প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ৮ অক্টোবর নতুন দিল্লির যশোভূমিতে নবম ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস (আইএমসি ২০২৫)-এর উদ্বোধন করবেন। টেলিযোগাযোগ দপ্তর এবং সেলুলার অপারেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (সিওএআই)-এর যৌথ আয়োজনে এই সমারোহ টেলিযোগাযোগ, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এশিয়ার বৃহত্তম আলোচনা ও আদান-প্রদানের মঞ্চ হিসেবে স্বীকৃত।
তিন দিনের আইএমসি ২০২৫-এর মূল ভাবনা হল “রূপান্তরের জন্য উদ্ভাবন”। এই বিষয় নির্বাচন ডিজিটাল রূপান্তর এবং সমাজগত প্রগতির ক্ষেত্রে উদ্ভাবনার পরিমণ্ডলকে কাজে লাগানোয় ভারতের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।
এই সমারোহে টেলিযোগাযোগ এবং অত্যাধুনিক প্রযু্ক্তির ক্ষেত্রে সাম্প্রতিকতম নানা নিদর্শন তুলে ধরা হবে। যোগ দেবেন সারা বিশ্বের বিশেষজ্ঞ, নীতি প্রণেতা এবং উদ্ভাবকরা। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে অপটিক্যাল কমিউনিকেশন, টেলিকম ক্ষেত্রে সেমিকন্ডাক্টর, কোয়ানটাম কমিউনিকেশন, সিক্স-জি ইত্যাদি। জালিয়াতি প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিশদে আলোচনা হবে সেখানে। পরবর্তী প্রজন্মের সংযোগ ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রভৃতি যে সব ক্ষেত্রে ভারত কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্ব দিতে চায়, সেই বিষয়গুলিও আলোচনায় প্রাধান্য পাবে।
এই সমারোহে ১৫০-টিরও বেশি দেশের দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সারা বিশ্বের ৭ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি এবং ৪০০-রও বেশি সংস্থা এতে অংশগ্রহণ করবেন। ৫-জি/৬-জি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, কোয়ানটাম কম্পিউটিং এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি সম্পর্কিত অত্যাধুনিক নানা সরঞ্জামের প্রদর্শন ও তার প্রয়োগের বিষয়টিও এই সমারোহের অন্যতম আকর্ষণ। এই বিষয়গুলি নিয়ে ১০০-রও বেশি অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন ৮০০-রও বেশি বক্তা।
আইএমসি ২০২৫-এ জাপান, কানাডা, ব্রিটেন, রাশিয়া, আয়ারল্যান্ড এবং অস্ট্রিয়ার মতো দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আবহকে স্পষ্ট করে তুলবে আবার।


