Today, Jind and Haryana have permanently etched their names in the pages of history. From here today, the nation has been gifted its first Hydrogen Train: PM
Besides being completely emission-free, India's Hydrogen Train, stands as a remarkably successful testament to MAKE IN INDIA: PM
Whether it is railways or roadways, such strides in connectivity provides convenience and accelerates the pace of development manifold: PM
Our government has formulated a new National Sports Policy, the Khelo Bharat policy as well; Ranging from the Khelo India campaign to the TOPS Scheme, athletes today are being provided with unprecedented facilities: PM

ভারত মাতা কি জয়!
ভারত মাতা কি জয়!
হরিয়ানার রাজ্যপাল শ্রী অসীম ঘোষ জি, এখানকার জনপ্রিয় ও উদ্যমী মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নায়ব সিং সাইনি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, উপস্থিত অন্যান্য জনপ্রতিনিধিবৃন্দ এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে হরিয়ানার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্ত আমার প্রিয় হরিয়ানাবাসী ভাই ও বোনেরা!
আপনারা কিছু ছবি এনেছেন—নিন ভাই, এগুলো নিয়ে নিন, না হলে পেছনের মানুষজন দেখতে পাবেন না। এসপিজির সহকর্মীরা অনুগ্রহ করে এগুলো সংগ্রহ করে নিন। ধন্যবাদ ভাই, আপনারা খুব সুন্দর ছবি এঁকে এনেছেন। ওদিকে একটি ছোট্ট মেয়েও কিছু নিয়ে এসেছে, সেটিও সংগ্রহ করে নিন। এদিকেও দু'জন ভদ্রলোককে দেখতে পাচ্ছি। এখন সবাই আরাম করে বসে পড়ুন। আপনাদের ভালোবাসা এবং শিল্পসাধনার জন্য আমি আন্তরিকভাবে আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।
বন্ধুগণ,
জিন্দের এই গৌরবময় ভূমি থেকে আপনাদের সকলকে আমার আন্তরিক রাম-রাম। আজ এই পবিত্র ভূমিতে এসে আমি  আপ্লুত । এটি কোনো সাধারণ ভূমি নয়। এটি ইতিহাস, বীরত্ব, ধর্ম ও গৌরবের ভূমি। শক্তিপীঠ মা জয়ন্তীর আশীর্বাদ এই শহরের ওপর সর্বদা বিরাজমান। আর আমার কাছে জিন্দে আসা মানে বহু পুরনো স্মৃতির জানালা খুলে যাওয়া। এখানে বসে আমি অনেক পরিচিত মুখ দেখতে পাচ্ছি। অনেকেই হয়তো দাবি করেন যে, আমি একসময় তাঁদের স্কুটারে চড়ে জিন্দে ঘুরতাম। বহু দশক আগে সংগঠনের কাজে প্রথমবার জিন্দে এসেছিলাম। তখন আপনারা যে আন্তরিকতা ও ভালোবাসা আমাকে দিয়েছিলেন, তা আজও আমি ভুলতে পারিনি। মুর্রা মহিষের দুধ, দই ও ঘি, জিন্দের দেশি বুরা এবং এখানকার বিখ্যাত ঘেওয়ার—এই সবই জিন্দের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি।
 

