Everything from the design to the manufacturing of INS Dunagiri, INS Sanshodhak and INS Agray is indigenous: PM Modi
From the seas to the skies, India is becoming increasingly secure and self-reliant: PM Modi
C-295 aircraft has completed its maiden flight and 40 such aircrafts are being manufactured right here in India: PM Modi
This time, diverse Yoga events were held at over 2,500 locations across the globe on ‘International Yoga Day’: PM Modi
India won a total of 114 medals, including 102 gold, at the World Yogasana Championship, topping the medal tally: PM Modi
Thousands of rural women stepped forward to save the ‘Hargila’ bird - today, they are known as the ‘Hargila Army’: PM Modi
The Nagaland Women Futsal League is providing a wonderful platform for our daughters to showcase their talent: PM Modi
Our Nalanda University, dating back thousands of years, is now shaping India's destiny in a new avatar: PM Modi
India has now applied to have Meghalaya’s root bridges included in the UNESCO World Heritage Site Network: PM Modi
Ensure that the Ganpati Bappa idol installed in your home, society, or neighbourhood is made from the soil of our own country: PM Modi

আমার প্রিয় দেশবাসী, নমস্কার। মন কি বাত এর মাধ্যমে আপনাদের সঙ্গে আরও একবার যুক্ত হতে পেরে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। ২০২৬ এর অর্ধেকটা বছর আমরা পেরোতে চলেছি।এই ৬মাসে আমরা মন কি বাত এ দেশবাসীর অনেক সাফল্য নিয়ে আলোচনা করেছি। জুন মাসেও, আমাদের দেশ এমন কিছু সাফল্যের অধিকারী হয়েছে, যা প্রত্যেক দেশবাসীর জন্য গর্বের। এই সফলতা দেশের সুরক্ষা ও আত্মনির্ভরতার সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি আমি কলকাতায় নৌ সেনার একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেখানে INS DUNAGIRI, INS SANSODHAK ও INS AGRAY কে ভারতীয় নৌবহরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই জাহাজগুলোর design আর manufacturing সবকিছুই স্বদেশী।  

বন্ধুরা, জুন মাসে aviation sector এও আমাদের দেশ একটি বড় সাফল্য পেয়েছে। C - 295, এই বিমানটি 'made in India' এবং এটি নিজের প্রথম উড়ানও সম্পূর্ণ করেছে, আর এরকম আরো 40টি বিমান ভারতে বানানো হচ্ছে। এরফলে MSME এবং Aerospace sector নতুন শক্তি পাচ্ছে। রোজগারের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং আত্মনির্ভর ভারতের সংকল্প আরও মজবুত হচ্ছে। এই মাসেই DRDO স্বদেশী ' লং রেঞ্জ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল ' এর পরীক্ষা সফল ভাবে করেছে। এটিকে DRDO এর ল্যাবরেটরি ও ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ পার্টনার্স সম্মিলিত ভাবে বানিয়েছে, অর্থাৎ আজ সমুদ্র থেকে আকাশ পর্যন্ত আমাদের ভারত অধিক সুরক্ষিত ও আত্মনির্ভর হয়ে উঠছে।

বন্ধুরা, জুন মাসে আরও একটি আয়োজন হয়েছিল যেখানে সমগ্র বিশ্ব ভারতের প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, আর এই অনুষ্ঠানটি ছিল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এইবার পৃথিবীর ২৫০০ এরও অধিক জায়গায় যোগের নানারকম কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের দেশে কোটি কোটি মানুষ বিভিন্ন স্থানে যোগের নানান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। এই মাসে, আমেদাবাদে আয়োজিত 'বিশ্ব যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপ' নিয়েও অনেক আলোচনা হয়েছে। এতে ভারত মোট ১১৪ টি পদক জিতেছে, যার মধ্যে ১০২টি স্বর্ণ পদক। ভারত এই চ্যাম্পিয়নশিপ এর পদক তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। আমি সমস্ত বিজয়ী খেলোয়াড়দের অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই। 

