Kartavya Bhavan will guide the policies and direction of a developed India: PM
Kartavya Bhavan embodies the resolve to fulfil the nation's dreams: PM
India is being shaped by a holistic vision, where progress reaches every region: PM
In the past 11 years, India has built a governance model that is transparent, responsive and citizen-centric: PM
Together, let us make India the world's third-largest economy and script the success story of Make in India and Aatmanirbhar Bharat: PM
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মীবৃন্দ, এখানে উপস্থিত মাননীয় সাংসদরা, সরকারি কর্মচারীবৃন্দ, অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, ভদ্রমহোদয় এবং ভদ্রমহোদয়াগণ!
অগাস্ট মাস বিপ্লবের মাস এবং ১৫ অগাস্টের আগে এই ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে। আমরা একের পর এক আধুনিক ভারত নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সাফল্য প্রত্যক্ষ করছি। জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে কর্তব্য পথ এখানে দেশের নতুন সংসদ ভবন, নতুন রক্ষা ভবন, ভারত মণ্ডপম, যশোভূমি, শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি করা জাতীয় যুদ্ধস্মারক, নেতাজী সুভাশ চন্দ্র বসুর মূর্তি এবং বর্তমানে এই কর্তব্য ভবন। এগুলি কেবলমাত্র কিছু নতুন ভবন বা পরিকাঠামো নয়, এই ভবনগুলির মধ্য থেকেই অমৃতকালে বিকশিত ভারতের নীতি প্রণয়ন হবে, নেওয়া হবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আগামী দশকে এখান থেকেই দেশের উন্নয়নের দিশা-নির্দেশ তৈরি হবে। সকল দেশবাসীকে কর্তব্য ভবন উদ্বোধনের জন্য আমি অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই। আমি এর নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত সব ইঞ্জিনিয়ার এবং শ্রমিকদেরও এই মঞ্চ থেকে ধন্যবাদ জানাই।
বন্ধুগণ,
আমরা অনেক আলোচনার পর, এই ভবনের নামকরণ ‘কর্তব্য ভবন’ রেখেছি। কর্তব্য পথ ও কর্তব্য ভবনের মতো এই নামকরণগুলি আমাদের গণতন্ত্র ও সংবিধানের সার কথা ঘোষণা করে। গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, न मे पार्थ अस्ति कर्तव्यं त्रिषु लोकेषु किंचन, नान-वाप्तं अ-वाप्तव्यं वर्त एव च कर्मणि॥ অর্থাৎ, আমরা কি অর্জন করতে পারি, তা আমাদের দেখতে হবে। ভারতীয় সংস্কৃতিতে কর্তব্য কথাটি কেবলমাত্র দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, কর্তব্য হ’ল আমাদের দর্শনের মূল চেতনা। তাই, কর্তব্য কেবল একটি ভবনের নাম নয়, এটি কোটি কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার পবিত্র ভূমি। কর্তব্য হ’ল কাজের শুরু। আমাদের স্বপ্নের সঙ্গী, সংকল্পের আশা, কঠোর পরিশ্রমের দিশা এবং প্রতিটি জীবনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের ইচ্ছাশক্তি। কর্তব্য হ’ল – লক্ষ লক্ষ দেশবাসীর অধিকার রক্ষার ভিত্তি। ভারতমাতার প্রাণশক্তির পতাকাবাহী। এটি হ’ল – নাগরিক দেবো ভবঃ অর্থাৎ, নাগরিক-ই ঈশ্বর – এই মন্ত্রকের জপনা।
বন্ধুগণ,
স্বাধীনতার পর বেশ কয়েক দশক পর্যন্ত দেশে প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্রিটিশ শাসনকালে নির্মিত হওয়া ভবনগুলিতে হ’ত। আপনারা জানেন যে, বেশ কয়েক দশক আগে তৈরি হওয়া ঐ ভবনগুলিতে কাজের পরিবেশ কতটা খারাপ ছিল। এখন ভিডিও-তেও এর কিছু ঝলক দেখেছেন আপনারা। সেখানে কর্মরতদের জন্য না আছে পর্যাপ্ত স্থান, না পর্যাপ্ত আলো, না যথাযথ বায়ু সঞ্চালন। আপনারা কল্পনা করতে পারেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক প্রায় ১০০ বছর ধরে অপর্যাপ্ত স্থান রয়েছে এমন একটি ভবনে নিজের কাজ চালিয়ে গেছে। কেবল তাই নয়, ভারত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক দিল্লির ৫০টি ভিন্ন জায়গা থেকে নিজেদের কাজ চালাচ্ছিল। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মন্ত্রক ভাড়া করা ভবনে নিজেদের কাজ চালাতো। ঐ ভবনগুলিতে ভাড়া দেওয়ার জন্য যে অর্থ ব্যয় হ’ত, তা বিপুল সংখ্যক। প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা প্রতি বছর এই ভাড়া দেওয়ার জন্য খরচ হ’ত। এছাড়াও ছিল অন্য আরেক অসুবিধা। কাজের জন্য কর্মচারীদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করতে হ’ত। প্রতিদিন আনুমানিক ৮ – ১০ হাজার কর্মচারীকে এক মন্ত্রক থেকে অন্য মন্ত্রকে যাতায়াত করতে হয়। এর জন্য কয়েকশো গাড়ি চলাচল হ’ত। খরচের পাশাপাশি, রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা বাড়ত, নষ্ট হ’ত সময়।
বন্ধুগণ,
