“30th and 31st October are a source of great inspiration for everyone as the former is the death anniversary of Govind Guru ji and the latter is the birth anniversary of Sardar Patel ji”
“India’s development story has become a matter of discussion around the world”
“Whatever resolution Modi takes, he fulfills it”
“Scope of irrigation in North Gujarat has increased manifold in 20-22 years owing to irrigation projects”
“Water conservation scheme started in Gujarat has now taken the form of Jal Jeevan Mission for the country”
“More than 800 new village dairy cooperative societies have also been formed in North Gujarat”
“Unprecedented work of linking our heritage with development is being done in the country today”

ভারত মাতার জয়,
ভারত মাতার জয়,

কি হল ? আরও জোরে বলুন, যাতে আপনাদের গলার আওয়াজ অম্বাজীর কাছেও পৌঁছে যায়। 

ভারত মাতার জয়,
ভারত মাতার জয়,

মঞ্চে উপবিষ্ট গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্রভাই, মন্ত্রীবর্গ, সংসদে আমার সহকর্মীরা, বিধায়কবৃন্দ, গুজরাট বিজেপির সভাপতি সি আর পাতিল, জেলা পঞ্চায়েতের সদস্যবৃন্দ এবং আমার গুজরাটের ভাই-বোনেরা।

আপনাদের মধ্যে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমি গুজরাট সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই। অনেক পুরোনো কথা মনে আসছে। এই ভূমির ঋণ স্বীকার করি আবারও। আজ ৩০শে অক্টোবর, গোবিন্দ গুরুজীর প্রয়াণবার্ষিকী – যিনি স্বাধীনতার লড়াইয়ে আদিবাসীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ব্রিটিশকে পরাস্ত করেছিলেন। আগামীকাল সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী। 

আমাদের প্রজন্ম সর্দার সাহেবের প্রতি শ্রদ্ধায় নত। আর, আগামী প্রজন্মের মাথা উঁচু হয়ে যাবে যখন তারা স্ট্যাচু অফ ইউনিটির দিকে তাকাবে। গুরু গোবিন্দজী মাতা ভারতীর সেবায় এবং আদিবাসী মানুষের কল্যাণে সারাজীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর স্মরণে গুজরাট এবং মধ্যপ্রদেশের আদিবাসী এলাকায় মানগড় ধাম তৈরি করেছে আমার সরকার। এটা গর্বের বিষয়। 

 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,

এখানে আসার আগেই মা অম্বার আশীর্বাদ নেওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। সেজে উঠেছে ওই এলাকা। আমি শুনলাম গত সপ্তাহে আপনারা অম্বাজীর এলাকায় পরিচ্ছন্নতার কর্মসূচিতে সামিল হয়েছেন সক্রিয় ভাবে। এজন্য আপনাদের এবং এখানকার সরকারকে অভিনন্দন। মন কি বাত অনুষ্ঠানে গতকালই আমি বলেছি, গব্বর পাহাড়ে যেভাবে উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে চলেছে, তা এককথায় অসাধারণ। আজ এখানে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা হচ্ছে। এর লক্ষ্য, কৃষক কল্যাণ কর্মসূচিকে জোরদার করা। উত্তর গুজরাটের বিকাশের প্রশ্নে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার বড় ভূমিকা রয়েছে। মেহসানার আশেপাশে সব জেলাতেই চলেছে উন্নয়ন যজ্ঞ। এর ফলে প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে এই অঞ্চল। 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,

ভারতের বিকাশ এখন সারা বিশ্বেই আলোচিত। সম্প্রতি চাঁদের মাটিতে নেমেছে এদেশের চন্দ্রযান। চাঁদের যে অঞ্চলে ভারত উপগ্রহ নামিয়েছে সেখানে এর আগে পৌঁছোতে পারেনি কোনো দেশ। জি-২০ দেশগুলির মধ্যে ভারতের উন্নয়ন নিয়েই এখন সম্ভবত সবচেয়ে বেশি মাত্রায় আলোচনা হচ্ছে। জি-২০ সম্পর্কে জানেন না এমন মানুষ নেই এখন। 

 

