The Jeevika Nidhi Credit Cooperative Society initiative will be further strengthened through its integration with the Mukhyamantri Mahila Rojgar Yojana: PM
Mukhyamantri Mahila Rojgar Yojana has further strengthened the Central Government’s Lakhpati Didi campaign: PM
When a government formulates policies with women at the center, the benefits also extend to other segments of society: PM
The transformative impact of the Ujjwala Yojana is now being recognized across the world: PM
Under the Swasth Nari, Sashakt Parivar campaign, more than 4.25 lakh health camps are being organized to screen for serious health conditions: PM
When a woman progresses, the entire society moves forward: PM

আপনাদের সবাইকে প্রণাম! 

নবরাত্রির এই পবিত্র দিনগুলিতে, বিহারের নারীশক্তির আনন্দে শামিল হওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে। আমি এখানে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ছিলাম, লক্ষ লক্ষ মহিলাদের, বোনেদের দেখতে পেলাম। নবরাত্রির এই পবিত্র উৎসবে আপনাদের আশীর্বাদ আমাদের সকলের জন্য এক বিরাট শক্তি। আজ আপনাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, এবং আজ থেকে 'মুখ্যমন্ত্রী নারী কর্মসংস্থান প্রকল্প' চালু হচ্ছে। যেমনটি আমাকে বলা হয়েছিল, ৭৫ লক্ষ বোন ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে যোগ দিয়েছেন। এইমাত্র, এই ৭৫ লক্ষ বোনের প্রত্যেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ টাকা করে পাঠানো হয়েছে।

বন্ধুগণ,

এই প্রক্রিয়াটি চলাকালীন, আমি বসে বসে দুটি বিষয় ভাবছিলাম। প্রথমত, নীতিশজির সরকারের এই পদক্ষেপ বিহারের বোন ও কন্যাদের জন্য কতটা বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ। যখন কোনও বোন বা কন্যা চাকরিজীবী বা স্বনির্ভর কর্মসংস্থান করে, তখন তাঁর স্বপ্ন নতুন ডানা মেলে এবং সমাজে তাঁর সম্মান বৃদ্ধি পায়। দ্বিতীয় যে বিষয়টি আমার মনে এলো তা হলো, ১১ বছর আগে যখন আপনারা আমাকে আপনাদের প্রধান সেবক হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন, তখন যদি আমরা জন ধন যোজনার অঙ্গীকার না করতাম, যদি দেশ জন ধন যোজনার আওতায় আমাদের বোন ও মেয়েদের জন্য ৩০ কোটিরও বেশি অ্যাকাউন্ট না খুলত, যদি আমরা এই ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি আপনার মোবাইল ফোন এবং আধারের সঙ্গে সংযুক্ত না করতাম, তাহলে কি আজ আমরা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি এত টাকা পাঠাতে পারতাম? এটা অসম্ভব হত। এই প্রসঙ্গে একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আফশোস করে একটা কথা বলেছিলেন, তখন তাঁরা পঞ্চায়েত থেকে সংসদ পর্যন্ত সর্বত্র রাজত্ব করতেন। তিনি বলেছিলেন যে, দিল্লি থেকে যখন এক টাকা পাঠানো হত, তখন মাত্র ১৫ পয়সা সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছাত, আর কেউ কেউ ৮৫ পয়সা লুঠ করতো। আজ যে টাকা পাঠানো হচ্ছে, পুরো ১০,০০০ টাকা, তা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে; কেউ এক টাকাও চুরি করতে পারবে না। আগে এই টাকার সিংহভাগ মাঝপথেই পাচার হয়ে যেত, আপনাদের প্রতি কত বড় অন্যায় হতো। 

 

বন্ধুগণ,

একজন ভাই তখনই খুশি থাকতে পারে যখন তাঁর বোন সুস্থ, সুখী এবং তাঁর পরিবার আর্থিকভাবে শক্তিশালী থাকে। এর জন্য, একজন ভাই তাঁর সাধ্যমতো সবকিছু করে। আজ, আপনাদের দুই ভাই, নরেন্দ্র এবং নীতিশ, আপনাদের সেবা, সমৃদ্ধি এবং আত্মসম্মানের জন্য একসঙ্গে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। আজকের অনুষ্ঠানটি এর একটি উদাহরণ।

