Witnesses demonstration of agriculture drones by Namo Drone Didis
Hands over drones to 1,000 Namo Drone Didis
Disburses about Rs 8,000 crore bank loans and Rs 2,000 crore capitalization support fund to SHGs
Felicitates Lakhpati Didis
“Drone Didis and Lakhpati Didis are scripting new chapters of success”
“Any society can progress only through creating opportunities and ensuring the dignity of the Nari Shakti”
“I am the first Prime Minister who raised issues like toilets, sanitary pads, smoke-filled kitchens, piped water from the ramparts of the Red Fort”
“Modi’s sensitivities and Modi’s schemes have emerged from the experiences rooted in everyday life”
“Transformative influence of drone technology in agriculture is being steered by women of the nation”
“I have full faith that Nari Shakti will lead the technology revolution in the country”
"The expansion of self-help groups in India over the past decade has been remarkable. These groups have rewritten the narrative of women empowerment in the country"

আমার মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, শ্রী গিরিরাজ সিং জি, শ্রী অর্জুন মুন্ডা জি, শ্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জি এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যায় আসা বোনেরা। ভিডিওর মাধ্যমেও এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন দেশের লক্ষ লক্ষ নারী। এই প্রেক্ষাগৃহের চারদিকে তাকিয়ে আমার মনে হচ্ছে, এটা যেন ক্ষুদ্র ভারত। দেশের সমস্ত প্রান্তের এবং ভারতের সমস্ত ভাষাভাষী মানুষের এখানে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আমি আপনাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই!

নারী ক্ষমতায়নে আজকের এই অনুষ্ঠান এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। নমো ড্রোন দিদি কর্মসূচির অধীনে মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে আমি ১ হাজার আধুনিক ড্রোন প্রদান করেছি। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ১ কোটির বেশি বোনকে ‘লাখপতি দিদি’-তে পরিণত করেছি। এটি একটি ক্ষুদ্র পদক্ষেপ মাত্র। কিছুক্ষণ আগে ১ বোনের সাথে কথা বলেছি। তিনি গর্বের সঙ্গে জানিয়েছেন, প্রতি মাসে ব্যবসার মাধ্যমে তিনি ৬০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকা আয় করেন। তাঁর এই দৃষ্টান্তকে সামনে তুলে ধরে আমরা দেশের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে পারি। আমি ৩ কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির অঙ্গীকার করেছি। এই সব নারীদের অ্যাকাউন্টে আজ ১০,০০০ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। 

 

মা ও বোনেরা,

যে কোন দেশ বা সমাজে অগ্রগতি তখনই সম্ভব, যখন সেখানে মহিলাদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাঁদের নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়। দুঃখজনকভাবে আমাদের পূর্বতন সরকার এই বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দেয়নি। আমিই হলাম দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি মা ও বোনেদের জন্য শৌচাগার এবং তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের কষ্টের কথা ভেবেছেন। আমিই হলাম প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি কাঠের উনুনে রান্নার ফলে মহিলাদের স্বাস্থ্যজনিত বিপদের কথা ভেবেছেন। আমিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি প্রত্যেক মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। 

বন্ধুগণ,

একেবারে তৃণমূল স্তরের অভিজ্ঞতা থেকেই মোদীর এই উপলব্ধি এবং নীতিবোধ গড়ে উঠেছে। তাই মা, বোন এবং অন্যদের চ্যালেঞ্জ দূর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। 

 

আমার মা ও বোনেরা,

নারী ক্ষমতায়নের নামে আমাদের পূর্ববর্তী সরকারগুলি একটি বা দুটি প্রকল্প চালু করেছিল। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরা বৈপ্লবিক দৃষ্টিভঙ্গী গ্রহণ করি। নারীর জীবনচক্রের প্রতিটি স্তরের কথা ভেবে বিভিন্ন প্রকল্প সফলভাবে রূপায়িত করি।  জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন নারীর সেবায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। গর্ভাবস্থায় সঠিক পুষ্টির জন্য প্রত্যেক নারীকে ৬,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কন্যাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে আকর্ষণীয় সুদে সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা চালু করা হয়েছে। মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে তাঁদের ব্যবসায়িক কাজে পর্যাপ্ত সাহায্য করা হচ্ছে। মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে আমরা ২৬ সপ্তাহ করেছি। আয়ুষ্মান যোজনায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনা খরচে চিকিৎসা ব্যবস্থা করেছি। জন ঔষধি কেন্দ্রগুলিতে ৮০ শতাংশ ছাড়ে ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আমাদের মা, বোন এবং কন্যারা উপকৃত হচ্ছেন। 

