“বিনা শোধনাগারে পেট্রো কেমিক্যাল চত্ত্বরের” ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন
ইন্দোর-এ ২টি আইটি পার্ক এবং রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ৬টি নতুন শিল্প পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে
“আজকের এই প্রকল্পগুলি মধ্যপ্রদেশের জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণের পরিচায়ক”
“যে কোন দেশ বা রাজ্যের উন্নয়নের জন্য প্রশাসনের স্বচ্ছ হওয়া এবং দুর্নীতিমুক্ত হওয়া জরুরি”
“ভারত দাসত্ব মনোবৃত্তি পিছনে ফেলে এসেছে এবং স্বাধীনতার আত্ববিশ্বাস নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে”
“জি২০র বিশেষ সাফল্য ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সাফল্য”
“রানী দুর্গাবতীর ৫০০তম জন্মবার্ষিকী বিশেষ উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে ৫ অক্টোবর পালন করা হবে”
“‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’এর মডেল এখন সমগ্র বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে”
নর্মদা পূরণ জেলায় একটি বিদ্যুৎ এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি প্রস্ততকারক অঞ্চল, ইন্দোর-এ দুটি আইটি পার্ক, রথলম-এ একটি মেগা শিল্পপার্ক এবং মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানে ৬টি নতুন শিল্পক্ষেত্র তৈরি করা হবে।
“মধ্যপ্রদেশের উন্নয়নের জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতির পরিচায়ক এটি” বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নর্মদা পূরণ, ইন্দোর এবং রথলাম-এই প্রকল্পগুলি মধ্যপ্রদেশের শিল্প ক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করবে এবং এর সুফল লাভ করবেন সকলে।
আগামী কয়েক বছরে মধ্যপ্রদেশ শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে বলেও তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
কোনোও বোনই যেন গ্যাস সংযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হন তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মধ্যপ্রদেশের বিনাতে ৫০ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (বিপিসিএল)এর বিনা শোধনাগারে পেট্রো কেমিক্যাল কমপ্লেক্স প্রকল্প। ৪৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এটি তৈরি করা হবে। নর্মদা পূরণ জেলায় একটি বিদ্যুৎ এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি প্রস্ততকারক অঞ্চল, ইন্দোর-এ দুটি আইটি পার্ক, রথলম-এ একটি মেগা শিল্পপার্ক এবং মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানে ৬টি নতুন শিল্পক্ষেত্র তৈরি করা হবে। 

 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বুন্দেলখণ্ড যোদ্ধাদের ভূমি। তিনি এক মাসের মধ্যেই মধ্যপ্রদেশের সাগর সফরের কথা উল্লেখ করেন এবং এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য মধ্যপ্রদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সন্ত রবিদাস জি’র স্মরণে যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছিল সেখানে যোগদানের কথাও স্মরণ করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের প্রকল্পগুলি এই অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন শক্তি যোগাবে। এই প্রকল্পগুলির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অর্থ অনেক রাজ্যের বাজেটের থেকেও বেশি। “মধ্যপ্রদেশের উন্নয়নের জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতির পরিচায়ক এটি” বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

 

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আজাদি কা অমৃতকালে দেশের প্রত্যেক নাগরিক ভারতকে উন্নত দেশে পরিবর্তন করার শপথ নিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমদানি কমানো বিশেষ জরুরি। পেট্রোল, ডিজেল এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের জন্য বিদেশের ওপর ভারতের নির্ভরশীলতা উল্লেখ করেন তিনি। বিনা শোধনাগারে পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি তৈরি হলে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ভারত আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। তিনি পাইপ, কল, আসবাবপত্র, গাড়ির যন্ত্রাংশ, চিকিৎসা সামগ্রী, প্যাকেট করার সামগ্রী এবং কৃষি সামগ্রীর উদাহরণ দিয়ে বলেন, এই পণ্যগুলি তৈরিতে পেট্রোকেমিক্যালের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

 

শ্রী মোদী বলেন, “বিনা শোধনাগারের পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স এই অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা নেবে।” এখানে শুধুমাত্র নতুন শিল্প গড়ে উঠবে তাই নয়, ক্ষুদ্র চাষি এবং উদ্যোগপতিরাও লাভবান হবেন। যুবক-যুবতীদের জন্য হাজার হাজার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রের গুরুত্ব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ ১০টি নতুন শিল্প প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে। নর্মদা পূরণ, ইন্দোর এবং রথলাম-এই প্রকল্পগুলি মধ্যপ্রদেশের শিল্প ক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করবে এবং এর সুফল লাভ করবেন সকলে।

