প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি তুলা মরসুম ২০২৩-২৪-এ তুলা চাষীদের সরাসরি সহায়তার জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাবদ কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া – সিসিআইকে ১৭১৮.৫৬ কোটি টাকা প্রদানের অনুমোদন দিয়েছে। এরফলে দেশজুড়ে তুলা চাষীরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন।
বাজারদর যখন ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের নীচে চলে যায়, তখন কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদান করা হয়। এতে তুলোর দামে সুস্থিতি আসে, কৃষকরা জলের দরে তুলো বিক্রি করতে বাধ্য হন না।
তুলো ভারতের অন্যতম প্রধান নগদ শস্য, প্রায় ৬০ লক্ষ কৃষকের জীবিকা এর ওপর নির্ভরশীল। প্রক্রিয়াকরণ, বাণিজ্য, বস্ত্র প্রভৃতি সহায়ক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন আরও ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ।
২০২৩-২৪ তুলা মরসুমে প্রায় ১১৪.৪৭ লক্ষ হেক্টর জমিতে তুলো চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩২৫.২২ লক্ষ বেল, যা বিশ্বের মোট তুলো উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশ। ভারত সরকার কৃষি ব্যয় ও মূল্য কমিশন সিএসিপির সুপারিশের ভিত্তিতে কাঁচা তুলোর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করে।
তুলোর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়াকে কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে মনোনীত করেছে। বাজার দর ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের নীচে চলে গেলে কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া কৃষকদের কাছ থেকে তুলো কিনে নেয়, ফলে কৃষকরা একটি নিশ্চিত সুরক্ষা জালের মধ্যে থাকেন।
কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া দেশের প্রধান ১১টি তুলো উৎপাদক রাজ্যে শক্তিশালী সংগ্রহ ও ক্রয় নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। ১৫২টি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছে ৫০৮টি সংগ্রহ ও ক্রয় কেন্দ্র।
এছাড়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কার্যক্রমের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বিভিন্ন প্রযুক্তি নির্ভর ও কৃষককেন্দ্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে রয়েছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সংক্রান্ত তথ্য প্রচার, বেল আইডিফিকেশন অ্যাণ্ড ট্রেসেবিলিটি সিস্টেম – বিটস চালু করা, কটন অ্যালি মোবাইল অ্যাপ চালু করা প্রভৃতি।
हमारी सरकार किसान भाई-बहनों का जीवन अधिक से अधिक आसान बनाने के लिए कोई कोर-कसर नहीं छोड़ रही है। इसी दिशा में आज कपास सीजन 2023-24 के लिए MSP फंडिंग को मंजूरी दी गई है। हमारे इस कदम से देशभर के कपास किसानों के हितों की रक्षा सुनिश्चित होगी।https://t.co/PAf5eSM2o3
— Narendra Modi (@narendramodi) March 18, 2026