জি-২০ শিখর সম্মেলনের সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নেতারা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় গেছেন। সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে ভারতের গৌরবগাথা এবং এখানকার মানুষদের দক্ষতা। এদেশে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে উঠছে নজিরবিহীন গতিতে। সড়ক, রেল কিংবা বিমানবন্দর – সব ক্ষেত্রেই যেভাবে বিনিয়োগ হচ্ছে মাত্র কয়েক বছর আগেও তা ছিল কল্পনাতীত। 

বিগত ৯ বছরে দেশ নজিরবিহীন বিকাশের সাক্ষী হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী যা বলেন তা করে দেখান। দেশের এই বিকাশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে গুজরাটের উন্নয়নেও। 

নজিরবিহীন এই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হল দেশে সুস্থিতি সরকারের উপস্থিতি। গুজরাটে এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে আগেই। একসময় এখানে জলের সমস্যা ছিল। উত্তর গুজরাটের বহু জায়গায় সেচের জল ছিল অমিল। সেই সব সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব হয়েছে। তৈরি হয়েছে একের পর এক বাঁধ ও জলাধার। সব ক্ষেত্রেই এই অঞ্চল এগিয়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। 

 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,

কোভিডের বিপদ দেখা দেওয়ার পর সারা বিশ্বে দুটি জিনিস নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয় – হলুদ এবং ইসবগুল। আজ সারা বিশ্বে ইসবগুলের উৎপাদনের ৯০ শতাংশই হয় উত্তর গুজরাটে। ফল, শাক-সব্জি, আলু, আম, পেয়ারা, লেবু – সবেরই চাষ এখানে হচ্ছে ব্যাপক ভাবে। উত্তর গুজরাটের আলু সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আমি যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম, তখন কেন্দ্রীয় বিভিন্ন সংস্থা এখানে আলুর খোঁজ করতে আসতো। এখন উন্নতমানের আলু উৎপাদিত হচ্ছে এখানে। তার থেকে তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই যাচ্ছে ভিনদেশে। বনসকান্থায় তৈরি হয়েছে বড় বড় আলু প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। এখানকার মাটিতে সোনা ফলাচ্ছেন কৃষকরা। মেহসানায় একটি কৃষি খাদ্যপার্ক গড়ে উঠেছে। বনসকান্থায় একটি মেগা খাদ্যপার্ক গড়ে তোলার কাজ চলছে। 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,

দুধ উৎপাদনে আমার বোনেদের ভূমিকা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। ডেয়ারি ক্ষেত্রের প্রসারের ফলে পরিবারগুলির আয়ে সুস্থিতি এসেছে। গত বছর উত্তর গুজরাটে তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি পশু হাসপাতাল। গবাদিপশুর স্বাস্থ্যের উন্নতি দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির অন্যতম শর্ত। বিগত দুই দশকে গুজরাটে আটশোরও বেশি নতুন সমবায় দুধ উৎপাদন সমিতি গড়ে উঠেছে। দেশের অন্য অঞ্চল এমনকি বিদেশের বিভিন্ন মানুষও আমাদের ডেয়ারি মডেল নিয়ে উৎসাহিত। 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,

কোভিডের সময় মোদী সাহেব বিনামূল্যে প্রতিষেধকের ব্যবস্থা করেছিলেন। প্রাণ বেঁচেছে বহু মানুষের। একই ভাবে পশুদের প্রতিষেধকের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে আসতে চলেছে ১৫ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প। শুধু দুধই নয়, গোবর প্রভৃতিও ব্যবসা ও আয়ের বড় উৎস। আমরা হাতে নিয়েছি গোবর ধন প্রকল্প। গোবর থেকে জৈব জ্বালানি তৈরি করার কাজ চলছে জোরকদমে। বর্জ্য থেকে সম্পদ তৈরির এই কর্মসূচি মারফত বাড়ছে কৃষকদের আয়, তৈরি হচ্ছে বিদ্যুৎ। 