বন্ধুগণ,
এত বছর ধরে জিন্দের ঘি আর ঘেওয়ারের স্বাদ বদলায়নি, কিন্তু জিন্দের পরিচয় ও অগ্রগতির ধারা বদলে গেছে। আজ জিন্দ বিজেপি-এনডিএর সুশাসনের এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে সমগ্র হরিয়ানাই উন্নয়নের  পথে এগিয়ে চলেছে। আজকের এই কর্মসূচি ডবল ইঞ্জিন বিজেপি সরকারের উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন শক্তি সঞ্চার করছে।
বন্ধুগণ,
আজ জিন্দ ও হরিয়ানার নাম ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ হল। দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন আজ এখান থেকেই চালু হল।
আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, আমরা আজও পড়ি ও শুনি যে, ভারতের প্রথম ট্রেন বর্তমান মুম্বই থেকে থানে পর্যন্ত চলেছিল। ঠিক তেমনই, ভবিষ্যতে যখনই হাইড্রোজেন ট্রেনের কথা বলা হবে, তখন জিন্দ, সোনিপত এবং হরিয়ানার নামও অবশ্যই উচ্চারিত হবে। ভারতীয় রেলের আধুনিকীকরণের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের জন্য আমি আপনাদের সকলকে এবং সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
আজ ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের আরও নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্প হরিয়ানাকে উৎসর্গ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একাধিক রেল ও জাতীয় সড়ক প্রকল্প, আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দুটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ। ভিওয়ানিতে পণ্ডিত নেকি রাম শর্মা মেডিক্যাল কলেজ এবং নারনৌলে মহর্ষি চ্যবন মেডিক্যাল কলেজ ও রাও তুলারাম হাসপাতাল আজ হরিয়ানার জনগণের সেবায় উৎসর্গ করা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী হবে এবং এখানকার যুবসমাজের জন্য চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসম্বন্ধীয় পেশায় যুক্ত হবার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই সমস্ত প্রকল্পের জন্যও আমি হরিয়ানায় আমার সকল ভাই-বোনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
আজ আমি জিন্দ ও হরিয়ানার জনগণকে আরেকটি বিষয়ে বিশেষভাবে প্রশংসা করতে চাই। ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ উদ্যোগকে আপনারা যে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং আমার আসার আগে যেভাবে নতুন উদ্যমে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি দেখেছি, গত এক সপ্তাহ ধরে সামাজিক মাধ্যমে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। তবে কেউ কেউ লিখেছেন—“মোদিজি, আপনি বারবার আসুন, তাহলে আমাদের জিন্দ সবসময় পরিষ্কার থাকবে।”
 

যিনি এই অনুভূতি প্রকাশ করেছেন, তাঁকে আমি ধন্যবাদ জানাই। তবে আজ আমি জিন্দবাসীর কাছে একটি অনুরোধ নিয়ে এসেছি। বলুন তো, পরিচ্ছন্নতার জন্য কি মোদির আসা জরুরি? যদি জিন্দের মানুষ, যদি হরিয়ানার মানুষ নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেন যে তাঁরা আর কোথাও নোংরা করবেন না, তাহলে জিন্দ কি কখনও অপরিচ্ছন্ন হবে? হরিয়ানায় কি নোংরা ছড়াবে?
তাই কাজ একটাই—মোদির আসার প্রয়োজন নেই। শুধু আপনারা সিদ্ধান্ত নিন, পরিচ্ছন্নতাকেই নিজেদের স্বভাব করে তুলবেন, পরিচ্ছন্নতাকেই সংস্কারে পরিণত করবেন এবং প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বানাবেন।
বন্ধুগণ,
ভারতীয় রেলের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, উনিশ শতকের রেলের পরিচয় ছিল বাষ্প ইঞ্জিন। বিংশ শতাব্দীতে ডিজেল ও বিদ্যুৎচালিত ট্রেন রেলের নতুন পরিচয় হয়ে ওঠে। আর একবিংশ শতাব্দীর রেল হবে হাইড্রোজেনচালিত। আজ ভারতীয় রেল সেই আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।
আজ জিন্দ থেকে সোনিপত পর্যন্ত হাইড্রোজেন ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আপাতত এর দূরত্ব ৯০ কিলোমিটার হলেও ভবিষ্যতে এর সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা এ নিয়ে নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাব—কীভাবে ব্যয় কমানো যায়, দক্ষতা বাড়ানো যায় এবং ধাপে ধাপে এই প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করা যায়।
বিশ্বে হাইড্রোজেন ট্রেনের ব্যবহার শুরু হয়েছে মাত্র সাত-আট বছর আগে। বর্তমানে বিশ্বের মাত্র তিন-চারটি দেশই এই প্রযুক্তিতে ট্রেন চালাতে সক্ষম এবং সেখানেও এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। কিন্তু ভারতের এই হাইড্রোজেন ট্রেনের সক্ষমতার কথা শুনলে প্রত্যেক ভারতীয়ই গর্ব অনুভব করবেন।
বন্ধুগণ,
জিন্দ থেকে সোনিপত পর্যন্ত চলাচলকারী এই হাইড্রোজেন ট্রেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হাইড্রোজেন ট্রেন। এর ক্ষমতা ৩,২০০ হর্সপাওয়ার। শুধু সবচেয়ে শক্তিশালীই নয়, ভারতের এই হাইড্রোজেন ট্রেন বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ হাইড্রোজেন ট্রেনও বটে। বর্তমানে বিশ্বের যে দেশগুলিতে হাইড্রোজেন ট্রেন চলছে,  সেগুলি সাধারণত তিন বা চারটি কোচবিশিষ্ট। কিন্তু ভারত প্রথমবারেই সরাসরি ১০ কোচের হাইড্রোজেন ট্রেন চালু করে বিশ্বমঞ্চে নিজের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে।
বন্ধুগণ,
আমি আপনাদের আরও একটি গর্বের বিষয় জানাতে চাই। ভারতের এই হাইড্রোজেন ট্রেন যেমন ধোঁয়ামুক্ত, তেমনি এটি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগেরও এক অসাধারণ সাফল্যের উদাহরণ। এই ট্রেনটি ভারতেরই প্রযুক্তিবিদেরা নকশা করেছেন এবং ভারতেরই একটি সংস্থা এটি নির্মাণ করেছে।
বন্ধুগণ,
এই হাইড্রোজেন ট্রেন অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা। এর জন্য আলাদা প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, আলাদা পরিকাঠামো এবং বিশেষ পরিকাঠামোর প্রয়োজন। জিন্দেও এই ট্রেন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। আগামী দিনে এখানে হাইড্রোজেন ট্রেন-সংক্রান্ত আরও নানা পরিকাঠামো নির্মিত হবে, নতুন নতুন কারখানা স্থাপিত হবে, যা এই নেটওয়ার্কের চাহিদা পূরণ করবে। অর্থাৎ, এই প্রকল্প হরিয়ানার যুবসমাজের জন্য বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
 

