Rail connectivity is expanding in Manipur: PM
We are advancing pro-poor development initiatives in Manipur: PM
A new dawn of hope and trust is rising in Manipur: PM
We are working with the goal of making Manipur a symbol of peace, prosperity and progress: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মণিপুরের চুরাচাঁদপুরে ৭,৩০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনসাধারণকে সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে মণিপুরের ভূমি সাহস এবং দৃঢ়তার ভূমি এবং মণিপুরের পাহাড়গুলি প্রকৃতির এক অমূল্য উপহার। তিনি আরও বলেন যে, এই পাহাড়গুলি মানুষের নিরন্তর কঠোর পরিশ্রমের প্রতীক। মণিপুরের জনগণের চেতনাকে অভিবাদন জানিয়ে শ্রী মোদী এত বিপুল সংখ্যক মানুষের আগমনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁদের স্নেহের জন্য ধন্যবাদ জানান।

 

এই অঞ্চলের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, বৈচিত্র্য এবং প্রাণবন্ততাকে ভারতের এক প্রধান শক্তি বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী মন্তব্য করেন যে, "মণিপুর" নামটির মধ্যেই "মণি" শব্দটি রয়েছে, যা এমন এক রত্নকে প্রতীকী করে যা আগামী দিনে সমগ্র উত্তর-পূর্বের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, ভারত সরকার মণিপুরের উন্নয়ন যাত্রাকে ত্বরান্বিত করার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন যে এই ভাবনা থেকেই তিনি আজ মণিপুরের জনগণের মধ্যে এসেছেন। শ্রী মোদী জানান যে প্রায় ৭,০০০ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে, যা মণিপুরের জনগণের, বিশেষ করে পাহাড়ে বসবাসকারী উপজাতি সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নতি করবে। তিনি বলেন যে প্রকল্পগুলি এই অঞ্চলের জন্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করবে এবং এই নতুন উদ্যোগের জন্য চুরাচাঁদপুর তথা মণিপুরের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মণিপুরের চুরাচাঁদপুরে ৭,৩০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

 

মণিপুর একটি সীমান্তবর্তী রাজ্য যেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা সর্বদা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, ভালো রাস্তার অভাবের কারণে মানুষের যে অসুবিধা হচ্ছে তা তিনি জানেন এবং তাঁদের উদ্বেগগুলি বোঝেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ২০১৪ সাল থেকে, তিনি মণিপুরে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার উপর ধারাবাহিকভাবে মনোনিবেশ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার এই সমস্যা সমাধানের জন্য দুটি স্তরে কাজ করেছে। শ্রী মোদী উল্লেখ করেছেন যে প্রথমত, মণিপুরে রেল ও সড়ক পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য বাজেট বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, কেবল শহরগুলিতে নয়, গ্রামগুলিতেও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা করা হয়েছে।

 

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, এই অঞ্চলে জাতীয় মহাসড়কে ৩,৭০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, একথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী জানান যে, ৮,৭০০ কোটি টাকার নতুন মহাসড়ক প্রকল্পগুলি দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তিনি মন্তব্য করেন যে আগে এই অঞ্চলের গ্রামগুলিতে পৌঁছানো কত কঠিন ছিল - তা জনগণ ভালোভাবেই জানেন। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এখন শত শত গ্রামে সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এর ফলে পাহাড়ি গ্রাম এবং উপজাতি সম্প্রদায়গুলি ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছে।

 

‘আমাদের সরকারের অধীনে, মণিপুরে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে, জিরিবাম-ইম্ফল রেলপথ শীঘ্রই রাজধানী ইম্ফলকে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করবে’, একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, সরকার এই প্রকল্পে ২২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নবনির্মিত ইম্ফল বিমানবন্দরটি এই অঞ্চলের বিমান যোগাযোগকে উন্নত করছে। তিনি আরও বলেন যে, এই বিমানবন্দর থেকে দেশের অন্যান্য অংশে হেলিকপ্টার পরিষেবাও চালু করা হয়েছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন যে, এই ক্রমবর্ধমান সংযোগ মণিপুরের জনগণের জন্য সুযোগ-সুবিধা উন্নত করছে এবং নবীনদের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে।

 

