Today, we are the fastest growing economy in the world. Powered by the 125 crore people of India, we will grow even faster: PM
Young India feels - “Anything is possible! Everything is achievable.” This spirit will drive India’s growth: PM Modi
India needs to go digital in public service delivery– JAM trinity got us there: Prime Minister
India needs a unified and simplified tax structure– GST was for that: PM Narendra Modi
We are future-proofing India in every way, enabling New India to take off: PM Modi
When development is our only aim, we remain sensitive to people’s concerns and aspirations: PM
When the future of every citizen improves, the future of India and stature of India in the world improves: PM Modi

মঞ্চে উপস্থিত ডালমিয়া ভারত গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ভাই ডালমিয়া, ‘ইয়োথ ফর ডেভেলাপমেন্ট’ এর মেন্টর মৃত্যুঞ্জয় সিংহ মহোদয়, অধ্যক্ষ ভাই প্রফুল্ল নিগম, রুরাল অ্যাচিভার শ্রী চেতরাম পাওয়ার, এখানে উপস্থিত অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং আমার প্রিয় নবীন বন্ধুগণ।

এখানে আমি এই উদ্যোগের সমর্থনকারী সারা দেশের কয়েকজন সফল মানুষকে সম্মান জানাতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি। একটি গ্রন্থাগার চালু করা হয়েছে। আর ‘গ্রাম ভারত’ নিয়ে একটি শ্বেতপত্রও জারি করা হয়েছে। আমি আনন্দিত যে আপনারা সবাই গোটা দেশের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে, সেই প্রয়োজনগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিজেদের প্রকল্পগুলি রচনা করেছেন। আপনারা সবাই এখন পর্যন্ত যে সাফল্য পেয়েছেন, তাঁর জন্যে আপনাদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। এই প্রচেষ্টা ও সাফল্যগাথা আপনাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হোক।

বন্ধুগণ, এই সময় দেশ পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ কালখণ্ড অতিক্রম করছে। গত চারবছর ধরে আপনারাও হয়তো অনুভব করেছেন যে দেশ একবিংশ শতাব্দীর নতুন উচ্চতা স্পর্শ করার জন্য এগিয়ে চলেছে। চারবছরে দেশের গৌরব বৃদ্ধি পেয়েছে, ১২৫ কোটি ভারতবাসী এখন বিশ্বপর্যায়ে নানাভাবে নিজেদের মুখ উজ্জ্বল করছে।

বন্ধুগণ, সেদিন আর নেই যখন অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতকে ‘ভঙ্গুরতম পাঁচ’টি দেশের অন্যতম বলে গণ্য করা হতো! আজ, আমরা বিশ্বের দ্রুততম বিকাশমান অর্থনীতির দেশ। ১২৫কোটিভারতবাসীর শক্তিতে বলীয়ান এই দেশ এখন আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাবে। একটি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত রেকর্ড পরিমাণ কম সময়ে দারিদ্র্য দূরীকরণে সাফল্য পেয়েছে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, গত দু’বছরে ভারত ৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যসীমার উপরে টেনে তুলতে পেরেছে। এই অসাধ্য সাধন কারা করেছে? দেশের সাধারণ মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টাতেই এটা সম্ভব হয়েছে। সরকার শুধু ইতিবাচক পরিবেশ অ সুযোগ সুবিধা প্রদানের কাজ করেছে। কিন্তু দেশের যুবসম্প্রদায় সেই সুযোগগুলির সদ্ব্যবহারের পাশাপাশি নিজেরাও অনেক নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। আমাদের নতুন ভারত কোনোরকম ফাঁকিবাজি বরদাস্ত করে না।

বন্ধুগণ, নতুন ভারতের সম্পদ হল ১২৫ কোটি ভারতবাসী, কিন্তু এর ভিত্তি হল যুব ভারত। যুবসম্প্রদায় এমন শক্তি, যা পুরনো ব্যবস্থার কর্মপ্রণালী, পুরনো আদব-কায়দা এবং পুরনো ভাবনার ভারমুক্ত। এই নবীন প্রজন্মই সকল ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য প্রেরণা জুগিয়েছে। এই যুবসম্প্রদায়ই আজ উন্নত ভারতের পরিচয় গড়ে তুলছে। কিছু মানুষ পরিবর্তনের জন্য ঋতু পরিবর্তনের অপেক্ষা করেন – কিছু মানুষ পরিবর্তনের সংকল্প নিয়ে ঋতুকে বদলে দেন। আপনারা সেই অপেক্ষার দলে নেই, আপনারা ঋতু পরিবর্তনকারী যুবসম্প্রদায়। কারণ, আপনাদের রয়েছে পরিবর্তন উপযোগী মন, কিছু করে দেখানোর জন্যে ঋতু নয় – মন চাই, ইচ্ছাশক্তি চাই। আজ দেশে এই অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়েই যুবসম্প্রদায় রাষ্ট্রনির্মাণের কাজে লেগে পড়েছে।

