“মানুষের উর্দির প্রতি যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। সমস্যায় থাকা মানুষেরা যখন আপনাদের দেখতে পান, তাঁরা বিশ্বাস করেন, তাঁদের জীবন এখন নিরাপদ, তাঁদের মনে নতুন আশার সঞ্চার হয়”
সমস্যা যখন অধ্যাবসায় ও ধৈর্য্যের মাধ্যমে মোকাবিলা করা হয়, তখন সাফল্য নিশ্চিত
“পুরো অভিযানের মধ্য দিয়ে স্পর্শকাতরতা, সম্পদের প্রাচুর্য এবং সাহসের প্রতিফলন ঘটেছে”
সবকা প্রয়াস – এই অভিযানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে”

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী দেওঘরে কেবল কার দুর্ঘটনায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে ভারতীয় বিমান বাহিনী, সেনাবাহিনী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি), স্থানীয় প্রশাসন এবং সুশীল সমাজের যেসব সদস্যরা অংশ নেন, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ, সাংসদ শ্রী নিশিকান্ত দুবে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) ও ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশের মহানির্দেশকরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ উদ্ধারকাজে যুক্ত সকলের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই অভিযান সঠিক সমন্বয়ের একটি উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা এখন মানুষের প্রাণ বাঁচাতে বেশি গুরুত্ব দেয় ౼ আগে যা শুধু উদ্ধার কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতো। আজ প্রতিটি মুহূর্তে জীবন বাঁচানোর জন্য একটি সুসংহত উদ্যোগ নেওয়া হয়। মন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, আইটিবিপি এবং স্থানীয় প্রশাসন এই অভিযানে যেভাবে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখেছে, তা উদাহরণ হিসাবে থাকবে।

এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উদ্ধারকারী দলগুলির ভূমিকারপ্রশংসা করেছেন এবং স্বজনহারা পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানান। “আমাদের সশস্ত্র বাহিনী, বিমান বাহিনী, আইটিবিপি, এনডিআরএফ এবং পুলিশ বাহিনীর মতো দক্ষ বাহিনী থাকায় দেশ আজ গর্বিত। বিপর্যয়ের সময় দেশবাসীকে রক্ষা করার ক্ষমতা তাঁদের রয়েছে”। শ্রী মোদী বলেন, “গত তিনদিন ধরে দিন-রাত এক করে আপনারা একটি কঠিন উদ্ধার কাজ চালিয়েছেন। এর ফলে, দেশের বহু মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে।  বাবা বৈদ্যনাথজীর আশীর্বাদেই এটি সম্ভব হয়েছে”।

এনডিআরএফ – এর কর্মীরা যেভাবে সাহস ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে এই অভিযান চালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করেন। এনডিআরএফ – এর ইন্সপেক্টর/ জিডি শ্রী ওম প্রকাশ গোস্বামী এই অভিযানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা দেশ এনডিআরএফ – এর সদস্যদের সাহসিকতার প্রশংসা করে।     

ভারতীয় বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন ওয়াই কে কান্ডলকর সঙ্কটের সেই মুহূর্তে বিমান বাহিনীর ভূমিকার কথা জানান। কেবল কারের তারের কাছে হেলিকপ্টারগুলিকে যে দক্ষতার সঙ্গে পাইলটরা নিয়ে গেছেন, প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করেন। ভারতীয় বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট পঙ্কজ কুমার রানা কেবল কারের খারাপ অবস্থার মধ্যে কিভাবে আটকে পড়া যাত্রীদের গরুড় কমান্ডোরা উদ্ধার করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেই সময় শিশু ও মহিলা সহ সমস্ত যাত্রীরা বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিলেন। বিমান বাহিনীর সদস্যদের অতুলনীয় সাহসের শ্রী মোদী প্রশংসা করেছেন।

দেওঘরের দামোদর রোপওয়ের শ্রী পান্নালাল যোশী বহু যাত্রীকে রক্ষা করেছেন। তিনি এই উদ্ধারকাজে সাধারণ নাগরিকদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ হ’ল অপরকে সাহায্য করে। এইসব মানুষদের মানসিকতা ও সাহসিকতার তিনি প্রশংসা করেন।  

