প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ উত্তর প্রদেশের বারানসী সফর করেন।

বারানসী’তে তিনি আন্তর্জাতিক ধান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরীক্ষাগারও তিনি ঘুরে দেখেন।

দীনদয়াল হস্তকলা সঙ্কুলে প্রধানমন্ত্রী “এক জেলা, এক পণ্য’ শীর্ষক প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

এরপর, তিনি পেনশন প্রদান ও পরিচালনার লক্ষ্যে এক সুসংবদ্ধ প্রকল্পের সূচনা করেন। বারানসীতে একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ উপলক্ষে ফলকের আবরণ উন্মোচন করেন।

আজ যেসব প্রকল্পের আবরণ উন্মোচন করা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে শ্রী মোদী বলেন, এগুলির সবকটিরই অভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে, তা হল – জীবনযাপনের মানোন্নয়ন ও সহজে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলা। তিনি উত্তর প্রদেশ সরকারের ‘এক জেলা, পণ্য’ প্রকল্পটিকে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির সম্প্রসারিত অঙ্গ হিসাবে বর্ণনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তর প্রদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ রাজ্যের ঐতিহ্যের অঙ্গ হয়ে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ভাদোহির কার্পেট শিল্প, মীরাটের ক্রীড়া সাজসরঞ্জাম, নির্মাণ শিল্প, বারানসীর দুগ্ধ শিল্প প্রভৃতির কথাও উল্লেখ করেন।

বারানসী ও পূর্বাঞ্চলকে হস্তশিল্প ও শিল্পকলার হাব বা মূল কেন্দ্র হিসাবে উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, বারানসী ও সংলগ্ন এলাকার ১০টি সামগ্রী জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা সতন্ত্র ভৌগোলিক পরিচিতির স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এক জেলা, এক পণ্য’ প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নত মানের যন্ত্র ও সাজসরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও বিপণন সহায়তার ফলে শিল্পকলা ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে। এই অনুষ্ঠানে ২ হাজার কোটি টাকা ঋণ সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে তাঁকে অবহিত করা হয়েছে বলে শ্রী মোদী জানান।

তিনি বলেন, ‘এক জেলা এক পণ্য’ প্রকল্পে উৎপাদকদের সহায়তার পাশাপাশি উৎপাদিত সামগ্রীর বিপণনেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দীনদয়াল হস্তকলা সঙ্কুল এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যগুলি পূরণ করছে।

সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের মানোন্নয়নের পাশাপাশি, সহজে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করেছে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।

আজ চালু হওয়া পেনশন প্রদান কর্তৃপক্ষ ও পরিচালনা ব্যবস্থা ‘সম্পন্ন’ – এর কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, এই ব্যবস্থার ফলে টেলিযোগাযোগ দপ্তরে পেনশন-প্রাপকরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন এবং সময় মতো পেনশন প্রদান আরও সরল হয়ে উঠবে।

সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের মানোন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার একইভাবে নাগরিক-কেন্দ্রিক পরিষেবা প্রদানেও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছে। তিনি বলেন, ডাকঘরগুলির মাধ্যমে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার বিস্তারে ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্টস্‌ ব্যাঙ্ক বড় ভূমিকা নিয়ে চলেছে। 

গ্রামাঞ্চলে ডিজিটাল উপায়ে বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানে ৩ লক্ষেরও বেশি অভিন্ন পরিষেবা কেন্দ্র কাজ করে চলেছে বলে জানিয়ে শ্রী মোদী দেশে ইন্টারনেট পরিষেবার ব্যাপক বিস্তারের কথা উল্লেখ করেন।

 

