PM to launch expansion of health coverage to all senior citizens aged 70 years and above under Ayushman Bharat PM-JAY
In a major boost to healthcare infrastructure, PM to inaugurate and lay foundation stone of multiple healthcare institutions
PM to inaugurate Phase-II of India’s First All India Institute of Ayurveda
Enhancing the innovative usage of technology in healthcare sector, PM to launch drone services at 11 Tertiary Healthcare Institutions
In a boost to digital initiatives to further improve healthcare facilities, PM to launch U-WIN portal that digitalises vaccination process benefiting pregnant women and infants
In line with the vision of Make in India, PM to inaugurate five projects under the PLI scheme for medical devices and bulk drugs
PM to also launch multiple initiatives to strengthen the R&D and testing infrastructure in healthcare sector

ধন্বন্তরী জয়ন্তী এবং নবম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে ২৯ অক্টোবর বেলা ১২-৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ-এ স্বাস্থ্যক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ১২,৮৫০ কোটি টাকার একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন।

কেন্দ্রীয় সরকারের ফ্ল্যাগশিপ আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জেএওয়াই প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রী ৭০ বছর এবং তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকদের এই বীমা প্রকল্পে যুক্ত করার কর্মসূচির সূচনা করবেন। এর ফলে, সমস্ত প্রবীণ নাগরিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সুবিধা পাবেন, তাঁদের আয়ের পরিমাণ এই পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

দেশজুড়ে উন্নতমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা সকলের কাছে পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী বদ্ধপরিকর। তাই, স্বাস্থ্যক্ষেত্রের পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য তিনি বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন।

শ্রী মোদী ভারতের প্রথম অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করবেন। নতুন এই অংশে একটি পঞ্চকর্ম হাসপাতাল, আয়ুর্বেদ ওষুধ তৈরির জন্য একটি কেন্দ্র, ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যবহৃত ওষুধ, একটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্টার্ট-আপ-এর জন্য ইনকিউবেশন সেন্টার এবং একটি ৫০০ আসনবিশিষ্ট প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে। তিনি মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌর, নীমুচ এবং সেওনিতে তিনটি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও, হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুরে, পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণীতে, বিহারের পাটনায়, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে, মধ্যপ্রদেশের ভোপালে, আসামের গুয়াহাটিতে এবং নতুন দিল্লির এইমস-এ বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে জন ঔষধি কেন্দ্র রয়েছে। তিনি ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরে সরকারি মেডিকেল কলেজে একটি সুপার স্পেশালিটি ব্লক এবং ওড়িশার বরগড়-এ একটি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী, রতলম, খান্ডোয়া, রাজগড় এবং মন্দসৌরে পাঁচটি নার্সিং কলেজের শিলান্যাস করবেন। এছাড়াও হিমাচল প্রদেশে, মণিপুর, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং রাজস্থানে আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো প্রকল্পের আওতায় ২১টি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লকের শিলান্যাস করা হবে । শ্রী মোদী হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর এবং নতুন দিল্লির এইমস-এ বেশ কিছু পরিষেবার সূচনাও করবেন।

প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে একটি ইএসআইসি হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও হরিয়ানার ফরিদাবাদ, কর্ণাটকের বোম্মাসান্দ্রা ও নরসাপুর, মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর, উত্তরপ্রদেশের মীরাট এবং অন্ধ্রপ্রদেশের অচ্যুতপুরমে বেশ কয়েকটি ইএসআইসি হাসপাতালের শিলান্যাস করবেন তিনি। এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে ইএসআই প্রকল্পের ৫৫ লক্ষ সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন।

প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারকে আরও উদ্ভাবনমূলক করে তোলার পক্ষে সর্বদাই আগ্রহ প্রকাশ করেন। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পরিষেবাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি ১১টি টার্শিয়ারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ড্রোন পরিষেবার সূচনা করবেন। এই কেন্দ্রগুলি হল – উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশ, তেলেঙ্গানার বিবিনগর, আসামের গুয়াহাটি, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, রাজস্থানের যোধপুর, বিহারের পাটনা, হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর, উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলি, ছত্তিশগড়ের রায়পুর এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মঙ্গলগিরির এইমস ও মণিপুর ইম্ফল রিমস। এছাড়াও, ঋষিকেশ এইমস থেকে হেলিকপ্টারের সাহায্যে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার সূচনাও করা হবে।  

ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার প্রয়োগের মাধ্যমে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের মানোন্নয়নের জন্য শ্রী মোদী U-WIN পোর্টালের সূচনা করবেন। এর ফলে গর্ভবতী মহিলা ও সদ্যোজাতদের টিকাকরণের প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় আসবে। ফলস্বরূপ, গর্ভবতী মহিলা এবং ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত প্রত্যেক নাবালক ১২টি টিকাকরণ প্রকল্পের আওতায় আসবে। নতুন এই পোর্টাল তাদের সঠিক সময়ে টিকাদান নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, স্বাস্থ্যক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত পেশাদার ও প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য আরও একটি পোর্টালের সূচনা করা হবে। এই পোর্টালে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে সমস্ত তথ্য সঞ্চিত থাকবে।  

