‘Sabka Saath, Sabka Vikas’ not only confined to India but encompasses the neighboring nations: PM
Development of India alone is not enough unless there is peace & happiness in neighbourhood: PM
Liberation war of Bangladesh was not only against the massacre but also for the protection of human values: PM

মহামহিম বাংলাদেশের শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহোদয়া, বাংলাদেশেরযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সৈনিকদের পরিবারবর্গ, বাংলাদেশের মাননীয় বিদেশ মন্ত্রী, মাননীয়স্বাধীনতা যুদ্ধ মন্ত্রী, আমার মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিদেশ মন্ত্রী শ্রদ্ধেয়সুষমা স্বরাজ, অর্থমন্ত্রী শ্রদ্ধেয় অরুণ জেটলি, সভায় উপস্থিত অতি বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দএবং বন্ধুগণ, 
  

আজ একটি বিশেষ দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ হওয়া ভারতীয় ও বাংলাদেশী বীরদের স্মরণ করার দিন। বাংলাদেশের অস্মিতারক্ষার জন্য যে ভারতীয় সৈনিকরা আত্মবলিদান দিয়েছেন সেই অকুতোভয় মানুষদের স্মরণকরার দিন। পাশাপাশি, এই দিনে আমরা বাংলাদেশের মাটিতে সেই চরম অমানবিক অত্যাচারকেওমনে করব, যা লক্ষাধিক মানুষের জীবন ছিনিয়ে নিয়েছে। সেই সময় বাংলাদেশের মানুষ যেনৃশংস সন্ত্রাসের শিকার হয়েছিলেন, সেই ক্রুর মানসিকতাকে ঘৃণায় নস্যাৎ করার দিনওআজ। এই সুযোগে ভারত ও বাংলাদেশের ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের মধ্যে অটুট বিশ্বাসের শক্তিকেচিনে নিতে হবে। উভয় দেশের সমাজকে আমরা কিভাবে একটি মজবুত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ উপহারদেব সে বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করার উপযুক্ত অবসরও এটাই।  
  

মহামহিম ও বন্ধুগণ, 

 
নানা কারণে আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। বাংলাদেশেরস্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হওয়া ভারতীয় সৈনিকদের পরিবারের জন্যও আজকের দিনটি কখনওভুলতে না পারা দিন। আজ বাংলাদেশ সেই ১৬৬১ জন ভারতীয় সৈনিকদের সম্মান জানাচ্ছে,যাঁরা ১৯৭১ সালে তাঁদের স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গ করেছেন। আমি ভারতের ১২৫ কোটিজনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহোদয়াকে; তাঁর নেতৃত্বাধীনসরকারের সকল সদস্যদের এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে এই আবেগঘন প্রয়াসের জন্যকৃতজ্ঞতা জানাই। ভারতের বীর সৈনিকরা শুধুমাত্র তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণমানুষের ওপর হওয়া অন্যায় ও নরসংহারের বিরুদ্ধে সেদেশের মুক্তি যোদ্ধাদের পাশেদাঁড়িয়ে যুদ্ধ করেননি। এই বীরেরা, ভারতীয় সংস্কৃতির মূল আদর্শ মানবিক মূল্যবোধরক্ষার খাতিরেই লড়াই করেছেন। আজ আমার পরম সৌভাগ্য, এখানে ৭টি ভারতীয় শহীদ পরিবারেরসদস্যরা আসতে পেরেছেন, গোটা ভারত আপনাদের ব্যথা ও যন্ত্রণার শরিক। সেই ত্যাগ আরতপস্যা অতুলনীয়। ভারতীয় সৈনিকদের আত্মদানের জন্য আমি ও গোটা দেশের সবাই ঐ মহানবীরদের কোটি কোটি প্রণাম জানাই। 
  