‘ভারত দ্রুত উন্নয়ন করছে এবং শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। আমাদের নিরন্তর প্রচেষ্টা হল উন্নয়নের সুফল দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছানো’, একথা জোর দিয়ে বলেন শ্রী মোদী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে এমন একটি সময় ছিল যখন দিল্লিতে করা ঘোষণাগুলি মণিপুরের মতো অঞ্চলে পৌঁছাতে কয়েক দশক সময় লাগত। তিনি মন্তব্য করেন যে আজ, চুরাচাঁদপুর এবং মণিপুর দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দরিদ্রদের জন্য পাকা ঘর নির্মাণের উদ্দেশে সরকার দেশব্যাপী একটি প্রকল্প চালু করেছে, মণিপুরের হাজার হাজার পরিবার এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হয়েছে, এর মধ্যে প্রায় ৬০,০০০ গৃহ ইতিমধ্যেই নির্মিত হয়েছে। শ্রী মোদী উল্লেখ করেন যে এই অঞ্চলটি আগে তীব্র বিদ্যুৎ ঘাটতির মুখোমুখি হয়েছিল। তিনি বলেন যে সরকার জনগণকে এই কষ্ট থেকে মুক্ত করার জন্য সংকল্পবদ্ধ এবং ফলস্বরূপ, মণিপুরের এক লক্ষেরও বেশি পরিবার বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে।

 

মণিপুরের মা ও বোনেরা দীর্ঘদিন ধরে জল পেতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন, একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার ‘হর ঘর নল সে জল’ প্রকল্প চালু করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত কয়েক বছরে সারা দেশে ১৫ কোটিরও বেশি নাগরিক নলের জলের সংযোগ পেয়েছেন। শ্রী মোদী আরও উল্লেখ করেন যে ৭-৮ বছর আগে, মণিপুরে মাত্র ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ পরিবারে নলের মাধ্যমে জলের ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু আজ, এই রাজ্যেরই ৩.৫ লক্ষেরও বেশি পরিবারে নলের জলের সুবিধা রয়েছে। সেজন্যে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে খুব শীঘ্রই, মণিপুরের প্রত্যেক পরিবারের ঘরে নলের মাধ্যমে জল সংযোগ থাকবে।

 

সামাজিক পরিকাঠামো নিয়ে আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, আগেকার দিনে পাহাড়ি ও উপজাতি এলাকায় ভালো স্কুল, কলেজ এবং হাসপাতাল কেবল স্বপপণের বিষয় ছিল, কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগত। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টার ফলে পরিস্থিতি এখন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং চুরাচাঁদপুরে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, সেখানে এখন নতুন ডাক্তারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যপরিষেবা উন্নত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জনগণকে এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করার আহ্বান জানান যে স্বাধীনতার পর বহু দশক ধরে মণিপুরের পার্বত্য অঞ্চলে কোনও মেডিকেল কলেজ ছিল না। তিনি নিশ্চিত করেন যে এই অর্জন বর্তমান সরকারের কারণেই সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী- দিব্য প্রকল্পের আওতায় উল্লেখ করে তিনি বলেন যে সরকার পাঁচটি পার্বত্য জেলায় আধুনিক স্বাস্থ্য -পরিকাঠামো বিকাশ করছে। শ্রী মোদী আরও বলেন যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় সরকার দরিদ্র পরিবারের জন্য ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করছে। তিনি জানান যে মণিপুরের প্রায় আড়াই লক্ষ রোগী এই প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে এই সুবিধা না থাকলে রাজ্যের দরিদ্র পরিবারগুলিকে তাদের নিজস্ব পকেট থেকে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয় করতে হত। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে পুরো খরচ ভারত সরকার বহন করেছে। তিনি আরও বলেন যে প্রতিটি দরিদ্র নাগরিকের উদ্বেগ দূর করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

 

‘মণিপুরের ভূমি এবং অঞ্চল আশা এবং আকাঙ্ক্ষার ভূমি’, প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে দুর্ভাগ্যবশত, এই উল্লেখযোগ্য অঞ্চলটি হিংসার কবলে পড়েছে। তিনি বলেন, কিছুক্ষণ আগে তিনি শিবিরে বসবাসকারী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁর আলাপচারিতার পর, প্রধানমন্ত্রী আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে মণিপুরে অতি সত্ত্বর আশা ও আস্থার এক নতুন ভোরের আগমন ঘটছে।

