শেয়ার
 
Comments
India’s vibrant democracy and conducive ease of doing business environment make it an attractive investment destination: PM
India is playing the role of the pharmacy to the world. We’ve provided medicines to around 150 countries so far during this pandemic: PM
The Indian story is strong today and will be stronger tomorrow: PM Modi

আমার প্রিয় বন্ধুরা, নমস্কার !

প্রথমত আমি শ্রী প্রেম বৎসকে এই ফোরাম তৈরির জন্য অভিনন্দন জানাই। এখানে কানাডার এত বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। ভারতে বিপুল বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের সুযোগ সম্পর্কে জানতে পারবেন আপনারা। সেটা ভেবে আমি আনন্দিত।

বন্ধুগণ, এখানকার বেশির ভাগ শ্রোতা-দর্শকের কাছে একটি জিনিস অভিন্ন। এখানে সেই লোকেরা আছেন, যারা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। সেই সিদ্ধান্ত যেটিতে ঝুঁকি রয়েছে। বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে লাভ করারও পূর্বাভাষ থাকে।

আপনাদের কাছে আমি একটি জিনিস জানতে চাইঃ কোনো একটি দেশে বিনিয়োগের আগে আপনারা কি  চিন্তা করেন ? সেই দেশে প্রাণবন্ত গণতন্ত্র থাকবে ? সেই দেশে কি রাজনৈতিক স্থিরতা থাকবে ? সেই দেশের নীতিগুলি কি বিনিয়োগ ও বাণিজ্যবান্ধব ? সেই দেশের কি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা রয়েছে ? সেই দেশে কি দক্ষ মেধাসম্পন্ন শ্রমশক্তি আছে ? সেই দেশের কি বড় বাজার আছে ? আপনারা এরকম অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারেন।

এই সব প্রশ্নের একটাই উত্তরঃ সেটি হল ভারত।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, উৎপাদক, উদ্ভাবন এবং পরিকাঠামো সহায়ক সংস্থা – সকলের জন্যই এখানে সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগ করে, শিল্প সংস্থা তৈরি করে ব্যবসা চালানোর সুযোগ আছে। আমদের বেসরকারী সংস্থা এবং সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের সুযোগ আছে। রোজগারের সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞানার্জনের যেমন সুযোগ আছে, আবার বিকাশেরও সুযোগ আছে, নেতৃত্ব দানেরও।

বন্ধুগণ, কোভিড  পরবর্তী বিশ্বে আপনারা বিভিন্ন ধরণের সমস্যা শুনতে পাবেন – উৎপাদনের সমস্যা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সমস্যা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের সমস্যা ইত্যাদি। সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক।

তবে, ভারত কিন্তু সমস্যাগুলোকে রেখে দেয় না। আমরা দেখিয়েছি এগুলি সমাধানের বিভিন্ন উপায় এবং সমাধানের ক্ষেত্র হিসেবে আমরা উঠে এসেছি।

দীর্ঘ সময় ধরে আমরা ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণ করেছি এবং ৮ কোটি পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সরবরাহ করেছি। বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির সত্ত্বেও আমরা ৪০ কোটির বেশি কৃষক, মহিলা, দরিদ্র মানুষদের কয়েক দিনের মধ্যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠিয়েছি।

গত কয়েক বছর ধরে আমরা প্রশাসনিক যে কাঠামো তৈরি করেছি, তার শক্তি এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।

বন্ধুগণ, ভেষজ বিদ্যায় ভারত, বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। মহামারীর এই সময়ে আমরা প্রায় ১৫০টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করেছি।

এবছরের মার্চ থেকে জুন মাসের মধ্যে কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সারা দেশে যখন কঠোরভাবে লকডাউন পালন করা হয়েছে, তখনই এই ঘটনাটি ঘটেছে।

আজ আমাদের উৎপাদনশিল্প পুরোদমে কাজ করছে। মহামারীর আগে ভারতে পিপিই কিট তৈরি হতো না। আজ ভারতে প্রত্যেক মাসে লক্ষ লক্ষ পিপিই কিট শুধু তৈরিই হয় না, আমরা সেগুলি রপ্তানিও করি।

উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। কোভিড – ১৯ এর টিকা উৎপাদনে যখন সময় আসবে, আমরা সেই সময় সারা বিশ্বকে সাহায্য় করতে চাই।

বন্ধুগণ, আজকের ভারতের গল্প হল শক্তিশালী হয়ে ওঠার গল্প এবং আগামী দিনে আমরা আরো বেশি শক্তিশালী হবো। এই বিষয়টি আমি আপনাদের ব্যাখ্যা করছি।

আজ প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের নীতি যথেষ্ট উন্মুক্ত করা হয়েছে। আমরা সোভেরেইন ওয়েল্থ এন্ড পেনশন ফান্ডের জন্য একটি কর বান্ধব ব্যবস্থা গড়ে তুলেছি।

আমরা বিপুল বন্ডের বাজার তৈরির জন্য সংস্কার হাতে নিয়েছি। প্রধান প্রধান ক্ষেত্রগুলির জন্য আমরা বিভিন্ন উৎসাহব্যাঞ্জক প্রকল্প চালু করেছি।

ওষুধ প্রস্তুত, চিকিৎসা সরঞ্জাম নির্মাণ এবং বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি তৈরির ক্ষেত্রগুলি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। বিনিয়োগকারীদের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য একটি নির্ধারিত ক্ষমতাশালী সচিব গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছে।

বিমানবন্দর, রেলপথ, মহাসড়ক, বিদ্যুৎ বন্টন ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমরা অর্থের যোগান নিশ্চিত করেছি। রিয়েল এস্টেট এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রের বিনিয়োগের জন্য সরকারী এবং বেসরকারী স্তরে অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।

বন্ধুগণ, আজ ভারতের চিন্তা-ভাবনা এবং তার বাজার দ্রুত গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। কোম্পানী আইনের আওতায় একটা সময় বিভিন্ন বিষয়কে অপরাধ হিসাবে দেখা হত, আজ সেগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং নিয়মের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করা হয়েছে।

গত ৫ বছরে আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকের হিসেবে ভারত, ৮১তম স্থান থেকে ৪৮তম স্থানে উঠে এসেছে। গত ৫ বছরে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহজে ব্যবসা – বাণিজ্য করার ক্রমতালিকায় ভারত, ১৪২তম স্থান থেকে ৬৩তম স্থানে উঠে এসেছে। প্রত্যেকেই এই উন্নতির ফলাফলগুলি বুঝতে পারছেন। ২০১৯এর জানুয়ারী থেকে ২০২০-র জুলাই পর্যন্ত ভারতে ৭০০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ এসেছে। যা ২০১৩ – ২০১৭ সালে মোট বিনিয়োগের প্রায় সমান। ভারতের প্রতি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা আস্থা বজায় রাখছেন। ২০১৯ সালে ভারতে ২০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ ১ শতাংশ কম হয়েছে। সারা বিশ্বের থেকে ভারতে এবছরের প্রথম ৬ মাসে ২০০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ এসেছে। সারা পৃথিবীতে যখন কোভিড – ১৯ এর  সংক্রমণ খুব বেশি, তখনই এই বিনিয়োগ এসেছে।

জিআইএফটি সিটিতে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস সেন্টার গড়ে তোলা আমাদের একটি বড় উদ্যোগ। আন্তর্জাতিক স্তরে বিনিয়োগকারীরা এর মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। সম্প্রতি আমরা এর জন্য পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ঐক্যবদ্ধ নিয়ামক গোষ্ঠী গড়ে তুলেছি।

বন্ধুগণ, কোভিড – ১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে ভারত, একটি অনন্য ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

আমরা দরিদ্র এবং ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য উৎসাহমূলক ত্রাণের প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছি। এর সাহায্যে আমরা কাঠামোগত সংস্কারের কাজই করবো না, পাশাপাশি আরো বেশি উৎপাদন এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবো।

শিক্ষা, শ্রম এবং কৃষি ক্ষেত্রে ত্রিমুখী সংস্কার কর্মসূচী ভারত গ্রহণ করেছে। এক সঙ্গে এই ৩টি বিষয়ের প্রভাব প্রতিটি ভারতবাসীর কাছে পৌঁচেছে।

