আমাদের সংবিধানের প্রণেতা বাবা সাহেব আম্বেদকরের জন্মবার্ষিকী হওয়ায়, আজকের দিনটি আমাদের সকলের জন্য, সমগ্র দেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন: প্রধানমন্ত্রী
হরিয়ানা থেকে অযোধ্যা ধাম পর্যন্ত বিমান পরিষেবা শুরু হয়েছে আজ, অর্থাৎ এখন হরিয়ানার শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র ভূমি সরাসরি ভগবান রাম নগরীর সঙ্গে সংযুক্ত: প্রধানমন্ত্রী
একদিকে, আমাদের সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে উপর জোর দিচ্ছে অন্যদিকে, আমরা দরিদ্রদের কল্যাণ এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করছি: প্রধানমন্ত্রী

আমি বাবাসাহেব আম্বেদকর’কে বলব, আপনারা সকলে দু’বার বলবেন, অমর রহে! অমর রহে!
বাবাসাহেব আম্বেদকর অমর রহে! অমর রহে! 
বাবাসাহেব আম্বেদকর অমর রহে! অমর রহে!
বাবাসাহেব আম্বেদকর অমর রহে! অমর রহে!
হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নায়াব সিং সাইনি, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সহকর্মী শ্রী মুরলীধর, হরিয়ানা সরকারের মন্ত্রীগণ, সাংসদ, বিধায়ক এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আমাদের হরিয়ানার সাহসী জনগণকে রাম রাম!
সৈনিক, খেলোয়াড় এবং মহান ভ্রাতৃত্ববোধ – এটাই হরিয়ানার পরিচয়!
লাভনির এই ব্যস্ত সময়ে, আপনারা এত বিপুল সংখ্যক মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করতে এসেছেন। আমি আপনাদের সকলকে অভিনন্দন জানাই। আমি গুরু জাম্বেশ্বর, মহারাজা অগ্রসেন এবং অগ্রোহধাম’কে শ্রদ্ধা জানাই।
বন্ধুগণ,
হরিয়ানা এবং হিসারে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টি যখন আমাকে হরিয়ানার দায়িত্ব দেয়, তখন আমি সেখানে অনেক সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করেছি। এই সকল সহকর্মীর কঠোর পরিশ্রম হরিয়ানায় ভারতীয় জনতা পার্টির ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। আজ আমি গর্বিত যে, বিজেপি একটি উন্নত হরিয়ানা এবং বিকশিত ভারতের লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
বন্ধুগণ,
আজ আমাদের সকলের জন্য, দেশের জন্য, বিশেষ করে দলিত, নিপীড়িত, বঞ্চিত এবং শোষিতদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এটি তাঁদের জীবনে দ্বিতীয় দীপাবলি। আজ সংবিধানের স্থপতি বাবাসাহেব আম্বেদকরের জন্মবার্ষিকী। তাঁর জীবন, সংগ্রাম এবং জীবনী আমাদের সরকারের ১১ বছরের যাত্রাপথে অনুপ্রেরণার স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক দিন, প্রত্যেক সিদ্ধান্ত, প্রত্যেক নীতি বাবাসাহেব আম্বেদকর’কে উৎসর্গ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হ’ল – বঞ্চিত, নিপীড়িত, শোষিত, দরিদ্র, আদিবাসী এবং মহিলাদের জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসা, তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করা। এর জন্য নিরন্তর উন্নয়ন, দ্রুত উন্নয়ন হ’ল বিজেপি সরকারের মন্ত্র। 
 