বন্ধুগণ, আজকের ভারত ছোট কিছু করেনা। যুবসম্প্রদায়ের আকাঙ্খা ওশক্তি অনুসারে ভারত বড় বড় কাজ করে যা রূপান্তরণমুখী। দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষার স্বার্থে ৩ কোটি শিশুকে টিকাকরণ একটি বড় কাজ। কারা এই অসাধারণ কাজ করেছে? নবীন প্রজন্মের চিকিৎসকদের নেতৃত্বে, সেবিকা এবং সহায়ক কর্মীরাই স্বচ্ছাসেবকদের সঙ্গে নিয়ে এই কাজ করেছে। গত চার বছরে ১.৭৫ লক্ষ কিমি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ একটি বড় কাজ। কারা বানিয়েছে? দেশের নবীন কর্মচারী ও শ্রমিকরা। গত চারবছরে দেশের ১৮হাজার গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌছনোর অভিযান চালাচ্ছি। ২০১৭-র অক্টোবর থেকেপ্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌছনোর অভিযান শুরু করে ইতিমধ্যেই আমরা ৮৫ লক্ষ বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। কারা তাঁদের সহনাগরিকদের বাড়ির অন্ধকার দূর করার কাজ করেছে? নবীন ইলেক্ট্রিশিয়ান ও প্রযুক্তিবিদরা। কারা ৪ কোটি ৬৫ লক্ষ বাড়িতে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সংযোগ পৌঁছে দিয়েছে? দেশের যুবসম্প্রদায়। আর এসব কাজ তাঁরা নিজেদের স্বার্থে করেনি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র মহিলাদের সাহায্যের জন্যে করেছে। গত চার বছরে এক কোটিরও বেশি গৃহহীনকে গৃহনির্মাণ করে তাঁদের হস্তান্তর করা হয়েছে। কারা করেছে? নবীন ইঞ্জিনীয়ার, রাজমিস্ত্রী ও শ্রমিকরা করেছে। সেজন্যেই বলছিলাম যে আজকের ভারত ছোট কিছু করে না, বড় বড় কাজ করে, আর এটা সম্ভব হয় আরেকটি বড় সংখ্যার কারণে, তা হল আজ ভারতে ৩৫ বছর থেকে কম বয়সী ৮০ কোটি দেশবাসী রয়েছে।

যে দেশে এত অপার যুবশক্তি, তাঁকে দেখে যে কারও ঈর্ষা হওয়া স্বাভাবিক। সেজন্যে আমি মনে করি যে আপনারা এই কর্মসূচির সঠিক শিরোনাম বেছেছেন – ‘এবার আমাদের পালা!’ এই ‘আমাদের’ বলতে যেমন কিছু ব্যক্তিকে বোঝায়, তেমন গোটা দেশকেও বোঝায়। বন্ধুগণ, একটা সময় ছিল, যখন শুধু রাজ পরিবারগুলিই শাসন ক্ষমতায় থাকতো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, বাবাসাহেব আম্বেদকর আমাদের নতুন সংবিধান উপহার দেওয়ার পরও, গণতান্ত্রিক দেশে নতুন ধরণের রাজপরিবার জন্ম নিয়েছে, স্বাধীন ভারতের রাজনীতিতে তাঁরা তিন প্রজন্ম ধরে রাজত্ব করেছে। প্রশাসন কিছু পরিবারের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু আজ পরিস্থিতি বদলেছে। রাষ্ট্রপতি মহোদয়, উপরাষ্ট্রপতি মহোদয়, এবং আমি নিজে গ্রামীণ পরিবেশ থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হতে হতে এতদূর পৌঁছুতে পেরেছি। এটাই প্রমাণ করে যে দেশের জনমনে পরিবর্তন এসেছে। আমার এই বক্তব্য শুধু এই তিনটি পদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। আপনারা বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের দেখুন। যোগী আদিত্যনাথ, ত্রিপুরার বিপ্লব দেব, উত্তরাখণ্ডের ত্রিবেন্দ্রনাথ সিংহ রাওয়াত, মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিংহ চৌহান, বিহারে নীতিশ কুমার, হরিয়ানায় মনোহর লাল, ঝাড়খণ্ডে রঘুবর দাস – এঁরা সবাই সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। সাধারণ মানুষের জন্যে কাজ করতে করতে তাঁরা এই অব্দি এসেছেন। তাঁরা আজও অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করেন আর গরিব মানুষের সমস্যার প্রতিই অধিক সংবেদনশীল থাকেন। তাঁরা নিজেদের জীবন যুবসম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে তাঁদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণের স্বার্থে কাজ করতে করতে এগিয়েছেন বলেই তাঁরা জানেন, নতুন ভারতের নবীন প্রজন্ম কী চায়!