যেকোন দেশ বা রাজ্যের উন্নয়নে দুর্নীতিমুক্ত শাসন ব্যবস্থা ও স্বচ্ছতার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি সময় ছিল যখন মধ্যপ্রদেশকে দেশের অন্যতম দুর্বল ও ভঙ্গুর রাজ্য হিসেবে গণ্য করা হত। “দশকের পর দশক ধরে যারা মধ্যপ্রদেশ শাসন করেছেন তাঁরা দুর্নীতি ও অপরাধ ছাড়া আর কিছুই দেননি”- বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যে অপরাধীরা কীভাবে ঘুরে বেড়াত সেই প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, এই পরিস্থিতির জন্যই রাজ্যে এতদিন কোনও শিল্প ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে। এই সরকারের সাফল্যের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনর্বহাল থেকে শুরু করে মানুষের মনের ভয় দূর করা, নতুন সড়ক নির্মাণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ-এর মতো কাজ দ্রুত গতিতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা রাজ্যে সদর্থক পরিবেশ গড়ে তুলেছে। যার ফলে বর্তমানে বড় শিল্পসংস্থাগুলি এই রাজ্যে তাদের কারখানা গড়ে তুলতে প্রস্তুত। আগামী কয়েক বছরে মধ্যপ্রদেশ শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে বলেও তিনি আশাপ্রকাশ করেন। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নতুন ভারত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ‘সবকা প্রয়াস’-এর সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে চলার পাশাপাশি দাসত্বের মানসিকতা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য তিনি যে আহ্বান জানিয়েছিলেন তার উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, “ভারত দাসত্বের মানসিকতাকে পিছনে ফেলে বর্তমানে স্বাধীনতার আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে।” সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া জি২০র সময়ে এটি যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সকলে এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ভারতের সাফল্যে সকলেই গর্ব অনুভব করছেন। জি২০ এই অভূতপূর্ব সাফল্যের কৃতিত্ব দেশবাসীকে দেন শ্রী মোদী। তিনি বলেন, “এটি ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সাফল্য।” তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলি বিদেশ থেকে প্রতিনিধিদের সামনে ভারতের বৈচিত্র ও ক্ষমতাকে দারুণভাবে তুলে ধরেছে। খাজুরাহো, ইন্দোর এবং ভূপাল-এ জি২০ কর্মসূচির প্রভাবের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, এর মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বের চোখে মধ্যপ্রদেশ সম্পর্কে ধারণা উন্নত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে নতুন ভারত সমগ্র বিশ্বকে একত্রিত করার বিশেষ ক্ষমতা দেখাচ্ছে এবং বিশ্বমিত্র হয়ে উঠছে। অন্যদিকে এমন কিছু সংস্থা রয়েছে যারা দেশ এবং সমাজকে বিভক্ত করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। সম্প্রতি গড়ে ওঠা জোট সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের নীতি কেবলমাত্র ভারতের মূল্যবোধকে আক্রমণ করার মধ্যে এবং হাজার হাজার বছর পুরনো নীতি ও ঐতিহ্যকে ধ্বংস করার মধ্যে সীমাবদ্ধ। নব গঠিত জোট সনাতনকে বিলুপ্ত করতে চায় বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সমাজসেবার মাধ্যমে দেশের বিশ্বাস রক্ষাকারী দেবী অহল্যাবাই হোলকার, ব্রিটিশকে চ্যালেঞ্জ জানানো ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাই এবং ভগবান শ্রী রাম থেকে উদ্বুদ্ধ হওয়া অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা মহাত্মা গান্ধী, সমাজের বিভিন্ন খারাপ দিক সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা স্বামী বিবেকানন্দ ভারত মাতাকে রক্ষার উদ্যোগ গ্রহণকারী লোকমান্য তিলক-এর কথা স্মরণ করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সনাতন-এর ক্ষমতা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করেছে। যারা এই সনাতনকে ভাঙতে চায় তাদের সতর্ক করে দিয়ে শ্রী মোদী বলেন, দেশের জনগণ একত্রিতভাবে এই ধরনের সমস্যার মোকাবিলা করবেন। 