একুশ শতকের ভারতের আধুনিক ব্যবস্থা প্রয়োজন এবং অত্যাধুনিক ভবনেরও প্রয়োজন। এমন ভবন প্রয়োজন, যেখানে প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা সবকিছুই উন্নতমানের রয়েছে। কর্মচারীরা সহজভাবে কাজ করতে পারলে উন্নত পরিষেবা পাওয়া সম্ভব। এটি প্রথম কর্তব্য ভবন, যার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন আরও কয়েকটি কর্তব্য ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। অফিসগুলি এখন কাছাকাছি হবে। কর্মচারীরা পাবেন যথাযথ কাজের পরিবেশ। এরফলে, সামগ্রিকভাবে কাজের মান উন্নত হবে। আর ভাড়া বাবদ সরকারের যে দেড় হাজার কোটি খরচ হ’ত, তাও বাঁচানো সম্ভব হবে।
বন্ধুগণ,
আমাদের সরকার এক সামগ্রিক লক্ষ্যের সঙ্গে ভারতকে নতুনভাবে গড়ে তোলার কাজ করছে। দেশের এমন কোনও অংশ নেই, যেখানে এখন উন্নয়ন হচ্ছে না। দিল্লিতে নতুন সংসদ ভবন যেমন নির্মিত হয়েছে, তেমনই সমগ্র দেশে ৩০ হাজারেরও বেশি পঞ্চায়েত ভবনও নির্মিত হয়েছে। আজ এখানে একটি কর্তব্য ভবন গড়ে উঠেছে, তেমনই সমগ্র দেশে দরিদ্রদের জন্য ৪ কোটিরও বেশি পাকা বাড়ি নির্মিত হয়েছে। এখানে জাতীয় যুদ্ধ স্মারক, পুলিশ স্মারক তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সমগ্র দেশে ৩০০টিরও বেশি নতুন মেডিকেল কলেজও তৈরি হয়েছে। এখানে গড়ে উঠেছে ভারত মণ্ডপম। সমগ্র দেশে ১ হাজার ৩০০টিরও বেশি নতুন অমৃত ভারত রেল স্টেশন গড়ে উঠেছে। এখানে যশোভূমি তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, সমগ্র দেশে বিগত ১১ বছরের প্রায় ৯০টি নতুন বিমানবন্দরও নির্মিত হয়েছে।
বন্ধুগণ,
মহাত্মা গান্ধী বলতেন, অধিকার এবং কর্তব্য একে অপরের সঙ্গে জড়িত। কর্তব্য পালনের মাধ্যমেই আমাদের অধিকার মজবুত হয়। আমরা নাগরিকদের কাছ থেকে তাঁদের কর্তব্য পালনের অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু, সরকার থাকার জন্য আমাদের দায়িত্ব সর্বোপরি। কোনও সরকার যখন যথাযথভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে, তখন সুশাসন নজরে আসে। আপনারা সকলেই জানেন যে, বিগত এক দশক দেশে সুশাসনের দশক ছিল। সুশাসন এবং উন্নয়নের মাধ্যমে সংস্কার সম্ভব হয়েছে। আমরা দূরদর্শী চিন্তাভাবনার সঙ্গে এগিয়ে চলেছি। সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে উন্নত করার লক্ষ্যে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। জীবনযাপন সরলীকরণ, বঞ্চিতদের সুযোগ প্রদান, মহিলাদের ক্ষমতায়নের মতো সরকারের কার্যপ্রণালী দেশে ক্রমাগত চলছে। আমরা গর্বিত যে, বিগত ১১ বছরে দেশে এমন এক শাসন ব্যবস্থা কায়েম হয়েছে, তা পারদর্শী, সংবেদনশীল ও নাগরিক-কেন্দ্রিক।
বন্ধুগণ,
আমি দেশের যে অংশেই যাই, সেখানে জন ধন, আধার ও মোবাইল, জেম – এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়। সমগ্র বিশ্ব এই উদ্যোগগুলির প্রশংসা করে। যে কেউ এটি জানতে পেরে আশ্চর্য হন যে, আমাদের দেশে এখন রেশন কার্ড, রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি বা বৃত্তি – সবকিছুই সরাসরি সুবিধাপ্রাপকদের ব্যাঙ্ক মারফৎ প্রদান করা হয়। এই ব্যবস্থার ফলে, দেশের ৪ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ মধ্যসত্ত্বভোগীদের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে। অর্থাৎ, সুবিধাপ্রাপকরাও খুশি হচ্ছেন। অন্যদিকে, দেশের অর্থও সাশ্রয় হচ্ছে।
বন্ধুগণ,
কেবলমাত্র দুর্নীতি নয়, অনভিপ্রেত নিয়ম-কানুনও নাগরিকদের ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছিল। সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা মন্থর হয়ে পড়েছিল। এজন্য আমরা ১ হাজার ৫০০-রও বেশি পুরনো আইন বাতিল করেছি। বিগত ১১ বছরে ৪০ হাজারেরও বেশি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই কাজ এখনও চলছে।
বন্ধুগণ,
ভারত সরকারের বরিষ্ঠ সচিব এখানে উপস্থিত রয়েছেন। আপনারা জানেন যে, আগে কিভাবে বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগের দায়িত্ব আপনাদের উপর ন্যস্ত থাকত। সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেরী হ’ত, থমকে যেত কাজ। আমরা বিভিন্ন বিভাগ একত্রিত করে কাজ সহজ করেছি। কয়েকটি মন্ত্রককেও যুক্ত করা হয়েছে। আবার প্রয়োজন রয়েছে, এমন স্থানে নতুন মন্ত্রক গড়ে তোলা হয়েছে। যেমন – জল নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে জল শক্তি মন্ত্রক গড়ে তোলা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রকও তৈরি করা হয়েছে আমাদের তরুণ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে। এইসব সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের কর্মদক্ষতা বেড়েছে, উন্নত হয়েছে প্রশাসন ব্যবস্থা।
বন্ধুগণ,
আমরা সরকারের কর্মসংস্কৃতি উন্নত করার জন্যও কাজ করছি। মিশন কর্মযোগী, আইগট – এর মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি আমাদের সরকারি কর্মচারীদের প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করে তুলছে। ই-অফিস, ফাইল ট্র্যাকিং, ডিজিটাল অ্যাপ্রুভালের মতো ব্যবস্থা চালু হয়েছে।
বন্ধুগণ,