মা এবং বোনেরা,

যখন আমাকে এই প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল, তখন আমি এর দৃষ্টিভঙ্গিতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। প্রতিটি পরিবারের একজন মহিলা অবশ্যই এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হবেন। আর প্রাথমিকভাবে ১০,০০০ টাকা পাওয়ার পর, যদি সেই মহিলা এই ১০,০০০ টাকা বুদ্ধি করে ব্যবহার করেন, কিছু কর্মসংস্থান তৈরি করেন, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ব্যবসা শুরু করেন এবং যদি তা সফল হয় এবং ভালভাবে চলে, তাহলে তাকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া যেতে পারে। কল্পনা করুন, এটি আপনার জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে! কর্পোরেট জগতে, এটিকে ‘সিড মানি’ বা বীজ মূলধন বলা হয়। এই প্রকল্পের সাহায্যে, বিহারে আমার বোনেরা মুদির দোকান, বাসনপত্র, প্রসাধনী, খেলনা, স্টেশনারির মতো বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে ছোট ছোট দোকান খুলতে পারেন, এবং তাঁদের নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। তাঁরা গরু, হাঁস-মুরগি, মাছ এবং ছাগল পালন করতে পারে।  তাঁরা এই ধরণের অনেক পেশায় এগিয়ে যেতে পারে। আর এই সবকিছুর জন্য, আপনার প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। এখন আপনি হয়তো ভাববেন, "আপনার হাতে টাকা পেয়েছেন, কিন্তু আপনি কীভাবে এটি করবেন?" আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, কেবল টাকা নয়, আপনাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে এবং কীভাবে কাজ করতে হয় তা শেখানো হবে। বিহারে ইতিমধ্যেই জীবিকা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর একটি চমৎকার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে প্রায় ১১ লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী কাজ করছে, যার অর্থ একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই রয়েছে। এই মাসের শুরুতে, আমি জীবিকা নিধি ক্রেডিট কোঅপারেটিভ ইউনিয়ন চালু করার সুযোগ পেয়েছিলাম। এখন, এই ব্যবস্থার শক্তি মুখ্যমন্ত্রীর মহিলা কর্মসংস্থান প্রকল্পের সঙ্গে মিলিত হবে। এর অর্থ হল, এটি চালু হওয়ার পর থেকে, এই প্রকল্পটি বিহার জুড়ে, বিহারের প্রতিটি কোণে এবং প্রত্যেক পরিবারের জন্য কার্যকর হবে।

বন্ধুগণ,

মুখ্যমন্ত্রীর মহিলা কর্মসংস্থান প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষপতি দিদি অভিযানকেও নতুন শক্তি দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার দেশে ৩ কোটি লক্ষপতি দিদি তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দুই কোটিরও বেশি বোন ইতিমধ্যেই লক্ষপতি দিদি হয়ে উঠেছেন। আর আমি গ্রামীণ মহিলাদের কথা বলছি। তাঁদের কঠোর পরিশ্রম গ্রাম, সমাজ, এমনকি পারিবারিক মর্যাদাও বদলে দিয়েছে। বিহারের লক্ষ লক্ষ মহিলাও লক্ষপতি দিদি হয়ে উঠেছেন। আর বিহারের ডাবল ইঞ্জিন সরকার যেভাবে এই প্রকল্পটি এগিয়ে নিচ্ছে, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সেই দিন খুব বেশি দূরে নয় যখন, যদি সমগ্র দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক লক্ষপতি দিদি থাকেন, তবে আজ আমার মনে হয় যে আমাদের বিহারেও সবচেয়ে বেশি সংখ্যক লক্ষপতি দিদি থাকবেন।

 

মা ও বোনেরা,

কেন্দ্রীয় সরকারের মুদ্রা প্রকল্প, ড্রোন দিদি অভিযান, বীমা সখী অভিযান এবং ব্যাংক দিদি অভিযানও আপনাদের জন্য কর্মসংস্থান এবং স্বনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করছে। আমাদের লক্ষ্য একটাই, এবং আমরা আজ এই একটি লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি: আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করা, আপনাদের সন্তানদের জন্য যে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আপনারা কল্পনা করেন, আপনাদের পরিবারের সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য যতটা সম্ভব সুযোগ প্রদান করা।

বন্ধুগণ,

আজ, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ, আমাদের বোন ও কন্যাদের জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মুক্ত হচ্ছে। আজ, আমাদের বিপুল সংখ্যক মেয়েরা সেনাবাহিনী এবং পুলিশে যোগ দিচ্ছে। প্রত্যেক মহিলা এসব দেখে গর্বিত হবেন, আজ, আমাদের মেয়েরা যুদ্ধবিমান চালাচ্ছে।

কিন্তু বন্ধুগণ, 
আমাদের সেই দিনগুলি ভুলে যাওয়া উচিত নয় যখন বিহারে আরজেডি ক্ষমতায় ছিল, লণ্ঠনের রাজত্ব ছিল। সেই সময়, বিহারের মা-বোনেরা, এখানকার মহিলারা, অরাজকতা এবং দুর্নীতির কবলে পড়েছিলেন। সেই দিনগুলিতে, যখন বিহারের প্রধান রাস্তাগুলি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল এবং সেতুগুলির অস্তিত্ব ছিল না, তখন কারা সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করেছিলেন? যখন এই ধরণের সমস্যা দেখা দেয়, তখন আমরা সকলেই জানি যে আমাদের মহিলারা, আমাদের মা-বোনেরা, সবচেয়ে আগে এই কষ্ট ভোগেন। আর আপনারা জানেন, বন্যার সময় এই সমস্যা কতটা তীব্র হয়ে ওঠে। গর্ভবতী মহিলারা সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারতেন না। সংকটময় পরিস্থিতিতে, তাঁরা সঠিক চিকিৎসার সুবিধা পেতেন না। আমাদের সরকার আপনাদের এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছে। আমরা চাই যে, আপনারা এই অসুবিধাগুলি কাটিয়ে উঠুন, এবং আজ আমরা এক্ষেত্রে অনেকাংশে সফল হয়েছি। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসার পর, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে বিহারে রাস্তা তৈরি শুরু হয়েছে। আমরা এখনও বিহারে যোগাযোগ উন্নত করার জন্য কাজ করছি, এবং তা বিহারের মহিলাদের জন্য উল্লেখযোগ্য সুবিধা প্রদান করতে শুরু করেছে।