আমার নবীন বন্ধুরা, এটা কি পরিবর্তন নয়? আমি মনে করি এটিই আমাদের গণতন্ত্রের সবচাইতে বড় ইতিবাচক পুঁজি ও সংকেত যা এখন শুধু রাজনীতি নয়, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চল ও ছোট শহরগুলি থেকে আইএএস, আইপিএস পাশ করে প্রশাসনের দায়িত্বে আসা নবীনদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। কাজেই এখন গ্রাম ও ছোট শহরগুলির বড় স্বপ্নগুলিও বাস্তবায়িত হবে। খেলাধুলার ক্ষেত্রে, পড়াশুনার ক্ষেত্রেও এই পরিবর্তন আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন। এখন মাধ্যমিক কিম্বা উচ্চমাধ্যমিকে শুধু বড় শহরের বড় স্কুলগুলির ছাত্রছাত্রীই নয়, গ্রাম ও ছোট শহরের সরকারি স্কুলের ছেলেমেয়েরাও শীর্ষস্থান অর্জন করছে। এটাই পরিবর্তন!

বন্ধুগণ, কয়েকদিন আগেই আসামের এক ১৮ বর্ষীয়া কৃষককন্যা গোটা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আমি হিমা দাসের কথা বলছি। তাঁর দৌড়ে আপনারা নতুন ভারতের শক্তির ঝলক দেখতে পাবেন। এরকম অনেকেই এখন বিভিন্ন খেলায় মেডেল আনছেন, নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ছেন। তাঁরা সমস্ত প্রতিকূলতা জয় করে দৃঢ় প্রত্যয়ে অনন্য উচ্চতা অতিক্রম করছেন। ইতিমধ্যেই ব্যাডমিন্টন, শ্যুটিং ও ভারোত্তলনের মতো অনেক খেলায় আমাদের দেশের গ্রাম ও ছোট ছোট শহর থেকে উঠে আসা নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নবীন খেলোয়াড়রা শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় দিয়েছেন। যুব ভারত মনে করে, ‘সবকিছু সম্ভব, সবকিছুই জয় করা যায়’।এই মনোভাবই ভারতের উন্নয়নের চালিকাশক্তি।

আজ আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে যুবসম্প্রদায়ের মনে নতুন আত্মবিশ্বাস সঞ্চারিত হয়েছে। সুযোগের ক্ষেত্রে সাম্য, স্বচ্ছ দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থা, যথাযথ প্রতিভা চিহ্নিতকরণ, দক্ষ ভারত অভিযান, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া, খেলো ইন্ডিয়া, ডিজিটাল ইন্ডিয়া’র মতো অনেক প্রচেষ্টা নতুন ভারতের বুনিয়াদকে শক্তিশালী করে তুলছে। দেশের প্রয়োজন বুঝে প্রকল্প রচিত হচ্ছে। নবীন প্রজন্ম, ব্যবসায়ী, মহিলা, কৃষক, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের ছোট ছোট সমস্যা দূর করার জন্যে, তাঁদের জীবনকে সহজ করার কাজ করা হচ্ছে।

বন্ধুগণ, ভারতে সড়ক পরিকাঠামো উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে আমরা ভারতমালা ও সাগরমালা প্রকল্প শুরু করেছি। ভারতমালার মাধ্যমে হাজার হাজার কিমি মহাসড়ক নির্মান আর সাগরমালার মাধ্যমে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলির মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী

কয়েক হাজার কিমি তটবর্তী সড়ক নির্মান করা হচ্ছে। দেশে গণ পরিষেবায় ব্যাপক ডিজিটাইজেশন সুনিশ্চিত করতে জেএএম ট্রিনিটি, ক্রমবর্ধমান দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল লেনদেনের জন্য ভিম অ্যাপ, সারা দেশে অভিন্ন ও সরল করব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে জিএসটি, গরিব, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের যাতায়াতের জন্য উড়ান প্রকল্পের জন্য বিমান পরিষেবা চালু করেছি। দেশের যুবসম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে দক্ষ ভারত প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। দেশের গ্রামগুলিকে ইতিমধ্যেই ২.৭ লক্ষ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার পেতে ১ লক্ষেরও বেশি পঞ্চায়েতকে আইওয়ে দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে। দেশে স্বনির্ভর প্রকল্পগুলিকে উৎসাহ প্রদান করতে মুদ্রা প্রকল্প ও স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া চালু করা হয়েছে। গরিব, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করার পথে আমরা অনেকটা এগিয়ে গেছি। আজ দেশে আপনারা অনেক সহজেই কোনও স্টার্ট আপ বিজনেস নথিভুক্ত করতে পারেন। সরকারি দপ্তরগুলির জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্টার্ট আপগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এভাবেই আমরা নতুন ভারতের স্বপ্ন সফল করার পথে এগিয়ে চলেছি।

