The path shown by Yogi Ji is not about 'Mukti' but about 'Antaryatra' : PM
India's spirituality is India's strength: PM
It is unfortunate that some people link 'Adhyatma' with religion: PM Modi
Once an individual develops an interest in Yoga and starts diligently practicing it, it will always remain a part of his or her life: PM

আজ ৭ মার্চ,ঠিক ৬৫ বছর আগে একটি শরীর আমাদের কাছ থেকে চলে গেছে আর একটি নির্দিষ্ট সীমায় আবদ্ধআত্মা অনন্তকালের আস্থা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

আজ ৭ মার্চ,আমরা একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে সমবেত হয়েছি। আমি শ্রীশ্রী মাতাজিকেও প্রণাম জানাই,আমাকে বলা হয়েছে যে তিনিও আজ লসঅ্যাঞ্জেলসে এই অনুষ্ঠানে সামিল হয়েছেন।

একটু আগেইস্বামীজি বলছিলেন যে, বিশ্বের ৯৫ শতাংশ মানুষ নিজের মাতৃভাষায় যোগীজির আত্মকথাপড়তে পারেন কিন্তু তার চাইতেও বেশি অবাক হয়েছি একথা ভেবে, যাঁরা এই দেশকে জানেননা, এদেশের ভাষা জানেন না, এদেশের পরিধেয়র মানে বোঝেন না, কস্টিউম ভাবেন, তাঁরাকেন এই আত্মকথা পড়তে আকৃষ্ট হন? তাঁরা কেন যোগীজির আত্মকথা নিজের ভাষায় অনুবাদ করেপ্রচার করেন? এটা নিশ্চয়ই একটি বিশেষ আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার পরিণাম, যার ফলে সকলেইপ্রসাদ বিতরণের মতো নিজের পবিত্র অভিজ্ঞতা অন্যদের বিতরণ করে আনন্দ পান।


যোগীজি যাইকরেছেন, তার বর্ণনাকে প্রসাদের মতো ভেব অন্যদের বিতরণের মাধ্যমে তাঁদের জীবনেওআধ্যাত্মিক সুখের অনুভূতি এনে দেওয়া সম্ভব হয়। আমাদের দেশে মুক্তির উপায় নিয়ে অনেকআলোচনা হয়। অনেকে ভাবেন, এই জীবনে যা আছে শুধু তাই আছে, আগামীকাল কেই বা দেখেছেন!অনেকে আবার মুক্তির উপায় প্রশস্ত করবার চেষ্টা করেন! কিন্তু যোগীজির জীবনেরযাত্রাপথের বর্ণনায় মুক্তির যাত্রাপথ নয়, অন্তর্যাত্রার আলোচনা রয়েছে। আমরা নিজেরঅন্তরে কতটা ডুব দিতে পারি, নিজের মধ্যে কিভাবে সমাহিত হতে পারি! ত্রুটিগত বিস্তারএকটি স্বভাব, অধ্যাত্ম মনের গভীরে ডুব দেওয়ার একটি পরিণাম হ’ল অনন্ত মঙ্গলযাত্রা।আর সেই যাত্রাকে সঠিক পথে সঠিক গতিতে যথাযত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে আমাদেরমুনি-ঋষি-আচার্য-ভগবন্ত এবং তপস্বীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।


যোগীজির জীবনেরবৈশিষ্ট্য, তাঁর জীবনকাল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত, সেটাও হয়তো কোনও আধ্যাত্মিক সংকেত।কখনও হঠযোগীদের খারাপ মানা হয়, কিন্তু তিনি প্রখর রূপে হঠযোগের ইতিবাচক দিকগুলিনিয়ে তর্কবিতর্কের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন। কিন্তু প্রত্যেককে ক্রিয়াযোগের পথেপ্রেরণা যোগায়। এখন আমি মানি যোগের যত প্রকার রয়েছে, সেগুলিরমধ্যে ক্রিয়াযোগ একটিস্থান নিশ্চিত করেছে। আমাদের নিজেদের অন্তর অভিমুখে নিয়ে যেতে আত্মবলের প্রয়োজনহয়। কিছু যোগ এরকম হয় যেখানে শারীরিক বলের প্রয়োজন থাকে। কিন্তু ক্রিয়াযোগেরক্ষেত্রে চাই আত্মবল। আর সেজন্য লক্ষ্য বদলে যায়। যোগীজি বলতেন, “ভাই আমিহাসপাতালের বিছানায় মরতে চাই না, জুতো পায়ে পরেই কোনও একদিন ‘মহাভারতী’ স্মরণ করে শেষবিদায় নিতে চাই”। তিনি ভারতকে বিদায় জানিয়ে-নমস্কার জানিয়ে পাশ্চাত্য দুনিয়াকেবাণী প্রদানের স্বপ্ন নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তাঁর জীবনে এক মুহূর্তের জন্যওএমন অবস্থা আসেনি, যখন তিনি ভারতমাতা থেকে আলাদা হয়েছেন।

