কেরালায় অবস্থিত ভিঝহিনজাম আন্তর্জাতিক গভীর জল বহুমুখী সমুদ্রবন্দর ভারতের সামুদ্রিক পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি: প্রধানমন্ত্রী
আজ ভগবান আদি শঙ্করাচার্যজির জন্মজয়ন্তী। আদি শঙ্করাচার্যজি মানুষের মনে জাতীয় চেতনা জাগ্রত করেছেন। এই পবিত্র তিথিতে আমি তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই।: প্রধানমন্ত্রী
ভারতের উপকূলীয় রাজ্য ও বন্দর শহরগুলি উন্নত ভারতের বিকাশের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
রাজ্য সরকারগুলির সহযোগিতায় সরকার ‘সাগরমালা’ প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্ত সমুদ্র বন্দরের পরিকাঠামোর উন্নতিসাধন ঘটিয়েছে। বিভিন্ন বন্দরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করেছে: প্রধানমন্ত্রী
পিএম গতি শক্তির মাধ্যমে জলপথ, রেলপথ, মহাসড়ক এবং বিমানপথগুলির মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও দ্রুতগতিতে উন্নত করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে গত ১০ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এই সহযোগিতার ফলে শুধু যে ভারতীয় বন্দরগুলি বিশ্বমানে উন্নীতি হয়েছে তাই নয়, সেগুলি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠেছে: প্রধানমন্ত্রী
পোপ ফ্রান্সিসের সেবা ভাবনার জন্য তিনি বিশ্বে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন: প্রধানমন্ত্রী

কেরালার রাজ্যপাল শ্রী রাজেন্দ্র আরলেকরজি, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী পি বিজয়নজি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মীবৃন্দ, মঞ্চে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আমার কেরালার ভাই ও বোনেরা।
এল্লাওয়কর্কুম এন্ডে নমস্কারম। ওরিক্কল কুডি শ্রী অনন্তপদ্মনাভংডে/ মণ্ণিলেক্ক ওয়রান সাদধিচ্চদিল এনিক্ক অতিতায়  সন্তোষ্মুণ্ড।      

বন্ধুগণ,

আজ ভগবান আদি শঙ্করাচার্যজির জন্মজয়ন্তী। তিন বছর আগে সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর জন্মভূমিতে কপাল ঠেকানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমার সংসদীয় এলাকা কাশীর বিশ্বনাথ ধাম পরিসরে আদি শঙ্করাচার্যজির একটি অনিন্দ্যসুন্দর মূর্তি স্থাপিত হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ ধামেও আদি শঙ্করাচার্যজির একটি অসাধারণ মূর্তির আবরণ উন্মোচনের সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আর আজই দেবভূমি উত্তরাখণ্ডে কেদারনাথ মন্দিরের কপাট খুলেছে। কেরালা থেকে যাত্রা শুরু করে দেশের ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তে মঠ স্থাপনা করে আদি শঙ্করাচার্যজি মানুষের মনে জাতীয় চেতনা জাগ্রত করেছেন। এই পবিত্র তিথিতে আমি তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। 

বন্ধুগণ,

এখানে আরও একটি সম্ভাবনা নিয়ে উপস্থিত রয়েছে এই বিশাল সমুদ্র। একদিকে যেমন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, আর অন্যদিকে এই ‘নিউ এজ ডেভেলপমেন্ট’ বা নতুন প্রজন্মের উন্নয়নের প্রতীক হয়ে উঠেছে এই ভিঝহিনজাম গভীর সমুদ্র বন্দরটি। সেজন্য আমি কেরালার জনগণ, দেশের অন্যান্য প্রান্তের জনগণকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। 

