The path shown by Yogi Ji is not about 'Mukti' but about 'Antaryatra' : PM
India's spirituality is India's strength: PM
It is unfortunate that some people link 'Adhyatma' with religion: PM Modi
Once an individual develops an interest in Yoga and starts diligently practicing it, it will always remain a part of his or her life: PM

আজ ৭ মার্চ,ঠিক ৬৫ বছর আগে একটি শরীর আমাদের কাছ থেকে চলে গেছে আর একটি নির্দিষ্ট সীমায় আবদ্ধআত্মা অনন্তকালের আস্থা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

আজ ৭ মার্চ,আমরা একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে সমবেত হয়েছি। আমি শ্রীশ্রী মাতাজিকেও প্রণাম জানাই,আমাকে বলা হয়েছে যে তিনিও আজ লসঅ্যাঞ্জেলসে এই অনুষ্ঠানে সামিল হয়েছেন।

একটু আগেইস্বামীজি বলছিলেন যে, বিশ্বের ৯৫ শতাংশ মানুষ নিজের মাতৃভাষায় যোগীজির আত্মকথাপড়তে পারেন কিন্তু তার চাইতেও বেশি অবাক হয়েছি একথা ভেবে, যাঁরা এই দেশকে জানেননা, এদেশের ভাষা জানেন না, এদেশের পরিধেয়র মানে বোঝেন না, কস্টিউম ভাবেন, তাঁরাকেন এই আত্মকথা পড়তে আকৃষ্ট হন? তাঁরা কেন যোগীজির আত্মকথা নিজের ভাষায় অনুবাদ করেপ্রচার করেন? এটা নিশ্চয়ই একটি বিশেষ আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার পরিণাম, যার ফলে সকলেইপ্রসাদ বিতরণের মতো নিজের পবিত্র অভিজ্ঞতা অন্যদের বিতরণ করে আনন্দ পান।


যোগীজি যাইকরেছেন, তার বর্ণনাকে প্রসাদের মতো ভেব অন্যদের বিতরণের মাধ্যমে তাঁদের জীবনেওআধ্যাত্মিক সুখের অনুভূতি এনে দেওয়া সম্ভব হয়। আমাদের দেশে মুক্তির উপায় নিয়ে অনেকআলোচনা হয়। অনেকে ভাবেন, এই জীবনে যা আছে শুধু তাই আছে, আগামীকাল কেই বা দেখেছেন!অনেকে আবার মুক্তির উপায় প্রশস্ত করবার চেষ্টা করেন! কিন্তু যোগীজির জীবনেরযাত্রাপথের বর্ণনায় মুক্তির যাত্রাপথ নয়, অন্তর্যাত্রার আলোচনা রয়েছে। আমরা নিজেরঅন্তরে কতটা ডুব দিতে পারি, নিজের মধ্যে কিভাবে সমাহিত হতে পারি! ত্রুটিগত বিস্তারএকটি স্বভাব, অধ্যাত্ম মনের গভীরে ডুব দেওয়ার একটি পরিণাম হ’ল অনন্ত মঙ্গলযাত্রা।আর সেই যাত্রাকে সঠিক পথে সঠিক গতিতে যথাযত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে আমাদেরমুনি-ঋষি-আচার্য-ভগবন্ত এবং তপস্বীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।


যোগীজির জীবনেরবৈশিষ্ট্য, তাঁর জীবনকাল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত, সেটাও হয়তো কোনও আধ্যাত্মিক সংকেত।কখনও হঠযোগীদের খারাপ মানা হয়, কিন্তু তিনি প্রখর রূপে হঠযোগের ইতিবাচক দিকগুলিনিয়ে তর্কবিতর্কের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন। কিন্তু প্রত্যেককে ক্রিয়াযোগের পথেপ্রেরণা যোগায়। এখন আমি মানি যোগের যত প্রকার রয়েছে, সেগুলিরমধ্যে ক্রিয়াযোগ একটিস্থান নিশ্চিত করেছে। আমাদের নিজেদের অন্তর অভিমুখে নিয়ে যেতে আত্মবলের প্রয়োজনহয়। কিছু যোগ এরকম হয় যেখানে শারীরিক বলের প্রয়োজন থাকে। কিন্তু ক্রিয়াযোগেরক্ষেত্রে চাই আত্মবল। আর সেজন্য লক্ষ্য বদলে যায়। যোগীজি বলতেন, “ভাই আমিহাসপাতালের বিছানায় মরতে চাই না, জুতো পায়ে পরেই কোনও একদিন ‘মহাভারতী’ স্মরণ করে শেষবিদায় নিতে চাই”। তিনি ভারতকে বিদায় জানিয়ে-নমস্কার জানিয়ে পাশ্চাত্য দুনিয়াকেবাণী প্রদানের স্বপ্ন নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তাঁর জীবনে এক মুহূর্তের জন্যওএমন অবস্থা আসেনি, যখন তিনি ভারতমাতা থেকে আলাদা হয়েছেন।

