India shares the ASEAN vision for the rule based societies and values of peace: PM
We are committed to work with ASEAN nations to enhance collaboration in the maritime domain: PM Modi

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুঙ্গ, 

মাননীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং 

সম্মানিত অতিথিগণ, 
  

আসিয়ান-ভারত স্মারক শীর্ষ সম্মেলনে আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাতে পেরে আমিআনন্দিত।  
  

আমাদের অংশীদারিত্বের সম্পর্কের ২৫ বছর আমরা এখন উদযাপন করছি সত্যি কথা,কিন্তু আমাদের দু’দেশের মিলিত যাত্রার সূচনাকাল ছিল হাজার হাজার বছর পূর্বে।  
  

আসিয়ান নেতৃবৃন্দকে পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার ভারতে আমন্ত্রণ জানানোর একসুযোগ আমরা লাভ করেছি। আগামীকাল আমাদের সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আপনারাই উপস্থিতথাকবেন আমাদের সম্মানিত অতিথি হিসাবে। আমাদের এই আনন্দময় উদযাপনের মুহূর্তেআসিয়ানভুক্ত দেশগুলির ভাই-বোনেদের এই উপস্থিতি এক নজির বিহীন ঘটনা।  

  
এখানে আপনাদের এই সমবেত উপস্থিতি ১২৫ কোটি ভারতবাসীর হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।  
  

ভারতের ‘পূবে তাকাও নীতি’র কেন্দ্রবিন্দুতে আসিয়ানের অবস্থান আমাদের কৌশলগতঅংশীদারিত্বের গুরুত্বকেই প্রতিষ্ঠিত করে। 
  

এক মিলিত সংস্কৃতি ও সভ্যতার বন্ধন লালন করে এসেছে আমাদের এই মৈত্রী সম্পর্ককে।সুপ্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ আজও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলিতে এবং ভারতীয়উপ-মহাদেশে এক মিলিত উত্তরাধিকারের ধারা বহন করে চলেছে।  
  

এই মহাকাব্যের মধ্য দিয়ে আমাদের যে সাধারণ সাংস্কৃতিক সম্পদ অর্জিত হয়েছে,তা তুলে ধরতে আসিয়ান দেশগুলির শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি রামায়ণ উৎসবেরও আমরা আয়োজনকরেছি।  

  
বৌদ্ধবাদ সহ অন্যান্য প্রধান প্রধান ধর্মীয় ভাবধারা আমাদের মধ্যে এক নিবিড়বন্ধন গড়ে তুলেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেকগুলি দেশেই ইসলাম ধর্মের সঙ্গে রয়েছেভারতের বহু শতাব্দী প্রাচীন এক বিশেষ যোগসূত্র।  

  
আমাদের মিলিত ঐতিহ্যের উদযাপনের অঙ্গ হিসাবে আমরা যৌথভাবে প্রকাশ করেছিকতকগুলি স্মারক ডাকটিকিট-ও।  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 
  

ভারত ও আসিয়ান দেশগুলিতে আমাদের বর্ষব্যাপী যৌথস্মারক কর্মপ্রচেষ্টার এক গ্র্যান্ড ফিনালে হ’ল এই শীর্ষ সম্মেলন। এর মাধ্যমেআমাদের এ পর্যন্ত যাত্রাপথের পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যতের যাত্রাপথের দিকনির্দেশের ঘটনাকে প্রত্যক্ষ করার এক মূল্যবান সুযোগ আমাদের কাছে উপস্থিত।  

  
আমাদের সকলের মুক্ত এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মধ্যদিয়েই এই উদ্দেশ্য পূরণ সম্ভব বলে আমি মনে করি।   
  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 
  

১৯৯২ সাল থেকে শুরু করে আমাদের সুনির্দিষ্টক্ষেত্র-ভিত্তিক আলোচনার পরিধি প্রসারিত হয়েছে কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে।বর্তমানে বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনগুলি ছাড়াও আমাদের মধ্যে গড়ে উঠেছে ৩০টিসুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র-ভিত্তিক আলোচনা ব্যবস্থা এবং ৭টি মন্ত্রিপর্যায়ের মতবিনিময়েরমঞ্চ।  
  

পাঁচ বছর মেয়াদী কার্যপরিকল্পনার মধ্য দিয়েশান্তি, অগ্রগতি এবং মিলিত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আসিয়ান-ভারত অংশীদারিত্বের লক্ষ্যপূরণে আমরা এগিয়ে গেছি অনেক দূর।  
  