বন্ধুগণ,

এই গভীর সমুদ্র বন্দরটিকে ৮,৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে এখন যে ট্রান্সশিপমেন্ট হাবের ক্ষমতা রয়েছে, তা আগামীদিনে তিনগুণ বৃদ্ধি পাবে। এখানে বিশ্বের বড় বড় মালবাহী জাহাজগুলি সহজেই আসা-যাওয়া করতে পারবে। এখনও পর্যন্ত ভারতের ৭৫ শতাংশ ট্রান্সশিপমেন্ট ভারতের বাইরের বন্দরগুলির মাধ্যমে করা হয়। এতে দেশের অনেক বড় শুল্কের ক্ষতি হয়। এই পরিস্থিতি এখন বদলাতে চলেছে। এখন দেশের টাকা দেশের কাজে লাগবে। যে টাকা অন্য দেশকে দিতে হত, তা কেরালা এবং ভিঝহিনজাম-এর জনগণের জন্য নতুন নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ নিয়ে আসবে। 

 

বন্ধুগণ,

দেশ পরাধীন হওয়ার আগে আমাদের ভারত কয়েক হাজার বছরের সমৃদ্ধি দেখেছে। একটা সময় আন্তর্জাতিক জিডিপি-র একটা বড় অংশের অধিকারী ছিল ভারত। সেই সময় যে বিষয়গুলি আমাদেরকে অন্যান্য দেশ থেকে স্বতন্ত্র করে তুলেছিল, তা হল আমাদের নৌ-পরিবহণ ক্ষমতা, আমাদের দেশের বিভিন্ন উপকূলে গড়ে ওঠা বন্দরমালার অর্থনৈতিক গতিবিধি। এক্ষেত্রে আমাদের কেরালার অনেক বড় অবদান ছিল। কেরালা থেকে আরব সাগরের পথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য পরিবহণ হত। এখান থেকে বাণিজ্যপোতগুলি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেত। আজ ভারত সরকার দেশের আর্থিক শক্তির সেই উপায়গুলিকে আবার শক্তিশালী করার সঙ্কল্প নিয়ে কাজ করে চলেছে। ভারতের উপকূল বাণিজ্যের ক্ষমতা, আমাদের বন্দরমালা উন্নত ভারতের অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে। আমি এখন এই গভীর সমুদ্র বন্দরটি দেখে এসেছি। আমার গুজরাটের জনগণ যখন জানতে পারবেন যে এত বড় গভীর সমুদ্র বন্দর আদানি সাহেব এই কেরালায় তৈরি করেছেন, তখন তাঁরা ঈর্ষান্বিত হবেন। আদানি সাহেব গুজরাটে বন্দর উন্নয়ন ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে কাজ করছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি সেখানে এরকম কোনো বন্দর তৈরি করেননি। সেজন্য তাঁকে গুজরাটের জনগণের রাগ সহ্য করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমি কেরালার মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়কেও বলতে চাই, আপনি তো ইন্ডি জোটের অনেক বড় শক্তিশালী স্তম্ভ। এখানে শ্রদ্ধেয় শশী থারুরও বসে আছেন। আর আজকের এই অনুষ্ঠান অনেক মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেবে। আমি নিশ্চিত, সেসব জায়গায় বার্তা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে যেখানে যাওয়া উচিত। 

বন্ধুগণ,

বন্দর অর্থনীতির সম্পূর্ণ অন্তর্নিহিত ক্ষমতা তখনই ব্যবহৃত হয় যখন তার পরিকাঠামো এবং ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজভাবে ব্যবসার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদান করা হয়। বিগত ১০ বছরে এটাই ভারত সরকারের বন্দর এবং জলপথ নীতির নীল নকশার মূল কথা। আমরা সমস্ত শিল্পোদ্যোগ গতিবিধি এবং রাজ্যগুলির সার্বিক উন্নয়নের জন্য দ্রুতগতিতে কাজ করে চলেছি। রাজ্য সরকারগুলির সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় সরকার ‘সাগরমালা’ প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্ত সমুদ্র বন্দরের পরিকাঠামোর উন্নতিসাধন ঘটিয়েছে। বিভিন্ন বন্দরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করেছে। পিএম গতি শক্তির মাধ্যমে জলপথ, রেলপথ, মহাসড়ক এবং বিমানপথগুলির মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও দ্রুতগতিতে উন্নত করা হচ্ছে। সহজে ব্যবসা করাকে সুবিধাজনক করে তুলতে যত সংস্কার আনা হয়েছে, সেগুলি এই বন্দরসমূহ ও অন্যান্য পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। ‘ইন্ডিয়ান সি-ফেয়ারার্স’-এর সমস্ত নিয়মেও ভারত সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার এনেছে, আর এর সুফল দেশবাসী দেখছে। ২০১৪ সালে ইন্ডিয়ান সি-ফেয়ারার্স-এর সংখ্যা ১ লক্ষ ২৫ হাজারেরও কম ছিল। এখন এই সংখ্যা বেড়ে ৩ লক্ষ ২৫ হাজারের বেশি হয়েছে।  এই সি-ফেয়ারার্সে-র সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভারত এখন বিশ্বের প্রথম তিনটি দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে।

