উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে স্বাস্থ্য, রেল, সড়ক, তেল ও গ্যাসের মতো ক্ষেত্রগুলি রয়েছে
শ্রী সাইঁবাবা সমাধি মন্দিরে নতুন দর্শন পংক্তি প্রাঙ্গণের উদ্বোধন করেছেন
নীলওয়ান্দে বাঁধের বামতীরের দীর্ঘ ক্যানেল নেটওয়ার্ক জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন
‘নমো সেতকারী মহাসন্মান নিধি যোজনা’র সূচনা করেছেন
আয়ুষ্মান কার্ড এবং স্বামীত্ব কার্ড বিতরণ করেছেন
“সামাজিক ন্যায়ের প্রকৃত অর্থ হল দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা এবং যেখানে দরিদ্র মানুষ প্রভূত সুযোগপ্রাপ্ত হবেন”
“দরিদ্রদের কল্যাণ ডবল ইঞ্জিন সরকারের কাছে সর্বাধিক গুরুত্ব পায়”
“সরকার কৃষকদের ক্ষমতায়নের জন্য দায়বদ্ধ”
“আমাদের সরকার সমবায় আন্দোলনকে শক্তিশালী করার কাজ করছে”;
“মহারাষ্ট্রের প্রভূত সম্ভাবনা আছে”
“যত দ্রুত মহারাষ্ট্র উন্নতি করবে, ভারত তত দ্রুত উন্নতি করবে”

নমস্কার ছত্রপতি পরিবার!
মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল শ্রী রমেশ বহিশজী, কঠোর পরিশ্রমী মুখ্যমন্ত্রী শ্রী একনাথ সিন্ডেজী, উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্রজী, অজিতজী, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মন্ত্রিগণ, সাংসদগণ, বিধায়কগণ এবং আমার পরিবারের সদস্যরা, যাঁরা আমাদের সকলকে আশীর্বাদ করতে বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত হয়েছেন! 
আজ সাঁইবাবার আশীর্বাদ নিয়ে ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস হ’ল। গত পাঁচ দশক ধরে মহারাষ্ট্র যে নীলওয়ান্ডে বাঁধের অপেক্ষায় ছিলেন, তা সম্পূর্ণ হয়েছে এবং আমি সৌভাগ্যবান যে, আমি এখানে জল পূজন করার সুযোগ পেয়েছি। আমি এই মন্দিরের সঙ্গে সংযুক্ত প্রকল্পের শিলান্যাস করারও সুযোগ পেয়েছি। ‘দর্শন কিউ’ প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে দেশ-বিদেশের ভক্তরা উপকৃত হবেন। 

বন্ধুগণ,
আজ সকালে দেশের মহামূল্যবান রত্ন বরাকরি সম্প্রদায়ের জ্যোতি হরি ভক্ত বাবা মহারাজ সতরকরের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু সংবাদ পেয়েছি। তিনি কীর্তন ও বাণীর মাধ্যমে যে সমাজ জাগরণের কাজ করতেন, তা আগামী শতাব্দীর পর শতাব্দী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তাঁর কথা বলার সহজ অভ্যাস, তাঁর প্রেমময় শব্দগুলি, তাঁর শৈলী মানুষকে মুগ্ধ করতো। আমরা তাঁর কন্ঠে ‘জয় জয় রামকৃষ্ণ হরি’ – এই মন্ত্রের মনোমুগ্ধকর প্রভাব দেখেছি। আমি বাবা মহারাজ সতরকরজীকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জানাই। 
আমার পরিবারের সদস্যগণ,
সামাজিক ন্যায়ের প্রকৃত অর্থ হ’ল দেশকে দারিদ্র্য মুক্ত করা এবং দরিদ্রতম পরিবারগুলির এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া। আমাদের সরকার ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ – এই মন্ত্রে কাজ করছে। আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকারের অগ্রাধিকার হ’ল – গরীবের কল্যাণ। যেহেতু বর্তমানে দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধিশীল, দরিদ্রদের কল্যাণে সরকারের বাজেটও বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