বন্ধুগণ, 

 
বাংলাদেশের জন্ম একটি নতুন আশার উৎসবে পরিণতহয়েছিল। তেমনই ১৯৭১ সালের ইতিহাস আমাদের অনেক যন্ত্রণাকাতর মুহূর্তকেও মনে করায়।সে বছর এই এপ্রিল মাসেই বাঙালিদের ওপর অত্যাচার ও নরসংহার চরমে পৌঁছেছিল ।  বিশেষ করে, সেদেশের নবীন প্রজন্মকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে সেই নরসংহারচলছিল। যাঁদের অন্তরে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন ছিল, বাংলা ভাষা ও বাঙালিঅস্মিতার গর্ব ছিল, তেমনই প্রতিটি মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যে সেই নরসংহার নৃশংসতারচরম সীমা স্পর্শ করেছিল। কেবল অসংখ্য নিরপরাধ সাধারণ মানুষের হত্যা নয়, এর মাধ্যমেস্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের চিন্তাটাকেই শেকড় থেকে উৎপাটনের ঘৃণ্য প্রচেষ্টা ছিল।কিন্তু সেই অত্যাচার পরাভূত হয়েছিল। মানবিক মূল্যবোধ জয়লাভ করেছিল, কোটি কোটিবাংলাদেশী মানুষের ইচ্ছাশক্তির জয় হয়েছিল। 

 
বন্ধুগণ, 

 
বাংলাদেশের জন্মগাথা অসীম আত্মবলিদানের গাথা।আর এই সমস্ত বলিদানের গাথা একই সূত্রে গ্রন্থিত। একটাই উদ্দেশ্য – আর তা হল,মাতৃভূমি এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অগাধ প্রেম। মুক্তিযোদ্ধাদের এই অদম্য ওঅবিনাশী ভাবনা এই মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ভারত সরকারও নিয়মিত কাজ করে গেছে।মুক্তিযোদ্ধা স্কলারশিপ স্কিমের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ১০ হাজারেরও বেশিছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। আজ এই উপলক্ষে আমি তাঁদের কল্যাণে আরওতিনটি ঘোষণা করছি। আগামী পাঁচ বছরে আরও ১০ হাজার ছাত্রছাত্রীকে এই বৃত্তিপ্রদানেরসিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।  মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্যআগামী পাঁচ বছর মাল্টিপল এন্ট্রিভিসা প্রদান করতে হবে, আর ভারতে নিঃশুল্ক চিকিৎসারজন্য প্রত্যেক বছর ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে একটি বিশেষ চিকিৎসা প্রকল্পের মাধ্যমেসাহায্য করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীরলড়াই আর আত্মদানও কখনও ভোলার নয়। বাংলাদেশের মানুষের প্রতি ভালবাসা, সম্মান ওমানবিক মূল্যবোধের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধাই ছিল তাঁদের প্ররণার উৎস। যুদ্ধের বর্বরতা ওনৃশংসতার মুখোমুখি হয়েও তাঁরা ছিলেন নিজেদের লক্ষ্যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আর জয়ের পরতাঁরা আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে ৯০ হাজার যুদ্ধবন্দী পাকিস্তানী সৈন্যকে নিরাপদে ফিরেযেতে দিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। এটিকে বিশ্ববাসী বিগত শতাব্দীতেমানবিকতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন বলে স্বীকার করে নিয়েছে। বন্ধুগণ, ভারত এবংবাংলাদেশ শুধু ক্রুরতাকে পরাভূত করে থেমে থাকে না, ক্রুরতার মৌলিক ভাবনাকেই নস্যাৎকরে।

বন্ধুগণ, 
  

বঙ্গবন্ধুর কথা না বললে বাংলাদেশ নিয়ে কোনওকথাই সম্পূর্ণ হয় না। উভয়ের অস্তিত্ব পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ।  উভয়ে পরস্পরের পরিপূরক।বঙ্গবন্ধু ছিলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মুখ্য সূত্রধর। তিনি নিজের সময় থেকে এগিয়েভাবতে পারতেন। তাঁর প্রত্যেক আহ্বান সেদেশের আপামর মানুষকে উদ্বেল করতো। একজনআধুনিক, মুক্তমনা মানুষ আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এই মহাপুরুষের দেখানো পথ অনুসরণকরেই বাংলাদেশ উত্তরোত্তর উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। ১৯৭১ সালের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবররহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায়। অশান্তি ও অস্থিরতাজয় করে কল্পনার ‘সোনার বাংলা’ বাস্তব রূপ নিতে শুরু করে। ভারতের তৎকালীন নবীনপ্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্ব দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছে। আমার সৌভাগ্য যেআমিও তাঁর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলাম। আজও বঙ্গবন্ধুকে শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, সারাপৃথিবীতেই শান্তি ও সহাবস্থান স্থাপনকারী নেতা হিসাবে স্মরণ করা হয়। তাঁর সুকন্যা,শ্রদ্ধেয়া শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রূপে এখানে এসেছেন। এই উপলক্ষেআমি তাঁর সাহসিকতারও প্রশংসা করতে চাই। যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য থেকে তিনি উঠেএসেছেন, দেশকে তুলে এনেছেন, তা বিরল সাহসিকতারই নিদর্শন। তিনি আজও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েদেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করে চলেছেন।  
  