মা ও বোনেরা,

মোদী চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পায় না। আমি মনে করি, ভারতের মহিলাদের ক্ষমতায়ন করতে গেলে, তাঁদের অবশ্যই আর্থিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। এতদিন জমি, দোকান বা বাড়ির মালিকানা পুরুষদের হাতে ছিল। পিএম আবাস যোজনায় এখন মহিলাদেরও বাড়ির মালিকানা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের কন্যা এবং বোনেদের ড্রোন প্রযুক্তির সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে। আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে আমাদের বোনেরা চাষাবাদের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটাচ্ছেন। মন কি বাত অনুষ্ঠানে আমি একজন ড্রোন দিদির সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলাম। তিনি জানিয়েছিলেন, গোটা দিন ধরে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তিনি ভালো অর্থ উপার্জন করেন। আগে তিনি সাইকেলও চালাতে পারতেন না। এখন ড্রোন চালাতে পারেন। গ্রামের লোক তাঁকে পাইলট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। 

বন্ধুগণ,

ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার আগামী দিনে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ওষুধপত্র সরবরাহ থেকে শুরু করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। 

 

মা ও বোনেরা,

মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি নারী ক্ষমতায়নে নতুন ভাবনার জন্ম দিয়েছে। তাঁদের পরিশ্রমী উদ্যোগ দেশ গড়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। এই ধরনের গোষ্ঠীতে যুক্ত হওয়া নারীর সংখ্যা ১০ কোটি ছা়ড়িয়ে গিয়েছে। গত ১০ বছরে আমাদের সরকার শুধু স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির অগ্রগতিই ত্বরান্বিত করেনি, সেইসঙ্গে তাঁদের ৯৮ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১০০ শতাংশ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালু করেছে। এছাড়া স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির জন্য আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ৮ লক্ষ কোটি থেকে বাড়িয়ে ২০ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে রাস্তা ও সড়কের উন্নতির ফলে এই গোষ্ঠীগুলির সুযোগ-সুবিধা বেড়ে গিয়েছে। এখন লাখপতি দিদিরা সহজেই তাঁদের পণ্য শহরে বিক্রি করতে পারেন। গত ৫ বছরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আয় ৩ গুণ বেড়ে গিয়েছে। 

বন্ধুগণ,

গ্রামাঞ্চলগুলিতে এখন নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। হাজার হাজার ব্যাঙ্ক সখী, কৃষি সখী, পশু সখী, মৎস্য সখী এবং দিদিরা তাঁদের পরিষেবা প্রদান করছেন। দিদিরা স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে বিভিন্ন জাতীয় উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ ডিজিটাল সাক্ষরতা অভিযানে সুবিধাপ্রাপকদের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি মহিলা।

 

এছাড়া, আমি দেখেছি যে, বহু বোন, স্বনির্ভর গোষ্ঠী বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের গ্রামে ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন। তাঁরা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছেন এবং অন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে উৎসাহিত করছেন। পড়ুয়াদের শিক্ষায় সহায়তা করছেন। আমি দেখেছি, কিছু কিছু বিদ্যালয়ে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এইসব মহিলাদের বক্তব্য পেশের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে তাঁরা তাঁদের সাফল্যের রহস্য তুলে ধরছেন এবং শিক্ষক ও পড়ুয়ারা আগ্রহের সঙ্গে তা শুনছেন। 

 

