বিকশিত রাজ্যগুলির মাধ্যমে বিকশিত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়িত হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিটি রাজ্য, প্রতিটি শহর এবং প্রতিটি গ্রামের বিকাশের ক্ষেত্রে আমাদের দায়বদ্ধ থাকতে হবে। এইভাবে এগোলে ২০৪৭-এর আগেই বিকশিত ভারতের লক্ষ্যপূরণ সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণ এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য প্রতিটি রাজ্যকে কমপক্ষে একটি করে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য নীতি আয়োগকে একটি ‘বিনিয়োগ-বান্ধব সনদ’ তৈরি করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্য করেছেন যে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীরা ভারতে ব্যাপকভাবে আগ্রহী এবং রাজ্যগুলিকে এই সুযোগটি কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেছেন
প্রধানমন্ত্রী জলসম্পদ কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য রাজ্য পর্যায়ে রিভার গ্রিড তৈরিতে উৎসাহিত করেছেন
প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরের শহরগুলিতে টেকসই নগর উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগর পরিকল্পনার আহ্বান জানিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী উদীয়মান খাতের দিকে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণের উপর জোর দিয়েছেন যাতে তারা কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত হন
প্রধানমন্ত্রী ভারতের নারী শক্তির বিশাল শক্তির উপর জোর দিয়েছেন
বৈঠকে ২৪টি রাজ্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল অংশগ্রহণ করেছিল

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে নীতি আয়োগের পরিচালন পরিষদের দশম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। বৈঠকে যোগ দেন ২৪টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের উপরাজ্যপাল। এ বছর বৈঠকের থিম ছিল, বিকশিত ভারত@২০৪৭-এর জন্য বিকশিত রাজ্য। বৈঠকের শুরুতে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় নিহদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিকশিত ভারত গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন ১৪০ কোটি ভারতবাসী। এই বিষয়টি কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। সব রাজ্য একযোগে কাজ করলে প্রগতির পথে কোনও বাধাই থাকবে না। প্রতিটি রাজ্য, প্রতিটি শহর এবং প্রতিটি গ্রামের বিকাশের ক্ষেত্রে আমাদের দায়বদ্ধ থাকতে হবে। এইভাবে এগোলে ২০৪৭-এর আগেই বিকশিত ভারতের লক্ষ্যপূরণ সম্ভব। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের ৫টি বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। এদেশের ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছেন। পরিবর্তনের এই অধ্যায়কে আরও দ্রুত করে তুলতে হবে। ভারত সরকারের ঘোষিত ম্যানুফ্যাকচারিং মিশনের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি রাজ্যকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে উৎপাদনের কর্মকাণ্ড বাড়িয়ে তোলার পরামর্শ দেন। 

বিনিয়োগকারীরা ভারতের প্রতি খুবই আকৃষ্ট হয়ে পড়ছেন বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। এর সুযোগ নিতে রাজ্যগুলিকে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি। সংযুক্ত আমির আমিরশাহী, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলিকে এই বোঝাপড়ার সুযোগ কাজে লাগাতে বলেছেন। 

দক্ষতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতীয় শিক্ষা নীতি শিক্ষার পাশাপাশি প্রায়োগিক কর্মকুশলতা বৃদ্ধির কথা বলে। কৃত্রিম প্রযুক্তি, সেমি-কন্ডাক্টর, থ্রিডি প্রিন্টিং-এর মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ক্ষেত্রগুলির জন্য প্রয়োজনীয় মানব সম্পদ গড়ে তোলার জন্য তিনি রাজ্যগুলির কাছে আবেদন রেখেছেন। জনবিন্যাসগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে ভারত দক্ষ মানব সম্পদের ক্ষেত্রে সারা বিশ্বের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। তিনি আরও বলেন, দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে ভারত সরকার ৬০,০০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। রাজ্যগুলির উচিত, আধুনিক প্রশিক্ষণ পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং গ্রামাঞ্চলেও দক্ষতায়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া। 

 

সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রধানমন্ত্রী একইসঙ্গে চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ হিসেবে দেখছেন। হাইড্রোজেন এবং পরিবেশ বান্ধব শক্তিক্ষেত্র আগামীদিনে প্রভূত সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে বলে তিনি মনে করেন। 

ভারতে জি-২০ শিখর সম্মেলনের আয়োজন এই দেশকে আরও বেশি করে সারা বিশ্বের পর্যটকদের গন্তব্য করে তুলেছে এবং তার সুযোগ নেওয়ার জন্য প্রতিটি রাজ্যে আন্তর্জাতিক মানের অন্তত একটি করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা বলেন তিনি। সারা দেশে এ ধরনের ২৫-৩০টি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা যেতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। 

নরেন্দ্র মোদী বলেন যে ভারতে নগরায়ন হচ্ছে দ্রুত হারে। টিয়ার ২ এবং টিয়ার ৩ শহরগুলির ওপর বিশেষ লক্ষ্য দিয়ে এইসব জনপদকে পরিবেশ বান্ধব বিকাশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলায় উদ্যোগী হতে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলির কাছে আবেদন রেখেছেন। এই কাজে গতি আনতে ১ লক্ষ কোটি টাকার আরবান চ্যালেঞ্জ ফান্ড গড়ে তোলা হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। 

ভারতের নারী শক্তির অতুলনীয় ক্ষমতার কথা ফের উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। বিকাশের কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দেন। কর্মক্ষেত্রকে মহিলাদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে সরকারি এবং বেসরকারি- দুটি স্তরেই সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। 

জলের সঙ্কট এবং বন্যার মোকাবিলায় নদী সংযুক্তিকরণের উদ্যোগ সব রাজ্যের পক্ষেই সহায়ক বলে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য। কোশি-মোচি সংযুক্তি গ্রিড চালু করার জন্য তিনি বিহারের প্রশংসা করেন। সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিকাশকামী জেলা কর্মসূচি বিশেষ সহায়ক হয়ে উঠেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। 

 

কৃষি ক্ষেত্রে ‘পরীক্ষাগার থেকে খামার’ প্রণালীর ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযানের আওতায় প্রায় ২,৫০০ বিজ্ঞানী আগামীদিনে গ্রাম এবং গ্রামীণ কেন্দ্রগুলিতে গিয়ে ফসলের বৈচিত্র্যকরণ এবং রাসায়নিক মুক্ত কৃষি বিষয়ে এলাকার মানুষজনকে অবহিত করবেন। এক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীদের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান ব্যবস্থাপনাকে আরও জোরদার করে তোলার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিডের মতো চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং অক্সিজেন প্ল্যান্টগুলির অবস্থা পর্যালোচনা করে দেখার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। জেলা হাসপাতালগুলিতে থাকা চিকিৎসকদের পরামর্শ যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষজন পেতে পারেন, সেজন্য টেলি-মেডিসিন কর্মসূচি জোরদার করার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এক্ষেত্রে তিনি ই-সঞ্জীবনী প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপারেশন সিঁদুর-কে নিছক একবারেরই একটি বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ হিসেবে দেখা উচিত নয়। যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গী এবং নাগরিক স্তর পর্যন্ত প্রস্তুতির ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। এজন্যই সম্প্রতি দেশ জুড়ে মক ড্রিলের আয়োজন হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। 

অপারেশন সিঁদুর যেভাবে জঙ্গিদের পরিকাঠামো ধ্বংস করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়- বলেছেন সমবেত মুখ্যমন্ত্রী এবং উপরাজ্যপালরা। সশস্ত্র বাহিনীর শৌর্য এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের তাঁরা ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার উদ্যোগ সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে বলে তাঁরা একমত।

বিকশিত ভারত@২০৪৭-এর জন্য বিকশিত রাজ্য- এই ধারণা সংক্রান্ত্র বিভিন্ন অভিমত পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী ও উপরাজ্যপালরা। এইসব প্রস্তাব মূলত কৃষি, শিক্ষা, দক্ষতায়ন, পানীয় জল, সাইবার নিরাপত্তা, মহিলাদের ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত্র। 

বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে যেসব প্রস্তাব এসেছে, তা পর্যালোচনা করে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী নীতি আয়োগের আধিকারিকদের পরামর্শ চেয়েছেন। নীতি আয়োগের পরিচালন পরিষদের বৈঠকগুলি যৌথ ভিত্তিতে দেশ গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়ায় বিশেষভাবে সহায়ক হয়ে উঠেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তিতে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যপূরণ অবশ্যই সম্ভব হয়ে উঠবে বলে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যয়ী। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s Defence Exports Explode: ₹40,000 Crore Milestone Signals a New Manufacturing Era

Media Coverage

India’s Defence Exports Explode: ₹40,000 Crore Milestone Signals a New Manufacturing Era
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s remarks during inauguration of Swaminarayan Hindu Temple in Paris
September 06, 2026

पूज्य महंत स्वामी, फ्रांस सरकार के सम्मानित प्रतिनिधिगण, उपस्थित अतिथिगण, इंडियन कम्युनिटी के मेरे साथी, देश दुनिया से जुड़े सभी हरि भक्त, देवियों और सज्जनों, जय स्वामीनारायण!

आज फ्रांस की राजधानी पेरिस में भव्य स्वामीनारायण मंदिर का लोकार्पण हो रहा है। यह लोकार्पण भारत और फ्रांस के सांस्कृतिक संबंधों का नया युग स्तंभ है। पूज्य संत जनों और सनातन परंपरा के श्रेष्ठ जनों के आशीर्वाद के साथ आज इस लोकार्पण का मंच ‘वसुधैव कुटुम्बकम’ के भाव का मंच बन गया है। भगवान स्वामीनारायण की कृपा और हमारे संतों का स्नेह, संतों का आशीर्वाद, मेरा सौभाग्य है कि मुझे ऐसे पुण्य अवसरों से जुड़ने का अवसर हमेशा मिलता रहता है। आज भी मैं भले ही पेरिस में आप सबके बीच उपस्थित नहीं हूं, लेकिन मन से और हृदय से, मैं स्वयं को आपके बीच ही अनुभव कर रहा हूं।

साथियों,

आज इस अवसर पर मैं परम पूज्य प्रमुख स्वामी जी महाराज का भी श्रद्धापूर्वक स्मरण करता हूं। प्राचीन काल में भारत का जो सांस्कृतिक आध्यात्मिक वैभव था, उन्होंने उसके पुनर्जागरण का एक अभियान शुरू किया था। आज उसका प्रकाश यूरोप समेत पूरी दुनिया में फैल रहा है। 2024 में अबू धाबी में भव्य मंदिर का लोकार्पण हुआ था। आज वहां हजारों लोग दर्शन करने जाते हैं और अब यहां पेरिस में स्वामीनारायण मंदिर का निर्माण सृजन की यह निरंतरता, यह संतों की संकल्प शक्ति का ही प्रमाण है। मैं पुनीत कार्य के लिए पूज्य महंत स्वामी का आभार प्रकट करता हूं, मैं उनके चरणों में प्रणाम करता हूं। मैं BAPS स्वामीनारायण संस्था को और करोड़ों हरि भक्तों को इस अवसर पर हृदय की गहराई से बधाई देता हूं।

साथियों,

BAPS के माध्यम से जब अलग-अलग देश में मंदिरों की प्राण प्रतिष्ठा होती है, तो वहां भारत के प्राचीन विचार और मानवीय मूल्य भी साथ-साथ ही जाते हैं और भारत का विचार कहता है ‘समानं मनः सह चित्तमेषाम्’ अर्थात हमारे मन समान हो, हमारे हृदय साथ जुड़े। इसलिए आज जब फ्रांस में इतना भव्य मंदिर बनकर तैयार हुआ है, यह फ्रांस की विविधता को तो समृद्ध करेगा ही, इससे भारत और फ्रांस के सांस्कृतिक संबंधों को भी ऊर्जा मिलेगी।