আজ মহারাষ্ট্রে ১ কোটি ১০ লক্ষ আয়ুষ্মান কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এইসব কার্ড প্রাপকগণ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচিতে দেশ গরীবদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য ৭০ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে। দরিদ্রদের বিনামূল্যে রেশন কর্মসূচিতে দেশ ৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি খরচ করেছে। ২০১৪ সালের আগের ১০ বছর যা খরচ হয়েছিল, এখন খরচ হয়েছে তার ৬ গুণ। প্রত্যেকটি পরিবারে নলবাহিত জল পৌঁছে দিতে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। পিএম স্বনিধি যোজনায় রাস্তার হকাররা হাজার হাজার কোটি টাকার সহায়তা পাচ্ছেন।
বর্তমানে সরকার আরেকটি নতুন কর্মসূচি – পিএম বিশ্বকর্মার সূচনা করেছে। এর অধীনে সূত্রধর, স্বর্ণকার, কুম্ভকার এবং ভাস্করদের মতো লক্ষ লক্ষ পরিবার এই প্রথম সরকারি সাহায্য পাচ্ছে। এ কর্মসূচিতে ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। আমি আপনাদের যে অঙ্ক দিচ্ছি তা লক্ষ থেকে কোটি পর্যন্ত। এমনকি, ২০১৪ সালের আগে আপনারা এই অঙ্কের সংখ্যা শুনে থাকবেন, কিন্তু তা ছিল লক্ষ লক্ষ – কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি এবং কেলেঙ্কারি। কিন্তু, এখন কি হচ্ছে? লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে নানাবিধ প্রকল্প এবং কর্মসূচিতে। 
আমার পরিবারের সদস্যগণ,
আমার কৃষক বন্ধুদের অধিকাংশই আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন। আমি প্রথমেই সেইসব কন্যাদের অভিনন্দন জানাতে চাই, যাঁরা আমাদের কৃষক সমাজের প্রতি বার্তা দিতে আমাদের সামনে ‘ধরতি কহে পুকার’ নামে একটি নাটক পরিবেশন করলেন। আপনারা নিশ্চয়ই এই বার্তা নিয়ে ঘরে যাবেন। আমি হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে সেই সকল কন্যাদের অভিনন্দন জানাই। 

আমার পরিবারের সদস্যগণ,
এর আগে কৃষকদের নিয়ে কেউ মাথা ঘামাতো না। আমাদের কৃষক ভাই ও বোনেদের জন্য আমরা পিএম কিষাণ সম্মান নিধি শুরু করি। এর অধীনে সারা দেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্রের ক্ষুদ্র চাষীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও সরাসরি জমা পড়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। আমি খুশি যে, মহারাষ্ট্র সরকার ‘নমো সেতকারী মহাসম্মান নিধি যোজনা’ শুরু করেছে। এর অধীনে মহারাষ্ট্রের কৃষক পরিবারকে আরও ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এর অর্থ সম্মান নিধির অধীনে ক্ষুদ্র কৃষকরা ১২ হাজার কোটি টাকা করে পাবেন। 

আমার পরিবারের সদস্যগণ,
কৃষকদের নামে যাঁরা ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করেন, তাঁদের জন্য আপনাদের প্রতিটি জলের ফোঁটার জন্য ভুগতে হয়েছে। আজ নীলওয়ান্ডে প্রকল্পে ‘জল পূজন’ করা হ’ল। এটি ১৯৭০ সালে অনুমোদিত হয়। একবার ভেবে দেখুন, এই প্রকল্পের কাজ ৫টি দশক ধরে বকেয়া রয়ে গেছে! যখন আমাদের সরকার ক্ষমতায় এলো, তখন এই প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হ’ল। এখন মানুষ বাম তীরের খাল থেকে জল পাচ্ছেন, এরপর খুব শীঘ্রই ডান তীরের খালটিও চালু হয়ে যাবে। বলি রাজা জল সঞ্জিবনী যোজনা রাজ্যের খরা প্রবণ অঞ্চলগুলির জন্য আশীর্বাদ-স্বরূপ। মহারাষ্ট্রের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দশকের পর দশক ধরে বকেয়া আরও ২৬টি সেচ প্রকল্প সম্পূর্ণ করতে ব্যস্ত। এতে আমাদের কৃষকদের এবং খরা পীড়িত অঞ্চলের অনেক উপকার হবে। কিন্তু, আজ যখন আমরা এই বাঁধ থেকে জল পেতে শুরু করেছি, তখন আমার কৃষক ভাই ও বোনেদের প্রতি আমার একটি অনুরোধ আছে। এই জল ঈশ্বরের দান। তাই, যেন একটি ফোঁটা জলও যাতে নষ্ট না হয় – প্রতি ফোঁটায় আরও বেশি শস্য। আমাদের আরও বেশি করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

