A landmark day for India's semiconductor journey; the CG SEMI OSAT facility in Sanand will strengthen the chip manufacturing ecosystem, boost technological self-reliance and enhance India's position in the global semiconductor value chain: PM
The Semicon India programme is gathering rapid momentum; Step by step, Brick by brick, Chip by chip: PM
The expansion of the semiconductor industry in India did not happen overnight; it is the next step in the electronics revolution that has taken place in India over the past decade: PM
First products, then components and now semiconductors; India is building the entire electronics value chain, This is the roadmap to Viksit Bharat, This is the next phase of Make in India: PM
Our goal is to build a complete semiconductor ecosystem in India, from chip design to fabrication and packaging: PM
India's youth will power the AI, robotics and next-gen tech revolution with Made in India chips: PM

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। গুজরাটের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র ভাই প্যাটেল, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী অশ্বিনী বৈষ্ণব, গুজরাটের কর্মঠ উপ-মুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভি, গুজরাট সরকারের মন্ত্রীবৃন্দ, সাংসদ ও বিধায়কগণ, সিজি পাওয়ার-এর চেয়ারম্যান ভেল্লায়ান সুব্বাইয়া জি, রেনেসাস ইলেকট্রনিক্স-এর প্রেসিডেন্ট মালিনী জি, সিজি সেমি-র চেয়ারম্যান গিরিশ জি, এখানে উপস্থিত অন্যান্য শিল্প-নেতৃবৃন্দ এবং ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ!

 

আজকের এই অনুষ্ঠানটি প্রমাণ করে যে, ভারত যখন কোনো কিছু করার সংকল্প নেয়, তখন তা অবশ্যই সম্পন্ন করে। পাঁচ বছর আগে ভারত দেশকে একটি সেমিকন্ডাক্টর হাব বা কেন্দ্রে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। আমরা 'ডিজাইন ইন ইন্ডিয়া' ও 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-র মন্ত্র নিয়ে এগিয়ে গিয়েছি। আর আজ, দেশের তৃতীয় সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্টে চিপ প্যাকেজিংয়ের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে।

 

বন্ধুগণ,

 

২০২৪ সালে আমি এই প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সুযোগ পেয়েছিলাম। ২০২৫ সালের আগস্টের মধ্যে এখানে চিপ পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছিল এবং আজ এই প্ল্যান্টটির উদ্বোধন করা হলো। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন থেকে উৎপাদন পর্যন্ত এই যাত্রা নিঃসন্দেহে অনেক সহকর্মীর কঠোর পরিশ্রম এবং সুব্বাইয়া জির মতো ব্যক্তিদের নেতৃত্বের ফসল। মঞ্চে আসার আগে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত অনেকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল আমার। মনে হলো যেন এই চত্বরেই এক 'মিনি ইন্ডিয়া' বা ক্ষুদ্র ভারত বিরাজ করছে - এখানে নানা ভাষা, পোশাক ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ রয়েছেন। প্রদর্শনী ঘুরে দেখার সময় আমি অনেক তরুণ-তরুণীর সঙ্গেও কথা বলেছি। আর একটি বিষয় যা আমি গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করতে চাই, তা হলো তাদের আত্মবিশ্বাস। তারা যে দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলেছে এবং প্রযুক্তির প্রতি তাদের যে আস্থা - তা দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি।

 

বন্ধুগণ,

 

এই 'সিজি সেমি' প্ল্যান্টটি ভারত, জাপান এবং থাইল্যান্ডের শিল্প-অংশীদারদের যৌথ প্রচেষ্টারও প্রতীক। এটি কেবল একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়, বরং প্রযুক্তি, বিশ্বাস এবং অংশীদারিত্বের এমন এক নিদর্শন যা ভারতের সেমিকন্ডাক্টর যাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে। মাত্র দুই বছরেরও কিছু বেশি সময়ের মধ্যে আপনারা শূন্য থেকে শুরু করে এই বিশাল প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন। আজ আমরা এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করছি। আমাকে জানানো হয়েছে যে, এখানে প্রতি বছর ২০ কোটি (২০০ মিলিয়ন) চিপ উৎপাদিত হবে। ২০ লক্ষ নয়, বরং ২০ কোটি। আর আমি জানি, আপনারা এখানেই থেমে থাকবেন না। আপনারা বছরে ৫০০ কোটি (৫ বিলিয়ন) চিপ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন - অর্থাৎ প্রতিদিন ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও (১৫ মিলিয়ন) বেশি চিপ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আপনারা শীঘ্রই এই লক্ষ্য অর্জন করবেন। এটি আরও একটি প্রমাণ যে 'সেমিকন ইন্ডিয়া প্রোগ্রাম' গতি পাচ্ছে - ধাপে ধাপে, ইটের পর ইট গেঁথে এবং এখন চিপের পর চিপ তৈরির মাধ্যমে। আমি সিজি সেমি-র পুরো দল, রাজ্য সরকার এবং সমগ্র জাতিকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