শ্রম এবং কৃষি সংক্রান্ত পুরোনো আইনগুলির সংস্কার ভারত নিশ্চিত করেছে। এর ফলে বেসরকারী ক্ষেত্রগুলির আরো বেশি অংশগ্রহণ যেমন নিশ্চিত হয়েছে, একই সঙ্গে সরকারী সুরক্ষা কবজও শক্তিশালী হয়েছে।

এই সংস্কারগুলি উদ্যোগপতি এবং আমাদের কঠোর পরিশ্রমী মানুষদের জন্য একটি অনুকূল পরিস্থিতি গড়ে তুলবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কার,  আমাদের তরুণদের মেধাকে কাজে লাগাতে সাহায্য করবে। এই সংস্কারগুলির মধ্য দিয়ে ভারতে  বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আসার পথ আরো প্রশস্ত  হয়েছে।

শ্রম আইনের সংস্কারের ফলে শ্রম সংক্রান্ত কোডের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী ও কর্মচারী উভয়েরই সুবিধে হবে এবং সহজে ব্যবসা করার সুযোগও বাড়বে।

কৃষিক্ষেত্রে সংস্কারের ফলে সূদুর প্রসারী প্রভাব পড়বে। কৃষকরা অনেক সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি রপ্তানিরও সুযোগ ঘটবে।

এই সংস্কারগুলি আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের উদ্যোগকে সাহায্য করবে। আত্মনির্ভরতার জন্য আমরা যে কাজ করছি, তার মাধ্যমে বিশ্বের সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে।

বন্ধুগণ,

আপনারা যদি শিক্ষাক্ষেত্রে অংশীদারিত্বের খোঁজ করেন, তার জায়গা হল ভারত।

আপনারা যদি উৎপাদন ক্ষেত্রে এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে বিনিয়োগের খোঁজ করেন, তার জায়গা ভারত।

আপনারা যদি কৃষিক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য খোঁজ করেন, তার জায়গা ভারত।

বন্ধুগণ,

 আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং অনেক অভিন্ন স্বার্থ ভারত ও কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। আমাদের বহুস্তরীয় সম্পর্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হল, ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ।

ভারতে কানাডা হল ২০তম বৃহৎ বিদেশী বিনিয়োগকারী। ভারতে ৬০০র বেশি কানাডার কোম্পানী রয়েছে। আমি জানতে পেরেছি যে এপর্যন্ত ভারতে কানাডিয়ান পেনশন ফান্ড ৫০০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আমাদের সম্পর্ক এই সব সংখ্যাগুলির থেকেও আরো মজবুত। কিন্তু এর মাধ্যমে এটাও বোঝা যায়, একসঙ্গে আমরা আরো অনেক কিছু অর্জন করতে পারি।

বৃহৎ এবং অভিজ্ঞ পরিকাঠামোগত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনেকেই কানাডার। ভারতে কানাডিয়ান পেনশন ফান্ড প্রথম থেকে প্রত্যক্ষভাবে বিনিয়োগ শুরু করেছে। মহাসড়ক, বিমানবন্দর, লজিস্টিক, টেলিকম এবং রিয়েল এস্টেটের মতো ক্ষেত্রগুলিতে তারা অনেকে বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছেন। নতুন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের জন্য এবং তাদের উপস্থিতি বাড়াতে এই সব সংস্থা সক্রিয়। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে যে সব কানাডার বিনিয়োগকারীরা রয়েছেন, তাঁরাই আমাদের দেশের সব থেকে ভালো ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডার।

তাঁদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, তাঁদের ব্যবসা বাড়ানোর পরিকল্পনা, আপনাদের সকলের জন্য দারুণ উদাহরণ। এর পাশাপাশি আপনারা ভারতকে জানবার সুযোগও পেয়েছেন কারণ বিশ্বে সবথেকে বেশি ভারতীয় বংশদ্ভুত কানাডায় থাকেন। আপনাদের জন্য এখানে কোনো বিধিনিষেধ নেই। আপনাদের নিজের দেশের মতোই এদেশেও আপনারা স্বাগত।

এই অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ করে দেওয়ায় আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

