On the occasion of Mahavir Jayanti, PM to inaugurate Samrat Samprati Museum at Koba Tirth in Gandhinagar
Museum showcases rich historical, cultural, and spiritual legacy of Jainism and will help visitors gain a chronological understanding of the evolution of Jainism and its profound cultural impact
Marking a significant milestone in India’s semiconductor journey, PM to inaugurate the Kaynes Semicon Plant at Sanand
It will be the second semiconductor facility to commence commercial production in India
Facility to contribute to building indigenous semiconductor packaging capacity, addressing critical gap in India’s chip ecosystem and furthering the vision of self-reliance
PM to lay foundation stone, inaugurate, and dedicate to the Nation multiple development projects worth more than ₹20,000 crore in Vav-Tharad
Projects span key sectors including Power, Railways, Road Transport & Highways, Health, Urban Development, Tribal Development, and Rural Development

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২৬ সালের ৩১শে মার্চ গুজরাট সফর করবেন। সকাল ১০টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী গান্ধীনগরে ‘সম্রাট সম্প্রতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন করবেন। এই উপলক্ষে তিনি সেখানে এক সমাবেশে ভাষণও দেবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদের সানন্দে ‘কেইনস সেমিকন প্ল্যান্ট’-এর উদ্বোধন করবেন এবং একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ‘ভাব-থরাদ’-এর উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সেখানে তিনি বিকেল ৪টা নাগাদ ২০,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়নমুলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, উদ্বোধন এবং জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। এই উপলক্ষে তিনি এক সমাবেশে ভাষণও দেবেন।

