Volleyball teaches us that no victory is ever achieved alone, and our success depends on our coordination, our trust, and the readiness of our team: PM
Everyone has their own role, their own responsibility and we succeed only when each person fulfills their responsibility with seriousness: PM
Since 2014, India’s performance across various sports has steadily improved, and we feel immense pride when we see Gen-Z hoisting the tricolor on the field of play: PM
The 2030 Commonwealth Games are set to be held in India, and the nation is making strong efforts to host the 2036 Olympics as well: PM

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে ৭২তম জাতীয় ভলিবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন। এই উপলক্ষে উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে শ্রী মোদী বলেন, বারাণসীর সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি সকল খেলোয়াড়কে স্বাগত জানাতে ও অভিনন্দন জানাতে পেরে আনন্দিত। তিনি বলেন, আজ থেকে বারাণসীতে জাতীয় ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলোয়াড়রা অক্লান্ত পরিশ্রমের পর এই জাতীয় টুর্নামেন্টে পৌঁছেছেন এবং আগামী দিনগুলোতে বারাণসীর মাঠে তাঁদের সেই পরিশ্রমের পরীক্ষা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের ২৮টি রাজ্য থেকে দলগুলো এখানে একত্রিত হয়েছে, যা ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর এক সুন্দর চিত্র তুলে ধরেছে।উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী চ্যাম্পিয়নশিপের সকল অংশগ্রহণকারীকে অভিনন্দন জানান।

 

বারাণসীর একটি স্থানীয় প্রবাদ স্মরণ করে শ্রী মোদী বলেন, খেলোয়াড়রা এখন বারাণসীতে এসেছেন এবং শহরটিকেও জানতে পারবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বারাণসী ক্রীড়াপ্রেমীদের শহর, যেখানে কুস্তি, কুস্তির আখড়া, বক্সিং, নৌকা বাইচ এবং কবাডি অত্যন্ত জনপ্রিয়। তিনি বলেন, বারাণসী অনেক জাতীয় স্তরের খেলোয়াড় তৈরি করেছে এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, ইউপি কলেজ এবং কাশী বিদ্যাপীঠের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলোয়াড়রা রাজ্য ও জাতীয় স্তরে সাফল্য অর্জন করেছেন। শ্রী মোদী বলেন, হাজার হাজার বছর ধরে বারাণসী জ্ঞান ও শিল্পের সন্ধানে আসা সকলকে স্বাগত জানিয়েছে। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, জাতীয় ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালীন বারাণসীর উৎসাহ তুঙ্গে থাকবে, খেলোয়াড়রা তাঁদের উৎসাহিত করার জন্য দর্শক পাবেন এবং তাঁরা বারাণসীর আতিথেয়তার সমৃদ্ধ ঐতিহ্যও অনুভব করবেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভলিবল কোনো সাধারণ খেলা নয়, এটি ভারসাম্য এবং সহযোগিতার একটি খেলা, যেখানে বলকে সর্বদা উপরে রাখার প্রচেষ্টায় দৃঢ় সংকল্পও প্রতিফলিত হয়। তিনি বলেন, ভলিবল খেলোয়াড়দের মধ্যে দলগত চেতনা তৈরি করে, যেখানে প্রত্যেক খেলোয়াড় ‘দলই প্রথম’ এই মন্ত্রে পরিচালিত হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদিও প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দক্ষতা ভিন্ন হতে পারে, তবুও সবাই তাঁদের দলের জয়ের জন্য খেলে। শ্রী মোদী ভারতের উন্নয়ন কাহিনী এবং ভলিবলের মধ্যে মিল খুঁজে পান এবং বলেন, এই খেলাটি শেখায় যে কোনো জয় একা অর্জন করা যায় না, বরং এটি সমন্বয়, বিশ্বাস এবং দলের প্রস্তুতির উপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব ভূমিকা ও দায়িত্ব রয়েছে এবং প্রত্যেকে যখন আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে, তখনই সাফল্য আসে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে ডিজিটাল পেমেন্ট পর্যন্ত, ‘এক পেড় মা কে নাম’ থেকে শুরু করে উন্নত ভারতের  লক্ষ্যে অভিযান পর্যন্ত, প্রত্যেক নাগরিক, প্রতিটি বিভাগ এবং প্রতিটি প্রদেশ সম্মিলিত চেতনা ও ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ অর্থাৎ ভারতকে প্রথমে রাখার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে জাতিও একইভাবে এগিয়ে চলেছে।