গতকাল আমিকাশীতে ছিলাম, রাতে বেনারস থেকেই এখানে এসেছি। যোগীজির আত্মকথায় বেনারসের স্মৃতিএকটা বড় অংশ রয়েছে। জন্ম যদিও তাঁর গোরক্ষপুর, কিন্তু শৈশব-কৈশোর কেটেছে বেনারসে।মা গঙ্গা আর ঐ আধ্যাত্মিক শহরের সকল ঐতিহ্য গঙ্গার পবিত্র ধারার মতো তাঁরছোটবেলাকে সমৃদ্ধ করেছে, প্রভাবিত করেছে। যাঁরা তাঁর আত্মকথা পড়েছেন, তাঁরাও সেইপবিত্র ধারায় স্নান করেছেন। যোগীজি শরীর ত্যাগ করার সময় পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন এবংনিজের পদে আসীন ছিলেন। আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত সম্মাননা উৎসবে তিনি ভাষণদিচ্ছিলেন। ভাষণ দিতে দিতেই জামাকাপড় বদলানোর থেকেও কম সময়ে তিনি শরীর ত্যাগ করেন।যাওয়ার আগে তাঁর শেষ শব্দগুলি স্মরণ করেন, তিনি বলেছিলেন, “যে দেশে গঙ্গা, অরণ্য,হিমালয়, গুহাগুলি আর মানুষ ঈশ্বরের স্বপ্ন দেখে, আমি ধন্য যে আমার শরীর সেইমাতৃভূমির কোলে বেড়ে উঠেছে! ……” যে শরীরে তিনি বিরাজমান ছিলেন একটি সরকারিঅনুষ্ঠানে সেই শরীর নিঃসৃত সর্বশেষ বাক্যের বিস্তার দেখুন। শুধু মানুষ নয়, অরণ্যআর গঙ্গাও ঈশ্বরের স্বপ্ন দেখে। যোগীজি তাঁর শরীর ত্যাগ করে চলে গেলেও তাঁর আদর্শ,তাঁর একাত্মভাব আমাদের আজও উদ্বুদ্ধ করে। তিনি ছিলেনশ শঙ্করাচার্যের মতোঅদ্বৈতবাদী। যেখানে দ্বৈত নেই, আমি-আমি-তুমি-তুমি নেই; সেটাই অদ্বৈত। ‘আমি যা, তাইঈশ্বর’ – একথা তিনি মানতেন না। তিনি মানতেন, ‘আমার মধ্যে ঈশ্বর রয়েছেন, আমিঈশ্বরের মধ্যে রয়েছি – এটাই অদ্বৈত’! যোগীজি তাঁর লেখা একটি কবিতায় একথা খুবসুন্দরভাবে লিখেছেন। স্পষ্টভাবে লেখেননি, কিন্তু আমি যখন ঐ কবিতাটি পড়ি,  Interpretation  করি তখন ঘনিষ্ঠভাবে পাই। তিনি লিখেছেন, ‘ব্রহ্মা আমাতে বিলীন, আমি ব্রহ্মেবিলীন …… জ্ঞান, জ্ঞাতা, জ্ঞেয় …… সব এক হয়ে গেছে’! আমরা যেমন বলি না,‘কর্তা আর কর্ম’ এক হয়ে গেলে সিদ্ধি সহজ হয়। কর্তাকে ক্রিয়া করতে হয় না, আর কর্মকেকর্তার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না!