প্রসঙ্গত তিনি জানান, এক লক্ষেরও বেশি পঞ্চায়েত প্রতিষ্ঠান ব্রডব্যান্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি কেবলমাত্র মানুষকে সুবিধাই প্রদান করছে না, একই সঙ্গে সরকারি কাজকর্মে স্বচ্ছতা নিয়ে এসে দুর্নীতি দমনে বড় ভূমিকা নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সরকারি ই-মার্কেট প্লেস উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলি এই উদ্যোগে বিশেষভাবে লাভবান হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলির সার্বিক বিকাশে কেন্দ্রীয় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ ধরণের সংস্থাগুলিকে সরলশর্তে ঋণ সহায়তা দিয়ে সহজে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল বাতাবরণ গড়ে তোলা সম্ভব হয়ে উঠছে।

শ্রী মোদী বলেন, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে এই রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে এবং শিল্পের বিস্তারে সর্বাত্মক প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। এ ধরণের প্রাকৃতিক গ্যাসের সুবিধা হ’ল – এটি রান্নার কাজেও ব্যবহার করা যায়। এজন্য বারানসীর হাজার হাজার বাড়িতে এ ধরণের গ্যাস পৌঁছে যাচ্ছে।

বারানসীতে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক ধান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি ক্ষেত্রকে আরও লাভজনক করে তোলার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বহন করছে এই কেন্দ্রটি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাশীর ব্যাপক রূপান্তর এখন সকলেরই দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আজ যে সমস্ত প্রকল্পের সূচনা হয়েছে, সেগুলি এই শহরের আরও পরিবর্তন আনতে ব্যাপক সাহায্য করবে। গঙ্গানদীর পুনরুজ্জীবন তথা সংস্কারে কেন্দ্রীয় সরকারের দায়বদ্ধতার কথা পুনরায় উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, এই উদ্দেশ্য পূরণে জনগণের সমর্থনকে সর্বদাই স্বাগত জানানো হবে।

আগামী জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে বারানসীতে আয়োজিত আসন্ন প্রবাসী ভারতীয় দিবস সাফল্যমণ্ডিত হয়ে উঠবে বলে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

Click here to read PM's speech

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Cotton duty relief: Textile industry welcomes import tax waiver, sees boost for exports and MSMEs

Media Coverage

Cotton duty relief: Textile industry welcomes import tax waiver, sees boost for exports and MSMEs
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister pays tribute to Lokmata Ahilyabai Holkar on her birth anniversary
May 31, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has paid tributes to Lokmata Ahilyabai Holkar on her birth anniversary.

Shri Modi said that the entire nation remembers Lokmata Ahilyabai Holkar with deep respect and reverence for her wisdom, compassion and unwavering commitment to public welfare.

The Prime Minister noted that her life remains an exemplary model of good governance, patriotism and cultural pride. He said that she always led with courage and a strong sense of duty.

The Prime Minister highlighted her unparalleled contribution to ensuring justice and welfare for all, as well as her efforts towards the reconstruction of sacred temples and pilgrimage sites across the country. He remarked that her work further strengthened India’s cultural consciousness.

The Prime Minister stated that Lokmata Ahilyabai Holkar’s dedication to society, culture and nation-building will continue to inspire every generation of the country.

The Prime Minister wrote on X;

“लोकमाता अहिल्याबाई होल्कर जी को उनकी जयंती पर कोटि-कोटि नमन! बुद्धिमत्ता, करुणा और जनकल्याण के प्रति अटूट निष्ठा को लेकर पूरा देश उन्हें आदर और सम्मान के साथ स्मरण करता है। उनका जीवन सुशासन, राष्ट्रभक्ति और सांस्कृतिक गौरव का एक उत्कृष्ट उदाहरण है। उन्होंने सदैव साहस और कर्तव्यनिष्ठा के साथ नेतृत्व किया। देशभर में पावन मंदिरों और तीर्थस्थलों के पुनर्निर्माण से लेकर सभी के लिए न्याय और कल्याण सुनिश्चित करने में उन्होंने अतुलनीय योगदान दिया। उन्होंने भारत की सांस्कृतिक चेतना को और सशक्त बनाया। समाज, संस्कृति और राष्ट्र निर्माण के प्रति उनका समर्पण भाव देश की हर पीढ़ी को प्रेरित करता रहेगा।”