তাঁর মায়ের শততম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি আবেগতাড়িত ব্লগ লিখেছেন। ছোট বেলায় মায়ের সঙ্গে কাটানো বেশ কিছু স্মৃতি তিনি তুলে ধরেছেন এই ব্লগে। এই ব্লগে তিনি তাঁর মায়ের নানা গুণাবলী ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন, যা তাঁর মানসিকতা, ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলেছে।

“আজ আমি খুব খুশী ও সৌভাগ্যবান যে, আমার মা শ্রীমতী হিরাবা মোদী তাঁর শততম বছরে প্রবেশ করছেন। এই বছরটি হবে তাঁর শতবর্ষ”, লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

স্থৈর্য্যের প্রতিমূর্তি:

তাঁর মায়ের ছোট বেলায় তাঁকে যা দুঃখ-কষ্ট পেতে হয়েছিল, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মা যেমন সরল তেমনই অনন্য। যেমন সব মা হন”। প্রধানমন্ত্রীর মা খুব অল্প বয়সে তাঁর মাকে হারান। তিনি বলেন, “মা এমনকি, আমার দিদিমার মুখ বা কোলের কথাও মনে করতে পারেন না। তাঁর ছোটবেলা কেটেছিল মাতৃহীনভাবে”।

ভাদনগরে তাঁদের মাটির দেওয়াল, টালির ছাদের ছোট্ট বাড়িটির কথা বলে তিনি জানান, ঐ বাড়িতেই তিনি থাকতেন তাঁর বাবা-মা ও ভাই-বোনদের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী, যে অসংখ্য প্রাত্যহিক বাধাবিপত্তির তাঁর মা সম্মুখীন হতেন এবং কাটিয়ে উঠতেন, সে সম্পর্কেও জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, কিভাবে তাঁর মা শুধুমাত্র সংসারের সব কাজই করতেন না, স্বল্প আয়ের সংসারের প্রয়োজনে কাজ করে আরও কিছু অর্থ উপার্জনও করতেন। সংসারের খরচ চালাবার জন্য তিনি কয়েকটি বাড়িতে বাসন মাজার কাজ করতেন এবং অবসর সময়ে চরকাও কাটতেন।

প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, “বৃষ্টির সময় আমাদের ফুটো ছাদ দিয়ে জল পড়তো আর বাড়ি ভেসে যেত। মা ঐ ফুটো দিয়ে পড়া বৃষ্টির জল ধরে রাখার জন্য বালতি ও বাসন পেতে রাখতেন। এই রকম দুর্বিষহ অবস্থাতেও মা ছিলেন স্থৈর্য্যের প্রতিমূর্তি”।

স্বচ্ছতার জন্য যাঁরা কাজ করতেন, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা:

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে তাঁর মা ছিলেন সর্বদাই সচেতন। মায়ের এই স্বভাব সম্পর্কে তিনি বেশ কয়েকটি উদাহরণও দেন।

পরিচ্ছন্নতা ও নিকাশি ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত মানুষদের প্রতি তাঁর মায়ের গভীর শ্রদ্ধার কথা প্রধানমন্ত্রী জানান। ভাদনগরে তাঁদের বাড়ি লাগোয়া নর্দমা পরিষ্কার করতে যখনই কেউ আসতেন, তাঁদের বাড়িতে চা না খেয়ে কেউ-ই যেতে পারতেন না।

অন্যের খুশীতে খুশী হওয়া:

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, তাঁর মা অন্যের খুশীতে খুশী হতেন এবং তাঁর হৃদয়টি ছিল বিশাল। স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি বলেন, “কাছাকাছি গ্রামে বাবার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু থাকতেন। তাঁর অকাল মৃত্যুর পর সেই বন্ধুর ছেলে আব্বাসকে বাবা আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। মা আমাদের প্রতি যতটা যত্নবান ছিলেন, আব্বাসের প্রতিও তাই। প্রত্যেক বছর ঈদে তিনি আব্বাসের পছন্দের খাবার রান্না করতেন। উৎসবের সময় প্রতিবেশী শিশুরা আমাদের বাড়িতে আসত মায়ের হাতের রান্না খেতে”।

প্রধানমন্ত্রীর মা মাত্র দুটি ক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে সরকারি অনুষ্ঠানে গিয়েছেন:

ব্লগে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর মা জনসমক্ষে তাঁর সঙ্গে গেছেন মাত্র দু’বার। একবার একতা যাত্রা শেষে শ্রীনগরে লালচকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর, তিনি আমেদাবাদ ফিরে আসার পর, আয়োজিত জনসভায় তাঁর মা তাঁর কপালে তিলক পরিয়ে দেন। দ্বিতীয়বার ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তিনি যেবার প্রথম শপথ নিলেন, সেইবার।

প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর মায়ের দেওয়া জীবনের শিক্ষা:

প্রধানমন্ত্রী মোদী লিখেছেন, তাঁর মা-ই তাঁকে শিক্ষা দেন যে, প্রথাগত শিক্ষা না থাকলেও জ্ঞানী হওয়া যায়। একটি ঘটনার কথা তিনি জানান। যখন তিনি তাঁর সমস্ত শিক্ষকদের, বিশেষ করে তাঁর মহন্তম শিক্ষক, মা’কে সম্মানিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তাঁর মা অবশ্য তাঁর ইচ্ছা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “দেখো, আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমি তোমাকে জন্ম দিয়ে থাকতে পারি, কিন্তু তোমার শিক্ষা ও বড় হওয়া ঈশ্বরের দান”।

প্রধানমন্ত্রী জানান, যদিও সেই অনুষ্ঠানে তাঁর মা আসেননি, কিন্তু তিনি নিশ্চিত করেছিলেন যে, জেঠাভাই যোশীর পরিবার থেকে কাউকে যেন অবশ্যই সেই অনুষ্ঠানে আহ্বান জানানো হয়। জেঠাভাই যোশী প্রধানমন্ত্রীকে অক্ষর পরিচয় করিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “তাঁর ভাবনা ও দূরদৃষ্টি আমাকে সবসময়েই অবাক করেছে”।

দায়িত্বশীল নাগরিক:

প্রধানমন্ত্রী জানান যে, একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসাবে তাঁর মা পঞ্চায়েত স্তর থেকে পার্লামেন্ট পর্যন্ত সমস্ত রকম নির্বাচনে চিরকাল ভোটদান করে এসেছেন।

অত্যন্ত সরল জীবনযাত্রা:

তাঁর মায়ের অত্যন্ত সরল জীবনযাত্রা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, আজও পর্যন্ত তাঁর মায়ের নামে কোনও সম্পত্তি নেই। “আমি কোনও দিন তাঁকে কোনও সোনার গয়না পরতে দেখিনি। তাঁর কোনও আগ্রহও নেই এই বিষয়ে। আগের মতোই একটা ছোট্ট ঘরে তিনি অত্যন্ত সরল জীবনযাত্রা নির্বাহ করেন”, বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

সর্বশেষ ঘটনাবলী সম্পর্কে অবহিত:

প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর মা বিশ্বের সর্বশেষ ঘটনাবলী সম্পর্কে অবহিত থাকেন। তাঁর ব্লগে তিনি লিখেছেন, “সম্প্রতি আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, সারা দিনে তিনি কতক্ষণ টিভি দেখেন। মা উত্তর দিলেন, অধিকাংশ লোকই টিভিতে একে-অপরের সঙ্গে ঝগড়া করতে ব্যস্ত থাকেন, তাই তিনি যাঁরা শান্তভাবে খবর পড়েন এবং সমস্ত বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন, তাঁদেরই দেখতে পছন্দ করেন। আমি খুব অবাক হয়ে গেলাম যে, মা সব বিষয়েই এতটা খেয়াল রাখেন”।

বয়স হওয়া সত্ত্বেও তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তি:

বৃদ্ধ বয়স সত্ত্বেও তাঁর মায়ের তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ২০১৭’র একটি ঘটনা বলেছেন। ২০১৭’য় প্রধানমন্ত্রী কাশী থেকে সরাসরি মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান। তিনি মায়ের জন্য প্রসাদ নিয়ে গিয়েছিলেন। “মার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর, মা জিজ্ঞেস করলেন, কাশী বিশ্বনাথ মহাদেবকে প্রণাম করেছি কিনা। মা এখনও পুরো নামটাই বলেন, কাশী বিশ্বনাথ মহাদেব। এরপর, কথা প্রসঙ্গে মা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে যাওয়ার গলিগুলো এখনও সেই একই রকম আছে কিনা। মা এমনভাবে বলছিলেন, যেন মনে হয়, কারও বাড়ির মন্দিরের কথা বলছেন। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কবে তিনি কাশী গিয়েছিলেন। মা জানান, তিনি কাশী গিয়েছিলেন বহুদিন আগে কিন্তু তাঁর সব পরিষ্কার মনে আছে”।

অন্যের পছন্দকে সম্মান করা:

প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর মা শুধু যে অন্যের পছন্দকেই সম্মান করেন, তা নয়, কারও উপর তিনি নিজের পছন্দকে চাপিয়েও দেন না। “আমার নিজের ক্ষেত্রেই বিশেষত, তিনি আমার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছিলেন। কখনও বাধা দেননি, বরং উৎসাহ দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকে আমার ভিন্ন ধরনের মানসিকতার বিষয়ে তিনি অবহিত ছিলেন”, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তাঁর ঘর ছাড়ার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর মা-ই সর্বাত্মক সমর্থন দিয়েছিলেন। তাঁর ইচ্ছা জানতে পেরে, তাঁকে আশীর্বাদ করে তাঁর মা বলেছিলেন, “যা তোমার মন চায়, তাই করো”।

গরীব কল্যাণে নজর:

প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময়েই দৃঢ় সিদ্ধান্ত ও গরীব কল্যাণে নজর দিতে উৎসাহিত করেছেন। ২০০১ – এর একটি ঘটনার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণার পর তিনি গুজরাটে পৌঁছে সরাসরি মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান। মা খুবই উল্লাসিত হয়ে তাঁকে বলেন, “সরকারে তুমি কি কাজ করবে, আমি জানি না, কিন্তু আমি চাই, তুমি যেন কখনও ঘুষ নিও না”।

তাঁর মা তাঁকে সবসময়েই আশ্বস্ত করে বলেন, মা’কে নিয়ে চিন্তা না করে বৃহত্তর দায়িত্ব পালনের বিষয়ে মনোযোগ দিতে। যখনই ফোনে কথা হয়, তাঁর মা বলেন, “কখনও অন্যায় করো না, কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করো না এবং দরিদ্রদের জন্য কাজ করো”।

কঠোর পরিশ্রম – জীবনের মন্ত্র:

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, তাঁর বাবা-মার সততা এবং আত্মসম্ভ্রমই তাঁদের সবচেয়ে বড় গুণ। দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করা সত্ত্বেও, প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর বাবা-মা কোনও দিন সততার পথ ত্যাগ করেননি বা তাঁদের আত্মসম্ভ্রমের সঙ্গে আপোষ করেননি। সমস্ত চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে তাঁদের একটাই মন্ত্র ছিল – কঠোর পরিশ্রম।

মাতৃশক্তির প্রতীক:

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মায়ের জীবন কথায় আমি ভারতের মাতৃশক্তির শাস্তি ও আত্মত্যাগ দেখতে পাই। যখনই আমি মা ও তাঁর মতো কোটি কোটি মহিলাদের দেখি, আমার মনে হয়, ভারতীয় মহিলাদের জন্য কোনও কিছুই অসম্ভব নয়”।

তাঁর মায়ের জীবন কাহিনী অল্পকটি কথায় প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেছেন।

“সমস্ত বঞ্চনার গল্পের পিছনে একজন মায়ের উজ্জ্বল গল্প থাকে

সমস্ত সংগ্রামের অনেক উপরে থাকে একজন মায়ের দৃঢ় সংকল্প”।

 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
With HPV vaccine rollout, AIIMS oncologist says it’s the beginning of the end for cervical cancer in India

Media Coverage

With HPV vaccine rollout, AIIMS oncologist says it’s the beginning of the end for cervical cancer in India
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The HPV vaccination campaign, launched from Ajmer, marks a significant step towards empowering the nation’s Nari Shakti: PM Modi in Rajasthan
February 28, 2026
Our government is committed to all-round development: PM
Today, I had the privilege of launching the nationwide HPV vaccination campaign from Ajmer, inaugurating and laying foundation stones for multiple projects and distributing appointment letters to the youth: PM
The HPV vaccination campaign has commenced from Ajmer, this campaign is a significant step towards empowering the Nari Shakti of the country: PM
The double-engine government is moving forward by taking both Rajasthan’s heritage and development together: PM
The campaign to link rivers started by our government will significantly benefit Rajasthan: PM
There is no shortage of sunlight in Rajasthan, this very sunshine is becoming a source of savings and income for the common man: PM
A very significant role is being played by the PM Surya Ghar Free Electricity Scheme, this scheme has the power to change Rajasthan's destiny: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

तीर्थराज पुष्कर और माता सावित्री की इस पावन भूमि पर, आज मुझे आप सबके बीच आने का, आपके आशीर्वाद प्राप्त करने का अवसर मिला है। इस मंच से मैं सुरसुरा के तेजाजी धाम को, पृथ्वीराज की भूमि अजमेर को प्रणाम करता हूं।

मेरे साथ बोलिए –

तीर्थराज पुष्कर की जय।

तीर्थराज पुष्कर की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

वरूण अवतार भगवान झूलेलाल जी की जय।

भगवान झूलेलाल जी की जय।

मंच पर विराजमान राजस्थान के राज्यपाल हरिभाउ बागडे जी, राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भजनलाल शर्मा जी, पूर्व मुख्यमंत्री बहन वसुंधरा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी भगीरथ चौधरी जी, उपमुख्यमंत्री प्रेमचंद भैरवा जी, दिया कुमारी जी, संसद में मेरे साथी, भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष मदन राठौर जी, उपस्थित अन्य मंत्रिगण, अन्य महानुभाव और राजस्थान के मेरे प्यारे भाई और बहनों। मैं पूज्य संतों का बहुत आभारी हूं, कि हमें आशीर्वाद देने के लिए इतनी बड़ी संख्या में पूज्य संतगण यहां मौजूद हैं।

साथियों,

अजमेर आस्था और शौर्य की धरती है। यहां तीर्थ भी है और क्रांतिवीरों के पदचिन्ह भी हैं। अभी कल ही मैं इजराइल की यात्रा को पूरा करके भारत लौटा हूं। राजस्थान के सपूत मेजर दलपत सिंह के शौर्य को इजराइल के लोग आज भी गौरव से याद करते हैं। मुझे भी इजराइल की संसद में, मेजर दलपत सिंह जी के शौर्य को नमन करने का सौभाग्य मिला। राजस्थान के वीर बाकुरों की, इजराइल के हाइफा शहर को आजाद कराने में जो भूमिका थी, मुझे उसका गौरवगान करने का अवसर मिला है।

साथियों,

कुछ समय पहले ही, राजस्थान में भाजपा की डबल इंजर सरकार को दो साल पूरे हुए हैं, मुझे संतोष है कि आज राजस्थान विकास के नए पथ पर अग्रसर है। विकास के जिन वायदों के साथ भाजपा सरकार आपकी सेवा में आई थी, उन्हें तेजी के साथ पूरा कर रही है। और आज का दिन, विकास के इसी अभियान को तेज करने का दिवस है। थोड़ी देर पहले यहां राजस्थान के विकास से जुड़ी करबी 17 हजार करोड़ रूपयों की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। सड़क, बिजली, पानी, स्वास्थ्य, शिक्षा, हर क्षेत्र में नई शक्ति जुड़ रही है। ये सारे प्रोजेक्टस राजस्थान की जनता की सुविधा बढ़ाएंगे और राजस्थान के युवाओं के लिए, रोजगार के भी अवसर पैदा करेंगे।

साथियों,

भाजपा की डबल इंजर सरकार लगातार युवा शक्ति को सशक्त कर रही है। दो साल पहले तक राजस्थान से भर्तियों में भ्रष्टाचार और पेपर लीक की ही खबरें चमकती रहती थीं, आती रहती थीं। अब राजस्थान में पेपर लीक पर लगाम लगी है, दोषियों पर सख्त कार्रवाई हो रही है। आज यहां इसी मंच से राजस्थान के 21 हजार से अधिक युवाओं को नियुक्ति पत्र भी सौंपे गए हैं। ये बहुत बड़ा बदलाव आया है। मैं इस बदलाव के लिए, नई नौकरियों के लिए, विकास के सभी कामों के लिए, राजस्थान के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज वीरांगनाओं की इस धरती से, मुझे देशभर की बेटियों के लिए एक अहम अभियान शुरू करने का अवसर मिला है। यहां अजमेर से HPV वैक्सीनेशन अभियान शुरू हुआ है। ये अभियान, देश की नारीशक्ति को सशक्त करने की दिशा में अहम कदम है।

साथियों,

हम सब जानते हैं कि परिवार में जब मां बीमार होती है, तो घर बिखर सा जाता है। अगर मां स्वस्थ है, तो परिवार हर संकट का सामना करने में सक्षम रहता है। इसी भाव से, भाजपा सरकार ने महिलाओं को संबल देने वाली अनेक योजनाएं चलाई हैं।

साथियों,

हमने 2014 से पहले का वो दौर देखा है, जिसमें शौचालय के अभाव में बहनों-बेटियों को कितनी पीड़ा, कितना अपमान झेलना पड़ता था। बच्चियां स्कूल छोड़ देती थीं, क्योंकि वहां अलग टॉयलेट की सुविधा नहीं होती थी। गरीब बेटियां सेनिटरी पैड्स नहीं ले पाती थीं। पहले जो सत्ता में रहे, उनके लिए ये छोटी बातें थीं। इसलिए इन समस्याओं की चर्चा तक नहीं होती थी। लेकिन हमारे लिए ये बहनों-बेटियों को बीमार करने वाला, उनके अपमान से जुड़ा संवेदनशील मसला था। इसलिए, हमने इनका मिशन मोड पर समाधान किया।

साथियों,

गर्भावस्था के दौरान कुपोषण माताओं के जीवन के लिए बहुत बड़ा खतरा होता था। हमने सुरक्षित मातृत्व के लिए योजना चलाई, मां को पोषक आहार मिले, इसके लिए पांच हज़ार रुपए बहनों के खाते में जमा करने की योजना शुरु की। मां धुएं में खांसती रहती थी, लेकिन उफ्फ तक नहीं करती थी। हमने कहा ये नहीं चलेगा। और इसलिए उज्जवला गैस योजना बनाई गई। ये सब इसलिए संभव हुआ, क्योंकि भाजपा सरकार, सत्ता भाव से नहीं, संवेदनशीलता के साथ काम करती है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। आज का समय राजस्थान के विकास के लिए बड़ा महत्वपूर्ण है। भाजपा की डबल इंजन सरकार, राजस्थान की विरासत और विकास, दोनों को साथ लेकर चल रही है। हम सब जानते हैं, अच्छी सड़क, अच्छी रेल और हवाई सुविधा सिर्फ सफर आसान नहीं करती, वो पूरे इलाके की किस्मत बदल देती है। जब गांव-गांव तक अच्छी सड़क पहुँचती है, तो किसान अपनी फसल सही दाम पर बेच पाता है। व्यापारी आसानी से अपना सामान बाहर भेज पाते हैं। और हमारा अजमेर-पुष्कर तो, उसकी पर्यटन की ताकत कौन नहीं जानता। अच्छी कनेक्टिविटी का पर्यटन पर सबसे अच्छा असर पड़ता है। जब सफर आसान होता है, तो ज्यादा लोग घूमने आते हैं।

और साथियों,

जब पर्यटक आते हैं तो स्वाभाविक है होटल चलते हैं, ढाबे चलते हैं, कचौड़ी और दाल बाटी ज्यादा बिकती है, यहां राजस्थान के कारीगरों का बनाया सामान बिकता है, टैक्सी चलती है, गाइड को काम मिलता है। यानी एक पर्यटक कई परिवारों की रोज़ी-रोटी बन जाता है। इसी सोच के साथ हमारी सरकार, राजस्थान में आधुनिक कनेक्टिविटी पर बहुत बल दे रही है।

साथियों,

जैसे-जैसे राजस्थान में कनेक्टिविटी का विस्तार हो रहा है, वैसे-वैसे यहां निवेश के लिए भी अवसर लगातार बढ़ते जा रहे हैं। दिल्ली-मुंबई इंडस्ट्रियल कॉरिडोर के इर्द-गिर्द उद्योगों के लिए एक बहुत ही शानदार इंफ्रास्ट्रक्चर बनाया जा रहा है। यानी राजस्थान को अवसरों की भूमि बनाने के लिए, डबल इंजन सरकार हर संभव, अनेक विध काम कर रही है।

साथियों,

राजस्थान की माताएं अपने बच्चों को पालने में ही, राष्ट्र भक्ति का संस्कार देती हैं। राजस्थान की ये धरा जानती है कि देश का सम्मान क्या होता है, और इसीलिए आज राजस्थान की इस धरा पर, मैं आप लोगों से एक और बात कहने आया हूं।

साथियों,

हाल में ही, दिल्ली में, दुनिया का सबसे बड़ा AI सम्मेलन हुआ, Artificial Intelligence इसमें दुनिया के अनेक देशों के प्रधानमंत्री, अनेक देशों के राष्ट्रपति, अनेक देशों के मंत्रि, उस कार्यक्रम में आए थे। दुनिया की बड़ी-बड़ी कंपनियां, उन कंपनियों के कर्ता-धर्ता वो भी एक छत के नीचे इकट्ठे हुए थे। सबने भारत की खुले मन से प्रशंसा की। मैं जरा राजस्थान के मेरे भाई-बहनों से पूछना चाहता हूं। जब दुनिया के इतने सारे लोग, भारत की प्रशंसा करते हैं, ये सुनकर के आपको गर्व होता है की नहीं होता है? आपको गर्व होता है कि नहीं होता है? आपको अभिमान होता है कि नहीं होता है? आपका माथा ऊंचा हुआ या नहीं हुआ? आपका सीना चौड़ा हुआ कि नहीं हुआ?

साथियों,

आपको गर्व हुआ, लेकिन हताशा निराशा में डूबी, लगातार पराजय के कारण थक चुकी कांग्रेस ने क्या किया, ये आपने देखा है। दुनियाभर के मेहमानों के सामने, कांग्रेस ने देश को बदनाम करने की कोशिश की। इन्होंने विदेशी मेहमानों के सामने देश को बेइज्जत करने के लिए पूरा ड्रामा किया।

साथियों,

कांग्रेस, पूरे देश में ल्रगातार हार रही है, और गुस्से में वो इसका बदला, वो भारत को बदनाम करके ले रही है। कभी कांग्रेस, INC यानी इंडियन नेशनल कांग्रेस थी, लेकिन अब INC नहीं बची है, इंडियन नेशनल कांग्रेस नहीं बची है, आज वो INC के बजाय MMC, MMC बन गई है। MMC यानी मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस हो चुकी है।

राजस्थान के मेरे वीरों,

इतिहास गवाह है, मुस्लिम लीग भारत से नफरत करती थी, और इसलिए मुस्लिम लीग ने देश बांट दिया। आज कांग्रेस भी वही कर रही है। माओवादी भी, भारत की समृद्धि, हमारे संविधान और हमारे सफल लोकतंत्र से नफरत करते हैं, ये घात लगाकर हमला करते हैं, कांग्रेस भी घात लगाकर, देश को बदनाम करने के लिए कहीं भी घुस जाती है। कांग्रेस के ऐसे कुकर्मों को देश कभी माफ नहीं करेगा।

साथियों,

देश को बदनाम करना, देश की सेनाओं को कमजोर करना, ये कांग्रेस की पुरानी आदत रही है। आप याद कीजिए, यही कांग्रेस है, जिसने हमारी सेना के जवानों को हथियारों और वर्दी तक के लिए तरसा कर रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसने सालों तक हमारे सैनिक परिवारों को वन रैंक वन पेंशन से वंचित रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसके जमाने में विदेशों से होने वाले रक्षा सौदों में बड़े-बड़े घोटाले होते थे।

साथियों,

बीते 11 वर्षों में भारत की सेना ने हर मोर्चे पर आतंकियों पर, देश के दुश्मनों पर करारा प्रहार किया। हमारी सेना, हर मिशन, हर मोर्चे में विजयी रही। सर्जिकल स्ट्राइक से लेकर ऑपरेशन सिंदूर तक, वीरता का लोहा मनवाया, लेकिन कांग्रेस के नेताओं ने इसमें भी दुश्मनों के झूठ को ही आगे बढ़ाया। देश के लिए जो भी शुभ है, जो भी अच्छा है, जो भी देशवासियों का भला करने वाला है, कांग्रेस उस सबका विरोध करती है। इसलिए, देश आज कांग्रेस को सबक सिखा रहा है।

साथियों,

राजस्थान में तो आपने कांग्रेस के कुशासन को करीब से अनुभव किया है। यहां जितने दिन कांग्रेस की सरकार रही, वो भ्रष्टाचार करने और आपसी लड़ाई-झगड़े में ही उलझी रही। कांग्रेस ने हमारे किसानों को भी हमेशा धोखा दिया है। आप याद कीजिए, कांग्रेस ने दशकों तक सिंचाई की परियोजनाओं को कैसे लटकाए रखा। इसका राजस्थान के किसानों को बहुत अधिक नुकसान हुआ है। ERCP परियोजना को कांग्रेस की सरकारों ने केवल फाइलों और घोषणाओं में उलझाकर रखा। हमारी सरकार ने आते ही इस स्कीम को फाइलों से निकालकर धरातल पर उतारने का प्रयास किया है।

साथियों,

हमारी सरकार ने नदियों को जोड़ने का जो अभियान शुरु किया है, उसका बहुत अधिक फायदा राजस्थान को मिलना तय है। संशोधित पार्वती-कालीसिंध-चंबल लिंक परियोजना हो, यमुना-राजस्थान लिंक प्रोजेक्ट हो, डबल इंजन सरकार ऐसी अनेक सिंचाई परियोजनाओं का लाभ किसानों तक पहुंचाने के लिए प्रतिबद्ध है। आज भी झालावाड़, बारां, कोटा और बूंदी जिले के लिए पानी की अनेक परियोजनाओं पर काम शुरु हुआ है। हमारा प्रयास है, कि राजस्थान में भूजल का स्तर भी ऊपर उठे।

साथियों,

भाजपा सरकार, राजस्थान के सामर्थ्य को समझते हुए, योजनाएं बना रही है, उन्हें लागू कर रही है। मुझे खुशी है कि राजस्थान अब, सूरज की ताकत से समृद्धि कमाने वाली धरती बन गया है। हम सब जानते हैं, हमारे राजस्थान में धूप की कोई कमी नहीं। अब यही धूप, सामान्य मानवी के घर की बचत और कमाई का साधन बन रही है। और इसमें बहुत बड़ी भूमिका है, प्रधानमंत्री सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना की। इस योजना में राजस्थान का भाग्य बदलने की ताकत है। इस योजना में भाजपा सरकार लोगों को अपनी छत पर सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए की सहायता देती है। सरकार सीधे आपके बैंक खाते में पैसे भेजती है। आजादी के बाज सब बजट, सब योजनाएं देख लीजिए, जिसमें मध्यम वर्ग को सबसे ज्यादा लाभ होने वाला है, ऐेसी योजना कभी नजर नहीं आएगी, आज इन परिवारों को सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए सीधा सरकार देती है। सबसे अधिक लाभ मध्यम वर्ग के लोग ले रहे हैं। और जिससे घर पर एक छोटा सा बिजली घर तैयार हो जाता है। दिन में सूरज की रोशनी से बिजली बनती है, घर में वही बिजली काम आती है और जो ज्यादा बिजली बनती है, वो बिजली ग्रिड में जाती है। और जिस घर में बिजली बनी होती है, उसे भी इसका लाभ मिलता है।

साथियों,

आज राजस्थान में सवा लाख से अधिक परिवार इस योजना से जुड़ चुके हैं। और इस योजना की वजह से, कई घरों का बिजली बिल लगभग जीरो आ रहा है। यानी खर्च कम हुआ है, बचत ज़्यादा हुई है।

साथियों,

विकसित राजस्थान से विकसित भारत के मंत्र पर हम लगातार काम कर रहे हैं। आज जिन योजनाओं पर काम शुरू हुआ है, वो विकसित राजस्थान की नींव को और अधिक मजबूत करेंगे। जब राजस्थान विकसित होगा, तो यहां के हर परिवार का जीवन समृद्ध होगा। आप सभी को एक बार फिर, विकास परियोजनाओं के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम के 150 साल देश मना रहा है। मेरे साथ बोलिये-

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

बहुत-बहुत धन्यवाद।