আইটিবিপি-র সাব-ইন্সপেক্টর শ্রী অনন্ত পান্ডে অভিযানে বাহিনীর ভূমিকার কথা বিস্তারিতভাবে জানান। তিনি বলেন, আটকে পড়া যাত্রীদের মনোবলের কারণে আইটিবিপির প্রাথমিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। পুরো উদ্ধারকারী দলের ধৈর্য্যের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যখন অধ্যাবসায় ও ধৈর্য্যের সঙ্গে সঙ্কট মোকাবিলা করা হয়, তখন সাফল্য নিশ্চিত।

দেওঘরের জেলাশাসক ও ডেপুটি কমিশনার শ্রী মঞ্জুনাথ ভজনকারি অভিযানে  স্থানীয় পর্যায়ের সমন্বয়ের বিষয়ে বিস্তারিত জানান। বিমান বাহিনীর সদস্যরা না আসা পর্যন্ত কিভাবে যাত্রীদের মনোবল অটুট রাখা হয়েছে, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে সকলের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হয়, সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানান। যথাযথ সময়ে প্রধানমন্ত্রী সাহায্য করায় জেলাশাসক তাঁকে ধন্যবাদ জানান। শ্রী মোদী বলেন, জেলাশাসক যেভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়েছেন, সেটি যথাযথ নথিভুক্ত করা প্রয়োজন। এর ফলে, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যেতে পারে।

অভিযানে সেনাবাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ব্রিগেডিয়ার অশ্বিনী নায়ার জানান, নীচু জায়গার কেবল কার থেকে উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়। পুরো কাজে সমন্বয়, গতি ও পরিকল্পনার জন্য প্রধানমন্ত্রী বাহিনীর প্রশংসা করেন।

শ্রী মোদী বলেন, এ ধরনের  কাজে  সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর মাধ্যমেই সাফল্য অর্জিত হয়। তিনি বলেন, উর্দি পরিহিত জওয়ানদের দেখে মানুষ আশ্বস্ত হন। মানুষের উর্দির প্রতি যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। সমস্যায় থাকা মানুষেরা যখন আপনাদের দেখতে পান, তাঁরা বিশ্বাস করেন, তাঁদের জীবন এখন নিরাপদ, তাঁদের মনে নতুন আশার সঞ্চার হয়।

শ্রী মোদী অভিযানের সময় শিশু ও প্রাপ্ত বয়স্কদের চাহিদার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। বাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণের প্রশংসা করে তিনি বলেন, অধ্যাবসায় ও ধৈর্য্যের জন্যই এই অভিযানে সাফল্য এসেছে। চাহিদা অনুযায়ী সম্পদ ও সরঞ্জাম সরবরাহ করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তিনি আবারও উল্লেখ করেন। পুরো অভিযানের মধ্য দিয়ে স্পর্শকাতরতা, সম্পদের প্রাচুর্য এবং সাহসের প্রতিফলন ঘটেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাত্রীরাও এখানে তাঁদের ধৈর্য্য ও সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ যেভাবে অধ্যাবসায়ের সঙ্গে এই অভিযানে যুক্ত হয়েছেন তিনি তারও প্রশংসা করেন। যেসব যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে শ্রী মোদী বলেছেন, “এই সঙ্কট আরও একবার প্রমাণ করলো যে, যখনই কোনও বিপর্যয় দেশের উপর আঘাত হানবে, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই সঙ্কট মোকাবিলা করবো এবং বিজয়ী হব। এই অভিযানেও সবকা প্রয়াস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে”।

শ্রী মোদী স্বজনহারা পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। তাঁর বক্তব্যের শেষে তিনি এই কাজে যুক্ত প্রত্যেককে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে নথিভুক্ত করার অনুরোধ জানান। এর ফলে, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
India's overall SDG score on national index up in 2023-24 at 71: NITI Aayog report

Media Coverage

India's overall SDG score on national index up in 2023-24 at 71: NITI Aayog report
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Role of newspapers is crucial in the journey to Viksit Bharat: PM Modi at inauguration of INS Towers in Mumbai
July 13, 2024
“Role of newspapers is very important in the journey to Viksit Bharat in the next 25 years”
“The citizens of a country who gain confidence in their capabilities start achieving new heights of success. The same is happening in India today”
“INS has not only been a witness to the ups and downs of India’s journey but also lived it and communicated it to the people”
“A country’s global image directly affects its economy. Indian publications should enhance their global presence”

महाराष्ट्र के गवर्नर श्रीमान रमेश बैस जी, मुख्यमंत्री श्रीमान एकनाथ शिंदे जी, उप मुख्यमंत्री भाई देवेंद्र फडणवीस जी, अजित दादा पवार जी, इंडियन न्यूज़पेपर सोसाइटी के प्रेसिडेंट भाई राकेश शर्मा जी, सभी वरिष्‍ठ महानुभाव, देवियों और सज्जनों!