আমরা যখন নতুন কোনও বাড়িতে যাই, তখন আমাদের মধ্যে নতুন উৎসাহ তৈরি হয়। আপনারাও এই উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এই নতুন ভবনের নিজেদের দায়িত্ব পালন করবেন। আপনারা যাঁরা যে পদে রয়েছেন, তাঁরা নিজেদের কার্যকাল স্মরণীয় করার জন্য কাজ করবেন। আপনারা যখন এখান থেকে যাবেন, তখন যেন এমন মনে হয় যে, আপনারা দেশের সেবায় নিজেদের ১০০ শতাংশ দিয়েছেন।
বন্ধুগণ,
আমাদের ফাইল নিয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলের প্রয়োজন। একটি ফাইল, একটি অভিযোগ, একটি আবেদন – এগুলি দেখতে হয়তো প্রতিদিনের কাজ বলে মনে হয়। কিন্তু, কারও জন্য হয়তো ঐ একটি কাগজ নতুন আশা সঞ্চার করতে পারবে। একটি ফাইলের সঙ্গে কত মানুষের জীবন যুক্ত হতে পারে। ১ লক্ষ মানুষের সঙ্গে যুক্ত এমন একটি ফাইল যদি আপনার টেবিলে একদিনও দেরী হয়, তা হলে ১ লক্ষ মানব দিবস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আপনারা এই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে কাজ করলে শাসন ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। আপনারা যদি কোনও নতুন চিন্তাভাবনা অন্তর্ভুক্ত করতে চান, তা হলেও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। এভাবেই যথাযথভাবে কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়ে আমাদের দেশ গঠনের কাজে যুক্ত হতে হবে।
বন্ধুগণ,
আজ কোনও আলোচনা করার সময় নয়, তবে আত্মমন্থন অবশ্যই করতে হবে। আমাদের সমকালীন সময়ে স্বাধীন হয়েছে, এমন কত দেশ দ্রুত উন্নত হয়েছে। কিন্তু, ভারত এত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারেনি। এর কারণ হয়তো অনেক। কিন্তু, এখন আমাদের দায়িত্ব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা উন্নত দেশ গড়ে তুলব। পুরনো ভবনে বসে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে নীতি প্রণয়ন করেছি, তাতে ২৫ কোটি দেশবাসী দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার সাহস পেয়েছে। ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করা এক অত্যন্ত বড় পদক্ষেপ। কিন্তু, এরপরও আমাদের ভাবতে হবে। নতুন ভবনে নতুন কর্মদক্ষতার সঙ্গে যত বেশি সম্ভব দেশকে দিতে হবে। ভারত সম্পূর্ণভাবে দারিদ্রমুক্ত করার কাজে এগিয়ে যেতে হবে। এই ভবনেই বিকশিত ভারত – এর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। আমাদের সকলকে একযোগে ভারত’কে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও আত্মনির্ভর ভারত – এর সাফল্যের গাথা আমাদের রচনা করতে হবে। আমাদের সংকল্প হওয়া উচিৎ দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো। পর্যটনের কথা যদি বলি, তা হলে সমগ্র বিশ্ব থেকে এখন মানুষ ভারতে আসছেন। আমাদের ভারতের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে হবে।
বন্ধুগণ,
সফল দেশ যখন সামনের দিকে এগিয়ে যায়, তখন নিজের ঐতিহ্য কখনও পরিহার করে না, বরং তা সংরক্ষিত করে। উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের এই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়েই আমাদের ভারত এখন সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। নতুন কর্তব্য ভবনের পর নর্থ ও সাউথ ব্লক ভারতের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে উঠবে। সেখানে গড়ে তোলা হবে সংগ্রহালয়। দেশের সব নাগরিক সেখানে যেতে পারবেন। দেশের ঐতিহাসিক যাত্রা করতে পারবেন। আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা সকলে এখানকার ঐতিহ্য ও প্রেরণাকে সঙ্গে নিয়ে কর্তব্য ভবনে প্রবেশ করব। আমি আরও একবার দেশবাসীকে কর্তব্য ভবন উদ্বোধন উপলক্ষ্যে অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই।
The days of TMC’s hooliganism are coming to an end: PM Modi in Kolkata, West Bengal
March 14, 2026
Share
The days of TMC’s hooliganism are coming to an end. The countdown for the departure of the TMC government has begun: PM Modi in Kolkata rally
Due to infiltration, Bengal’s ‘roti, beti and mati’ are under threat. Jobs of local people are being snatched away, security of our daughters is at risk and illegal encroachments are taking place: PM Modi
I assure the mothers and sisters of Bengal that under a BJP government, women will be safe and criminals will be behind bars: PM Modi’s promise to West Bengal
First the Congress, then the Communists and now the TMC - they kept coming one after another, filling their pockets while development work in Bengal remained stalled: PM’s concern in West Bengal
भारत माता की... भारत माता की... भारत माता की...
ये बेटी कब से चित्र लेकर खड़ी है कोई कलेक्ट कर लीजिए ताकि वो बेटी आराम से बैठ सके। जरा एसपीजी के लोग इसे कलेक्ट कर लीजिए। धन्यवाद बेटा... बहुत बढ़िया चित्र बनाया आपने...