'মন কি বাত' অনুষ্ঠানের জন্য আপনার আইডিয়া ও পরামর্শ শেয়ার করুন এখনই!
Modi Govt's #7YearsOfSeva
Explore More
আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রিয় ভাষণ

আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
India creates history, vaccinates five times more than the entire population of New Zealand in just one day

Media Coverage

India creates history, vaccinates five times more than the entire population of New Zealand in just one day
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Goa has shown the great results of ‘Sabka Saath, Sabka Vikas, Sabka Vishwas and Sabka Prayas: PM Modi
September 18, 2021
শেয়ার
 
Comments
Lauds Goa on the completion of 100% first dose coverage for the adult population
Remembers services of Shri Manohar Parikkar on the occasion
Goa has shown the great results of ‘Sabka Saath, Sabka Vikas, Sabka Vishwas and Sabka Prayas: PM
I have seen many birthdays and have always been indifferent to that but, in all my years, yesterday was a day that made me deeply emotional as 2.5 crore people got vaccinated: PM
Yesterday witnessed more than 15 lakh doses administered every hour, more than 26 thousand doses every minute and more than 425 doses every second: PM
Every achievement of Goa that epitomises the concept of Ek Bharat -Shreshth Bharat fills me with great joy: PM
Goa is not just a state of the country but also a strong marker of Brand India: PM

गोवा के ऊर्जावान और लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री प्रमोद सावंत जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल के मेरे साथी, गोवा के सपूत श्रीपाद नायक जी, केंद्र सरकार में मंत्रिपरिषद की मेरी साथी डॉक्टर भारती …. पवार जी, गोवा के सभी मंत्रिगण, सांसद और विधायक गण, अन्य जन प्रतिनिधि, सभी कोरोना वॉरियर, भाइयों और बहनों!

गोंयच्या म्हजा मोगाल भावा बहिणींनो, तुमचे अभिनंदन.

आप सभी को श्री गणेश पर्व की ढेर सारी शुभकामनाएं। कल अनंत चतुर्दशी के पावन अवसर पर हम सभी बप्पा को विदाई देंगे, हाथों में अनंत सूत्र भी बाधेंगे। अनंत सूत्र यानि जीवन में सुख-समृद्धि, लंबी आयु का आशीर्वाद।

मुझे खुशी है कि इस पावन दिन से पहले गोवा के लोगों ने अपने हाथों पर, बांह पर जीवन रक्षा सूत्र, यानि वैक्सीन लगवाने का भी काम पूरा कर लिया है। गोवा के प्रत्येक पात्र व्यक्ति को वैक्सीन की एक डोज लग चुकी है। कोरोना के खिलाफ लड़ाई में ये बहुत बड़ी बात है। इसके लिए गोवा के सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई।

साथियों,

गोवा एक ऐसा भी राज्य है, जहाँ भारत की विविधता की शक्ति के दर्शन होते हैं। पूर्व और पश्चिम की संस्कृति, रहन-सहन, खानपान, यहां एक ही जगह देखने को मिलता है। यहां गणेशोत्सव भी मनता है, दीपावली भी धूमधाम से मनाई जाती है और क्रिसमस के दौरान तो गोवा की रौनक ही और बढ़ जाती है। ऐसा करते हुए गोवा अपनी परंपरा का भी निर्वाह करता है। एक भारत-श्रेष्ठ भारत की भावना को निरंतर मजबूत करने वाले गोवा की हर उपलब्धि, सिर्फ मुझे ही नहीं, पूरे देश को खुशी देती है, गर्व से भर देती है।

भाइयों और बहनों,

इस महत्वपूर्ण अवसर पर मुझे अपने मित्र, सच्चे कर्मयोगी, स्वर्गीय मनोहर पर्रिकर जी की याद आना स्वाभाविक है। 100 वर्ष के सबसे बड़े संकट से गोवा ने जिस प्रकार से लड़ाई लड़ी है, पर्रिकर जी आज हमारे बीच होते तो उनको भी आपकी इस सिद्धि के लिए, आपके इस achievement के लिए बहुत गर्व होता।