 

আজ যখন সারা বিশ্ব ভারতের প্রবৃদ্ধি ও অর্থনীতির প্রশংসা করছে, তখন প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদি বলেন যে এই অগ্রগতি কেবল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ক্রীড়াঙ্গনে দেখা আত্মবিশ্বাসের মধ্যেও তা প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, ২০১৪ সাল থেকে বিভিন্ন খেলায় ভারতের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে উন্নত হয়েছে এবং তিনি তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের মাঠে তেরঙ্গা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে দেখে গর্ব প্রকাশ করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে একটা সময় ছিল যখন সরকার এবং সমাজ উভয়ই খেলার প্রতি উদাসীন ছিল, যা খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল এবং খুব কম সংখ্যক যুবক খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করত। তিনি বলেন যে গত এক দশকে খেলাধুলার প্রতি সরকার ও সমাজের মানসিকতায় পরিবর্তন এসেছে। শ্রী মোদি উল্লেখ করেন যে সরকার ক্রীড়া বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এবং আজ ভারতের ক্রীড়া মডেল 'ক্রীড়াবিদ-কেন্দ্রিক' হয়ে উঠেছে, যেখানে প্রতিভা শনাক্তকরণ, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ, পুষ্টি এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যা নিশ্চিত করে যে প্রতিটি স্তরে খেলোয়াড়দের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ দেশ 'রিফর্ম এক্সপ্রেস'-এ চড়েছে, যার সঙ্গে প্রতিটি খাত এবং প্রতিটি উন্নয়নের গন্তব্য সংযুক্ত এবং খেলাধুলা তার মধ্যে অন্যতম।” তিনি বলেন যে সরকার ক্রীড়া খাতে বড় ধরনের সংস্কার করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ‘জাতীয় ক্রীড়া শাসন আইন এবং খেলো ভারত নীতি ২০২৫, যা সঠিক প্রতিভাকে সুযোগ দেবে এবং ক্রীড়া সংস্থাগুলোতে স্বচ্ছতা বাড়াবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে এই বিধানগুলো তরুণদের খেলাধুলা এবং শিক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেবে।

 

শ্রী মোদি উল্লেখ করেন যে 'টপস'-এর মতো উদ্যোগগুলো ভারতের ক্রীড়া ইকোসিস্টেমকে রূপান্তরিত করছে, যেখানে শক্তিশালী পরিকাঠামো নির্মাণ, তহবিল ব্যবস্থা এবং তরুণ ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা প্রদানের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন যে গত এক দশকে ভারত বেশ কয়েকটি শহরে ২০টিরও বেশি বড় আন্তর্জাতিক ইভেন্টের আয়োজন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ, হকি বিশ্বকাপ এবং বড় দাবা টুর্নামেন্ট। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস ভারতে অনুষ্ঠিত হবে এবং দেশ ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য জোরালো প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, যার লক্ষ্য হলো আরও বেশি খেলোয়াড়কে প্রতিযোগিতার জন্য আরও বেশি সুযোগ দেওয়া।”

 

স্কুল পর্যায়েও তরুণ ক্রীড়াবিদদের অলিম্পিক ক্রীড়ার সঙ্গে পরিচিত করার প্রচেষ্টা চলছে, একথা উল্লেখ করে শ্রী মোদি বলেন, খেলো ইন্ডিয়া অভিযানের মাধ্যমে শত শত যুবক- যুবতি জাতীয় পর্যায়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, মাত্র কয়েক দিন আগেই সংসদে  খেল মহোৎসব শেষ হয়েছে, যেখানে প্রায় এক কোটি তরুণ-তরুণী তাদের প্রতিভা প্রদর্শন করেছে। বারাণসীর সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি গর্বের সাথে জানান যে, সংসদ খেল মহোৎসবে বারাণসীর প্রায় তিন লক্ষ যুবক মাঠে তাদের শক্তি ও দক্ষতা প্রদর্শন করেছে।