বন্ধুগণ, নতুন নতুন ভাবনা ও উদ্ভাবন সর্বদাই ভারতের সাধারণ জীবনযাপনের অংশ ছিল। যুবসম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই শক্তিকে রাষ্ট্রনির্মাণে যাতে সর্বাধিক প্রয়োগ করা যায়, তার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। নবীন প্রজন্মের আশা-আকাঙ্খা এবং অসীম ক্ষমতাকেই সরকার উদ্ভাবন ও গবেষণার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে দেশের কাজে লাগাতে চায়। সেজন্য বিদ্যালয় স্তর থেকেই উদ্ভাবনের আবহ গড়ে তোলার জন্য স্কুল-কলেজগুলিতে উদ্ভাবন অভিযান শুরু করা হয়েছে। ছাত্রদের বিজ্ঞান মনস্কতা বৃদ্ধি এবং তাদের সৃষ্টিশীলতাকে সঠিক মঞ্চ প্রদানের জন্য সারা দেশে ২ হাজার ৪০০-রও বেশি অটল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্পকে মঞ্জুর করা হয়েছে। এই গবেষণাগারগুলিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করানো হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের উদ্ভাবনকে বাস্তবায়িত করতে স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন-এর মতো কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে নবীন প্রজন্মকে দেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে। এই পথে চলতে চলতে এই ছেলেমেয়েরা ভবিষ্যতে স্টার্ট আপ দুনিয়ায় প্রবেশ করবে।

আমরা দেখেছি যে, কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের যে কোনও পদক্ষেপ এবং জিএসটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ নমুনা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। এটাই পরিবর্তিত পরিবেশের প্রমাণ। আমার মনে আছে, যখন ডিজিটাল লেনদেন শুরু করার কথা হচ্ছিল, তখন কিভাবে দেশের বড় বড় দিগ্‌গজরা বলছিলেন যে, ভারতের মতো গরিব দেশে ডিজিটাল লেনদেন সফল হতে পারে না। কিন্তু আমাদের যুবসম্প্রদায় তাঁদের এই ধারণাকে ভ্রান্ত বলে প্রমাণ করেছে। তাদেরই উৎসাহ ও উদ্দীপনায় দেশে রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন হয়।

বন্ধুগণ, আমাদের উদ্দেশ্যই হ’ল উন্নয়ন, আমরা জনগণের আশা-আকাঙ্খার ওপর সংবেদনশীল। সেজন্য প্রয়োজন ছিল সরলীকরন। আমরা লালফিতের ফাঁস মুক্ত করা ও নীতি সরলীকরণের মাধ্যমেই দেশে রেকর্ড পরিমাণ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আনতে পেরেছি, অনেক বেশি শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান করতে পেরেছি। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাওয়ায় যুবসম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন হয়েছে ও তাঁদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়েছে। প্রত্যেক নাগরিকের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হলে দেশের ভবিষ্যত ও বিশ্ব মঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল হবে।

বন্ধুগণ, আমরা এমন প্রজন্মের মানুষ যাঁদের দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ ও আত্মবলিদানের সৌভাগ্য হয়নি। কিন্তু রাষ্ট্রনির্মাণের জন্য কোনও কিছু করে বাঁচার সুযোগ অবশ্যই হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী রয়েছে, স্বাধীনতা সংগ্রামেও দেশের যুবসম্প্রদায়ই সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের উৎসাহ ও অদম্য সাহসই স্বাধীনতা সংগ্রামে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছে। আজ নতুন ভারতের জন্য আপনাদের সেরকম এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা সবাই মিলে এমন নতুন ভারত গড়ে তুলবেন, যার স্বপ্ন আমাদের আত্মবলিদানকারী স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দেখে গেছেন।

বন্ধুগণ, নতুন ভারত হচ্ছে সেই দেশ, যেখানে আপনারা নিজেদের সুনামকে ওপরে তুলে ধরবেন। পারিবারিক নাম ও ক্ষমতা থেকে সেই দেশে আপনাদের ভাবনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সমস্ত বাধা-বিপত্তিকে জয় করে সকলের জন্য সুযোগ তৈরি হবে। লক্ষ-কোটি মানুষের আকাঙ্খা পূরণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, হাতে গোনা কয়েকজনের উন্নতির বদলে সকলের জন্য উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করা, যে দেশে সবকিছু সরকারি হওয়ার বদলে সরকার সকলের হয়ে উঠবে।

যেখানে নির্বোধ ঘৃণার স্থান নেবে আশার শক্তি।

যেখানে জনগণকে তাঁদের ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়ার বদলে ১২৫ কোটি ভারতবাসী নিজেদের ভবিষ্যৎ রচনা করবে – এটাই আমাদের নতুন ভারত।

বন্ধুগণ, আপনারা ভারতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। দেশ চায় আপনাদের সহযোগিতা, শুধু শোনার জন্য নয়, আমাদের পরামর্শ দেওয়ার মতো, আমাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার মতো যুবসম্প্রদায় চাই।