আমি ‘পিএম সূর্যঘর’ প্রকল্প চালু করেছি। এই  প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক হল, বিনামূল্যে বিদ্যুৎ। আপনারা কি এই কাজ করতে পারবেন না? প্রতিটি বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল বসানো উচিত, যার মাধ্যমে সূর্য থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হবে এবং তা বাড়ির কাজে ব্যবহার করা হবে। খুব কম সংখ্যক বাড়িতেই ৩০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়ে থাকে। যদি বিদ্যুৎ খরচ ৩০০ ইউনিটের মধ্যে রাখা যায়, তাহলে বিদ্যুৎ বিল পুরোপুরি শূন্যে নেমে আসবে। আপনি অতিরিক্ত যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন, তা সরকার কিনে নেবে। এর ফলে আমাদের বোন এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অতিরিক্ত আয়ের সংস্থান হবে। 

আপনি আপনার বাড়ির কাছাকাছি কোনো সাধারণ গ্রাহক কেন্দ্রে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সব বোনদের কাছে এই প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। দেখুন, আমাদের বোনেরা বিদ্যুৎ-সম্পর্কিত কাজকর্ম সম্পন্ন করতে পারেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, যখন প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ বিল শূন্য আসবে, তখন তাঁরা আশীর্বাদ করবেন এবং যে টাকা তাঁরা বাঁচাবেন, তা কি তাঁদের পরিবারের উপকার করেনি? আমি এই শূন্য বিদ্যুৎ বিলের প্রচারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমি আবার আপনাদের শুভেচ্ছা জানাই। আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

প্রধানমন্ত্রী মূল ভাষণটি দিয়েছেন হিন্দিতে। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress

Media Coverage

Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
This is the New India that leaves no stone unturned for development: PM Modi
March 23, 2026
Today, India is moving forward with a new confidence; Now India faces challenges head-on: PM
From the Gulf to the Global West and from the Global South to neighbouring countries, India is a trusted partner for all: PM
What gets measured gets improved and ultimately gets transformed: PM
This is the new India, It is leaving no stone unturned for development: PM

नमस्कार!

पिछले कुछ समय में मुझे एक-दो बार टीवी9 भारतवर्ष देखने का मौका मिला है। नॉर्मली भी युद्धों और मिसाइलों पर आपका बहुत फोकस होता है और आजकल तो आपको कंटेंट की ओवरफीडिंग हो रही है। बड़े-बड़े देश टीवी9 को इतना सारा कंटेंट देने पर तुले हुए हैं, लेकिन On a Serious Note, आज विश्व जिन गंभीर परिस्थितियों से गुजर रहा है, वो अभूतपूर्व है और बेहद गंभीर है। और इन स्थितियों के बीच, आज टीवी-9 नेटवर्क ने विचारों का एक बेहद महत्वपूर्ण मंच बनाया है। आज इस समिट में आप सभी India and the world, इस विषय पर चर्चा कर रहे हैं। मैं आप सबको बधाई देता हूं। इस समिट के लिए अपनी शुभकामनाएं देता हूं। सभी अतिथियों का अभिनंदन करता हूं।

साथियों,

आज जब दुनिया, conflicts के कारण उलझी हुई है, जब इन conflicts के दुष्प्रभाव पूरी दुनिया पर दिख रहे हैं, तब India and the world की बात करना बहुत ही प्रासंगिक है। भारत आज वो देश है, जिसकी अर्थव्यवस्था तेजी से आगे बढ़ रही है। 2014 के पहले की स्थितियों को पीछे छोड़कर के आज भारत एक नए आत्मविश्वास के साथ आगे बढ़ रहा है। अब भारत चुनौतियों को टालता नहीं है बल्कि चुनौतियों से टकराता है। आप बीते 5-6 साल में देखिए, कोरोना की महामारी के बाद चुनौतियां एक के बाद एक बढ़ती ही गई हैं। ऐसा कोई साल नहीं है, जिसने भारत की, भारतीयों की परीक्षा न ली हो। लेकिन 140 करोड़ देशवासियों के एकजुट प्रयास से भारत हर आपदा का सामना करते हुए आगे बढ़ रहा है। इस समय युद्ध की परिस्थितियों में भी भारत की नीति और रणनीति देखकर, भारत का सामर्थ्य देखकर दुनिया के अनेकों देश हैरान हैं। हमारे यहां कहावत है, सांच को आंच नहीं। 28 फरवरी से दुनिया में जो उथल-पुथल मची है, इन कठोर विपरीत परिस्थितियों में भी भारत प्रगति के, विकास के, विश्वास के संकल्प के साथ आगे बढ़ रहा है। इन 23 दिनों में भारत ने अपनी Relationship Building Capacity दिखाई है, Decision Making Capacity दिखाई है और Crisis Management Capacity दिखाई है।

