India is now the fastest-growing country in the world and Assam has emerged as one of the fastest-growing states in the nation as well: PM
Today, the entire nation is moving forward in unity to build a developed India; the North East has a significant role to play in fulfilling this resolve: PM
Twenty-five years of the 21st century have passed and the next chapter of this century belongs to the East and the North East: PM
Rapid development in any region requires robust connectivity, that is why our government has placed strong emphasis on enhancing connectivity in the North East: PM
We have expanded the AIIMS network and medical colleges across the country. In Assam, dedicated cancer hospitals have also been established: PM
There are conspiracies underway to alter the demographics of border regions, posing a threat to national security. Therefore, a nationwide Demography Mission is being launched: PM

ভারত মাতা কি জয়, ভারত মাতা কি জয়, ভারত মাতা কি জয়! আসামের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মহোদয়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আমার সহকর্মী শ্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল মহোদয়, আসাম সরকারের সকল মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বিধায়ক, অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা যারা অবিরাম বৃষ্টির মধ্যেও আমাদের আশীর্বাদ করতে এখানে এসেছেন - নমস্কার।

রাজ্যের উন্নয়ন যাত্রার এই ঐতিহাসিক দিনে আমি দারাং-এর জনগণ এবং আসামের সকল জনগণকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

বন্ধুগণ,

অপারেশন সিঁদুরের পর গতকালই আমি প্রথমবারের মতো আসামে এসেছি। মা কামাখ্যার আশীর্বাদে, অপারেশন সিঁদুর অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। সেই কারণেই আজ মা কামাখ্যার এই পবিত্র ভূমিতে এসে এক গভীর ঐশ্বরিক অভিজ্ঞতার উপলব্ধি হচ্ছে। আনন্দের সঙ্গে আজ এই অঞ্চলে জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হচ্ছে। জন্মাষ্টমীর এই পবিত্র অনুষ্ঠান উপলক্ষে, আমি আপনাদের সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি লালকেল্লা থেকে যেমন বলেছিলাম যে, মঙ্গলদোই হল সেই স্থান যেখানে সংস্কৃতি, ইতিহাসের গর্ব এবং ভবিষ্যতের আশার সঙ্গম ঘটে। এই অঞ্চলটি আসামের পরিচয়ের কেন্দ্রবিন্দুও। আমরা ভগবান কৃষ্ণকে স্মরণ করেছি এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নীতিতে সুদর্শন চক্রের দৃষ্টিভঙ্গি জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছি।

বন্ধুগণ,

আমি ধন্য যে, এই বীরভূমির সকল মানুষের সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।

ভাই ও বোনেরা,

মাত্র কয়েকদিন আগে, আমরা ভারতরত্ন সুধাকণ্ঠ ভূপেন হাজারিকা’র জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছি। গতকাল, তাঁর সম্মানে আয়োজিত এক বিশাল অনুষ্ঠানে আমার অংশগ্রহণের সুযোগ হয়েছিল। আসামের মহান সন্তানরা, আমাদের পূর্বপুরুষরা, একসময় যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ বিজেপির ডাবল-ইঞ্জিন সরকার সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

 

ভাই ও বোনেরা,

গতকাল, যখন আমি ভূপেন দার জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, তখন মুখ্যমন্ত্রী আমাকে কিছু বলেছিলেন এবং আজ সকালে তিনি আমাকে একটি ভিডিও-ও দেখিয়েছেন। ভিডিওটি দেখে আমি অত্যন্ত  আহত হয়েছি। তিনি আমাকে কংগ্রেস পার্টির সভাপতির বক্তব্যটি দেখিয়েছিলেন। যেদিন ভারত সরকার দেশের এই মহান পুত্র এবং আসামের গর্ব ভূপেন হাজারিকাকে ভারতরত্ন প্রদান করেছিল, সেদিনই কংগ্রেস পার্টির সভাপতি একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তখন আমি এটি লক্ষ্য করিনি, কিন্তু আজ আমি এটি দেখেছি। তিনি বলেছিলেন: "মোদী নৃত্যশিল্পী এবং গায়কদের ভারতরত্ন দিচ্ছেন।"