গতকাল আমিকাশীতে ছিলাম, রাতে বেনারস থেকেই এখানে এসেছি। যোগীজির আত্মকথায় বেনারসের স্মৃতিএকটা বড় অংশ রয়েছে। জন্ম যদিও তাঁর গোরক্ষপুর, কিন্তু শৈশব-কৈশোর কেটেছে বেনারসে।মা গঙ্গা আর ঐ আধ্যাত্মিক শহরের সকল ঐতিহ্য গঙ্গার পবিত্র ধারার মতো তাঁরছোটবেলাকে সমৃদ্ধ করেছে, প্রভাবিত করেছে। যাঁরা তাঁর আত্মকথা পড়েছেন, তাঁরাও সেইপবিত্র ধারায় স্নান করেছেন। যোগীজি শরীর ত্যাগ করার সময় পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন এবংনিজের পদে আসীন ছিলেন। আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত সম্মাননা উৎসবে তিনি ভাষণদিচ্ছিলেন। ভাষণ দিতে দিতেই জামাকাপড় বদলানোর থেকেও কম সময়ে তিনি শরীর ত্যাগ করেন।যাওয়ার আগে তাঁর শেষ শব্দগুলি স্মরণ করেন, তিনি বলেছিলেন, “যে দেশে গঙ্গা, অরণ্য,হিমালয়, গুহাগুলি আর মানুষ ঈশ্বরের স্বপ্ন দেখে, আমি ধন্য যে আমার শরীর সেইমাতৃভূমির কোলে বেড়ে উঠেছে! ……” যে শরীরে তিনি বিরাজমান ছিলেন একটি সরকারিঅনুষ্ঠানে সেই শরীর নিঃসৃত সর্বশেষ বাক্যের বিস্তার দেখুন। শুধু মানুষ নয়, অরণ্যআর গঙ্গাও ঈশ্বরের স্বপ্ন দেখে। যোগীজি তাঁর শরীর ত্যাগ করে চলে গেলেও তাঁর আদর্শ,তাঁর একাত্মভাব আমাদের আজও উদ্বুদ্ধ করে। তিনি ছিলেনশ শঙ্করাচার্যের মতোঅদ্বৈতবাদী। যেখানে দ্বৈত নেই, আমি-আমি-তুমি-তুমি নেই; সেটাই অদ্বৈত। ‘আমি যা, তাইঈশ্বর’ – একথা তিনি মানতেন না। তিনি মানতেন, ‘আমার মধ্যে ঈশ্বর রয়েছেন, আমিঈশ্বরের মধ্যে রয়েছি – এটাই অদ্বৈত’! যোগীজি তাঁর লেখা একটি কবিতায় একথা খুবসুন্দরভাবে লিখেছেন। স্পষ্টভাবে লেখেননি, কিন্তু আমি যখন ঐ কবিতাটি পড়ি,  Interpretation  করি তখন ঘনিষ্ঠভাবে পাই। তিনি লিখেছেন, ‘ব্রহ্মা আমাতে বিলীন, আমি ব্রহ্মেবিলীন …… জ্ঞান, জ্ঞাতা, জ্ঞেয় …… সব এক হয়ে গেছে’! আমরা যেমন বলি না,‘কর্তা আর কর্ম’ এক হয়ে গেলে সিদ্ধি সহজ হয়। কর্তাকে ক্রিয়া করতে হয় না, আর কর্মকেকর্তার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না!