বন্ধুরা যেকোনো রাষ্ট্রের আত্মা তার নাগরিক আর যখন সেই দেশের নাগরিকরা কোন সংকল্প নেন তাকে কোন শক্তি তার লক্ষ্য থেকে সরাতে পারে না। রাষ্ট্র নির্মাণে জনতার অংশগ্রহণের এই শক্তি অনেক বড় মূলধন আর সেই জন ভাগীদারি আমরা বারবার অনুভব করছি । 

বন্ধুরা পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আমি দেশবাসীর কাছে কিছু আবেদন করেছিলাম । আমি বলেছিলাম যতদূর সম্ভব কিছু সময়ের জন্য সোনা কেনা থেকে বিরত থাকুন। তাদের বলেছিলাম বিদেশে ছুটি না কাটাতে। আমি তাদের আবেদন করেছিলাম কার পুলিং বাড়াতে। আমি কৃষকদের রাসায়নিক মুক্ত চাষের জন্য, জমি রক্ষা করতে যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক সার ব্যবহারের আবেদন করেছিলাম। বন্ধুরা আমি দেশের সমস্ত নাগরিকদের কাছে কৃতজ্ঞ যে আমার আবেদনে তাঁরা শুধু সমর্থনই করেননি বরং সহযোগিতাও করেছেন, আমাকে বহু পরিবার বার্তা পাঠিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। কত পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে বাড়ির বিয়েতে এইবার সোনার জিনিস কিনব না প্রয়োজনে পুরনো সোনা ভেঙে নতুন গহনা বানাবো। কত মানুষ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন যে কিভাবে তারা বিদেশ যাত্রা স্থগিত করেছেন । বন্ধুরা কার পুলিং নিয়েও নাগরিকরা তাদের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন । যাঁরা একই দিকে নিজের নিজের গাড়ি নিয়ে যেতেন তাঁরা এখন একসঙ্গে যাচ্ছেন। নাগরিকরা যতটা সম্ভব বাস মেট্রো ব্যবহার করছেন ।এতে পেট্রোল ডিজেল বাঁচছে। এইরকমই দেশের ভিন্ন ভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাকৃতিক সার ব্যবহার বৃদ্ধির খবর আসছে। আমি ভীষণ আনন্দিত যে আমরা ভারতীয়রা মিলিতভাবে এই বিশ্ব সংকটের মোকাবিলা করছি। আমার বিশ্বাস জন অংশগ্রহণের এই শক্তি আমাদের শক্তিশালী করবে , সফল করবে।  

