PM Congratulates Shri Harivansh on Historic Third Term as Rajya Sabha Deputy Chairman

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ রাজ্যসভায় ভাষণ দেন এবং টানা তিনবার রাজ্যসভার উপাধ্যক্ষ নির্বাচিত হওয়ায় শ্রী হরিবংশকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এই ঐতিহাসিক সাফল্যনকে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, শ্রী হরিবংশের প্রতি এই সভার গভীর আস্থার এবং তিনি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য যে মূল্যবান অভিজ্ঞতা বয়ে এনেছেন, এটি তারই প্রতিফলন। শ্রী মোদী বলেন, "টানা তৃতীয়বারের জন্য নির্বাচিত হওয়াটা তাঁর অভিজ্ঞতা, তাঁর অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাঁর মর্যাদাপূর্ণ কর্মশৈলীর প্রতি এই সভার অনুমোদনেরই সিলমোহর।"

 

প্রধানমন্ত্রী ১৭ এপ্রিল তারিখটির বিশেষ তাৎপর্যের কথা উল্লেখ করেন, যা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চন্দ্র শেখরের জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে একাত্ম হয়ে যায়। চন্দ্রশেখর জি-র সঙ্গে শ্রী হরিবংশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে, উপাধ্যক্ষ তাঁর গোটা রাজনৈতিক যাত্রাপথে চন্দ্রশেখর জি-র সঙ্গী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাঁর জীবন নিয়ে বইও লিখেছেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "চন্দ্রশেখর জি-র জন্মবার্ষিকীতে আপনার তৃতীয় মেয়াদের শুরু হওয়াটা এই উপলক্ষটিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।"

 

সাংবাদিকতায় শ্রী হরিবংশের বিশিষ্ট কর্মজীবনের কথা স্মরণ করে তাঁর উচ্চ মানদণ্ড বজায় রাখার অঙ্গীকার এবং তাঁর সুদক্ষ লেখনীর প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। শ্রী মোদী বলেন যে, গুজরাটে তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি নিয়মিত শ্রী হরিবংশের নিবন্ধগুলো পড়তেন, সেগুলিতে গভীর অধ্যয়ন এবং দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতিফলন দেখা যেত। শ্রী মোদীর কথায়, "তাঁর লেখনী ছিল অত্যন্ত শাণিত, কিন্তু তাঁর কথাবার্তা ও আচরণ সর্বদা ছিল নম্র ও ভদ্র।"

 

সাংবাদিকতা জীবনে শ্রী হরিবংশের লেখা 'হামারা সাংসদ ক্যায়সা হো' (আমাদের সংসদ সদস্য কেমন হওয়া উচিত) শীর্ষক কলাম সিরিজের মাধ্যমে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এই অভিজ্ঞতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী পরামর্শ দেন যে, সংসদের উভয় কক্ষের নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদীয় আচরণ, মর্যাদা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে শ্রী হরিবংশের অন্তর্দৃষ্টি থেকে প্রভূত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। শ্রী মোদী বলেন, "সম্ভবত তিনি তখন জানতেন না যে, একদিন তিনি নিজেই এই আসনে আসীন হবেন, কিন্তু তাঁর লেখাগুলিতে এই বিষয়টি অত্যন্ত গভীরতার সঙ্গে উঠে এসেছিল।"

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী হরিবংশের অনুকরণীয় সময়ানুবর্তিতা, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং কর্তব্যের প্রতি তাঁর নিষ্ঠাকেই তাঁর সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিত্বের মূল কারণ হিসেবে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন যে, রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার পর থেকে শ্রী হরিবংশ এই সভায় পূর্ণ সময়ের জন্য উপস্থিতি বজায় রেখেছেন এবং এমনকি যখন তিনি সভার সভাপতিত্ব করছেন না, তখনও তিনি অধিবেশনগুলিতে উপস্থিত থাকতেন। শ্রী মোদীর মতে, "এটি দায়িত্বের প্রতি তাঁর গভীর অঙ্গীকারের প্রতিফলন এবং আমাদের সকলের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।"

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী হরিবংশের সংসদীয় দায়িত্বের বাইরেও অসাধারণ জনসম্পৃক্ততার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, বিশেষ করে তরুণদের নিয়ে তাঁর কাজের প্রসঙ্গে। গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান যে, ২০১৮ সালে উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শ্রী হরিবংশ সারা দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫০টিরও বেশি কর্মসূচির আয়োজন করেছেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, আলোচনার বিষয়বস্তু তৈরি করা এবং 'বিকশিত ভারত'-এর স্বপ্ন দিয়ে তাঁদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে এটি এক অসাধারণ অঙ্গীকারের প্রতিফলন।"

 

শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলার ওপর ডেপুটি চেয়ারম্যানের বিশেষ গুরুত্ব আরোপের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, শ্রী হরিবংশ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের উল্লেখ করে ব্যাখ্যা করেন, কেন ভারত অতীতে কাঙ্ক্ষিত গতিতে অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি এবং বর্তমানে জাতির সামনে এমন কী সুযোগ রয়েছে, যার সদ্ব্যবহার করে দেশ এক বড় ধরনের অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও উল্লেখ করেন যে, শ্রী হরিবংশ দেশের 'টিয়ার-২' ও 'টিয়ার-৩' শহরগুলিতে আয়োজিত সাহিত্য উৎসবগুলিতেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত করে চলেছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী হরিবংশের ১৯৯৪ সালে আমেরিকা সফরের একটি কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষ্যমতে, সেই উন্নত দেশে গিয়ে তিনি কী দেখতে চান — এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রী হরিবংশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পরিদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল এটি বোঝা যে, ঠিক কোন ধরণের শিক্ষা ও সংস্কৃতির দৌলতে ওই দেশটি এমন অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, "সেই সফরের পুরোটা সময় তিনি তাঁর নিজস্ব বা অবসরকালীন সময়টুকু ব্যয় করেছিলেন আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণায়, যা একটি 'বিকশিত ভারত' গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে উৎকর্ষসাধনের প্রতি তাঁর গভীর অঙ্গীকারেরই সাক্ষ্য বহন করে।"

 

 প্রধানমন্ত্রী ডেপুটি চেয়ারম্যানের প্রতিষ্ঠা করা বিভিন্ন অধ্যয়ন ও গবেষণা কেন্দ্রের বিস্তারিত বিবরণ দেন, যার মধ্যে রয়েছে – আইআইটি পাটনায় বিলুপ্তপ্রায় ভারতীয় ভাষাগুলির জন্য একটি কেন্দ্র, বিহারের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমিকম্প সংক্রান্ত বিপদের কথা বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠিত ‘সেন্টার ফর আর্থকোয়েক ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং নদীভাঙন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পাটনার আর্যভট্ট জ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত 'নদী অধ্যয়ন কেন্দ্র'। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "তিনি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে, কীভাবে সংসদ সদস্য স্থানীয় এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প তহবিলকে সুনির্দিষ্ট পথে ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সৃষ্টি করা সম্ভব হতে পারে।"

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী হরিবংশের অর্থায়নে অন্যান্য উদ্যোগগুলির কথাও উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে চন্দ্রগুপ্ত ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট-এ একটি 'ব্যবসায়িক ইনকিউবেশন ও উদ্ভাবন কেন্দ্র' এবং মগধ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেন্দ্র'। শহুরে জীবনে অভ্যস্ত হওয়ার পরেও নিজের গ্রামের শিকড়ের সঙ্গে ডেপুটি চেয়ারম্যানের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের প্রশংসা করে শ্রী মোদী বলেন, "হরিবংশ জি তাঁর গ্রামের সঙ্গে গভীর একাত্মতার বন্ধনে আবদ্ধ এবং তিনি তাঁর নিজ সম্প্রদায়ের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে নিরন্তর অবদান রেখে চলেছেন।"

 

নতুন সংসদ ভবন নির্মাণের সময় শ্রী হরিবংশের সঙ্গে কাজ করার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তাঁর এই সহযোগিতা কতটা মূল্যবান ছিল, তার উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

 

 

শ্রী মোদী বলেন, "সংসদ ভবন নির্মাণের সময় একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাটি ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক এবং ফলপ্রসূ।"

 

প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজ্য বিধানসভা, বিধান পরিষদ এবং সেগুলির প্রিসাইডিং অফিসারদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে শ্রী হরিবংশের প্রয়াসের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রশংসা করেন। পাশাপাশি, কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি বলিষ্ঠ ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে। পরিশেষে, শ্রী মোদী একুশ শতকের দ্বিতীয় পর্বে এই সভার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ওপর ন্যস্ত বিশাল দায়িত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Semicon 2.0 to place India among top chip producers: IT Secy

Media Coverage

Semicon 2.0 to place India among top chip producers: IT Secy
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister shares Sanskrit Subhashitam applauding the courage and perseverance of India's Youth
July 20, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, shared a Sanskrit Subhashitam applauding the courage and perseverance of India's Youth:

"प्राप्यापदं न व्यथते कदाचिदुद्योगमन्विच्छति चाप्रमत्तः।

दुःखं च काले सहते महात्मा धुरन्धरस्तस्य जिताः सपत्नाः॥"

Shri Modi said that our youth is achieving historic success through their courage, self-confidence, and relentless hard work, and this is the greatest strength of a rapidly developing India.

The Prime Minister posted on X:

आज हमारे युवा साथी धैर्य, आत्मविश्वास और अथक परिश्रम से ऐतिहासिक सफलता हासिल कर रहे हैं। यही विकसित हो रहे भारत की सबसे बड़ी ताकत है।

प्राप्यापदं न व्यथते कदाचिदुद्योगमन्विच्छति चाप्रमत्तः।

दुःखं च काले सहते महात्मा धुरन्धरस्तस्य जिताः सपत्नाः॥