 

বন্ধুগণ,

 

আজ আমি বিশেষ আনন্দ অনুভব করছি। আপনারা হয়তো ভাবছেন কেন। কারণটি হলো, বিশ বছর আগে - বা হয়তো তারও আগে - আমি গুজরাটে একটি সেমিকন্ডাক্টর কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিলাম। গান্ধীনগর ও প্রান্তিজের কাছে আমরা ৩৫০-৪০০ একর জমি চিহ্নিত করেছিলাম। এমনকি আমরা কিছু কোম্পানির সঙ্গে আলোচনাও করেছিলাম। সেই সময় ভারত সরকার বড় বড় কথা বলছিল এবং কিছু কোম্পানি আলোচনার জন্য এগিয়েও এসেছিল। কিন্তু কোনো এক কারণে তৎকালীন সরকার যেন এক ধরণের জড়তায় বা সীমাবদ্ধতায় আটকে ছিল, আর বিষয়টি আর এগোয়নি। আজ যখন আমি এই কাজ হতে দেখছি, তখন আমার অন্তরে গভীর আনন্দ হচ্ছে। এটি আমার ২০-২২ বছর আগের দেখা একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন। তখন দেশে এসব বিষয় নিয়ে কেউ আলোচনাও করত না। আমি যখন এ নিয়ে কথা বলতাম, তখন গণমাধ্যম আমাকে নিয়ে উপহাস করত। তখন তা সম্ভব হয়নি, কিন্তু আজ যখন তা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তখন আমি অপার তৃপ্তি অনুভব করছি। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই এমন একটি খবর এসেছিল যা আমাকে অবাক করেছিল - এবং আমি অবাক হয়েছিলাম যে গণমাধ্যম বিষয়টিকে তার প্রাপ্য গুরুত্ব দেয়নি। ভাদোদরায় তৈরি সি-২৯৫ বিমানটি ভারতেই নির্মিত হয়েছে এবং আকাশে উড়েছে। এক সময় ছিল যখন একটি সাইকেল কারখানা চালু হলেও মিষ্টি বিতরণ করে উদযাপন করা হতো। আর আজ, ভারত বিমান তৈরি করছে।

 

বন্ধুগণ,

 

এখানে উপস্থিত আপনারা সবাই জ্ঞানী ও অভিজ্ঞ, এবং আমি অনেক তরুণ সহকর্মীকেও এখানে দেখছি। আমরা যদি বিশ্বের শিল্প-ইতিহাসের দিকে তাকাই, তবে একটি বিষয় স্পষ্ট: কোনো একটিমাত্র কারখানা দিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক শিল্প-শক্তি গড়ে ওঠেনি। শিল্প-শক্তির ভিত্তি গড়ে ওঠে 'ক্লাস্টার' বা শিল্প-গুচ্ছের ওপর। আমেরিকার সিলিকন ভ্যালি, তাইওয়ানের শিনচু সায়েন্স পার্ক, জাপানের সিলিকন আইল্যান্ড বা সুকুবা সায়েন্স সিটি - এসবই ক্লাস্টারের গুরুত্ব প্রমাণ করে। আজ সানন্দও সেই পথেই এগিয়ে চলেছে।

 

বন্ধুগণ,

 

মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই মাইক্রন, কেইনস এবং সিজি সেমি এখানে উৎপাদন শুরু করেছে। ভারতে একটি সেমিকন্ডাক্টর ক্লাস্টার গড়ে উঠছে। আজ এখানে চিপ প্যাকেজিংয়ের কাজও হচ্ছে। আগামীতে বিশেষায়িত কোম্পানি আসবে, রাসায়নিক পণ্য উৎপাদিত হবে, নতুন পরীক্ষাগার গড়ে উঠবে, যন্ত্রপাতির সেবাদানকারী শিল্প ও ডিজাইন কেন্দ্র স্থাপিত হবে এবং নতুন নতুন স্টার্টআপের জন্ম হবে। ক্লাস্টারের শক্তি এখানেই - একটি শিল্প থেকে শত শত শিল্পের উদ্ভব ঘটে; শত শত শিল্প লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে; আর সেই লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিকে বদলে দেয়। আর এমনটা কেবল সানন্দেই ঘটছে না, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সেমিকন্ডাক্টর ক্লাস্টার গড়ে উঠছে।