আমার পরিবারের সদস্যগণ,
আমরা সৎ উদ্দেশ্যে কৃষকদের ক্ষমতায়নের কাজে যুক্ত। কিন্তু, কিছু মানুষ মহারাষ্ট্রে কৃষকদের নামে রাজনীতি করছে। মহারাষ্ট্রের এক বর্ষীয়ান নেতা, যিনি কেন্দ্রে বহু বছর ধরে কৃষি মন্ত্রী ছিলেন। যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে সম্মান করি। কিন্তু, তিনি কৃষকদের জন্য কি করেছেন? তাঁর ৭ বছরের রাজত্বকালে সারা দেশের কৃষকদের কাছ থেকে ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের শস্য কিনেছেন। সংখ্যাটা মনে রাখুন! ঐ একই ৭ বছরে আমাদের সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ১৩.৫ লক্ষ কোটি টাকার শস্য কিনেছে। ২০১৪’র আগে কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে মাত্র ৫০০ – ৬০০ কোটি টাকার ডাল ও তৈলবীজ কেনা হয়েছিল। কিন্তু, সেখানে আমাদের সরকার ডাল ও তৈলবীজের জন্য কৃষকদের ১ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি দিয়েছে। যখন তিনি কৃষি মন্ত্রী ছিলেন, তখন কৃষকদের তাঁদের ন্যায্য পাওনা পেতে মধ্যস্বত্ত্বাভোগীদের উপর নির্ভর করতে হ’ত। মাসের পর মাস কৃষকদের টাকা দেওয়া হয়নি। আমাদের সরকার কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের অর্থ সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। 

বন্ধুগণ,
সম্প্রতি রবিশস্যের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ঘোষণা করা হয়েছে। ছোলার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ১০৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। গম ও সূর্যমুখীর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ১৫০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এতে মহারাষ্ট্রে আমাদের কৃষক বন্ধুদের প্রভূত উপকার হবে। আমরা ইক্ষু চাষীদের স্বার্থ রক্ষায় নজর দিয়েছি। ক্যুইন্টাল প্রতি আখের দাম বাড়িয়ে ৩১৫ টাকা করা হয়েছে। গত ৯ বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকার ইথানল কেনা হয়েছে। এই টাকাও আখ চাষীদের কাছেই পৌঁছেছে। আখ চাষীদের সময় মতো অর্থ প্রদান নিশ্চিত করতে চিনি কল ও সমাবায় সমিতিগুলিকে কয়েক হাজার কোটি টাকার সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

আমার পরিবারের সদস্যগণ,
আমার সরকার সমবায় আন্দোলনকে শক্তিশালী করতেও কাজ করছে। সারা দেশে ২ লক্ষেরও বেশি সমবায় সমিতি স্থাপন করা হয়েছে। কৃষকদের গুদাম ও হিমঘরের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমবায় সমিতি এবং পিএসি-গুলিকে সাহায্য করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র চাষীদের সংগঠিত করা হচ্ছে ফার্মার প্রডিউসার অর্গানাইজেশন (এফপিও) - এর মাধ্যমে। সরকারের এই প্রয়াসের মাধ্যমেই সারা দেশে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৫০০-রও বেশি এফপিও গঠন করা হয়েছে। 