বন্ধুগণ,

সমুদ্র পরিবহণ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষ জানেন যে ১০ বছর আগে আমাদের জাহাজগুলিকে বন্দরে ঢুকতে ও বেরোতে কতদিন অপেক্ষা করতে হত। পণ্য ওঠানো-নামানোর সময়ও অনেক বেশি লাগত। এতে ব্যবসা, শিল্প ও অর্থনীতি – তিনটির গতিই প্রভাবিত হত। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। গত ১০ বছরে আমাদের প্রধান সমুদ্র বন্দরগুলিতে শিপ টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম ৩০ শতাংশ কমেছে। আমাদের সমুদ্র বন্দরগুলির দক্ষতা বেড়েছে। ফলে আমরা অনেক কম সময়ে অনেক বেশি কার্গো হ্যান্ডেল করতে পারছি। 

বন্ধুগণ,

ভারতের এই সাফল্যের পেছনে আমাদের এক দশকের পরিশ্রম ও দূরদৃষ্টি রয়েছে। বিগত ১০ বছরে আমরা আমাদের বন্দরগুলির ক্ষমতা দ্বিগুণ করেছি। আমাদের জাতীয় জলপথ আটগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ বিশ্বের বৃহত্তম তিনটি সমুদ্র বন্দরের মধ্যে দুটি ভারতে রয়েছে। লজিস্টিক্স পারফরম্যান্স ইন্ডেক্সে আমদের ক্রমতালিকায় উন্নীত হয়েছি। আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মাণে আমরা আজ বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ২০টি দেশের মধ্যে অন্যতম। মৌলিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার পর এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের কৌশলগত স্থিতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই লক্ষ্যে আমরা ‘মেরিটাইম অমৃতকাল ভিশন’ চালু করেছি। উন্নত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের সমুদ্র পরিবহণ কৌশল কী হবে, তার রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি। আপনাদের হয়তো স্মরণে আছে, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আমরা অনেক বড় দেশের সঙ্গে হাতে-হাত মিলিয়ে ইন্ডিয়া-মিডিলইস্ট-ইউরোপ করিডর গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি। এই পথে কেরালা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে। এর ফলে কেরালাবাসী অনেক উপকৃত হবেন।

 

বন্ধুগণ,

আমাদের মৎস্যজীবীদের লাভের বিষয়টিকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। নীল বিপ্লব এবং প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদা যোজনার মাধ্যমে কেরালার জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ মঞ্জুর করা হয়েছে। আমরা কোন্নানি এবং পুথিয়াপ্পার মতো মৎস্য বন্দরের আধুনিকীকরণ করেছি। আমার কেরালার হাজার হাজার মৎস্যজীবী ভাই-বোনেদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডও দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তাঁরা কয়েক হাজার কোটি টাকার সাহায্য পেয়েছেন।

বন্ধুগণ,

আমাদের কেরালা সৌহার্দ্য এবং সহিষ্ণুতার রাজ্য। এখানে কয়েক হাজার বছর আগে দেশের প্রথম এবং বিশ্বের প্রাচীনতম গীর্জাগুলির অন্যতম সেন্ট থমাস গীর্জা তৈরি হয়েছিল। আমরা সবাই জানি, আমাদের সকলের জন্য কিছুদিন আগে একটি অত্যন্ত দুঃখের সময় এসেছে। আমরা সবাই আমাদের প্রিয় পোপ ফ্রান্সিসকে হারিয়েছি। ভারতের পক্ষ থেকে তাঁর অন্তিম সংস্কারে অংশগ্রহণের জন্য আমাদের মাননীয় রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু মহোদয়া সেখানে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে আমাদের কেরালার বন্ধু, আমাদের মন্ত্রী শ্রী জর্জ কুরিয়েনও সেখানে গিয়েছিলেন। আমিও, কেরালার মাটি থেকে আরও একবার এই দুঃখে কাতর সমস্ত ভক্তদের প্রতি সমবেদনা জানাই। 