साथियों,

आज जब दुनिया इतने सारे खेमों में बंटी हुई है, भारत ने अभूतपूर्व और अकल्पनीय bridges बनाए हैं। Gulf से लेकर Global West तक, Global South से लेकर पड़ोसी देशों तक भारत सभी का trusted partner है। कुछ लोग पूछते हैं, हम किसके साथ हैं? तो उनको मेरा जवाब यही है कि हम भारत के साथ हैं, हम भारत के हितों के साथ हैं, शांति के साथ हैं, संवाद के साथ हैं।

साथियों,

संकट के इसी समय में जब global supply chains डगमगा रही हैं, भारत ने diversification और resilience का मॉडल पेश किया है। Energy हो, fertilizers हों या essential goods अपने नागरिकों को कम से कम परेशानी हो, इसके लिए भारत ने निरंतर प्रयास किया है और आज भी कर रहे है।

साथियों,

जब राष्ट्रनीति ही राजनीति का मुख्य आधार हो, तब देश का भविष्य सर्वोपरि होता है। लेकिन जब राजनीति में व्यक्तिगत स्वार्थ हावी हो जाता है, तब लोग देश के फ्यूचर के बजाय अपने फ्यूचर के बारे में सोचते हैं। आप ज़रा याद कीजिए 2004 से 2010 के बीच क्या हुआ था? तब कांग्रेस सरकार के समय पेट्रोल-डीजल और गैस की कीमतों का संकट आया था और तब कांग्रेस ने देश की नहीं बल्कि अपनी सत्ता की चिंता की। उस वक्त कांग्रेस ने एक लाख अड़तालीस हज़ार करोड़ रुपए के ऑयल बॉन्ड जारी किए थे और प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह जी ने खुद कहा था कि वो आने वाली पीढ़ी पर कर्ज का बोझ डाल रहे हैं। यह जानते हुए भी कि ऑयल बॉन्ड का फैसला गलत है, जो रिमोट कंट्रोल से सरकार चला रहे थे, उन लोगों ने अपनी सत्ता बचाने के लिए यह गलत निर्णय किया क्योंकि जवाबदेही उस समय नहीं होनी थी, उस बॉन्ड पर री-पेमेंट 2020 के बाद होनी थी।

साथियों,

बीते 5-6 वर्षों में हमारी सरकार ने कांग्रेस सरकार के उस पाप को धोने का काम किया है, और इस धुलाई का खर्चा कम नहीं आया है, ऐसी लाँड्री आपने देखी नहीं होगी। 1 लाख 48 हज़ार करोड़ रुपए की जगह, देश को 3 लाख करोड़ रुपए से अधिक की पेमेंट करनी पड़ी क्योंकि इसमें ब्याज भी जुड़ गया था। यानी हमने करीब-करीब दोगुनी राशि चुकाने के लिए मजबूर हुए। आजकल कांग्रेस के जो नेता बयानों की मिसाइलें दाग रहे हैं, मिसाइल आई तो टीवी9 को मजा आएगा, उनकी इस विषय का जिक्र आते ही बोलती बंद हो जाती है।