তেমনই যোগীজিবলেন, ‘শান্তি, অখন্ড, রোমাঞ্চ সদা, শান্ত, অখন্ড, রোমাঞ্চ সবসময়েই জাগ্রত, নিত্যনতুন শান্তি, নিত্য-নবীন শান্তি ……’ অর্থাৎ গতকালের শান্তি আজ কাজে নাও লাগতেপারে, আজও আমার নিত্যদিনের শান্তি চাই। সেজন্য তিনি শেষ বাক্যটি বলেছেন, ওমশান্তি-শান্তি’। এটা কিন্তু প্রোটোকল নয়। এটা অনেক তপস্যার পরিণতি এক গন্তব্য। এইঅবস্থার বর্ণনা ‘সমাধি’ কবিতায় যোগীজি খুব সুন্দরভাবে লিখেছেন। আমি মনে করি,জীবনকে এত সরল করে তোলা, সহজ করে তোলার শিক্ষা আমরা যোগীজির জীবন থেকে নিতে পারি।আমরা বাতাস ছাড়া বাঁচতে পারি না। বাতাস সর্বদা আমাদের চারপাশে থাকে, কখনও একপাশেহাত নিয়ে গেলে বাতাস বলে না যে, থামো, আমাকে বইতে দাও! হাত অন্যপাশে ছড়ালে বলে নাযে, থামো আমাকে বইতে দাও! যোগীজিও তেমনই আমাদের চারপাশে তাঁর স্থান পাকা করেনিয়েছেন, আমরা অনুভব করতে পারব, কিন্তু এই অনুভূতি কখনোই আমাদের থামিয়ে দেবে না।আমরা ভাবি, আজ এই কাজ সম্পূর্ণ করতে পারিনি, আগামীকাল করব! এই প্রতীক্ষা, এই ধৈর্যঅনেক কম ব্যবস্থা এবং ঐতিহ্যে খুঁজে পাওয়া যায়! যোগীজি ব্যবস্থাকে এত নমণীয়তাপ্রদান করেছেন, একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের শতবর্ষ পরেও তা একটি আন্দোলনের প্রতীক,আধ্যাত্মিক চেতনার নিরন্তর অবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। আজ হয়তো চতুর্থ প্রজন্মেরকর্মযোগীরা এখানে সক্রিয় রয়েছেন। কিন্তু কোনও রকম মোহমুক্তি    কিংবা বিচ্যুতি দেখা যায়নি।সংস্থাগত মোহ থাকলে, কোনও ব্যক্তির ভাবনাচিন্তা কেন্দ্রিক পরিচালিত হলে এতে সময়েরপ্রভাব পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু যে আন্দোলনের কালোত্তীর্ণ, কালের বন্ধনে বাঁধা থাকেনা, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আদর্শের সংঘাত ঘটে না, সঞ্চালকদের মানে দূরত্বওতৈরি করে না। সহজ মনের সারল্য নিয়ে তাঁরা নিজেদের পবিত্র কর্তব্য সম্পাদন করতেথাকেন।

যোগীজির একটিবড় অবদান   হ’ল তিনি এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন যা বন্ধনহীন। যেমন কোনও সংবিধান নাথাকলেও পরিবার যেন চলতে পারে তেমনই সহজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। তাঁর পরিবার চলতেথাকে তেমনই সহজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। তাঁর অবর্তমানেও একইভাবে কাজ করে চলেছেআত্মিক আনন্দে এগিয়ে চলেছে। আমার মতে, একটি অত্যন্ত বড় অবদান। বিশ্ব আজ অর্থ,প্রযুক্তি ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত। যার যে জ্ঞান রয়েছে সেই মানকেই বিশ্বকে পরিমাপকরে মানুষ। আমার বোধ ভিন্ন হলে আমি ভিন্ন অনুমান করব, যা আমার ক্ষমতা, স্বভাব আরপরিবেশের পরিণাম। সেজন্য বিশ্ব ভারতকে জনসংখ্যার নিরিখে বিচার করে, জিডিপি’রনিরিখে, কর্মসংস্থান – বেকারত্বের নিরিখে বিচার করে। কিন্তু বিশ্ব ভারতের যে মানককেকখনও জানে না, চেনে না, ভারতের পরিচয়ের একটি ভিন্ন মানক রয়েছে, সেই দাঁড়িপাল্লাইভারতের শক্তি, তা হল – ভারতের আধ্যাত্ম্য। দেশের দুর্ভাগ্য যে কিছু মানুষ এইআধ্যাত্ম্যকে ধর্মের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। ধর্ম, সম্প্রদায় আর আধ্যাত্ম্য আলাদাবিষয়। আমাদের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল কালামজি বার বার বলেছেন, ভারতেরআধ্যাত্মিকরণই তার সামর্থ্য আর এই প্রক্রিয়া নিরন্তর জারি থাকা চাই। আমাদেরমুনি-ঋষিরা এই আধ্যাত্মকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছেন। আমার মতে,এক্ষেত্রে যোগাভ্যাস এক সরল প্রবেশ দ্বার। বিশ্ববাসীকে তাঁরা ‘আত্মবৎ সর্বভূতেষু’বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। একদিকে যেখানে খাও, পান কর আর আনন্দে থাকো-এই আলোচনা জারিথাকে সেখানে ‘তেন ত্যক্তেন ভূঞ্জিতা’ কতটা গ্রহণযোগ্য হবে?