 

মা ও বোনেরা,
আজকাল বিহারে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি অবশ্যই ৩০ বছরের কম বয়সী মা ও বোনদের এই প্রদর্শনীটি দেখার জন্য উৎসাহিত করব। আমাকে বলা হয়েছে যে এই প্রদর্শনীতে পুরনো সংবাদপত্রের শিরোনাম রয়েছে। আমরা যদি না   সেগুলো পড়ি, ৩০ বছরের কম বয়সীরা হয়তো বুঝতেও পারবেন না যে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ ছিল। এমনকি বয়স্ক ব্যক্তিরাও, বিশেষ করে যাঁরা এগুলো পড়বেন, তাঁরাও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন। তাঁরা আরজেডি শাসনকালে বিহারে যে সন্ত্রাসের রাজত্ব ছিল তা মনে রাখবেন। কোনও বাড়ি নিরাপদ ছিল না। নকশালপন্থী হিংস্রতার আতঙ্ক ছিল ব্যাপক।আর মহিলারা এই অত্যাচারের কবলে পড়েছিলেন।হতদরিদ্র সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ডাক্তার, এমনকি আইএএস অফিসাররা পর্যন্ত, কেউই আরজেডি নেতাদের অত্যাচার থেকে রেহাই পাননি।

বন্ধুগণ,
আজ, যখন নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে আইনের শাসন ফিরে এসেছে, তখন আমার মা, বোন, কন্যা এবং মহিলারা সবচেয়ে বেশি স্বস্তি অনুভব করেছেন। আজ, বিহারের মেয়েরা নির্ভয়ে তাঁদের বাড়ি থেকে পথে বেরুচ্ছেন। আমিএকটু আগেই চারজন বোনের কথা শুনছিলাম। যেভাবে বোন রঞ্জিতা জি, বোন রীতা জি, নূরজাহান বানু এবং আমাদের পুতুল দেবী জি এত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেছেন। নীতিশজির নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার আগে এটা সম্ভব ছিল না। তাঁদের গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ির বাইরে কাজ করার সুবিধাও ছিল না। আমি যখনই বিহারে আসি, এত বিপুল সংখ্যক মহিলা পুলিশ সদস্য মোতায়েন দেখে আমি খুব তৃপ্তি পাই। তাই, আজ আমাদের সকলকে একসঙ্গে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে, মা ও বোনেরা, আমার এই কথাগুলি লিখে রাখুন বোনেরা, আমরা আর কখনও বিহারকে সেই অন্ধকারে ফিরে যেতে দেব না, এটাই আমাদের শিশুদের সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচানোর একমাত্র উপায়।

মা ও বোনেরা, 

যখন কোনও সরকার নারীদের উন্নয়নের কথা কেন্দ্রে রেখে নীতিমালা প্রণয়ন করে, তখন সমাজের প্রতিটি অংশ, গোটা পরিবার তার সুফল লাভ করে। উদাহরণস্বরূপ, উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে যে গভীর পরিবর্তন এসেছে তা সমগ্র বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে। একটা সময় ছিল যখন গ্রামে গ্যাস সংযোগ পাওয়া ছিল একটি দূরের স্বপ্ন, আর শহরগুলিতেও একই অবস্থা ছিল। আমার দরিদ্র মা, বোন এবং কন্যারা রান্নাঘরে কাশতে কাশতে জীবন কাটাতেন। ফুসফুসের রোগ সাধারণ ছিল, এমনকি দৃষ্টিশক্তিও হারাতে হত। অনেক বিশেষজ্ঞ একথাও  বলেন যে, যদি মা ও বোনেরা উনুনের ধোঁয়ায় দীর্ঘ সময় কাটান, তাহলে তাঁরা দিনে ৪০০ সিগারেটের সমপরিমাণ শ্বাস নেন। এখন বলুন, যদি ক্যান্সার না হয়, তাহলে কী হবে? এই সব প্রতিরোধ করার জন্য, আমরা উজ্জ্বলা যোজনা চালু করেছি, প্রতিটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়েছি। বিহারে, আমাদের বোনদের জীবন দীর্ঘকাল জ্বালানি কাঠ বহন করে কেটেছে।এই কষ্টই যথেষ্ট ছিল না। বৃষ্টি হলে ভেজা কাঠ জ্বলত না, এবং বন্যা হলে জ্বালানি কাঠ ডুবে যেত। শিশুরা কতবার ক্ষুধার্ত অবস্থাতেই ঘুমাতে যেত বা ভূজা খেয়ে রাত কাটাত?