सबले पहले मैं इंडियन न्यूज़पेपर सोसाइटी के सभी सदस्यों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं। आज आप सभी को मुंबई में एक विशाल और आधुनिक भवन मिला है। मैं आशा करता हूँ, इस नए भवन से आपके कामकाज का जो विस्तार होगा, आपकी जो Ease of Working बढ़ेगी, उससे हमारे लोकतंत्र को भी और मजबूती मिलेगी। इंडियन न्यूज़पेपर सोसाइटी तो आज़ादी के पहले से अस्तित्व में आने वाली संस्‍थाओं में से एक है और इसलिए आप सबने देश की यात्रा के हर उतार-चढ़ाव को भी बहुत बारीकी से देखा है, उसे जिया भी है, और जन-सामान्‍य को बताया भी है। इसलिए, एक संगठन के रूप में आपका काम जितना प्रभावी बनेगा, देश को उसका उतना ही ज्यादा लाभ मिलेगा।

साथियों,

मीडिया केवल देश के हालातों का मूकदर्शक भर नहीं होता। मीडिया के आप सभी लोग, हालातों को बदलने में, देश को दिशा देने में एक अहम रोल निभाते हैं। आज भारत एक ऐसे कालखंड में है, जब उसकी अगले 25 वर्षों की यात्रा बहुत अहम है। इन 25 वर्षों में भारत विकसित बने, इसके लिए पत्र-पत्रिकाओं की भूमिका भी उतनी ही बड़ी है। ये मीडिया है, जो देश के नागरिकों को जागरूक करता है। ये मीडिया है, जो देश के नागरिकों को उनके अधिकार याद दिलाता रहता है। और यही मीडिया है, जो देश के लोगों को ये एहसास दिलाता है कि उनका सामर्थ्य क्या है। आप भी देख रहे हैं, जिस देश के नागरिकों में अपने सामर्थ्य को लेकर आत्मविश्वास आ जाता है, वो सफलता की नई ऊंचाई प्राप्त करने लगते हैं। भारत में भी आज यही हो रहा है। मैं एक छोटा सा उदाहरण देता हूं आपको। एक समय था, जब कुछ नेता खुलेआम कहते थे कि डिजिटल ट्रांजेक्शन भारत के लोगों के बस की बात नहीं है। ये लोग सोचते थे कि आधुनिक टेक्नोलॉजी वाली चीजें इस देश में नहीं चल पाएंगी। लेकिन भारत की जनता की सूझबूझ और उनका सामर्थ्य दुनिया देख रही है। आज भारत डिजिटल ट्रांजेक्शन में दुनिया में बड़े-बड़े रिकॉर्ड तोड़ रहा है। आज भारत के UPI की वजह से आधुनिक Digital Public Infrastructure की वजह से लोगों की Ease of Living बढ़ी है, लोगों के लिए एक स्थान से दूसरे स्थान तक पैसे भेजना आसान हुआ है। आज दुनियाभर में हमारे जो देशवासी रहते हैं, खासकर के गल्‍फ के देशों में, वो सबसे ज्यादा रेमिटेंस भेज रहे हैं और उनको जो पहले खर्च होता था, उसमें से बहुत कमी आ गई है और इसके पीछे एक वजह ये डिजिटल रेवेल्यूशन भी है। दुनिया के बड़े-बड़े देश हमसे टेक्नोलॉजी और हमारे implementation model को जानना-समझने को प्रयास कर रहे हैं। ये इतनी बड़ी सफलता सिर्फ सरकार की है, ऐसा नहीं है। इस सफलता में आप सभी मीडिया के लोगों की भी सहभागिता है औऱ इसलिए ही आप सब बधाई के भी पात्र हैं।