 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,


কয়েক দশক আগেও উত্তর গুজরাটে শিল্পের বিকাশ সম্পর্কে কেউই তেমন আশান্বিত ছিলেন না। ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ছবিটা এখন পুরোপুরি পাল্টে গেছে। ভিরামগ্রাম থেকে মান্ডাল, বহুচারিজি থেকে মেহসানা – সর্বত্রই শিল্পের বিকাশ ঘটছে দ্রুত গতিতে। এই অঞ্চলে গাড়ি শিল্পের ব্যাপক প্রসার হওয়ায় কর্মসংস্থানের পালে হওয়া লেগেছে। আগে উত্তর গুজরাটের মানুষ কাজের খোঁজে অন্যত্র যেতেন, এখন অন্য জায়গার মানুষ এখানে আসছেন কাজ করতে। মানুষের আয় হয়েছে দ্বিগুণ। মেহসানা, বনসকান্থা কিংবা সবরকান্থায় ওষুধ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পেরও ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। সেরামিক শিল্পের ক্ষেত্রেও দ্রুত এগিয়ে চলেছে এই অঞ্চল। 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,

গ্রীণ হাইড্রোজেন ক্ষেত্রের প্রসার আগামীদিনে দেশের বিকাশের যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে। এবিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে উত্তর গুজরাট। এই ক্ষেত্রটিতে কাজের নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এই অঞ্চল সৌরশক্তি উৎপাদনেরও অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠছে। মোধেরায় গড়ে উঠেছে সৌরগ্রাম। বাড়ির ছাদে সৌরশক্তি উৎপাদনের যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তার কল্যাণে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মানুষ সরকারের কাছে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে উপার্জন করতে পারছেন। 

 

বন্ধুগণ, 

রেল ক্ষেত্রের প্রসারে এখন দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। উত্তর গুজরাটে রূপায়িত হচ্ছে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের রেল প্রকল্প। মেহসানা – আমেদাবাদ ডেডিকেটেড করিডোরের কাজ চলছে জোরকদমে। বলাবাহুল্য এইসব উদ্যোগ এই অঞ্চলে শিল্পের আরও প্রসার ঘটাবে। বাড়বে লজিস্টিক্স পরিষেবা। ট্রেনে পণ্য পরিবহণের সুবিধা কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি পণ্যের অপচয়ও কমাবে। 

বন্ধুগণ, 

রেল পরিষেবা জোরদার হলে উত্তর গুজরাটে পর্যটনের পালেও হাওয়া লাগবে। এই অঞ্চলের ভদনগর কাশীর মতই একটি অতি প্রাচীন শহর। এখানে পুরাতাত্ত্বিক খননে পাওয়া গেছে বহু ঐতিহাসিক নিদর্শন। পর্যটনের প্রশ্নে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। 

 

আমার প্রিয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ,

কচ্ছের কথা আমি মাঝে মাঝেই বলে থাকি। একসময় এই অঞ্চল ছিল অবহেলিত। এখন এখানকার রান উৎসব সারা বিশ্বে পরিচিত। ধরদো গ্রাম সেরা পর্যটন গ্রাম হিসেবে স্বীকৃত। গুজরাট এবং সারা দেশের বিকাশের লক্ষ্যে উদ্যোগী আমরা সকলেই। ২০৪৭ নাগাদ স্বাধীনতার ১০০ বছর উদযাপনের সময় ভারতকে উন্নত দেশের তালিকাভুক্ত করতে কাজ করতে হবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। আবার বলুন

 

ভারত মাতার জয়, 
ভারত মাতার জয়, 
ভারত মাতার জয়, 
অনেক ধন্যবাদ!

 

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
Indian Air Force’s Made-in-India Samar-II to shield India’s skies against threats from enemies