गोवा, दुनिया के सबसे बड़े और सबसे तेज़ टीकाकरण अभियान- सबको वैक्सीन, मुफ्त वैक्सीन- की सफलता में अहम भूमिका निभा रहा है। बीते कुछ महीनों में गोवा ने भारी बारिश, cyclone, बाढ़ जैसी प्राकृतिक आपदाओं के साथ भी बड़ी बहादुरी से लड़ाई लड़ी है। इन प्राकृतिक चुनौतियों के बीच भी प्रमोद सावंत जी के नेतृत्‍व में बड़ी बहादुरी से लड़ाई लड़ी है। इन प्राकृतिक चुनौतियों के बीच कोरोना टीकाकरण की रफ्तार को बनाए रखने के लिए सभी कोरोना वॉरियर्स का, स्वास्थ्य कर्मियों का, टीम गोवा का, हर किसी का बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं।

यहां अनेक साथियों ने जो अनुभव हमसे साझा किए, उनसे साफ है कि ये अभियान कितना मुश्किल था। उफनती नदियों को पार करके, वैक्सीन को सुरक्षित रखते हुए, दूर-दूर तक पहुंचने के लिए कर्तव्य भावना भी चाहिए, समाज के प्रति भक्ति भी चाहिए और अप्रतिम साहस की भी जरूरत लगती है। आप सभी बिना रुके, बिना थके मानवता की सेवा कर रहे हैं। आपकी ये सेवा हमेशा-हमेशा याद रखी जाएगी।

साथियों,

सबका साथ, सबका विकास, सबका विश्वास और सबका प्रयास- ये सारी बातें कितने उत्‍तम परिणाम लाती हैं, ये गोवा ने, गोवा की सरकार ने, गोवा के नागरिकों ने, गोवा के कोरोना वॉरियर्स ने, फ्रंट लाइन वर्कर्स ने ये कर दिखाया है। सामाजिक और भौगोलिक चुनौतियों से निपटने के लिए जिस प्रकार का समन्वय गोवा ने दिखाया है, वो वाकई सराहनीय है। प्रमोद जी आपको और आपकी टीम को बहुत-बहुत बधाई। राज्य के दूर-सुदूर में बसे, केनाकोना सब डिविजन में भी बाकी राज्य की तरह ही तेज़ी से टीकाकरण होना ये इसका बहुत बड़ा प्रमाण है।

मुझे खुशी है कि गोवा ने अपनी रफ्तार को ढीला नहीं पड़ने दिया है। इस वक्त भी जब हम बात कर रहे हैं तो दूसरी डोज़ के लिए राज्य में टीका उत्सव चल रहा है। ऐसे ईमानदार, एकनिष्ठ प्रयासों से ही संपूर्ण टीकाकरण के मामले में भी गोवा देश का अग्रणी राज्य बनने की ओर अग्रसर है। और ये भी अच्छी बात है कि गोवा ना सिर्फ अपनी आबादी को बल्कि यहां आने वाले पर्यटकों, बाहर से आए श्रमिकों को भी वैक्सीन लगा रहा है।

साथियों,

आज इस अवसर पर मैं देश के सभी डॉक्टरों, मेडिकल स्टाफ, प्रशासन से जुड़े लोगों की भी सराहना करना चाहता हूं। आप सभी के प्रयासों से कल भारत ने एक ही दिन में ढाई करोड़ से भी अधिक लोगों को वैक्सीन देने का रिकॉर्ड बनाया है। दुनिया के बड़े-बड़े और समृद्ध और सामर्थ्यवान माने जाने वाले देश भी ऐसा नहीं कर पाए हैं। कल हम देख रहे थे कि कैसे देश टकटकी लगाए कोविन डैशबोर्ड को देख रहा था, बढ़ते हुए आंकड़ों को देखकर उत्साह से भर रहा था।

कल हर घंटे, 15 लाख से ज्यादा वैक्सीनेशन हुआ है, हर मिनट 26 हजार से ज्यादा वैक्सीनेशन हुआ, हर सेकेंड सवा चार सौ से ज्यादा लोगों को वैक्सीन लगी। देश के कोने-कोने में बनाए गए एक लाख से ज्यादा वैक्सीनेशन सेंटर्स पर ये वैक्सीन लोगों को लगाई गई है। भारत की अपनी वैक्सीन, वैक्सीनेशन के लिए इतना बड़ा नेटवर्क, skilled manpower, ये भारत के सामर्थ्य को दिखाता है।