প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যক্ষেত্রের গবেষণা ও উন্নয়ন এবং বিভিন্ন পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য আরও শক্তিশালী পরিকাঠামো গড়ে তুলতে একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করবেন। এর আওতায় ওড়িশার ভুবনেশ্বরের গোঠাপাটনায় একটি সেন্ট্রাল ড্রাগস টেস্টিং ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করা হবে।

শ্রী মোদী ওড়িশার খোরদায় এবং ছত্তিশগড়ের রায়পুরে যোগ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চিকিৎসার জন্য দুটি কেন্দ্রীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিলান্যাস করবেন। এছাড়াও তিনি চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য গুজরাটের আমেদাবাদ নাইপার, বিপুল পরিমাণের্ ওষুধ উৎপাদনের জন্য তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদ নাইপার, ফাইটোফার্মাসিউটিক্যালের জন্য আসামের গুয়াহাটি নাইপার এবং ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধী, ভাইরাল প্রতিরোধী ওষুধের উদ্ভাবন ও গবেষণার জন্য পাঞ্জাবের মোহালি নাইপারে উৎকর্ষ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী চারটি আয়ুষ উৎকর্ষ কেন্দ্রের সূচনা করবেন। এগুলি ব্যাঙ্গালোরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স-এ ডায়াবেটিস সংক্রান্ত রোগ চিকিৎসাকেন্দ্র, দিল্লি আইআইটি-তে আয়ুষ সংক্রান্ত গবেষণা, স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সহায়তাদান এবং রসৌষধির জন্য কেন্দ্র, লক্ষ্ণৌ-এ সেন্ট্রাল ড্রাগ রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চিরায়ত আয়ুর্বেদ ওষুধের গবেষণা কেন্দ্র এবং নতুন দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়ুর্বেদ সংক্রান্ত ওষুধ কেন্দ্রে গড়ে উঠেছে।

স্বাস্থ্যক্ষেত্রে মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সরঞ্জাম এবং প্রচুর পরিমাণে ওষুধ উৎপাদনের জন্য উৎসাহ-ভিত্তিক উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় এই কেন্দ্রগুলি গড়ে উঠেছে। এই কেন্দ্রগুলি  গুজরাটের বাপি, তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদ, কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু, অন্ধ্রপ্রদেশের কাঁকিনাড়া এবং হিমাচল প্রদেশের নালাগড়ে অবস্থিত। এখান থেকে অঙ্গ প্রতিস্থাপন এবং জটিল অসুখে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উৎপাদন করা হবে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলিতে নানা ধরনের ওষুধ প্রস্তুত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে “দেশ কা প্রকৃতি পরীক্ষণ অভিযান”-এর সূচনা করবেন। নাগরিকদের মধ্যে স্বাস্থ্যের বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের উপযোগী জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করা হবে।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s AI moment: Sarvam turns unicorn at $1.5 billion valuation

Media Coverage

India’s AI moment: Sarvam turns unicorn at $1.5 billion valuation
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Today, the world does not suffer from a shortage of resources; it suffers from a shortage of trust: PM Modi at G7 Summit in Evian, France
June 16, 2026

राष्ट्रपति मैक्रों,
Your Excellencies,

नमस्कार!

G-7 समिट में हमारे गर्मजोशी भरे स्वागत के लिए मैं राष्ट्रपति मैक्रों का हार्दिक आभार व्यक्त करता हूँ।

Friends,

आज का विश्व पहले से कहीं अधिक inter-connected और inter-dependent है। किसी भी देश की ऊर्जा सुरक्षा, खाद्य सुरक्षा, स्वास्थ्य सुरक्षा, साइबर सुरक्षा और आर्थिक समृद्धि केवल उसकी सीमाओं के भीतर तय नहीं होती। Mobility, data, capital, technology, ये सभी हमें आपस में जोड़ते हैं।

ऐसे समय में Partnerships का महत्व स्वाभाविक रूप से बढ़ जाता है। लेकिन साझेदारियाँ तभी सफल होती हैं जब उनके केंद्र में विश्वास हो। आज सबसे महत्वपूर्ण Strategic Asset कोई mineral, technology या market नहीं, बल्कि आपसी विश्वास है।

विश्वास कि टेक्नॉलजी और supply chains को हथियार के रूप में नहीं, global good के लिए इस्तेमाल किया जाएगा। विश्वास कि विकास के अवसर कुछ देशों तक सीमित नहीं रहेंगे। विश्वास कि वैश्विक संस्थान सभी देशों की आकांक्षाओं को पूरा करने में सक्षम होंगे।