साथियों,

मीडिया की स्वाभाविक भूमिका होती है, discourse create करना, गंभीर विषयों पर चर्चाओं को बल देना। लेकिन, मीडिया के discourse की दिशा भी कई बार सरकार की नीतियों की दिशा पर निर्भर होती है। आप जानते हैं, सरकारों में हमेशा हर कामकाज के अच्छा है, बुरा है, लेकिन वोट का गुणा-भाग, उसकी आदत लगी ही रहती है। हमने आकर के इस सोच को बदला है। आपको याद होगा, हमारे देश में दशकों पहले बैंकों का राष्ट्रीयकरण किया गया था। लेकिन, उसके बाद की सच्चाई ये थी कि 2014 तक देश में 40-50 करोड़ गरीब ऐसे थे, जिनका बैंक अकाउंट तक नहीं था। अब जब राष्ट्रीयकरण हुआ तब जो बातें कही गई और 2014 में जो देखा गया, यानी आधा देश बैंकिंग सिस्टम से बाहर था। क्या कभी हमारे देश में ये मुद्दा बना? लेकिन, हमने जनधन योजना को एक मूवमेंट के तौर पर लिया। हमने करीब 50 करोड़ लोगों को बैंकिंग सिस्टम से जोड़ा। डिजिटल इंडिया और भ्रष्टाचार विरोधी प्रयासों में यही काम हमारा सबसे बड़ा माध्यम बना है। इसी तरह, स्वच्छता अभियान, स्टार्टअप इंडिया, स्टैंडअप इंडिया जैसे अभियानों को अगर हम देखेंगे! ये वोट बैंक पॉलिटिक्स में कहीं फिट नहीं होते थे। लेकिन, बदलते हुए भारत में, देश के मीडिया ने इन्हें देश के नेशनल discourse का हिस्सा बनाया। जो स्टार्ट-अप शब्द 2014 के पहले ज्यादातर लोग जानते भी नहीं थे, उन्हें मीडिया की चर्चाओं ने ही घर-घर तक पहुंचा दिया है।

साथियों,

आप मीडिया के दिग्गज हैं, बहुत अनुभवी हैं। आपके निर्णय देश के मीडिया को भी दिशा देते हैं। इसलिए आज के इस कार्यक्रम में मेरे आपसे कुछ आग्रह भी हैं।

साथियों,

किसी कार्यक्रम को अगर सरकार शुरू करती है तो ये जरूरी नहीं है कि वो सरकारी कार्यक्रम है। सरकार किसी विचार पर बल देती है तो जरूरी नहीं है कि वो सिर्फ सरकार का ही विचार है। जैसे कि देश ने अमृत महोत्सव मनाया, देश ने हर घर तिरंगा अभियान चलाया, सरकार ने इसकी शुरुआत जरूर की, लेकिन इसको पूरे देश ने अपनाया और आगे बढ़ाया। इसी तरह, आज देश पर्यावरण पर इतना ज़ोर दे रहा है। ये राजनीति से हटकर मानवता के भविष्य का विषय है। जैसे कि, अभी ‘एक पेड़ मां के नाम’, ये अभियान शुरू हुआ है। भारत के इस अभियान की दुनिया में भी चर्चा शुरू हो गई है। मैं अभी जी7 में गया था जब मैंने इस विषय को रखा तो उनके लिए बड़ी उत्सुकता थी क्योंकि हर एक को अपनी मां के प्रति लगाव रहता है कि उसको लगता है कि ये बहुत क्लिक कर जाएगा, हर कोई कह रहा था। देश के ज्यादा से ज्यादा मीडिया हाउस इससे जुड़ेंगे तो आने वाली पीढ़ियों का बहुत भला होगा। मेरा आग्रह है, ऐसे हर प्रयास को आप देश का प्रयास मानकर उसे आगे बढ़ाएं। ये सरकार का प्रयास नहीं है, ये देश का है। इस साल हम संविधान का 75वां वर्ष भी मना रहे हैं। संविधान के प्रति नागरिकों में कर्तव्य बोध बढ़े, उनमें जागरूकता बढ़े, इसमें आप सभी की बहुत बड़ी भूमिका हो सकती है।