Media Coverage

Indian Air Force’s Made-in-India Samar-II to shield India’s skies against threats from enemies
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
New India is finishing tasks at a rapid pace: PM Modi
February 25, 2024
Dedicates five AIIMS at Rajkot, Bathinda, Raebareli, Kalyani and Mangalagiri
Lays foundation stone and dedicates to nation more than 200 Health Care Infrastructure Projects worth more than Rs 11,500 crore across 23 States /UTs
Inaugurates National Institute of Naturopathy named ‘Nisarg Gram’ in Pune
Inaugurates and dedicates to nation 21 projects of the Employees’ State Insurance Corporation worth around Rs 2280 crores
Lays foundation stone for various renewable energy projects
Lays foundation stone for New Mundra-Panipat pipeline project worth over Rs 9000 crores
“We are taking the government out of Delhi and trend of holding important national events outside Delhi is on the rise”
“New India is finishing tasks at rapid pace”
“I can see that generations have changed but affection for Modi is beyond any age limit”
“With Darshan of the submerged Dwarka, my resolve for Vikas and Virasat has gained new strength; divine faith has been added to my goal of a Viksit Bharat”
“In 7 decades 7 AIIMS were approved, some of them never completed. In last 10 days, inauguration or foundation stone laying of 7 AIIMS have taken place”
“When Modi guarantees to make India the world’s third largest economic superpower, the goal is health for all and prosperity for all”

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

मंच पर उपस्थित गुजरात के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्रीमान भूपेंद्र भाई पटेल, केंद्र में मंत्रिपरिषद के मेरे सहयोगी मनसुख मांडविया, गुजरात प्रदेश भारतीय जनता पार्टी के अध्यक्ष और संसद में मेरे साथी सी आर पाटिल, मंच पर विराजमान अन्य सभी वरिष्ठ महानुभाव, और राजकोट के मेरे भाइयों और बहनों, नमस्कार।

आज के इस कार्यक्रम से देश के अनेक राज्यों से बहुत बड़ी संख्या में अन्य लोग भी जुड़े हैं। कई राज्यों के माननीय मुख्यमंत्री, माननीय गवर्नर श्री, विधायकगण, सांसदगण, केंद्र के मंत्रीगण, ये सब इस कार्यक्रम में वीडियो कांफ्रेंसिंग से हमारे साथ जुड़े हैं। मैं उन सभी का भी हृदय से बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं।

एक समय था, जब देश के सारे प्रमुख कार्यक्रम दिल्ली में ही होकर रह जाते थे। मैंने भारत सरकार को दिल्ली से बाहर निकालकर देश के कोने-कोने तक पहुंचा दिया है और आज राजकोट पहुंच गए। आज का ये कार्यक्रम भी इसी बात का गवाह है। आज इस एक कार्यक्रम से देश के अनेकों शहरों में विकास कार्यों का लोकार्पण और शिलान्यास होना, एक नई परंपरा को आगे बढ़ा रहा है। कुछ दिन पहले ही मैं जम्मू कश्मीर में था। वहां से मैंने IIT भिलाई, IIT तिरुपति, ट्रिपल आईटी DM कुरनूल, IIM बोध गया, IIM जम्मू, IIM विशाखापट्टनम और IIS कानपुर के कैंपस का एक साथ जम्‍मू से लोकार्पण किया था। और अब आज यहां राजकोट से- एम्स राजकोट, एम्स रायबरेली, एम्स मंगलगिरी, एम्स भटिंडा, एम्स कल्याणी का लोकार्पण हुआ है। पांच एम्स, विकसित होता भारत, ऐसे ही तेज गति से काम कर रहा है, काम पूरे कर रहा है।

साथियों,

आज मैं राजकोट आया हूं, तो बहुत कुछ पुराना भी याद आ रहा है। मेरे जीवन का कल एक विशेष दिन था। मेरी चुनावी यात्रा की शुरुआत में राजकोट की बड़ी भूमिका है। 22 साल पहले 24 फरवरी को ही राजकोट ने मुझे पहली बार आशीर्वाद दिया था, अपना MLA चुना था। और आज 25 फरवरी के दिन मैंने पहली बार राजकोट के विधायक के तौर पर गांधीनगर विधानसभा में शपथ ली थी, जिंदगी में पहली बार। आपने तब मुझे अपने प्यार, अपने विश्वास का कर्जदार बना दिया था। लेकिन आज 22 साल बाद मैं राजकोट के एक-एक परिजन को गर्व के साथ कह सकता हूं कि मैंने आपके भरोसे पर खरा उतरने की पूरी कोशिश की है।