साथियों,

पश्चिम एशिया में बनी परिस्थितियों पर मैंने आज लोकसभा में अपना वक्तव्य दिया है। दुनिया में जहां भी युद्ध हो रहे हैं, वो भारत की सीमा से दूर हैं। लेकिन आज की व्यवस्थाओं में कोई भी देश युद्धों से दुष्प्रभाव से दूर रहे, ऐसा संभव नहीं होता। अनेक देशों में तो स्थिति बहुत गंभीर हो चुकी है। और इन हालातों में हम देख रहे हैं कि राजनीतिक स्वार्थ से भरे कुछ लोग, कुछ दल, संकट के इस समय में भी अपने लिए राजनीतिक अवसर खोज रहे हैं। इसलिए मैं टीवी9 के मंच से फिर कहूंगा, यह समय संयम का है, संवेदनशीलता का है। हमने कोरोना महासंकट के दौरान भी देखा है, जब देशवासी एकजुट होकर संकट का सामना करते हैं, तो कितने सार्थक परिणाम आते हैं। इसी भाव के साथ हमें इस युद्ध से बनी परिस्थितियों का सामना करना है।

साथियों,

दुनिया की हर उथल-पुथल के बीच, भारत ने अपनी प्रगति की गति को भी बनाए रखा है। अगर मैं 28 फरवरी को युद्ध शुरू होने के बाद, बीते 23 दिनों का ही ब्यौरा दूं, तो पूरब से पश्चिम तक, उत्तर से दक्षिण तक देश में हजारों करोड़ के डेवलपमेंट प्रोजेक्ट्स का काम हुआ है। दिल्ली मेट्रो रेल के महत्वपूर्ण कॉरिडोर्स का लोकार्पण, सिलचर का हाई स्पीड कॉरिडोर का शिलान्यास, कोटा में नए एयरपोर्ट का शिलान्यास, मदुरै एयरपोर्ट को इंटरनेशनल एयरपोर्ट का दर्जा देना, ऐसे अनेक काम बीते 23 दिनों में ही हुए हैं। बीते एक महीने के दौरान ही औद्योगिक विकास को गति देने के लिए भव्य स्कीम को मंजूरी दी गई है। इसके तहत देशभर में 100 plug-and-play industrial parks विकसित किए जाएंगे। देश में Small Hydro Power Development Scheme को भी हरी झंडी दी गई है। इससे आने वाले वर्षों में 1,500 मेगावाट नई hydro power capacity जोड़ी जाएगी। इसी दौरान जल जीवन मिशन को साल 2028 तक बढ़ाने का निर्णय लिया गया है। किसानों के हित में भी अनेक बड़े निर्णय लिए गए हैं। बीते एक महीने में ही पीएम किसान सम्मान निधि के तहत 18 हजार करोड़ रुपए से अधिक सीधे किसानों के खातों में ट्रांसफर किए गए हैं। और जो हमारे MSMEs हैं, जो हमारे निर्यातक हैं, उनके लिए भी करीब 500 करोड़ रुपए के राहत पैकेज की भी घोषणा की गई है। यह सारे कदम इस बात का प्रमाण हैं कि विकसित भारत बनाने के लिए देश कितनी तेज गति से काम कर रहा है।

साथियों,

Management की दुनिया में एक सिद्धांत कहा जाता है - What gets measured, gets managed. लेकिन मैं इसमें एक बात और जोड़ना चाहता हूं, What gets measured, gets improved और ultimately, gets transformed. क्योंकि आकलन जागरूकता पैदा करता है। आकलन जवाबदेही तय करता है और सबसे महत्वपूर्ण आकलन संभावनाओं को जन्म देता है।

साथियों,

अगर आप 2014 से पहले के 10-11 साल और 2014 के बाद के 10-11 साल का आप आकलन करेंगे, तो यही पाएंगे कि कैसे इसी सिद्धांत पर चलते हुए, भारत ने हर सेक्टर को Transform किया है। जैसे पहले हाईवे बनते थे, करीब 11-12 किलोमीटर प्रति दिन की रफ्तार से, आज भारत करीब 30 किलोमीटर प्रतिदिन की स्पीड से हाईवे बना रहा है। पहले पोर्ट्स पर शिप का Turnaround Time, 5-6 दिन का होता था। आज वही काम, करीब-करीब 2 दिन से भी कम समय में पूरा हो रहा है। पहले Startup Culture के बारे में चर्चा ही नहीं होती थी। 2014 से पहले, हमारे देश में 400-500 स्टार्ट अप्स ही थे। आज भारत में 2 लाख से ज्यादा रजिस्ट्रर्ड स्टार्ट अप्स हैं। पहले मेडिकल education में सीटें भी सीमित थीं, करीब 50-55 हजार MBBS seats थीं, आज यह बढ़कर सवा लाख से ज्यादा हो चुकी हैं। पहले देश के Banking system से भी करोड़ों लोग बाहर थे। देश में सिर्फ 25 करोड़ के आसपास ही बैंक account थे। वहीं जनधन योजना के माध्यम से 55 करोड़ से ज्यादा बैंक अकाउंट खुले हैं। पहले हमारे देश में airports की संख्या भी 70 से कम थी। आज एयरपोर्ट्स की संख्या भी बढ़कर 160 से ज्यादा हो चुकी है।