আমার প্রিয় দেশবাসী, আমাদের দেশে জন্মদিন বিবাহ ইত্যাদি পারিবারিক অনুষ্ঠান হওয়ার সময় সমগ্র সমাজেরই একটা উৎসব পালন করা হয়। প্রতিটি পরিবার চায় তাদের আনন্দ অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে। মানুষ অতিথিদের উপহারও দিয়ে থাকে। বন্ধুরা, মহারাষ্ট্রের নান্দেড় - এ একটি পরিবার নিজেদের আনন্দ ভাগ করে নিতে এমন একটি কাজ করেছেন যা আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। নান্দেড় - এর বাহাদুরপুরা গ্রামে পেঠকার পরিবার বসবাস করে। এই পরিবার ভেবেছিল, যদি আনন্দ ভাগ করে নিতেই হয় তাহলে এমন কিছু দেওয়া যাক যা কঠিন সময়ে কোন পরিবারের অবলম্বন হতে পারে। নিজেদের ঘরে বিয়ের অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই পরিবার গ্রামের প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের জন্য দুর্ঘটনা-বীমার ব্যবস্থা করেছে। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য এক লক্ষ টাকার বীমা কভার দেওয়া হয়েছে এই প্রয়াসের নেপথ্যে যে ভাবনা কাজ করেছে তা গভীরভাবে মনকে ছুঁয়ে যায়। সেই পরিবারটি দেখেছিল যে দুর্ঘটনার পরে পরিবারগুলিকে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এই সময় একটা ছোট সাহায্যও অত্যন্ত বড় অবলম্বন হয়ে ওঠে। বন্ধুরা, সরকার দেশের কোটি কোটি পরিবারের কাছে সুরক্ষা কবচ পৌঁছে দিচ্ছে। "প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা" - এর মাধ্যমে মাত্র কুড়ি টাকার বার্ষিক প্রিমিয়াম দিয়ে অর্থাৎ এক বছরে কুড়ি টাকা প্রিমিয়াম দিয়ে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দুর্ঘটনা বীমা পাওয়া যায়। এখনো পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৫৮ কোটিরও বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছেন। তার মধ্যে প্রায় ২৮ কোটি আমাদের মা-বোন মেয়েরা রয়েছেন, মহিলারা রয়েছেন। এখনো পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী এই প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারগুলি ৩৭০০ কোটি টাকারও বেশি সাহায্য পেয়েছেন। বন্ধুরা, অনুরূপভাবে "প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা"ও একইরকম গুরুত্বপূর্ণ। কোন ব্যক্তির দুঃখজনক মৃত্যু হলে এই প্রকল্প তার পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা বীমার কভার দেয়। এর বার্ষিক প্রিমিয়াম মাত্র ৪৩৬ টাকা। অর্থাৎ একদিনের হিসেবে দেড় টাকারও কম। এই প্রকল্পে এখনো পর্যন্ত ২৭ কোটিরও বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ১১ লক্ষ পরিবার প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার সাহায্য পেয়েছেন। এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এর নেপথ্যে লক্ষ লক্ষ পরিবারের নিজের নিজের কাহিনী রয়েছে। কোথাও কোনো মা তার সন্তানের পড়াশোনা চালু রাখার জন্য সহায়তা পেয়েছেন, কোথাও কোনো স্ত্রী সংসারের দায়িত্ব সামলানোর ক্ষেত্রে সাহায্য পেয়েছেন। বন্ধুরা, বহুক্ষেত্রে খুব বড় কোনো সুরক্ষার সূচনা খুব ছোট টাকার অংকে এবং একটা ছোট্ট পদক্ষেপ দ্বারাও হতে পারে। একটা ছোটো সিদ্ধান্ত অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারে। আপনাদের সবার কাছে আমার আবেদন নিজেদের পরিবারের সঙ্গে এই প্রকল্পগুলির তথ্য অবশ্যই ভাগ করে নিন।   

আমার প্রিয় দেশবাসী, মন কি বাতে এবারে বলবো এমন একটি বিষয়ের কথা যা হাজার হাজার বছর পুরনো, হাজার হাজার বছর ধরে মানব সমাজে তা রীতিমত জাঁকিয়ে বসে আছে। সেই বিষয়টি হলো অন্ধবিশ্বাস। অনেক ক্ষেত্রেই অন্ধবিশ্বাস শুধুমাত্র একটি ভ্রান্ত ধারণা নয়, সেটি ভয়ের জন্ম দেয়। আর মনে যখন ভয় বাসা বাঁধে তখন মানুষ সত্যকে দেখা বন্ধ করে দেয়। অন্ধবিশ্বাসে নিমজ্জিত মানুষ তখন বিনা যুক্তিতে, সত্য না জেনে এমন সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করে যাতে বড় ক্ষতি হয়ে যায়। সেই সমাজেই এমন মানুষও থাকেন যারা বিজ্ঞান, অভিজ্ঞতা আর যুক্তির ভিত্তিতে সেই ধারণাগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। অন্ধবিশ্বাস থেকে বিশ্বাস পর্যন্ত এই যাত্রা সহজ নয়, আর আজ আমি এমনই এক সফল যাত্রার বিষয়ে আপনাদের অবশ্যই জানাতে চাই।  

