প্রধানমন্ত্রী ওডিশার সম্বলপুরে ৬৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি একগুচ্ছ প্রকল্প শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন
প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধনের মাধ্যমে জ্বালানী ক্ষেত্রের উন্নয়ন ঘটবে
সড়ক, রেল ও উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পও উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হবে
প্রধানমন্ত্রী সম্ভলপুর রেল স্টেশনে পুনরুন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন; এই স্টেশনের স্থাপত্য শৈলশ্রী প্যালেসের অনুকরণে হবে
প্রধানমন্ত্রী গুয়াহাটিতে ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন
কামাক্ষ্যা মন্দিরের দর্শনার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী মা কামাক্ষ্যা দিব্য পরিযোজনার শিলান্যাস করবেন
এই প্রকল্পগুলি ক্রীড়া জগৎ এবং চিকিৎসা পরিকাঠামোর মানোন্নয়ন ঘটাবে এবং গুয়াহাটির যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে তুলবে

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ৩-৪ ফেব্রুয়ারি ওডিশা ও আসাম সফর করবেন। 

প্রধানমন্ত্রী ওডিশার সম্বলপুরে ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টো ১৫ মিনিটে এক জনসভায় ৬৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি একগুচ্ছ প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। এরপর, প্রধানমন্ত্রী আসামে যাবেন। গুয়াহাটিতে ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে ১১টা ৩০ মিনিটে আরেকটি জনসভায় ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন তিনি। 

সম্বলপুরে প্রধানমন্ত্রী: 

দেশে জ্বালানী ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী যে পরিকল্পনা করেছেন, তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে সম্বলপুরে প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করা হবে। এর ফলে, জ্বালানী ক্ষেত্রের উন্নয়ন ঘটবে।  

প্রধানমন্ত্রী ‘জগদীশপুর – হলদিয়া এবং বোকারো – ধামরা পাইপলাইন প্রকল্প (জেএইচবিডিপিএল) – এর ৪১২ কিলোমিটার দীর্ঘ ধামরা – আঙ্গুল পাইপলাইন শাখার উদ্বোধন করবেন। ‘প্রধানমন্ত্রী উর্জা গঙ্গা প্রকল্প’-এর আওতায় এই পাইপলাইন বসানো হয়েছে। এর জন্য ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ কোটি টাকারও বেশি। এর ফলে, জাতীয় গ্যাস গ্রিডের সঙ্গে ওডিয়ার যোগাযোগ গড়ে উঠবে। শ্রী মোদী মুম্বাই – নাগপুর – ঝারসুগুদা পাইপলাইন প্রকল্পের ৬৯২ কিলোমিটার দীর্ঘ নাগপুর – ঝারসুগুদা পাইপলাইন শাখার শিলান্যাস করবেন। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। এর ফলে, ওডিশা, মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে সুবিধা হবে।  

এই অনুষ্ঠানে শ্রী মোদী ২৮ হাজার ৯৮০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে – এনটিপিসি-র দার্লিপালি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (২ X ৮০০ মেগাওয়াট) এবং এনএসপিসিএল রাউরকেল্লার বর্ধিত প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধন। এই অনুষ্ঠানে ওডিশার আঙ্গুল জেলার এনটিপিসি তালচের তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের শিলান্যাস করা হবে। এই প্রকল্পগুলি ওডিশা সহ বিভিন্ন রাজ্যের স্বল্প মূল্যের বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সহায়ক হবে। 

প্রধানমন্ত্রী তালাবীরা তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। নেভেলি লিগনাইট কর্পোরেশনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা। আত্মনির্ভর ভারত অভিযানকে সফল করে তুলতে অত্যাধুনিক এই প্রকল্পটি নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। ফলস্বরূপ, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটবে। 

প্রধানমন্ত্রী মহানন্দা কোলফিল্ড লিমিটেডের কয়লা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে – আঙ্গুল জেলায় তালচের কয়লাখনি অঞ্চলের ফার্স্ট মেইল কানেক্টিভিটি প্রকল্পের আওতায় ভুবনেশ্বরীর প্রথম পর্ব এবং লাজপুরা র‍্যাপিড লোডিং সিস্টেম। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। এর ফলে, ওডিশায় উন্নতমানের কঠিন জ্বালানী সরবরাহে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ওডিশার ঝারসুগুদা জেলায় আইবি ভ্যালি ওয়শারি উদ্বোধন করবেন তিনি। ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি সুস্থায়ীভাবে উন্নত কয়লা উৎপাদনে সহায়ক হবে। এছাড়াও, শ্রী মোদী মহানন্দা কোলফিল্ড লিমিটেড – এর নির্মিত ঝারসুগুদা – বরপালি – সারদেগা রেল প্রকল্পের প্রথম পর্বে ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচলের সূচনা করবেন। 