কিন্তু আমি যদিবলি, ভাই তুমি নাক চেপে এভাবে বসে জোরে জোরে প্রশ্বাস গ্রহণ করলে কিছুটা আরামপাবে! তা হলে কেউ ভাববেন, চলো করে দেখি! এভাবেই আমাদের আধ্যাত্মিক যাত্রার প্রবেশদ্বার   সূচিত হতে পারে যোগাভ্যাসের মাধ্যমে। কেউ যেন একে অন্তিম লক্ষ্য না ভেবেবসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ধনবলের নিজস্ব শক্তি থাকে, ধনবৃত্তিও বহাল থাকে।সেজন্য যোগাভ্যাসেরও বাণিজ্যিকরণ হচ্ছে। এত ডলার দিলে অমুক সমাধির আনন্দ উপভোগ করাযাবে …… কেউ কেউ এটাকেই অন্তিম লক্ষ্য স্থির করে নিয়েছেন।

যোগাভ্যাসঅন্তিম লক্ষ্য নয়, অন্তিমের পথে প্রথম প্রবেশদ্বার মাত্র। পাহাড়ে গাড়ি চড়াতে হলেধাক্কা লাগাতে হয়। গাড়ি থেমে গেলে, ধাক্কা লাগাতে হয়, কিন্তু একবার চালু হয়ে গেলেনিজস্ব গতিতে চলতে শুরু করে। যোগাভ্যাসও তেমনই প্রবেশমুখ   যা একবার গতিপ্রাপ্ত হলে চলতেই থাকবে।

আমাদের দেশেবারবার কাশীকে স্মরণ করতেই হয়। কাশীর সুসন্তান সন্ত কবীর দাসের মতো মনীষীরা কতসরলভাবে বলে গেছেন, “অবধূতা যুগন যুগনহম যোগী …… আবৈ না জায়, মিটে না কবহুঁ,সবদ অনাহত ভোগী’, অর্থাৎ = যোগী তো যুগে যুগে থাকেন …… তাঁরা না আসেন, না যান,না শেষ হয়ে যান’। আমার মতে, কবীর দাসের একথা যোগাভ্যাসের ক্ষেত্রেও সত্য। যোগীরাকোথাও যান না, কোথাও থেকে আসেন না, তাঁরা আমাদের মধ্যেই বিরাজমান”।

সেই যোগীকেপ্রণাম জানাই। এই পবিত্র পরিবেশে আপনাদের মাঝে আসার, সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছে।আমার খুব ভাল লেগেছে। আরেকবার এই মহান ঐতিহ্য ও পরম্পরাকে প্রণাম জানীয়ে, সমস্তসন্ন্যাসীদের প্রণাম জানাই। এই আধ্যাত্মিক যাত্রাকে অবিচল রাখার রাখার জন্য যাঁরানিরন্তর কাজ করে চলেছেন, সে সকল নাগরিকদের শ্রদ্ধা জানিয়ে আমার বক্তব্যে ইতি টানছি।ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
From SHGs to drone technology: Inside India's growing push for women's economic empowerment

Media Coverage

From SHGs to drone technology: Inside India's growing push for women's economic empowerment
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s address at the launch of various development projects in Delhi
March 08, 2026
We are committed to building a modern, Viksit Delhi. The projects launched today will strengthen infrastructure, improve connectivity and enhance ease of living: PM
India's ‘Nari Shakti’ is moving forward with a new energy in every field: PM
The development of Delhi is not just the development of one city; it is linked to the image of the entire country: PM
The new Metro section will bring major convenience to lakhs of people in the capital, especially in East and North-East Delhi, making daily commute easier than ever before: PM
The government has launched a campaign to provide PM SVANidhi credit cards to street vendors, enabling them to access credit as per their needs: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

दिल्ली मुख्यमंत्री रेखा गुप्ता जी, दिल्ली के लेफ्टिनेंट गर्वनर विनय सक्सेना जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे सहयोगी मनोहर लाल जी, हर्ष मल्होत्रा जी, तोखन साहू जी, प्रदेश सरकार के सभी मंत्री, सभी माननीय सांसद, माननीय विधायकगण और दिल्ली के मेरे प्यारे भाईयों और बहनों।

आज हम सब दिल्ली में विकास को नई गति देने के लिए यहां इकट्ठे हुए हैं। कुछ देर पहले ही यहां साढ़े तैंतीस हजार करोड़ रूपये के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। मेट्रो के विस्तार से लेकर हजारों सरकारी कर्मचारियों के आवासों तक देश की राजधानी में सुविधाओं का लगाता मजबूत विस्तार हो रहा है, एक नई मजबूती दी जा रही है। दिल्ली के आप लोगों ने एक साल पहले जिस नई उम्मीद और नए संकल्प के साथ, यहां भाजपा की डबल इंजन सरकार बनाई थी, उसका परिणाम आज यहां विकास कार्यों में दिख रहा है। मैं दिल्ली के सभी नागरिकों को इस विकास की अविरत धारा के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज का यह कार्यक्रम एक और वजह से भी बहुत विशेष है। आज अंतर्राष्ट्रीय महिला दिवस है। आज भारत, महिला सशक्तिकरण की नई गाथा लिख रहा है। यहां रेखा गुप्ता जी के सफल नेतृत्व में राजधानी का विकास हो रहा है। राजनीति, प्रशासन, विज्ञान, खेल या समाज सेवा का क्षेत्र, भारत की नारी शक्ति हर क्षेत्र में एक नई ऊर्जा से आगे बढ़ रही है। मैं पूरे देश की नारी शक्ति को आज महिला दिवस पर हृदय से बहुत-बहुत बधाई देता हूं, और राष्ट्र के विकास में उनके असीमित योगदान के लिए ऋृण स्वीकार करता हूं और उन्हें अनेक-अनेक शुभकामनाएँ देता हूं, ताकि वो समाज और राष्ट्र को निरंतर मजबूती देती रहें, राष्ट्र को निरंतर प्रगति की राह पर ले जाने में नई ऊर्जा देती रहें।