 

‘যে কোনো অঞ্চলে উন্নয়নের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য এবং গত এগারো বছরে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বহু দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও বিরোধের সমাধান হয়েছে’, প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন যে মানুষ শান্তির পথ বেছে নিয়েছে এবং উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। শ্রী মোদী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যে সম্প্রতি পাহাড় ও উপত্যকা অঞ্চলে বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে সংলাপ হয়েছে। তিনি বলেছেন যে, এই প্রচেষ্টাগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির অংশ, যা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সংলাপ, শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার উপর জোর দেয়। প্রধানমন্ত্রী সকল সংগঠনকে শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়া এবং তাঁদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাঁর সমর্থন নিশ্চিত করে বলেন যে, তিনি জনগণের সঙ্গে আছেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার মণিপুরের সঙ্গে আছে।

 

মণিপুরে জনগণের জীবনকে আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বলে নিশ্চিত করে শ্রী মোদী জানান যে, সরকার বাস্তুচ্যুত পরিবারের জন্য ৭,০০০ নতুন ঘর নির্মাণে সহায়তা প্রদান করছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে সম্প্রতি প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ প্যাকেজ অনুমোদিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য ৫০০ কোটি টাকা বিশেষভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

মণিপুরের আদিবাসী যুবকদের স্বপ্ন এবং সংগ্রাম সম্পর্কে তিনি ভালোভাবে অবগত আছেন বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, তাঁদের উদ্বেগ দূর করার জন্য একাধিক সমাধান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে সরকার স্থানীয় প্রশাসন সংস্থাগুলিকে শক্তিশালী করার কাজ করছে আর তাঁদের উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত তহবিলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

 

‘প্রত্যেক আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন একটি জাতীয় অগ্রাধিকার’, একথা নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, প্রথমবারের মতো, আদিবাসী অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য ধরতি আবা জনজাতিয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের আওতায়, মণিপুর জুড়ে ৫০০ টিরও বেশি গ্রামে উন্নয়নের কাজ চলছে। তিনি বলেন যে, উপজাতি এলাকায় একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। শ্রী মোদী আরও বলেন যে, মণিপুরে ১৮টি একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় নির্মিত হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, স্কুল ও কলেজের আধুনিকীকরণ পার্বত্য জেলাগুলিতে শিক্ষাগত সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

 

মণিপুরের সংস্কৃতি সর্বদা নারী ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করেছে বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন যে সরকার নারী ক্ষমতায়নের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি জানান যে, মণিপুরের মেয়েদের সহায়তা করার জন্য সরকার কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল নির্মাণ করছে।

‘আমরা মণিপুরকে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি’, একথা বলে তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বক্তব্যের শেষে বলেন যে মণিপুরের উন্নয়ন, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলির পুনর্বাসন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য, ভারত সরকার মণিপুর সরকারকে সম্ভাব্য সকল উপায়ে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে মণিপুরের রাজ্যপাল শ্রী অজয় কুমার ভাল্লা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেক্ষিত প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে ৩,৬০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগে নির্মীয়মান মণিপুর নগর সড়ক, নিষ্কাশন এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্প, ২,৫০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগে নির্মীয়মান ৫টি জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্প, মণিপুর ইনফোটেক ডেভেলপমেন্ট(এমআইএনডি) প্রকল্প, ৯টি স্থানে কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল সহ অন্যান্য প্রকল্প।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India auto retail hits record August with 24.23 lakh registrations, up 17.5%

Media Coverage

India auto retail hits record August with 24.23 lakh registrations, up 17.5%
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The Dedicated Freight Corridor is the lifeline of a rapidly developing India: PM Modi in Vadodara, Gujarat
September 08, 2026
We are strengthening India's infrastructure to move people and goods faster, create new opportunities and power economic growth: PM
The Dedicated Freight Corridor is the lifeline of a rapidly developing India: PM
From chips to ships, India is now building a new manufacturing future: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