গান্ধীনগরে প্রধানমন্ত্রী

মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষে, প্রধানমন্ত্রী গান্ধীনগরের কোবা তীর্থে 'সম্রাট সম্প্রতি জাদুঘর'-এর উদ্বোধন করবেন। অহিংসার প্রতি অটল নিষ্ঠা ও জৈনধর্মের প্রচারে তাঁর ভূমিকার জন্য সুপরিচিত সম্রাট অশোকের পৌত্র এবং জৈন ঐতিহ্যের এক অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি সম্রাট সম্প্রতির নামানুসারে এই জাদুঘরটির নামকরণ করা হয়েছে। এই জাদুঘরটি জৈনধর্মের সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকারকে তুলে ধরে।
'মহাবীর জৈন আরাধনা কেন্দ্র'-এর প্রাঙ্গণে অবস্থিত এই জাদুঘরটিতে সাতটি স্বতন্ত্র বিভাগ বা শাখা রয়েছে। এর প্রতিটি ভারতের সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অনন্য ও বিশেষ দিকগুলোর প্রতি নিবেদিত। এটি দর্শনার্থীদের শত শত বছরের জ্ঞান ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে এক সামগ্রিক ও বিস্তৃত যাত্রার অভিজ্ঞতা প্রদান করে। জাদুঘরটি ঐতিহ্যবাহী প্রদর্শনী সামগ্রীর সঙ্গে আধুনিক ডিজিটাল এবং দৃশ্য-শ্রাব্য উপস্থাপনার এক চমৎকার সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে।  এটি দর্শনার্থী, গবেষক এবং পণ্ডিতদের জন্য এক অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ও আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতার সৃষ্টি করে।
এই জাদুঘরটিতে শত শত বছরের পুরনো বিরল নিদর্শন, জৈন শিল্পকর্ম এবং ঐতিহ্যবাহী সংগ্রহের সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হবে। এই সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত নিপুণ কারুকার্যখচিত পাথর ও ধাতুর মূর্তি, বিশাল আকারের 'তীর্থ পট্ট' ও 'যন্ত্র পট্ট', ক্ষুদ্রচিত্র (মিনিয়াচার পেইন্টিং), রৌপ্য নির্মিত রথ, মুদ্রা এবং প্রাচীন পাণ্ডুলিপি। এগুলি সবকিছুই সাতটি বিশাল ও সুসজ্জিত গ্যালারিতে প্রদর্শিত হচ্ছে। সুবিশাল কক্ষগুলোতে সুবিন্যস্তভাবে সাজানো দুই হাজারেরও বেশি বিরল ও মূল্যবান নিদর্শনের সমাহার থাকছে। এই জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জৈনধর্মের বিবর্তন এবং এর গভীর সাংস্কৃতিক প্রভাব সম্পর্কে একটি কালানুক্রমিক ও সুস্পষ্ট ধারণা লাভে সহায়তা করে।
প্রধানমন্ত্রীর সানন্দ সফর 
প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদের সানন্দ জিআইডিসি -তে 'কেইনস সেমিকন প্ল্যান্ট' -এর উদ্বোধন করবেন। এর মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন কাজের সূচনা হবে। এটি  ভারতের সেমিকন্ডাক্টর যাত্রাপথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
উন্নতমানের 'ইন্টেলিজেন্ট পাওয়ার মডিউল' (আই পি এম) তৈরির মাধ্যমে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। এই মডিউলগুলো স্বয়ংচালিত (অটোমেটিভ) এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।   এই ক্ষেত্রগুলোতে কমপ্যাক্ট, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য পাওয়ার সুইচিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয়। প্রতিটি মডিউলে ১৭টি করে চিপ থাকে এবং এগুলো ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'আলফা অ্যান্ড ওমেগা সেমিকন্ডাক্টর' (এ ও এস)-এর কাছে সরবরাহ করা হবে। কারখানাটির সমস্ত পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হলে এটি দৈনিক ৬.৩৩ মিলিয়ন ইউনিট উৎপাদনক্ষম হয়ে উঠবে ।
কেইনস সেমিকন প্ল্যান্টের এই উদ্বোধন 'ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন' ( আই এস এম )-এর অধীনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই কর্মসূচির আওতায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে 'মাইক্রন টেকনোলজি'র  পর এটিই হবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে চলা দ্বিতীয় সেমিকন্ডাক্টর কেন্দ্র ।
এই প্রকল্পটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।  কারণ এর মাধ্যমে ভারতে দ্বিতীয় “ ও এস এ টি/এ টি এম পি” ইউনিটটি উৎপাদনে সক্ষম হয়ে উঠল। এছাড়া, এর মাধ্যমে ভারত দেশে তৈরি একটি 'ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং সার্ভিসেস' ( ই এম এস) প্রতিষ্ঠান সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন শিল্পে প্রবেশ করল। এটি দেশের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতাকে আরও জোরদার করবে।
এই কেন্দ্রটি দেশে সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের নিজস্ব ক্ষমতা গড়ে তুলতে বিশেষ অবদান রাখবে। এর ফলে ভারতের চিপ ইকোসিস্টেম বা চিপ-শিল্পের বাস্তুতন্ত্রে বর্তমানে যে  শূন্যস্থান রয়েছে তা পূরণ হবে এবং উচ্চ-প্রযুক্তিভিত্তিক উৎপাদন ক্ষেত্রে  আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্য বা ভিশন আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
ভাব-থরাদে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ২০,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়নমুলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন , উদ্বোধন এবং জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে  বিদ্যুৎ, রেলওয়ে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক, স্বাস্থ্য, নগর উন্নয়ন, আদিবাসী উন্নয়ন এবং গ্রামীণ উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। 
প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদ-ধোলেরা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করবেন।  এটি একটি 'অ্যাক্সেস-কন্ট্রোলড' (নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার বিশিষ্ট) মহাসড়ক।  ৫,১০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে এটি নির্মিত হয়েছে। এই এক্সপ্রেসওয়েটি আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে পাশাপাশি ধোলেরা বিশেষ বিনিয়োগ অঞ্চলে ( ডি এস আই আর) শিল্প উন্নয়নে সহায়তা করবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে  ত্বরান্বিত করবে।