বন্ধুগণ,
এই মন্ত্র অনুসরণ করে আজ হরিয়ানা থেকে অযোধ্যা ধাম পর্যন্ত একটি বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। এর অর্থ হ’ল – এখন শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র ভূমি সরাসরি ভগবান রামনগরীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অগ্রসেন বিমানবন্দর থেকে এখন বাল্মিকী বিমানবন্দরের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হচ্ছে। খুব শীঘ্রই অন্য শহরেও বিমান চলাচল শুরু হবে এখান থেকে। আজ হিসার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এটি হরিয়ানার আশা-আকাঙ্ক্ষাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এই নতুন সূচনায় আমি হরিয়ানার জনগণকে অভিনন্দন জানাই। 
বন্ধুগণ,
আপনাদের কাছে আমার প্রতিশ্রুতি ছিল যে, যাঁরা চটি পরেন, তাঁরাও বিমানে উঠতে পারবেন। আমরা সারা দেশে এই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চলেছি। গত ১০ বছরে কোটি কোটি ভারতীয় তাঁদের জীবনে বিমানযাত্রা করেছেন। আমরা এমন জায়গাগুলিতেও নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করেছি, যেখানে কোনও ভালো রেল স্টেশনও ছিল না। ২০১৪ সালের আগে দেশে ৭৪টি বিমানবন্দর ছিল। কল্পনা করতে পারেন, ৭০ বছরে ৭৪টি বিমানবন্দরের সংখ্যা আজ বেড়ে ১৫০টি ছাড়িয়ে গেছে। দেশের প্রায় ৯০টি বিমানবন্দরকে উড়ান যোজনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। উড়ান যোজনার আওতায় ৬০০টিরও বেশি রুটে বিমান পরিষেবা রয়েছে। মানুষ খুব কম খরচে বিমানে ভ্রমণ করছেন। তাই, প্রতি বছর বিমান ভ্রমণকারীদের সংখ্যার নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। আমাদের বিমান সংস্থাগুলি ২ হাজার নতুন বিমান বরাত দিয়েছে। যত বেশি নতুন বিমান আসবে, তত বেশি সংখ্যক বিমান চালক বা এয়ার হোস্টেস প্রয়োজন হবে। ফলে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। যখন একটি বিমান আকাশে ওড়ে, তখন গ্রাউন্ড স্টাফেরও প্রয়োজন হয়। এরকম অনেক পরিষেবার জন্য যুবরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। হিসারের এই বিমানবন্দর হরিয়ানার যুবদের স্বপ্নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
বন্ধুগণ,
একদিকে আমাদের সরকার যোগাযোগের উপর জোর দিচ্ছে, অন্যদিকে দরিদ্রদের কল্যাণ ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে। এটিই ছিল বাবাসাহেব আম্বেদকরের স্বপ্ন, এটিই আমাদের সংবিধান স্থপতিদের আশা-আকাঙ্ক্ষা। যাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিলেন, তাঁদের স্বপ্ন কখনই ভোলার নয়। কিন্তু, কংগ্রেস বাবাসাহেব আম্বেদকরের সঙ্গে কি করেছিল, তাও ভোলা উচিৎ নয়। যতদিন বাবাসাহেব বেঁচে ছিলেন, ততদিন কংগ্রেস তাঁকে অপমান করেছিল। কংগ্রেস তাঁর স্মৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। এমনকি, বাবাসাহেবের ধারণা চিরতরে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে কংগ্রেস। কিন্তু, ভুলে গেলে চলবে না, ডঃ আম্বেদকর ছিলেন সংবিধানের রক্ষক। ডঃ আম্বেদকর সাম্য আনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, কংগ্রেস দেশে ভোট ব্যাঙ্কের ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়েছিল।
বন্ধুগণ,
বাবাসাহেব চেয়েছিলেন যে, প্রত্যেক দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষ মর্যাদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে বাঁচবেন। কিন্তু, কংগ্রেস এসসি, এসটি এবং ওবিসি’দের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করে তুলেছিল। কংগ্রেসের দীর্ঘ শাসনকালে তাঁদের নেতাদের সুইমিং পুলে জল পৌঁছেছিল, কিন্তু গ্রামে কোনও নলবাহিত জল ছিল না। স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও গ্রামে মাত্র ১৬ শতাংশ বাড়িতে নলবাহিত জল ছিল। আপনারা ভাবতে পারেন, ১০০টি বাড়ির মধ্যে মাত্র ১৬টি! এরফলে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কারা? এসসি, এসটি এবং ওবিসি’রা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। যাঁরা আজ রাস্তায় বক্তৃতা দিচ্ছেন, তাঁদের উচিৎ ছিল আমাদের এই এসসি, এসটি এবং ওবিসি ভাইদের বাড়িতে নলবাহিত জল সরবরাহ করা। আমাদের সরকার ৬-৭ বছরে ১২ কোটিরও বেশি গ্রামীণ বাড়িতে নলবাহিত জলসংযোগ দিয়েছে। আজ গ্রামের ৮০ শতাংশ বাড়িতে অর্থাৎ ১০০ জনের মধ্যে ৮০টি বাড়িতে নলবাহিত জল রয়েছে। বাবাসাহেবের আশীর্বাদে আমরা প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত জল পৌঁছে দেব। শৌচাগারের অভাবে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ছিল এই এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষের। আমাদের সরকার ১১ কোটিরও বেশি শৌচাগার নির্মাণ করেছে। বঞ্চিতদের সম্মানের জীবন দিয়েছে।
 