गुजरात के राज्यपाल आचार्य देवव्रत जी, यहां के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भूपेंद्र भाई पटेल, इस कार्यक्रम में ऑनलाइन हमारे साथ अनेक राज्यों के महानुभाव जुड़े हैं। महाराष्ट्र के गवर्नर जिष्णु देव वर्मा जी, मुख्यमंत्री देवेंद्र फ़डणवीस जी, डिप्टी सीएम एकनाथ शिंदे जी, डिप्टी सीएम श्रीमती सुनेत्र पवार जी, अन्य मंत्रीगण, सांसदगण, विधायकगण और वहां पर भी इकट्ठे हुए लाखों नागरिक भाई-बहन। यहां मंच पर उपस्थित केंद्रीय मंत्रिमंडल के मेरे साथी अश्विनी वैष्णव, उपमुख्यमंत्री, युवा नेता हर्ष संघवी, गुजरात सरकार के मंत्रीगण, उपस्थित अन्य जनप्रतिनिधिगण, गुजरात के मेरे प्यारे भाइयों और बहनों।

और खास इसलिए के मेरे ब़डौदा के महाराजा सयाजीराव यूनिवर्सिटी का ये मैदान अलग-अलग फील्ड में काम करने वाले सभी साथियों का साथ और विकास का ये उत्सव, यहां सबकुछ एक साथ हो रहा है।

साथियों,

आज मैं विकसित भारत की यात्रा को और गति देने के लिए आपके बीच आया हूं। थोड़ी देर पहले यहां देश के विकास से जुड़े हज़ारों करोड़ रुपए के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। मैं देश की जनता को बहुत-बहुत बधाई देता हूं। इस विकास पर्व पर आप सभी ने जिस सेवा भाव से और सेवा भाव के साथ पूरे वडोदरा शहर में स्वच्छता से स्वागत अभियान चलाया है, इसके लिए मैं वड़ोदरा के हर एक नागरिक को ह्दय से बहुत-बहुत बधाई देता हूं, उनकी सराहना करता हूं। और ये जो आपने रंग दिखाया ना, मैं कल एक वीडियो देख रहा था, सीना चौड़ा हो गया, वाह! क्या ये मेरा वडोदरा है? और अब तो गणेशोत्सव की तैयारी, बाद में नवरात्रि। और गणेशोत्सव और नवरात्रि पूरा गुजरात का ध्यान वडोदरा पर होता है। और आज आपने, मैं देख रहा था पिछले एक सप्ताह से हर परिवार में वातावरण बन गया है स्वच्छता का। मुझे लगता है कि इस बार जब गणेश जी पधारेंगे ना, सारे आशीर्वाद वड़ोदरा पर बरसने वाले हैं।

साथियों,

इस वर्ष लाल किले से मैंने विकसित भारत के लिए संकल्प की सप्तधारा का आह्वान किया है। इस सप्तधारा में एक धारा गतिशक्ति की भी है। विकसित भारत के लिए हमें ऐसी कनेक्टिविटी चाहिए, जो सुगम भी हो और जमाने के हिसाब से जरा तेज भी हो। वड़ोदरा तो गतिशक्ति यूनिवर्सिटी का शहर है। आज यहां से डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर की आखिरी कड़ियां भी जुड़ गई हैं। आज 2800 किलोमीटर से अधिक का डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर प्रोजेक्ट पूरा हो गया। ये 21वीं सदी के भारत के लिए बहुत ऐतिहासिक कार्य संपन्न हुआ है।