প্রধানমন্ত্রী 'পেভড শোল্ডার' (পাকা পার্শ্বপথ) সহ ৪-লেন বিশিষ্ট ইদার-বাদোলি বাইপাস অংশের নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তিনি  এন এইচ-৭৫৪কে-এর ধোলাভিরা-মৌভানা-ভৌভা-সান্তালপুর অংশকে (প্যাকেজ-II) 'পেভড শোল্ডার' সহ দুই-লেন বিশিষ্ট সড়কে উন্নীত করার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পগুলো মহাসড়ক পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করবে।এটি ধোলাভিরার মতো পর্যটন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে, লজিস্টিক বা পণ্য পরিবহন দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন । এর মধ্যে রয়েছে গান্ধীনগর-কোবা-বিমানবন্দর সড়কের 'ভাইজিপুরা জংশন'-এর ফ্লাইওভার। এই ফ্লাইওভারটি যানজট নিরসনে সহায়তা করবে এবং এর কাঠামোর নিচে সুসংগঠিত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা প্রদান করবে। এছাড়া, গান্ধীনগর-কোবা-বিমানবন্দর সড়কের ' পি ডি পি ইউ জংশন'-এর ফ্লাইওভারও উদ্বোধন করবেন। গান্ধীনগরকে বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযুক্তকারী এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ১,৪০,০০০-এরও বেশি যানবাহন চলাচল করে। এই ফ্লাইওভারটি আহমেদাবাদ ও গান্ধীনগরের মধ্যবর্তী ' সি এইচ -ও জংশন' থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত যানচলাচলকে মসৃণ ও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিশেষ  ভূমিকা পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।  এর মধ্যে রয়েছে 'খভদা পুলিং স্টেশন-২' এবং ৪.৫ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরনযোগ্য বিদ্যুৎ স্থানান্তরের লক্ষ্যে এর সঙ্গে যুক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থ। এই প্রকল্পগুলোর সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ৩,৬৫০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পগুলো পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির একীভূতকরণ এবং সঞ্চালন ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
প্রধানমন্ত্রী 'কানালুস–জামনগর দ্বৈতকরণ প্রকল্প' (২৮ কিমি) জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন । এটি মূলত 'রাজকোট–কানালুস দ্বৈতকরণ প্রকল্পের' (১১১.২০ কিমি) একটি অংশ। এই প্রকল্পগুলো রেলের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে, যানজট কমাবে, পরিচালন দক্ষতা উন্নত করবে এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের গতি ত্বরান্বিত করবে।
প্রধানমন্ত্রী 'হিম্মতনগর–খেদব্রহ্মা গেজ রূপান্তর প্রকল্পেরও' (৫৪.৮৩ কিমি) উদ্বোধন করবেন।  এটি এই অঞ্চলের রেল যোগাযোগ এবং যাত্রী চলাচল ব্যবস্থাকে উন্নত করবে। এছাড়াও তিনি 'খেদব্রহ্মা–হিম্মতনগর–আসারওয়া' ট্রেন পরিষেবার শুভ সূচনা করবেন।
প্রধানমন্ত্রী সমগ্র গুজরাট জুড়ে প্রায় ৫,৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৪টি নগর উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন । এর মূল লক্ষ্য হলো নগর পরিকাঠামো উন্নত করা এবং জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি করা। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের উদ্বোধন করবেন।  এর মধ্যে রয়েছে আহমেদাবাদের আসারওয়া সিভিল হাসপাতালে ৮৫৮ শয্যাবিশিষ্ট একটি 'রেন বসেরা' (আশ্রয়কেন্দ্র) এবং গান্ধীধাম সিভিল হাসপাতাল ও জিএমইআরএস মেডিকেল কলেজে অনুরূপ আশ্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন।
প্রধানমন্ত্রী পর্যটন সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন । এর মধ্যে রয়েছে পাটন-এর 'রানি কি বাভ'-এ 'লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো' এবং ভাদনগরের 'শর্মিষ্ঠা হ্রদ'-এ 'ওয়াটার স্ক্রিন প্রজেকশন শো'। এছাড়াও তিনি বনসকান্থার 'বলরাম মহাদেব' এবং 'বিশ্বেশ্বর মহাদেব' স্থানে পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এর লক্ষ্য  হলো পর্যটকদের উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদান করা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরা।
প্রধানমন্ত্রী ১,৭৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত  দুটি জলের পাইপলাইন প্রকল্প জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ  এর মধ্যে রয়েছে বনসকান্থার 'কাসারা-দান্তিওয়াড়া পাইপলাইন' এবং পাটন ও বনসকান্থার  বিস্তৃত 'দিন্দ্রোল-মুক্তেশ্বর পাইপলাইন'। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী অম্বাজি এবং এর পার্শ্ববর্তী গ্রামীণ এলাকাগুলোর জন্য একটি জল সরবরাহ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এটি ৩৪টি গ্রাম এবং অম্বাজি শহরে পানীয় জল সরবরাহ করবে। এর ফলে বনসকান্থা জেলার দান্তা ও আমিরগড় তালুকের প্রায় ১.৫ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। প্রধানমন্ত্রী গান্ধীনগর জেলায় সবরমতী রিভারফ্রন্ট সম্প্রসারণের তিনটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পগুলিতে  প্রায় ১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদের ভেজালপুরে অবস্থিত সরকারি ছাত্রাবাসটির উদ্বোধন করবেন। এই ছাত্রাবাসটি উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান করবে।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
From welfare to opportunity: How DPI 2.0 and AI will unlock India’s productivity