 

বন্ধুগণ,

এই যন্ত্রণা কোনও বইয়ে লেখা নেই; আমার বিহারের বোনেরা এটি ভোগ করেছেন। আমার প্রত্যেক বোন এই অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে গেছেন। কিন্তু যখন এনডিএ সরকার বোনদের উন্নয়নের কথা কেন্দ্রে রেখে চিন্তাভাবনা এবং পরিকল্পনা শুরু করে, তখন চিত্রটি বদলে যেতে শুরু করে। একসঙ্গে লক্ষ লক্ষ বাড়িতে গ্যাস সংযোগ পৌঁছে যায়। আজ লক্ষ লক্ষ বোন গ্যাসের উনুনে আরামে রান্না করছেন। তাঁরা ধোঁয়া থেকে মুক্ত হয়েছেন, ফুসফুস এবং চোখের রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এখন, বাড়িতে শিশুরা প্রতিদিন গরম খাবার পাচ্ছে। উজ্জ্বলা গ্যাস সংযোগ কেবল বিহারের রান্নাঘরই নয়, মহিলাদের জীবনকেও আলোকিত করেছে।

মা ও বোনেরা,

আপনাদের সমস্ত সমস্যা দূর করা আমাদের দায়িত্ব। করোনার কঠিন সময়ে আমরা বিনামূল্যে শস্য প্রকল্প চালু করেছি। কারণ আমার একটি লক্ষ্য ছিল: কোনও শিশু যেন রাতে ক্ষুধার্ত না ঘুমাতে না পারে। কিন্তু এই প্রকল্পটি আপনাদের এতটাই সাহায্য করেছে যে আমরা এটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজও, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা(পিএমজিকেওয়াই) চালু আছে, এবং এই প্রকল্পের জন্য ধন্যবাদ, বিহারের সাড়ে আট কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। এই প্রকল্পটি আপনাদের উদ্বেগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। আমি আপনাদের আরেকটি উদাহরণ দিই। বিহারের একটি বিশাল অঞ্চলে, সিদ্ধ চাল পছন্দ করা হয়। কিন্তু, আগে আমাদের মা ও বোনদের সরকারি রেশনে আতপ চাল দেওয়া হত। বাধ্য হয়ে তাঁরা বাজারে আতপ চালের পরিবর্তে সিদ্ধ চাল নিতেন। এভাবে তাঁরা অসততার শিকার হতেন, সমস্যা ছিল ২০ আতপ চালের বদলে তারা মাত্র ১০ কেজি সিদ্ধ চাল পেত। আমরা এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছি। এখন, সরকারও রেশনে সিদ্ধ চাল সরবরাহ শুরু করেছে।

আমার মা ও বোনেরা,

আমাদের দেশে কখনও মহিলাদের সম্পত্তির মালিকানার ঐতিহ্য ছিল না। পুরুষের নামে বাড়ি, পুরুষের নামে দোকান, পুরুষের নামে জমি, পুরুষের নামে গাড়ি, পুরুষের নামে স্কুটার; সবকিছুই পুরুষের নামে ছিল। কিন্তু যখন আমি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা চালু করি, তখন আমি একটি নিয়ম তৈরি করি যে আমার মা, বোন এবং কন্যারাও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ির মালিক হবেন। আজ, বিহারে ৫০ লক্ষেরও বেশি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গৃহ নির্মিত হয়েছে। এর বেশিরভাগই মহিলাদের মালিকানাধীন। আজ আপনার বাড়ির আসল মালিক আপনিই।

 

বন্ধুগণ,

আমরা সকলেই জানি যে যখন কোনও বোনের স্বাস্থ্যের অবনতি হয়, তখন এর প্রভাব পুরো পরিবারে পড়ে। একটা সময় ছিল যখন মহিলারা তাদের পরিবারকে না জানিয়েই অসুস্থতা সহ্য করতেন। তারা যতই কষ্টের সম্মুখীন হন, যতই জ্বর বা পেটে ব্যথা হোক না কেন, তারা কাজ চালিয়ে যেতেন। কেন? কারণ তারা চাননি যে পরিবারের টাকা তাদের চিকিৎসার জন্য ব্যয় হোক। এটি তাদের সন্তানদের এবং তাদের পরিবারের বোঝা হবে, তাই মা এবং বোনেরা সহ্য করেছিলেন। আপনার ছেলে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে এই উদ্বেগের সমাধান করেছে। আজ, বিহারের লক্ষ লক্ষ মহিলা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পাচ্ছেন। মাতৃবন্দনা প্রকল্পে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য সরাসরি তাঁদের অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করে। এটি করা হয়েছে যাতে গর্ভকালীন  নয়মাস সময়কালে, তাঁরা ভাল পুষ্টি পেতে পারে, তাঁদের গর্ভে বেড়ে ওঠা শিশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারে এবং প্রসবের সময় কোনও জটিলতা এড়াতে পারে, মা বা শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে।