বন্ধুগণ,
কংগ্রেসের শাসনকালে এসসি, এসটি এবং ওবিসি-দের জন্য ব্যাঙ্কের দরজাও খোলা ছিল না। বীমা, ঋণ – এই সবকিছুই ছিল স্বপ্ন। কিন্তু এখন জন ধন অ্যাকাউন্টের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হলেন আমাদের এই সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা। এখন তাঁদের পকেটেও রুপে কার্ড থাকে। 
বন্ধুগণ,
কংগ্রেস আমাদের পবিত্র সংবিধানকে ক্ষমতা অর্জনের অস্ত্র করে তুলেছিল। যখনই তাঁরা ক্ষমতার সঙ্কট দেখেছে, তখনই তাঁরা সংবিধানকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করেছে। জরুরি অবস্থার সময় কংগ্রেস সংবিধানের চেতনাকে ভেঙে চুড়মার করেছে, যাতে তারা যে কোনও উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে। সংবিধানের চেতনা হ’ল সকলের জন্য এক অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। যাকে আমি ধর্ম নিরপেক্ষ দেওয়ানি বিধি বলি। কিন্তু, কংগ্রেস কখনই তা বাস্তবায়ন করেনি। উত্তরাখন্ডে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর, এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়িত হয়েছে। দেশের কি দুর্ভাগ্য দেখুন, যাঁরা সংবিধানকে পকেটে নিয়ে বসে আছেন, এই কংগ্রেসের লোকেরা এর বিরোধিতা করছেন। 
বন্ধুগণ,
আমাদের সংবিধান এসসি, এসটি এবং ওবিসি-দের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু, কংগ্রেস কখনই তাঁদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখেনি। এমনকি, এই সম্প্রদায়ের মানুষের সন্তানরা শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন কিনা, অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কিনা – এইসব বিষয় নিয়েও ভাবনাচিন্তা করেননি। আপনারা নিশ্চয়ই সম্প্রতি খবরে শুনেছেন যে, কর্ণাটকের কংগ্রেস সরকার এসসি, এসটি এবং ওবিসি-দের অধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ দিয়েছে। যেখানে বাবাসাহেব আম্বেদকর সংবিধানে স্পষ্ট বলেছিলেন যে, এই সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে না এবং আমাদের সংবিধান ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করেছে।
বন্ধুগণ,
মুসলিম সম্প্রদায়েরও ক্ষতি হয়েছে কংগ্রেসের এই তোষণ নীতির জন্য। কংগ্রেস মাত্র কয়েকজন মৌলবাদীকে খুশি করেছে। বাকি সম্প্রদায় অশিক্ষিত ও দরিদ্রই রয়ে গেছেন। কংগ্রেসের এই নীতির সবচেয়ে বড় প্রমাণ হ’ল ওয়াকফ আইন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ওয়াকফ আইন ২০১৩ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল। কিন্তু, নির্বাচনে জয়ের জন্য, তোষণ রাজনীতির কারণে এবং ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য ২০১৩ সালের শেষের দিকে সংসদের শেষ অধিবেশনে কংগ্রেস তাড়াহুড়ো করে এত বছর ধরে বলবৎ থাকা ওয়াকফ আইন সংশোধন করে, যাতে তারা নির্বাচনে ভোট পায়। ভোট ব্যাঙ্ককে তোষণ করার জন্য এই আইনটি এমনভাবে রূপায়ণ করা হয়েছিল, যা বাবাসাহেব আম্বেদকর’কে সবচেয়ে বড় অপমান। 
 

