প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নীতি আয়োগে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ‘আত্মনির্ভরতা এবং কাঠামোগত রূপান্তর : বিকশিত ভারতের বিষয়সূচি’।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ২০৪৭ এর লক্ষ্যে ভারতের যাত্রার মূল বিষয়গুলি তুলে ধরেন। বিকশিত ভারতকে জাতীয় আকাঙ্খা হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৪৭ নাগাদ উন্নত এক ভারতের লক্ষ্য অর্জনের অভিযান শুধুমাত্র সরকারি নীতিতেই সীমাবদ্ধ নেই, এর মধ্যে জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের আশা ও প্রত্যাশা। এই বিষয়টি শিক্ষা, ভোগ্যপণ্যের ব্যবহার, সারা বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ – সবক্ষেত্রেই প্রতিফলিত। সমাজের উচ্চতর আকাঙ্খা পূরণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং উপযুক্ত পরিকাঠামোর দিকগুলিও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বিচারে আরও ভাল অবস্থায় পৌঁছনো এবং সারা বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ নিবিড়তর করতে বহুক্ষেত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে আরও দ্রুতির সঙ্গে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ভারতের নীতি প্রণয়ন এবং বাজেটের বরাদ্দ হওয়া দরকার। এদেশকে অন্যতম কর্ম ও বিপণন কেন্দ্র করে তুলতে হবে।
উৎপাদন এবং পরিষেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও দক্ষতার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশল সম্পর্কে আলোকপাত করেন অর্থনীতিবিদরা। সাধারম মানুষের সঞ্চয় বৃদ্ধির মাধ্যমে কাঠামোগত রূপান্তর, বিপুল পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগের মতো বিষয়গুলি স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্ব পেয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং ডিজিটাল জন পরিকাঠামোর আরও প্রসারের ওপর তাঁরা জোর দেন।
২০২৫ সালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে একের পর এক সংস্কার সাধিত হয়েছে বলে আলোচকরা মন্তব্য করেন।এই কাজ আগামী দিনেও এগিয়ে চলবে এবং দ্রুত বিকাশশীল অর্থনীতির তকমা এই দেশ ধরে রাখতে পারবে বলে তাঁরা প্রত্যয়ী।
আলোচনায় অংশ নেন শ্রী শঙ্কর আচার্য, শ্রী অশোক কে ভট্টাচার্য, শ্রী এন আর ভানুমূর্তি, শ্রীমতি অমিতা বটরা, শ্রী সমীরণ চক্রবর্তী, শ্রী সিদ্ধার্থ সান্যাল প্রমুখ।