আমার মা এবং বোনেরা,

আপনাদের স্বাস্থ্য আমাদের অগ্রাধিকার। আমরা ১৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বকর্মা জয়ন্তীতে মহিলাদের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য একটি বড় অভিযান শুরু করেছি। এর নাম "সুস্থ নারী, ক্ষমতায়িত পরিবার অভিযান"। এই অভিযানের আওতায় গ্রাম ও শহরে ৪,৫০,০০০-এরও বেশি স্বাস্থ্য শিবির স্থাপন করা হচ্ছে। রক্তাল্পতা, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগের জন্য স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত, এই অভিযানের মাধ্যমে ১ কোটিরও বেশি মহিলা বিনামূল্যে চেকআপ করেছেন। আজ, আমি বিহারের সমস্ত মহিলাকে এই শিবিরগুলিতে গিয়ে নিজেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করছি। কিছু লোকের ভুল ধারণা রয়েছে যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত নয়। রোগ শনাক্ত করা ক্ষতিকারক নয়, উপকারী। তাই, পরীক্ষা করা অপরিহার্য।

 

বন্ধুগণ,

এখন উৎসবের মরশুম। নবরাত্রি চলছে। দীপাবলি এগিয়ে আসছে, এবং ছট পূজা খুব বেশি দূরে নয়। আমাদের বোনেরা দিনরাত চিন্তা করে কাটাচ্ছেন কীভাবে সংসার চালানোর জন্য অর্থ সাশ্রয় করা যায়। এই উদ্বেগ দূর করতে, এনডিএ সরকার একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। ২২শে সেপ্টেম্বর, নবরাত্রির প্রথম দিন থেকে, সারা দেশে জিএসটি হার কমানো হয়েছে। এখন, টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু, ঘি এবং খাদ্য সামগ্রীর মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আগের তুলনায় সস্তা হবে। শিশুদের শিক্ষার জন্য স্টেশনারি, উৎসবের পোশাক এবং জুতাগুলির দামও কমানো হয়েছে। এটি গৃহস্থালি এবং রান্নাঘরের বাজেট পরিচালনাকারী মহিলাদের জন্য একটি বিশাল স্বস্তি। আমাদের ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কাজ আমাদের বোনদের বোঝা হালকা করা, আর উৎসবের সময় তাঁদের মনে আনন্দ  বৃদ্ধিকে আমাদের দায়িত্ব বলে মনে করি।

বন্ধুগণ,

বিহারের মহিলারা যখনই সুযোগ পেয়েছেন, তাঁরা তাঁদের সাহস এবং দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছেন। আপনারা প্রমাণ করেছেন যে যখন মহিলারা এগিয়ে যান, তখন সমগ্র সমাজ এগিয়ে যায়। আমি আবারও মুখ্যমন্ত্রীর মহিলা কর্মসংস্থান প্রকল্পের জন্য বিহারের জনগণকে অভিনন্দন জানাই। আপনাদের সকলকে আমার শুভেচ্ছা।

অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
38 Per Cent Women In Rural And Semi-Urban Use UPI Weekly For Daily Essentials: Survey

Media Coverage

38 Per Cent Women In Rural And Semi-Urban Use UPI Weekly For Daily Essentials: Survey
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The government places great emphasis on bringing a 'technology culture' to agriculture: PM Modi
March 06, 2026
This year’s Union Budget gives a strong push to agriculture and rural transformation : PM
Government has continuously strengthened the agriculture sector ,major efforts have reduced the risks for farmers and provided them with basic economic security: PM
If we scale high-value agriculture together, it will transform agriculture into a globally competitive sector: PM
As export-oriented production increases, employment will be created in rural areas through processing and value addition: PM
Fisheries can become a major platform for export growth, a high-value, high-impact sector of rural prosperity: PM
The government is developing digital public infrastructure for agriculture through AgriStack: PM
Technology delivers results when systems adopt it, institutions integrate it, and entrepreneurs build innovations on it: PM

नमस्कार !

बजट वेबिनार सीरीज के तीसरे वेबिनार में, मैं आप सभी का अभिनंदन करता हूं। इससे पहले, टेक्नोलॉजी, रिफॉर्म्स और इकोनॉमिक ग्रोथ जैसे अहम विषयों पर दो वेबिनार हो चुके हैं। आज, Rural Economy और Agriculture जैसे अहम सेक्टर पर चर्चा हो रही है। आप सभी ने बजट निर्माण में अपने मूल्यवान सुझावों से बहुत सहयोग दिया, और आपने देखा होगा बजट में आप सबके सुझाव रिफ्लेक्ट हो रहे हैं, बहुत काम आए हैं। लेकिन अब बजट आ चुका है, अब बजट के बाद उसके full potential का लाभ देश को मिले, इस दिशा में भी आपका अनुभव, आपके सुझाव और सरल तरीके से बजट का सर्वाधिक लोगों को लाभ हो। बजट का पाई-पाई पैसा जिस हेतु से दिया गया है, उसको परिपूर्ण कैसे करें? जल्द से जल्द कैसे करें? आपके सुझाव ये वेबिनार के लिए बहुत अहम है।