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সরকার জনসেবার জন্য দেশের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের মূল মন্ত্র হচ্ছে পিছিয়ে পড়া মানুষকে প্রাধান্য দেওয়া। অতিমারীর সময় যেভাবে ৮০ কোটি জনগণকে বিনামূল্যে রেশন দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে সে কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অবিরাম প্রচেষ্টার ফলে মধ্যপ্রদেশ বর্তমানে উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই রাজ্যের প্রত্যেক পরিবারের জীবনযাত্রা সহজ হয়েছে, প্রতিটি বাড়িতে এসেছে সমৃদ্ধি। এটি মোদীর প্রতিশ্রুতির এক অনন্য উদাহরণ।” তিনি বলেন, এই রাজ্যে দরিদ্র জনগণের জন্য ৪০ লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। শৌচাগার নির্মাণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং ধোঁয়ামুক্ত রান্নাঘরের প্রতিশ্রুতিও পূরণ হয়েছে। রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম কমানোর বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, “এই সিদ্ধান্তের ফলে উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধাপ্রাপ্ত বোনেরা এখন ৪০০ টাকা কমে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে পারছেন।” তিনি আরও বলেন, “গতকাল কেন্দ্রীয় সরকার আরও একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের আরও ৭৫ লক্ষ বোনকে বিনামূল্যে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। কোনোও বোনই যেন গ্যাস সংযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হন তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

 

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সরকার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছে। মধ্যসত্ত্বভোগীদের দূরে সরিয়ে সুবিধাভোগীদের সম্পূর্ণ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার প্রসঙ্গটিও তুলে ধরেন তিনি। এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি-এর উদাহরণ দিয়ে বলেন, এই প্রকল্পে সুবিধাভোগী কৃষকরা সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২৮ হাজার কোটি টাকা করে পাচ্ছেন। এই প্রকল্প সরকার ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

শ্রী মোদী বলেন, বিগত ৯ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের ব্যয় কমানোর জন্য সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে। এর ফলে সার সস্তা করা হয়েছে। এজন্য ৯ বছরে ১০ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমেরিকার কৃষকদের কাছে এক ব্যাগ ইউরিয়া সারের মূল্য ৩ হাজার টাকা যা ভারতীয় কৃষকের কাছে ৩০০ টাকারও কম মূল্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ইউরিয়া কেলেঙ্কারী হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করেছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সরকারের আমলে সর্বত্রই একই ইউরিয়া সার সহজেই পাওয়া যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বুন্দেলখন্ডের থেকে ভালো সেচের গুরুত্ব আর কেই বা জানেন।” বুন্দেলখন্ডের সেচ প্রকল্পের জন্য ডাবল ইঞ্জিন সরকার যে কাজ করেছে সেদিকেও বিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি কেন বেতুয়া যোগাযোগকারী ক্যানেলের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন বুন্দেলখন্ড সহ এই অঞ্চলের অনেক জেলার কৃষক এ থেকে উপকৃত হয়েছেন। প্রতি বাড়িতে নল বাহিত জল পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের প্রচেষ্টার বিষয়ে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ৪ বছরে সারা দেশে প্রায় ১০ কোটি বাড়িতে নতুন করে নল বাহিত জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে ৬৫ লক্ষ পরিবার এই সুবিধা পেয়েছেন। “বুন্দেলখণ্ডে অটল ভূ-জল প্রকল্পের আওতায় নতুন করে জলাধার তৈরির কাজ চলছে” বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এই অঞ্চলের উন্নয়নে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ৫ অক্টোবর উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে রানী দুর্গাবতীর ৫০০তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হবে বলেও জানান তিনি।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের এই প্রচেষ্টা থেকে দরিদ্র, দলিত, পিছিয়ে পড়া শ্রেণী, আদিবাসী শ্রেণীর জনগণ বেশি উপকৃত হচ্ছেন। “‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ এর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জনগণের উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়ার মডেলটি এখন সমগ্র বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে” বলে মন্তব্য করেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে এখন ভারত এগিয়ে চলেছে। “ভারতকে প্রথম তিনের মধ্যে পৌঁছে দিতে মধ্যপ্রদেশ বড় ভূমিকা নেবে” বলে মন্তব্য করেন তিনি। দেশের কৃষক, শিল্পক্ষেত্র ও যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই প্রকল্পগুলি এই রাজ্যের উন্নয়নের গতিকে আরও ত্বরাণ্বিত করবে বলেই তার আশা। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছরে মধ্যপ্রদেশ উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।

মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল শ্রী মঙ্গুভাই প্যাটেল, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস দপ্তরের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী হরদীপ সিং পুরী সহ অন্যরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

 

প্রেক্ষাপট

ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড-এর বিনা শোধনাগারে পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তা মধ্যপ্রদেশ শিল্পক্ষেত্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ৪৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যে তৈরি হওয়া এই পেট্রো কেমিক্যাল কমপ্লেক্স প্রতি বছর ১ হাজার ২০০ কিলো টন ইথিলিন এবং প্রপাইলিন তৈরি করবে। বস্ত্র, ফার্মা ও প্যাকেজিং ক্ষেত্রে যা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আত্মনির্ভর ভারত গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে এই প্রকল্প বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এখানে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। 