आज पूरा देश इतना प्यार दे रहा है, इतने आशीर्वाद दे रहा है, तो इसके यश का हकदार ये राजकोट भी है। आज जब पूरा देश, तीसरी बार-NDA सरकार को आशीर्वाद दे रहा है, आज जब पूरा देश, अबकी बार-400 पार का विश्वास, 400 पार का विश्वास कर रहा है। तब मैं पुन: राजकोट के एक-एक परिजन को सिर झुकाकर नमन करता हूं। मैं देख रहा हूं, पीढ़ियां बदल गई हैं, लेकिन मोदी के लिए स्नेह हर आयु सीमा से परे है। ये जो आपका कर्ज है, इसको मैं ब्याज के साथ, विकास करके चुकाने का प्रयास करता हूं।

साथियों,

मैं आप सबकी भी क्षमा चाहता हूं, और सभी अलग-अलग राज्यों में माननीय मुख्यमंत्री और वहां के जो नागरिक बैठे हैं, मैं उन सबसे भी क्षमा मांगता हूं क्योंकि मुझे आज आने में थोड़ा विलंब हो गया, आपको इंतजार करना पड़ा। लेकिन इसके पीछे कारण ये था कि आज मैं द्वारका में भगवान द्वारकाधीश के दर्शन करके, उन्हें प्रणाम करके राजकोट आया हूं। द्वारका को बेट द्वारका से जोड़ने वाले सुदर्शन सेतु का लोकार्पण भी मैंने किया है। द्वारका की इस सेवा के साथ-साथ ही आज मुझे एक अद्भुत आध्यात्मिक साधना का लाभ भी मिला है। प्राचीन द्वारका, जिसके बारे में कहते हैं कि उसे खुद भगवान श्रीकृष्ण ने बसाया था, आज वो समुद्र में डूब गई है, आज मेरा सौभाग्य था कि मैं समुद्र के भीतर जाकर बहुत गहराई में चला गया और भीतर जाकर मुझे उस समुद्र में डूब चुकी श्रीकृष्‍ण वाली द्वारका, उसके दर्शन करने का और जो अवशेष हैं, उसे स्पर्श करके जीवन को धन्य बनाने का, पूजन करने का, वहां कुछ पल प्रभु श्रीकृष्ण का स्मरण करने का मुझे सौभाग्य मिला। मेरे मन में लंबे अर्से से ये इच्छा थी कि भगवान कृष्ण की बसाई उस द्वारका भले ही पानी के भीतर रही हो, कभी न कभी जाऊंगा, मत्था टेकुंगा और वो सौभाग्य आज मुझे मिला। प्राचीन ग्रंथों में द्वारका के बारे में पढ़ना, पुरातत्वविदों की खोजों को जानना, ये हमें आश्चर्य से भर देता है। आज समंदर के भीतर जाकर मैंने उसी दृश्य को अपनी आंखों से देखा, उस पवित्र भूमि को स्पर्श किया। मैंने पूजन के साथ ही वहां मोर पंख को भी अर्पित किया। उस अनुभव ने मुझे कितना भाव विभोर किया है, ये शब्दों में बताना मेरे लिए मुश्किल है। समंदर के गहरे पानी में मैं यही सोच रहा था कि हमारे भारत का वैभव, उसके विकास का स्तर कितना ऊंचा रहा है। मैं समुद्र से जब बाहर निकला, तो भगवान श्रीकृष्ण के आशीर्वाद के साथ-साथ मैं द्वारका की प्रेरणा भी अपने साथ लेकर लाया हूं। विकास और विरासत के मेरे संकल्पों को आज एक नई ताकत मिली है, नई ऊर्जा मिली है, विकसित भारत के मेरे लक्ष्य से आज दैवीय विश्वास उसके साथ जुड़ गया है।