बंगाल की ये ऐतिहासिक धरती....ये ब्रिगेड परेड ग्राउंड का ऐतिहासिक मैदान.....और, बांग्ला मानुष का ये ऐतिहासिक जन-सैलाब... जहां जहां मेरी नजर पहुंच रही हो लोग ही लोग नजर आ रहे हैं। ये अद्भुत दृश्य है। ये.आपका उत्साह...ये आपका जोश...बंगाल क्या सोच रहा है....बंगाल के मन में क्या चल रहा है....अगर किसी को ये देखना है, तो जरा ये तस्वीरें देख ले!
ब्रिगेड परेड ग्राउंड का इतिहास साक्षी है....जब-जब बंगाल देश को दिशा देता है...ये ब्रिगेड मैदान बंगाल की आवाज़ बनता है। इस मैदान से अंग्रेजी हुकूमत के खिलाफ उठी आवाज. और वो आवाज हिंदुस्तान में एक क्रांति बन गई थी। और उसका नतीजा क्या हुआ...अंग्रेजों के अत्याचार और लूट का खात्मा हुआ! आज एक बार फिर...ब्रिगेड ग्राउंड से नए बंगाल की क्रांति का बिगुल बज गया है। बंगाल में बदलाव अब दीवारों पर भी लिख चुका है... और बंगाल के लोगों के दिलों में भी छप चुका है। अब बंगाल से निर्मम सरकार का अंत होकर रहेगा... अब बंगाल से महाजंगलराज का खात्मा होगा। इसीलिए, बंगाल के हर कोने से आवाज उठ रही है... चाइ बीजेपी शॉरकार चाइ बीजेपी शॉरकार पाल्टानो दोरकार, चाइ बीजेपी शॉरकार
साथियों,
कल TMC ने इस रैली में आने वाले आप सभी लोगों को चोर कहकर गाली दी है। असली चोर कौन है, ये बंगाल की प्रबुद्ध जनता जानती है। अपनी कुर्सी जाते हुए देखकर... यहां की निर्मम सरकार बौखला गई है।
साथियों,
आज भी इस विशाल सभा को रोकने के लिए निर्मम सरकार ने सारे हथियार निकाल लिए आपलोगों को आने से रोकने के लिए ब्रिज बंद करवा दिए, गाड़ियां रुकवा दी, ट्रैफिक जाम करवाया, भाजपा के झंडे उखड़वा दिए, पोस्टर फड़वा दिए। लेकिन निर्मम सरकार साफ-साफ देख लो आज के जनसैलाब को रोक नहीं पाई हो। बंगाल में महाजंगलराज लाने वालों का काउंटडाउन शुरू हो चुका है। वो दिन दूर नहीं जब बंगाल में फिर से कानून का राज होगा...जो कानून तोड़ेगा... जो अत्याचार करेगा...TMC के किसी अत्याचारी को छोड़ा नहीं जाएगा। चुन-चुन के हिसाब लिया जाएगा।
भाइयों बहनों,
यहां की निर्मम सरकार चाहे अब जितना जोर लगा ले...परिवर्तन की इस आंधी को अब निर्मम सरकार रोक नहीं पाएगी... भाजपा के साथ...एनडीए के साथ...महिषासुरमर्दिनी का आशीर्वाद है। श्री रामकृष्ण परमहंस...स्वामी विवेकानंद....नेताजी सुभाष चंद्र बोस....ऋषि बंकिम चंद्र, गुरुदेव रवीन्द्र नाथ टैगोर....ईश्वर चंद विद्यासागर...बाघा जतिन और खुदीराम बोस...डॉ. श्यामा प्रसाद मुखर्जी.....लोकमाता रानी रॉशमोनी...ऐसी सभी महान विभूतियों ने जिस बंगाल की परिकल्पना की थी....भारतीय जनता पार्टी की सरकार...उस बंगाल का निर्माण करेगी, नवनिर्माण करेगी।
साथियों,
बंगाल का विकास नेक नीयत से होगा, सही नीतियों से होगा। बंगाल में अभी हमारी सरकार नहीं है। लेकिन फिर भी, केंद्र सरकार के जरिए बीजेपी दिन-रात बंगाल के विकास में लगी हुई है। आज भी, मैंने 18 हजार करोड़ रुपए से अधिक की परियोजनाओं का उद्घाटन और शिलान्यास किया है। अभी-अभी 18 हजार करोड़.. कितना... कितना.. 18 हजार करोड़... कितना... कितना... कितना... चार दिन पहले ही, कैबिनेट ने पश्चिम बंगाल के लिए मल्टी-ट्रैकिंग प्रोजेक्ट्स को मंजूरी दी है। ये सभी प्रोजेक्ट पश्चिम बंगाल में कनेक्टिविटी को बेहतर बनाएंगे। इसका फायदा यहां के सामान्य मानवी, किसान, व्यापारी और स्टूडेंट्स को मिलेगा।
भाइयो और बहनों,
यहां की निर्मम सरकार ने बंगाल के युवाओं को पलायन का अभिशाप दिया है। आप सब जानते हैं.... बंगाल के युवा प्रतिभा और हुनर में सबसे आगे हैं। बंगाल के युवा मेहनत करने में सबसे आगे हैं। बंगाल एक समय पर पूरे भारत के विकास को गति देता था... बंगाल व्यापार और उद्योगों में सबसे आगे था। लेकिन, आज हालात क्या हैं? यहाँ का युवा ना डिग्री ले पा रहा है... और ना ही उसे रोजगार मिल रहा है! आपके बेटे-बेटियों को काम की तलाश में दूसरे राज्यों में पलायन करना पड़ता है।
साथियों,
पहले कांग्रेस, फिर कम्युनिस्ट और अब TMC…. ये लोग एक के बाद एक आते रहे.... अपनी जेबें भरते रहे.... और बंगाल में विकास के काम ठप्प पड़े रहे। इनफ्रास्ट्रक्चर के मामले में हमारा बंगाल पीछे होता चला गया। उद्योग धंधे बंद होते चले गए। यहाँ टीएमसी सरकार में नौकरियां खुलेआम बेची जा रही हैं। भर्तियों में घोटाले हो रहे हैं। अब समय आ गया है.... अब समय आ गया है.... ये हालात बदलें, बंगाल के युवाओं को बंगाल में काम मिले! ये नौजवान बंगाल के विकास का नेतृत्व करें! एई शोप्नो आपनार, आर एई शोप्नो पूरोन कोरा.... मोदीर गारंटी! मोदीर गारंटी!
