প্রধানমন্ত্রী মহাপরিনির্বাণ মন্দিরে অভিধাম দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন
প্রধানমন্ত্রী কুশীনগরে রাজকিয়া মেডিকেল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং কুশীনগরে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন
 
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আগামীকাল (২০ অক্টোবর) উত্তরপ্রদেশ সফরে যাবেন। সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী কুশীনগর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন। এর পর বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মহাপরিনির্বাণ মন্দিরে অভিধান দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। পরে বেলা ১.১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কুশীনগরে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। 
 
কুশীনগর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন
 
কুশীনগর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উদ্বোধন উপলক্ষে শ্রীলঙ্কার কলোম্ব থেকে একটি বিমান এই বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এই সফরে শ্রীলঙ্কার শতাধিক বৌদ্ধ ভিক্ষুক এবং ১২ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল বুদ্ধের পবিত্র স্মারক প্রদর্শনীর জন্য নিয়ে আসবে। প্রতিনিধি দলে শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ধর্মের চারটি অনুগামী শাখা – আসগিরিয়া, অমরাপুরা, রামান্য, মালওয়াত –এর সদস্য এবং শ্রীলঙ্কা সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী নমল রাজাপক্ষের নেতৃত্বে ৫ জন মন্ত্রীও থাকবেন। 
 
কুশীনগর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ২৬০ কোটি টাকা। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক তীর্থযাত্রীদের ভগবান বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণ স্থল পরিদর্শনে এই বিমানবন্দর বিশেষ সাহায্য করবে এবং বিশ্বব্যাপী বৌদ্ধ তীর্থস্থানের সঙ্গে এই পবিত্র স্থানটিকে যুক্ত করে তুলবে। বিহার এবং উত্তর প্রদেশের নিকটবর্তী জেলায় গড়ে ওঠা এই বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। 
 
মহাপরিনির্বাণ মন্দিরে অভিধাম দিবস
 
প্রধানমন্ত্রী মহাপরিনির্বাণ মন্দির পরিদর্শন করবেন। ভগবান বুদ্ধের শায়িত মূর্তিতে পূজার্চনা ও চীভর অর্পণ করবেন। পাশাপাশি একটি বোধি গাছের চারাও রোপণ করবেন তিনি।
 
প্রধানমন্ত্রী অভিধাম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এই দিনটি বৌদ্ধ ভিক্ষুকদের জন্য তিন মাস বর্ষার প্রস্থান – বর্ষা মাস বা বর্ষার সমাপ্তির প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়। এই সময় তারা বিহার ও মঠের এক জায়গায় জড়ো হয়ে প্রার্থনা করেন। এই অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, ভূটান এবং কম্বোডিয়ার বিশিষ্ট সন্যাসীদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতেরাও উপস্থিত থাকবেন।
 
প্রধানমন্ত্রী অজন্তা দেওয়াল চিত্র, বৌদ্ধ সূত্র ক্যালিগ্রাফি এবং গুজরাটের ভাদনগর ও অন্যান্য স্থান থেকে খননকৃত বৌদ্ধ নিদর্শনগুলির প্রদর্শনীও পরিদর্শন করবেন।  
 
উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
 
প্রধানমন্ত্রী কুশীনগরের বারওয়া জঙ্গল অঞ্চলে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে তিনি কুশীনগরের রাজকিয়া মেডিকেল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। ২৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলা হবে। এখানে ৫০০ শয্যার ব্যবস্থা থাকবে। এমনকি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস পাঠক্রমে ১০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তিও হতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী এদিন ১৮০ কোটি টাকা মূল্যের ১২টি উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s G7 role indispensable, Rafale deal to align with Make in India: French envoy Mathou

Media Coverage

India’s G7 role indispensable, Rafale deal to align with Make in India: French envoy Mathou
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister shares a Sanskrit Subhashitam highlighting public service as the biggest test of good governance and earning public trust
June 10, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi shared a Sanskrit Subhashitam today highlighting that public service is the biggest test of good governance. The Prime Minister noted that a person who works continuously with humility, dedication, and devotion to duty alone earns public trust.

The Prime Minister wrote on X:

"जनसेवा ही सुशासन की सबसे बड़ी कसौटी है। विनम्रता, समर्पण और कर्तव्यनिष्ठा के साथ निरंतर कार्य करने वाला व्यक्ति ही जनविश्वास अर्जित करता है।

सदानुरक्तप्रकृतिः प्रजापालनतत्परः।
विनीतात्मा हि नृपतिर्भूयसी श्रियमश्नुते॥"

A people's representative who regards service as a sacred duty, works tirelessly for the welfare of the people, ensures their security and well-being through good governance and remains dedicated to the progress of society with humility, self-discipline and a commitment to development, truly earns the trust of the people, honor, recognition and prosperity.