साथियों,

एक विषय है टूरिज्म से जुड़ा हुआ भी। टूरिज्म सिर्फ सरकार की नीतियों से ही नहीं बढ़ता है। जब हम सब मिलकर देश की ब्रांडिंग और मार्केटिंग करते हैं तो, देश के सम्मान के साथ-साथ देश का टूरिज़्म भी बढ़ता है। देश में टूरिज्म बढ़ाने के लिए आप लोग अपने तरीके निकाल सकते हैं। अब जैसे मान लीजिए, महाराष्ट्र के सभी अखबार मिलकर के तय करें कि भई हम सितम्बर महीने में बंगाल के टूरिज्म को प्रमोट करेंगे अपनी तरफ से, तो जब महाराष्ट्र के लोग चारों तरफ जब बंगाल-बंगाल देखें तो उनको करें कि यार इस बार बंगाल जाने का कार्यक्रम बनाएं, तो बंगाल का टूरिज्‍म बढ़ेगा। मान लीजिए आप तीन महीने के बाद तय करें कि भई हम तमिलनाडु की सारी चीजों पर सब मिलकर के, एक ये करें के एक दूसरा करें ऐसा नहीं, तमिलनाडु फोकस करेंगे। आप देखिए एक दम से महाराष्ट्र के लोग टूरिज्‍म में जाने वाले होंगे, तो तमिलनाडु की तरफ जाएंगे। देश के टूरिज्म को बढ़ाने का एक तरीका हो और जब आप ऐसा करेंगे तो उन राज्यों में भी महाराष्ट्र के लिए ऐसे ही कैम्पेन शुरू होंगे, जिसका लाभ महाराष्‍ट्र को मिलेगा। इससे राज्यों में एक दूसरे के प्रति आकर्षण बढ़ेगा, जिज्ञासा बढ़ेगी और आखिरकार इसका फायदा जिस राज्य में आप ये इनिशिएटिव ले रहे हें और बिना कोई एक्‍स्‍ट्रा प्रयास किए बिना आराम से होने वाला काम है।

साथियों,

आप सभी से मेरा आग्रह अपनी ग्लोबल प्रेजेंस बढ़ाने को लेकर भी है। हमें सोचना होगा, दुनिया में हम नहीं है। As far as media is concerned हम 140 करोड़ लोगों के देश हैं। इतना बड़ा देश, इतना सामर्थ्य और संभावनाएं और बहुत ही कम समय में हम भारत को third largest economy होते देखने वाले हैं। अगर भारत की सफलताएं, दुनिया के कोने-कोने तक पहुंचाने का दायित्व भी आप बहुत बखूबी ही निभा सकते हैं। आप जानते हैं कि विदेशों में राष्ट्र की छवि का प्रभाव सीधे उसकी इकोनॉमी और ग्रोथ पर पड़ता है। आज आप देखिए, विदेशों में भारतीय मूल के लोगों का कद बढ़ा है, विश्वसनीयता बढ़ी है, सम्मान बढ़ा है। क्योंकि, विश्व में भारत की साख बढ़ी है। भारत भी वैश्विक प्रगति में कहीं ज्यादा योगदान दे पा रहा है। हमारा मीडिया इस दृष्टिकोण से जितना काम करेगा, देश को उतना ही फायदा होगा और इसलिए मैं तो चाहूंगा कि जितनी भी UN लैंग्वेज हैं, उनमें भी आपके पब्लिकेशंस का विस्तार हो। आपकी माइक्रोसाइट्स, सोशल मीडिया accounts इन भाषाओं में भी हो सकते हैं और आजकल तो AI का जमाना है। ये सब काम आपके लिए अब बहुत आसान हो गए हैं।

साथियों,

मैंने इतने सारे सुझाव आप सबको दे डाले हैं। मुझे मालूम है, आपके अखबार में, पत्र पत्रिकाओं में, बहुत लिमिटेड स्पेस रहती है। लेकिन, आजकल हर अखबार पर और हर एक के पास एक publication के डिजिटल editions भी पब्लिश हो रहे हैं। वहाँ न स्पेस की limitation है और न ही distribution की कोई समस्या है। मुझे भरोसा है, आप सब इन सुझावों पर विचार करके, नए experiments करेंगे, और लोकतंत्र को मजबूत बनाएँगे। और मैं पक्‍का मानता हूं कि आपके लिए एक, भले ही दो पेज की छोटी एडिशन जो दुनिया की UN की कम से कम languages हों, दुनिया का अधिकतम वर्ग उसको देखता है, पढ़ता है… embassies उसको देखती हैं और भारत की बात पहुंचाने की एक बहुत बड़ा source आपके ये जो डिजिटल एडिशंस हैं, उसमें बन सकता है। आप जितना सशक्त होकर काम करेंगे, देश उतना ही आगे बढ़ेगा। इसी विश्वास के साथ, आप सभी का बहुत-बहुत धन्यवाद! और आप सबसे मिलने का मुझे अवसर भी मिल गया। मेरी आपको बहुत शुभकामनाएं हैं! धन्‍यवाद!