বন্ধুগণ,

১৯৬২ সালে চীনের সঙ্গে যুদ্ধের পর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের উপর যে ক্ষত তৈরি হয়েছিল এবং পণ্ডিত নেহরুর সেই সময়কার কথাগুলির আঘাত এখনও সারেনি। কংগ্রেস দলের বর্তমান প্রজন্ম সেই ক্ষতগুলিতেই নুন ছিটিয়ে দিচ্ছে। আমি ভগবান শিবের ভক্ত, তাই যতই মন্দ কথা বলুক না কেন, আমি সমস্ত বিষ পান করি। কিন্তু যখন অন্য কাউকে নির্লজ্জভাবে অপমান করা হয়, তখন আমি চুপ করে থাকতে পারি না। বলুন, ভূপেন দাকে ভারতরত্ন দেওয়ার আমার সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল? জোরে বলুন, এটা কি সঠিক ছিল না? যখন কংগ্রেস ভূপেন দাকে ভারতরত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে উপহাস করেছিল, তখন তা কি সঠিক ছিল না ভুল? আসামের পুত্র, ভারতের মহান আত্মাকে যখন কংগ্রেস এইভাবে অপমানিত করে তখন অত্যন্ত কষ্ট হয়।

বন্ধুগণ,

আমি খুব ভালো করেই জানি, কংগ্রেসের সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে এখন আবার আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বলবে, "মোদী আবার কাঁদতে শুরু করেছেন।" কিন্তু আমার কাছে, জনগণই আমার ঈশ্বর, এবং যদি আমার আত্মার কণ্ঠস্বর আমার ঈশ্বরের সামনে না আসে, তাহলে আর কোথা থেকে বেরিয়ে আসবে? তাঁরাই আমার প্রভু, তাঁরাই আমার শ্রদ্ধার পাত্র এবং তাঁরাই আমার রিমোট কন্ট্রোল। আমার আর কোনও রিমোট কন্ট্রোল নেই। এই দেশের ১৪০ কোটি নাগরিকই আমার রিমোট কন্ট্রোল। কিন্তু তাদের অহংকার এমন যে, যখন তথাকথিত "নামদার" (রাজবংশ) "কামদার" (কর্মী) কে তিরস্কার করে, এবং যদি, "কামদার"রা যন্ত্রণায় চিৎকার করে, তাহলে তাদের উপর আরও ভার  চাপিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়, "তোমার কান্নার কোন অধিকার নেই, তাহলে একজন "কামদার" কীভাবে "নামদার" এর সামনে কাঁদতে পারে?" এই ধরনের অহংকার জনজীবনের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আসামের জনগণ, দেশের জনগণ, সঙ্গীতপ্রেমী, শিল্পপ্রেমী এবং যারা ভারতের আত্মার প্রতি নিজেদের উৎসর্গ করেন, তাদের কংগ্রেসের কাছ থেকে অবশ্যই উত্তর চাইতে হবে: কেন তারা ভূপেন দাকে অপমান করল?

 

ভাই ও বোনেরা,

আসামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান ও সংরক্ষণ করা এবং আসামের দ্রুত উন্নয়ন নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এই ডাবল ইঞ্জিন সরকার। আমি দেখতে পাচ্ছি যে, একজন ভাই একটি ছবি এনেছেন, সম্ভবত তিনি এটি আমাকে দিতে চান। আমি এসপিজি কর্মীদের এটি নিতে অনুরোধ করছি। তাঁর কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে আপনার নাম এবং ঠিকানা পিছনে লিখুন, আমি অবশ্যই আপনাকে একটি চিঠি লিখব। আপনি আমার মায়ের একটি সুন্দর ছবিও তৈরি করেছেন। আসামের এই ভালোবাসা আমি কখনই ভুলতে পারব না। আমি একজন যুবককে দেখতে পাচ্ছি যে 'গামোছা' (ঐতিহ্যবাহী অসমীয়া কাপড়) নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। দয়া করে এটি নিন। আমার জন্য, এটি জন্মাষ্টমীর একটি পবিত্র উপহারের মতো। আসামের কোনও দরিদ্র মা অবশ্যই এই 'গামোছা' বুনেছেন। ভাই, এই উপহারের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। দয়া করে এটি তাদের দিন। আমি এটি পাব। আমি অবশ্যই এটি মূল্যবান বলে মনে করব। আরও একটি আছে। সম্ভবত, তিনি এটি হিমন্তকে (মুখ্যমন্ত্রী) দিতে চান। দয়া করে এটিও তাঁকে দিন। এটি সঠিক জায়গায় পৌঁছে যাবে। এই স্নেহের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। দেখুন, ছোট বাচ্চারাও ছবি এনেছে, দয়া করে সংগ্রহ করুন। মানুষ এত ভালোবাসা বর্ষণ করছে। এই ছোট শিশুরা!  এর চেয়ে বড় ভাগ্যের আর কী হতে পারে? ধন্যবাদ বন্ধু, ধন্যবাদ ভাই। তোমরা কি দুই ভাই? না? ওহ, তোমরা দুজনেই কালো টি-শার্ট পরে এসেছো। অনেক ধন্যবাদ বন্ধুরা।