প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে নর্মদাপূরম জেলায় একটি বিদ্যুৎ ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ম্যানুফ্যাকচারিং অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। ৪৬০ কোটি টাকা মূল্যে এটি তৈরি হবে। এছাড়া ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইন্দোরে তৈরি হবে আইটি পার্ক ৩ এবং ৪। 

৪৬০ কোটি টাকা বেশি মূল্যে রতলম-এ মেগা শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে। এটি বস্ত্র, অটোমোবাইল এবং ফার্মা ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে এই পার্কটি। এর ফলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক গতি আসবে। যুবক-যুবতীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কাজের সুযোগ বাড়বে। 

সুসংহত আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং রাজ্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ৩১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাজাপুর, গুনা, মৌগঞ্জ, আগরমালওয়া, নর্মদাপূরণ এবং মাকসি-তে ৬টি নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
Indian Air Force’s Made-in-India Samar-II to shield India’s skies against threats from enemies

Media Coverage

Indian Air Force’s Made-in-India Samar-II to shield India’s skies against threats from enemies
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
New India is finishing tasks at a rapid pace: PM Modi
February 25, 2024
Dedicates five AIIMS at Rajkot, Bathinda, Raebareli, Kalyani and Mangalagiri
Lays foundation stone and dedicates to nation more than 200 Health Care Infrastructure Projects worth more than Rs 11,500 crore across 23 States /UTs
Inaugurates National Institute of Naturopathy named ‘Nisarg Gram’ in Pune
Inaugurates and dedicates to nation 21 projects of the Employees’ State Insurance Corporation worth around Rs 2280 crores
Lays foundation stone for various renewable energy projects
Lays foundation stone for New Mundra-Panipat pipeline project worth over Rs 9000 crores
“We are taking the government out of Delhi and trend of holding important national events outside Delhi is on the rise”
“New India is finishing tasks at rapid pace”
“I can see that generations have changed but affection for Modi is beyond any age limit”
“With Darshan of the submerged Dwarka, my resolve for Vikas and Virasat has gained new strength; divine faith has been added to my goal of a Viksit Bharat”
“In 7 decades 7 AIIMS were approved, some of them never completed. In last 10 days, inauguration or foundation stone laying of 7 AIIMS have taken place”
“When Modi guarantees to make India the world’s third largest economic superpower, the goal is health for all and prosperity for all”

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

मंच पर उपस्थित गुजरात के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्रीमान भूपेंद्र भाई पटेल, केंद्र में मंत्रिपरिषद के मेरे सहयोगी मनसुख मांडविया, गुजरात प्रदेश भारतीय जनता पार्टी के अध्यक्ष और संसद में मेरे साथी सी आर पाटिल, मंच पर विराजमान अन्य सभी वरिष्ठ महानुभाव, और राजकोट के मेरे भाइयों और बहनों, नमस्कार।

आज के इस कार्यक्रम से देश के अनेक राज्यों से बहुत बड़ी संख्या में अन्य लोग भी जुड़े हैं। कई राज्यों के माननीय मुख्यमंत्री, माननीय गवर्नर श्री, विधायकगण, सांसदगण, केंद्र के मंत्रीगण, ये सब इस कार्यक्रम में वीडियो कांफ्रेंसिंग से हमारे साथ जुड़े हैं। मैं उन सभी का भी हृदय से बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं।

एक समय था, जब देश के सारे प्रमुख कार्यक्रम दिल्ली में ही होकर रह जाते थे। मैंने भारत सरकार को दिल्ली से बाहर निकालकर देश के कोने-कोने तक पहुंचा दिया है और आज राजकोट पहुंच गए। आज का ये कार्यक्रम भी इसी बात का गवाह है। आज इस एक कार्यक्रम से देश के अनेकों शहरों में विकास कार्यों का लोकार्पण और शिलान्यास होना, एक नई परंपरा को आगे बढ़ा रहा है। कुछ दिन पहले ही मैं जम्मू कश्मीर में था। वहां से मैंने IIT भिलाई, IIT तिरुपति, ट्रिपल आईटी DM कुरनूल, IIM बोध गया, IIM जम्मू, IIM विशाखापट्टनम और IIS कानपुर के कैंपस का एक साथ जम्‍मू से लोकार्पण किया था। और अब आज यहां राजकोट से- एम्स राजकोट, एम्स रायबरेली, एम्स मंगलगिरी, एम्स भटिंडा, एम्स कल्याणी का लोकार्पण हुआ है। पांच एम्स, विकसित होता भारत, ऐसे ही तेज गति से काम कर रहा है, काम पूरे कर रहा है।