साथियों,

ये डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, इस बात का साक्षी है कि बीते 12 साल में देश की काम करने की संस्कृति कैसे बदली है। इस डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर पर 2004 में विचार शुरू हुआ था। यानी, यहां मैं सारे नौजवान देख रहा हूं, जब इसका विचार शुरू हुआ, आप में से बहुत लोग होंगे जिनका जन्म भी नहीं हुआ होगा, उस समय शुरू हुआ था। 2006 में एक विशेष कंपनी बनाई गई इस काम को करने के लिए और फिर 2014 तक फाइलें ही यहां से वहां होती रहीं। फाइलें टेबल पर यात्रा कर रही थी और दुर्भाग्य देखिए, इन फाइलों को भी कोई डेडिकेटेड कॉरिडोर नसीब नहीं हुआ, फाइल को भी नहीं नसीब हुआ। फाइलें अटकती थीं, लटकती थीं, भटकती थीं। और 2014 में वड़ोदरा के और गुजरात के और देश के लोगों ने मुझे गुजरात से निकाल करके दिल्ली भेज दिया। पहले वाली सरकार 2000 तक रही। आपने मुझे भेजा और उनकी विदाई हुई, और सच्चाई ये थी कि सात-आठ वर्ष में, जरा मेरे नौजवान सुन लीजिए, ये याद रखिए, सात-आठ वर्ष में एक किलोमीटर फ्रेट कॉरिडोर पर भी काम पूरा नहीं हो पाया था। अगर उनके हिसाब से देश चलाते, तो पता नहीं आपके बाद तीन-चार पीढ़ियां आती, तो भी नहीं होता। भारत के लॉजिस्टिक्स इकोसिस्टम को ट्रांसफॉर्म करने वाले प्रोजेक्ट की ये हालत करके रखी थी।

साथियों,

2014 के बाद आपने जो मुझे शिक्षा-दीक्षा दी थी, इस धरती ने मुझे जो सिखाया था, आपके पास से जो लेसन लेके मैं दिल्ली पहुंचा था, हमने वहां पहुंचते ही इसको गति देने का काम प्रारंभ कर दिया। 2800 किलोमीटर के कॉरिडोर का काम आज पूरा करके दिखाया। और आज ईस्टर्न और वेस्टर्न डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, देश के व्यापार-कारोबार का मुख्य आधार बन रहा है।

साथियों,

डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर, तेजी से विकसित होते भारत की जीवन रेखा है। इसने भारत के ट्रांसपोर्टेशन सेक्टर का कायाकल्प कर दिया है। पहले पैसेंजर ट्रेन जिस ट्रैक पर चलती थी, उसी ट्रैक पर मालगाड़ी भी चलती थी। यानि ट्रैवल और ट्रांसपोर्ट, दोनों धीमा था। लेकिन, डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर ने इस स्थिति को बदल दिया है। आज पूर्वी और पश्चिमी फ्रेट कॉरिडोर्स पर हर रोज़ 430 से ज्यादा मालगाड़ियां चलती हैं, प्रतिदिन 430 मालगाड़ी। और पहले जो मालगाड़ी, साढ़े 6 घंटे में 100 किलोमीटर का सफऱ तय करती थी और अब वही मालगाड़ी आधे से भी कम समय में 100 किलोमीटर का सफर तय कर लेगी। जिस जगह पर ट्रक से सामान भेजने में सामान्य तौर पर 30 घंटे लगते हैं, डेडिकेटेड फ्रेट कॉरिडोर पर यही दूरी 10-12 घंटे में पूरी हो जाती है। यानि, इस कॉरिडोर पर मालगाड़ी के चलने से ट्रक और ट्रेन में लगने वाला फ्यूल बचता है, किराया-भाड़ा का खर्च कम हुआ है, समय बचा है, पर्यावरण को फायदा हुआ है। यानि, इन्वेस्टमेंट एक ट्रैक पर किया और फायदे अनेक सारे हुए हैं।

साथियों,

इस फ्रेट कॉरिडोर से पूर्वी और पश्चिमी भारत के किसानों की उपज अब तेज़ी से बड़े बाज़ार तक पहुंच पा रही है। कई तरह के फूल, कई तरह की सब्जियां, कई तरह के फल, यानि जो चीजें मौसम के हिसाब से जल्दी खराब होती हैं, उनके लिए भी सही समय पर मंडियों और लोगों के बीच पहुंचने का रास्ता बना है। इससे किसान का बहुत बड़ा फायदा हुआ है।

साथियों,

ये फ्रेट कॉरिडोर एक और वजह से कमाल का है। हाल ही में JNPT मुंबई, JNPT पोर्ट से वड़ोदरा तक Double स्टैक Container मालगाड़ी का संचालन किया गया है। यानि डिब्बे के ऊपर एक और डिब्बा लगाकर मालगाड़ी को चलाया गया। इस मालगाड़ी के चलने से एक बार में ही 250 से अधिक ट्रकों के बराबर का सामान मुंबई से वड़ोदरा चला आया, 250 ट्रक। अब ये जो नाराज फूफा जी है, वो चिल्लाएंगे कि ट्रक वालों का क्या होगा? ट्रक कहां जाएंगे? जिन्होंने ट्रक खरीदा है, उनका क्या होगा? अब फूफा जी को काम मिल गया। यानि अब बड़ी मात्रा में सामान तेजी से देश के एक कोने से दूसरे कोने तक पहुंच पाएगा।