আমার পরিবারের সদস্যগণ,
মহারাষ্ট্র প্রভূত সম্ভাবনার কেন্দ্রে। মহারাষ্ট্র যত দ্রুত উন্নতি করবে, ভারত তত দ্রুত উন্নতি করবে। এই কয়েক মাস আগে মুম্বাই ও শিরডির মধ্যে সংযোগকারী বন্দেভারত ট্রেনের উদ্বোধন করার সুযোগ আমার হয়েছিল। মহারাষ্ট্রে রেলপথের সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া লাগাতার চলছে। জলগাঁও ও ভুসওয়ালের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের উদ্বোধন হওয়ার ফলে মুম্বাই – হাওড়া রেলপথে যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই রকমভাবে সোলাপুর থেকে বরগাঁও চার লেনের সড়ক হওয়ায় সমগ্র কোঙ্কণ অঞ্চলে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। এতে শুধুমাত্র শিল্পগুলি উপকৃত হবে তাই নয়, আখ, আঙুর ও হলুদ চাষীরাও উপকৃত হবেন। এটি পরিবহণেরই রাস্তা তৈরি করবে তা নয়, সার্বিক অগ্রগতি ও সামাজিক উন্নয়নও ঘটাবে। 
আরও একবার বিপুল সংখ্যায় এখানে এসে আমাকে আশীর্বাদ করার জন্য উপস্থিত হওয়ায় আমি অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আসুন, স্বাধীনতার শতবর্ষে ২০৪৭ – এর জন্য আমরা শপথ নিই সারা বিশ্বে ভারত পরিচিত হবে উন্নত ভারত হিসেবে।
অনেক ধন্যবাদ।  

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress

Media Coverage

Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
This is the New India that leaves no stone unturned for development: PM Modi
March 23, 2026
Today, India is moving forward with a new confidence; Now India faces challenges head-on: PM
From the Gulf to the Global West and from the Global South to neighbouring countries, India is a trusted partner for all: PM
What gets measured gets improved and ultimately gets transformed: PM
This is the new India, It is leaving no stone unturned for development: PM

नमस्कार!

पिछले कुछ समय में मुझे एक-दो बार टीवी9 भारतवर्ष देखने का मौका मिला है। नॉर्मली भी युद्धों और मिसाइलों पर आपका बहुत फोकस होता है और आजकल तो आपको कंटेंट की ओवरफीडिंग हो रही है। बड़े-बड़े देश टीवी9 को इतना सारा कंटेंट देने पर तुले हुए हैं, लेकिन On a Serious Note, आज विश्व जिन गंभीर परिस्थितियों से गुजर रहा है, वो अभूतपूर्व है और बेहद गंभीर है। और इन स्थितियों के बीच, आज टीवी-9 नेटवर्क ने विचारों का एक बेहद महत्वपूर्ण मंच बनाया है। आज इस समिट में आप सभी India and the world, इस विषय पर चर्चा कर रहे हैं। मैं आप सबको बधाई देता हूं। इस समिट के लिए अपनी शुभकामनाएं देता हूं। सभी अतिथियों का अभिनंदन करता हूं।

साथियों,

आज जब दुनिया, conflicts के कारण उलझी हुई है, जब इन conflicts के दुष्प्रभाव पूरी दुनिया पर दिख रहे हैं, तब India and the world की बात करना बहुत ही प्रासंगिक है। भारत आज वो देश है, जिसकी अर्थव्यवस्था तेजी से आगे बढ़ रही है। 2014 के पहले की स्थितियों को पीछे छोड़कर के आज भारत एक नए आत्मविश्वास के साथ आगे बढ़ रहा है। अब भारत चुनौतियों को टालता नहीं है बल्कि चुनौतियों से टकराता है। आप बीते 5-6 साल में देखिए, कोरोना की महामारी के बाद चुनौतियां एक के बाद एक बढ़ती ही गई हैं। ऐसा कोई साल नहीं है, जिसने भारत की, भारतीयों की परीक्षा न ली हो। लेकिन 140 करोड़ देशवासियों के एकजुट प्रयास से भारत हर आपदा का सामना करते हुए आगे बढ़ रहा है। इस समय युद्ध की परिस्थितियों में भी भारत की नीति और रणनीति देखकर, भारत का सामर्थ्य देखकर दुनिया के अनेकों देश हैरान हैं। हमारे यहां कहावत है, सांच को आंच नहीं। 28 फरवरी से दुनिया में जो उथल-पुथल मची है, इन कठोर विपरीत परिस्थितियों में भी भारत प्रगति के, विकास के, विश्वास के संकल्प के साथ आगे बढ़ रहा है। इन 23 दिनों में भारत ने अपनी Relationship Building Capacity दिखाई है, Decision Making Capacity दिखाई है और Crisis Management Capacity दिखाई है।