বন্ধুগণ, 

 
আজ আমাদের এলাকায়, বিশ্বের এই প্রাচীন ভূভাগেমূলত তিনটি ভাবধারার প্রাধান্য রয়েছে। এই ভাবধারাগুলি আমাদের সমাজ ও সরকারিব্যবস্থাগুলির অগ্রাধিকারের দর্পণ স্বরূপ। এর মধ্যে একটি ভাবধারা আর্থিক উন্নয়ন-কেন্দ্রিক;যা দেশকে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলতে বদ্ধপরিকর; সমাজের সকল বর্গের মানুষকেসঙ্গে নিয়ে চলে। এই ভাবনার একটি প্রত্যক্ষ উদাহরণ হ’ল, বাংলাদেশের প্রগতি এবংউন্নতি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ভারত থেকে কম ছিল। আজ বাংলাদেশেরনাগরিকদের গড় আয়ু ভারতের চেয়েও বেশি। বিগত ৪৫ বছরে বাংলাদেশের জিডিপি ৩১ গুণ বৃদ্ধিপেয়েছে। শিশুমৃত্যুর হার ২২২ থেকে কমে এখন ৩৮ হয়েছে। ব্যক্তি প্রতি চিকিৎসকেরসংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত রপ্তানি ১২৫ গুণ বৃদ্ধিপেয়েছে। পরিবর্তনের এই পরিসংখ্যানগুলি নিজে থেকেই অনেক কিছু বলে। প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি ও সুযোগ্য নেতৃত্ব অনুসরণ করে বাংলাদেশ আর্থিক প্রগতির নতুনসীমা অতিক্রম করছে। 
  

পাশাপাশি, আরেকটি ভাবনা রয়েছে  :  “সবার সাথে সবার উন্নয়ন”। আমি চাই যে, ভারতের সঙ্গে ভারতের প্রতিবেশীদেশগুলিও উন্নতির পথে এগিয়ে যাক। একা ভারতের উন্নয়ন স্বয়ংসম্পূর্নতা আনতে পারে না।কারণ, আমরা জানি – ‘সবার সঙ্গে সবার উন্নয়ন’ শান্তির ভিত্তিপ্রস্তরের ওপরই মজবুতইমারত গড়ে তুলতে পারে। সেজন্য আমরা সকল দেশের প্রতি চিরকালীন মিত্রতার হাত বাড়িয়েদিয়েছি। প্রতিটি দেশকে আমাদের সমৃদ্ধির সহভাগী হয়ে ওঠার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি।নিঃস্বার্থভাবে আমরা সমগ্র অঞ্চলের মঙ্গল চেয়েছি। এই ভাবনার সাফল্যের প্রত্যক্ষউদাহরণ হ’ল, ভারত-বাংলাদেশ পারস্পরিক সম্পর্কের মজবুত গ্রাফ বা পরিসংখ্যান; আর তাথেকে উৎপন্ন হয়েছে উভয় দেশের আর্থিক লাভ। অন্যান্য ক্ষেত্র যেমন – রাজনৈতিক,পরিকাঠামো উন্নয়ন, জনগণের মধ্যে অর্থনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিদ্যুৎশক্তি ওজ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি, দীর্ঘ উপেক্ষিত ও বিতর্কিতছিটমহল সমস্যার সমাধান, সামুদ্রিক সীমা নিয়ে বিবাদ নিরসন, প্রত্যেক ক্ষেত্রেসহযোগিতা, পারস্পরিক শান্তি, যৌথ উন্নয়ন, বিশ্বাস ও আঞ্চলিক বিকাশের ভাবনার সাফল্যইএর বোধগম্য বাস্তব প্রমাণ।