साथियों,

बीते वर्षों में भारत और फ्रांस के संबंध नई ऊंचाइयों तक पहुंचे हैं। मेरे मित्र, प्रेसिडेंट मैक्रों के साथ मिलकर दोनों देश एक Special Global Strategic Partnership बना रहे हैं। Technology, AI और Defence से लेकर Space और Climate Action तक हम एक नई गति और नई ऊर्जा के साथ मिलकर के आगे बढ़ रहे हैं। हम 2026 को India-France Year of Innovation के रूप में भी सेलिब्रेट कर रहे हैं। भारत-फ्रांस की ये Strategic Partnership इसलिए भी खास है, क्योंकि ये हमारे पुराने सांस्कृतिक-राजनैतिक सम्बन्धों की मजबूत बुनियाद पर टिकी है। इतिहास गवाह है, फ्रांस में भारतीय सैनिकों के बलिदान का इतिहास आज भी मन-मंदिर में जीवित है। भाषा से जुड़े विषयों में रुचि रखने वाले लोग यह भी जानते हैं कि फ्रेंच स्कॉलर्स ने संस्कृत को लोकप्रिय बनाने में कितनी अहम भूमिका निभाई है। रामकृष्ण परमहंस और स्वामी विवेकानंद पर रोमाँ रोलाँ की की लेखनी हमारी सोसाइटीज़ को और करीब लाई है। पेरिस से पुडुचेरी के अरबिंदो आश्रम तक 'The mother' की spiritual journey, उसने कितने ही भारतीय और फ्रेंच साधकों को inspire किया है।

साथियों,

दशकों पहले श्रील प्रभुपाद स्वामी भी फ्रांस आए थे। इस्कॉन के जरिए भारत फ्रांस के बीच आध्यात्मिक सम्बन्धों का नया अध्याय उन्होंने शुरू किया था। आज योग भी भारत-फ्रांस के people to people कनेक्ट का एक माध्यम बन चुका है। 'इंटरनेशनल योगा डे' पर एफिल टॉवर के सामने से आने वाली तस्वीरें फ्रांस में योग की लोकप्रियता का उदाहरण बनती हैं और अब BAPS के इस भव्य मंदिर के जरिए, हमारे उन सांस्कृतिक सम्बन्धों में एक नया अध्याय जुड़ रहा है।

साथियों,

इन दिनों, भारत फ्रांस Joint Ventures की संभावनाओं पर बातें होती हैं। स्वामीनारायण मंदिर ने इस संभावना में भी एक नया आयाम जोड़ा है। यह मंदिर 'मेड इन इंडिया' है और 'बिल्ट इन फ्रांस' है। इसके काफी पत्थरों को भारत में तराशा गया है। भारत की प्राचीन प्रतिभा यहाँ फ्रांस में आधुनिक इंजीनियरिंग से आकर जुड़ चुकी है। पेरिस में इस भव्य मंदिर ने आकार लिया है। इसलिए, मैं आशा करता हूँ, यह मंदिर सदियों तक भारत और फ्रांस के बीच सहयोग और संभावनाओं का भी प्रतीक बनकर उभरेगा।

साथियों,

स्वामीनारायण मंदिर हमेशा से भक्ति के साथ-साथ सेवा का माध्यम भी रहे हैं। मुझे बताया गया है, यह मंदिर भी सेवा प्रकल्पों का वैसा ही केंद्र बनेगा। मुझे विश्वास है कि यहाँ से भारतीय संस्कृति के जो स्वर निकलेंगे, उनका लाभ पूरे यूरोप में लोगों को मिलेगा। भविष्य में मुझे जब भी समय मिलेगा, मैं इस मंदिर में दर्शन करने का प्रयास अवश्य करूंगा। इन्हीं शब्दों के साथ, एक बार फिर आज के इस लोकार्पण समारोह में सम्मिलित सभी अतिथिगणों को, सभी परिवारों को, सभी हरि भक्तों को और पूरी Indian Diaspora को मेरी ओर से इस शुभारंभ पर्व की ढेरों शुभकामनाएं!

बहुत-बहुत धन्यवाद!

मर्सी बोकू!

जय स्वामीनारायण!