साथियों,

कल का आपको जो achievement है ना, वह पूरे विश्‍व में सिर्फ वैक्‍सीनेशन के आंकड़ों के आधार पर नहीं है, भारत के पास कितना सामर्थ्‍य है इसकी पहचान दुनिया को होने वाली है। और इसलिए इसका गौरवगान हर भारतीय का कर्तव्‍य भी है और स्‍वभाव भी होना चाहिए।

साथियो,

मैं आज मेरे मन की बात भी कहना चाहता हूं। जन्मदिन तो बहुत आए बहुत जन्‍मदिन गए पर मैं मन से हमेशा इन चीजों से अलिप्त रहा हूं, इन चीजों से मैं दूर रहा हूं। पर मेरी इतनी आयु में कल का दिन मेरे लिए बहुत भावुक कर देने वाला था। जन्मदिन मनाने के बहुत सारे तरीके होते हैं। लोग अलग-अलग तरीके से मनाते भी हैं। और अगर मनाते हैं तो कुछ गलत करते हैं, ऐसा मानने वालों में मैं नहीं हूं। लेकिन आप सभी के प्रयासों की वजह से, कल का दिन मेरे लिए बहुत खास बन गया है।

मेडिकल फील्ड के लोग, जो लोग पिछले डेढ़-दो साल से दिन रात जुटे हुए हैं, अपनी जान की परवाह किए बिना कोरोना से लड़ने में देशवासियों की मदद कर रहे हैं, उन्होंने कल जिस तरह से वैक्सीनेशन का रिकॉर्ड बनाकर दिखाया है, वो बहुत बड़ी बात है। हर किसी ने इसमें बहुत सहयोग किया है। लोगों ने इसे सेवा से जोड़ा। ये उनका करुणा भाव, कर्तव्य भाव ही है जो ढाई करोड़ वैक्सीन डोज लगाई जा सकी।

और मैं मानता हूं, वैक्सीन की हर एक डोज, एक जीवन को बचाने में मदद करती है। ढाई करोड़ से ज्यादा लोगों को इतने कम समय में, इतना बड़ा सुरक्षा कवच मिलना, बहुत संतोष देता है। जन्मदिन आएंगे, जाएंगे लेकिन कल का ये दिन मेरे मन को छू गया है, अविस्मरणीय बन गया है। मैं जितना धन्यवाद अर्पित करूं वो कम है। मैं हृदय से प्रत्येक देशवासी को नमन करता हूं, सभी का आभार जताता हूं।

भाइयों और बहनों,

भारत का टीकाकरण अभियान, सिर्फ स्वास्थ्य का सुरक्षा कवच ही नहीं है, बल्कि एक तरह से आजीविका की सुरक्षा का भी कवच है। अभी हम देखें तो हिमाचल, पहली डोज के मामले में 100 percent हो चुका है, गोवा 100 percent हो चुका है, चंडीगढ़ और लक्षद्वीप में भी सभी पात्र व्यक्तियों को पहली डोज लग चुकी है। सिक्किम भी बहुत जल्द 100 परसेंट होने जा रहा है। अंडमान निकोबार, केरला, लद्दाख, उत्तराखंड, दादरा और नगर हवेली भी बहुत दूर नहीं है।

साथियों,

ये बहुत चर्चा में नहीं आया लेकिन भारत ने अपने वैक्सीनेशन अभियान में टूरिज्म सेक्टर से जुड़े राज्यों को बहुत प्राथमिकता दी है। प्रारंभ में हमने कहा नहीं क्योंकि इस पर भी राजनीति होने लग जाती है। लेकिन ये बहुत जरूरी था कि हमारे टूरिज्म डेस्टिनेशंस जल्‍द से जल्‍द खुलें। अब उत्तराखंड में भी चार-धाम यात्रा संभव हो पाएगी। और इन सब प्रयासों के बीच, गोवा का 100 percent होना, बहुत खास हो जाता है।