साथियों,

दुनिया का कोई भी व्यक्ति, जब भारत जैसे विशाल लोकतंत्र के बारे में सोचता है, तो अक्सर उसके मन में दिल्ली की तस्वीर आती है। दिल्ली केवल भारत की राजधानी नहीं है। ये भारत की पहचान भी है, भारत की ऊर्जा का प्रतीक भी है। इसलिए दिल्ली का विकास केवल एक शहर का विकास नहीं होता, यह पूरे देश की छवि से जुड़ा होता है। दिल्ली जितनी आधुनिक होगी, दिल्ली जितनी सुविधाजनक होगी, दिल्ली की कनेक्टिविटी जितनी बेहतर होगी, भारत का आत्मविश्वास दुनिया के सामने उतनी ही मज़बूती से दिखाई देगा। और इसलिए मुझे खुशी है कि आज हमारी दिल्ली सुविधाओं और इंफ्रास्ट्रक्चर के मामले में तेज़ी से आगे बढ़ रही है। एक समय था, जब दिल्ली में खराब व्यवस्थाओं की ही चर्चा होती थी। शहर के एक हिस्से से दूसरे हिस्से तक पहुँचने में कई कई घंटे लगते थे, बस स्टैंड्स पर, बसों और ऑटो के इंतजार में माताओं-बहनों का समय बर्बाद होता था। लेकिन आज दिल्ली की तस्वीर बदल रही है। कुछ ही दिन पहले, दिल्ली नमो भारत जैसी तेज़ ट्रेन के ज़रिए मेरठ से जुड़ी है। इससे दिल्ली और पश्चिमी उत्तर प्रदेश के बीच यात्रा और आसान हो गई है। और आज, मेट्रो फेज-फोर के शुरू होने के साथ दिल्ली मेट्रो का नेटवर्क 375 किलोमीटर से भी आगे पहुंच गया है। दुनिया के बड़े-बड़े शहरों में भी मेट्रो का इतना बड़ा नेटवर्क नहीं है।

साथियों,

आज जो मेट्रो का नया सेक्शन शुरू हुआ है, उससे राजधानी के लाखों लोगों को बहुत बड़ी सुविधा मिलने वाली है। खासतौर पर, पूर्वी और उत्तर-पूर्वी दिल्ली के लोगों के लिए अब रोज़ का सफर पहले से कहीं ज्यादा आसान होगा। इन सबके साथ ही, गाज़ियाबाद, नोएडा, फरीदाबाद और गुरुग्राम जैसे एनसीआर के शहरों से, दिल्ली के अलग-अलग हिस्सों में आना जाना और भी आसान हो जाएगा।

साथियों,

आज का ये कार्यक्रम, इस बात का भी प्रमाण है कि एक वर्ष पहले दिल्ली ने जिस आपदा से मुक्ति पाई, वो कितनी जरूरी थी। अगर यहां पर आपदा सरकार न होती, तो ये मेट्रो फेज़-4 प्रोजेक्ट, बहुत पहले पूरा हो चुका होता। लेकिन आपदा वालों ने अपने राजनीतिक स्वार्थ के लिए, दिल्ली के लाखों लोगों की सुविधा को ताक पर रख दिया था। अब यहां भाजपा सरकार बनने के बाद, दिल्ली के चौतरफा विकास में बहुत तेजी आई है।

साथियों,

डबल इंजन की सरकार में, दिल्ली की हर ट्रांसपोर्ट फैसिलिटी का अपग्रेडेशन हो रहा है। दिल्ली में हर दिन लाखों लोग बसों से सफर करते हैं। इसलिए हमारी कोशिश है कि, दिल्ली के लोगों को, साफ, आरामदायक और आधुनिक बस सेवा मिले। केंद्र सरकार द्वारा दी गई चार हज़ार से अधिक इलेक्ट्रिक बसें, आज दिल्ली के लोगों की सेवा कर रही हैं। और बीते केवल एक साल में ही लगभग 1800 नई बसों को, दिल्ली की सड़कों पर उतारा गया है। इनमें सैकड़ों देवी बसें भी शामिल हैं, जो दिल्ली की कॉलोनियों और मोहल्लों को आपस में जोड़ रही हैं।