বন্ধুরা, অসমে এক ধরনের পাখি পাওয়া যায়। সেই পাখির নাম হাড়গিলা। হাড়গিলা একটি দুর্লভ পাখি। এটি প্রকৃতিকে পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু অসমের কিছু অঞ্চলে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত একে অশুভ মনে করা হতো। মানুষ তাকে নিজেদের আশেপাশে দেখতে পছন্দ করতেন না। যে সমস্ত গাছে হাড়গিলা বাসা তৈরি করে সেইসব গাছও প্রায়শই কেটে দেওয়া হতো। ভাবুন, এমন এক পাখি যে পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করে, সেই হাড়গিলা মানুষের ভয়ের শিকার হয়ে উঠেছিল। ইতিমধ্যে জীববিজ্ঞানী পূর্ণিমা দেবী বর্মন এই সব ঘটনা পর্যবেক্ষণ করলেন। তিনি মানুষের মনে বাসা বেঁধে থাকা ভ্রান্ত ধারণা বদলানোর সংকল্প নিলেন। উনি মহিলাদের সঙ্গে কথা বললেন, মানুষকে বিজ্ঞানভিত্তিক যুক্তি দিয়ে বোঝালেন। ধীরে ধীরে মহিলারা এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত হতে থাকলেন। অবশেষে এক বড় পরিবর্তন শুরু হল। যে পাখিকে কখনো অশুভ ভেবে তাড়িয়ে দেওয়া হতো, সেই পাখিই গ্রামের পরিচয় হয়ে উঠলো। হাজার হাজার গ্রামীণ মহিলারা হাড়গিলাকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে এলেন। আজ তারা "হাড়গিলা আর্মি" নামে পরিচিত। এই মহিলারা সমাজের সঙ্গে লড়াইও করেছিলেন। সমাজকে বোঝানোর জন্য দিনরাত তারা কাজ করেছেন এবং অন্ধবিশ্বাসকে পিছনে ফেলে এসেছেন। তারা দেখিয়েছেন, যখন সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া যায় তখন বহু বছরের পুরনো ভাবনাও বদলাতে পারে।   

বন্ধুরা আমি প্রায়ই বলি যাঁরা খেলাধুলা করেন, তাঁরাই প্রস্ফুটিত হন। বর্তমানে দেশে এমন যুবাদের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে যাঁরা খেলাধুলা করছেন এবং প্রস্ফুটিত হচ্ছেন। আগের থেকে এখন বেশি সংখ্যক যুবা খেলাধুলাকে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। আমি নাগাল্যান্ডের এমন দুটি বিশেষ প্রচেষ্টার কথা জানতে পেরেছি যা অত্যন্ত চমৎকার। প্রথম উদ্যোগটির নাম নাগাল্যান্ড বেবি লীগ। নামটি শুনেই আপনাদের অবশ্যই মনে হচ্ছে যে এটা খুব ছোট বাচ্চাদের জন্যে আয়োজিত কোন সাধারণ প্রতিযোগিতা, কিন্তু আসলে এমনটা নয়। এটা পাঁচ থেকে দশ-বারো বছর বয়সের ফুলের মত সুন্দর ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের একটি অসাধারণ লীগ, এটি এই বয়সের বাচ্চাদের জন্য আয়োজিত এমন ফুটবল লীগ যা ওদের গতি এবং প্রতিভাকে প্রেরণা যোগায় এবং ওদের পরিচিতি গড়তেও সাহায্য করে। এই লীগ নাগাল্যান্ডের সর্বাধিক সংখ্যক বাচ্চাদের ফুটবল খেলার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য শুরু হয়েছিল। পাঁচ থেকে বারো বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে। এই লীগ এখন তিন বছর পূর্ণ করে ফেলেছে। শিশুদের মনে এই লীগের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।   

বন্ধুরা নাগাল্যান্ডে আরও একটি এমন সুন্দর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর নাম নাগাল্যান্ড উইম্যান ফুটসল লীগ। হতে পারে আপনাদের কাছে এই ফুটসল শব্দটা নতুন আমি আপনাদের বলছি ফুটসল কে ইনডোর ফুটবলও বলা হয়। এখানে একটি টিমে কেবল পাঁচ জন খেলোয়াড় থাকে। খেলার মাঠ ও ফুটবল খেলার সাধারণ মাঠের থেকে অনেকটা ছোট হয়।। তাই খেলোয়াড়দের খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিতে হয়। নিজেদের টেকনিক এবং স্কিল এর উচ্চমানের প্রদর্শন করতে হয়। নাগাল্যান্ডের উইমেন ফুটসল লীগ আমাদের মেয়েদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুন্দর সুযোগ দিচ্ছে। এমন ধরনের উদ্যোগের জন্য আমি নাগাল্যান্ডের লোকেদের বিশেষ প্রশংসা করছি। এইসব প্রচেষ্টা দেশের অন্যান্য প্রান্তকেও প্রেরণা দেয়।    