टूरिज्म सेक्टर को revive करने में गोवा की भूमिका बहुत अहम है। आप सोचिए, होटल इंडस्ट्री के लोग हों, टैक्सी ड्राइवर हों, फेरी वाले हों, दुकानदार हों, जब सभी को वैक्सीन लगी होगी तो टूरिस्ट भी सुरक्षा की एक भावना लेकर यहां आएगा। अब गोवा दुनिया के उन बहुत गिने-चुने इंटरनेशनल टूरिस्ट डेस्टिनेशंस में शामिल हो चला है, जहां लोगों को वैक्सीन का सुरक्षा कवच मिला हुआ है।

साथियों,

आने वाले टूरिज्म सीज़न में यहां पहले की ही तरह टूरिस्ट एक्टिविटीज़ हों, देश के -दुनिया के टूरिस्ट यहां आनंद ले सकें, ये हम सभी की कामना है। ये तभी संभव है जब हम कोरोना से जुड़ी सावधानियों पर भी उतना ही ध्यान देंगे, जितना टीकाकरण पर दे रहे हैं। संक्रमण कम हुआ है लेकिन अभी भी इस वायरस को हमें हल्के में नहीं लेना है। safety और hygiene पर यहां जितना फोकस होगा, पर्यटक उतनी ही ज्यादा संख्या में यहां आएंगे।

साथियों,

केंद्र सरकार ने भी हाल में विदेशी पर्यटकों को प्रोत्साहित करने के लिए अनेक कदम उठाए हैं। भारत आने वाले 5 लाख पर्यटकों को मुफ्त वीजा देने का फैसला किया गया है। ट्रैवल और टूरिज्म से जुड़े stakeholders को 10 लाख रुपए तक का लोन शत-प्रतिशत सरकारी गारंटी के साथ दिया जा रहा है। रजिस्टर्ड टूरिस्ट गाइड को भी 1 लाख रुपए तक के लोन की व्यवस्था की गई है। केंद्र सरकार आगे भी हर वो कदम उठाने के लिए प्रतिबद्ध है, जो देश के टूरिज्म सेक्टर को तेज़ी से आगे बढ़ाने में सहायक हों।

साथियों,

गोवा के टूरिज्म सेक्टर को आकर्षक बनाने के लिए, वहां के किसानों, मछुआरों और दूसरे लोगों की सुविधा के लिए, इंफ्रास्ट्रक्चर को डबल इंजन की सरकार की डबल शक्ति मिल रही है। विशेष रूप से कनेक्टिविटी से जुड़े इंफ्रास्ट्रक्चर पर गोवा में अभूतपूर्व काम हो रहा है। 'मोपा' में बन रहा ग्रीनफील्ड एयरपोर्ट अगले कुछ महीनों में बनकर तैयार होने वाला है। इस एयरपोर्ट को नेशनल हाइवे से जोड़ने के लिए लगभग 12 हज़ार करोड़ रुपए की लागत से 6 लेन का एक आधुनिक कनेक्टिंग हाईवे बनाया जा रहा है। सिर्फ नेशनल हाईवे के निर्माण में ही बीते सालों में हज़ारों करोड़ रुपए का निवेश गोवा में हुआ है।

ये भी बहुत खुशी की बात है कि नॉर्थ गोवा को साउथ गोवा से जोड़ने के लिए 'झुरी ब्रिज' का लोकार्पण भी अगले कुछ महीनों में होने जा रहा है। जैसा कि आप भी जानते हैं, ये ब्रिज पणजी को 'मार्गो' से जोड़ता है। मुझे बताया गया है कि गोवा मुक्ति संग्राम की अनोखी गाथा का साक्षी 'अगौडा' फोर्ट भी जल्द ही लोगों के लिए फिर खोल दिया जाएगा।

भाइयों और बहनों,

गोवा के विकास की जो विरासत मनोहर पर्रिकर जी ने छोड़ी थी, उसको मेरे मित्र डॉ. प्रमोद जी और उनकी टीम पूरी लगन के साथ आगे बढ़ा रही है। आज़ादी के अमृतकाल में जब देश आत्मनिर्भरता के नए संकल्प के साथ आगे बढ़ रहा है तो गोवा ने भी स्वयंपूर्णा गोवा का संकल्प लिया है। मुझे बताया गया है कि आत्मनिर्भर भारत, स्वयंपूर्णा गोवा के इस संकल्प के तहत गोवा में 50 से अधिक components के निर्माण पर काम शुरु हो चुका है। ये दिखाता है कि गोवा राष्ट्रीय लक्ष्यों की प्राप्ति के लिए, युवाओं के लिए रोज़गार के नए अवसर तैयार करने के लिए कितनी गंभीरता से काम कर रहा है।