বন্ধুগণ,
গত ১২ বছরে ভারতীয় রেলে যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, তার ফলে দেশ আরও একটি বড় সুবিধা পেয়েছে। আপনারা দেখছেন, গত কয়েক মাস ধরে পশ্চিম এশিয়ায়, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী, ইরান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ চলছে। এই সমুদ্রপথ দিয়েই ভারত বিপুল পরিমাণ পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি, কৃষকদের জন্য সারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে। কিন্তু গত তিন-চার মাস ধরে এই পথ কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এবং নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে।
বন্ধুগণ,
ভাবুন তো, যদি ২০১৪ সালের আগে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো, তাহলে আজ ভারতের রেলব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে যেত। কারণ তখন দেশের বিস্তীর্ণ অংশে ট্রেন চলত শুধু ডিজেলের ওপর নির্ভর করে। যদি ডিজেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেত, তাহলে সেই ট্রেনগুলি কীভাবে চলত? গোটা দেশই এক গভীর সংকটে পড়ে যেত।
কিন্তু 
বন্ধুগণ,
এখন আর ২০১৪ সালের ভারত নেই। এখন এমন একটি সরকার রয়েছে, যা অনেক আগেই ভবিষ্যতের কথা ভেবে  সমস্যা সমাধানের পথ আগেভাগেই তৈরি করে রাখে।
আপনারা অবাক হবেন জেনে যে, ভারতীয় রেলের বিদ্যুতায়নের কাজ শুরু হয়েছিল ১৯২৫ সালে, অর্থাৎ প্রায় একশো বছর আগে। কিন্তু ১৯২৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত—প্রায় ৯০ বছরে—দেশের মোট রেলপথের মাত্র ৩০%-এরও কম বিদ্যুতায়িত করা সম্ভব হয়েছিল। অর্থাৎ, ৭০% রেলপথ তখনও ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল ছিল। সেই একই গতিতে কাজ চললে দেশের পুরো রেল নেটওয়ার্ক বিদ্যুতায়িত হতে আরও বহু দশক, হয়তো শতাব্দীও লেগে যেত।
কিন্তু গত ১২ বছরে ভারতের প্রায় ৯৯% রেল নেটওয়ার্ক বিদ্যুতায়িত হয়েছে। হরিয়ানায় রেলপথের ১০০% বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে। সেই কারণেই যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সরবরাহে সংকট থাকা সত্ত্বেও ভারতের রেল চলাচল থেমে যায়নি। দেশের উন্নয়নের গতি থেমে যায়নি। ট্রেন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলেছে।
 