বন্ধুগণ,

আজ আসাম সরকার এবং আসামের জনগণের যৌথ প্রচেষ্টায় দেশ ও বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এই মেয়েটিও কিছু এনেছে, দয়া করে তা গ্রহণ করো। কখনোই একজন মেয়েকে হতাশ করা উচিত নয়। ধন্যবাদ। তুমি কি তোমার নাম পিছনে লিখেছো? যদি তুমি পিছনে তোমার নাম লিখে থাকো, আমি তোমাকে একটি চিঠি লিখবো। তোমার নাম এবং ঠিকানা লিখে রাখো প্রিয়।

বন্ধুগণ,

বর্তমানে, ভারত বিশ্বের দ্রুততম উন্নয়নশীল দেশ এবং আসামও দেশের দ্রুততম উন্নয়নশীল রাজ্যগুলির মধ্যে একটি হয়ে উঠেছে। একটা সময় ছিল যখন আসাম উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে ছিল। দেশের বাকি অংশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছিল না। কিন্তু আজ, আসাম প্রায় ১৩ শতাংশ উন্নয়ন হার নিয়ে এগিয়ে চলেছে। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ, প্রিয়।

বন্ধুগণ,

১৩ শতাংশ উন্নয়ন হার! এ এক বিরাট সাফল্য। এটা আপনাদের সাফল্য। আজ আপনাদের জন্য  হাততালি দেওয়া যাক। সাধারণত, আপনারা আমার জন্য অনেক হাততালি দেন, কিন্তু আজ আমি আপনাদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য হাততালি দিতে চাই। এই সাফল্য আসামের জনগণের নিষ্ঠা এবং বিজেপির ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের যৌথ প্রচেষ্টার ফল। আমি খুশি যে আসামের জনগণ ক্রমাগত এই অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করছে। সেই কারণেই, হিমন্তজি এবং তার দল প্রতিটি নির্বাচনে বারবার বিপুল সমর্থন পাচ্ছে। এমনকি সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচনেও, আসাম আমাদের জন্য এক ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছে। আপনারা আমাদের আশীর্বাদ করছেন।

 

বন্ধুগণ,

বিজেপি সরকার আসামকে ভারতের উন্নয়নের চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। আজকের এই কর্মসূচিও এই অঙ্গীকারেরই একটি অংশ। কিছুক্ষণ আগে, এই মঞ্চ থেকে প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। আমাদের ডাবল-ইঞ্জিন সরকার আসামকে বিভিন্ন রাজ্যগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলছে। এই প্রকল্পগুলি সেই লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালী করবে। দারাং মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মহাসড়ক এবং রিং রোডের জন্য আপনাদের সকলকে অভিনন্দন।