साथियों,

आज गोवा सिर्फ कोविड टीकाकरण में अग्रणी नहीं है, बल्कि विकास के अनेक पैमानों में देश के अग्रणी राज्यों में है। गोवा का जो rural और urban क्षेत्र है, पूरी तरह से खुले में शौच से मुक्त हो रहा है। बिजली और पानी जैसी बुनियादी सुविधाओं को लेकर भी गोवा में अच्छा काम हो रहा है। गोवा देश का ऐसा राज्य है जहां शत-प्रतिशत बिजलीकरण हो चुका है। हर घर नल से जल के मामले में तो गोवा ने कमाल ही कर दिया है। गोवा के ग्रामीण क्षेत्र में हर घर में नल से जल पहुंचाने का प्रयास प्रशंसनीय है। जल जीवन मिशन के तहत बीते 2 सालों में देश ने अब तक लगभग 5 करोड़ परिवारों को पाइप के पानी की सुविधा से जोड़ा है। जिस प्रकार गोवा ने इस अभियान को आगे बढ़ाया है, वो 'गुड गवर्नेंस' और 'ईज ऑफ लिविंग' को लेकर गोवा सरकार की प्राथमिकता को भी स्पष्ट करता है।

भाइयों और बहनों,

सुशासन को लेकर यही प्रतिबद्धता कोरोना काल में गोवा सरकार ने दिखाई है। हर प्रकार की चुनौतियों के बावजूद, केंद्र सरकार ने जो भी मदद गोवा के लिए भेजी, उसको तेज़ी से, बिना किसी भेदभाव के हर लाभार्थी तक पहुंचाने का काम गोवा की टीम ने किया है। हर गरीब, हर किसान, हर मछुआरे साथी तक मदद पहुंचाने में कोई कसर नहीं छोड़ी गई। महीनों-महीनों से गोवा के गरीब परिवारों को मुफ्त राशन पूरी ईमानदारी के साथ पहुंचाया जा रहा है। मुफ्त गैस सिलेंडर मिलने से गोवा की अनेक बहनों को मुश्किल समय में सहारा मिला है।

गोवा के किसान परिवारों को पीएम किसान सम्मान निधि से करोड़ों रुपए सीधे बैंक अकाउंट में मिले हैं। कोरोना काल में ही यहां के छोटे किसानों को मिशन मोड पर किसान क्रेडिट कार्ड मिले हैं। यही नहीं गोवा के पशुपालकों और मछुआरों को पहली बार बड़ी संख्या में किसान क्रेडिट कार्ड की सुविधा मिली है। पीएम स्वनिधि योजना के तहत भी गोवा में रेहड़ी-पटरी और ठेले के माध्यम से व्यापार करने वाले साथियों को तेज़ी से लोन देने का काम चल रहा है। इन सारे प्रयासों की वजह से गोवा के लोगों को, बाढ़ के दौरान भी काफी मदद मिली है।

भाइयों और बहनों,

गोवा असीम संभावनाओं का प्रदेश है। गोवा देश का सिर्फ एक राज्य भर नहीं है, बल्कि ब्रांड इंडिया की भी एक सशक्त पहचान है। ये हम सभी का दायित्व है कि गोवा की इस भूमिका को हम विस्तार दें। गोवा में आज जो अच्छा काम हो रहा है, उसमें निरतंरता बहुत आवश्यक है। लंबे समय बाद गोवा को राजनीतिक स्थिरता का, सुशासन का लाभ मिल रहा है।

इस सिलसिले को गोवा के लोग ऐसे ही बनाए रखेंगे, इसी कामना के साथ आप सभी को फिर से बहुत-बहुत बधाई। प्रमोद जी और उनकी पूरी टीम को बधाई।

सगल्यांक देव बरें करूं

धन्यवाद !