साथियों,

आज भी यहां 48 हज़ार करोड़ से ज्यादा के प्रोजेक्ट्स आपको, पूरे देश को मिले हैं। आज न्यू मुंद्रा-पानीपत पाइपलाइन प्रोजेक्ट का शिलान्यास हुआ है। इससे गुजरात से कच्चा तेल सीधे हरियाणा की रिफाइनरी तक पाइप से पहुंचेगा। आज राजकोट सहित पूरे सौराष्ट्र को रोड, उसके bridges, रेल लाइन के दोहरीकरण, बिजली, स्वास्थ्य और शिक्षा सहित अनेक सुविधाएं भी मिली हैं। इंटरनेशनल एयरपोर्ट के बाद, अब एम्स भी राजकोट को समर्पित है और इसके लिए राजकोट को, पूरे सौराष्‍ट्र को, पूरे गुजरात को बहुत-बहुत बधाई! और देश में जिन-जिन स्‍थानों पर आज ये एम्स समर्पित हो रहा है, वहां के भी सब नागरिक भाई-बहनों को मेरी तरफ से बहुत-बहुत बधाई।

साथियों,

आज का दिन सिर्फ राजकोट और गुजरात के लिए ही नहीं, बल्कि पूरे देश के लिए भी ऐतिहासिक है। दुनिया की 5वीं बड़ी अर्थव्यवस्था का हेल्थ सेक्टर कैसा होना चाहिए? विकसित भारत में स्वास्थ्य सुविधाओं का स्तर कैसा होगा? इसकी एक झलक आज हम राजकोट में देख रहे हैं। आज़ादी के 50 सालों तक देश में सिर्फ एक एम्स था और भी दिल्ली में। आज़ादी के 7 दशकें में सिर्फ 7 एम्स को मंजूरी दी गई, लेकिन वो भी कभी पूरे नहीं बन पाए। और आज देखिए, बीते सिर्फ 10 दिन में, 10 दिन के भीतर-भीतर, 7 नए एम्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। इसलिए ही मैं कहता हूं कि जो 6-7 दशकों में नहीं हुआ, उससे कई गुना तेजी से हम देश का विकास करके, देश की जनता के चरणों में समर्पित कर रहे हैं। आज 23 राज्यों और केंद्र शासित प्रदेशों में 200 से अधिक हेल्थ केयर इंफ्रास्ट्रक्चर प्रोजेक्ट्स का भी शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। इनमें मेडिकल कॉलेज हैं, बड़े अस्पतालों के सैटेलाइट सेंटर हैं, गंभीर बीमारियों के लिए इलाज से जुड़े बड़े अस्पताल हैं।

साथियों,

आज देश कह रहा है, मोदी की गारंटी यानि गारंटी पूरा होने की गारंटी। मोदी की गारंटी पर ये अटूट भरोसा क्यों है, इसका जवाब भी एम्स में मिलेगा। मैंने राजकोट को गुजरात के पहले एम्स की गारंटी दी थी। 3 साल पहले शिलान्यास किया और आज लोकार्पण किया- आपके सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने पंजाब को अपने एम्स की गारंटी दी थी, भटिंडा एम्स का शिलान्यास भी मैंने किया था और आज लोकार्पण भी मैं ही कर रहा हूं- आपके सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने यूपी के रायबरेली को एम्स की गारंटी दी थी। कांग्रेस के शाही परिवार ने रायबरेली में सिर्फ राजनीति की, काम मोदी ने किया। मैंने रायबरेली एम्स का 5 साल पहले शिलान्यास किया और आज लोकार्पण किया। आपके इस सेवक ने गारंटी पूरी की। मैंने पश्चिम बंगाल को पहले एम्स की गारंटी दी थी, आज कल्याणी एम्स का लोकार्पण भी हुआ-आपके सेवक ने गारंटी पूरी कर दी। मैंने आंध्र प्रदेश को पहले एम्स की गारंटी दी थी, आज मंगलगिरी एम्स का लोकार्पण हुआ- आपके सेवक ने वो गारंटी भी पूरी कर दी। मैंने हरियाणा के रेवाड़ी को एम्स की गारंटी दी थी, कुछ दिन पहले ही, 16 फरवरी को उसकी आधारशिला रखी गई है। यानि आपके सेवक ने ये गारंटी भी पूरी की। बीते 10 वर्षों में हमारी सरकार ने 10 नए एम्स देश के अलग-अलग राज्यों में स्वीकृत किए हैं। कभी राज्यों के लोग केंद्र सरकार से एम्स की मांग करते-करते थक जाते थे। आज एक के बाद एक देश में एम्स जैसे आधुनिक अस्पताल और मेडिकल कॉलेज खुल रहे हैं। तभी तो देश कहता है- जहां दूसरों से उम्मीद खत्म हो जाती है, मोदी की गारंटी वहीं से शुरू हो जाती है।