বন্ধুগণ,

সমগ্র জাতি আজ 'বিকশিত ভারত' (উন্নত ভারত) গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে চলেছে। বিশেষ করে আমাদের তরুণ বন্ধুদের জন্য, 'বিকশিত ভারত' একটি স্বপ্ন এবং সংকল্প। এই সংকল্প পূরণে উত্তর-পূর্বের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আপনাদের প্রতি, উত্তর-পূর্বের প্রতি আমার স্নেহ, ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা রয়েছে আমি শুধুমাত্র সেজন্যই একথা বলছি না। আমি এটি বলছি, কারণ এর পিছনে অন্য কারণ রয়েছে। স্বাধীনতার পর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ ভারতে বড় শহর, বড় অর্থনীতি এবং বড় শিল্পগুলি সবই বিকশিত হয়েছিল। এই সময়ে, পূর্ব ভারতের একটি বিশাল অঞ্চল, বিপুল সংখ্যক মানুষ উন্নয়নের দৌঁড়ে পিছিয়ে ছিল। এখন বিজেপি সরকার এই পরিস্থিতির পরিবর্তন করছে। ইতিমধ্যেই, একবিংশ শতাব্দীর ২৫ বছর পেরিয়ে গেছে। কংগ্রেস আমলের পর থেকে আমরা যে শতাব্দীর কথা শুনে আসছি তা ছিল "একবিংশ শতাব্দী আসছে, একবিংশ শতাব্দী আসছে"। আচ্ছা, এই শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ সময় ইতিমধ্যেই চলে গেছে। এখন, একবিংশ শতাব্দীর পরবর্তী পর্যায় পূর্বের, উত্তর-পূর্বের। এখন আপনাদের সময় এসেছে। আসামের সময় এসেছে, উত্তর-পূর্বের সময় এসেছে। আমার তরুণ বন্ধুরা, এখন সময় আপনাদের হাতে। ওহ, এই যে আরেকটি শিশু কিছু নিয়ে আসছে। দয়া করে এটা নিয়ে নিন, ভাই। এখন লোকেরা আমার দুর্বলতা বুঝতে শুরু করেছে। যখন তারা আমার মায়ের ছবি নিয়ে আসে, তখন আমার মন তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো নিতে চায়। আমার সঙ্গে যাঁরা আছেন এটি তাদের কাছে দাও। শুধু পিছনে তোমার নাম এবং ঠিকানা লিখো, আমি এটি সংগ্রহ করে তোমাকে একটি চিঠি লিখব। দয়া করে তার কাছ থেকে এটি নিয়ে এসপিজি কর্মীদের কাছে পৌঁছে দিন।

যেকোনো অঞ্চলের দ্রুত উন্নয়নের জন্য দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা অপরিহার্য। সেই কারণেই আমাদের সরকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর জোর দিয়েছে। সড়ক, রেল এবং বিমানপথের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা হোক বা ৫জি ইন্টারনেট এবং ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল সংযোগ ব্যবস্থা হোক, এটি আপনার জীবনে সুবিধা এনেছে, দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে সহজ করেছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে সহজ করেছে। এই সংযোগ ব্যবস্থা ভ্রমণকে আরও সুবিধাজনক করেছে, পর্যটনকে প্রসারিত করেছে এবং আমাদের এখানে যুবকদের জন্য নতুন চাকরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে।

বন্ধুগণ,

এই বিশাল সংযোগ অভিযান থেকে আসাম অনেক উপকৃত হয়েছে। আমি আপনাদের একটি উদাহরণ দিচ্ছি। স্বাধীনতার পর ছয় দশক ধরে কংগ্রেস দিল্লিতে শাসন করেছে, এবং কয়েক দশক ধরে কংগ্রেস আসামে শাসন করেছে। কিন্তু কংগ্রেস ৬০-৬৫ বছরে ব্রহ্মপুত্রের উপর মাত্র তিনটি সেতু তৈরি করেছে। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে মাত্র তিনটি সেতু! তারপর আপনারা আমাদের আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন এবং মাত্র এক দশকে, আমাদের সরকার ছয়টি বড় সেতু তৈরি করেছে। ছয়টি বড় সেতু! এখন বলুন, এত কাজ সম্পন্ন হলে আপনারা কি খুশি হবেন না? আপনারা কি আমাদের আপনাদের আশীর্বাদ দেবেন না? আপনারা কি আমাদের আপনাদের ভালোবাসা দেবেন না? আপনারা খুশি, তাই না? আমি আরও কাজ করতে চাই। কেবল আপনারা আশীর্বাদ করতে থাকুন। আজ, কুড়ুয়া-নারেঙ্গি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছে। এই সেতুর মাধ্যমে গুয়াহাটি এবং দারাংয়ের মধ্যে দূরত্ব কমে যাবে। এটি সাধারণ মানুষের সময় এবং অর্থ সাশ্রয় করবে, পরিবহন সস্তা করবে, ভ্রমণের সময় কমবে, যানজট সমস্যা কমবে এবং পণ্যের খরচও কমবে।

 