আপনারা সফল হলে দেশ সফল হবে। আপনাদের সংকল্প সিদ্ধ হলে দেশের সংকল্প সিদ্ধ হবে। সেজন্য আরেকবার আপনাদের এই অসাধারণ উদ্যোগের জন্য ‘ইয়ুথ ফর ডেভেলপমেন্ট’-এর গোটা টিমকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। যাঁরা আজ সম্মানিত হলেন, তাঁদেরকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই। কারণ, তাঁদের প্রতিটি কাজ নিয়ে এখন সারা দেশে আলোচনা হবে। তাঁদের কাজ নিজের ও অন্যদের জন্য প্রেরণা যোগাবে। আর আমি মনে করি, শব্দ থেকে কৃতির শক্তি বেশি। আপনারা এমন কর্মযোগী, যাঁরা দূরদূরান্তের গ্রাম ও বস্তিগুলির মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। যে কাজ হাতে নিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ করে দেখিয়েছেন। তারই ফলস্বরূপ আজ আপনারা সম্মানিত হয়েছেন। আর ‘স্বাংতঃ সুখায়’ – এর প্রেরণা আধ্যাত্মিক শক্তির চেয়েও অনেক গুণ বেশি হয়। এই স্থিতি অর্জনের জন্য আমি সেই সম্মানিত নবীনদের হৃদয় থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature

Media Coverage

IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of Prime Minister addresses the Indian Community in Paris
June 18, 2026

नमस्ते!

बों जू!

ऐसा लग रहा है, आप सब छुट्टी के मूड में हैं।

साथियों,

ये पेरिस शहर, Lights का शहर है, रंगों का शहर है, यहां Art है, Ideas हैं, और innovation की प्रेरणा भी है। इस शहर को भारत के अलग-अलग राज्यों से आए आप सभी लोग और भी खूबसूरत बना देते हैं। नए नए रंगों से भर देते हैं।

कोई तमिल है, कोई पंजाबी है, कोई गुजराती है, तो कोई मराठी है, और कोई बंगाली है। भारत के हर कोने का प्रतिनिधित्व यहां दिखाई देता है।

साथियों,

मैं जब 14 जून को नीस पहुंचा था तो सबसे पहले भारत इनोवेट्स कार्यक्रम में शामिल हुआ था। आज जब मैं फ्रांस से वापसी की तैयारी में हूं तो लग रहा है जैसे भारत कनेक्ट्स कार्यक्रम में आ गया हूं।

फ्रांस में रहने वाले आप लोगों ने 21वीं सदी के भारत-फ्रांस रिश्तों को जिस तरह कनेक्ट किया है, वो हमारी Strategic Partnership की बहुत बड़ी ताकत बन रही है। मैं आप सभी के लिए भारत से 140 करोड़ देशवासियों की शुभकामनाएं लेकर आया हूं। इस आत्मीय स्वागत के लिए, मैं आप सभी का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं।

साथियों,

आज मैं ऐसे समय में फ्रांस आया हूं जब कुछ ही दिन पहले हमारी सरकार के 12 वर्ष पूरे हुए हैं। चुने हुए प्रधानमंत्री के रूप निरंतर 12 साल तक देश की सेवा करना मेरे जीवन का बहुत बड़ा सौभाग्य रहा है। यह भारत के लोकतंत्र की शक्ति है जिसने एक चायवाले को यहां तक पहुंचा दिया।

साथियों,

बीते 12 वर्ष, 140 करोड़ भारतीयों के अद्भुत सामर्थ्य के रहे हैं। 12 साल के इस कालखंड में भारत का GDP दोगुना हुआ है। Airports की संख्या दोगुनी हुई है। Universities की संख्या भी दोगुनी हो गई है। Highway Construction की स्पीड तीन गुना बढ़ गई। और Metro Network, चार गुणा बड़ा हो गया है।

मैं आपको कुछ और फैक्ट्स दूंगा, उससे आप अंदाजा लगा पाएंगे कि भारत किस स्पीड और कितने बड़े स्केल पर काम कर रहा है। पिछले 12 वर्षों में भारत का Defence Export 35 गुणा यानि Thirty Five Times बढ़ गया है।

औऱ एक फैक्ट सुनिए भारत में मोबाइल मैन्यूफैक्टरिंग यूनिट्स में, 100 गुणा की बढ़ोतरी हुई है। 100 times. भारत अब दुनिया का दूसरा सबसे बड़ा mobile phone manufacturer है। इसी गति, इसी प्रगति का नतीजा है कि आज भारत दुनिया की Fastest Growing Major Economy है।

साथियों,

आज भारत की कहानी सिर्फ Economic Progress की कहानी नहीं है। सिर्फ यहाँ अटक नहीं जाती है। ये Social Transformation की भी कहानी है।

पिछले 12 साल में देश में 25 करोड़ लोग गरीबी से बाहर निकले हैं। यानि एक ऐसी प्रगति जिसका लाभ समाज के अंतिम व्यक्ति तक पहुंच रहा है। फ्रांस में जितने घर हैं, उससे भी अधिक पक्के घर बीते 12 वर्ष में हमने जरूरतमंदों के लिए बनाए हैं।

अब हर परिवार के पास, गरीब से गरीब क्यों न हो, Bank Account है। Financial Inclusion एक सरकारी कार्यक्रम नहीं, बल्कि सामाजिक परिवर्तन का अभियान बना है।

साथियों,

इन 12 वर्षों की उपलब्धियों में, एक उपलब्धि ऐसी भी है जिसे किसी आंकड़े से, या अंकों से, नहीं मापा जा सकता। वह है 140 करोड़ भारतीयों का आत्मविश्वास।