साथियों,

आज जब दुनिया इतने सारे खेमों में बंटी हुई है, भारत ने अभूतपूर्व और अकल्पनीय bridges बनाए हैं। Gulf से लेकर Global West तक, Global South से लेकर पड़ोसी देशों तक भारत सभी का trusted partner है। कुछ लोग पूछते हैं, हम किसके साथ हैं? तो उनको मेरा जवाब यही है कि हम भारत के साथ हैं, हम भारत के हितों के साथ हैं, शांति के साथ हैं, संवाद के साथ हैं।

साथियों,

संकट के इसी समय में जब global supply chains डगमगा रही हैं, भारत ने diversification और resilience का मॉडल पेश किया है। Energy हो, fertilizers हों या essential goods अपने नागरिकों को कम से कम परेशानी हो, इसके लिए भारत ने निरंतर प्रयास किया है और आज भी कर रहे है।

साथियों,

जब राष्ट्रनीति ही राजनीति का मुख्य आधार हो, तब देश का भविष्य सर्वोपरि होता है। लेकिन जब राजनीति में व्यक्तिगत स्वार्थ हावी हो जाता है, तब लोग देश के फ्यूचर के बजाय अपने फ्यूचर के बारे में सोचते हैं। आप ज़रा याद कीजिए 2004 से 2010 के बीच क्या हुआ था? तब कांग्रेस सरकार के समय पेट्रोल-डीजल और गैस की कीमतों का संकट आया था और तब कांग्रेस ने देश की नहीं बल्कि अपनी सत्ता की चिंता की। उस वक्त कांग्रेस ने एक लाख अड़तालीस हज़ार करोड़ रुपए के ऑयल बॉन्ड जारी किए थे और प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह जी ने खुद कहा था कि वो आने वाली पीढ़ी पर कर्ज का बोझ डाल रहे हैं। यह जानते हुए भी कि ऑयल बॉन्ड का फैसला गलत है, जो रिमोट कंट्रोल से सरकार चला रहे थे, उन लोगों ने अपनी सत्ता बचाने के लिए यह गलत निर्णय किया क्योंकि जवाबदेही उस समय नहीं होनी थी, उस बॉन्ड पर री-पेमेंट 2020 के बाद होनी थी।

साथियों,

बीते 5-6 वर्षों में हमारी सरकार ने कांग्रेस सरकार के उस पाप को धोने का काम किया है, और इस धुलाई का खर्चा कम नहीं आया है, ऐसी लाँड्री आपने देखी नहीं होगी। 1 लाख 48 हज़ार करोड़ रुपए की जगह, देश को 3 लाख करोड़ रुपए से अधिक की पेमेंट करनी पड़ी क्योंकि इसमें ब्याज भी जुड़ गया था। यानी हमने करीब-करीब दोगुनी राशि चुकाने के लिए मजबूर हुए। आजकल कांग्रेस के जो नेता बयानों की मिसाइलें दाग रहे हैं, मिसाइल आई तो टीवी9 को मजा आएगा, उनकी इस विषय का जिक्र आते ही बोलती बंद हो जाती है।