 

বন্ধুগণ,

 

আজ ভারতে সেমিকন্ডাক্টর খাতের উত্থান সবাইকে উচ্ছ্বসিত করে তুলেছে। দেশজুড়ে এবং বিশ্বজুড়ে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অনেকে বিষয়টিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখেন, কিন্তু আসলে তা নয়। ভারতে সেমিকন্ডাক্টর খাতের এই প্রসার হঠাৎ করে ঘটেনি - এটি সেই ইলেকট্রনিক্স বিপ্লবেরই পরবর্তী ধাপ, যা গত এক দশকে এখানে সংঘটিত হয়েছে।

 

বন্ধুগণ,

 

আমরা মোবাইল ফোন উৎপাদনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিলাম। এক সময় ভারত তার স্মার্টফোনের চাহিদার বড় অংশই আমদানি করত। আজ ভারতে মোবাইল ফোন উৎপাদন আগের তুলনায় ৩৩ গুণ বেড়েছে। ২০১৪ সালের আগে ভারত ফোন আমদানি করত। আপনারা যখন আমাকে গুজরাট থেকে দিল্লিতে পাঠালেন, তখন ভারত তা রপ্তানি করতে শুরু করল। আজ ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল উৎপাদনকারী এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল রপ্তানিকারক দেশ।

 

বন্ধুগণ,

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা সমগ্র ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ব্যবস্থাকে (ইকোসিস্টেম) শক্তিশালী করেছি। ২০১৪ সালের তুলনায় ভারতে মোট ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন প্রায় সাত গুণ বেড়েছে। ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানি বেড়েছে প্রায় এগারো গুণ।

 

বন্ধুগণ,

 

আমাদের প্রচেষ্টা কেবল চূড়ান্ত পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আমরা যন্ত্রাংশ বা কম্পোনেন্টের ক্ষেত্রেও স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তাই ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপটি স্পষ্ট। আমরা শুধু মোবাইল বা ইলেকট্রনিক্স পণ্যই তৈরি করব না, বরং সেই চিপগুলোও তৈরি করব যা পুরো ইলেকট্রনিক্স জগতকে সচল রাখে। এটাই আমাদের কৌশল - প্রথমে পণ্য, তারপর যন্ত্রাংশ এবং এখন সেমিকন্ডাক্টর। ইলেকট্রনিক্স পণ্যের সম্পূর্ণ ভ্যালু চেইন বা উৎপাদন-মূল্য শৃঙ্খল ভারতেই গড়ে উঠবে। এটিই উন্নত ভারতের রোডম্যাপ। এটিই 'মেক ইন ইন্ডিয়া' কর্মসূচির পরবর্তী পর্যায়।

 

বন্ধুগণ,

 

সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমের পরবর্তী ধাপ হলো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং উচ্চ-প্রযুক্তির উপকরণের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন। এইমাত্র সুব্বাইয়া জি গুজরাটি ভাষায় একটি প্রবাদ উল্লেখ করলেন: লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া ক্ষমার যোগ্য, কিন্তু লক্ষ্য নিচু রাখা নয়। আমার স্বভাবও ঠিক তাই - আমি ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করি না, ছোট করে ভাবি না। আমি যদি কোনো মূর্তি তৈরি করি, তবে তা বিশ্বের বৃহত্তমই করি। সুব্বাইয়া জি যেমনটি বলেছেন, কাজের মাধ্যমেই নিজের পরিচয় পাওয়া যায়। আজ আমরা যে অগ্রগতি দেখছি এবং যেসব সাফল্য উদযাপন করছি, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থাকেও শক্তিশালী করতে হবে। সেটিও আমাদের লক্ষ্য। আজ ভারত এই লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ভারতেই সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা - চিপ ডিজাইন থেকে শুরু করে ফ্যাব্রিকেশন এবং প্যাকেজিং পর্যন্ত। ভারত কেবল চিপই তৈরি করবে না, বরং ভারতের তরুণরাই পরবর্তী প্রযুক্তি বিপ্লবের—এআই, রোবোটিক্স এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির - সারথি হবে, যার মূলে থাকবে 'মেড ইন ইন্ডিয়া' চিপ। ভারতের তরুণদের ওপর, তাদের মেধা ও শক্তির ওপর আমার অটল বিশ্বাস রয়েছে। আমার দেশের তরুণদের শক্তির ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে।