साथियों,

करीब 10 वर्षों तक यहां जो आपदा सरकार थी, उसने विकास का हर काम ठप कर रखा था। अब दिल्ली से जुडी विभिन्न चुनौतियों के समाधान के लिए हमारी सरकार, मिशन मोड पर काम कर रही है। पैरिफरल एक्सप्रेस-वे बनने से लाखों गाड़ियों को, दिल्ली में दाखिल होने की आवश्यकता नहीं पड़ती। भाजपा सरकार यमुना जी की साफ-सफाई के लिए भी, बहुत बड़े लेवल पर काम कर रही है। इसके लिए करोड़ों रुपए के प्रोजेक्ट्स पर काम शुरू किया गया है।

साथियों,

दिल्ली में पहले जो आपदा सरकार थी, उसे यहां के गरीब, मध्यम वर्ग, किसी की परेशानी से कोई फर्क नहीं पड़ता था। आपदा सरकार ने हेल्थ सेक्टर का भी बुरा हाल कर रखा था। हम आपदा सरकार को चिट्ठियां लिखते थे, भारत सरकार चिट्ठियां लिखती थी, और कहते रहे कि आयुष्मान स्कीम लागू करो। लेकिन आपदा वालों ने कभी गरीबों की परवाह नहीं की। मुझे खुशी है कि यहां रेखा जी के नेतृत्व में, भाजपा सरकार निरंतर स्थितियों को बदलने में जुटी है। बीते एक वर्ष में ही, अनेक आयुष्मान आरोग्य मंदिर यहां स्थापित किए गए हैं। इससे गरीब और मिडिल क्लास को बहुत फायदा मिल रहा है। अब दिल्ली में आयुष्मान स्कीम भी लागू है। दिल्ली के लोगों को मुफ्त इलाज भी मिल रहा है। फर्क साफ है। आपदा वालों का तरीका था- काम कम, बहाने ज्यादा। आज दिल्ली में विकास का मॉडल है, बहाने बंद, काम शुरू। पहले प्रोजेक्ट्स फाइलों में दम तोड़ते थे। आज प्रोजेक्ट्स जमीन पर उतरते हैं।

साथियों,

आज यहां आने से पहले, मैं सरोजिनी नगर गया था। वहां मुझे नए बने सरकारी आवासों को देखने का अवसर मिला। ये आवास उन सरकारी कर्मचारियों के लिए बनाए गए हैं, जो राष्ट्र के हर संकल्प को पूरा करने में दिन रात परिश्रम करते हैं। ये जरूरी है कि उन्हें रहने के लिए, सुरक्षित, साफ-सुथरे और सुविधाजनक आवास मिलें। और इसीलिए ये नई और आधुनिक इमारतें बनाई जा रही हैं। आज ऐसे हजारों नए फ्लैट्स लाभार्थियों को सौंपे गए हैं। मुझे विश्वास है कि ये नए आवास हमारे कर्मयोगियों और उनके परिवार के जीवन में, नई खुशियां और नई उम्मीद लेकर आएगी।

साथियों,

आज देश में जहां भी बीजेपी की सरकार है, हर राज्य में, हर गांव-हर शहर में, लोगों को किसी ना किसी योजना का लाभ जरूर मिल रहा है। हमारे जो गरीब परिवार हैं, जो माताएं-बहनें हैं, जो मजदूर और किसान हैं, जो छोटी-मोटी नौकरी करने वाले मेरे भाई-बहन हैं, सरकार उन सबके लिए कुछ ना कुछ जरूर कर रही है। मैं आपको हमारे रेहड़ी-पटरी पर काम करने वाले साथियों का उदाहरण बताता हूं। इनका हमारे रोजमर्रा के जीवन में कितना महत्व है, ये हमने कोरोना काल के दौरान अनुभव किया है। ये वो लोग हैं, जिन्हें एक जमाने में अपनी रेहड़ी तक किराये पर लेनी पड़ती थी। छोटा कारोबार करने के लिए हज़ार-दो हज़ार रुपये तक भी उन्हें किसी दूसरे से ऊंचे ब्याज पर लेना पड़ता था। लेकिन हमारी सरकार ने इन साथियों का दर्द समझा, और उन्हें बैंकिंग सिस्टम से जोड़ा। आज प्रधानमंत्री स्वनिधि योजना के माध्यम से ऐसे लाभार्थियों को अपने काम के लिए आसान लोन मिलने लगा है। दिल्ली में भी रेहड़ी-पटरी पर काम करने वाले करीब 2 लाख साथियों को, इस योजना से करीब 350 करोड़ रुपए की मदद मिली है।

साथियों,

मुझे अभी, इन रेहड़ी पटरी वाली कुछ बहनों के साथ संवाद करने का अवसर मिला, वो किस प्रकार से सफलतापूर्वक आगे बढ़ रही हैं, उसका विस्तार सुनकर मेरा मन गर्व से भर गया।