साथियों,

पश्चिम एशिया में बनी परिस्थितियों पर मैंने आज लोकसभा में अपना वक्तव्य दिया है। दुनिया में जहां भी युद्ध हो रहे हैं, वो भारत की सीमा से दूर हैं। लेकिन आज की व्यवस्थाओं में कोई भी देश युद्धों से दुष्प्रभाव से दूर रहे, ऐसा संभव नहीं होता। अनेक देशों में तो स्थिति बहुत गंभीर हो चुकी है। और इन हालातों में हम देख रहे हैं कि राजनीतिक स्वार्थ से भरे कुछ लोग, कुछ दल, संकट के इस समय में भी अपने लिए राजनीतिक अवसर खोज रहे हैं। इसलिए मैं टीवी9 के मंच से फिर कहूंगा, यह समय संयम का है, संवेदनशीलता का है। हमने कोरोना महासंकट के दौरान भी देखा है, जब देशवासी एकजुट होकर संकट का सामना करते हैं, तो कितने सार्थक परिणाम आते हैं। इसी भाव के साथ हमें इस युद्ध से बनी परिस्थितियों का सामना करना है।

साथियों,

दुनिया की हर उथल-पुथल के बीच, भारत ने अपनी प्रगति की गति को भी बनाए रखा है। अगर मैं 28 फरवरी को युद्ध शुरू होने के बाद, बीते 23 दिनों का ही ब्यौरा दूं, तो पूरब से पश्चिम तक, उत्तर से दक्षिण तक देश में हजारों करोड़ के डेवलपमेंट प्रोजेक्ट्स का काम हुआ है। दिल्ली मेट्रो रेल के महत्वपूर्ण कॉरिडोर्स का लोकार्पण, सिलचर का हाई स्पीड कॉरिडोर का शिलान्यास, कोटा में नए एयरपोर्ट का शिलान्यास, मदुरै एयरपोर्ट को इंटरनेशनल एयरपोर्ट का दर्जा देना, ऐसे अनेक काम बीते 23 दिनों में ही हुए हैं। बीते एक महीने के दौरान ही औद्योगिक विकास को गति देने के लिए भव्य स्कीम को मंजूरी दी गई है। इसके तहत देशभर में 100 plug-and-play industrial parks विकसित किए जाएंगे। देश में Small Hydro Power Development Scheme को भी हरी झंडी दी गई है। इससे आने वाले वर्षों में 1,500 मेगावाट नई hydro power capacity जोड़ी जाएगी। इसी दौरान जल जीवन मिशन को साल 2028 तक बढ़ाने का निर्णय लिया गया है। किसानों के हित में भी अनेक बड़े निर्णय लिए गए हैं। बीते एक महीने में ही पीएम किसान सम्मान निधि के तहत 18 हजार करोड़ रुपए से अधिक सीधे किसानों के खातों में ट्रांसफर किए गए हैं। और जो हमारे MSMEs हैं, जो हमारे निर्यातक हैं, उनके लिए भी करीब 500 करोड़ रुपए के राहत पैकेज की भी घोषणा की गई है। यह सारे कदम इस बात का प्रमाण हैं कि विकसित भारत बनाने के लिए देश कितनी तेज गति से काम कर रहा है।

साथियों,

Management की दुनिया में एक सिद्धांत कहा जाता है - What gets measured, gets managed. लेकिन मैं इसमें एक बात और जोड़ना चाहता हूं, What gets measured, gets improved और ultimately, gets transformed. क्योंकि आकलन जागरूकता पैदा करता है। आकलन जवाबदेही तय करता है और सबसे महत्वपूर्ण आकलन संभावनाओं को जन्म देता है।

साथियों,

अगर आप 2014 से पहले के 10-11 साल और 2014 के बाद के 10-11 साल का आप आकलन करेंगे, तो यही पाएंगे कि कैसे इसी सिद्धांत पर चलते हुए, भारत ने हर सेक्टर को Transform किया है। जैसे पहले हाईवे बनते थे, करीब 11-12 किलोमीटर प्रति दिन की रफ्तार से, आज भारत करीब 30 किलोमीटर प्रतिदिन की स्पीड से हाईवे बना रहा है। पहले पोर्ट्स पर शिप का Turnaround Time, 5-6 दिन का होता था। आज वही काम, करीब-करीब 2 दिन से भी कम समय में पूरा हो रहा है। पहले Startup Culture के बारे में चर्चा ही नहीं होती थी। 2014 से पहले, हमारे देश में 400-500 स्टार्ट अप्स ही थे। आज भारत में 2 लाख से ज्यादा रजिस्ट्रर्ड स्टार्ट अप्स हैं। पहले मेडिकल education में सीटें भी सीमित थीं, करीब 50-55 हजार MBBS seats थीं, आज यह बढ़कर सवा लाख से ज्यादा हो चुकी हैं। पहले देश के Banking system से भी करोड़ों लोग बाहर थे। देश में सिर्फ 25 करोड़ के आसपास ही बैंक account थे। वहीं जनधन योजना के माध्यम से 55 करोड़ से ज्यादा बैंक अकाउंट खुले हैं। पहले हमारे देश में airports की संख्या भी 70 से कम थी। आज एयरपोर्ट्स की संख्या भी बढ़कर 160 से ज्यादा हो चुकी है।