साथियों,
TMC सरकार का एक ही एजेंडा है.... ये टीएमसी वाले न खुद काम करेंगे, न करने देंगे! जब तक इनको अपना कटमनी नहीं मिल जाता.... ये किसी भी योजना को गाँव-गरीब तक नहीं पहुँचने देते! इसीलिए, TMC सरकार केंद्र की योजनाओं को रोककर रखती है। आप देखिए.... हम कारीगरों और कामगारों को आगे बढ़ाने के लिए पीएम-विश्वकर्मा योजना चला रहे हैं। हमारे कुम्हार, लोहार, बढ़ई... ऐसे हुनरमंद लोगों को इसका लाभ मिल रहा है। लेकिन, निर्मम सरकार ने बंगाल में योजना पर ब्रेक लगा रखा है। मुझे बताइए भाइयों, मेरे इन विश्वकर्मा भाइयों को भारत सरकार के पैसे पहुंचने चाहिए कि नहीं पहुंचने चाहिए, उनको मदद मिलनी चाहिए कि नहीं मिलनी चाहिए , उनका भविष्य उज्ज्वल होना चाहिए कि नहीं होना चाहिए.. केंद्र सरकार पैसे दे रही है, बंगाल को कुछ नहीं करना है लेकिन उसके बावजूद भी ये विश्वकर्मा समाज के छोटे-छोटे भाई-बहनों को उससे वंचित रखा जाता है।
साथियों,
देशवासियों को मुफ्त बिजली देने के लिए हमने पीएम-सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना शुरू की है। केंद्र की भाजपा सरकार इसके लिए हर लाभार्थी को 75 से 80 हजार रुपए देती है। आपको, बंगाल के मेरे भाई-बहनों को, हर परिवार को मोदी सरकार 75 से 80 हजार रुपए रुपये देती है। जो लाभार्थी पीएम सूर्य घर मुफ्त बिजली योजना से जुड़ता है, उसके घर का बिजली बिल जीरो हो जाता है...लेकिन बंगाल सरकार इसे भी लागू नहीं होने दे रही। आप मुझे बताइए आपका बिजली बिल जीरो होना चाहिए कि नहीं। बिजली बिल जीरो करने के लिए मोदी की मदद मिलनी चाहिए कि नहीं चाहिए। जो इसे रोकते हैं वो आपके दुश्मन हैं कि नहीं हैं… बंगाल के दुश्मन हैं कि नहीं हैं… हर परिवार के दुश्मन हैं कि नहीं है।
साथियों,
बंगाल के विकास में चाय बागानों और उनमें काम करने वाले श्रमिकों की बड़ी भूमिका है। लेकिन चाय बागानों के श्रमिकों को PM चाह श्रमिक प्रोत्साहन योजना का लाभ नहीं मिल रहा है। मुझे बताइए.. चाय बागान के मेरे श्रमिकों को ये लाभ मिलना चाहिए कि नहीं मिलना चाहिए… उनको मदद मिलनी चाहिए कि नहीं मिलनी चाहिए। केंद्र सरकार की इस योजना में बंगाल सरकार रोड़े अटका रही है।
साथियों,
आप सबने देश भर में पीएम-आवास योजना की सफलता के बारे में सुना है! दुनिया के लोग भी जब सुनते हैं ना तो अचरज करते हैं। जो लोग बंगाल से बाहर रह रहे हैं… ऐसे हर गरीब परिवार को पक्का घर मिल रहा है। लेकिन यहां क्या हुआ? योजना का नाम बदल दिया गया। लाभार्थियों की सूची में गड़बड़ की। और जिन गरीबों को घर मिलना चाहिए था, वे आज भी इंतजार कर रहे हैं। ईमानदारी से, ट्रांसपैरेंसी से बंगाल के गरीबों को पक्का घर मिलना चाहिए कि नहीं मिलना चाहिए….ये टीएमसी सरकार मिलने देगी क्या… ये निर्मम सरकार मिलने देगी क्या… ये सरकार जानी चाहिए कि नहीं जानी चाहिए… गरीबों को घर मिलना चाहिए कि नहीं मिलना चाहिए
साथियों,
इतना ही नहीं, यही हाल जल जीवन मिशन का भी है। बंगाल में लोग पूछ रहे हैं...जब देश के बाकी हिस्सों में हर घर जल पहुंच सकता है, तो बंगाल में क्यों नहीं? भाइयों बहनों, केवल बिजली, पानी, सड़क और घर इसकी ही बात नहीं है....ये टीएमसी की सरकार...अपनी स्वार्थी राजनीति की वजह से आयुष्मान योजना को लागू नहीं कर रही है। देश के करोड़ों लोग इस योजना के तहत पाँच लाख रुपए तक के मुफ्त इलाज का लाभ उठा रहे हैं। मुझे बताइए, गरीबों को बीमारी में पांच लाख रुपये तक की मदद पहुंचनी चाहिए कि नहीं पहुंचनी चाहिए.. मोदी दे रहा है मिलनी चाहिए कि नहीं मिलनी चाहिए… ये टीएमसी सरकार बीमार लोगों का दुश्मन है कि नहीं है.. अत्याचारी है कि नहीं है… लेकिन बंगाल के गरीब परिवारों को पांच लाख रुपये वाली आयुष्मान योजना से भी, उस अधिकार से वंचित रखा गया है।
साथियों,