साथियों,

इसी दिल्ली में, कभी डेबिट और क्रेडिट कार्ड केवल अमीर लोगों के पास होते थे। लेकिन आज स्थिति बदल रही है। आज रेहड़ी और ठेले पर काम करने वाले साथियों के पास भी क्रेडिट कार्ड की सुविधा पहुंच रही है। सरकार ने रेहड़ी-पटरी वाले साथियों के लिए स्वनिधि क्रेडिट कार्ड देने का अभियान चलाया है। अब उनकी जेब में ही क्रेडिट कार्ड होगा जिसे वो अपनी जरूरत के अनुसार उपयोग कर पाएँगे। अब से कुछ देर पहले यहां मंच पर मुझे कुछ बहनों को ये स्वनिधि क्रेडिट कार्ड देने का अवसर मिला है। ये स्वनिधि क्रेडिट कार्ड, गरीब के स्वाभिमान का नया माध्यम बन रहा है।

साथियों,

आज अंतर्राष्ट्रीय महिला दिवस के अवसर पर, मैं देश की अपनी करोड़ों बहनों के साथ, एक और खुशी साझा करना चाहता हूं। कुछ साल पहले हमने संकल्प लिया था कि, हम देश में 3 करोड़ बहनों को लखपति दीदी बनाएंगे। बहुत लोगों ने मेरी मजाक उड़ाई, कि देश के गांव में महिला लखपति दीदी बने, ये मोदी चुनाव जीतने के लिए नई-नई बातें बताता रहता है, बहुत भला-बुरा कहा गया था, बहुत मजाक उड़ाई गई थी, भांति-भांति के सोशल मीडिया पर खेल चल रहे थे। लेकिन आज अंतर्राष्ट्रीय महिला दिवस पर बड़े गर्व के साथ कहता हूं कि, मेरी माताओं-बहनों में कितना सामर्थ्य है, अगर उनको अवसर दिया जाए, तो वो कैसे-कैसे, नई- नई सिद्धियां हासिल कर सकती हैं। मुझे आज खुशी के साथ कहना है कि देश ने, तीन करोड़ महिलाओं को लखपति दीदी बनाने का जो संकल्प किया था, वो पूरा हो चुका है। 3 करोड़ से अधिक बहनें अब लखपति बन चुकी हैं।

साथियों,

दशकों से गांवों में हमारी बहनों के पास हुनर भी था, मेहनत भी थी, लेकिन उन्हें पूंजी और अवसर नहीं मिलते थे। और इसीलिए हमने इन बहनों को सेल्फ हेल्प ग्रुप्स से जोड़ा, बैंकों से जोड़ा, और उन्हें नई ट्रेनिंग, नए अवसर और बाजार से जोड़ने का काम किया। आज देश में 10 करोड़ से अधिक बहनें, ऐसे समूहों से जुड़ी हुई हैं। इन सेल्फ हेल्प ग्रुप्स को, लाखों करोड़ रुपये की आर्थिक मदद मिली है। इसका परिणाम यह है कि आज गांवों की नारीशक्ति, आत्मनिर्भर बन रही हैं, अपने परिवार की आय बढ़ा रही हैं और लखपति दीदी बनकर, ग्रामीण अर्थव्यवस्था को भी बहुत मजबूत कर रही हैं।

साथियों,

हमारी बहनों की इसी सफलता ने, हमें एक नया संकल्प लेने की प्रेरणा दी है। तीन करोड़ लखपति दीदी, ये असंभव लगता था, लेकिन साकार कर दिया। अब सरकार ने तय किया है कि देश में 3 करोड़ लखपति दीदी, और नई तीन करोड़ जोड़ दी जाएंगी। यानी तीन करोड़ लखपति दीदी बन चुकी, आज हम संकल्प ले रहे हैं, तीन करोड़ और दीदी लखपति दीदी बनेंगी। मुझे पूरा विश्वास है कि देश की नारी शक्ति के आशीर्वाद से यह संकल्प भी जरूर पूरा होगा।