आज का भारत और आज के भारत का युवा बहुत बड़े सपने देख रहा है। भारत का किसान नई संभावनाओं के साथ आगे बढ़ रहा है। भारत की महिलाएं नए नेतृत्व का परिचय दे रही हैं। इसलिए ये सिर्फ Achievements के 12 साल नहीं हैं, ये भारत की एस्पिरेशन्स को नई बुलंदी देने का कालखंड रहा है।

साथियों,

एक समय था जब दूर-दराज के गांवों तक आधुनिक सुविधाएं पहुंचाना वाकई बहुत मुश्किल भरा था। आज उन्हीं गांवों में बिजली भी है, इंटरनेट भी है, और डिजिटल सेवाओं की पूरी दुनिया भी है। आज एक क्लिक पर, कभी भी, कहीं भी बैंकिंग सेवाएं उपलब्ध हैं।

आज मोबाइल फोन, भारत के नागरिकों को अनेक सुविधाओं से कनेक्ट कर रहा है। हमारे किसान, हमारे मछुआरे, हमारे dairy farmers, हमारी महिलाएं, हमारे स्टूडेंट्स, सभी टेक्नोलॉजी के माध्यम से सशक्त हो रहे हैं, और अपने लिए नए अवसर बना रहे हैं।

साथियों,

आपने 125 करोड़ से अधिक Aadhaar IDs के बारे में सुना है। लेकिन आज भारत सिर्फ पहचान को डिजिटल नहीं बना रहा। आज करीब 90 करोड़ भारतीयों की Unique Digital Health IDs बनाई जा चुकी हैं। जिससे मेडिकल रिकॉर्ड सुरक्षित और accessible बन गए हैं। इससे हेल्थकेयर डिलीवरी और अधिक आसान और efficient हो रही है।

साथियों,

इन उपलब्धियों की सबसे बड़ी विशेषता यह है कि इनमें से अधिकांश चीजें कुछ वर्ष पहले तक कल्पना जैसी लगती थीं। कौन सोच सकता था कि गांव-गांव तक हाई-स्पीड इंटरनेट पहुंचेगा ? कौन सोच सकता था कि दूर-सुदूर के गांवों में भी QR code जीवन का हिस्सा बन जायेगा ? गांव में कोई बहन, ड्रोन से खेती करने में मदद करेगी, ये भी असंभव लगता था।

लेकिन आज यह सब, भारत के करोड़ों लोगों के जीवन का सामान्य हिस्सा बनता जा रहा है। और आपको गर्व होगा साथियों, यही नए भारत की पहचान है।

जो कभी सपना था, वह आज सच्चाई है। जो कभी नामुमकिन लगता था, वो आज मुमकिन हुआ है, औऱ ये करने के पीछे सबसे बड़ी ताकत क्या है? किसकी वजह से ये सब संभव हुआ है? यह मोदी के कारण नहीं, वो ताकत है- भारत का लोकतंत्र, भारत की डेमोक्रेसी। इस डेमोक्रेसी में सबका साथ है, सबका विकास है।

साथियों,

आज से 50 या 100 साल बाद जब भारत के इस कालखंड की समीक्षा होगी, तो ये बात उभरकर सामने आएगी कि इस कालखंड को भारत की Aspirations ने ड्राइव किया। यह भारत के एस्पिरेशन्स का नया युग है।

जहां बिजली पहुंची है, वहां लोग सिर्फ बिजली नहीं चाहते, वे Smart Living चाहते हैं। जहां ट्रेन पहुंची है, वहां लोग High-Speed Connectivity चाहते हैं। जहां हाईवे बने हैं, वहां लोग World-Class Expressways चाहते हैं। जहां इंटरनेट पहुंचा है, वहां लोग AI और Digital Innovation में नेतृत्व चाहते हैं।

यानि आज भारत के लोग अपने जीवन को भी Next Level पर ले जाना चाहते हैं, और भारत को भी Next Level पर ले जाना उनका मकसद है, उनका संकल्प है, उनके सपने है।

और साथियों,

यही Aspirations आज भारत की विकास यात्रा की सबसे बड़ी शक्ति हैं। मैं आपको भारत की Space Journey का उदाहरण दूंगा।

भारत ने चंद्रयान को चंद्रमा के South Pole पर उतारा। दुनिया ने इसे एक बहुत बड़ी उपलब्धि माना। लेकिन भारत इसे अपनी मंजिल मानकर रुका नहीं। आज देश गगनयान की तैयारी कर रहा है। भारत अंतरिक्ष में अपना Space Station बनाने की दिशा में आगे बढ़ रहा है।

हमारे Space Startups Global Space Economy में अपनी जगह बनाने के लिए पुरजोश काम कर रहे हैं, आगे बढ़ रहे हैं।

साथियों,

Green Energy के क्षेत्र में भी भारत की यही एस्पिरेशंस दिखाई देती है। Solar Power में भारत की उपलब्धियों की दुनिया भर में लगातार चर्चा हो रही हैं। लेकिन भारत अगली छलांग की तैयारी कर रहा है।