বন্ধুগণ,
তাঁরা বলতো যে, মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের স্বার্থে এটা করা হয়েছে। আমি সকলকে জিজ্ঞেস করতে চাই যে, যদি আপনাদের হৃদয়ে সত্যি মুসলিমদের প্রতি সমান সহানুভূতি থাকে, তা হলে কংগ্রেস দল কেন একজন মুসলিমকে রাষ্ট্রপতি করলো না? কংগ্রেসের উদ্দেশ্যই ছিল যে, মুসলিমদের ভালো না করা। এটাই কংগ্রেস সম্পর্কে প্রকৃত সত্য।
বন্ধুগণ, 
সারা দেশে ওয়াকফের নামে লক্ষ লক্ষ হেক্টর জমি আছে। এই জমি, এই সম্পত্তি দরিদ্র, অসহায়, নারী ও শিশুদের কল্যাণ ব্যবহার করা উচিৎ ছিল। আজ যদি এটি সততার সঙ্গে ব্যবহার করা হ’ত, তা হলে আমার মুসলিম যুবদের উপকারে আসতো। কিন্তু, এতে লাভ হয়েছে মুষ্টিমেয় ভূমি মাফিয়াদের। পিছিয়ে পড়া মুসলিম সম্প্রদায়ের কোনও সুবিধাই হয়নি। এই ভূমি মাফিয়ারা দলিত, পিছিয়ে পড়া মানুষ, আদিবাসীদের জমি এবং বিধবাদের সম্পত্তি লুঠ করেছে। শত শত মুসলিম বিধবা এই বিষয়ে ভারত সরকারকে চিঠি লিখেছিলেন। তখনই এই আইনটি আলোচনায় আসে। ওয়াকফ আইন পরিবর্তনের পর দরিদ্র মানুষের উপর এই লুঠপাট বন্ধ হতে চলেছে। এখন এই নতুনা ওয়াকফ আইনের আওতায় ওয়াকফ বোর্ড ভারতের কোনও অংশে কোনও আদিবাসী জমি, বাড়ি, সম্পত্তি স্পর্শ করতে পারবে না। আমরা সংবিধানের সীমা মেনে আদিবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছি। আশা করি, এই আইন ওয়াকফের পবিত্র চিন্তাধারার প্রতি সম্মান দেখাবে। মুসলিম সমাজের দরিদ্র পরিবার, মুসলিম মহিলা, বিশেষ করে মুসলিম বিধবা, মুসলিম শিশুরা অধিকার পাবেন এবং ভবিষ্যতে তাঁদের অধিকার সুরক্ষিত হবে। এটিই হ’ল সংবিধানের আসল চেতনা ও সামাজিক ন্যায়বিচার।
বন্ধুগণ,
২০১৪ সালের পর আমাদের সরকার বাবাসাহেব আম্বেদকরের অনুপ্রেরণাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশ ও বিশ্বে বাবাসাহেব যেসব স্থানে ছিলেন, সেইসব স্থানগুলি এতদিন অবহেলিত ছিল। আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পর, সেইসব স্থানের উন্নয়ন করেছে। আমার সৌভাগ্য যে, কিছুদিন আগে বাবাসাহেব’কে শ্রদ্ধা জানাতে দীক্ষাভূমি এবং নাগপুরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি।
বন্ধুগণ,
কংগ্রেসের লোকেরা সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা বলেন। কিন্তু, আমাদের এও মনে রাখতে হবে যে, কংগ্রেস বাবাসাহেব আম্বেদকর এবং চৌধুরী চরণ সিংজি – এই দুই মহান ব্যক্তিকে ভারতরত্নে ভূষিত করেনি। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠনের পর বাবাসাহেব আম্বেদকর’কে ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়েছিল। একইসঙ্গে আমরা গর্বিত যে, বিজেপি সরকার চৌধুরী চরণ সিংজিকেও ভারতরত্ন সম্মান দিয়েছে।
বন্ধুগণ,
হরিয়ানার বিজেপি সরকারও সামাজিক ন্যায় বিচার ও দরিদ্রদের কল্যাণে কাজ করে চলেছে। আপনারা সকলেই জানেন যে, হরিয়ানায় সরকারি চাকরির অবস্থা কেমন ছিল। আমি খুশি যে, আমাদের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের এই রোগ নিরাময় করেছে। এটাই বিজেপি সরকারের সুশাসন। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে আগামী দিনে হাজার হাজার চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। 
 