২০১৬-২০২০ সময়কালের জন্য আমাদের তৃতীয়কার্যপরিকল্পনার রূপায়ণ যেভাবে প্রসার লাভ করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিরাখে।  

আসিয়ান-ভারত সহযোগিতা তহবিল, আসিয়ান-ভারত সবুজতহবিল এবং আসিয়ান-ভারত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তহবিলের সাহায্যে আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধিসম্পর্কিত কর্মসূচিগুলি রূপায়িত হচ্ছে।  
 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 

  
সমুদ্র এবং মহাসাগরীয় অঞ্চলে একনিয়মনীতি-ভিত্তিক শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে আসিয়ানের শান্তি ও সমৃদ্ধির স্বপ্ন পূরণেরভাগীদার হয়েছে ভারত। 

  
নৌ-সম্পর্কিত পারস্পরিক সহায়তা এবং রাজনৈতিকসহযোগিতার প্রসারে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে কাজ করে যেতে আমরা সংকল্পবদ্ধ।  

  
রিট্রিট পর্বে আসিয়ান-ভারত নৌ-সহযোগিতা সম্পর্কেআলোচনার সুযোগ আমরা লাভ করেছিলাম। কারণ, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিকাশ ওঅগ্রগতির বিষয়টি রয়েছে আমাদের চিন্তাভাবনার মধ্যেই।  

  
আমাদের স্মারক কর্মপ্রচেষ্টার সবকটি ক্ষেত্রেইনৌ-সহযোগিতার বিষয়টি এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। আসিয়ান-ভারত শীর্ষ সম্মেলন,নীল অর্থনীতি সম্পর্কিত কর্মশালা এবং নিয়মিতভাবে আলাপ-আলোচনার ক্ষেত্রে এই বিষয়টিবারংবার উচ্চারিত হয়েছে।  

  
মানবতাবাদী কর্মপ্রচেষ্টা, বিপর্যয় মোকাবিলা,নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং সামুদ্রিক পরিবহণ ক্ষেত্রে স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলিসবসময়েই কাজ করে যাবে আমাদের নৌ-সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলিতে।  

 

আসিয়ান দেশগুলির সঙ্গে জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে,সংস্কৃতি ও সভ্যতার আদান-প্রদানে এবং এই দেশগুলির জনসাধারণের পরস্পরের মধ্যেআদান-প্রদানের মাধ্যমে শতাব্দী প্রাচীন যে সম্পর্ক ভারতের গড়ে উঠেছে, এই শীর্ষসম্মেলন তারই এক ইতিবাচক পরিণতি। 
  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 

  
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের এই দেশগুলিরমধ্যে ডিজিটাল সংযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে এক নতুন মৈত্রীবন্ধনের জন্ম দেবে।  

  
আঞ্চলিক পর্যায়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ফাইবার অপটিকনেটওয়ার্ক এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলির সঙ্গে ডিজিটাল পদ্ধতিতে একটি জাতীয় গ্রামীণব্রডব্যান্ড ব্যবস্থা গড়ে তোলাও এই সহযোগিতার অন্তর্ভুক্ত। 

  
গ্রামীণ সংযোগ ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি বড়ধরণের প্রকল্প রূপায়ণের প্রস্তাব করেছে ভারত। এর মাধ্যমে কম্বোডিয়া, লাও পিডিআর,মায়ানমার এবং ভিয়েতনামে গড়ে উঠবে ডিজিটাল গ্রাম। এই প্রকল্পের সাফল্য প্রতিফলিত হবেঅন্যান্য আসিয়ান রাষ্ট্রগুলিতেও।  

  
নীতি, নিয়ন্ত্রণ ও কারিগরি বিকাশ সম্পর্কিতশ্রেষ্ঠ ব্যবস্থাগুলি পরস্পরের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার জন্য টেলিযোগাযোগ এবংনেটওয়ার্ক প্রযুক্তি সম্পর্কে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরও প্রস্তাব করেছে ভারত।আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কর্মরত পেশাদার কর্মীরাএরফলে উপকৃত হবেন।  
  

অর্থনৈতিক বিষয়গুলিতে আমাদের সহযোগিতা ও সমঝোতারমাত্রাকে আরও গভীরে নিয়ে যেতে ডিজিটাল পদ্ধতির আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, বিনিয়োগেরপ্রসার এবং পরিকাঠামো সম্পর্কে আলাপ-আলোচনারও একটি প্রস্তাব আমি উত্থাপন করেছি। 