Green Hydrogen में बड़े निवेश हो रहे हैं। Advanced Nuclear Energy पर तेजी से काम हो रहा है। आपने भारत के Fast Breeder nuclear Reactor से जुड़ी प्रोग्रेस के बारे में भी सुना ज़रूर होगा। ये भारत के न्यूक्लियर एनर्जी लैंडस्केप में क्रांतिकारी परिवर्तन करने का बहुत बड़ा अचीवमेंट हमारे सीसेन्टिस्टों ने किया है।

साथियों,

आज का भारत भविष्य का पूरा Ecosystem बना रहा है। भारत एक साथ हर उस क्षेत्र में निवेश कर रहा है, जो आने वाले दशकों की दिशा तय करेगा।

अभी आपने कुछ दिन पहले ही देखा है नीस में भारत इनोवेट्स का एक आयोजन किया। ये इवेंट भारत के डीप टेक सामर्थ्य को दुनिया तक पहुंचाने का एक और माध्यम था। इसमें भारत के 120 Deep-Tech Startups उपस्थित थे। Bharat Innovates में करीब एक हजार चार सौ B2B Meetings हुईं है। कई Startups के लिए Investment Commitments आगे बढ़ीं, Commercial Orders के लिए रास्ते खुले। French और European Universities तथा Incubators के साथ Engagements बढ़ रही हैं।

Student Exchanges, Joint Research, और Innovation Support के नए रास्ते बने। इसलिए Bharat Innovates सिर्फ एक Summit नहीं रहा। यह Innovation Diplomacy का एक नया मॉडल बना है।

और आज ही पेरिस में VivaTech इवेंट के जरिए, इस यात्रा को हमने और आगे बढ़ाया। नीस में हमने Ideas को Capital से जोड़ा और पेरिस में Indian Innovation को Global Scale से जोड़ा। आज दुनिया देख रही है भारत केवल भविष्य के लिए तैयार नहीं हो रहा है। भारत भविष्य को आकार दे रहा है।

साथियों,

एक समय था, जब देशों के बीच रिश्ते केवल व्यापार से तय होते थे। आज व्यापार के साथ-साथ Trust यानि भरोसा भी उतना ही महत्वपूर्ण हो गया है।

हर देश Reliable Supply Chains चाहता है। हर देश Stable Partnerships चाहता है। हर देश ऐसे साथियों की तलाश में है, जिन पर लंबे समय तक भरोसा किया जा सके। और ऐसे समय में, भारत विश्व में एक Trusted Partner के रूप में उभर रहा है।

एवियां में G7 बैठक के दौरान मैंने trust based partnerships बनाने पर ज़ोर दिया। ग्लोबल साउथ के देशों के साथ equal पार्टनर्स के रूप में आगे बढ़ने का आह्वान किया। भारत का G7 समिट में संदेश था Global Governance तभी प्रभावी होगी जब वह Inclusive होगी। Global Growth तभी Sustainable होगी जब वह शेयर्ड होगी। और Global Technology तभी मानवता के लिए उपयोगी होगी जब वह Trusted होगी।

साथियों,

भारत और दुनिया के बीच व्यापारिक रिश्तों में नई ऊर्जा नज़र आ रही है। फ्रांस के साथ भारत का ट्रेड लगतार बढ़ रहा है। पिछले कुछ वर्षों में भारत ने दुनिया के अनेक देशों के साथ Free Trade Agreements किए हैं। यूरोपियन यूनियन हो, यूनाइटेड किंगडम हो दुनिया के हर देश, हर रीजन के साथ भारत समझौते कर रहा है।

अगले महीने से भारत और UK के बीच ट्रेड एग्रीमेंट भी लागू हो जाएगा। यह एग्रीमेंट भारत के farmers, workers और innovators को अनेक नए अवसर प्रदान करेगा।

साथियों,

आज दुनिया Uncertainty और Disruption के दौर से गुजर रही है। ऐसे समय में भारत और फ्रांस की साझेदारी विश्वास, स्थिरता और सहयोग का एक मजबूत स्तंभ बन रहा है।

इस वर्ष हमने भारत और फ्रांस के संबंधों को Special Global Strategic Partnership का दर्जा दिया था। नीस में मेरे मित्र President Macron और मैंने हमारे संबंधों को force for global good बनाने पर चर्चा की। Defence से लेकर space और नुक्लियर तक AI और क्रिटीकल मिनरल्स से लेकर high speed railway तक, हर क्षेत्र में हम मिलकर आगे बढ़ेंगे।

साथियों,

Solar energy हो, या AI के क्षेत्र में सहयोग हो, भारत और फ्रांस मिलकर ऐसे समाधान विकसित कर रहे हैं जो पूरी मानवता के हित में हैं। पिछले वर्ष पेरिस में और इस वर्ष दिल्ली में हमने AI Summit को Co-chair किया।

अब हम साथ मिलकर अगले वर्ष “तृष्णा” satellite को लॉन्च करने जा रहें हैं। यह “तृष्णा” satellite जो विश्व में फूड और वाटर सिक्युरिटी सुनिश्चित करने में योगदान देगा।