বন্ধুগণ, 

 
কিন্তু দুঃখের বিষয় এই দুই ভাবধারার বিপরীতেদক্ষিণ এশিয়ায় একটি তৃতীয় ভাবধারাও রয়েছে। এই মানসিকতা সন্ত্রাসবাদকে লালন-পালনকরে ও প্রেরণা যোগায়। এই ভাবধারার ভিত্তি মানবিকতা নয়, হিংসা, উগ্র মৌলবাদ এবংসন্ত্রাসই এর ভিত্তি। এর মূল উদ্দেশ্য সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা সন্ত্রাসের বিস্তার।এহেন মানসিকতার ওপর যারা নীতি-নির্ধারণ করে, তাদের কাছে  : –

 

·   মানবিকতা থেকে সন্ত্রাসবাদ বড়। 

·   বিকাশ থেকে বিনাশ বড়। 

·   সৃজন থেকে সংহার বড়। 

·   আস্থা থেকে বিশ্বাসঘাতকতা বড়। 
  

এই ভাবনা আমাদের অঞ্চলের সামাজিক শান্তি,সামাজিক ভারসাম্য আর সমাজের সুস্থ উন্নয়ন ও আর্থিক বিকাশের ক্ষেত্রে সবচাইতে বড়প্রতিবন্ধক। এই ভাবধারা দক্ষিণ এশিয়া তথা বিশ্বে শান্তির বিকাশে প্রতিবন্ধক। ভারতও বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি যেমন পারস্পরিক সহযোগিতা, তেমনই তৃতীয় ভাবধারারশিকারও আমরাই হই, কুফলও ভোগ করি।  

বন্ধুগণ, 

 
আমাদের আন্তরিক অভিলাষ হ’ল দক্ষিণ এশিয়া তথাবিশ্বের সকল দেশের সমস্ত মানুষের সাফল্য ও সমৃদ্ধি। আর সেজন্য ভারত সবসময়সহযোগিতার দরজা খুলে রেখেছে। কিন্তু সেজন্য সন্ত্রাসবাদ পরিহার করতে হবে,সন্ত্রাসবাদীদের তীব্র প্রহার করতে হবে।

বন্ধুগণ, 

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সরকার কিংবা রাজনীতিরউর্ধ্বে। এক্ষেত্রে কখন কোন্‌ দেশে কোন্‌ দলের শাসন চলে সেটা বড় কথা নয়। ভারত ওবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ পরস্পরের হাত ধরে চলতে চায়। দু’দেশের ১৪০ কোটি মানুষেরপাশাপাশি চলার ইচ্ছাই এই সম্পর্কের ভিত্তি। আমরা সুখ-দুঃখের সাথী। আমি সবসময়েইবলি, যে স্বপ্ন আমি ভারতের জন্য দেখি, সেই শুভেচ্ছা বাংলাদেশের জন্যও থাকে। আমিবাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। ভারত বন্ধু হিসাবে যতটা সাহায্য করতে পারে,তা সবসময়ই করবে। অবশেষে, আমি আরেকবার মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে, ভারতের বীরসৈনিকদের উদ্দেশ্যে প্রণাম জানাই। এই অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ-এরপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহোদয়াকে বিশেষ অভিনন্দন জানাই। ভারত সর্বদা আস্থা ওনিবিড় বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। 

জয় হিন্দ – জয় বাংলা।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress

Media Coverage

Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
This is the New India that leaves no stone unturned for development: PM Modi
March 23, 2026
Today, India is moving forward with a new confidence; Now India faces challenges head-on: PM
From the Gulf to the Global West and from the Global South to neighbouring countries, India is a trusted partner for all: PM
What gets measured gets improved and ultimately gets transformed: PM
This is the new India, It is leaving no stone unturned for development: PM

नमस्कार!

पिछले कुछ समय में मुझे एक-दो बार टीवी9 भारतवर्ष देखने का मौका मिला है। नॉर्मली भी युद्धों और मिसाइलों पर आपका बहुत फोकस होता है और आजकल तो आपको कंटेंट की ओवरफीडिंग हो रही है। बड़े-बड़े देश टीवी9 को इतना सारा कंटेंट देने पर तुले हुए हैं, लेकिन On a Serious Note, आज विश्व जिन गंभीर परिस्थितियों से गुजर रहा है, वो अभूतपूर्व है और बेहद गंभीर है। और इन स्थितियों के बीच, आज टीवी-9 नेटवर्क ने विचारों का एक बेहद महत्वपूर्ण मंच बनाया है। आज इस समिट में आप सभी India and the world, इस विषय पर चर्चा कर रहे हैं। मैं आप सबको बधाई देता हूं। इस समिट के लिए अपनी शुभकामनाएं देता हूं। सभी अतिथियों का अभिनंदन करता हूं।