आज बंगाल के किसान की हालत भी किसी से छिपी नहीं है. मुझे बताया गया है कि दो-तीन दिन पहले ही चंद्रकोना में हमारे एक आलू किसान ने खुदकुशी कर ली है। आत्महत्या कर ली है। पश्चिमी मिदनापुर से हुगली और बर्धवान तक....किसानों से झूठ वायदे और सरकारी खरीद में घोटाला ही ये टीएमसी सरकार की पहचान बन गया है। TMC के कट, कमीशन और करप्शन के कारण.... गंदी राजनीति के लिए किसानों की जिंदगी से, गरीबों और मध्यम वर्ग की जिंदगी से माताओं और बहनों की सुरक्षा से खिलवाड़ किया जा रहा है। इसीलिए....TMC जाएगी.... तो हर गरीब को पक्का घर मिलेगा। गरीब को पक्का घर मिलना चाहिए कि नहीं मिलना चाहिए… मिलना चाहिए कि नहीं मिलना चाहिए.. ये मोदी की गारंटी है। हर गरीब परिवार को बता देना कि जैसे ही टीएमसी की सरकार जाएगी गरीबों का पक्का घर बनना शुरू हो जाएगा। TMC जाएगी.... तो हर घर साफ जल पहुंचेगा। TMC जाएगी.... तो हर गरीब को मुफ्त इलाज मिलेगा। TMC जाएगी.... तो कारीगरों को नए अवसर मिलेंगे। TMC जाएगी.... तभी बंगाल में सुशासन आएगा।
साथियों,
हमारे बंगाल ने आज़ादी के बाद विभाजन सहा! विभाजन की आग देखी.... मजहबी दंगे देखे.... बाद के दशकों में अस्थिरता देखी.... घुसपैठ का दौर देखा... रक्तपात सहा! इस सबकी सबसे बड़ी भुक्तभोगी अगर कोई थीं, तो बंगाल की माताएं, बहनें, बेटियां, बंगाल की महिलाएं थीं। लेफ्ट की सरकार में अपहरण, हत्या, बलात्कार का वो दौर कोई नहीं भूल सकता। इसलिए बंगाल के आप लोग... लेफ्ट को हटाकर बढ़ी आशा के साथ TMC को लेकर आए! आपने TMC पर भरोसा किया! लेकिन, TMC ने लेफ्ट के गुंडों और माफियाओं को ही अपनी पार्टी में भर्ती कर लिया। आज बंगाल में अपराधियों को खुली छूट है। आए दिन बहन-बेटियों के खिलाफ दिल दहलाने वाले अपराध होते हैं। बंगाल का कोई इलाका ऐसी घटनाओं से अछूता नहीं है। आप याद करिए.... कॉलेज परिसर में दुष्कर्म की घटना.... नाबालिग बेटियों से दुष्कर्म के मामले.... TMC कार्यालय में महिला से बलात्कार.... 7-8 साल की बच्चियों से बलात्कार के खौफनाक कुकृत्य.... कहीं आदिवासी बेटी के साथ दुष्कर्म.... ऐसे ज़्यादातर मामलों में अपराधी कोई न कोई कोई न कोई TMC का नेता होता है... या TMC से जुड़ा होता है!
साथियों,
यहां निर्मम सरकार खुलेआम बलात्कारियों को संरक्षण देती है। अपराधियों को बचाने की पूरी कोशिश की जाती है। आप मुझे बताइए.. अपराधियों को बचाया जाता कि नहीं बचाया जाता… बलात्कारियों को बचाया जाता कि नहीं बचाया जाता.. संदेशखाली की वो तस्वीरें, और TMC सरकार का रवैया...आर.जी. कर अस्पताल की उस बेटी के साथ हुई दरिंदगी...बंगाल के लोग भूले नहीं हैं....TMC कैसे खुलेआम अपराधियों के साथ खड़ी नज़र आती थी।
साथियों,
इसी मानसिकता का परिणाम है... आज महिलाओं के खिलाफ एसिड अटैक… एसिड अटैक जैसे घिनौने अपराध इतने ज्यादा पश्चिम बंगाल में हो रहे हैं। जो बंगाल एक समय देश का सबसे प्रगतिशील राज्य होता था...आज वहाँ शाम होते ही माएं बेटियों को फोन करके कहती हैं....बाड़ी फिरे ऐशो शोन्धे नामार आगे। शक्ति की पूजा करने वाले बंगाल को ऐसे हालात मंजूर नहीं होंगे। मैं बंगाल की मेरी माताओं बहनों को भरोसा दिलाता हूँ....आप भाजपा को बीजेपी को अपना आशीर्वाद दीजिये। बीजेपी सरकार में महिलाएं सुरक्षित होंगी...और अपराधी जेल में होंगे। और ये मोदी की गारंटी है।
साथियों,
TMC सरकार गुंडों और अपराधियों की बैसाखी पर चलती है। रंगबाजी और कटमनी... ये TMC की कमाई का जरिया है। ये लोग जानते हैं.... जिस दिन बंगाल के लोग खुलकर सामने आ गए...TMC की विदाई पक्की है। और मैं ये दृश्य देखकर कह सकता हूं कि अब टीएमसी को बचाने वाला कोई नहीं बचा है इसीलिए, ये बंगाल के आप लोगों को डरा-धमकाकर रखना चाहते हैं। इसके लिए TMC वाले माफिया गिरोहों को पालते हैं। ये कट्टरपंथियों को संरक्षण देते हैं। और ऐसे गिरोहों की ताकत बढ़ाने के लिए घुसपैठियों को बुलाते हैं.... घुसपैठियों को
साथियों,