साथियों,

फ्रेट कॉरिडोर के साथ-साथ अब भारत में रेल वहां भी पहुंच रही है, जहां इतने दशकों तक नहीं पहुंची थी। गुजरात हो, मध्य प्रदेश हो, महाराष्ट्र हो, यहां जो आदिवासी क्षेत्र हैं, वो भी इस प्रोजेक्ट के द्वारा रेल से जुड़ रहे हैं। पहले की सरकार में बजट में एक-दो ट्रेनों की घोषणा होती थी और उसके भी साल भर ढोल पीटे जाते थे। जबकि आज देश में साल भर एक के बाद एक नई ट्रेनें चलाई जा रही हैं। आज भी इस कार्यक्रम में कई नई ट्रेन शुरु हुई हैं। नई ट्रेन से वड़ोदरा, छोटा उदयपुर और अलीराजपुर के लोगों को बहुत सुविधा होगी।

साथियों,

रोड, रेल, मेट्रो, एयरपोर्ट, गैस पाइपलाइन, गरीबों का घर, जब देश में करोड़ों लोगों के लिए ये चीजें बनती हैं, तो इससे लोगों का जीवन आसान होता है और साथ ही छोटे से बड़े कामगार को रोजगार के लाखों-लाख अवसर मिलते हैं। आप रेलवे का ही देखिए, इस वर्ष का रेल बजट पौने तीन लाख करोड़ रुपए से अधिक रहा है। जो 12 वर्ष पहले की तुलना में कई गुणा अधिक है। यानि रेलवे के आधुनिकीकरण पर हो रहा खर्च, हज़ारों हज़ार नए रोजगार बना रहा है। और ये रोजगार कंस्ट्रक्शन के दौरान तो बनता ही है। एक बार रोड, रेल, पाइपलाइन, पोर्ट, एयरपोर्ट बन गया, तो फिर उसके आसपास नए उद्योग लगना शुरू हो जाते हैं, नए बिजनेस आते हैं, ये फिर नए रोजगार बनाते हैं। वहां कुछ लोग, वो बेटी चित्र लेकर कब से खड़ी है, वो सज्जन भी कुछ कला लेकर के आए हैं। जरा हमारे साथी उसको कलेक्ट कर लें। ये आगे पहुंचा दीजिए, हां। एक और भी है कोई, हां, ले लीजिए। आपका बहुत-बहुत धन्यवाद।

साथियों,

मैंने देश के सामने विकसित भारत की जिन सप्तधाराओं का विजन रखा है, उनमें एक धारा मैन्युफैक्चरिंग की भी है। और वड़ोदरा शहर, इसकी ताकत अच्छे से जानता भी है, समझता भी है। एजुकेशन, स्किल और इंडस्ट्री का कोलैब कैसे होता है, ये वड़ोदरा करीब डेढ़ सौ साल से इसका प्रतिबिंब है। दशकों पहले, यहां टेक्स्टाइल और टाइल्स के निर्माण से एक यात्रा शुरु हुई थी, जो बाद में ऑयल और पेट्रोकेमिकल्स के साथ आगे बढ़ी। पिछले दो-ढाई दशक में वड़ोदरा MSMEs का एक बड़ा हब बन गया है। और मुझे याद है, जब मैं नया-नया मुख्यमंत्री बना था, तो वड़ोदरा का मेरे पर स्पेशल अधिकार रहा है हमेशा, तो हर हफ्ते कोई ना कोई डेलीगेशन आता था। बस हमारे वड़ोदरा में कुछ मैन्युफैक्चरिंग का हो, मैन्युफैक्चरिंग का हो, क्योंकि यहां पर आते थे, तो या तो ज्योति या एलएमबी या तो जीएसएफसी, यही सब दिखता था और कुछ सुनता नहीं देता। आज कहां से कहां बदल गया है। अब तो ये शहर देश के पहले मेड इन इंडिया मिलिट्री ट्रांसपोर्ट एयरक्राफ्ट के लिए भी जाना जा रहा है। C-295 एयरक्राफ्ट की पहली फ्लाइट यहां आसमान देख चुकी है। मैं वड़ोदरा के लोगों को ये गौरव पाने के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