 

বন্ধুগণ,

 

এই উপলক্ষে আমি আমাদের দেশের তরুণদের সরাসরি কিছু বলতে চাই। বিশ্বে যখনই কোনো নতুন শিল্প বিপ্লব আসে, তখন তরুণদের জন্য সবচেয়ে বড় সুযোগগুলো তৈরি হয়। আইটি বিপ্লবের সময় লক্ষ লক্ষ ভারতীয় তরুণ তাদের মেধা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছিল। এরপর এল স্মার্টফোন ও ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের যুগ, যা লক্ষ লক্ষ নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছিল। আর এখন সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লব ও এআই বিপ্লবের এই যুগ অগণিত সুযোগ নিয়ে আসছে। গবেষণা ও ডিজাইন থেকে শুরু করে স্টার্টআপ উদ্ভাবন এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট - সর্বত্রই রয়েছে সুযোগ।

 

বন্ধুগণ,

 

এখন প্রয়োজন নতুন দক্ষতা ও নতুন চিন্তাধারার। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো - আপনার কি কোনো নতুন ধারণা আছে? নতুন কিছু শেখার ও করার মতো উদ্দীপনা কি আপনার মধ্যে রয়েছে? আজ ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশের বালাঘাট, কেরালা ও ছত্তিশগড়ের মেয়েদের সঙ্গে আমার দেখা হলো - আর আমাদের কথোপকথন শুরু হয়েছিল ‘জয় জোহর’ সম্ভাষণের মধ্য দিয়ে। যেহেতু আমি ওই অঞ্চলে বসবাস করেছি, তাই সেই এলাকা সম্পর্কে আমার ভালোই জানা আছে। এই মেয়েরা যে দ্রুতগতিতে সবকিছু শিখেছে এবং যেভাবে তারা সেখানে কাজ পরিচালনা করছে, তা দেখে আমার দেশের যুবশক্তির ওপর গর্ববোধ হচ্ছে।

 

বন্ধুগণ,

 

আগামী দিনগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আপনাদের সামনে নতুন দক্ষতা ও দক্ষতার এক বিশাল জগৎ উন্মোচন করবে। তাই ভারতের যুবসমাজ যেন এই সুযোগ হাতছাড়া না করে। আর আমি তরুণদের বলছি - ধারণাটি আপনাদের, আর সহায়তা আমার।

 

বন্ধুগণ,

 

এই কেন্দ্র বা প্রকল্পটি প্রমাণ করে যে ভারতের যুবসমাজ কীভাবে নতুন নতুন সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এখানে কর্মরত বোনেরা ও মেয়েরা - যেমনটা আমি বলেছি, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ তথা সমগ্র আদিবাসী অঞ্চল থেকে আসা বোনেরা আমাকে কারখানাটি ঘুরিয়ে দেখাল। তারা অত্যন্ত উদ্দীপনার সঙ্গে প্রতিটি বিষয় বুঝিয়ে বলল। সাধারণ পরিবার, সাধারণ স্কুল ও আইটিআই-তে শিক্ষা—এটাই তাদের পটভূমি। আমাদের দেশে কেউ যখন আইটিআই-তে ভর্তি হয়, তখন অনেক সময় অভিভাবকরা অন্যদের কাছে তা প্রকাশ করেন না; তারা কিছুটা সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু সময় বদলেছে - এখন আইটিআই স্নাতকদের যুগ। তাদের শিক্ষা হয়তো আইটিআই-তে হয়েছে, কিন্তু তাদের স্বপ্নগুলো অসাধারণ। এদের অনেকের পরিবারেই আগে কখনও পাসপোর্ট তৈরি করা হয়নি, এমনকি পাসপোর্ট চোখেও দেখা হয়নি। কেউ কেউ তো দিল্লি বা মুম্বাইয়ের মতো শহরেও যায়নি, বিদেশে যাওয়ার কথা তো অনেক দূরের বিষয়। অথচ এই মেয়েরাই প্রশিক্ষণের জন্য মালয়েশিয়ায় গিয়েছিল, বিশ্বের সর্বাধুনিক সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি শিখেছে এবং আজ তারা ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ চিপ তৈরির প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে উঠেছে। আমার মনে পড়ে, সুব্বাইয়া জি একবার দিল্লিতে আমাকে একটি ভিডিও দেখিয়েছিলেন - এই মেয়েদের জীবন নিয়ে তৈরি তিন মিনিটের একটি চলচ্চিত্র। কীভাবে তারা জঙ্গলে বসবাস করত, খাটিয়ায় বসে পড়াশোনা করত, আর তারপর মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরের চেক-ইন ও অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করত - সবই তাতে ছিল। আমি তখনই তাঁকে বলেছিলাম যে, যখনই আমি গুজরাটে আসব, এই মেয়েদের রাজভবনে আমন্ত্রণ জানাব এবং তাদের সঙ্গে কথা বলব। তখন তা সম্ভব হয়নি, কিন্তু আজ সেই সুযোগ পেলাম। ধন্যবাদ, সুব্বাইয়া জি। আমি এই সব মেয়ে এবং তাদের পরিবারকে অভিনন্দন জানাই। 