বন্ধুরা এটা প্রযুক্তির যুগ। প্রত্যেকদিন নতুন গবেষণা হচ্ছে। নতুন নতুন এআই ইননোভেশনস এর কথা সামনে আসছে।। এই সময়ে একটা প্রশ্ন খুব গুরুত্বপূর্ণ, মানুষের সৃজনশীলতাকে কিভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়? নতুন টেকনোলজির সঙ্গে এগিয়ে চলতে চলতে আমরা নিজেদের শেকড়ের সঙ্গে কিভাবে যুক্ত থাকবো? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। হাজার হাজার বছর পুরনো আমাদের এই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় নতুন রূপে ভারতবর্ষের ভাগ্য রচনা করছে। দু'বছর আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রাঙ্গন উদ্বোধনের সুযোগ হয়েছিল আমার। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের শাস্ত্র আলোচনা পুরোনো ঐতিহ্যকে আবার নতুন রূপে জীবন্ত করে তুলেছে। আমাদের শাস্ত্র আলোচনা শুধুমাত্র নিজেদের কথা বলার মাধ্যমই নয়। এটা আমাদের বাদ- সম্বাদ এবং মন্থনের একটি সুশৃংখল প্রক্রিয়া। শাস্ত্রচর্চা তর্কের সঙ্গে, তথ্যের সঙ্গে নিজের কথা বলার প্রয়োজনীয়তা শেখায়, আর এই ক্ষেত্রে আমাদের দক্ষ হওয়া জরুরী। অন্যের চিন্তাভাবনা ধৈর্য ধরে শোনা এবং বোঝার শিক্ষাও এই শাস্ত্রচর্চার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায়। আমি অত্যন্ত খুশি যে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় এটিকে নিজেদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিবেচনা করেছে। এতে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অর্ধেকই অন্য দেশ থেকে এসেছিলেন একটি প্রাচীন ঐতিহ্যকে এখনকার সময়ের সঙ্গে এইভাবে জুড়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি এর জন্য নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক অনেক শুভকামনা জানাচ্ছি। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেও আমার আবেদন যে তারাও এমন উদ্যোগের বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করুক।  

বন্ধুরা, শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থেকে, যুবাদের নতুন প্রযুক্তির জন্য প্রস্তুত করার আরো একটি ভালো প্রচেষ্টা চলছে। দিল্লীর 'সেন্ট্রাল সংস্কৃত ইউনিভার্সিটি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স' এবং 'ডাটা সায়েন্সে ' বি-টেক প্রোগ্রাম শুরু করতে চলেছে। এটি, আধুনিক প্রযুক্তি কে ভারতের প্রথাগত জ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত করার দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে ভারতীয় ভাষা গুলির জন্য নতুন AI tools তৈরী করতে সুবিধা হবে। আমাদের প্রাচীন গ্রন্থাদি এবং পান্ডুলিপিগুলি কে digital রূপে সংরক্ষিত করার কাজ ও ত্বরান্বিত হবে। আমি 'সেন্ট্রাল সংস্কৃত ইউনিভার্সিটি' কে এই প্রচেষ্টার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা জানাচ্ছি।     

বন্ধুরা, আজ ভারতীয় সংস্কৃতি পৃথিবীর নানা প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে। আমাদের গীত, সংগীত এবং আধ্যাত্মিকতা বিষয়ে সমগ্র বিশ্বের লোক জানতে পারছে এবং আপন করে নিচ্ছে। ভারত থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার দূর ক্যারেবিয়ান সাগরে ' ডোমিনিকান রিপাবলিক ' নামের এক দেশ আছে। সেখানে ভারতীয়দের সংখ্যা প্রায় একশো বা তার থেকেও কম হবে। তা সত্বেও, ভারতীয় সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে যুক্ত এক অত্যন্ত উত্তম প্রচেষ্টা সেখানে চলছে। সেখানকার Spanish ভাষী কিছু মানুষ একটি টিম বানিয়েছেন। এই টিমের নাম 'ব্রহ্মকমল ডোমিনিকানা ' । টিমের সদস্যরা মিলে বৈদিক সাহিত্যের অধ্যয়ন করেন । তাঁরা বৈদিক মন্ত্রের উচ্চারণ ও শিখছেন। তাঁরা এর কোন ফর্মাল ট্রেনিং পান নি, কিন্তু তাঁরা audio recording শুনে বৈদিক মন্ত্রের সঠিক উচ্চারণ শিখেছেন। আজ তাঁরা অনেক মন্ত্রের জপ খুব সুন্দর ভাবে করতে পারেন।