তেমনই যোগীজিবলেন, ‘শান্তি, অখন্ড, রোমাঞ্চ সদা, শান্ত, অখন্ড, রোমাঞ্চ সবসময়েই জাগ্রত, নিত্যনতুন শান্তি, নিত্য-নবীন শান্তি ……’ অর্থাৎ গতকালের শান্তি আজ কাজে নাও লাগতেপারে, আজও আমার নিত্যদিনের শান্তি চাই। সেজন্য তিনি শেষ বাক্যটি বলেছেন, ওমশান্তি-শান্তি’। এটা কিন্তু প্রোটোকল নয়। এটা অনেক তপস্যার পরিণতি এক গন্তব্য। এইঅবস্থার বর্ণনা ‘সমাধি’ কবিতায় যোগীজি খুব সুন্দরভাবে লিখেছেন। আমি মনে করি,জীবনকে এত সরল করে তোলা, সহজ করে তোলার শিক্ষা আমরা যোগীজির জীবন থেকে নিতে পারি।আমরা বাতাস ছাড়া বাঁচতে পারি না। বাতাস সর্বদা আমাদের চারপাশে থাকে, কখনও একপাশেহাত নিয়ে গেলে বাতাস বলে না যে, থামো, আমাকে বইতে দাও! হাত অন্যপাশে ছড়ালে বলে নাযে, থামো আমাকে বইতে দাও! যোগীজিও তেমনই আমাদের চারপাশে তাঁর স্থান পাকা করেনিয়েছেন, আমরা অনুভব করতে পারব, কিন্তু এই অনুভূতি কখনোই আমাদের থামিয়ে দেবে না।আমরা ভাবি, আজ এই কাজ সম্পূর্ণ করতে পারিনি, আগামীকাল করব! এই প্রতীক্ষা, এই ধৈর্যঅনেক কম ব্যবস্থা এবং ঐতিহ্যে খুঁজে পাওয়া যায়! যোগীজি ব্যবস্থাকে এত নমণীয়তাপ্রদান করেছেন, একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের শতবর্ষ পরেও তা একটি আন্দোলনের প্রতীক,আধ্যাত্মিক চেতনার নিরন্তর অবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। আজ হয়তো চতুর্থ প্রজন্মেরকর্মযোগীরা এখানে সক্রিয় রয়েছেন। কিন্তু কোনও রকম মোহমুক্তি    কিংবা বিচ্যুতি দেখা যায়নি।সংস্থাগত মোহ থাকলে, কোনও ব্যক্তির ভাবনাচিন্তা কেন্দ্রিক পরিচালিত হলে এতে সময়েরপ্রভাব পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু যে আন্দোলনের কালোত্তীর্ণ, কালের বন্ধনে বাঁধা থাকেনা, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আদর্শের সংঘাত ঘটে না, সঞ্চালকদের মানে দূরত্বওতৈরি করে না। সহজ মনের সারল্য নিয়ে তাঁরা নিজেদের পবিত্র কর্তব্য সম্পাদন করতেথাকেন।

যোগীজির একটিবড় অবদান   হ’ল তিনি এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন যা বন্ধনহীন। যেমন কোনও সংবিধান নাথাকলেও পরিবার যেন চলতে পারে তেমনই সহজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। তাঁর পরিবার চলতেথাকে তেমনই সহজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। তাঁর অবর্তমানেও একইভাবে কাজ করে চলেছেআত্মিক আনন্দে এগিয়ে চলেছে। আমার মতে, একটি অত্যন্ত বড় অবদান। বিশ্ব আজ অর্থ,প্রযুক্তি ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত। যার যে জ্ঞান রয়েছে সেই মানকেই বিশ্বকে পরিমাপকরে মানুষ। আমার বোধ ভিন্ন হলে আমি ভিন্ন অনুমান করব, যা আমার ক্ষমতা, স্বভাব আরপরিবেশের পরিণাম। সেজন্য বিশ্ব ভারতকে জনসংখ্যার নিরিখে বিচার করে, জিডিপি’রনিরিখে, কর্মসংস্থান – বেকারত্বের নিরিখে বিচার করে। কিন্তু বিশ্ব ভারতের যে মানককেকখনও জানে না, চেনে না, ভারতের পরিচয়ের একটি ভিন্ন মানক রয়েছে, সেই দাঁড়িপাল্লাইভারতের শক্তি, তা হল – ভারতের আধ্যাত্ম্য। দেশের দুর্ভাগ্য যে কিছু মানুষ এইআধ্যাত্ম্যকে ধর্মের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। ধর্ম, সম্প্রদায় আর আধ্যাত্ম্য আলাদাবিষয়। আমাদের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল কালামজি বার বার বলেছেন, ভারতেরআধ্যাত্মিকরণই তার সামর্থ্য আর এই প্রক্রিয়া নিরন্তর জারি থাকা চাই। আমাদেরমুনি-ঋষিরা এই আধ্যাত্মকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছেন। আমার মতে,এক্ষেত্রে যোগাভ্যাস এক সরল প্রবেশ দ্বার। বিশ্ববাসীকে তাঁরা ‘আত্মবৎ সর্বভূতেষু’বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। একদিকে যেখানে খাও, পান কর আর আনন্দে থাকো-এই আলোচনা জারিথাকে সেখানে ‘তেন ত্যক্তেন ভূঞ্জিতা’ কতটা গ্রহণযোগ্য হবে?