বন্ধুগণ,
হরিয়ানা থেকে অনেক তরুণ সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং দেশ সেবার কাজে নিযুক্ত হন। কংগ্রেস দশকের পর দশক ধরে ‘ওয়ান র‍্যাঙ্ক, ওয়ান পেনশন’ – এর নামে প্রতারণা করে এসেছে। আমাদের সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় হরিয়ানার প্রাক্তন সেনাকর্মীদের ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। 
 

বন্ধুগণ,
আমার পূর্ণ বিশ্বাস যে, হরিয়ানার উন্নত ভারতের সংকল্পকে শক্তিশালী করে তুলবে। খেলাধূলাই হোক বা কৃষিকাজ, হরিয়ানার মাটির সুবাস বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে। আমার হরিয়ানার ছেলেমেয়েদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। এই নতুন বিমানবন্দর, এই নতুন উড়ান হরিয়ানার স্বপ্ন পূরণের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। আমি আপনাদের নত মস্তকে প্রণাম জানাই। আপনাদের সকলের সাফল্যের জন্য শুভকামনা ও অভিনন্দন জানাই। আমার সঙ্গে বলুন – 
 

ভারতমাতা কি জয়!
ভারতমাতা কি জয়!
ভারতমাতা কি জয়!
আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Government's foodgrain stocks hit 604 lakh tonnes, nearly three times buffer requirement

Media Coverage

Government's foodgrain stocks hit 604 lakh tonnes, nearly three times buffer requirement
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister congratulates newly sworn-in Ministers in Bihar Government
May 07, 2026
Prime Minister expresses gratitude for warm welcome and support from people of Bihar

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, congratulated all those who took oath as Ministers in the Government of Bihar and conveyed his best wishes to them.

The Prime Minister said that he was confident that their commitment towards the all-round development of the state would take Bihar to new heights of prosperity. He also called upon everyone to work together to realise the resolve of building a strong Bihar and a developed India.

The Prime Minister also expressed gratitude for the affection and blessings received from the people of Bihar during his visit to Patna.

He said that he was overwhelmed by the warm welcome extended to him and thanked the people for their support and enthusiasm. The Prime Minister noted that the unprecedented enthusiasm among the people reflected strong public support for the Government’s commitment towards development and public service.

The Prime Minister wrote on X;

“बिहार की एनडीए सरकार में मंत्री के रूप में शपथ लेने वाले सभी साथियों को हार्दिक बधाई एवं ढेरों शुभकामनाएं! मुझे पूर्ण विश्वास है कि राज्य के चौतरफा विकास के लिए आपकी प्रतिबद्धता हमारे इस प्रदेश को समृद्धि की नई ऊंचाइयों पर ले जाएगी। आइए, हम सब मिलकर एक सशक्त बिहार और विकसित भारत के निर्माण के संकल्प को साकार करें।”

“पटना में बिहार के अपने परिवारजनों का स्नेह और आशीर्वाद पाकर अभिभूत हूं! इस स्वागत के लिए आप सभी का हृदय से आभार। आपके अभूतपूर्व उत्साह से साफ है कि विकास और जनसेवा के हमारे संकल्प को जनता-जनार्दन का भरपूर समर्थन मिल रहा है।”