 

এর মধ্যে আছে 'পুরুষ সুক্তম্ ', শ্রী সুক্তম্ , শ্রী রুদ্রম, দুর্গা সুক্তম্ , এবং দেবী মাহাত্যম। ভারত থেকে এত দূরে থেকেও আমাদের পরম্পরা কে শেখার ওঁদের এই প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রেরণাদায়ক। আমি 'ব্রহ্মকমল ডোমিনিকানা'র সমস্ত সদস্য দের তাঁদের প্রচেষ্টার জন্য শুভকামনা জানাচ্ছি। আমি এরকম সমস্ত মানুষদের হৃদয় থেকে প্রশংসা করি, যাঁরা ভারতীয় সংস্কৃতিকে সমগ্র বিশ্বে জনপ্রিয় করার জন্য নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।     

 

আমার প্রিয় দেশবাসী, মেঘালয়ের পরিচয় মেঘ দিয়ে, সুন্দর দৃশ্য দিয়ে। যাঁরা মেঘালয় যান, তাঁদের সেখানকার লোকেদের আন্তরিকতাও দীর্ঘদিন মনে থাকে। কিন্তু, মেঘালয়ের আরো একটি বৈশিষ্ট্য আছে, যা, আমি আজ 'মন কি বাতে' আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। এটি হল, মেঘালয়ের ' রুট ব্রিজ'। এই রুট মানে রাস্তা নয়, এই রুট হল গাছের শিকড় । এই রুট ব্রিজের গল্প টি খুব আকর্ষনীয়। এই ব্রিজ কয়েক দিন বা কয়েক বছরে তৈরী হয় না, এটি তৈরী হতে কয়েক দশক লাগে। রবার গাছের শিকড় কে আস্তে আস্তে রূপ দেওয়া হয়। এই শিকড়গুলিকে জলধারার ওপারে নিয়ে যাওয়া হয়। সময়ের সঙ্গে সেই শিকড়ের গুচ্ছ এক মজবুত ব্রিজের আকার নেয়। এই ব্রিজের আরো একটি বিশেষত্ব আছে। এটি সজীব সেতু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি আরো মজবুত হয়। এর মধ্যে মেঘালয়ের লোকেদের সৃজনশীলতা পরিলক্ষিত হয়। এর পেছনে আছে বহু বছরের ধৈর্য এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর সম্মান । এই ব্রিজ বলে দেয় মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে মিলে কতই না অদ্ভুত জিনিস নির্মাণ করতে পারে। এটি আমাদের দেশের, এই ভুমির সম্পদ। এখন ভারত মেঘালয়ের 'রুট ব্রিজ' কে UNESCO World Heritage Site Network - এ শামিল করানোর আবেদন করেছে।     