साथियों,

पहले भी योजनाएं तो बनती थीं, लेकिन आज फर्क है, आज परिणाम दिखते हैं। पहले गति धीमी थी, आज भारत fastrack पर है। पहले संभावनाएं भी अंधकार में थीं, आज संकल्प सिद्धियों में बदल रहे हैं। इसलिए दुनिया को भी यह संदेश मिल रहा है कि यह नया भारत है। यह अपने विकास के लिए कोई कोर-कसर बाकी नहीं छोड़ रहा है।

साथियों,

आज हमारा प्रयास है कि अतीत में विकास का जो असंतुलन पैदा हो गया था, उसको अवसरों में बदला जाए। अब जैसे हमारा पूर्वी भारत है। हमारा पूर्वी भारत संसाधनों से समृद्ध है, दशकों तक वहां जिन्होंने सरकारें चलाई हैं, उनकी उपेक्षा ने पूर्वी भारत के विकास पर ब्रेक लगा दी थी। अब हालात बदल रहे हैं। जिस असम में कभी गोलियों की आवाज सुनाई देती थी, आज वहां सेमीकंडक्टर यूनिट बन रही है। ओडिशा में सेमीकंडक्टर से लेकर पेट्रोकेमिकल्स तक अनेक नए-नए सेक्टर का विकास हो रहा है। जिस बिहार में 6-7 दशक में गंगा जी पर एक बड़ा पुल बन पाया था एक, उस बिहार में पिछले एक दशक में 5 से ज्यादा नए पुल बनाए गए हैं। यूपी में कभी कट्टा मैन्युफैक्चरिंग की कहानियां कही जाती थीं, आज यूपी, मोबाइल फोन मैन्युफैक्चरिंग में दुनिया में अपनी पहचान बना रहा है।

साथियों,

पूर्वी भारत का एक और बड़ा राज्य पश्चिम बंगाल है। पश्चिम बंगाल, एक समय में भारत के कल्चर, एजुकेशन, इंडस्ट्री और ट्रेड का हब होता था। बीते 11 वर्षों में केंद्र सरकार ने पश्चिम बंगाल के विकास के लिए बड़ी मात्रा में निवेश किया है। लेकिन दुर्भाग्य से, आज वहां एक ऐसी निर्मम सरकार है, जो विकास पर ब्रेक लगाकर बैठी है। TV9 बांग्ला के जो दर्शक हैं, वो जानते हैं कि बंगाल में आयुष्मान योजना पर निर्मम सरकार ने ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम आवास योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। चाय बागान श्रमिकों के लिए शुरू हुई योजना के लिए ब्रेक लगाया हुआ है। यानी विकास और जनकल्याण से ज्यादा प्राथमिकता निर्मम सरकार अपने राजनीतिक स्वार्थ को दे रही है।

साथियों,

देश में इस तरह की राजनीति की शुरुआत जिस दल ने की है, वो अपने गुनाहों से बच नहीं सकती और वो पार्टी है - कांग्रेस। कांग्रेस पार्टी की राजनीति का एक ही लक्ष्य रहा है, किसी भी तरह विकास का विरोध और कांग्रेस यह तब से कर रही है, जब मैं गुजरात में था। गुजरात में वर्षों तक जनता ने हमें आशीर्वाद दिया, तो कांग्रेस ने उस जनादेश को स्वीकार नहीं किया। उन्होंने गुजरात की छवि पर सवाल उठाए, उसकी प्रगति को कटघरे में खड़ा किया और जब यही विश्वास पूरे देश में दिखाई दिया, तो कांग्रेस का विरोध भी रीजनल से नेशनल हो गया।