বন্ধুগণ,

নতুন রিং রোডটি আপনাদের জন্য অনেক উপকারী হবে। এটি তৈরি হয়ে গেলে, আপার আসামের দিকে যাওয়া যানবাহনগুলি্র আর শহরে প্রবেশের প্রয়োজন হবে না। এই রিং রোডটি ৫টি জাতীয় মহাসড়ক, ২টি রাজ্য মহাসড়ক, ১টি বিমানবন্দর, ৩টি রেলওয়ে স্টেশন এবং ১টি অভ্যন্তরীণ জল টার্মিনালকে সংযুক্ত করবে। আসামে প্রথমবারের মতো একটি সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্ন মাল্টি-মডেল সংযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। এটি বিজেপির ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়ন মডেল।

বন্ধুগণ,

আমরা জাতিকে কেবল আজকের জন্য নয়, বরং পরবর্তী ২৫-৫০ বছরের চাহিদার পুরণের জন্য প্রস্তুত করছি, কারণ ২০৪৭ সালে যখন ভারত স্বাধীনতার ১০০ বছর উদযাপন করবে, তখন আমাদের দেশকে 'বিকশিত ভারত' হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের এটি আপনাদের জন্য, আপনাদের সন্তানদের জন্য, আমাদের যুবসমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য করতে হবে। এই লক্ষ্যে, আমি লাল কেল্লা থেকে ঘোষণা করেছিলাম যে এখন জিএসটি’তে পরবর্তী পর্যায়ের সংস্কার হবে। আজ, আমি এই সুসংবাদ নিয়ে আপনাদের মাঝে এসেছি। ঠিক ৯ দিন পরে, নবরাত্রির প্রথম দিনে, জিএসটি’র হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। এর ফলে আসাম এবং সমগ্র দেশের প্রতিটি পরিবার উপকৃত হবে। অনেক নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র সস্তা হবে। আমরা সিমেন্টের উপর কর কমিয়েছি, তাই যারা বাড়ি তৈরি করছেন তাদের খরচ কম হবে। ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগের জন্য অনেক ব্যয়বহুল ওষুধের দাম কমবে। বীমা আরও সাশ্রয়ী হবে। যাঁরা মোটরসাইকেল বা নতুন গাড়ি কিনতে চান তাঁরাও কম দামে সেগুলি পাবেন। আজকাল আপনি নিশ্চয়ই অটোমোবাইল কোম্পানিগুলির বিজ্ঞাপন দেখছেন, যেখানে ৬০,০০০ টাকা, ৮০,০০০ টাকা, ১ লক্ষ টাকার ছাড় দেওয়া হয়েছে। তারা প্রায় প্রতিদিনই বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। মা-বোনেরা, যুবক-যুবতী, কৃষক, অথবা দোকানদার যেই হোক না কেন এই জিএসটি’র হার কম হওয়ায় সকলেই উপকৃত হবেন। এই সিদ্ধান্ত আপনাদের উৎসবগুলিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে।

বন্ধুগণ,

এই উৎসবের সময়, আমি চাই যে, আপনারা আমার একটা কথা মনে রাখুন। আমি কি এটা বলতে পারি? আমি কি এটা বলব? আপনারা কি শুনবেন? হাত তুলে বলুন: আমি কি এটা বলব? আপনারা কি এটা অনুসরণ করবেন? দয়া করে, ছোটরা, বসো, ধন্যবাদ। তাঁকে কষ্ট দেবেন না। আমার মনে হয়, সে শারীরিকভাবে অসুস্থ। দয়া করে তাকে ধাক্কা দেবেন না। আমরা তার কাছ থেকে চিঠিটি নিয়ে নেব। ক্যামেরাম্যান, দয়া করে তার চিঠিটি নিন। আপনি চিন্তা করবেন না, বসুন। ভাই, আমি আপনাকে প্রণাম জানাই। দয়া করে তাঁকে কষ্ট দেবেন না। এটা আমার কাছে ঠিক মনে হচ্ছে না। আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ যে এত কষ্টের মধ্যেও আপনি এখানে এসেছেন।