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সড়কের তিনটি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এগুলি রূপায়ণে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১১০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে – ৫২০ নম্বর জাতীয় সড়ক (আগে যা ২১৫ নম্বর জাতীয় সড়ক হিসেবে পরিচিত ছিল) – এর রিমুলি – কোয়েদা শাখার চার লেনের সড়ক, ১৪৩ নম্বর জাতীয় সড়ক (আগে যা ২৩ নম্বর জাতীয় সড়ক হিসেবে পরিচিত ছিল) – এর বীরামিত্রপুর – ব্রাহ্মনীর মধ্যে চার লেনের বাইপাস এবং ঐ বাইপাস থেকে রাজামুন্ডা পর্যন্ত চার লেনের সড়ক। এই প্রকল্পগুলি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে। ফলস্বরূপ, এখানে আর্থিক উন্নয়ন ঘটবে।

শ্রী মোদী ২ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন। তিনি সম্ভলপুর রেল স্টেশনে পুনরুন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। এই স্টেশনের স্থাপত্য শৈলশ্রী প্যালেসের অনুকরণে হবে। এছাড়াও, সম্বলপুর – তালচেরের মধ্যে দ্বিতীয় রেললাইন এবং ঝারতারভা থেকে শোনপুর পর্যন্ত নতুন রেলপথও তিনি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। ফলে, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। শ্রী মোদী এই অনুষ্ঠানে সাপ্তাহিক পুরী – শোনপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা সূচনা করবেন।

প্রধানমন্ত্রী সম্বলপুর আইআইএম – এর স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন করবেন এবং নবরূপে সজ্জিত ঝারসুগুদা মুখ্য ডাকঘরের ঐতিহ্যশালী ভবনটির কাজকর্ম পুনরায় সূচিত করবেন। 

গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী:

প্রধানমন্ত্রী গুয়াহাটিতে ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন। 

বিভিন্ন তীর্থ ক্ষেত্রে ভক্তদের আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করার উপর শ্রী মোদী গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এই উদ্যোগের অঙ্গ হিসেবে কামাক্ষ্যা মন্দিরের দর্শনার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী মা কামাক্ষ্যা দিব্য পরিযোজনার শিলান্যাস করবেন তিনি। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের (পিএম – ডিভাইন) মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হবে। শ্রী মোদী ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বিভিন্ন সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রকল্পে ৩৮টি সেতুর পুনর্নির্মান করা হবে। এছাড়াও, ৪৩টি সড়ক নির্মিত হবে। প্রধানমন্ত্রী ঢোলাবাড়ি থেকে জামুগুড়ি এবং গোহপুর থেকে বিশ্বনাথ চরিয়ালীর মধ্যে চার লেনের দুটি সড়ক প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। এর ফলে, ইটানগরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং সমগ্র অঞ্চলের আর্থিক উন্নয়ন ঘটবে। 

এই অঞ্চলের খেলাধূলার মানোন্নয়নে যথেষ্ট সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী আসামে ক্রীড়াক্ষেত্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। এর মধ্যে রয়েছে – চন্দ্রপুরে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং নেহরু স্টেডিয়ামের মানোন্নয়ন ঘটানো। 

শ্রী মোদী গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের মানোন্নয়ন প্রকল্প ও করিমগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজের শিলান্যাস করবেন। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s AI moment: Sarvam turns unicorn at $1.5 billion valuation

Media Coverage

India’s AI moment: Sarvam turns unicorn at $1.5 billion valuation
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Today, the world does not suffer from a shortage of resources; it suffers from a shortage of trust: PM Modi at G7 Summit in Evian, France
June 16, 2026

राष्ट्रपति मैक्रों,
Your Excellencies,

नमस्कार!

G-7 समिट में हमारे गर्मजोशी भरे स्वागत के लिए मैं राष्ट्रपति मैक्रों का हार्दिक आभार व्यक्त करता हूँ।

Friends,

आज का विश्व पहले से कहीं अधिक inter-connected और inter-dependent है। किसी भी देश की ऊर्जा सुरक्षा, खाद्य सुरक्षा, स्वास्थ्य सुरक्षा, साइबर सुरक्षा और आर्थिक समृद्धि केवल उसकी सीमाओं के भीतर तय नहीं होती। Mobility, data, capital, technology, ये सभी हमें आपस में जोड़ते हैं।

ऐसे समय में Partnerships का महत्व स्वाभाविक रूप से बढ़ जाता है। लेकिन साझेदारियाँ तभी सफल होती हैं जब उनके केंद्र में विश्वास हो। आज सबसे महत्वपूर्ण Strategic Asset कोई mineral, technology या market नहीं, बल्कि आपसी विश्वास है।

विश्वास कि टेक्नॉलजी और supply chains को हथियार के रूप में नहीं, global good के लिए इस्तेमाल किया जाएगा। विश्वास कि विकास के अवसर कुछ देशों तक सीमित नहीं रहेंगे। विश्वास कि वैश्विक संस्थान सभी देशों की आकांक्षाओं को पूरा करने में सक्षम होंगे।