বন্ধুগণ,
রেল হোক বা সড়ক—উন্নত সংযোগ ব্যবস্থা যেমন মানুষের যাতায়াত সহজ করে, তেমনি উন্নয়নের গতিকেও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আজ জিন্দ একাধিক জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। আজকের এই মঞ্চ থেকেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন হয়েছে। দিল্লি-অমৃতসর-কাটরা এক্সপ্রেসওয়ের হরিয়ানা অংশ দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। জিন্দ-গোহানা জাতীয় সড়কও উদ্বোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি আম্বালা-কালাআম্ব চার লেনের সড়ক হরিয়ানা ও হিমাচল প্রদেশ—উভয় রাজ্যের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করবে।
বন্ধুগণ,
এখন জিন্দ দেশের এমন একটি জেলা, যা পাঁচটি জাতীয় সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত। এই ধরনের উন্নত সংযোগের ফলে এখানকার কৃষক ও পশুপালকদের উৎপাদিত পণ্য বড় বড় বাজারে সহজে ও কম খরচে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে শিল্পের বিকাশ ঘটবে, পর্যটন আরও প্রসারিত হবে এবং বিপুল সংখ্যক নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বন্ধুগণ,
আপনারা জানেন, কিছুদিন আগেই আমি ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ফিরেছি। সেখানে ভারত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি। সেই বিষয়টি আমার দেশের, বিশেষ করে হরিয়ানার যুবসমাজের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। আর সেই বিষয়টি হল—খেলাধুলা ও ক্রীড়া।
বন্ধুগণ,
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ওই দুই দেশের সরকারের সঙ্গে খেলাধুলা নিয়ে আমার বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। আগামী দিনে এই দুই দেশের সঙ্গে যৌথভাবে ক্রীড়া শিল্পের উন্নয়ন, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ এবং আরও নানা ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। এর ফলে হরিয়ানার যুবকদেরও ব্যাপক উপকার হবে।
 

বন্ধুগণ,
আজ ভারতে খেলাধুলাকে সুস্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। আমাদের সরকার নতুন জাতীয় ক্রীড়া নীতি প্রণয়ন করেছে। খেলো ইন্ডিয়া অভিযান থেকে শুরু করে টপস প্রকল্প পর্যন্ত আজ খেলোয়াড়রা অভূতপূর্ব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। তাঁদের আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হচ্ছে। এখানেও  বিজেপি সরকার খেলাধুলা এবং খেলোয়াড়দের সর্বাত্মক উৎসাহ ও সহযোগিতা করছে।
বন্ধুগণ,
আজকের এই অনুষ্ঠান যদিও হাইড্রোজেন ট্রেন এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে কেন্দ্র করে, তবুও আমি এখানকার যুবসমাজকে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে চাই।
আপনারা জানেন, ২০৩০ সালে ভারত কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করবে। পাশাপাশি ২০৩৬ সালের অলিম্পিক ভারতেই আয়োজনের জন্য আমরা পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি। তাই প্রত্যেক খেলোয়াড়কে এখন থেকেই সর্বশক্তি দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, ডবল ইঞ্জিনের বিজেপি সরকার আপনাদের প্রয়োজনীয় সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।
আর যারা ২০৩৬ সালের অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে চায়, তাদের মধ্যে আজ যেসব শিশুদের বয়স ৫ থেকে ১২-১৫ বছরের মধ্যে, তাদের প্রতিই আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে। আরও একটি বিষয় জানিয়ে রাখি, আগামী দিনে আহমেদাবাদে ওয়ার্ল্ড পুলিশ অ্যান্ড ফায়ার গেমস অনুষ্ঠিত হবে। আমি হরিয়ানার যুবসমাজকে বলব, আপনারাও এই প্রতিযোগিতার জন্য মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুতি নিন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, হরিয়ানার ছেলে-মেয়েরা বরাবরের মতো এবারও নিজেদের কৃতিত্বের পরিচয় দেবে।
 