साथियों,

आप सभी जानते हैं, कृषि, एग्रीकल्चर, विश्वकर्मा, ये सब हमारी अर्थव्यवस्था का मुख्य आधार है। एग्रीकल्चर, भारत की लॉन्ग टर्म डेवलपमेंट जर्नी का Strategic Pillar भी है, और इसी सोच के साथ हमारी सरकार ने कृषि सेक्टर को लगातार मजबूत किया है। करीब 10 करोड़ किसानों को 4 लाख करोड़ रुपए से अधिक की पीएम किसान सम्मान निधि मिली है। MSP में हुए Reforms से अब किसानों को डेढ़ गुना तक रिटर्न मिल रहा है। इंस्टिट्यूशनल क्रेडिट कवरेज 75 प्रतिशत से अधिक हो चुका है। पीएम फसल बीमा योजना के तहत लगभग 2 लाख करोड़ रुपए के क्लेम सेटल किए गए हैं। ऐसे अनेक प्रयासों से किसानों का रिस्क बहुत कम हुआ है, और उन्हें एक बेसिक इकोनॉमिक सिक्योरिटी मिली है। इससे कृषि क्षेत्र का आत्मविश्वास भी बढ़ा है। आज खाद्यान्न और दालों से लेकर तिलहन तक देश रिकॉर्ड उत्पादन कर रहा है। लेकिन अब, जब 21वीं सदी का दूसरा क्वार्टर शुरू हो चुका है, 25 साल बीत चुके हैं, तब कृषि क्षेत्र को नई ऊर्जा से भरना भी उतना ही आवश्यक है। इस साल के बजट में इस दिशा में नए प्रयास हुए हैं। मुझे विश्वास है, इस वेबिनार में आप सभी के बीच हुई चर्चा, इससे निकले सुझाव, बजट प्रावधानों को जल्द से जल्द जमीन पर उतारने में मदद करेंगे।

साथियों,

आज दुनिया के बाजार खुल रहे हैं, ग्लोबल डिमांड बदल रही है। इस वेबिनार में अपनी खेती को एक्सपोर्ट ओरिएंटेड बनाने पर भी ज्यादा से ज्यादा चर्चा आवश्य़क है। हमारे पास Diverse Climate है, हमें इसका पूरा फायदा उठाना है। एग्रो क्लाइमेटिक जोन, उस विषय में हम बहुत समृद्ध है। इस साल का बजट इन सब बातों के लिए अनगिनत नए अवसर देने वाला बजट है। प्रोडक्टिविटी बढ़ाने की दिशा तय करता है, और एक्सपोर्ट स्ट्रेंथ को बढ़ावा देता है। बजट में हमने high value agriculture पर फोकस किया है। नारियल, काजू, कोको, चंदन, ऐसे उत्पादों के regional-specific promotion की बात कही है, और आपको मालूम है, दक्षिण के हमारे जो राज्य हैं खासकर केरल है, तमिलनाडु है, नारियल की पैदावार बहुत करते हैं। लेकिन अब वो क्रॉप, वो सारे पेड़ इतने पुराने हो चुके हैं कि उसकी वो क्षमता नहीं रही है। केरल के किसानों को अतिरिक्त लाभ हो, तमिलनाडु के किसानों को अतिरिक्त लाभ हो। इसलिए इस बार कोकोनट पर एक विशेष बल दिया गया है, जिसका फायदा आने वाले दिनों में हमारे इन किसानों को मिलेगा।

साथियों,

नॉर्थ ईस्ट की तरफ देखें, अगरवुड बहुत कम लोगों को मालूम है, जो ये अगरबत्ती शब्द है ना, वो अगरवुड से आया हुआ है। अब हिमालयन राज्यों में टेम्परेट नट क्रॉप्स, और इन्हें बढ़ावा देने का प्रस्ताव बजट में रखा गया है। जब एक्सपोर्ट ओरिएंटेड प्रोडक्शन बढ़ेगा, तो ग्रामीण क्षेत्रों में प्रोसेसिंग और वैल्यू एडिशन के जरिए रोजगार सृजन होगा। इस दिशा में एक coordinated action कैसे हो, आप सभी स्टेकहोल्डर्स मिलकर जरूर मंथन करें। अगर हम मिलकर High Value Agriculture को स्केल करते हैं, तो ये एग्रीकल्चर को ग्लोबली कंपेटिटिव सेक्टर में बदल सकता है। एग्री experts, इंडस्ट्री और किसान एक साथ कैसे आएं, किसानों को ग्लोबल मार्केट से जोड़ने के लिए किस तरह से गोल्स सेट किए जाएं, क्वालिटी, ब्रांडिंग और स्टैंडर्ड्स, ऐसे हर पहलू, इन सबको कैसे प्रमोट किया जाए, इन सारे विषयों पर चर्चा, इस वेबिनार को, इसके महत्व को बढ़ाएंगे। मैं एक और बात आपसे कहना चाहूंगा। आज दुनिया हेल्थ के संबंध में ज्यादा कॉनशियस है। होलिस्टिक हेल्थ केयर और उसमें ऑर्गेनिक डाइट, ऑर्गेनिक फूड, इस पर बहुत रुचि है। भारत में हमें केमिकल फ्री खेती पर बल देना ही होगा, हमें नेचुरल फार्मिंग पर बल देना होगा। नेचुरल फार्मिंग से, केमिकल फ्री प्रोडक्ट से दुनिया के बाजार तक पहुंचने में हमारे लिए एक राजमार्ग बन जाता है। उसके लिए सर्टिफिकेशन, लेबोरेटरी ये सारी व्यवस्थाएं सरकार सोच रही है। लेकिन आप लोग इसमें भी जरूर अपने विचार रखिए।

