के साथ एक और बहुत बड़ा अन्याय किया है। कांग्रेस ने असम को अशांत रखा...हिंसा और अलगाव में रखा। आज़ादी के बाद से ही असम, बम-बंदूक, बंद-ब्लॉकेड और कर्फ्यू की चपेट में रहा। और इसकी गुनहगार कांग्रेस ही थी। मुझे याद है जब मैं यहां संगठन का काम करता था तो मैं वापस जाने का भी कार्यक्रम बना के आता था। लेकिन यहा मैं कार्यक्रम नहीं कर पाता था क्यों, क्योंकि कहीं ब्लॉकेड है, कहीं जा नहीं सकते, रास्ते बंद हैं। तो मुझे तो कभी -कभी तो तीन दिन के लिए आया था सात दिन तक वापस नहीं जा पाता था। काम ही नहीं कर पाता था, ये हालत करके रखी थी। लेकिन साथियों भाजपा-एनडीए सरकार, असम में शांति बहाली और तेज विकास का संकल्प लेकर चल रही है। इसलिए जो असम कभी बम धमाकों से गूंजता था...उसी असम में अब शांति की स्थापना हो रही है। जिस असम में हर साल औसतन एक हज़ार से ज़्यादा लोग हिंसा में मारे जाते थे...आज वहां हिंसा की घटनाएं बंद हो रही हैं। पहली बार असम में बोडो, कार्बी, आदिवासी, DNLA, उल्फा ऐसे हर सगंठन से जुड़े साथियों ने बंदूक छोड़कर...देश के संविधान का रास्ता चुना है...शांति और विकास की राह पकड़ी है। लेकिन मेरे कार्यकर्ता साथियों, आपको भूलना नहीं है...10 वर्ष सत्ता से बाहर रहने की वजह से कांग्रेस और ज्यादा जहरीली हो गई है। उनके टॉप लीडर से नीचे तक उनकी जुबान से जहर ही निकलता है। कांग्रेस असम को फिर से अशांति और अराजकता में झोंकना चाहती है। कांग्रेस...असम को घुसपैठियों के हवाले करना चाहती है। आप इनके दिल्ली के नेताओं को देखिए...यहां जो इनके नेता हैं, उनको देखिए...ये सब घुसपैठियों को बचाने में ही लगे हुए हैं। कांग्रेस, असम की असल पहचान को मिटाना चाहती है।

साथियों,

आने वाले पांच साल असम के लिए बहुत महत्वपूर्ण है। इस दौरान ऐसे अनेक प्रोजेक्ट पूरे होने वाले हैं...जो असम की ग्रोथ को नए पंख लगाएंगे...इसलिए यहां डबल इंजन की बीजेपी सरकार बहुत जरूरी है। इसलिए बीजेपी के हर कार्यकर्ता को याद रखना है... असम के तेज विकास के लिए... आको एबार, बीजेपी सोरकार। असम के युवाओं को रोजगार के लिए... आको एबार,बीजेपी सोरकार। असम की बेटियों को नए अवसरों के लिए... आको एबार,बीजेपी सोरकार। असम की पहचान बचाने के लिए... आको एबार, बीजेपी सोरकार।

साथियों,

आज यहां आप सब का ये जोश देखकर, असम की महाविजय का मेरा विश्वास और मजबूत हो गया है। मुझे पूरा भरोसा है, कि इस बार और बड़े बहुमत से…असम में हमारी सरकार की वापसी होने वाली है। लेकिन साथियों, याद रखिएगा... हमें सिर्फ चुनाव ही नहीं जीतना है, हमें निरंतर असम के लोगों का मन भी जीतना है...उनका दिल भी जीतना है। और इसके लिए असम के एक-एक भाजपा कार्यकर्ता को... एक एक पदाधिकारी को, सभी पदाधिकारी को पूरे परिश्रम से काम करना है। जब तक असम में वोटिंग का काम नहीं होता है। जब तक काउंटिंग नहीं होता है, जब तक भाजपा की नई सरकार की शपथ नहीं होती है तब तक, हमें हर दिन अपने क्षेत्र के हर घर में जाना है।.हर घर में, लोगों को मिलकर उनकी आकांक्षा अपेक्षा सुननी है। लोगों को अपने काम बताने हैं, उनके काम आना है। एक एक पन्ना प्रमुख, एक एक बूथ वर्कर को अगले 2 महीने खूब मेहनत करनी है। अगले 2 महीने एक एक घर में, एक-एक असमिया भाई बहन तक...अपनी सरकार के विजन को पहुंचाना है...

साथियों,

असम में तीसरी बार बीजेपी-एनडीए सरकार...असम के तीन गुना विकास का रास्ता बनाएगी। इसलिए हर एक कार्यकर्ता का एक ही मंत्र होना चाहिए- मेरा बूथ...मेरा बूथ... मेरा बूथ.. सबसे मजबूत...मोर बूथ.. मोर बूथ... मोर बूथ

साथियों,

आप मेरा एक और काम करेंगे...? पक्का करेंगे ?... ये सारी बातें याद रखेंगे? पूरी तरह लागू करेंगे ? एक-एक मतदाता तक पहुंचेंगे? उनको बताना मोदी जी आपके लिए ही जी रहे हैं... बताएंगे? बताएंगे? बोलिए भारत माता की... भारत माता की...भारत माता की... बहुत-बहुत धन्यवाद...