  
সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে আর্থিক মদতদানেরমোকাবিলা করার বিষয়টিও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র যেখানে আমরা সমবেতভাবে কাজ করেযেতে পারি।  

  
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 

  
আমাদের ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো বাণিজ্যিকলেনদেন গত ২৫ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ গুণ। ভারত এবং আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির বিনিয়োগপরিস্থিতি এখন শুধুমাত্র সন্তোষজনকই নয়, উত্তরোত্তর তার প্রসারও ঘটে চলেছে।  

  
বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রসারে এবং বাণিজ্যিকগোষ্ঠীগুলির মধ্যে আলাপ-আলোচনার পরিবেশ গড়ে তুলতে আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে আমরানিরন্তরভাবে কাজ করে যাব।  
  

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৈঠক তথা প্রদর্শনী,আসিয়ান-ভারত বাণিজ্য পরিষদের বৈঠক, বিজনেট সম্মেলন, স্টার্ট আপ উৎসব ও হ্যাকাথনএবং আইসিটি এক্সপো’র মতো সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির সাফল্য আমাদের মধ্যে উৎসাহের জোয়ারএনে দিয়েছে।  
  

আমরা আশাবাদী যে, আমাদের প্রকল্প উন্নয়ন তহবিল ওদ্রুত ফলদায়ক কর্মসূচিগুলি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে একটি আঞ্চলিক মূল্য-শৃঙ্খলেরসঙ্গে যুক্ত হতে সাহায্য করবে। বিশেষত, তৈরি পোষাক, বস্ত্রশিল্প, ওষুধ উৎপাদন,কৃষি প্রক্রিয়াকরণ এবং বৈদ্যুতিন ক্ষেত্রে এর সুযোগ রয়েছে যথেষ্ট। 
  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 

  
সুদীর্ঘকালের পরিচিতি ও যোগসূত্রের মাধ্যমেআমাদের এই রাষ্ট্রগুলির জনসাধারণ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই সংযোগ ও যোগাযোগআমাদের মধ্যে এক নিবিড় সম্পর্কের এক ভিত গড়ে তুলেছে। 
  

ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাধারণ মানুষ বর্তমানে ছড়িয়েরয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দূরদূরান্তের দেশগুলিতেও। সেখানকার স্থানীয় জনসাধারণতাঁদের বরণ করে নিয়েছেন আন্তরিকতার সঙ্গেই। 

  
আমাদের এই দেশগুলির জনসাধারণের মধ্যে নিবিড়সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকৃতিলাভ করেছে এ মাসের প্রথম দিকে সিঙ্গাপুরে আয়োজিতআসিয়ান-ভারত প্রবাসী ভারতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে।  
  

প্রায় একই সময়ে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় সাংসদএবং ভারতীয় ঐতিহ্যধারী নগর প্রধানদের প্রথম সম্মেলন। আসিয়ান রাষ্ট্রগুলিরপ্রতিনিধিরা সেখানে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেন।  
  

আমাদের এই ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করেতোলার লক্ষ্যে আমি প্রস্তাব রাখছি যে, ২০১৯ বছরটিকে আসিয়ান-ভারত পর্যটন বর্ষ রূপেঘোষণা করা হোক।  
  

আমাদের বৌদ্ধ পর্যটন কেন্দ্রগুলি নিয়ে গড়ে তোলাসার্কিটটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পর্যটক ও তীর্থ যাত্রীদের জন্য এই কর্মসূচির একটিগুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠতে পারে।  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 

  
আমাদের এই দেশগুলির সুপ্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্যেরঐতিহাসিক স্মারক স্তম্ভগুলির পুনর্নির্মাণ ও পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় যুক্ত রয়েছেভারত।  
  

কম্বোডিয়া, মায়ানমার, লাও পিডিআর এবং ভিয়েতনামেরমন্দিরগুলির সংরক্ষণ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগলাভ করেছে ভারত।  
  

আসিয়ান-ভারত সংগ্রহশালাগুলি সম্পর্কে জ্ঞান ও তথ্যবিনিময়ের লক্ষ্যে যে ভার্চুয়াল পোর্টাল গড়ে তোলা হচ্ছে, তা থেকে মিলিত ঐতিহ্যের একবিশেষ পরিচয় পাওয়া যাবে।  
  

আমাদের স্মারক কর্মপ্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হ’ল, যুব সমাজ এবংআমাদের মিলিত ভবিষ্যৎ শক্তির এক বিশেষ উদযাপন।  
  