বন্ধুরা, climate change এর ফলে এই রুট ব্রিজের সামনে অনেক সমস্যাও আসে। সেসময়ে মেঘালয়ের মানুষেরা এই প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণের দায়িত্বও সুকৌশলে পালন করেছেন। প্রথমে এটা জানাও খুব সহজ ছিল না যে এধরনের ব্রিজের সংখ্যা কয়টি। স্থানীয় মানুষেরা নিজেরাই এর গণনা শুরু করেন। এর পর গোষ্ঠী গুলি এই ব্রিজ গুলির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন। আজ স্থানীয় লোকেরা একশো কুড়িটির ও বেশি রুট ব্রিজের দেখাশোনা করছেন। কিছু টিম প্রতি বছর এই ব্রিজ গুলির অবস্থা পরীক্ষা করেন। কিছু মানুষ আসেপাশের এলাকা মজবুত করার জন্য নার্সারীও তৈরী করেছেন। এর ফলে এদের সংরক্ষণের জন্য একটি পুরো ecosystem তৈরী হয়ে গেছে। আপনারা দেখে থাকবেন এই বছর 'হ্যালী ওয়ার' জী কে Padma পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। উনি নিজের জীবনের পঞ্চাশের ও বেশি বছর এই রুট ব্রিজের দেখাশোনায় ব্যয় করেছেন। ওনার এই আত্মত্যাগ আমাদের সকলের কাছে প্রেরণাদায়ক। বন্ধুরা, আপনারা কখনো এই রুট ব্রিজে গিয়ে থাকলে তার ছবি social media য় নিশ্চয়ই ভাগ করে নেবেন। আপনার ছবি অন্যদেরও মেঘালয়ের এই অনন্য সম্পদের সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করবে।   

আমার প্রিয় দেশবাসী, আমরা সবাই চাই যে আমাদের গ্রাম পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হোক , আমাদের শহর সুন্দর দেখাক। কিন্তু, কদাচিৎ ভাবা হয় আমাদের আসপাশে যে আবর্জনা জমা হয়, কে সেটা পরিস্কার করে।বেশির ভাগ লোক এটাই মনে করেন যে, এটা অন্য কারুর দায়িত্ব, আর সেই পরিস্কার করবে। কিন্তু আমাদের মাঝেই কিছু এমন মানুষ ও আছেন, যাঁরা নিজেদের ভাবনাচিন্তা দ্বারা আমাদের অনুপ্রাণিত করেন। আমার মধ্যপ্রদেশের রাজগঢ় জেলার ব্যাওড়া-র কিছু বোনেদের সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে। 

তাঁরা আশেপাশে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিক বর্জ্য সরিয়ে ফেলার সংকল্প নিলেন। তাঁরা ভাবেননি যে অন্য কেউ এসে পরিবর্তন আনবেন। তাঁরা নিজেরাই শহর জুড়ে থাকা প্লাস্টিক বর্জ্য আর খালি বোতল জড়ো করা শুরু করেন। ক্রমশ এই প্রয়াস আরও বাড়তে থাকল এবং ওই প্লাস্টিকের আবর্জনা ইকো ব্রিকসে রূপান্তরিত করা শুরু হলো। আজ এই ইকো ব্রিকস দিয়ে সর্বজনীন বিভিন্ন স্থান সুন্দর করে তোলার কাজ চলছে। গত কয়েক মাসে রাজগড়ে কয়েকশো কিলো প্লাস্টিককে পুনর্ব্যবহার যোগ্য করে যথাযথ ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে প্লাস্টিক কিছুদিন আগেও শহরে দূষণ ছড়াত, এই বোনেদের সাহায্যে আজ সেগুলিই শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছে। ব্যাওড়া-র সব বোনেদের এবং এই কাজের সঙ্গে জড়িত সমস্ত মানুষদের আমি ধন্যবাদ জানাই।    