Friends,

पिछली सदी में मानवता को दो विश्व युद्धों से गुज़रना पड़ा। अनेक बलिदानों के बाद विश्व समुदाय ने शांति, स्थिरता और समृद्धि की ओर बढ़ने के लिए व्यवस्थाएं विकसित की। इन व्यवस्थाओं का आधार भी trust ही था।

किन्तु अनेक दशकों से, अनेक पीढ़ियों के योगदान से बनाए गए विश्वास को आज चोट पहुँच रही है। कोविड ने हमें आईना दिखाया कि trust और solidarity के दावे कितने खोखले थे।

Today the world does not suffer from a shortage of resources; it suffers from a shortage of trust. And the future of our partnerships depends on building this trust.

अमेरिका के राष्ट्रपति रोनल्ड रेगन ने कहा था: Trust but Verify. यह आज के समय में भी प्रासंगिक है। भावी पीढ़ियों के प्रति हमारा दायित्व है कि हम नए युग के अनुरूप trusted rules based order का निर्माण करें।

Friends,

भारत ने सदैव विश्व को एक परिवार के रूप में देखा है। हमारे सभी प्रयास “सर्वजन हिताय, सर्वजन सुखाय” यानि, welfare and happiness for all के मूल सिद्धांत पर आधारित रहे हैं।

भारत का अनुभव दिखाता है कि विकास सबसे अधिक प्रभावी तब होता है जब वह लोगों की आकांक्षाओं से जुड़ा हो। यही सिद्धांत हमारी अंतरराष्ट्रीय साझेदारियों का भी आधार है। इसी सोच के साथ भारत ने International Solar Alliance, Coalition for Disaster Resilient Infrastructure, ग्लोबल बायोफ्यूल्स एलायंस, Mission LiFE, और “एक पेड़ माँ के नाम” जैसी वैश्विक पहलों को आगे बढ़ाया है।

संकट के समय भारत ने First Responder के रूप में सभी देशों की सहायता करना अपना दायित्व समझा है। कोविड महामारी के दौरान भारत ने डेढ़ सौ से अधिक देशों को दवाइयाँ और vaccines उपलब्ध कराईं।

श्रीलंका में cyclone हो, अफगानिस्तान में भूकंप हो, मोज़ाम्बिक में floods हों, या क्यूबा और जमैका में hurricane, भारत ने सदैव "Humanity First" के सिद्धांत पर कार्य किया है। हमारी विकास साझेदारियाँ भी इसी भावना को प्रतिबिंबित करती हैं। हमारे प्रयास पार्टनर देशों में capacity building और कौशल विकास पर केन्द्रित रहे हैं।

भारत का मानना है: The true test of partnership is not what we build for others, but what we enable others to build for themselves.

Friends,

आज ग्लोबल साउथ की विश्व समुदाय से बहुत उम्मीदें हैं। किन्तु उनकी अपेक्षा सहारे की नहीं, साथ की है। वे वैश्विक विकास के लाभार्थी नहीं, उसके भागीदार बनना चाहते हैं।

हमें donor–recipient की सोच से आगे बढ़कर, equal पार्टनर्स के रूप में काम करना होगा। उनके पास-पास नहीं, साथ-साथ चलना होगा। साझेदारी को dependency के बजाय, dignity से जोड़ना होगा। इन प्रयासों से हम भावी पीढ़ियों के सतत विकास की मजबूत नींव रख सकेंगे।

Friends,

अंतरराष्ट्रीय साझेदारियाँ और वैश्विक एकजुटता तभी सार्थक बन सकती हैं, जब हम साझा चुनौतियों का मिलकर समाधान करें। भारत का दृढ विश्वास है कि विश्व के विभिन्न हिस्सों में चल रहे तनावों और युद्धों का स्थायी समाधान dialogue, diplomacy और अंतरराष्ट्रीय सहयोग के मार्ग से ही संभव है।

हम west asia में शांति प्रयासों में हुई प्रगति का स्वागत करते हैं। इस संघर्ष से west asia में हमारे मित्र देशों को जान-माल का नुकसान झेलना पड़ा है। होर्मुज़ स्ट्रेट में maritime ट्रेड में आई बाधा के कारण पूरे विश्व की अर्थव्यवस्था को नुकसान पहुंचा। भारत के कई civilians को जान गंवानी पड़ी। Global maritime ट्रेड के माध्यम से सभी देशों को आपस में जोड़ने वाले नाविकों की सुरक्षा हमारा दायित्व है। हमें यह सुनिश्चित करना होगा कि समुद्री मार्ग सुरक्षित रहें, और Seafarers बिना भय के अपना कार्य कर सकें।

Friends,

भारत इन विषयों पर सभी पार्टनर्स के साथ मिलकर काम करने के लिए पूरी तरह से तैयार है।

बहुत-बहुत धन्यवाद।