Friends,

पिछली सदी में मानवता को दो विश्व युद्धों से गुज़रना पड़ा। अनेक बलिदानों के बाद विश्व समुदाय ने शांति, स्थिरता और समृद्धि की ओर बढ़ने के लिए व्यवस्थाएं विकसित की। इन व्यवस्थाओं का आधार भी trust ही था।

किन्तु अनेक दशकों से, अनेक पीढ़ियों के योगदान से बनाए गए विश्वास को आज चोट पहुँच रही है। कोविड ने हमें आईना दिखाया कि trust और solidarity के दावे कितने खोखले थे।

Today the world does not suffer from a shortage of resources; it suffers from a shortage of trust. And the future of our partnerships depends on building this trust.

अमेरिका के राष्ट्रपति रोनल्ड रेगन ने कहा था: Trust but Verify. यह आज के समय में भी प्रासंगिक है। भावी पीढ़ियों के प्रति हमारा दायित्व है कि हम नए युग के अनुरूप trusted rules based order का निर्माण करें।

Friends,

भारत ने सदैव विश्व को एक परिवार के रूप में देखा है। हमारे सभी प्रयास “सर्वजन हिताय, सर्वजन सुखाय” यानि, welfare and happiness for all के मूल सिद्धांत पर आधारित रहे हैं।

भारत का अनुभव दिखाता है कि विकास सबसे अधिक प्रभावी तब होता है जब वह लोगों की आकांक्षाओं से जुड़ा हो। यही सिद्धांत हमारी अंतरराष्ट्रीय साझेदारियों का भी आधार है। इसी सोच के साथ भारत ने International Solar Alliance, Coalition for Disaster Resilient Infrastructure, ग्लोबल बायोफ्यूल्स एलायंस, Mission LiFE, और “एक पेड़ माँ के नाम” जैसी वैश्विक पहलों को आगे बढ़ाया है।

संकट के समय भारत ने First Responder के रूप में सभी देशों की सहायता करना अपना दायित्व समझा है। कोविड महामारी के दौरान भारत ने डेढ़ सौ से अधिक देशों को दवाइयाँ और vaccines उपलब्ध कराईं।

श्रीलंका में cyclone हो, अफगानिस्तान में भूकंप हो, मोज़ाम्बिक में floods हों, या क्यूबा और जमैका में hurricane, भारत ने सदैव "Humanity First" के सिद्धांत पर कार्य किया है। हमारी विकास साझेदारियाँ भी इसी भावना को प्रतिबिंबित करती हैं। हमारे प्रयास पार्टनर देशों में capacity building और कौशल विकास पर केन्द्रित रहे हैं।

भारत का मानना है: The true test of partnership is not what we build for others, but what we enable others to build for themselves.

Friends,

आज ग्लोबल साउथ की विश्व समुदाय से बहुत उम्मीदें हैं। किन्तु उनकी अपेक्षा सहारे की नहीं, साथ की है। वे वैश्विक विकास के लाभार्थी नहीं, उसके भागीदार बनना चाहते हैं।

हमें donor–recipient की सोच से आगे बढ़कर, equal पार्टनर्स के रूप में काम करना होगा। उनके पास-पास नहीं, साथ-साथ चलना होगा। साझेदारी को dependency के बजाय, dignity से जोड़ना होगा। इन प्रयासों से हम भावी पीढ़ियों के सतत विकास की मजबूत नींव रख सकेंगे।

Friends,

अंतरराष्ट्रीय साझेदारियाँ और वैश्विक एकजुटता तभी सार्थक बन सकती हैं, जब हम साझा चुनौतियों का मिलकर समाधान करें। भारत का दृढ विश्वास है कि विश्व के विभिन्न हिस्सों में चल रहे तनावों और युद्धों का स्थायी समाधान dialogue, diplomacy और अंतरराष्ट्रीय सहयोग के मार्ग से ही संभव है।

हम west asia में शांति प्रयासों में हुई प्रगति का स्वागत करते हैं। इस संघर्ष से west asia में हमारे मित्र देशों को जान-माल का नुकसान झेलना पड़ा है। होर्मुज़ स्ट्रेट में maritime ट्रेड में आई बाधा के कारण पूरे विश्व की अर्थव्यवस्था को नुकसान पहुंचा। भारत के कई civilians को जान गंवानी पड़ी। Global maritime ट्रेड के माध्यम से सभी देशों को आपस में जोड़ने वाले नाविकों की सुरक्षा हमारा दायित्व है। हमें यह सुनिश्चित करना होगा कि समुद्री मार्ग सुरक्षित रहें, और Seafarers बिना भय के अपना कार्य कर सकें।

Friends,

भारत इन विषयों पर सभी पार्टनर्स के साथ मिलकर काम करने के लिए पूरी तरह से तैयार है।

बहुत-बहुत धन्यवाद।