साथियों,

आज जब दुनिया, conflicts के कारण उलझी हुई है, जब इन conflicts के दुष्प्रभाव पूरी दुनिया पर दिख रहे हैं, तब India and the world की बात करना बहुत ही प्रासंगिक है। भारत आज वो देश है, जिसकी अर्थव्यवस्था तेजी से आगे बढ़ रही है। 2014 के पहले की स्थितियों को पीछे छोड़कर के आज भारत एक नए आत्मविश्वास के साथ आगे बढ़ रहा है। अब भारत चुनौतियों को टालता नहीं है बल्कि चुनौतियों से टकराता है। आप बीते 5-6 साल में देखिए, कोरोना की महामारी के बाद चुनौतियां एक के बाद एक बढ़ती ही गई हैं। ऐसा कोई साल नहीं है, जिसने भारत की, भारतीयों की परीक्षा न ली हो। लेकिन 140 करोड़ देशवासियों के एकजुट प्रयास से भारत हर आपदा का सामना करते हुए आगे बढ़ रहा है। इस समय युद्ध की परिस्थितियों में भी भारत की नीति और रणनीति देखकर, भारत का सामर्थ्य देखकर दुनिया के अनेकों देश हैरान हैं। हमारे यहां कहावत है, सांच को आंच नहीं। 28 फरवरी से दुनिया में जो उथल-पुथल मची है, इन कठोर विपरीत परिस्थितियों में भी भारत प्रगति के, विकास के, विश्वास के संकल्प के साथ आगे बढ़ रहा है। इन 23 दिनों में भारत ने अपनी Relationship Building Capacity दिखाई है, Decision Making Capacity दिखाई है और Crisis Management Capacity दिखाई है।

साथियों,

आज जब दुनिया इतने सारे खेमों में बंटी हुई है, भारत ने अभूतपूर्व और अकल्पनीय bridges बनाए हैं। Gulf से लेकर Global West तक, Global South से लेकर पड़ोसी देशों तक भारत सभी का trusted partner है। कुछ लोग पूछते हैं, हम किसके साथ हैं? तो उनको मेरा जवाब यही है कि हम भारत के साथ हैं, हम भारत के हितों के साथ हैं, शांति के साथ हैं, संवाद के साथ हैं।

साथियों,

संकट के इसी समय में जब global supply chains डगमगा रही हैं, भारत ने diversification और resilience का मॉडल पेश किया है। Energy हो, fertilizers हों या essential goods अपने नागरिकों को कम से कम परेशानी हो, इसके लिए भारत ने निरंतर प्रयास किया है और आज भी कर रहे है।

साथियों,

जब राष्ट्रनीति ही राजनीति का मुख्य आधार हो, तब देश का भविष्य सर्वोपरि होता है। लेकिन जब राजनीति में व्यक्तिगत स्वार्थ हावी हो जाता है, तब लोग देश के फ्यूचर के बजाय अपने फ्यूचर के बारे में सोचते हैं। आप ज़रा याद कीजिए 2004 से 2010 के बीच क्या हुआ था? तब कांग्रेस सरकार के समय पेट्रोल-डीजल और गैस की कीमतों का संकट आया था और तब कांग्रेस ने देश की नहीं बल्कि अपनी सत्ता की चिंता की। उस वक्त कांग्रेस ने एक लाख अड़तालीस हज़ार करोड़ रुपए के ऑयल बॉन्ड जारी किए थे और प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह जी ने खुद कहा था कि वो आने वाली पीढ़ी पर कर्ज का बोझ डाल रहे हैं। यह जानते हुए भी कि ऑयल बॉन्ड का फैसला गलत है, जो रिमोट कंट्रोल से सरकार चला रहे थे, उन लोगों ने अपनी सत्ता बचाने के लिए यह गलत निर्णय किया क्योंकि जवाबदेही उस समय नहीं होनी थी, उस बॉन्ड पर री-पेमेंट 2020 के बाद होनी थी।