কিন্তু আমি যদিবলি, ভাই তুমি নাক চেপে এভাবে বসে জোরে জোরে প্রশ্বাস গ্রহণ করলে কিছুটা আরামপাবে! তা হলে কেউ ভাববেন, চলো করে দেখি! এভাবেই আমাদের আধ্যাত্মিক যাত্রার প্রবেশদ্বার   সূচিত হতে পারে যোগাভ্যাসের মাধ্যমে। কেউ যেন একে অন্তিম লক্ষ্য না ভেবেবসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ধনবলের নিজস্ব শক্তি থাকে, ধনবৃত্তিও বহাল থাকে।সেজন্য যোগাভ্যাসেরও বাণিজ্যিকরণ হচ্ছে। এত ডলার দিলে অমুক সমাধির আনন্দ উপভোগ করাযাবে …… কেউ কেউ এটাকেই অন্তিম লক্ষ্য স্থির করে নিয়েছেন।

যোগাভ্যাসঅন্তিম লক্ষ্য নয়, অন্তিমের পথে প্রথম প্রবেশদ্বার মাত্র। পাহাড়ে গাড়ি চড়াতে হলেধাক্কা লাগাতে হয়। গাড়ি থেমে গেলে, ধাক্কা লাগাতে হয়, কিন্তু একবার চালু হয়ে গেলেনিজস্ব গতিতে চলতে শুরু করে। যোগাভ্যাসও তেমনই প্রবেশমুখ   যা একবার গতিপ্রাপ্ত হলে চলতেই থাকবে।

আমাদের দেশেবারবার কাশীকে স্মরণ করতেই হয়। কাশীর সুসন্তান সন্ত কবীর দাসের মতো মনীষীরা কতসরলভাবে বলে গেছেন, “অবধূতা যুগন যুগনহম যোগী …… আবৈ না জায়, মিটে না কবহুঁ,সবদ অনাহত ভোগী’, অর্থাৎ = যোগী তো যুগে যুগে থাকেন …… তাঁরা না আসেন, না যান,না শেষ হয়ে যান’। আমার মতে, কবীর দাসের একথা যোগাভ্যাসের ক্ষেত্রেও সত্য। যোগীরাকোথাও যান না, কোথাও থেকে আসেন না, তাঁরা আমাদের মধ্যেই বিরাজমান”।

সেই যোগীকেপ্রণাম জানাই। এই পবিত্র পরিবেশে আপনাদের মাঝে আসার, সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছে।আমার খুব ভাল লেগেছে। আরেকবার এই মহান ঐতিহ্য ও পরম্পরাকে প্রণাম জানীয়ে, সমস্তসন্ন্যাসীদের প্রণাম জানাই। এই আধ্যাত্মিক যাত্রাকে অবিচল রাখার রাখার জন্য যাঁরানিরন্তর কাজ করে চলেছেন, সে সকল নাগরিকদের শ্রদ্ধা জানিয়ে আমার বক্তব্যে ইতি টানছি।ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
From SHGs to drone technology: Inside India's growing push for women's economic empowerment

Media Coverage

From SHGs to drone technology: Inside India's growing push for women's economic empowerment
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister extends greetings on International Women’s Day, lauds the role of Nari Shakti in India’s progress
March 08, 2026
Prime Minister highlights empowerment of women as a core priority of government schemes and initiatives
Prime Minister says achievements and aspirations of India’s Nari Shakti continue to guide the nation’s journey towards a Viksit Bharat

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, extended his greetings to the nation on International Women’s Day and paid tribute to the strength, determination and achievements of India’s Nari Shakti.

The Prime Minister greeted women across the country and acknowledged their growing role in shaping India’s progress. He said that across every field, women are contributing with determination, creativity and unmatched zeal, and that their achievements inspire the nation while strengthening the collective resolve to build a Viksit Bharat.

Highlighting the Government’s commitment towards women-led development, the Prime Minister noted that empowerment of women lies at the core of several schemes and initiatives of the Government. He reiterated that the Government remains committed to creating opportunities that enable every woman to realise her full potential and contribute to India’s journey of development.

The Prime Minister further remarked that the achievements of India’s Nari Shakti are a source of pride for the nation and a powerful reminder of the transformative role played by women in nation building. He added that as India progresses further, the aspirations and contributions of women will continue to guide the country’s collective journey towards a strong and prosperous nation.

Shri Modi also shared a glimpse of how the lives of women at the grassroots have been transformed over the past decade, highlighting the impact of initiatives aimed at empowering women across the country.

In a series of X posts, Shri Modi said;

“On International Women’s Day, I extend my greetings to all our Nari Shakti.

Across every field, women are shaping India’s progress with determination, creativity and unmatched zeal. Their achievements inspire our nation and strengthen our collective resolve to build a Viksit Bharat.

Empowerment of women is at the core of our various schemes and initiatives. We remain committed to creating opportunities that enable every woman to realise her full potential and contribute to India’s journey of development.

#NayeBharatKiNariShakti”

“The achievements of India’s Nari Shakti are a source of pride and a powerful reminder of the transformative role in nation building. As India progresses further, the aspirations and contributions of women will continue to guide our collective journey towards a strong and prosperous nation.

#NayeBharatKiNariShakti”

“A glimpse of how the lives of women have been transformed at the grassroots over the past decade… 

#NayeBharatKiNariShakti”