साथियों,

जब राजनीति में विरोध, विकास के विरोध में बदल जाए, जब आलोचना देश की उपलब्धियों पर सवाल उठाने लगे, तब यह सिर्फ सरकार का विरोध नहीं रह जाता, यह देश की प्रगति से असहज होने की मानसिकता बन जाती है। आज कांग्रेस इसी मानसिकता की गुलाम बन चुकी है। आज स्थिति यह है कि देश की हर सफलता पर प्रश्न उठाया जाता है, हर उपलब्धि में कमी खोजी जाती है और हर प्रयास के असफल होने की कामना की जाती है। कोविड के समय, देश ने अपनी वैक्सीन बनाई, तो कांग्रेस ने उस पर भी संदेह जताया। Make in India की बात हुई, तो कहा गया कि यह सफल नहीं होगा, बब्बर शेर कहकर इसका मजाक उड़ाया गया। जब देश में डिजिटल इंडिया अभियान शुरू हुआ, तो उसका मजाक उड़ाया गया। लेकिन हर बार यह कांग्रेस का दुर्भाग्य और देश का सौभाग्य रहा कि भारत ने हर चुनौती को सफलता में बदला। आज भारत दुनिया की सबसे बड़ी वैक्सीनेशन ड्राइव का उदाहरण है। भारत डिजिटल पेमेंट्स में दुनिया का अग्रणी देश है। भारत मैन्युफैक्चरिंग और स्टार्टअप्स में नई ऊंचाइयों को छू रहा है।

साथियों,

लोकतंत्र में विरोध जरूरी होता है। लेकिन विरोध और विद्वेष के बीच एक रेखा होती है। सरकार का विरोध करना लोकतांत्रिक अधिकार है। लेकिन देश को बदनाम करना, यह कांग्रेस की नीयत पर सवाल खड़ा करता है। जब विरोध इस स्तर तक पहुंच जाए कि देश की उपलब्धियां भी असहज करने लगें, तो यह राजनीति नहीं, यह दृष्टिकोण की समस्या है। अभी हमने ग्लोबल AI समिट में भी देखा है। जब पूरी दुनिया भारत में जुटी हुई थी, तो कांग्रेस के लोग कपड़े फाड़ने वहां पहुंच गए थे। इन लोगों को देश की इज्जत की कितनी परवाह है, यह इसी से पता चलता है। इसलिए आज आवश्यकता है कि देशहित को, दलहित से ऊपर रखा जाए क्योंकि अंत में राजनीति से ऊपर, राष्ट्र होता है, राष्ट्र का विकास होता है।

साथियों,

आज का यह दिन भी हमें यही प्रेरणा देता है। आज के ही दिन शहीद भगत सिंह, शहीद राजगुरु और शहीद सुखदेव ने देश के लिए सर्वोच्च बलिदान दिया था। आज ही, समाजवादी आंदोलन के प्रखर आदर्श डॉ. राम मनोहर लोहिया जी की जयंती भी है। यह वो प्रेरणाएं हैं, जिन्होंने देश को हमेशा स्व से ऊपर रखा है। देशहित को सबसे ऊपर रखने की यही प्रेरणा, भारत को विकसित भारत बनाएगी। यही प्रेरणा भारत को आत्मनिर्भर बनाएगी। मुझे पूरा विश्वास है कि टीवी9 की यह समिट भी भारत के आत्मविश्वास और दुनिया के भरोसे पर, भारतीयों पर जो भरोसा है, उस भरोसे को और सशक्त करेगी। आप सभी को मेरी तरफ से बहुत-बहुत शुभकामनाएं हैं और आपके बीच आने का अवसर दिया, आप सबसे मिलने का मौका लिया, इसलिए बहुत-बहुत धन्यवाद!

नमस्‍कार!