বন্ধুগণ,

এবার আবার হাত তুলে বলুন: আমি যা বলছি তা কি আপনারা  মেনে চলবেন? এভাবে নয়, সবার হাত উপরে থাকা উচিত! আপনি কি অনুসরণ করবেন? আমাকে কথা দিন। বন্ধুরা, শুধু এটা করুন, দেশ অনেক এগিয়ে যাবে। আমি এটা নিজের জন্য চাইছি না, দেশের জন্য চাইছি। আমি এটা আপনাদের সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য চাইছি। তাই, আমি বলছি যে এখন থেকে আপনারা স্বদেশী পণ্যই শুধু কিনবেন। আপনারা কি স্বদেশী পণ্য কিনবেন? আপনারা কি ভারতে তৈরি পণ্য কিনবেন? স্বদেশী বলতে আমার সংজ্ঞা খুবই সহজ: কোম্পানিটি যে দেশ থেকেই আসুক না কেন, যে বিদেশী নামেই আসুক না কেন। যদি এটি ভারতে তৈরি হয়, তবে তা স্বদেশী।  বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আসতে পারে, কিন্তু পরিশ্রম আমার দেশের তরুণদের হওয়া উচিত। আর প্রতিটি ভারতে তৈরি পণ্য ভারতের মাটির সুবাস বহন করবে। আপনারা কি এমন পণ্য কিনবেন? হাত তুলে বলুন যে, আপনারা সেই পণ্যগুলো কিনবেন। যদি কাউকে উপহার দিতে হয়, তাহলে কি তা কেবল স্বদেশী হওয়া উচিত? আর সকল দোকানদারদের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে আপনাদের দোকানে একটি বোর্ড লাগান। আপনারা কি এটা করবেন? আপনাদের গ্রামের প্রতিটি দোকানে একটি বোর্ড লাগান: "গর্বের সঙ্গে বলুন যে এটি স্বদেশী।"

 

স্বদেশীর শক্তির কথা বলি। প্রায় ৫০ বছর আগে, আমি কিছুদিন কন্যাকুমারীতে ছিলাম। আমি সবসময় আমার সঙ্গে একটি 'গামোছা' রাখতাম। আমার ব্যাগে সবসময় তিন-চারটি 'গামোছা' থাকে। আমি কন্যাকুমারীতে আমার কাঁধে একটি 'গামোছা' নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম, এমন সময়  দূর থেকে কিছু মানুষ দৌড়ে এসে আমাকে অভ্যর্থনা জানালেন। তারা জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনি কি আসাম থেকে এসেছেন?" আমি বললাম, "না, আমি গুজরাট থেকে এসেছি।"তাঁরা বললেন, আমরা 'গামোছা' দেখেছি, তাই আমরা ভেবেছিলাম আপনি আসাম থেকে এসেছেন। এটাই মাটির শক্তি, স্বদেশীর শক্তি। সেখানে আমার কোন পরিচয় ছিল না, কিন্তু সেদিন, আসামের মানুষ আমার উপর তাদের ভালোবাসা ঢেলে দিয়েছিলেন, কারণ আমি 'গামোছা' পরেছিলাম। বন্ধুরা, এটাই আমাদের ঐতিহ্যের শক্তি। আমাকে প্রতিশ্রুতি দিন, যে আপনারা স্বদেশী পণ্য  কিনবেন। আসুন আমরা স্থানীয়দের জন্য সোচ্চার হই। স্থানীয় পণ্যের জন্য আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আমাদের জাতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