 

খেলাধুলার পরিকাঠামোর রূপান্তরের কথা তুলে ধরে শ্রী মোদী বলেন, এর ফলে বারাণসীও উপকৃত হচ্ছে; আধুনিক ক্রীড়া সুবিধা গড়ে তোলা হচ্ছে এবং বিভিন্ন খেলার জন্য স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন ক্রীড়া কমপ্লেক্সগুলো আশেপাশের জেলার খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, যে সিগরা স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে, সেটি এখন অসংখ্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত।

 

প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন যে, বারাণসী বড় বড় অনুষ্ঠানের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে এবং জোর দিয়ে বলেন যে, জাতীয় ভলিবল প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া মানচিত্রে একটি স্থান করে নেওয়া শহরটির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি স্মরণ করেন যে, এই চ্যাম্পিয়নশিপের আগে বারাণসী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, যা স্থানীয় মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছে। এর মধ্যে ছিল জি-২০ বৈঠক, কাশী তামিল সঙ্গম এবং কাশী তেলুগু সঙ্গমের মতো সাংস্কৃতিক উৎসব, প্রবাসী ভারতীয় সম্মেলন এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে বারাণসীর স্বীকৃতি। তিনি মন্তব্য করেন যে, এই চ্যাম্পিয়নশিপটি এখন এই সাফল্যগুলোর সঙ্গে আরেকটি রত্ন হিসেবে যুক্ত হচ্ছে এবং তিনি বলেন যে, এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলো বারাণসীকে বড় বড় আয়োজনের জন্য একটি প্রধান গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে বারাণসীতে মনোরম ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে, সাথে থাকে সুস্বাদু মৌসুমী খাবার, এবং তিনি মালাইয়্যো উপভোগ করার পরামর্শ দেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের বাবা বিশ্বনাথ দর্শন, গঙ্গায় নৌকা ভ্রমণ এবং শহরের ঐতিহ্যে অবগাহনের অভিজ্ঞতাও সাথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য শেষ করার সময় প্রধানমন্ত্রী টুর্নামেন্টে ভালো পারফর্ম করার জন্য খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, বারাণসীর মাটি থেকে প্রতিটি স্পাইক, ব্লক এবং পয়েন্ট ভারতের ক্রীড়া আকাঙ্ক্ষাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং তিনি আবারও সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

প্রেক্ষিত

 

৪ থেকে ১১ই জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ৭২তম জাতীয় ভলিবল টুর্নামেন্টে ভারতজুড়ে বিভিন্ন রাজ্য ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী ৫৮টি দলের ১,০০০-এরও বেশি খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবেন। আশা করা হচ্ছে, এই টুর্নামেন্টটি ভারতীয় ভলিবলে উচ্চমানের প্রতিযোগিতা, ক্রীড়াসুলভ মনোভাব এবং প্রতিভার প্রদর্শন করবে।

 

বারাণসীতে ৭২তম জাতীয় ভলিবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করাটি এই শহরে ক্রীড়া পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং ক্রীড়া উন্নয়নের উপর ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকেই তুলে ধরে। এটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া উদ্যোগ আয়োজনে শহরের প্রসারিত ভূমিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রধান জাতীয় ইভেন্টগুলির কেন্দ্র হিসেবে শহরের পরিচিতিকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
82 km in less than 1 hour: Delhi-Meerut Namo Bharat corridor set for full opening on Feb 22

Media Coverage

82 km in less than 1 hour: Delhi-Meerut Namo Bharat corridor set for full opening on Feb 22
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 22 ফেব্রুয়ারি 2026
February 22, 2026

From Hours to Minutes: PM Modi’s Vision Turns Namo Bharat into Atmanirbhar Chips, AI & Global Pride