প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়েন-এর সাক্ষাৎকারের পরে শ্রীমতী লেয়েন বলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতের কৌশলগত সহযোগিতা পরস্পরের এবং ব্যাপক ভাবে বিশ্ববাসীর হিতের জন্য অত্যন্ত লাভজনক হয়েছে। তারা ২০ বছরের জন্য ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৌশলগত সহযোগিতা এবং ২০ বছরেরও বেশি সময়ের জন্য ভারত - ইউরোপীয়ান কমিশন সহযোগিতা চুক্তির ভিত্তিতে এই সহযোগিতাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁদের দায়বদ্ধতার কথা বলেন। 

 

শ্রীমতী লেয়েনের নেতৃত্বে ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনাররা ঐতিহাসিক ভারত সফরে এসেছেন। শ্রীমতি লেয়েনের নতুন কার্যকাল শুরু করার পর থেকে ইউরোপীয় মহাদেশের বাইরে এই প্রথম কমিশনারদের একসঙ্গে নিয়ে সফরে বেরিয়েছেন। আর এবারের ভারত ইউরোপীয় কমিশনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসেও এটি এধরনের প্রথম সফর। 

 

বিবিধ বহুত্ববাদী সমাজ সম্পন্ন দুটি বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ এবং উন্মুক্ত বাজার অর্থব্যবস্থা রূপে ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি শক্তিশালী বহুমুখী বিশ্ব ব্যবস্থাকে সাকার করে তোলার দায়বদ্ধতার কথা বলেন। তিনি উভয় দেশের অভিন্ন রুচির কথা জানান, যা শান্তি এবং স্থায়িত্ব, আর্থিক বিকাশ এবং নিয়মিত উন্নয়নের ওপর জোর দেয়। 

 

গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের চার্টার-এর উদ্দেশ্য এবং সিদ্ধান্তগুলির অনুরূপ নিয়মভিত্তিক অন্তঃরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা সহ উভয় রাষ্ট্রের সাধারণ মূল্যবোধ এবং সিদ্ধান্তগুলি যে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সমবিচারধারা সম্পন্ন এবং বিশ্বাসযোগ্য সহযোগী করে তুলেছে, এব্যাপারে সমস্ত নেতারা সহমত। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলিকে কীভাবে মিলিত ভাবে সমাধান করা হবে, কিভাবে স্থায়িত্ব বৃদ্ধি হবে সে বিষয়ে তিনি বলেন, পারস্পরিক সমৃদ্ধিকে উৎসাহ প্রদানের জন্য ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৌশলী সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হওয়ার প্রয়োজনীয়তা এখন অনেক বেড়েছে। 

 

এই প্রেক্ষিতে তিনি ভারত এবং ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য এবং সরবরাহ শৃঙ্খলাগুলি, বিনিয়োগ, ক্রমবিকশিত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি সংস্থাগুলি, নতুন নতুন নিয়মকানুন, প্রতিভা, ডিজিটাল এবং সবুজ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা, মহাকাশ এবং বিভিন্ন ভৌগলিক ক্ষেত্রে সুরক্ষা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি আবহাওয়া পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ লগ্নি, আর বিশ্বময় সন্ত্রাসবাদ প্রভৃতি বিষয়ে প্রতিকূলতার সমাধান করতে বিশ্ববাসীকে সহযোগিতার প্রয়োজনের দিকেও আলোকপাত করেছেন। 

 

উভয় নেতাই বিশ্বস্ত প্রযুক্তিগত এবং সবুজ সংক্রমণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং কৌশলগত সমন্বয়কে উৎসাহ যোগাতে এই সফরের সময় ভারত ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য ও প্রযুক্তি পরিষদ (টিটিসি)-র দ্বিতীয় মন্ত্রী স্তরের বৈঠকের অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। 

 

তাঁরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনারের কলেজ এবং ভারতীয় মন্ত্রীদের মধ্যেও আয়োজিত আলাপ-আলোচনা থেকে বেরিয়ে আসা পরিনামকে স্বাগত জানিয়েছেন। নেতারা নিম্নলিখিত দায়বদ্ধতাগুলি ব্যক্ত করেছেন -

 

ক) নিজের নিজের বক্তব্যে দলগুলিকে ভারসাম্য যুক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং পারম্পরিক লাভজনক এফটিএ-র জন্য অগ্রগতির কাজ অর্পণ করেছেন। এর উদ্দেশ্য, এক বছরের মধ্যে সেগুলি সম্পূর্ণ করা, যাতে ভারত - ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য এবং আর্থিক সম্পর্কের গুরুত্বকে চিহ্নিত করা যায়। নেতারা এবং আধিকারিকরা বাজারের বিস্তার এবং বাণিজ্য সম্পর্কিত বাধাগুলি দূর করার জন্য বিশ্বস্ত সহযোগী রূপে কাজ করার কথা বলেছেন। তাঁরা তাঁদের বিনিয়োগ সংরক্ষণ নিয়ে একটি চুক্তি এবং ভৌগলিক সংকেতগুলি নিয়ে আরেকটি আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছেন। 

 

খ) ভারত - ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাণিজ্য এবং প্রযুক্তি পরিষদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের দৃঢ়তা, বাজার এবং বাণিজ্যের সমস্ত বাধা, সেমিকন্ডাক্টার ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী, বিশ্বাসযোগ্য এবং টেকসই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চপ্রদর্শন কম্পিউটিং ৬জি, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্টটাকচার বা গণপরিকাঠামো, সবুজ এবং স্বচ্ছ শক্তির প্রযুক্তির জন্য যৌথ অনুসন্ধান এবং নতুন নিয়মগুলির ক্ষেত্রে পরিনামদায়ক সহযোগিতাকে সাকার করার কথা বলেছেন। এক্ষেত্রে নিজেদের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে তাঁদের নির্দেশ দেওয়া, যাতে বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য ব্যাটারি রিচার্জ, সমুদ্রে ফেলা প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য সংগ্রহ করে সবুজ বা পুনর্নবীকরণযোগ্য হাইড্রোজেন উৎপাদনের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা যায়। এই প্রেক্ষিতে তাঁরা সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ শৃঙ্খলকে উৎসাহ যোগাতে, পরিপূরক শক্তিগুলির সুবিধা নিতে, প্রতিভা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করতে, ছাত্র, যুব এবং পেশাদারদের একসঙ্গে মিলে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধির কথা বলেছেন। এজন্য সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে চুক্তি সম্পাদনের প্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি সুরক্ষিত এবং বিশ্বস্ত দূরসঞ্চার এবং নমনীয় সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে ভারত ৬জি সংঘ এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের ৬টি স্মার্ট নেটওয়ার্ক এবং পরিষেবা শিল্পোদ্যোগ সংঘের মধ্যে চুক্তিতে হস্তাক্ষর করেছে। 

 

গ) যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি এবং আবহাওয়া, জল, স্মার্ট এবং টেকসই নগরায়ণ, আর বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে ভারত ইউরোপীয় কাউন্সিল সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বিস্তৃত এবং গভীর সম্পর্ক স্থাপন করবে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেন, উপকূলবর্তী বায়ুশক্তি, সৌরশক্তি, টেকসই নগর যাতায়াত ব্যবস্থা, বিমান পরিবহন এবং রেল পরিবহনের মতো বিশিষ্ট ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এই প্রেক্ষিতে তাঁরা ভারত - ইউরোপীয় কাউন্সিল সহ হাইড্রোজেন ফোরাম এবং উপকূলবর্তী বায়ুশক্তি নিয়ে ভারত - ইউরোপীয় কাউন্সিল বাণিজ্য শিখর সম্মেলনের আয়োজন করার সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। 

 

ঘ) ইউরোপীয় কাউন্সিলের কমিশনার এবং মন্ত্রীদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চিহ্নিত সহযোগিতার বিশিষ্ট ক্ষেত্রগুলিকে বিকশিত করা। 

 

ঙ) নতুন দিল্লিতে জি-২০ শিখর সম্মেলনের সময় ঘোষিত ভারত - মধ্য পূর্ব ইউরোপ আর্থিক পথকে (আইএমইসি) সফল করার জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে হবে। আন্তর্জাতিক সৌরবিদ্যুৎ সংঘ (আইএসএ) বিপর্যয়রোধী পরিকাঠামো সংক্রান্ত সৌরশক্তিগুলির মিলিত সংস্থা (সিডিআরআই), শিল্পোদ্যোগে পরিবর্তনের জন্য নেতৃত্বসমূহ (লিডআইটি ২.০) এবং আন্তর্জাতিক জৈব জ্বালানি সম্মেলনের খসড়ায় নিজেদের সহযোগিতাকে মজবুত করা। 

 

চ) উচ্চশিক্ষা, অনুসন্ধান, পর্যটন, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং যুবসম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে ও এই ধরনের আদান-প্রদান বৃদ্ধির জন্য একটি উপযোগী আবহ গড়ে তোলা। পাশাপাশি ভারতের ক্রমবর্ধমান মানবসম্পদ এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের সমস্ত সদস্যের জনসংখ্যা সম্পর্কিত প্রোফাইল এবং শ্রম বাজারের প্রয়োজনের দিকে লক্ষ্য রেখে দক্ষ কর্মী এবং পেশাদারদের জন্য সুরক্ষিত প্রবাসকে উৎসাহিত করা। 

 

নেতারা আন্তর্জাতিক আইন এবং সার্বভৌমত্বের জন্য পারস্পরিক সম্মান এবং কার্যকরি ক্ষেত্রীয় সংস্থানগুলির মাধ্যমে সমস্ত বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্যে নিজেদের দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেন। ভারত, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় উদ্যোগ (আইপিওআই)-এ ইউরোপীয় কাউন্সিল সামিল হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে। উভয় পক্ষ আফ্রিকা এবং ইন্দো-পেসিফিক সহ ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার খোঁজ নেওয়ারও দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেন। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মধ্যে সংযুক্ত মহড়াএবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা নিয়ে সন্তোষ ব্যক্ত করেন। ইউরোপীয় কাউন্সিল ইউরোপে স্থায়ী সৃষ্টিশীল সহযোগিতা (পিইএসসিও)-র মাধ্যমে প্রকল্পগুলিতে সামিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এসওআইএ-র জন্য আলাপ-আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে ভারতের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছে। নেতাদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা খোঁজার জন্যও দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বাণিজ্য এবং সামুদ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলির নিরাপত্তার জন্যও পারম্পরিক এবং অপারম্পরিক বিপদগুলির মোকাবিলার মাধ্যমে সমুদ্র নিরাপত্তা সহ আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও নিজেদের দায়বদ্ধতার কথা পুনরুচ্চারণ করেন। সীমান্ত পাড়ের সন্ত্রাসবাদ এবং সন্ত্রাসবাদকে অর্থ যোগানো সহ সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিরন্তর ভাবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর দিয়েছেন। 

 

উভয় নেতা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন যুদ্ধ সহ সমস্ত আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা করেছেন। তাঁরা আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রসংঘের চার্টারে লিখিত সিদ্ধান্তগুলি এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সম্মানের ভিত্তিতে ইউক্রেনে ন্যায়সঙ্গত এবং স্থায়ী শান্তি-উদ্যোগের জন্য সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁরা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে স্বীকৃত সীমার ভেতর শান্তি এবং সুরক্ষার পাশাপাশি ইজরায়েল এবং প্যালেস্তাইন সহ দুটি বিবাদ সমাধানের দৃষ্টিকোণের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতার কথা পুনরুচ্চারণ করেন। 

 

নেতারা আলোচনার প্রেক্ষিতে নিম্নলিখিত বিশেষ পদক্ষেপগুলি নিয়ে সম্মতি ব্যক্ত করেন :

 

১. বছরের শেষে এফটিএ-র সমাপন আরো দ্রুত করা। 

 

২. নতুন নতুন উদ্যোগ এবং কর্মসূচি খুঁজে বের করার জন্য সুরক্ষা উদ্যোগ এবং নীতি নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা। 

 

৩. আইএমইসি উদ্যোগের তদারকির জন্য সহযোগীদের জন্য সমীক্ষা বৈঠক।

 

৪. যৌথ মূল্যয়ান সমন্বয় এবং অন্তর্সঞ্চালনকে উৎসাহ যোগানোর উদ্দেশে সামুদ্রিক ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করা।

 

৫. সেমিকন্ডাক্টার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিবিড় করতে যত দ্রুত সম্ভব টিটিসি-র পরবর্তী বৈঠকের আয়োজন করা। 

 

৬. গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনকে গুরুত্ব দিয়ে সকল সহযোগী দেশগুলির সরকার এবং শিল্পোদ্যোগের মধ্যে স্বচ্ছ এবং পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনের স্বার্থে বার্তালাপ বাড়ানো। 

 

৭. ত্রিপাক্ষিক সহযোগী পরিকল্পনাগুলির মাধ্যমে ভারত- প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতাকে শক্তিশালী করা। 

 

৮. নানা ক্ষেত্রে প্রস্তুতি এবং সমন্বয়ের জন্য নীতি এবং প্রযুক্তি স্তরে সহযোগিতা সহ উপযুক্ত ব্যবস্থাগুলির উন্নয়নের মাধ্যমে বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে মজবুত করা।

 

উভয় পক্ষের নেতারা বিশ্বাস ব্যক্ত করেছেন যে, এই গুরুত্বপূর্ণ সফর কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত করবে। আর তাঁরা ভারত - ইউরোপীয় ইউনিয়ন কুশলী সহযোগিতাকে আরও বিস্তারিত এবং শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে নিজেদের দায়বদ্ধতার কথা বলেছেন। তাঁরা পরবর্তী ভারত - ইউরোপীয় ইউনিয়ন শীর্ষ সম্মেলন ভারতে যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করা এবং সেই সুযোগে একটি নতুন সংযুক্ত কুশলী এজেন্ডা গ্রহণ করার বিষয়ে আশাপ্রকাশ করেন। প্রেসিডেন্ট ভন ডের লেয়েন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদীকে তাঁর উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
With HPV vaccine rollout, AIIMS oncologist says it’s the beginning of the end for cervical cancer in India

Media Coverage

With HPV vaccine rollout, AIIMS oncologist says it’s the beginning of the end for cervical cancer in India
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The HPV vaccination campaign, launched from Ajmer, marks a significant step towards empowering the nation’s Nari Shakti: PM Modi in Rajasthan
February 28, 2026
Our government is committed to all-round development: PM
Today, I had the privilege of launching the nationwide HPV vaccination campaign from Ajmer, inaugurating and laying foundation stones for multiple projects and distributing appointment letters to the youth: PM
The HPV vaccination campaign has commenced from Ajmer, this campaign is a significant step towards empowering the Nari Shakti of the country: PM
The double-engine government is moving forward by taking both Rajasthan’s heritage and development together: PM
The campaign to link rivers started by our government will significantly benefit Rajasthan: PM
There is no shortage of sunlight in Rajasthan, this very sunshine is becoming a source of savings and income for the common man: PM
A very significant role is being played by the PM Surya Ghar Free Electricity Scheme, this scheme has the power to change Rajasthan's destiny: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

तीर्थराज पुष्कर और माता सावित्री की इस पावन भूमि पर, आज मुझे आप सबके बीच आने का, आपके आशीर्वाद प्राप्त करने का अवसर मिला है। इस मंच से मैं सुरसुरा के तेजाजी धाम को, पृथ्वीराज की भूमि अजमेर को प्रणाम करता हूं।

मेरे साथ बोलिए –

तीर्थराज पुष्कर की जय।

तीर्थराज पुष्कर की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

वरूण अवतार भगवान झूलेलाल जी की जय।

भगवान झूलेलाल जी की जय।

मंच पर विराजमान राजस्थान के राज्यपाल हरिभाउ बागडे जी, राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भजनलाल शर्मा जी, पूर्व मुख्यमंत्री बहन वसुंधरा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी भगीरथ चौधरी जी, उपमुख्यमंत्री प्रेमचंद भैरवा जी, दिया कुमारी जी, संसद में मेरे साथी, भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष मदन राठौर जी, उपस्थित अन्य मंत्रिगण, अन्य महानुभाव और राजस्थान के मेरे प्यारे भाई और बहनों। मैं पूज्य संतों का बहुत आभारी हूं, कि हमें आशीर्वाद देने के लिए इतनी बड़ी संख्या में पूज्य संतगण यहां मौजूद हैं।

साथियों,

अजमेर आस्था और शौर्य की धरती है। यहां तीर्थ भी है और क्रांतिवीरों के पदचिन्ह भी हैं। अभी कल ही मैं इजराइल की यात्रा को पूरा करके भारत लौटा हूं। राजस्थान के सपूत मेजर दलपत सिंह के शौर्य को इजराइल के लोग आज भी गौरव से याद करते हैं। मुझे भी इजराइल की संसद में, मेजर दलपत सिंह जी के शौर्य को नमन करने का सौभाग्य मिला। राजस्थान के वीर बाकुरों की, इजराइल के हाइफा शहर को आजाद कराने में जो भूमिका थी, मुझे उसका गौरवगान करने का अवसर मिला है।

साथियों,

कुछ समय पहले ही, राजस्थान में भाजपा की डबल इंजर सरकार को दो साल पूरे हुए हैं, मुझे संतोष है कि आज राजस्थान विकास के नए पथ पर अग्रसर है। विकास के जिन वायदों के साथ भाजपा सरकार आपकी सेवा में आई थी, उन्हें तेजी के साथ पूरा कर रही है। और आज का दिन, विकास के इसी अभियान को तेज करने का दिवस है। थोड़ी देर पहले यहां राजस्थान के विकास से जुड़ी करबी 17 हजार करोड़ रूपयों की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। सड़क, बिजली, पानी, स्वास्थ्य, शिक्षा, हर क्षेत्र में नई शक्ति जुड़ रही है। ये सारे प्रोजेक्टस राजस्थान की जनता की सुविधा बढ़ाएंगे और राजस्थान के युवाओं के लिए, रोजगार के भी अवसर पैदा करेंगे।

साथियों,

भाजपा की डबल इंजर सरकार लगातार युवा शक्ति को सशक्त कर रही है। दो साल पहले तक राजस्थान से भर्तियों में भ्रष्टाचार और पेपर लीक की ही खबरें चमकती रहती थीं, आती रहती थीं। अब राजस्थान में पेपर लीक पर लगाम लगी है, दोषियों पर सख्त कार्रवाई हो रही है। आज यहां इसी मंच से राजस्थान के 21 हजार से अधिक युवाओं को नियुक्ति पत्र भी सौंपे गए हैं। ये बहुत बड़ा बदलाव आया है। मैं इस बदलाव के लिए, नई नौकरियों के लिए, विकास के सभी कामों के लिए, राजस्थान के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज वीरांगनाओं की इस धरती से, मुझे देशभर की बेटियों के लिए एक अहम अभियान शुरू करने का अवसर मिला है। यहां अजमेर से HPV वैक्सीनेशन अभियान शुरू हुआ है। ये अभियान, देश की नारीशक्ति को सशक्त करने की दिशा में अहम कदम है।

साथियों,

हम सब जानते हैं कि परिवार में जब मां बीमार होती है, तो घर बिखर सा जाता है। अगर मां स्वस्थ है, तो परिवार हर संकट का सामना करने में सक्षम रहता है। इसी भाव से, भाजपा सरकार ने महिलाओं को संबल देने वाली अनेक योजनाएं चलाई हैं।

साथियों,

हमने 2014 से पहले का वो दौर देखा है, जिसमें शौचालय के अभाव में बहनों-बेटियों को कितनी पीड़ा, कितना अपमान झेलना पड़ता था। बच्चियां स्कूल छोड़ देती थीं, क्योंकि वहां अलग टॉयलेट की सुविधा नहीं होती थी। गरीब बेटियां सेनिटरी पैड्स नहीं ले पाती थीं। पहले जो सत्ता में रहे, उनके लिए ये छोटी बातें थीं। इसलिए इन समस्याओं की चर्चा तक नहीं होती थी। लेकिन हमारे लिए ये बहनों-बेटियों को बीमार करने वाला, उनके अपमान से जुड़ा संवेदनशील मसला था। इसलिए, हमने इनका मिशन मोड पर समाधान किया।

साथियों,

गर्भावस्था के दौरान कुपोषण माताओं के जीवन के लिए बहुत बड़ा खतरा होता था। हमने सुरक्षित मातृत्व के लिए योजना चलाई, मां को पोषक आहार मिले, इसके लिए पांच हज़ार रुपए बहनों के खाते में जमा करने की योजना शुरु की। मां धुएं में खांसती रहती थी, लेकिन उफ्फ तक नहीं करती थी। हमने कहा ये नहीं चलेगा। और इसलिए उज्जवला गैस योजना बनाई गई। ये सब इसलिए संभव हुआ, क्योंकि भाजपा सरकार, सत्ता भाव से नहीं, संवेदनशीलता के साथ काम करती है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। आज का समय राजस्थान के विकास के लिए बड़ा महत्वपूर्ण है। भाजपा की डबल इंजन सरकार, राजस्थान की विरासत और विकास, दोनों को साथ लेकर चल रही है। हम सब जानते हैं, अच्छी सड़क, अच्छी रेल और हवाई सुविधा सिर्फ सफर आसान नहीं करती, वो पूरे इलाके की किस्मत बदल देती है। जब गांव-गांव तक अच्छी सड़क पहुँचती है, तो किसान अपनी फसल सही दाम पर बेच पाता है। व्यापारी आसानी से अपना सामान बाहर भेज पाते हैं। और हमारा अजमेर-पुष्कर तो, उसकी पर्यटन की ताकत कौन नहीं जानता। अच्छी कनेक्टिविटी का पर्यटन पर सबसे अच्छा असर पड़ता है। जब सफर आसान होता है, तो ज्यादा लोग घूमने आते हैं।

और साथियों,

जब पर्यटक आते हैं तो स्वाभाविक है होटल चलते हैं, ढाबे चलते हैं, कचौड़ी और दाल बाटी ज्यादा बिकती है, यहां राजस्थान के कारीगरों का बनाया सामान बिकता है, टैक्सी चलती है, गाइड को काम मिलता है। यानी एक पर्यटक कई परिवारों की रोज़ी-रोटी बन जाता है। इसी सोच के साथ हमारी सरकार, राजस्थान में आधुनिक कनेक्टिविटी पर बहुत बल दे रही है।

साथियों,

जैसे-जैसे राजस्थान में कनेक्टिविटी का विस्तार हो रहा है, वैसे-वैसे यहां निवेश के लिए भी अवसर लगातार बढ़ते जा रहे हैं। दिल्ली-मुंबई इंडस्ट्रियल कॉरिडोर के इर्द-गिर्द उद्योगों के लिए एक बहुत ही शानदार इंफ्रास्ट्रक्चर बनाया जा रहा है। यानी राजस्थान को अवसरों की भूमि बनाने के लिए, डबल इंजन सरकार हर संभव, अनेक विध काम कर रही है।

साथियों,

राजस्थान की माताएं अपने बच्चों को पालने में ही, राष्ट्र भक्ति का संस्कार देती हैं। राजस्थान की ये धरा जानती है कि देश का सम्मान क्या होता है, और इसीलिए आज राजस्थान की इस धरा पर, मैं आप लोगों से एक और बात कहने आया हूं।

साथियों,

हाल में ही, दिल्ली में, दुनिया का सबसे बड़ा AI सम्मेलन हुआ, Artificial Intelligence इसमें दुनिया के अनेक देशों के प्रधानमंत्री, अनेक देशों के राष्ट्रपति, अनेक देशों के मंत्रि, उस कार्यक्रम में आए थे। दुनिया की बड़ी-बड़ी कंपनियां, उन कंपनियों के कर्ता-धर्ता वो भी एक छत के नीचे इकट्ठे हुए थे। सबने भारत की खुले मन से प्रशंसा की। मैं जरा राजस्थान के मेरे भाई-बहनों से पूछना चाहता हूं। जब दुनिया के इतने सारे लोग, भारत की प्रशंसा करते हैं, ये सुनकर के आपको गर्व होता है की नहीं होता है? आपको गर्व होता है कि नहीं होता है? आपको अभिमान होता है कि नहीं होता है? आपका माथा ऊंचा हुआ या नहीं हुआ? आपका सीना चौड़ा हुआ कि नहीं हुआ?

साथियों,

आपको गर्व हुआ, लेकिन हताशा निराशा में डूबी, लगातार पराजय के कारण थक चुकी कांग्रेस ने क्या किया, ये आपने देखा है। दुनियाभर के मेहमानों के सामने, कांग्रेस ने देश को बदनाम करने की कोशिश की। इन्होंने विदेशी मेहमानों के सामने देश को बेइज्जत करने के लिए पूरा ड्रामा किया।

साथियों,

कांग्रेस, पूरे देश में ल्रगातार हार रही है, और गुस्से में वो इसका बदला, वो भारत को बदनाम करके ले रही है। कभी कांग्रेस, INC यानी इंडियन नेशनल कांग्रेस थी, लेकिन अब INC नहीं बची है, इंडियन नेशनल कांग्रेस नहीं बची है, आज वो INC के बजाय MMC, MMC बन गई है। MMC यानी मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस हो चुकी है।

राजस्थान के मेरे वीरों,

इतिहास गवाह है, मुस्लिम लीग भारत से नफरत करती थी, और इसलिए मुस्लिम लीग ने देश बांट दिया। आज कांग्रेस भी वही कर रही है। माओवादी भी, भारत की समृद्धि, हमारे संविधान और हमारे सफल लोकतंत्र से नफरत करते हैं, ये घात लगाकर हमला करते हैं, कांग्रेस भी घात लगाकर, देश को बदनाम करने के लिए कहीं भी घुस जाती है। कांग्रेस के ऐसे कुकर्मों को देश कभी माफ नहीं करेगा।

साथियों,

देश को बदनाम करना, देश की सेनाओं को कमजोर करना, ये कांग्रेस की पुरानी आदत रही है। आप याद कीजिए, यही कांग्रेस है, जिसने हमारी सेना के जवानों को हथियारों और वर्दी तक के लिए तरसा कर रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसने सालों तक हमारे सैनिक परिवारों को वन रैंक वन पेंशन से वंचित रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसके जमाने में विदेशों से होने वाले रक्षा सौदों में बड़े-बड़े घोटाले होते थे।

साथियों,

बीते 11 वर्षों में भारत की सेना ने हर मोर्चे पर आतंकियों पर, देश के दुश्मनों पर करारा प्रहार किया। हमारी सेना, हर मिशन, हर मोर्चे में विजयी रही। सर्जिकल स्ट्राइक से लेकर ऑपरेशन सिंदूर तक, वीरता का लोहा मनवाया, लेकिन कांग्रेस के नेताओं ने इसमें भी दुश्मनों के झूठ को ही आगे बढ़ाया। देश के लिए जो भी शुभ है, जो भी अच्छा है, जो भी देशवासियों का भला करने वाला है, कांग्रेस उस सबका विरोध करती है। इसलिए, देश आज कांग्रेस को सबक सिखा रहा है।

साथियों,

राजस्थान में तो आपने कांग्रेस के कुशासन को करीब से अनुभव किया है। यहां जितने दिन कांग्रेस की सरकार रही, वो भ्रष्टाचार करने और आपसी लड़ाई-झगड़े में ही उलझी रही। कांग्रेस ने हमारे किसानों को भी हमेशा धोखा दिया है। आप याद कीजिए, कांग्रेस ने दशकों तक सिंचाई की परियोजनाओं को कैसे लटकाए रखा। इसका राजस्थान के किसानों को बहुत अधिक नुकसान हुआ है। ERCP परियोजना को कांग्रेस की सरकारों ने केवल फाइलों और घोषणाओं में उलझाकर रखा। हमारी सरकार ने आते ही इस स्कीम को फाइलों से निकालकर धरातल पर उतारने का प्रयास किया है।

साथियों,

हमारी सरकार ने नदियों को जोड़ने का जो अभियान शुरु किया है, उसका बहुत अधिक फायदा राजस्थान को मिलना तय है। संशोधित पार्वती-कालीसिंध-चंबल लिंक परियोजना हो, यमुना-राजस्थान लिंक प्रोजेक्ट हो, डबल इंजन सरकार ऐसी अनेक सिंचाई परियोजनाओं का लाभ किसानों तक पहुंचाने के लिए प्रतिबद्ध है। आज भी झालावाड़, बारां, कोटा और बूंदी जिले के लिए पानी की अनेक परियोजनाओं पर काम शुरु हुआ है। हमारा प्रयास है, कि राजस्थान में भूजल का स्तर भी ऊपर उठे।

साथियों,

भाजपा सरकार, राजस्थान के सामर्थ्य को समझते हुए, योजनाएं बना रही है, उन्हें लागू कर रही है। मुझे खुशी है कि राजस्थान अब, सूरज की ताकत से समृद्धि कमाने वाली धरती बन गया है। हम सब जानते हैं, हमारे राजस्थान में धूप की कोई कमी नहीं। अब यही धूप, सामान्य मानवी के घर की बचत और कमाई का साधन बन रही है। और इसमें बहुत बड़ी भूमिका है, प्रधानमंत्री सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना की। इस योजना में राजस्थान का भाग्य बदलने की ताकत है। इस योजना में भाजपा सरकार लोगों को अपनी छत पर सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए की सहायता देती है। सरकार सीधे आपके बैंक खाते में पैसे भेजती है। आजादी के बाज सब बजट, सब योजनाएं देख लीजिए, जिसमें मध्यम वर्ग को सबसे ज्यादा लाभ होने वाला है, ऐेसी योजना कभी नजर नहीं आएगी, आज इन परिवारों को सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए सीधा सरकार देती है। सबसे अधिक लाभ मध्यम वर्ग के लोग ले रहे हैं। और जिससे घर पर एक छोटा सा बिजली घर तैयार हो जाता है। दिन में सूरज की रोशनी से बिजली बनती है, घर में वही बिजली काम आती है और जो ज्यादा बिजली बनती है, वो बिजली ग्रिड में जाती है। और जिस घर में बिजली बनी होती है, उसे भी इसका लाभ मिलता है।

साथियों,

आज राजस्थान में सवा लाख से अधिक परिवार इस योजना से जुड़ चुके हैं। और इस योजना की वजह से, कई घरों का बिजली बिल लगभग जीरो आ रहा है। यानी खर्च कम हुआ है, बचत ज़्यादा हुई है।

साथियों,

विकसित राजस्थान से विकसित भारत के मंत्र पर हम लगातार काम कर रहे हैं। आज जिन योजनाओं पर काम शुरू हुआ है, वो विकसित राजस्थान की नींव को और अधिक मजबूत करेंगे। जब राजस्थान विकसित होगा, तो यहां के हर परिवार का जीवन समृद्ध होगा। आप सभी को एक बार फिर, विकास परियोजनाओं के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम के 150 साल देश मना रहा है। मेरे साथ बोलिये-

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

बहुत-बहुत धन्यवाद।