বন্ধুগণ,
হরিয়ানার ডবল ইঞ্জিন সরকার ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মন্ত্রকে সামনে রেখে কাজ করছে। মুখ্যমন্ত্রী নায়ব সিংজির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার যুবসমাজ, কৃষক এবং মা-বোনেদের কল্যাণে অসাধারণ কাজ করছে। কোনও ঘুষ বা সুপারিশ ছাড়াই সরকারি চাকরি দেওয়ার যে স্বচ্ছ ব্যবস্থা হরিয়ানা সরকার গড়ে তুলেছে, তা সহজ কাজ ছিল না। কিন্তু বিজেপি সরকার সেই কাজ করে দেখিয়েছে।
বন্ধুগণ,
কৃষকদের কল্যাণও আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়। জিন্দের কৃষি মণ্ডি হরিয়ানার অন্যতম বৃহৎ মণ্ডি। ডবল ইঞ্জিনের বিজেপি সরকারের কারণে হরিয়ানার কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের মাধ্যমে হরিয়ানার কৃষকদের ইতিমধ্যে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু জিন্দ জেলার কৃষকরাই ৬০০ কোটিরও বেশি টাকা পেয়েছেন।
বন্ধুগণ,
আমাদের দেশ সংস্কার ও সংস্কৃতির দেশ। আর এই অঞ্চল সেই সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এটি জিন্দের পবিত্র ভূমি—যেখানে মহারাজা রণজিৎ সিংয়ের গৌরব যেমন জড়িয়ে আছে, তেমনি পাণ্ডবদের স্মৃতিও অম্লান। পাণ্ডু-পিণ্ডারা এবং রামরায়-এর মতো পবিত্র তীর্থস্থান আজও লক্ষ লক্ষ ভক্তের শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের কেন্দ্র।
বন্ধুগণ,
এই আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেই আজকের ভারত সংরক্ষণ করছে এবং আগামী প্রজন্মের কাছে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পৌঁছে দিচ্ছে। সেই ভাবনা থেকেই আজ কুরুক্ষেত্রে একটি শিখ জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। হরিয়ানার এই নতুন জাদুঘর ভারতের মহান গুরু-পরম্পরার ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে।
বন্ধুগণ,
হরিয়ানা আজ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। কৃষি হোক বা শিল্প—এই দুই ক্ষেত্রই হরিয়ানার অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। আজ যেসব প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করা হয়েছে, সেগুলি হরিয়ানার উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে। আর হরিয়ানার এই দ্রুত উন্নয়ন ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার অভিযাত্রাকেও আরও শক্তিশালী করবে।
এই শুভকামনা জানিয়ে আমি আপনাদের সকলকে আবারও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। পাশাপাশি, দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন চালু হওয়ার জন্য সমগ্র দেশবাসীকেও অসংখ্য শুভেচ্ছা জানাই।
আমার সঙ্গে বলুন—
ভারত মাতা কি জয়!
ভারত মাতা কি জয়!
ভারত মাতা কি জয়!
আপনাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Rural commercial vehicle retail sales growth outpaces urban: Fada data

Media Coverage

Rural commercial vehicle retail sales growth outpaces urban: Fada data
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM condoles loss of lives in firecracker factory mishap in Kaushambi
August 31, 2026
PM announces ex-gratia from Prime Minister’s National Relief Fund

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has expressed deep sorrow over the loss of lives in a mishap at a firecracker factory in Kaushambi, Uttar Pradesh. Shri Modi conveyed his condolences to the bereaved families and prayed for the speedy recovery of the injured.

Shri Modi also announced an ex-gratia of ₹2 lakh from the Prime Minister’s National Relief Fund (PMNRF) to the next of kin of each deceased and ₹50,000 for the injured.

The Prime Minister posted on X;

Extremely saddened by the loss of lives due to a mishap at a firecracker factory in Kaushambi, Uttar Pradesh. My thoughts are with the bereaved families in this hour of grief. May the injured recover at the earliest.

An ex-gratia of Rs. 2 lakh from PMNRF would be given to the next of kin of each deceased. The injured would be given Rs. 50,000: PM @narendramodi