साथियों,

आज मैं राजकोट आया हूं, तो बहुत कुछ पुराना भी याद आ रहा है। मेरे जीवन का कल एक विशेष दिन था। मेरी चुनावी यात्रा की शुरुआत में राजकोट की बड़ी भूमिका है। 22 साल पहले 24 फरवरी को ही राजकोट ने मुझे पहली बार आशीर्वाद दिया था, अपना MLA चुना था। और आज 25 फरवरी के दिन मैंने पहली बार राजकोट के विधायक के तौर पर गांधीनगर विधानसभा में शपथ ली थी, जिंदगी में पहली बार। आपने तब मुझे अपने प्यार, अपने विश्वास का कर्जदार बना दिया था। लेकिन आज 22 साल बाद मैं राजकोट के एक-एक परिजन को गर्व के साथ कह सकता हूं कि मैंने आपके भरोसे पर खरा उतरने की पूरी कोशिश की है।

आज पूरा देश इतना प्यार दे रहा है, इतने आशीर्वाद दे रहा है, तो इसके यश का हकदार ये राजकोट भी है। आज जब पूरा देश, तीसरी बार-NDA सरकार को आशीर्वाद दे रहा है, आज जब पूरा देश, अबकी बार-400 पार का विश्वास, 400 पार का विश्वास कर रहा है। तब मैं पुन: राजकोट के एक-एक परिजन को सिर झुकाकर नमन करता हूं। मैं देख रहा हूं, पीढ़ियां बदल गई हैं, लेकिन मोदी के लिए स्नेह हर आयु सीमा से परे है। ये जो आपका कर्ज है, इसको मैं ब्याज के साथ, विकास करके चुकाने का प्रयास करता हूं।

साथियों,

मैं आप सबकी भी क्षमा चाहता हूं, और सभी अलग-अलग राज्यों में माननीय मुख्यमंत्री और वहां के जो नागरिक बैठे हैं, मैं उन सबसे भी क्षमा मांगता हूं क्योंकि मुझे आज आने में थोड़ा विलंब हो गया, आपको इंतजार करना पड़ा। लेकिन इसके पीछे कारण ये था कि आज मैं द्वारका में भगवान द्वारकाधीश के दर्शन करके, उन्हें प्रणाम करके राजकोट आया हूं। द्वारका को बेट द्वारका से जोड़ने वाले सुदर्शन सेतु का लोकार्पण भी मैंने किया है। द्वारका की इस सेवा के साथ-साथ ही आज मुझे एक अद्भुत आध्यात्मिक साधना का लाभ भी मिला है। प्राचीन द्वारका, जिसके बारे में कहते हैं कि उसे खुद भगवान श्रीकृष्ण ने बसाया था, आज वो समुद्र में डूब गई है, आज मेरा सौभाग्य था कि मैं समुद्र के भीतर जाकर बहुत गहराई में चला गया और भीतर जाकर मुझे उस समुद्र में डूब चुकी श्रीकृष्‍ण वाली द्वारका, उसके दर्शन करने का और जो अवशेष हैं, उसे स्पर्श करके जीवन को धन्य बनाने का, पूजन करने का, वहां कुछ पल प्रभु श्रीकृष्ण का स्मरण करने का मुझे सौभाग्य मिला। मेरे मन में लंबे अर्से से ये इच्छा थी कि भगवान कृष्ण की बसाई उस द्वारका भले ही पानी के भीतर रही हो, कभी न कभी जाऊंगा, मत्था टेकुंगा और वो सौभाग्य आज मुझे मिला। प्राचीन ग्रंथों में द्वारका के बारे में पढ़ना, पुरातत्वविदों की खोजों को जानना, ये हमें आश्चर्य से भर देता है। आज समंदर के भीतर जाकर मैंने उसी दृश्य को अपनी आंखों से देखा, उस पवित्र भूमि को स्पर्श किया। मैंने पूजन के साथ ही वहां मोर पंख को भी अर्पित किया। उस अनुभव ने मुझे कितना भाव विभोर किया है, ये शब्दों में बताना मेरे लिए मुश्किल है। समंदर के गहरे पानी में मैं यही सोच रहा था कि हमारे भारत का वैभव, उसके विकास का स्तर कितना ऊंचा रहा है। मैं समुद्र से जब बाहर निकला, तो भगवान श्रीकृष्ण के आशीर्वाद के साथ-साथ मैं द्वारका की प्रेरणा भी अपने साथ लेकर लाया हूं। विकास और विरासत के मेरे संकल्पों को आज एक नई ताकत मिली है, नई ऊर्जा मिली है, विकसित भारत के मेरे लक्ष्य से आज दैवीय विश्वास उसके साथ जुड़ गया है।