साथियों,

बीते 5-6 वर्षों में हमारी सरकार ने कांग्रेस सरकार के उस पाप को धोने का काम किया है, और इस धुलाई का खर्चा कम नहीं आया है, ऐसी लाँड्री आपने देखी नहीं होगी। 1 लाख 48 हज़ार करोड़ रुपए की जगह, देश को 3 लाख करोड़ रुपए से अधिक की पेमेंट करनी पड़ी क्योंकि इसमें ब्याज भी जुड़ गया था। यानी हमने करीब-करीब दोगुनी राशि चुकाने के लिए मजबूर हुए। आजकल कांग्रेस के जो नेता बयानों की मिसाइलें दाग रहे हैं, मिसाइल आई तो टीवी9 को मजा आएगा, उनकी इस विषय का जिक्र आते ही बोलती बंद हो जाती है।

साथियों,

पश्चिम एशिया में बनी परिस्थितियों पर मैंने आज लोकसभा में अपना वक्तव्य दिया है। दुनिया में जहां भी युद्ध हो रहे हैं, वो भारत की सीमा से दूर हैं। लेकिन आज की व्यवस्थाओं में कोई भी देश युद्धों से दुष्प्रभाव से दूर रहे, ऐसा संभव नहीं होता। अनेक देशों में तो स्थिति बहुत गंभीर हो चुकी है। और इन हालातों में हम देख रहे हैं कि राजनीतिक स्वार्थ से भरे कुछ लोग, कुछ दल, संकट के इस समय में भी अपने लिए राजनीतिक अवसर खोज रहे हैं। इसलिए मैं टीवी9 के मंच से फिर कहूंगा, यह समय संयम का है, संवेदनशीलता का है। हमने कोरोना महासंकट के दौरान भी देखा है, जब देशवासी एकजुट होकर संकट का सामना करते हैं, तो कितने सार्थक परिणाम आते हैं। इसी भाव के साथ हमें इस युद्ध से बनी परिस्थितियों का सामना करना है।

साथियों,

दुनिया की हर उथल-पुथल के बीच, भारत ने अपनी प्रगति की गति को भी बनाए रखा है। अगर मैं 28 फरवरी को युद्ध शुरू होने के बाद, बीते 23 दिनों का ही ब्यौरा दूं, तो पूरब से पश्चिम तक, उत्तर से दक्षिण तक देश में हजारों करोड़ के डेवलपमेंट प्रोजेक्ट्स का काम हुआ है। दिल्ली मेट्रो रेल के महत्वपूर्ण कॉरिडोर्स का लोकार्पण, सिलचर का हाई स्पीड कॉरिडोर का शिलान्यास, कोटा में नए एयरपोर्ट का शिलान्यास, मदुरै एयरपोर्ट को इंटरनेशनल एयरपोर्ट का दर्जा देना, ऐसे अनेक काम बीते 23 दिनों में ही हुए हैं। बीते एक महीने के दौरान ही औद्योगिक विकास को गति देने के लिए भव्य स्कीम को मंजूरी दी गई है। इसके तहत देशभर में 100 plug-and-play industrial parks विकसित किए जाएंगे। देश में Small Hydro Power Development Scheme को भी हरी झंडी दी गई है। इससे आने वाले वर्षों में 1,500 मेगावाट नई hydro power capacity जोड़ी जाएगी। इसी दौरान जल जीवन मिशन को साल 2028 तक बढ़ाने का निर्णय लिया गया है। किसानों के हित में भी अनेक बड़े निर्णय लिए गए हैं। बीते एक महीने में ही पीएम किसान सम्मान निधि के तहत 18 हजार करोड़ रुपए से अधिक सीधे किसानों के खातों में ट्रांसफर किए गए हैं। और जो हमारे MSMEs हैं, जो हमारे निर्यातक हैं, उनके लिए भी करीब 500 करोड़ रुपए के राहत पैकेज की भी घोषणा की गई है। यह सारे कदम इस बात का प्रमाण हैं कि विकसित भारत बनाने के लिए देश कितनी तेज गति से काम कर रहा है।

साथियों,

Management की दुनिया में एक सिद्धांत कहा जाता है - What gets measured, gets managed. लेकिन मैं इसमें एक बात और जोड़ना चाहता हूं, What gets measured, gets improved और ultimately, gets transformed. क्योंकि आकलन जागरूकता पैदा करता है। आकलन जवाबदेही तय करता है और सबसे महत्वपूर्ण आकलन संभावनाओं को जन्म देता है।