साथियों,

पहले भी योजनाएं तो बनती थीं, लेकिन आज फर्क है, आज परिणाम दिखते हैं। पहले गति धीमी थी, आज भारत fastrack पर है। पहले संभावनाएं भी अंधकार में थीं, आज संकल्प सिद्धियों में बदल रहे हैं। इसलिए दुनिया को भी यह संदेश मिल रहा है कि यह नया भारत है। यह अपने विकास के लिए कोई कोर-कसर बाकी नहीं छोड़ रहा है।

साथियों,

आज हमारा प्रयास है कि अतीत में विकास का जो असंतुलन पैदा हो गया था, उसको अवसरों में बदला जाए। अब जैसे हमारा पूर्वी भारत है। हमारा पूर्वी भारत संसाधनों से समृद्ध है, दशकों तक वहां जिन्होंने सरकारें चलाई हैं, उनकी उपेक्षा ने पूर्वी भारत के विकास पर ब्रेक लगा दी थी। अब हालात बदल रहे हैं। जिस असम में कभी गोलियों की आवाज सुनाई देती थी, आज वहां सेमीकंडक्टर यूनिट बन रही है। ओडिशा में सेमीकंडक्टर से लेकर पेट्रोकेमिकल्स तक अनेक नए-नए सेक्टर का विकास हो रहा है। जिस बिहार में 6-7 दशक में गंगा जी पर एक बड़ा पुल बन पाया था एक, उस बिहार में पिछले एक दशक में 5 से ज्यादा नए पुल बनाए गए हैं। यूपी में कभी कट्टा मैन्युफैक्चरिंग की कहानियां कही जाती थीं, आज यूपी, मोबाइल फोन मैन्युफैक्चरिंग में दुनिया में अपनी पहचान बना रहा है।

साथियों,

पूर्वी भारत का एक और बड़ा राज्य पश्चिम बंगाल है। पश्चिम बंगाल, एक समय में भारत के कल्चर, एजुकेशन, इंडस्ट्री और ट्रेड का हब होता था। बीते 11 वर्षों में केंद्र सरकार ने पश्चिम बंगाल के विकास के लिए बड़ी मात्रा में निवेश किया है। लेकिन दुर्भाग्य से, आज वहां एक ऐसी निर्मम सरकार है, जो विकास पर ब्रेक लगाकर बैठी है। TV9 बांग्ला के जो दर्शक हैं, वो जानते हैं कि बंगाल में आयुष्मान योजना पर निर्मम सरकार ने ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम आवास योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। चाय बागान श्रमिकों के लिए शुरू हुई योजना के लिए ब्रेक लगाया हुआ है। यानी विकास और जनकल्याण से ज्यादा प्राथमिकता निर्मम सरकार अपने राजनीतिक स्वार्थ को दे रही है।

साथियों,

देश में इस तरह की राजनीति की शुरुआत जिस दल ने की है, वो अपने गुनाहों से बच नहीं सकती और वो पार्टी है - कांग्रेस। कांग्रेस पार्टी की राजनीति का एक ही लक्ष्य रहा है, किसी भी तरह विकास का विरोध और कांग्रेस यह तब से कर रही है, जब मैं गुजरात में था। गुजरात में वर्षों तक जनता ने हमें आशीर्वाद दिया, तो कांग्रेस ने उस जनादेश को स्वीकार नहीं किया। उन्होंने गुजरात की छवि पर सवाल उठाए, उसकी प्रगति को कटघरे में खड़ा किया और जब यही विश्वास पूरे देश में दिखाई दिया, तो कांग्रेस का विरोध भी रीजनल से नेशनल हो गया।