साथियों,

आज भी यहां 48 हज़ार करोड़ से ज्यादा के प्रोजेक्ट्स आपको, पूरे देश को मिले हैं। आज न्यू मुंद्रा-पानीपत पाइपलाइन प्रोजेक्ट का शिलान्यास हुआ है। इससे गुजरात से कच्चा तेल सीधे हरियाणा की रिफाइनरी तक पाइप से पहुंचेगा। आज राजकोट सहित पूरे सौराष्ट्र को रोड, उसके bridges, रेल लाइन के दोहरीकरण, बिजली, स्वास्थ्य और शिक्षा सहित अनेक सुविधाएं भी मिली हैं। इंटरनेशनल एयरपोर्ट के बाद, अब एम्स भी राजकोट को समर्पित है और इसके लिए राजकोट को, पूरे सौराष्‍ट्र को, पूरे गुजरात को बहुत-बहुत बधाई! और देश में जिन-जिन स्‍थानों पर आज ये एम्स समर्पित हो रहा है, वहां के भी सब नागरिक भाई-बहनों को मेरी तरफ से बहुत-बहुत बधाई।

साथियों,

आज का दिन सिर्फ राजकोट और गुजरात के लिए ही नहीं, बल्कि पूरे देश के लिए भी ऐतिहासिक है। दुनिया की 5वीं बड़ी अर्थव्यवस्था का हेल्थ सेक्टर कैसा होना चाहिए? विकसित भारत में स्वास्थ्य सुविधाओं का स्तर कैसा होगा? इसकी एक झलक आज हम राजकोट में देख रहे हैं। आज़ादी के 50 सालों तक देश में सिर्फ एक एम्स था और भी दिल्ली में। आज़ादी के 7 दशकें में सिर्फ 7 एम्स को मंजूरी दी गई, लेकिन वो भी कभी पूरे नहीं बन पाए। और आज देखिए, बीते सिर्फ 10 दिन में, 10 दिन के भीतर-भीतर, 7 नए एम्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। इसलिए ही मैं कहता हूं कि जो 6-7 दशकों में नहीं हुआ, उससे कई गुना तेजी से हम देश का विकास करके, देश की जनता के चरणों में समर्पित कर रहे हैं। आज 23 राज्यों और केंद्र शासित प्रदेशों में 200 से अधिक हेल्थ केयर इंफ्रास्ट्रक्चर प्रोजेक्ट्स का भी शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। इनमें मेडिकल कॉलेज हैं, बड़े अस्पतालों के सैटेलाइट सेंटर हैं, गंभीर बीमारियों के लिए इलाज से जुड़े बड़े अस्पताल हैं।

साथियों,

आज देश कह रहा है, मोदी की गारंटी यानि गारंटी पूरा होने की गारंटी। मोदी की गारंटी पर ये अटूट भरोसा क्यों है, इसका जवाब भी एम्स में मिलेगा। मैंने राजकोट को गुजरात के पहले एम्स की गारंटी दी थी। 3 साल पहले शिलान्यास किया और आज लोकार्पण किया- आपके सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने पंजाब को अपने एम्स की गारंटी दी थी, भटिंडा एम्स का शिलान्यास भी मैंने किया था और आज लोकार्पण भी मैं ही कर रहा हूं- आपके सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने यूपी के रायबरेली को एम्स की गारंटी दी थी। कांग्रेस के शाही परिवार ने रायबरेली में सिर्फ राजनीति की, काम मोदी ने किया। मैंने रायबरेली एम्स का 5 साल पहले शिलान्यास किया और आज लोकार्पण किया। आपके इस सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने पश्चिम बंगाल को पहले एम्स की गारंटी दी थी, आज कल्याणी एम्स का लोकार्पण भी हुआ-आपके सेवक ने गारंटी पूरी कर दी। मैंने आंध्र प्रदेश को पहले एम्स की गारंटी दी थी, आज मंगलगिरी एम्स का लोकार्पण हुआ- आपके सेवक ने वो गारंटी भी पूरी कर दी। मैंने हरियाणा के रेवाड़ी को एम्स की गारंटी दी थी, कुछ दिन पहले ही, 16 फरवरी को उसकी आधारशिला रखी गई है। यानि आपके सेवक ने ये गारंटी भी पूरी की। बीते 10 वर्षों में हमारी सरकार ने 10 नए एम्स देश के अलग-अलग राज्यों में स्वीकृत किए हैं। कभी राज्यों के लोग केंद्र सरकार से एम्स की मांग करते-करते थक जाते थे। आज एक के बाद एक देश में एम्स जैसे आधुनिक अस्पताल और मेडिकल कॉलेज खुल रहे हैं। तभी तो देश कहता है- जहां दूसरों से उम्मीद खत्म हो जाती है, मोदी की गारंटी वहीं से शुरू हो जाती है।