বন্ধুগণ,

বিগত বছরগুলিতে, আরেকটি ক্ষেত্রে সারা দেশে অসাধারণ কাজ করা হয়েছে তা হল স্বাস্থ্যসেবা। আগে, হাসপাতালগুলি মূলত বড় শহরগুলিতে ছিল এবং সেখানে চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ছিল। আমাদের সরকার দেশের প্রতিটি কোণে এইমস এবং মেডিকেল কলেজের নেটওয়ার্ক প্রসারিত করেছে। দয়া করে বসুন ভাই... আমাকে আমার বক্তব্য চালিয়ে যেতে দিন। দয়া করে বসুন... দয়া করে তাকে বিরক্ত করবেন না। ক্যামেরাম্যান, তার কাছ থেকে চিঠিটি নিন। আপনি আমার বিশেষভাবে সক্ষম ভাইদের কেন বিরক্ত করছেন? ধন্যবাদ, আমার বন্ধু। আসামে ক্যান্সার হাসপাতালগুলিতেও বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। গত ১১ বছরে, ভারতে মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। এর অর্থ, স্বাধীনতার পর ৬০-৬৫ বছরে যতগুলি মেডিকেল কলেজ তৈরি হয়েছিল আমরা মাত্র ১১ বছরে, ততগুলি তৈরি করেছি। একবার ভেবে দেখুন,মাত্র ১০-১১ বছরে আমরা করেছি! আসামেও ২০১৪ সালের আগে মাত্র ৬টি মেডিকেল কলেজ ছিল। এখন দারাং-এ নতুন মেডিকেল কলেজ সহ সংখ্যাটি ২৪-এ পৌঁছে যাবে। আপনারা সকলেই জানেন যে যখন একটি মেডিকেল কলেজ নির্মিত হবে, তখন কেবল উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাই সহজলভ্য হবে না, বরং আরও বেশি সংখ্যক তরুণ ডাক্তার হওয়ার সুযোগ পাবে। এর আগে, আমাদের অনেক তরুণ মেডিকেলে আসনের অভাবের কারণে ডাক্তার হতে পারত না। গত ১১ বছরে, মেডিকেল আসনের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এবং শুধু তাই নয়, আমরা আরেকটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি: আমরা আগামী ৪-৫ বছরে ১ লক্ষ নতুন মেডিকেল আসন যুক্ত করতে যাচ্ছি। অর্থাৎ, ১ লক্ষ নতুন ডাক্তার তৈরি করা হবে।

বন্ধুগণ,

আমরা এভাবেই কাজ করি। ঠিক যেমন আমরা ৩ কোটি "লাখপতি দিদি" তৈরি করার জন্য কাজ করছি, তেমনি আমরা ১ লক্ষ নতুন ডাক্তার তৈরি করার জন্যও কাজ করছি।

বন্ধুগণ,

আসাম দেশপ্রেমিকদের দেশ। বিদেশী আক্রমণকারীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হোক বা স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মত্যাগ করা সর্বক্ষেত্রেই, আসাম বিশাল ভূমিকা পালন করেছে। পাথরুঘাট কৃষকদের সত্যাগ্রহ কে ভুলতে পারে? সেই ঐতিহাসিক স্থানটি এখান থেকে খুব বেশি দূরে নয়। আজ, আমি যখন এই ত্যাগের পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আছি, তখন কংগ্রেসের আরও একটি অপকর্মের উন্মোচন করা প্রয়োজন। রাজনীতির স্বার্থে, কংগ্রেস সর্বদা সেইসব মানুষ এবং সেইসব মতাদর্শকে সমর্থন করেছে যারা ভারতবিরোধী। আমরা অপারেশন সিঁদুর - এর সময়ও এটি দেখেছি। কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন সন্ত্রাসবাদের কারণে পুরো জাতি রক্তাক্ত হচ্ছিল, কিন্তু কংগ্রেস নীরবে দাঁড়িয়ে ছিল। আজ, আমাদের সেনাবাহিনী অপারেশন সিঁদুর পরিচালনা করে, পাকিস্তানের প্রতিটি কোণ থেকে সন্ত্রাসের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের উপড়ে ফেলে। কিন্তু আমাদের সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে, কংগ্রেস পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষে কথা বলে। আমাদের সৈন্যদের সমর্থন করার পরিবর্তে, কংগ্রেস নেতারা যারা সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করে তাদের বক্তব্য প্রচার করে। পাকিস্তানের মিথ্যাচার কংগ্রেসের বক্তব্য হয়ে ওঠে। তাই, আপনাদেরকে সবসময়  কংগ্রেস থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