ये TMC 'माँ, माटी, मानुष' के नारे पे सत्ता में आई थी..... आज वही माँ रो रही है… माटी को लूटा जा रहा है.... और, बंगाली मानुष बंगाल छोड़ने पर मजबूर हो रहा है। घुसपैठियों की वजह से आज बंगाल की ‘रोटी, बेटी, माटी’ उस पर सबसे बड़ा खतरा आ गया है। ये लोग बंगाल के लोगों का रोजगार छीन रहे हैं। हमारी बहन बेटियों की सुरक्षा खतरे में पड़ गई है। और, बंगाल के लोगों की ज़मीनों पर, बंगाल की माटी पर इन घुसपैठियों को कब्जा दिलवाया जा रहा है। इसका परिणाम आज सबके सामने है। बीते दशकों में बंगाल के ज़्यादातर इलाकों में डेमोग्राफी बदल गई है। बंगाली हिंदुओं को जानबूझकर अल्पसंख्यक बनाया जा रहा है। तुष्टीकरण का ऐसा खुला खेल.... जब शरणार्थी हिंदुओं को नागरिकता देने की बात होती है, तो पूरी TMC उसका विरोध करती है। वो हिन्दू... जिन्होंने कभी विभाजन का समर्थन नहीं किया था! जिन्होंने हमेशा अविभाजित बंगाल को, भारत को अपनी मातृभूमि माना! TMC वाले उन्हें नागरिकता देने का विरोध करते हैं। क्योंकि, उनके लिए उनका वोट बैंक ही सबसे प्रमुख है। वो हिंदुओं को वो अपना वोटबैंक नहीं समझते! उनसे उनके आपराधिक गिरोह नहीं बढ़ते! इसीलिए, ये लोग SIR का भी विरोध करते हैं। ताकि, घुसपैठियों के नाम वोटर लिस्ट से हट ना जाएं...वोटर लिस्ट शुद्ध ना हो जाए! ये तो ऐसे लोग है … जिनकी मृत्यु हो जाए उनके नाम तक निकालने को तैयार नहीं हैं ।
भाइयों बहनों,
डेमोग्राफी के इस खतरनाक बदलाव ने आज बंगाल को असुरक्षित बना दिया है। और अब तो, यहां खुलेआम धमकी दी जा रही है! कहा जा रहा है कि एक खास कम्यूनिटी वाले मिलकर आप लोगों को खत्म कर देंगे! संवैधानिक कुर्सी पर बैठकर ऐसी धमकी !!! करोड़ों बंगाली लोगों को खत्म करने की बात !!!....आपके मुंह में शोभा नहीं देती है मैं पूछना चाहता हूँ…वो कौन लोग हैं, जो TMC सरकार के इशारों पर करोड़ों लोगों को खत्म कर देंगे?
साथियों,
धमकाने-डराने की इस राजनीति को...TMC ने इसे अपना हथियार बना लिया है। चुनाव में वोटरों को धमकी... सरकार के नीतियों के आलोचकों को धमकी... मीडिया को धमकी... विपक्ष को धमकी... ये बंगाल में खौफ का कैसा माहौल बनाकर रखना चाहते हैं... ये पूरे देश को जानना चाहिए... ये लोग कहते हैं... तृणमूल को जिसका वोट नहीं, TMC को जिसका वोट नहीं, तो वो बंगाली नहीं! तृणमूल को वोट नहीं, तो सरकार योजना का लाभ नहीं! तृणमूल को वोट नहीं, तो घरों में बिजली पानी नहीं! TMC सिंडीकेट के जरिए नहीं जाओगे, तो कोई सप्लाइ नहीं! लेकिन साथियों, मैं TMC को याद दिलाना चाहता हूँ... TMC की गुंडागर्दी के दिन अब खत्म होने जा रहे हैं। TMC सरकार के जाने का काउंटडाउन शुरू हो चुका है। यहां बंगाल में बीजेपी सरकार बनने के बाद एक तरफ हम, सबका साथ, सबका विकास ये मंत्र लेकर चलेंगे, दूसरी तरफ सबका हिसाब लिया जाएगा। टीएमसी के वे गुंडे, TMC के ये गुंडे जो आपको डराते हैं...बीजेपी सरकार में उनके डर भरे दिन शुरू होना तय है। बीजेपी सरकार में खौफ हर अपराधी को होगा... खौफ हर घुसपैठिए को होगा...खौफ तुष्टीकरण की राजनीति करने वालों को होगा...क्योंकि, कानून अपना काम करेगा! कानून का राज आएगा ऐसे लोगों को मुंह छिपाने की जगह नहीं मिलेगी। ऐसे अपराधियों की सिर्फ एक ही जगह होगी- एक ही जगह होगी जेल। जेल। जेल।
साथियों,
बंगाल की निर्मम सरकार में आज सबसे ज्यादा प्रताड़ित यहाँ का दलित, आदिवासी और हमारे गरीब भाई-बहन हैं। आदिवासी समाज के साथ कैसा अन्याय होता है... ये किसी से छिपा नहीं है। लेकिन, अब तो TMC सरकार ने सभी सीमाएं लांघ दी हैं। आप देखिए...अभी कुछ दिन पहले हमारे देश की महामहिम राष्ट्रपति... आदिवासी समाज की बेटी… आदरणीय द्रौपदी मुर्मू जी बंगाल आईं थीं। उन्हें संथाल आदिवासी परंपरा के पावन उत्सव में शामिल होना था। लेकिन अहंकार में डूबी इस निर्मम सरकार ने न केवल उस कार्यक्रम का बहिष्कार किया, बल्कि उसे पूरी तरह बदइंतजामी के हवाले कर दिया। क्योंकि, एक आदिवासी बेटी इतने बड़े पद पर है.... TMC वालों को उनका सम्मान मंजूर नहीं हुआ! द्रौपदी मुर्मू जी, जो हमेशा अपनी सरलता के लिए जानी जाती हैं.... उन्हें खुद बड़े दुखी मन से खेद व्यक्त करना पड़ा! भारत के राष्ट्रपति को अपनी तकलीफ बतानी पड़ी! TMC वालों को ये याद रखना पड़ेगा...