साथियों,

भारत ने कोरोना को कैसे हराया, इसकी चर्चा आज पूरी दुनिया में होती है। हम ये इसलिए कर पाए, क्योंकि बीते 10 वर्षों में भारत का हेल्थ केयर सिस्टम पूरी तरह से बदल गया है। बीते दशक में एम्स, मेडिकल कॉलेज और क्रिटिकल केयर इंफ्रास्ट्रक्चर के नेटवर्क का अभूतपूर्व विस्तार हुआ है। हमने छोटी-छोटी बीमारियों के लिए गांव-गांव में डेढ़ लाख से ज्यादा आयुष्मान आरोग्य मंदिर बनाए हैं, डेढ़ लाख से ज्यादा। 10 साल पहले देश में करीब-करीब 380-390 मेडिकल कॉलेज थे, आज 706 मेडिकल कॉलेज हैं। 10 साल पहले MBBS की सीटें लगभग 50 हज़ार थीं, आज 1 लाख से अधिक हैं। 10 साल पहले मेडिकल की पोस्ट ग्रेजुएट सीटें करीब 30 हज़ार थीं, आज 70 हज़ार से अधिक हैं। आने वाले कुछ वर्षों में भारत में जितने युवा डॉक्टर बनने जा रहे हैं, उतने आजादी के बाद 70 साल में भी नहीं बने। आज देश में 64 हज़ार करोड़ रुपए का आयुष्मान भारत हेल्थ इंफ्रास्ट्रक्चर मिशन चल रहा है। आज भी यहां अनेक मेडिकल कॉलेज, टीबी के इलाज से जुड़े अस्पताल और रिसर्च सेंटर, PGI के सैटेलाइट सेंटर, क्रिटिकल केयर ब्लॉक्स, ऐसे अनेक प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण किया गया है। आज ESIC के दर्जनों अस्पताल भी राज्यों को मिले हैं।

साथियों,

हमारी सरकार की प्राथमिकता, बीमारी से बचाव और बीमारी से लड़ने की क्षमता बढ़ाने की भी है। हमने पोषण पर बल दिया है, योग-आयुष और स्वच्छता पर बल दिया है, ताकि बीमारी से बचाव हो। हमने पारंपरिक भारतीय चिकित्सा पद्धति और आधुनिक चिकित्सा, दोनों को बढ़ावा दिया है। आज ही महाराष्ट्र और हरियाणा में योग और नेचुरोपैथी से जुड़े दो बड़े अस्पताल और रिसर्च सेंटर का भी उद्घाटन हुआ है। यहां गुजरात में ही पारंपरिक चिकित्सा पद्धति से जुड़ा WHO का वैश्विक सेंटर भी बन रहा है।

साथियों,

हमारी सरकार का ये निरंतर प्रयास है कि गरीब हो या मध्यम वर्ग, उसको बेहतर इलाज भी मिले और उसकी बचत भी हो। आयुष्मान भारत योजना की वजह से गरीबों के एक लाख करोड़ रुपए खर्च होने से बचे हैं। जन औषधि केंद्रों में 80 परसेंट डिस्काउंट पर दवा मिलने से गरीबों और मध्यम वर्ग के 30 हजार करोड़ रुपए खर्च होने से बचे हैं। यानि सरकार ने जीवन तो बचाया, इतना बोझ भी गरीब और मिडिल क्लास पर पड़ने से बचाया है। उज्ज्वला योजना से भी गरीब परिवारों को 70 हज़ार करोड़ रुपए से अधिक की बचत हो चुकी है। हमारी सरकार ने जो डेटा सस्ता किया है, उसकी वजह से हर मोबाइल इस्तेमाल करने वाले के करीब-करीब 4 हजार रुपए हर महीने बच रहे हैं। टैक्स से जुड़े जो रिफॉर्म्स हुए हैं, उसके कारण भी टैक्सपेयर्स को लगभग ढाई लाख करोड़ रुपए की बचत हुई है।