साथियों,

एक्सपोर्ट बढ़ाने में एक बहुत बड़ा फैक्टर फिशरीज सेक्टर का पोटेंशियल भी है। भारत दुनिया का दूसरा सबसे बड़ा मछली उत्पादक देश भी है। आज हमारे अलग-अलग तरह के जलाशय, तालाब, ये सब मिलाकर लगभग 4 लाख टन मछली उत्पादन होता है। जबकि इसमें 20 लाख टन अतिरिक्त उत्पादन की संभावना मौजूद है। अब विचार कीजिए आप, 4 लाख टन से हम अतिरिक्त 20 लाख टन जोड़ दें, तो हमारे गरीब मछुआरे भाई-बहन हैं, उनकी जिंदगी कैसी बदल जाएगी। हमारे पास Rural Income को डायवर्सिफाई करने का अवसर है। फिशरीज एक्सपोर्ट ग्रोथ का बड़ा प्लेटफॉर्म बन सकता है, दुनिया में इसकी मांग है। इस वेबिनार से अगर बहुत ही प्रैक्टिकल सुझाव निकलते हैं, तो कैसे रिज़रवॉयर, उसकी पोटेंशियल की सटीक मैपिंग की जाए, कैसे क्लस्टर प्लानिंग की जाए, कैसे फिशरीज डिपार्टमेंट और लोकल कम्युनिटी के बीच मजबूत कोऑर्डिनेशन हो, तो बहुत ही उत्तम होगा। हैचरी, फीड, प्रोसेसिंग, ब्रांडिंग, एक्सपोर्ट, उसके लिए आवश्यक लॉजिस्टिक्स, हर स्तर पर हमें नए बिजनेस मॉडल विकसित करने ही होंगे। ये Rural Prosperity, ग्रामीण समृद्धि के लिए, वहां की हाई वैल्यू, हाई इम्पैक्ट सेक्टर के रूप में परिवर्तित करने का एक अवसर है हमारे लिए, और इस दिशा में भी हम सबको मिलकर काम करना है, और आप आज जो मंथन करेंगे, उसके लिए, उस कार्य के लिए रास्ता बनेगा।

साथियों,

पशुपालन सेक्टर, ग्रामीण इकोनॉमी का हाई ग्रोथ पिलर है। भारत आज दुनिया का सबसे बड़ा मिल्क प्रोड्यूसर है, Egg प्रोडक्शन में हम दूसरे स्थान पर है। हमें इसे और आगे ले जाने के लिए ब्रीडिंग क्वालिटी, डिजीज प्रिवेंशन और साइंटिफिक मैनेजमेंट पर फोकस करना होगा। एक और अहम विषय पशुधन के स्वास्थ्य का भी है। मैं जब One Earth One Health की बात करता हूं, तो उसमें पौधा हो या पशु, सबके स्वास्थ्य की बात शामिल है। भारत अब वैक्सीन उत्पादन में आत्मनिर्भर है। फुट एंड माउथ डिजीज, उससे पशुओं को बचाने के लिए सवा सौ करोड़ से अधिक डोज पशुओं को लगाई जा चुकी है। राष्ट्रीय गोकुल मिशन के तहत टेक्नोलॉजी का विस्तार किया जा रहा है। हमारी सरकार में अब पशुपालन क्षेत्र के किसानों को किसान क्रेडिट कार्ड का भी लाभ मिल रहा है। निजी निवेश को प्रोत्साहित करने के लिए एनिमल हसबेंड्री इंफ्रास्ट्रक्चर डेवलपमेंट फंड की शुरुआत भी की गई है, और आपको ये पता है हम लोगों ने गोबरधन योजना लागू की है। गांव के पशुओं के निकलने वाला मलमूत्र है, गांव का जो वेस्ट है, कूड़ा-कचरा है। हम गोबरधन योजना में इसका उपयोग करके गांव भी स्वच्छ रख सकते हैं, दूध से आय होती है, तो गोबर से भी आय हो सकती है, और एनर्जी सिक्योरिटी की दिशा में गैस सप्लाई में भी ये गोबरधन बहुत बड़ा योगदान दे सकता है। ये मल्टीपर्पज बेनिफिट वाला काम है, और गांव के लिए बहुत उपयोगी है। मैं चाहूंगा कि सभी राज्य सरकारें इसको प्राथमिकता दें, इसको आगे बढ़ाएं।