 

বন্ধুগণ,

 

আজকের এই অনুষ্ঠানটি প্রমাণ করে যে ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য আমরা কতটা অধীর আগ্রহে ও দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছি। এই বছরের শুরুতেই আমি বলেছিলাম যে ২০২৬ সালের মধ্যে চারটি সেমিকন্ডাক্টর কারখানা চালু হবে। আর আজ আমাদের মন্ত্রীমশাই জানিয়েছেন - চারটি নয়, বরং পাঁচটি কারখানা চালু হতে চলেছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই তিনটি প্রকল্পে উৎপাদনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। এটি প্রমাণ করে যে, আজকের ভারত কেবল বড় লক্ষ্যই নির্ধারণ করে না, বরং তা যথাসময়ে বাস্তবায়নও করে। ভারত সমগ্র বিশ্বকে এবং প্রত্যেক বিনিয়োগকারীকে এই আস্থাই জোগায়। আমাদের নীতিগুলো সুস্থিত, সিদ্ধান্তগুলো স্পষ্ট এবং বাস্তবায়নের গতি অত্যন্ত দ্রুত। আমি সিজি সেমি-র ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করছি - ভারত সংস্কারের যে পথ বেছে নিয়েছে এবং আমরা যে ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’-এ (সংস্কারের যাত্রায়) পা রেখেছি, তার গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। আজকের ভারত ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অঙ্গীকার নিয়েই ১৪০ কোটি ভারতবাসী ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবে। আর আজ যারা ১৮-২০ বছর বয়সী তরুণ-তরুণী - আমি কঠোর পরিশ্রম করছি যাতে আপনাদের বয়স যখন ৪০-৪৫ হবে এবং আপনাদের সন্তানরা বড় হতে থাকবে, তখন আপনারা তাদের একটি উন্নত ভারতে বড় করে তুলতে পারেন। ঠিক এই কারণেই আমি আমার জীবন উৎসর্গ করেছি - আপনাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য।

 

বন্ধুগণ,

 

আমরা উন্নয়নের পথে যাত্রা শুরু করেছি। আমরা অগ্রগতির নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছি। আর এই যাত্রায় সেমিকন্ডাক্টর খাত আমাদের এক বিশাল শক্তিতে পরিণত হচ্ছে এবং নতুন আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলছে। আমি আপনাদের সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানাই। বড় লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যান। লক্ষ্য অর্জনে কোনো ঘাটতি থাকলে তা পরে দেখা যাবে, কিন্তু আমাদের অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আপনাদের সবাইকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
PM Modi reviews projects with investment of Rs 30,000 crore under PRAGATI meeting

Media Coverage

PM Modi reviews projects with investment of Rs 30,000 crore under PRAGATI meeting
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister extends greetings on Onam
August 26, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, has greeted everyone on the occasion of Onam. Shri Modi remarked that Onam is a vibrant festival celebrated with immense fervour not only in India but also across the world. He prayed that the festival further strengthens the spirit of happiness, togetherness and prosperity in society.

The Prime Minister posted on X:

ഏവർക്കും മനോഹരമായ ഓണം ആശംസിക്കുന്നു. ലോകമെമ്പാടും വലിയ ആവേശത്തോടെ ആഘോഷിക്കപ്പെടുന്ന ഊർജസ്വലമായ ഉത്സവമാണിത്.

ഈ ഉത്സവം സന്തോഷത്തിന്റെയും ഒത്തൊരുമയുടെയും സമൃദ്ധിയുടെയും മനോഭാവത്തിന് കൂടുതൽ കരുത്തുപകരട്ടെ.

Have a wonderful Onam. This is a vibrant festival that is being marked all over the world with immense fervour.

May it further the spirit of happiness, togetherness and prosperity.