আমাদের যুবসমাজের জন্য যুব সম্মেলন, শিল্পী নিবাস, সঙ্গীত উৎসব এবং ডিজিটালবাণিজ্যের লক্ষ্যে স্টার্ট আপ উৎসবের আয়োজন এরই অঙ্গ-বিশেষ। ২৪ জানুয়ারি তারিখেযুব পুরস্কারদানের মাধ্যমে যুব সমাজের শক্তি ও উৎসাহকেই আমরা সমর্থন যোগানোরচেষ্টা করেছি। 
  

ভারতীয় প্রযুক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলিতে এক সুসংবদ্ধ পদ্ধতি ওব্যবস্থায় পিএইচডি পঠন-পাঠনের জন্য আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির তরুণ ও যুবসমাজেরক্ষমতায়নে ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের জন্য এক হাজারটি ফেলোশিপ দানের কথা আমি এখানেআনন্দের সঙ্গেই ঘোষণা করছি। ভারতের এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলি হ’ল শিক্ষা ওজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম সারির শিক্ষাপীঠ। 

  
এশিয়ান দেশগুলির মহাসড়ক উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত পেশাদার ব্যক্তিদের জন্যইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ হাইওয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স-এ এক বিশেষ প্রশিক্ষণ সূচিরও আমিপ্রস্তাব রাখছি।  

  
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আরও বেশি মাত্রায় জ্ঞান ও তথ্যের বিনিময়েবিশ্ববিদ্যালয়গুলির একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাবও আমার রয়েছে।  
  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, 
  

পরিশেষে, আমাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে এই স্মারক শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিতথাকার জন্য আমি আরও একবার ভারতীয় জনসাধারণের সঙ্গে মিলিতভাবে আপনাদের সকলকে বিশেষপ্রশংসা ও ধন্যবাদ জানাই। 
  

এখন আমি সিঙ্গাপুর সাধারণতন্ত্রের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুঙ্গ’কেআমন্ত্রণ জানাচ্ছি ২০১৮’র আসিয়ান সভাপতি এবং পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের সহ-সভাপতি রূপেতাঁর উদ্বোধনী ভাষণ দেওয়ার জন্য। 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Indian public relations industry pegged to reach ₹4,500 cr by 2030: Report

Media Coverage

Indian public relations industry pegged to reach ₹4,500 cr by 2030: Report
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister’s visit to Indonesia, Australia and New Zealand
July 03, 2026

At the invitation of the President of the Republic of Indonesia, H.E. Mr. Prabowo Subianto, Prime Minister Shri Narendra Modi will pay a visit to Indonesia from 6-8 July, 2026. This will be Prime Minister’s fourth visit to Indonesia and his first bilateral visit since the elevation of India-Indonesia ties to the level of Comprehensive Strategic Partnership in May 2018. During the visit, Prime Minister will hold bilateral discussions with President Prabowo and review the progress made in the partnership. In Jakarta, Prime Minister will address a large gathering of the Indian Diaspora. India and Indonesia share historical and warm people-to-people ties. In keeping with these special bonds, Prime Minister will visit the Prambanan Temple complex at Yogyakarta, a prominent UNESCO world heritage site in Indonesia.

From Indonesia, at the invitation of the Prime Minister of Australia, the Honourable Anthony Albanese MP, Prime Minister will travel to Melbourne from 8-10 July, 2026. In Melbourne, Prime Minister will hold bilateral discussions with Prime Minister Albanese. He will also call on the Governor General of Australia, the Honourable Ms Sam Mostyn AC. During his visit, Prime Minister will also participate in the India-Australia CEOs Forum, where he will address a gathering of top business leaders from both countries. Prime Minister will also address a large gathering of the Indian Diaspora, who constitute a strong pillar of the India-Australia relationship.

From Melbourne, at the invitation of the Prime Minister of New Zealand, Rt Honourable Christopher Luxon, Prime Minister will travel to Auckland for a state visit from 10-11 July, 2026. This will be the first state visit of an Indian Prime Minister to New Zealand in four decades. In Auckland, Prime Minister will hold bilateral discussions with Prime Minister Luxon and review the entire gamut of the bilateral relationship, which has seen significant progress in the last two years, especially in the areas of trade and commerce and defence. While in Auckland, Prime Minister will also interact with prominent business and sports personalities. In a reflection of the strong people-to-people ties that exist between India and New Zealand, Prime Minister will address a large gathering of the Indian Diaspora during the visit.