उन्होंने केवल द्रौपदी मुर्मू जी का अपमान नहीं किया है। उन्होंने करोड़ों आदिवासियों का अपमान किया है। उन्होंने करोड़ों महिलाओं के सम्मान को ठेस पहुंचाई है। उन्होंने देश के सर्वोच्च पद की गरिमा को ठेस पहुंचाई है। इन्होंने भारत के संविधान का अपमान किया है। इन्होंने बाबा साहेब आंबेडकर का अपमान किया है और इसका जवाब बंगाल के लोगों से टीएमसी को मिलने वाला है। निर्मम सरकार को मिलने वाला है।
साथियों,
TMC सरकार ने बंगाल को पूरी तरह से अराजकता के हवाले कर दिया है। संवैधानिक व्यवस्था पर आए हर दिन हमले करने के वो रास्ते खोजते रहते हैं, हमले करते रहते हैं। पिछले कुछ महीनों में आपने देखा है....जब भी चुनाव आयोग निष्पक्ष चुनाव सुनिश्चित करने के लिए कदम उठाता है, मतदाता सूची की शुद्धि की कोशिश करता है, तब टीएमसी उसके खिलाफ हमला करने लगती है। जो संस्था स्वतंत्र और निष्पक्ष चुनाव कराने के लिए जिम्मेदार है, उसी की विश्वसनीयता पर सवाल खड़े किए जाते हैं। ऐसा ही व्यवहार देश की सेना को लेकर दिखाई देता है। जब 2019 में भारतीय वायुसेना ने बालाकोट में आतंकवादी ठिकानों पर निर्णायक कार्रवाई की, तब TMC ने देश की वायुसेना से कार्रवाई का सबूत मांगा।
साथियों,
यहां राज्य सरकार...पुलिस को स्वतंत्र रूप से जांच करने नहीं देती। जब राष्ट्रीय एजेंसियां TMC सरकार के भ्रष्टाचार या गंभीर अपराधों की जांच करना चाहती हैं, तो उन्हें भी रोकने की कोशिश होती है। अब जरा सोचिए, न्याय के लिए लोग आखिर कहां जाएंगे? साथियों, तृणमूल वाले यही अराजकता दिल्ली तक फैलाने की कोशिश करते हैं। आपने संसद में भी देखा है… सदन के भीतर कैसे कागज फाड़े जाते हैं, कैसे बहस को रोका जाता है, कैसे सदन की कार्यवाही को बाधित किया जाता है। देश...TMC की शर्मनाक हरकतें देखकर हैरान होता है। साथियों,बंगाल के प्रबुद्ध लोग अब इस अराजकतावादी सरकार के खिलाफ संकल्प ले चुके हैं। इस अराजक सरकार को उखाड़ फेंकने का काम इसी धरती के लोग करने वाले हैं।
साथियों,
आज यहां जो जनसैलाब उमड़ा है...ये पश्चिम बंगाल की जागती हुई चेतना है। यह उस बदलाव की आहट है, जिसका इंतजार वर्षों से किया जा रहा है। पश्चिम बंगाल में दार्जिलिंग की पहाड़ियों से लेकर सुंदरबन के द्वीपों तक, उत्तर बंगाल के चाय बागानों से लेकर कोलकाता की गलियों तक, आज हर जगह पर एक ही चर्चा है। बदलाव चाहिए... और ये बदलाव अब होकर रहेगा। साथियों, बंगाल की आत्मा कभी हार मानने वाली नहीं है। बंगाल… का नौजवान कभी हार मानने वाला नहीं है। बंगाल की बेटियां कभी हार मानने वाली नहीं है। बंगाल का किसान कभी हार मानने वाला नहीं है। जब-जब इस भूमि के सामने चुनौतियाँ आई हैं, तब-तब यहाँ की जनता ने साहस के साथ उनका सामना किया है। गुरुदेव रवींद्रनाथ ठाकुर ने भी हमें यही संदेश दिया है। उन्होंने कहा था...
आज भी वही समय है। कुछ लोग आपको डराने की कोशिश करेंगे। कुछ लोग कहेंगे कि बदलाव संभव नहीं है। लेकिन याद रखिए, और याद जरूर रखें.. जब जनता ठान लेती है, तो कोई भी ताकत उसे रोक नहीं सकती। और बंगाल की जनता ने जब भी ठाना है, इतिहास बदल कर दिखाया है। आज मुझे इस ऐतिहासिक ब्रिगेड मैदान में वही आत्मविश्वास, मेरी आंखों के सामने दिखाई दे रहा है। याद रखिए...इस बार चुनाव सिर्फ सरकार बदलने का नहीं... इस बार चुनाव बंगाल की आत्मा को बचाने का है। इस बार चुनाव व्यवस्था बदलने का है। इस बार चुनाव कट-मनी से छुटकारे का है। इस बार चुनाव डर से मुक्ति का है। मैं आने वाले परिवर्तन के लिए मेरे बंगाल के भाइयों बहनों को बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं।