প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আজ ২০২৭-এর জনগণনাকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর জন্য খরচ হবে ১১,৭১৮.২৪ কোটি টাকা।
ভারতের জনগণনা হ’ল –
• বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রশাসনিক ও পরিসংখ্যানগত প্রক্রিয়া। দুটি পর্যায়ে এই গণনা হবে। ১) বাড়ি এবং আবাসনগুলিতে গিয়ে ২০২৬-এর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত গণনা চলবে। ২) জনগণনা বা পপুলেশন এন্যুমারেশন (পিই) – ফেব্রুয়ারি, ২০২৭ (লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখন্ডে প্রবল শীতের কারণে সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ পিই করা হবে)।
• প্রায় ৩০ লক্ষ কর্মী এই কাজে অংশ নেবেন। পরিসংখ্যানের কাজ নির্ভুল করার লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহের জন্য মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। এরপর, একটি স্বচ্ছ তালিকা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
• ২০২৬-এ গোটা দেশে এই জনগণনা চলবে। এতে মূলত, রাজ্য সরকারের নিয়োগ করা শিক্ষকরা অংশ নেবেন।
• এই জনগণনার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হ’ল, এই প্রথম দেশে জনগণনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো হচ্ছে।
• জনগণনার কাজ তদারকি ও পরিচালনার জন্য সেন্সাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (সিএমএমএস) পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে। দেশজুড়ে ব্যাপক প্রচারাভিযান চালানো হবে। ৩০ লক্ষ কর্মীর মধ্যে থাকবেন এন্যুমারেটর, সুপার ভাইজার, মাস্টার ট্রেনার, চার্জ অফিসার এবং প্রিন্সিপাল/জেলা সেন্সাস অফিসার। জনগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের উপযুক্ত সাম্মানিক ভাতাও দেওয়া হবে।
কর্মসংস্থান সহ জনগণনার প্রভাব –
আসন্ন জনগণনা যথাসম্ভব কম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। স্থানীয় স্তরে প্রায় ৫৫০ দিন ধরে ১৮,৬০০ জন কারিগরি কর্মীকে নিযুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, ১.০২ কোটি মনুষ্য-দিবস সৃষ্টি হবে। স্বাধীনতার পর দেশে এটি অষ্টম জনগণনা।