साथियों,

जब राजनीति में विरोध, विकास के विरोध में बदल जाए, जब आलोचना देश की उपलब्धियों पर सवाल उठाने लगे, तब यह सिर्फ सरकार का विरोध नहीं रह जाता, यह देश की प्रगति से असहज होने की मानसिकता बन जाती है। आज कांग्रेस इसी मानसिकता की गुलाम बन चुकी है। आज स्थिति यह है कि देश की हर सफलता पर प्रश्न उठाया जाता है, हर उपलब्धि में कमी खोजी जाती है और हर प्रयास के असफल होने की कामना की जाती है। कोविड के समय, देश ने अपनी वैक्सीन बनाई, तो कांग्रेस ने उस पर भी संदेह जताया। Make in India की बात हुई, तो कहा गया कि यह सफल नहीं होगा, बब्बर शेर कहकर इसका मजाक उड़ाया गया। जब देश में डिजिटल इंडिया अभियान शुरू हुआ, तो उसका मजाक उड़ाया गया। लेकिन हर बार यह कांग्रेस का दुर्भाग्य और देश का सौभाग्य रहा कि भारत ने हर चुनौती को सफलता में बदला। आज भारत दुनिया की सबसे बड़ी वैक्सीनेशन ड्राइव का उदाहरण है। भारत डिजिटल पेमेंट्स में दुनिया का अग्रणी देश है। भारत मैन्युफैक्चरिंग और स्टार्टअप्स में नई ऊंचाइयों को छू रहा है।

साथियों,

लोकतंत्र में विरोध जरूरी होता है। लेकिन विरोध और विद्वेष के बीच एक रेखा होती है। सरकार का विरोध करना लोकतांत्रिक अधिकार है। लेकिन देश को बदनाम करना, यह कांग्रेस की नीयत पर सवाल खड़ा करता है। जब विरोध इस स्तर तक पहुंच जाए कि देश की उपलब्धियां भी असहज करने लगें, तो यह राजनीति नहीं, यह दृष्टिकोण की समस्या है। अभी हमने ग्लोबल AI समिट में भी देखा है। जब पूरी दुनिया भारत में जुटी हुई थी, तो कांग्रेस के लोग कपड़े फाड़ने वहां पहुंच गए थे। इन लोगों को देश की इज्जत की कितनी परवाह है, यह इसी से पता चलता है। इसलिए आज आवश्यकता है कि देशहित को, दलहित से ऊपर रखा जाए क्योंकि अंत में राजनीति से ऊपर, राष्ट्र होता है, राष्ट्र का विकास होता है।

साथियों,

आज का यह दिन भी हमें यही प्रेरणा देता है। आज के ही दिन शहीद भगत सिंह, शहीद राजगुरु और शहीद सुखदेव ने देश के लिए सर्वोच्च बलिदान दिया था। आज ही, समाजवादी आंदोलन के प्रखर आदर्श डॉ. राम मनोहर लोहिया जी की जयंती भी है। यह वो प्रेरणाएं हैं, जिन्होंने देश को हमेशा स्व से ऊपर रखा है। देशहित को सबसे ऊपर रखने की यही प्रेरणा, भारत को विकसित भारत बनाएगी। यही प्रेरणा भारत को आत्मनिर्भर बनाएगी। मुझे पूरा विश्वास है कि टीवी9 की यह समिट भी भारत के आत्मविश्वास और दुनिया के भरोसे पर, भारतीयों पर जो भरोसा है, उस भरोसे को और सशक्त करेगी। आप सभी को मेरी तरफ से बहुत-बहुत शुभकामनाएं हैं और आपके बीच आने का अवसर दिया, आप सबसे मिलने का मौका लिया, इसलिए बहुत-बहुत धन्यवाद!

नमस्‍कार!