साथियों,

अगर आप 2014 से पहले के 10-11 साल और 2014 के बाद के 10-11 साल का आप आकलन करेंगे, तो यही पाएंगे कि कैसे इसी सिद्धांत पर चलते हुए, भारत ने हर सेक्टर को Transform किया है। जैसे पहले हाईवे बनते थे, करीब 11-12 किलोमीटर प्रति दिन की रफ्तार से, आज भारत करीब 30 किलोमीटर प्रतिदिन की स्पीड से हाईवे बना रहा है। पहले पोर्ट्स पर शिप का Turnaround Time, 5-6 दिन का होता था। आज वही काम, करीब-करीब 2 दिन से भी कम समय में पूरा हो रहा है। पहले Startup Culture के बारे में चर्चा ही नहीं होती थी। 2014 से पहले, हमारे देश में 400-500 स्टार्ट अप्स ही थे। आज भारत में 2 लाख से ज्यादा रजिस्ट्रर्ड स्टार्ट अप्स हैं। पहले मेडिकल education में सीटें भी सीमित थीं, करीब 50-55 हजार MBBS seats थीं, आज यह बढ़कर सवा लाख से ज्यादा हो चुकी हैं। पहले देश के Banking system से भी करोड़ों लोग बाहर थे। देश में सिर्फ 25 करोड़ के आसपास ही बैंक account थे। वहीं जनधन योजना के माध्यम से 55 करोड़ से ज्यादा बैंक अकाउंट खुले हैं। पहले हमारे देश में airports की संख्या भी 70 से कम थी। आज एयरपोर्ट्स की संख्या भी बढ़कर 160 से ज्यादा हो चुकी है।

साथियों,

पहले भी योजनाएं तो बनती थीं, लेकिन आज फर्क है, आज परिणाम दिखते हैं। पहले गति धीमी थी, आज भारत fastrack पर है। पहले संभावनाएं भी अंधकार में थीं, आज संकल्प सिद्धियों में बदल रहे हैं। इसलिए दुनिया को भी यह संदेश मिल रहा है कि यह नया भारत है। यह अपने विकास के लिए कोई कोर-कसर बाकी नहीं छोड़ रहा है।

साथियों,

आज हमारा प्रयास है कि अतीत में विकास का जो असंतुलन पैदा हो गया था, उसको अवसरों में बदला जाए। अब जैसे हमारा पूर्वी भारत है। हमारा पूर्वी भारत संसाधनों से समृद्ध है, दशकों तक वहां जिन्होंने सरकारें चलाई हैं, उनकी उपेक्षा ने पूर्वी भारत के विकास पर ब्रेक लगा दी थी। अब हालात बदल रहे हैं। जिस असम में कभी गोलियों की आवाज सुनाई देती थी, आज वहां सेमीकंडक्टर यूनिट बन रही है। ओडिशा में सेमीकंडक्टर से लेकर पेट्रोकेमिकल्स तक अनेक नए-नए सेक्टर का विकास हो रहा है। जिस बिहार में 6-7 दशक में गंगा जी पर एक बड़ा पुल बन पाया था एक, उस बिहार में पिछले एक दशक में 5 से ज्यादा नए पुल बनाए गए हैं। यूपी में कभी कट्टा मैन्युफैक्चरिंग की कहानियां कही जाती थीं, आज यूपी, मोबाइल फोन मैन्युफैक्चरिंग में दुनिया में अपनी पहचान बना रहा है।

साथियों,

पूर्वी भारत का एक और बड़ा राज्य पश्चिम बंगाल है। पश्चिम बंगाल, एक समय में भारत के कल्चर, एजुकेशन, इंडस्ट्री और ट्रेड का हब होता था। बीते 11 वर्षों में केंद्र सरकार ने पश्चिम बंगाल के विकास के लिए बड़ी मात्रा में निवेश किया है। लेकिन दुर्भाग्य से, आज वहां एक ऐसी निर्मम सरकार है, जो विकास पर ब्रेक लगाकर बैठी है। TV9 बांग्ला के जो दर्शक हैं, वो जानते हैं कि बंगाल में आयुष्मान योजना पर निर्मम सरकार ने ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम आवास योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। चाय बागान श्रमिकों के लिए शुरू हुई योजना के लिए ब्रेक लगाया हुआ है। यानी विकास और जनकल्याण से ज्यादा प्राथमिकता निर्मम सरकार अपने राजनीतिक स्वार्थ को दे रही है।