साथियों,

हमने पिछले अनुभवों से समझा है कि केवल एक ही फसल पर टिके रहना किसान के लिए जोखिम भरा है। इससे आय के विकल्प भी सीमित हो जाते हैं। इसलिए, हम crop diversification पर फोकस कर रहे हैं। इसके अलावा, National Mission on Edible Oils And Pulses, National Mission on Natural Farming, ये सभी एग्रीकल्चर सेक्टर की ताकत बढ़ा रहे हैं।

साथियों,

आप भी जानते हैं एग्रीकल्चर स्टेट सब्जेक्ट है, राज्यों का भी एक बड़ा एग्रीकल्चर बजट होता है, हमें राज्यों को भी निरंतर प्रेरित करना है कि वो अपना दायित्व निभाने में, हम उनको कैसे मदद दें, हमारे सुझाव उनको कैसे काम आएं। राज्य का भी एक-एक पैसा जो गांव के लिए, किसान के लिए तय हुआ है, वो सही उपयोग हो। हमें बजट प्रावधानों को जिला स्तर तक मजबूत करना होगा। तभी नई पॉलिसीज का ज्यादा से ज्यादा फायदा उठाया जा सकता है।

साथियों,

ये टेक्नोलॉजी की सदी है और सरकार का बहुत जोर एग्रीकल्चर में टेक्नोलॉजी कल्चर लाने पर भी है। आज e-NAM के माध्यम से मार्केट एक्सेस का डेमोक्रेटाइजेशन हुआ है। सरकार एग्रीस्टैक के जरिए, एग्रीकल्चर के लिए डिजिटल पब्लिक इंफ्रास्ट्रक्चर विकसित कर रही है। इसके तहत डिजिटल पहचान, यानी किसान आईडी बनाई जा रही है। अब तक लगभग 9 करोड़ किसानों की किसान आईडी बन चुकी है, और लगभग 30 करोड़ भूमि पार्सलों का डिजिटल सर्वे किया गया है। भारत-विस्तार जैसे AI आधारित प्लेटफॉर्म, रिसर्च इंस्टीट्यूशंस और किसानों के बीच की दूरी कम कर रहे हैं।

लेकिन साथियों,

टेक्नोलॉजी तभी परिणाम देती है, जब सिस्टम उसे अपनाएं, संस्थाएं उसे इंटीग्रेट करें और एंटरप्रेन्योर्स उस पर इनोवेशन खड़ा करें। इस वेबिनार में आपको इससे जुड़े सुझावों को मजबूती से सामने लाना होगा। हम टेक्नोलॉजी को कैसे सही तरीके से इंटीग्रेट करें, इस दिशा में इस वेबिनार से निकले सुझावों की बहुत बड़ी भूमिका होगी।

साथियों,

हमारी सरकार ग्रामीण समृद्धि के निर्माण के लिए प्रतिबद्ध है। प्रधानमंत्री आवास योजना, स्वामित्व योजना, पीएम ग्रामीण सड़क योजना, स्वयं सहायता समूहों को आर्थिक मदद, इसने रूरल इकोनॉमी को निरंतर मजबूत किया है। लखपति दीदी अभियान की सफलता को भी हमें नई ऊंचाई देनी है। अभी तक गांव की 3 करोड़ महिलाओं को लखपति दीदी बनाने में हम सफल हो चुके हैं। अब 2029 तक, 2029 तक 3 करोड़ में और 3 करोड़ जोड़ना है, और 3 करोड़ और लखपति दीदियां बनाने का लक्ष्य तय किया गया है। ये लक्ष्य और तेजी से कैसे प्राप्त किया जाए, इसे लेकर भी आपके सुझाव महत्वपूर्ण होंगे।

साथियों,

देश में स्टोरेज का बहुत बड़ा अभियान चल रहा है। लाखों गोदाम बनाए जा रहे हैं। स्टोरेज के अलावा एग्री एंटरप्रेन्योर्स प्रोसेसिंग, सप्लाई चैन, एग्री-टेक, एग्री-फिनटेक, एक्सपोर्ट, इन सब में इनोवेशन और निवेश बढ़ाना आज समय की मांग है। मुझे विश्वास है आज जो आप मंथन करेंगे, उससे निकले अमृत से ग्रामीण अर्थव्यवस्था को नई ऊर्जा मिलेगी। आप सबको इस वेबिनार के लिए मेरी बहुत-बहुत शुभकामनाएं हैं, और मुझे पूरा विश्वास है कि जमीन से जुड़े हुए विचार, जड़ों से जुड़े हुए विचार, इस बजट को सफल बनाने के लिए, गांव-गांव तक पहुंचाने के लिए बहुत काम आएंगे। आपको बहुत-बहुत शुभकामनाएं।

बहुत-बहुत धन्यवाद। नमस्कार।