और साथियों,

यह सभी गवर्नमेंट टू गवर्नमेंट पहलो में आप सभी का योगदान बहुत महत्वपूर्ण है। ये आप हैं जो भारत और यूरोप के बीच सबसे मजबूत सेतु हैं। आप दोनों समाजों को समझते हैं। दोनों बाजारों को समझते हैं। आने वाले समय में Talent, Trade, Technology, Tourism और Investment के नए अवसरों को आगे बढ़ाने में आपकी भूमिका लगातार बढ़ने वाली हैं।

साथियों,

भारत और फ्रांस के रिश्तों को साझा इतिहास, साझा मूल्यों और साझा विश्वास ने आगे बढ़ाया है। विश्व युद्धों के दौरान फ्रांस की धरती पर बलिदान देने वाले भारतीय सैनिकों की स्मृतियां आज भी हमें जोड़ती हैं।

मुझे पहले नव शापेल में श्रद्धांजलि देने का अवसर मिला, पिछले वर्ष प्रेसिडेंट मैक्रों के साथ मार्सेय के वॉर मेमोरियल जाने का अवसर भी मिला। ये हमारी साझा विरासत है।

फ्रांस, भारतीयों के योगदान को संजोता भी है और सराहता भी है। भारतीय मूल की नूर इनायत खान हों, जिन्होंने फ्रांस की Resistance के लिए अपना जीवन बलिदान किया, या महाराजा रणजीत सिंह के साथ काम करने वाले जनरल जां फ्रांस्वा अलार हों ये सभी भारत और फ्रांस की साझा विरासत के प्रतीक हैं।

भारत के राज्य पुडुचेरी में भी फ्रेंच विरासत की झलक दिखाई देती है। वहां का Architecture, वहां की कला-संस्कृति और खान-पान सभी में हमारे संबंधों की महेक है।

साथियों,

इस समय फ्रांस समेत पूरी दुनिया में International Yoga Day की तैयारी भी चल रही है। इस अवसर पर मैं, फ्रांस में योग को आगे बढ़ाने वाले श्रीमान महेश घाट्राड्याल जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धांजलि देता हूं। मैं पद्म पुरस्कार से सम्मानित, शार्लोत शोपां जी को भी प्रणाम करता हूं। जिन्होंने सौ वर्ष की आयु में भी, योग के माध्यम से फ़्रांस को भारत की विरासत से जोड़ा है। उनका जीवन यह सिद्ध करता है: Yoga does not add years to life, it adds life to years.

साथियों,

मैं फ्रेद नेग्री जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धापूर्वक याद करता हूं। भारतीय विरासत को संरक्षित करने में उनका योगदान अतुल्य रहा है।

साथियों,

भारत और फ्रांस को कनेक्ट करने वाली एक और चीज है, और वो है फुटबॉल। इस वक्त यहां फुटबॉल फीवर पूरे जोर पर है। फ्रांस में इसकी दीवानगी, चप्पे-चप्पे पर दिखती है। लेकिन भारत में भी फुटबॉल का क्रेज़ सिर चढ़कर बोलता है।

खासतौर पर फ्रांस की टीम के फैन्स भारत में बहुत अधिक हैं। फ़्रांस ने इस वर्ल्ड कप की शुरुआत एक जोरदार जीत से शुरू की है। मैं फ्रांस की टीम को बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं।

साथियों,

जाने से पहले, आप सभी के लिए कुछ और अच्छी खबरें भी लेकर के आया हूँ। वो आपके लिए हैं। पिछले वर्ष, मार्सेय में कॉन्सुलेट खोला गया, इससे काफी अधिक सुविधा मिल रही है। कुछ हफ्ते पहले, Indian Nationals के लिए French Airports पर Visa-free Transit की व्यवस्था शुरू हो गई है।

Students और Professionals की Mobility बढ़ाना हो, या Educational Qualifications की Mutual Recognition की बात हो, या फिर French Universities के भारत में Campus खोलना हो, इन सभी पर हम मिलकर आगे बढ़ रहें हैं।

अब फ्रांस में UPI के उपयोग का दायरा भी और बढ़ने जा रहा है। यानि भारत-फ्रांस कनेक्ट भी Instant और आपसी Payment भी Instant!

साथियों,

इन सभी पहलों से, हम भारत और फ़्रांस को और करीब ला रहें हैं। और मैं फिर कहूंगा इस साझेदारी की नींव, इस रिश्ते की असली ताकत आप सभी हैं। आप सब मेरे देशवासी हैं।

आज जब भारत तेज़ी से विकसित भारत के लक्ष्य की ओर बढ़ रहा है, तो मैं आप सभी से भारत के साथ और गहराई से जुडने का आग्रह करूंगा। इससे भारत की विकास यात्रा को नई शक्ति मिलेगी, और आपको अपनी पुरखों की धरती की सेवा करने का अवसर भी मिलेगा।

इन्हीं शब्दों के साथ आप सभी के प्रेम आपके उत्साह और इस आत्मीय स्वागत के लिए मैं एक बार फिर आप सभी का आभार व्यक्त करता हूं।

भारत माता की जय!

बहुत बहुत धन्यवाद।