আমার প্রিয় দেশবাসী, বেশ কিছু মানুষ আমায় চিঠির মাধ্যমে একটি বিশেষ বিষয়ে কথা বলার অনুরোধ করেছেন। গণেশ উৎসবের সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত। যদিও গণেশ উৎসবের এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি আছে, কিন্তু এই বিষয়ে এখনই কথা বলাটা জরুরি বলে তাঁরা মনে করছেন। আসলে, গণেশ মূর্তি তৈরির কাজ অনেক আগে থেকেই শুরু হয়ে যায়। মূর্তি তৈরি করেন যাঁরা,মূর্তির ব্যবসা করেন যাঁরা, তাঁরা এখন থেকেই সক্রিয়। এইজন্য আপনাদের সবার কাছে আমার একটি আবেদন। চেষ্টা করুন যাতে, আপনাদের বাড়ি, সোসাইটি অথবা এলাকায় গণেশের যে মূর্তিই আনবেন, তা যেন দেশের মাটি দিয়ে তৈরি হয়। তা যেন আমাদের স্থানীয় কুমোর বা শিল্পীদের দ্বারাই তৈরি হয়। যাঁরা গণেশজীর মূর্তি তৈরি করেন, তাদের কাছে আমার আবেদন তারা যেন মাটির মূর্তিকে অগ্রাধিকার দেন এবং যাঁরা কিনবেন, তাঁরাও যেন গণেশের মূর্তিটি কী দিয়ে তৈরি এবং কোন দেশে তৈরি তা অবশ্যই দেখে নেন। প্লাস্টার অফ প্যারিসের তৈরি মূর্তি একেবারেই কিনবেন না। বন্ধুরা, মাটির তৈরি মূর্তি পুজোর পর খুব সহজে জলে বিলীন হয়ে যায়। এতে আমাদের নদী, পুকুর এবং পরিবেশ সুরক্ষিত থাকে। এতে আমাদের আস্থাও বজায় থাকে এবং প্রকৃতির প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালিত হয়। স্থানীয় কারিগরদের কাছ থেকে মূর্তি কিনলে ভোকাল ফর লোকালের সংকল্পকে আরও সুদৃঢ় করা যায়। আমার বিশ্বাস আছে, এবারের গণেশ উৎসব এবং এমন সব উৎসবেই আমরা এমন নানা বিষয়ে গভীরভাবে ভাবব এবং, দেশহিতে পদক্ষেপ নেব।   

বন্ধুরা, আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি, আমাদের দেশবাসী। দেশের নানা প্রান্তে হয়ে চলা ছোটবড় নানা প্রয়াস আমাদের অনেককিছু শিখিয়ে দেয়। এই প্রয়াস আমাদের জানায়, যখন মনে সংকল্প থাকে, আর সমাজও হাত বাড়িয়ে দেয়, তখন যেকোনো বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। আপনারা আপনাদের আশপাশে হয়ে চলা এমন যে কোনও প্রয়াসের কথা আমায় অবশ্যই লিখে জানান। আপনার ভাবনা, আপনার পরামর্শ লিখতে থাকুন। হতেই পারে, আপনার আশপাশে ঘটে চলা কোনও ছোট্ট প্রয়াস হয়তো সমগ্র দেশের জন্যেই প্রেরণা হয়ে উঠল। সামনের মাসে আমরা আবার মিলিত হব। দেশবাসীর কোনও নতুনপ্রয়াস নিয়ে আলোচনা করব। ততদিন আপনি আপনার নিজের এবং পরিবারের খেয়াল রাখুন। আর হ্যাঁ, জলসঞ্চয় তো করতেই হবে। বৃষ্টির জলের প্রতিটি ফোঁটা আমাদের বাঁচাতে হবে। “catch the rain “ এই অভিযান একটুও হালকাভাবে নিলে চলবে না। তাই আমার বিশেষ আবেদন, বর্ষার প্রতি ফোঁটা জল আমরা সবাই মিলে বাঁচাব। অনেক অনেক ধন্যবাদ। নমস্কার।

 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Tricolour to be hoisted for first time since 1947 in 92 Bastar villages on Independence Day

Media Coverage

Tricolour to be hoisted for first time since 1947 in 92 Bastar villages on Independence Day
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister highlights India’s strong conservation efforts on World Elephant Day
August 12, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi today stated that on World Elephant Day, we celebrate the majestic elephant, which has remained an integral part of India’s ecological heritage. He expressed gladness that India is home to over 60% of the world’s wild Asian elephants.

The Prime Minister noted that our nation has 33 Elephant Reserves, which provide habitats for elephants and strengthen our efforts towards their long-term conservation. Shri Modi also expressed pride in all forest personnel, scientists, veterinarians, mahouts, and the local communities who are integral to all such efforts.

In a post on X, the Prime Minister shared:

"On World Elephant Day, we celebrate the majestic elephant which has remained an integral part of India’s ecological heritage. It is gladdening that India is home to over 60% of the world’s wild Asian elephants. Our nation has 33 Elephant Reserves, which provide habitats for elephants and strengthen our efforts towards their long-term conservation. We are also proud of all forest personnel, scientists, veterinarians, mahouts and the local communities who are integral to all such efforts."