साथियों,

अब हमारी सरकार एक और ऐसी योजना लेकर आई है, जिससे आने वाले वर्षों में अनेक परिवारों की बचत और बढ़ेगी। हम बिजली का बिल ज़ीरो करने में जुटे हैं और बिजली से परिवारों को कमाई का भी इंतजाम कर रहे हैं। पीएम सूर्य घर- मुफ्त बिजली योजना के माध्यम से हम देश के लोगों की बचत भी कराएंगे और कमाई भी कराएंगे। इस योजना से जुड़ने वाले लोगों को 300 यूनिट तक मुफ्त बिजली मिलेगी और बाकी बिजली सरकार खरीदेगी, आपको पैसे देगी।

साथियों,

एक तरफ हम हर परिवार को सौर ऊर्जा का उत्पादक बना रहे हैं, तो वहीं सूर्य और पवन ऊर्जा के बड़े प्लांट भी लगा रहे हैं। आज ही कच्छ में दो बड़े सोलर प्रोजेक्ट और एक विंड एनर्जी प्रोजेक्ट का शिलान्यास हुआ है। इससे रिन्यूएबल एनर्जी के उत्पादन में गुजरात की क्षमता का और विस्तार होगा।

साथियों,

हमारा राजकोट, उद्यमियों का, श्रमिकों, कारीगरों का शहर है। ये वो साथी हैं जो आत्मनिर्भर भारत के निर्माण में बहुत बड़ी भूमिका निभा रहे हैं। इनमें से अनेक साथी हैं, जिन्हें पहली बार मोदी ने पूछा है, मोदी ने पूजा है। हमारे विश्वकर्मा साथियों के लिए देश के इतिहास में पहली बार एक राष्ट्रव्यापी योजना बनी है। 13 हज़ार करोड़ रुपए की पीएम विश्वकर्मा योजना से अभी तक लाखों लोग जुड़ चुके हैं। इसके तहत उन्हें अपने हुनर को निखारने और अपने व्यापार को आगे बढ़ाने में मदद मिल रही है। इस योजना की मदद से गुजरात में 20 हजार से ज्यादा लोगों की ट्रेनिंग पूरी हो चुकी है। इनमें से प्रत्येक विश्वकर्मा लाभार्थी को 15 हजार रुपए तक की मदद भी मिल चुकी है।

साथियों,

आप तो जानते हैं कि हमारे राजकोट में, हमारे यहाँ सोनार का काम कितना बड़ा काम है। इस विश्वकर्मा योजना का लाभ इस व्यवसाय से जुड़े लोगों को भी मिला है।

साथियों,

हमारे लाखों रेहड़ी-ठेले वाले साथियों के लिए पहली बार पीएम स्वनिधि योजना बनी है। अभी तक इस योजना के तहत लगभग 10 हज़ार करोड़ रुपए की मदद इन साथियों को दी जा चुकी है। यहां गुजरात में भी रेहड़ी-पटरी-ठेले वाले भाइयों को करीब 800 करोड़ रुपए की मदद मिली है। आप कल्पना कर सकते हैं कि जिन रेहड़ी-पटरी वालों को पहले दुत्कार दिया जाता था, उन्हें भाजपा किस तरह सम्मानित कर रही है। यहां राजकोट में भी पीएम स्वनिधि योजना के तहत 30 हजार से ज्यादा लोन दिए गए हैं।

साथियों,

जब हमारे ये साथी सशक्त होते हैं, तो विकसित भारत का मिशन सशक्त होता है। जब मोदी भारत को तीसरे नंबर की आर्थिक महाशक्ति बनाने की गारंटी देता है, तो उसका लक्ष्य ही, सबका आरोग्य और सबकी समृद्धि है। आज जो ये प्रोजेक्ट देश को मिले हैं, ये हमारे इस संकल्प को पूरा करेंगे, इसी कामना के साथ आपने जो भव्‍य स्‍वागत किया, एयरपोर्ट से यहां तक आने में पूरे रास्ते पर और यहां भी बीच में आकर के आप के दर्शन करने का अवसर मिला। पुराने कई साथियों के चेहरे आज बहुत सालों के बाद देखे हैं, सबको नमस्ते किया, प्रणाम किया। मुझे बहुत अच्छा लगा। मैं बीजेपी के राजकोट के साथियों का हृदय से अभिनंदन करता हूं। इतना बड़ा भव्य कार्यक्रम करने के लिए और फिर एक बार इन सारे विकास कामों के लिए और विकसित भारत के सपने को साकार करने के लिए हम सब मिलजुल करके आगे बढ़ें। आप सबको बहुत-बहुत बधाई। मेरे साथ बोलिए- भारत माता की जय! भारत माता की जय! भारत माता की जय!

बहुत-बहुत धन्यवाद!

डिस्क्लेमर: प्रधानमंत्री के भाषण का कुछ अंश कहीं-कहीं पर गुजराती भाषा में भी है, जिसका यहाँ भावानुवाद किया गया है।