 

বন্ধুগণ,

পোপ ফ্রান্সিসের সেবা ভাবনা, খ্রিষ্টান পরম্পরায় সবাইকে স্থান দেওয়ার শুভ প্রচেষ্টার জন্য তিনি বিশ্বে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করি যে তাঁর সঙ্গে যতবার দেখা হয়েছে, অনেক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কথা বলার সুযোগ হয়েছে। আমি দেখেছি যে তিনি আমাকে সব সময়েই অত্যন্ত স্নেহ করতেন। মানবতা, সেবা এবং শান্তির মতো বিষয়গুলি নিয়ে তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তাঁর বলা কথাগুলি আমাকে সারা জীবন প্রেরণা যুগিয়ে যাবে। 

 

বন্ধুগণ,

আমি আরও একবার আপনাদের এই আয়োজনের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা জানাই। কামনা করি যাতে কেরালা আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের একটি বড় কেন্দ্র হয়ে ওঠে, আর হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থান হয়। এই লক্ষ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কেরালার রাজ্য সরকারের সঙ্গে হাতে-হাত মিলিয়ে কাজ করতে থাকবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, কেরালার জনগণের সামর্থ্য ভারতের সমুদ্র পরিবহণ বাণিজ্য ক্ষেত্রে নতুন নতুন সাফল্য এনে দেবে।
নমুক্ত ওরুমিচ্চ ওরু বিকসিত কেরল্ম পডত্তুইয়র্তাম, জই কেরলম জই ভারত।  
জয় কেরালা, জয় ভারত।

ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India among Asia's fastest-growing green economies with $110 billion revenue in 2025: LSEG

Media Coverage

India among Asia's fastest-growing green economies with $110 billion revenue in 2025: LSEG
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister pays homage to Bankim Chandra Chattopadhyay on His Jayanti
June 26, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, today, paid tributes to the great Bankim Chandra Chattopadhyay on his Jayanti, remembering him as a towering literary luminary whose writings ignited the spirit of patriotism and cultural pride among generations of Indians.

Highlighting the significance of the year, Shri Modi noted that India is commemorating the 150th anniversary of Vande Mataram. He remarked that through Vande Mataram, Bankim Chandra Chattopadhyay gifted the Indian freedom movement and the nation one of its most enduring sources of inspiration.

The Prime Minister posted on X:

Tributes to the great Bankim Chandra Chattopadhyay on his Jayanti.

A towering literary luminary, his writings awakened a spirit of patriotism and cultural pride among generations of Indians. His rich literary work continues to illuminate minds and strengthen our collective resolve towards nation-building.

This is a time when we are marking the 150th anniversary of Vande Mataram. Through Vande Mataram, he gifted the freedom movement and our nation one of its most enduring inspirations.

মহান বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জয়ন্তীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।

এক সুবিশাল সাহিত্যিক আলোকবর্তিকা হিসেবে, তাঁর লেখা প্রজন্মান্তরের ভারতীয়দের মধ্যে দেশপ্রেম এবং সাংস্কৃতিক গৌরবের চেতনা জাগ্রত করেছিল। তাঁর সমৃদ্ধ সাহিত্যকর্ম মনকে উদ্ভাসিত করে চলেছে এবং জাতি গঠনের প্রতি আমাদের সম্মিলিত সংকল্পকে শক্তিশালী করছে।

এখন আমরা বন্দে মাতরমের ১৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছি। বন্দে মাতরমের মাধ্যমে, তিনি স্বাধীনতা আন্দোলন এবং আমাদের জাতিকে অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী অনুপ্রেরণা উপহার দিয়েছিলেন।