Media Coverage

From welfare to opportunity: How DPI 2.0 and AI will unlock India’s productivity
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
State Visit of Prime Minister to Seychelles
June 28, 2026

As part of Prime Minister Shri Narendra Modi’s State Visit to Seychelles from 27-29 June 2026, Prime Minister and the President of Seychelles, H.E. Dr. Patrick Herminie today held official talks at the State House in Victoria, Mahe.

The talks covered the full spectrum of bilateral relations, with the leaders agreeing to further strengthen cooperation in health, education, capacity building, digital transformation, sustainable development, social infrastructure, renewable energy, maritime security and defence. They also exchanged views on regional and global developments, including challenges in the Indian Ocean region, such as illegal fishing, drug trafficking and piracy. Both leaders expressed satisfaction at the progress made in the implementation of projects and initiatives under the Special Economic Package announced by India. Prime Minister reaffirmed India’s commitment to supporting the development priorities of Seychelles and to further deepen the close and enduring partnership between the two countries.

Following the official talks, both leaders released a joint commemorative logo marking 50 years of the establishment of diplomatic relations between the two countries. Several MoUs/agreements in the fields of Capacity Building, UPI, Health, Agriculture, Shipping, Space, Extradition and Line of Credit were exchanged thereafter. The amount of the Line of Credit stands at INR 1250 crores. The full list of MoUs/agreements may be seen here [link]. In addition, several announcements in the fields of food security, infrastructure, health, vocational training, maritime security and defence were made in support of the development needs of Seychelles. The details of these announcements may be seen here [link]. Seychelles also announced that it is joining the Coalition for Disaster Resilient Infrastructure [CDRI].

Later in the day, Prime Minister addressed an Extraordinary Sitting of the National Assembly of Seychelles, becoming the first Indian Prime Minister to do so. In his address, he highlighted the historical bonds of friendship between India and Seychelles and underscored the shared values of democracy, rule of law and people-centric governance that guide the two countries. He noted that mutual trust and close cooperation have shaped a robust partnership spanning development cooperation, maritime security, technology, innovation, health and capacity building. Prime Minister also called for enhanced parliamentary exchanges between the two democracies. The full address of Prime Minister may be seen here [link]

The Leader of Opposition of Seychelles, H.E. Mr. Bernard Georges, also called on Prime Minister. The two leaders discussed India-Seychelles bilateral ties and conveyed their strong support to further build the special friendship between the two countries.