বন্ধুগণ,

কংগ্রেসের কাছে, তাদের ভোট ব্যাঙ্ক রক্ষা করাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কংগ্রেস কখনই জাতীয় স্বার্থের কথা ভাবে না। আজ, কংগ্রেস দেশবিরোধী উপাদান এবং অনুপ্রবেশকারীদের একটি বড় রক্ষক হয়ে উঠেছে। কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা অনুপ্রবেশকে উৎসাহিত করেছিল, এবং বর্তমানে কংগ্রেস চায় অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করুক এবং ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুক। একসময়, মঙ্গলদোই অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে আসামের পরিচয় রক্ষার জন্য একটি বিশাল আন্দোলন প্রত্যক্ষ করেছিল। কিন্তু পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকার আপনাদেরকে এর জন্য শাস্তি দিয়েছিল। তারা আপনাদের উপর প্রতিশোধ নিয়েছিল। কংগ্রেস এখানে অবৈধভাবে জমি  দখল করতে দিয়েছে। আমাদের উপাসনালয়, আমাদের কৃষক এবং আদিবাসীদের জমি দখল করা হয়েছিল। বিজেপি-এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পর, সেই পরিস্থিতি সংশোধন করা হচ্ছে। এখানকার অবৈধ দখলগুলি মুক্ত করা হচ্ছে। হিমন্তজির নেতৃত্বে, আসামের লক্ষ লক্ষ বিঘা জমি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছে; দারং জেলায়ও অনেক জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। গরুখুঁটি এলাকায়ও, কংগ্রেসের সময়ে দখল ছিল। সেই জমি এখন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, এবং কৃষকদের জন্য একটি গরুখুঁটি কৃষি প্রকল্প চলছে। সেখানকার যুবকরা এখন "কৃষি সৈনিক" হিসেবে কাজ করছে। সরিষা, ভুট্টা, তিল, কুমড়ো থেকে শুরু করে সবকিছুই সেখানে চাষ করা হচ্ছে।  যে জমি একসময় অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, বর্তমানে তা আসামে কৃষি উন্নয়নের একটি নতুন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

 

বন্ধুগণ,

বিজেপি সরকার অনুপ্রবেশকারীদের দেশের সম্পদ দখল করতে দেবে না। আমরা কাউকে ভারতের কৃষক, ভারতের যুবক এবং আমাদের আদিবাসীদের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না। এই অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের মা, বোন এবং কন্যাদের উপর অত্যাচার করে তা হতে দেওয়া যাবে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জনসংখ্যা পরিবর্তনের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র চলছে; এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর হুমকি। অতএব, দেশে এখন একটি জনসংখ্যা মিশন চালু করা হচ্ছে। বিজেপির লক্ষ্য হল - অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে জাতিকে রক্ষা করা এবং দেশকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করা। আমি রাজনীতিবিদদের বলছি, যদি আপনারা একটি চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসেন, আমি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করি। দেখা যাক, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার জন্য আপনি কতটা শক্তি ব্যবহার করেন এবং অনুপ্রবেশকারীদের অপসারণের জন্য আমাদের জীবনের কতটা অংশ ব্যয় করি। একটি প্রতিযোগিতা হোক। যারা অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসে তাদের মূল্য দিতে হবে। আমার কথা মনে রাখবেন: এই জাতি তাদের ক্ষমা করবে না।

 

বন্ধুগণ,

আসামের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং আসামের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। আমাদের আসাম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে 'বিকশিত ভারত'-এর উন্নয়নের চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আবারও, আমি এই উন্নয়ন প্রকল্পের সাফল্য কামনা করছি। আমার সঙ্গে বলুন: ভারত মাতা কি জয়। দুই হাত তুলে সর্বশক্তি দিয়ে বলুন, ভারত মাতা কি জয়। ভারত মাতা কি জয়। ভারত মাতা কি জয়। ভারত মাতা কি জয়। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Make in India, production-linked incentives push industrial warehousing to record high

Media Coverage

Make in India, production-linked incentives push industrial warehousing to record high
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister shares Sanskrit Subhashitam highlighting the power of determination and hard work
March 06, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, said that the people of India, through their firm resolve, make even the most difficult tasks possible. He noted that with tireless effort in the right direction, they achieve even the biggest goals.

The Prime Minister shared a Sanskrit Subhashitam-

“यद् दूरं यद् दुराराध्यं यच्च दूरे व्यवस्थितम्। तत् सर्वं तपसा साध्यं तपो हि दुरतिक्रमम्॥”

The Subhashitam conveys that no matter how far, difficult, or out of reach a goal may seem, it can be achieved through firm determination and continuous hard work. Determination and patience are the forces that turn the impossible into possible.

The Prime Minister wrote on X;

“भारत के लोग अपने दृढ़ निश्चय से किसी भी कार्य को संभव बना देते हैं। सही दिशा में अपनी अथक मेहनत से वे बड़े से बड़े लक्ष्य को भी हासिल कर दिखाते हैं।

यद् दूरं यद् दुराराध्यं यच्च दूरे व्यवस्थितम्।

तत् सर्वं तपसा साध्यं तपो हि दुरतिक्रमम्॥”