जब देश की मैन्युफैक्चरिंग की बात हो रही है, तो मैं एक और आंकड़ा बताना चाहता हूं। बीते एक दशक में भारत रेल कोच-मेट्रो कोच बनाने का, रेल इंजन बनाने का भी एक बड़ा निर्माता बना है। 2014 के बाद से अब तक, भारत ने करीब 50 हज़ार, ये आंकड़ा सुनिए, 2014 के बाद भारत ने अब तक 50 हज़ार आधुनिक रेलवे कोच बनाए हैं। पुरानी सरकार 10 साल में 50 हजार टॉयलेट नहीं बना सकती थी। 50 हजार आधुनिक कोच तो किए ही हैं, करीब ढाई लाख वेगन, मालगाड़ी के लिए जो वेगन होते हैं, भारतीय रेल में जोड़े गए हैं, ढाई लाख।

साथियों,

अब भारत चिप से लेकर शिप तक, निर्माण की एक नई गाथा लिख रहा है। यानि पुर्जे भी हमारे और प्रोडक्ट भी हमारा, आत्मनिर्भरता की एक पूरी चेन भारत में ही बनेगी। और ये हम सोलर पावर के मामले में देख रहे हैं। जैसे कडाणा डैम पर जो फ्लोटिंग सोलर प्लांट का प्रोजेक्ट है, कुछ साल पहले तक देश में सोलर प्रोजेक्ट्स लगाने बहुत महंगे पड़ते थे। क्योंकि पीवी मॉड्यूल से लेकर, हर प्रकार का हार्डवेयर इंपोर्ट करना पड़ता था। लेकिन बीते वर्षों में हमने भारत में ही पीवी मॉड्यूल बनाने शुरु किए। और आज हम इसमें 200 गीगावॉट से ज्यादा की कैपेसिटी विकसित कर चुके हैं। और ऐसी ही आत्मनिर्भरता के कारण आज पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना का विस्तार हो रहा है। अब तक देश में 55 लाख परिवार अपने छत पर, टेरेस पर सोलर प्लांट लगा चुके हैं। और इसमें 11 लाख परिवार हमारे गुजरात के हैं। यहां इतने सारे परिवार, बिजली उत्पादक बन चुके हैं और इसके कारण, प्रोडक्शन से लेकर इंस्टॉलेशन और सर्विस तक, कितने ही युवाओं को रोजगार मिला है, कितने नए वेंडर्स आए हैं।

साथियों,

‘झूठ की गूंज’ से भरमाने वाले तो हर चौराहे पर मिल जाएंगे, लेकिन भारत का नौजवान सच की हुंकार से चलता है, सच की हुंकार के साथ चलता है, सच की हुंकार के लिए चलता है। हमारे युवा साथी ये देख रहे हैं कि आज देश में सोलर हो, विंड हो, हाइड्रो हो, न्यूक्लियर हो, सारे सेक्टर्स पर सरकार कितना फोकस से काम कर रही है।

साथियों,

आने वाले दौर में हर आधुनिक सेक्टर बिजली से ही चलेगा, इलेक्ट्रिक इकोसिस्टम पर निर्भर होगा। जैसे चिप इंडस्ट्री है, डेटा सेंटर और AI से जुड़ी इंडस्ट्री है, इनका खाद पानी बिजली ही है। इसलिए अगर हमें AI में दुनिया के सामने सुपर पावर बनना है, तो देश को उसकी तैयारी, उसका इकोसिस्टम भी बनाना होगा। यही काम भारत ग्राउंड पर कर रहा है। तभी किसी देश से यूरेनियम के लिए समझौते हो रहे हैं, किसी से क्रिटिकल मिनरल्स और रेयर अर्थ मिनरल्स को लेकर समझौते किए जा रहे हैं। ये सारी मेहनत देश के युवाओं का फ्यूचर सुरक्षित करने के लिए दिन-रात मेहनत करके की जा रही है, आपके भविष्य के लिए किया जा रहा है।