साथियों,

देश में इस तरह की राजनीति की शुरुआत जिस दल ने की है, वो अपने गुनाहों से बच नहीं सकती और वो पार्टी है - कांग्रेस। कांग्रेस पार्टी की राजनीति का एक ही लक्ष्य रहा है, किसी भी तरह विकास का विरोध और कांग्रेस यह तब से कर रही है, जब मैं गुजरात में था। गुजरात में वर्षों तक जनता ने हमें आशीर्वाद दिया, तो कांग्रेस ने उस जनादेश को स्वीकार नहीं किया। उन्होंने गुजरात की छवि पर सवाल उठाए, उसकी प्रगति को कटघरे में खड़ा किया और जब यही विश्वास पूरे देश में दिखाई दिया, तो कांग्रेस का विरोध भी रीजनल से नेशनल हो गया।

साथियों,

जब राजनीति में विरोध, विकास के विरोध में बदल जाए, जब आलोचना देश की उपलब्धियों पर सवाल उठाने लगे, तब यह सिर्फ सरकार का विरोध नहीं रह जाता, यह देश की प्रगति से असहज होने की मानसिकता बन जाती है। आज कांग्रेस इसी मानसिकता की गुलाम बन चुकी है। आज स्थिति यह है कि देश की हर सफलता पर प्रश्न उठाया जाता है, हर उपलब्धि में कमी खोजी जाती है और हर प्रयास के असफल होने की कामना की जाती है। कोविड के समय, देश ने अपनी वैक्सीन बनाई, तो कांग्रेस ने उस पर भी संदेह जताया। Make in India की बात हुई, तो कहा गया कि यह सफल नहीं होगा, बब्बर शेर कहकर इसका मजाक उड़ाया गया। जब देश में डिजिटल इंडिया अभियान शुरू हुआ, तो उसका मजाक उड़ाया गया। लेकिन हर बार यह कांग्रेस का दुर्भाग्य और देश का सौभाग्य रहा कि भारत ने हर चुनौती को सफलता में बदला। आज भारत दुनिया की सबसे बड़ी वैक्सीनेशन ड्राइव का उदाहरण है। भारत डिजिटल पेमेंट्स में दुनिया का अग्रणी देश है। भारत मैन्युफैक्चरिंग और स्टार्टअप्स में नई ऊंचाइयों को छू रहा है।

साथियों,

लोकतंत्र में विरोध जरूरी होता है। लेकिन विरोध और विद्वेष के बीच एक रेखा होती है। सरकार का विरोध करना लोकतांत्रिक अधिकार है। लेकिन देश को बदनाम करना, यह कांग्रेस की नीयत पर सवाल खड़ा करता है। जब विरोध इस स्तर तक पहुंच जाए कि देश की उपलब्धियां भी असहज करने लगें, तो यह राजनीति नहीं, यह दृष्टिकोण की समस्या है। अभी हमने ग्लोबल AI समिट में भी देखा है। जब पूरी दुनिया भारत में जुटी हुई थी, तो कांग्रेस के लोग कपड़े फाड़ने वहां पहुंच गए थे। इन लोगों को देश की इज्जत की कितनी परवाह है, यह इसी से पता चलता है। इसलिए आज आवश्यकता है कि देशहित को, दलहित से ऊपर रखा जाए क्योंकि अंत में राजनीति से ऊपर, राष्ट्र होता है, राष्ट्र का विकास होता है।

साथियों,

आज का यह दिन भी हमें यही प्रेरणा देता है। आज के ही दिन शहीद भगत सिंह, शहीद राजगुरु और शहीद सुखदेव ने देश के लिए सर्वोच्च बलिदान दिया था। आज ही, समाजवादी आंदोलन के प्रखर आदर्श डॉ. राम मनोहर लोहिया जी की जयंती भी है। यह वो प्रेरणाएं हैं, जिन्होंने देश को हमेशा स्व से ऊपर रखा है। देशहित को सबसे ऊपर रखने की यही प्रेरणा, भारत को विकसित भारत बनाएगी। यही प्रेरणा भारत को आत्मनिर्भर बनाएगी। मुझे पूरा विश्वास है कि टीवी9 की यह समिट भी भारत के आत्मविश्वास और दुनिया के भरोसे पर, भारतीयों पर जो भरोसा है, उस भरोसे को और सशक्त करेगी। आप सभी को मेरी तरफ से बहुत-बहुत शुभकामनाएं हैं और आपके बीच आने का अवसर दिया, आप सबसे मिलने का मौका लिया, इसलिए बहुत-बहुत धन्यवाद!

नमस्‍कार!