भाइयों और बहनों,

आज जब देश, अपनी माताओं-बहनों-बेटियों की सिद्धियों का गौरवगान कर रहा है, तब मैं दिल्ली-वालों के साथ, देशवासियों के साथ एक पीड़ा भी साझा करना चाहता हूं। ये पीड़ा है, ये दुख है, दिल को गहरी चोट लगी है, जो मैं आज देशवासियों के सामने, दिल्लीवासियों के सामने, मैं व्यक्त करना चाहता हूं। आज देश अंतर्राष्ट्रीय महिला दिवस मना रहा है, और कल पश्चिम बंगाल में TMC सरकार ने, देश की राष्ट्रपति, आदरणीय द्रोपदी मुर्मू जी का घोर अपमान किया है। द्रोपदी मुर्मू जी, संथाल आदिवासी परंपरा के बहुत बड़े उत्सव में शामिल होने के लिए बंगाल गई थीं। लेकिन राष्ट्रपति जी और उस कार्यक्रम का, आदिवासियों के उस महत्वपूर्ण कार्यक्रम का, आदिवासियों का गौरव करने के बजाय TMC ने, आदिवासियों के संथाल लोगों के अत्यंत पवित्र और महत्वपूर्ण कार्यक्रम का बहिष्कार किया और राष्ट्रपति का बहिष्कार किया। वो स्वयं आदिवासी समाज से आती हैं। संथाल आदिवासी समाज के विकास के लिए उन्होंने चिंता की है। TMC सरकार ने उस कार्यक्रम को बद-इंतजामी के हवाले कर दिया।

साथियों,

ये राष्ट्रपति जी के अपमान के साथ-साथ, देश के संविधान का भी अपमान है, देश के संविधान के स्पिरिट का भी अपमान है, लोकतंत्र की महान परंपरा का भी अपमान है। जिन्होंने जीवन के संघर्षों से तपकर ऊंचाइयां हासिल की हैं, ऐसी हर बहन-बेटी, ये उसका भी अपमान है।

साथियों,

हमारे यहां कहा गया है, अहंकारे हतः पुष्टः समूलं च विनश्यति। यानी अहंकार में चूर व्यक्ति, कितना भी शक्तिशाली क्यों न हो, अंततः नष्ट हो जाता है! मैं आज देश की राजधानी से, आप सभी के बीच ये आह्वान कर रहा हूं, एक आदिवासी राष्ट्रपति का घोर अपमान करने वाली TMC की ये गंदी राजनीति और सत्ता का अहंकार, बहुत ही जल्द चूर-चूर होकर रहेगा। पश्चिम बंगाल की प्रबुद्ध जनता TMC को, एक नारी के अपमान के लिए, एक आदिवासी के अपमान के लिए और देश के महामना राष्ट्रपति के अपमान के लिए कभी भी माफ नहीं करेगा, देश भी कभी माफ नहीं करेगा, देश का आदिवासी समाज भी कभी माफ नहीं करेगा, देश की नारिशक्ति भी कभी माफ नहीं करेगी।

साथियों,

हमारी संस्कृति हमें हर वर्ग का, हर विचार का सम्मान करना सिखाती है। हमारी संस्कृति हमें अपनी विरासत पर गर्व करना भी सिखाती है। इसी प्रेरणा से आज हम दिल्ली की विरासत के संरक्षण का काम भी कर रहे हैं। बीते वर्षों में केंद्र की भाजपा सरकार ने, विकास भी और विरासत भी, इस मंत्र के साथ, दिल्ली की अनेक ऐतिहासिक जगहों को और बेहतर करने का काम शुरू किया है। दिल्ली में अनेक नए स्थल भी बनाए गए हैं। देश के लिए अपने प्राण न्यौछावर करने वाले वीरों के सम्मान में नेशनल वॉर मेमोरियल बनाया गया है। नया संसद भवन, कर्तव्य पथ, कर्तव्य भवन और सेवा तीर्थ, ये सभी 21वीं सदी के भारत की नई सोच को दिखाते हैं। अभी कुछ दिन पहले ही भारत मंडपम् में ऐतिहासिक ग्लोबल AI समिट हुई। भारत मंडपम और यशोभूमि जैसे स्थान, दुनिया को भारत की संस्कृति, भारत के व्यापार और भारत की क्षमता से परिचित कराने का बड़ा माध्यम बन चुके हैं। प्रधानमंत्री संग्रहालय और युगे-युगीन भारत संग्रहालय जैसे नए म्यूज़ियम भी, दिल्ली की पहचान को और मजबूत करने जा रहे हैं।

साथियों,

दिल्ली भारत की ऐतिहासिक यात्रा का शहर है, और आज यही दिल्ली देश के एक नए दौर की साक्षी बन रही है। ये नए भारत के आत्मविश्वास का दौर है। भारत का यही आत्मविश्वास, अब हमें विकसित भविष्य की तरफ ले जाएगा। इसलिए हम सभी को मिलकर अपने हर संकल्प की सिद्धि के लिए काम करते रहना है। मुझे विश्वास है, रेखा गुप्ता जी और उनकी पूरी टीम के नेतृत्व में दिल्ली में विकास का हर काम और अधिक गति पकड़ेगा। दिल्ली के हर परिवार का जीवन बेहतर होगा, सुखी होगा, समृद्ध होगा। इसी सद्भाव के साथ, एक बार फिर सभी विकास कार्यों के लिए, मैं आप सबको बहुत-बहुत बधाई देता हूं, बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

वंदे मातरम!

बहुत-बहुत धन्यवाद!