साथियों,

दुनिया तेज़ी से बदल रही है, तो दुनिया की ज़रूरतें भी बदल रही हैं और इसी प्रकार हमारी पढ़ाई-लिखाई के तौर-तरीके भी बदल रहे हैं। पहले फोकस सिर्फ डिग्री पर होता था, लेकिन अब डिग्री के साथ-साथ स्किल पर भी फोकस है, स्किल का महत्मय बढ़ रहा है। नौजवानों के पास स्किल हो और वो स्किल समय-समय पर अपग्रेड हो, एक बड़ी जरूरत बन गई है। और इसीलिए, आज हम अपनी शिक्षा नीति को, शिक्षण और ट्रेनिंग के संस्थानों को नए रूप में ढाल रहे हैं। और इसी भाव के साथ ही मैंने लाल किले से भी युवाशक्ति के लिए दो बड़ी घोषणाएं की हैं। पहली घोषणा, देश की पारंपरिक ज़रूरत से जुड़ी है। आप सब जानते हैं कि हमारे यहां लाखों नौजवान ऐसे हैं, जो प्रतियोगी परीक्षाओं की तैयारी करते हैं। हर साल, हमारे मिडिल क्लास परिवारों की कमाई का एक बड़ा हिस्सा इन बच्चों की कोचिंग पर खर्च हो जाता है। हमारी कोशिश है कि गरीब और मिडिल क्लास के ऐसे बच्चों की, परिवारों के पैसे की बचत हो। और इसीलिए अब सरकार स्टूडेंट्स को ऑनलाइन फ्री-कोचिंग व्यवस्था देने की दिशा में आगे बढ़ रही है। और हिंदुस्तान के बेस्ट टीचर के द्वारा उनके कोचिंग हो। हमारे जो नौजवान, अपनी तैयारी कर रहे हैं, उनकी कोचिंग का ध्यान सरकार खुद रखेगी।

साथियों,

भारत के नौजवानों को AI में पारंगत होना उतना ही जरूरी है। हम चाहते हैं कि हमारे नौजवानों की पीढ़ी AI के लिए तैयार हो। ऐसा नहीं है, AI सीखने वालों की जरूरत सिर्फ आईटी सेक्टर में है, अगर कोई इस स्किल को जानता है, तो वो खेती के लिए नया AI solution बना सकता है। आरोग्य के क्षेत्र में technology विकसित कर सकता है। Manufacturing की productivity बढ़ा सकता है। Robotics में अपना startup शुरू कर सकता है। इसलिए जरूरी है कि हमारे पास देश और दुनिया की इंडस्ट्री के लिए AI को समझने वाले और AI का इस्तेमाल करने वाले युवा हों। सरकार इसके लिए एक बड़ा अभियान शुरू करने जा रही है।

साथियों,

भारत का ये कालखंड अभूतपूर्व है। ये भारत की युवाशक्ति का उत्कर्ष काल है, ये समय फिर भारत के जीवन में लौटकर नहीं आएगा। और इसलिए, हमें 2047 में विकसित भारत के लक्ष्य को सर्वोपरि रखना है। हमें भारत को विकसित बनाकर ही रहना है। इसी आह्वान के साथ, एक बार फिर आप सभी को विकास कार्यों की बहुत शुभकामनाएं।

अब मेरा एक काम करना पड़ेगा वडोदरा वालों को, करेंगे? पक्के तौर पर? आप सबने वड़ोदरा को इतना स्वच्छ बना दिया, कितनी मेहनत करनी पड़ी। मैं देख रहा था, हमारे नौजवान दिन-रात सफाई में लगे हुए थे। लेकिन एक बार हम तय करें कि अब हम वडोदरा को गंदा होने ही नहीं देंगे। मैं खुद गंदगी नहीं करूँगा, ये संकल्प लें, तो वडोदरा गंदा होगा? वडोदरा गंदा होगा? तो दिवाली ऐसी चकाचक जाएगी या नहीं, नवरात्रि शानदार जाएगी या नहीं, गणेशोत्सव में चार चाँद लगेंगे या नहीं, तो इतना काम तो हो जाएगा।

शाबाश।

धन्यवाद।

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!