साथियों,

भारत ने कोरोना को कैसे हराया, इसकी चर्चा आज पूरी दुनिया में होती है। हम ये इसलिए कर पाए, क्योंकि बीते 10 वर्षों में भारत का हेल्थ केयर सिस्टम पूरी तरह से बदल गया है। बीते दशक में एम्स, मेडिकल कॉलेज और क्रिटिकल केयर इंफ्रास्ट्रक्चर के नेटवर्क का अभूतपूर्व विस्तार हुआ है। हमने छोटी-छोटी बीमारियों के लिए गांव-गांव में डेढ़ लाख से ज्यादा आयुष्मान आरोग्य मंदिर बनाए हैं, डेढ़ लाख से ज्यादा। 10 साल पहले देश में करीब-करीब 380-390 मेडिकल कॉलेज थे, आज 706 मेडिकल कॉलेज हैं। 10 साल पहले MBBS की सीटें लगभग 50 हज़ार थीं, आज 1 लाख से अधिक हैं। 10 साल पहले मेडिकल की पोस्ट ग्रेजुएट सीटें करीब 30 हज़ार थीं, आज 70 हज़ार से अधिक हैं। आने वाले कुछ वर्षों में भारत में जितने युवा डॉक्टर बनने जा रहे हैं, उतने आजादी के बाद 70 साल में भी नहीं बने। आज देश में 64 हज़ार करोड़ रुपए का आयुष्मान भारत हेल्थ इंफ्रास्ट्रक्चर मिशन चल रहा है। आज भी यहां अनेक मेडिकल कॉलेज, टीबी के इलाज से जुड़े अस्पताल और रिसर्च सेंटर, PGI के सैटेलाइट सेंटर, क्रिटिकल केयर ब्लॉक्स, ऐसे अनेक प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण किया गया है। आज ESIC के दर्जनों अस्पताल भी राज्यों को मिले हैं।

साथियों,

हमारी सरकार की प्राथमिकता, बीमारी से बचाव और बीमारी से लड़ने की क्षमता बढ़ाने की भी है। हमने पोषण पर बल दिया है, योग-आयुष और स्वच्छता पर बल दिया है, ताकि बीमारी से बचाव हो। हमने पारंपरिक भारतीय चिकित्सा पद्धति और आधुनिक चिकित्सा, दोनों को बढ़ावा दिया है। आज ही महाराष्ट्र और हरियाणा में योग और नेचुरोपैथी से जुड़े दो बड़े अस्पताल और रिसर्च सेंटर का भी उद्घाटन हुआ है। यहां गुजरात में ही पारंपरिक चिकित्सा पद्धति से जुड़ा WHO का वैश्विक सेंटर भी बन रहा है।

साथियों,

हमारी सरकार का ये निरंतर प्रयास है कि गरीब हो या मध्यम वर्ग, उसको बेहतर इलाज भी मिले और उसकी बचत भी हो। आयुष्मान भारत योजना की वजह से गरीबों के एक लाख करोड़ रुपए खर्च होने से बचे हैं। जन औषधि केंद्रों में 80 परसेंट डिस्काउंट पर दवा मिलने से गरीबों और मध्यम वर्ग के 30 हजार करोड़ रुपए खर्च होने से बचे हैं। यानि सरकार ने जीवन तो बचाया, इतना बोझ भी गरीब और मिडिल क्लास पर पड़ने से बचाया है। उज्ज्वला योजना से भी गरीब परिवारों को 70 हज़ार करोड़ रुपए से अधिक की बचत हो चुकी है। हमारी सरकार ने जो डेटा सस्ता किया है, उसकी वजह से हर मोबाइल इस्तेमाल करने वाले के करीब-करीब 4 हजार रुपए हर महीने बच रहे हैं। टैक्स से जुड़े जो रिफॉर्म्स हुए हैं, उसके कारण भी टैक्सपेयर्स को लगभग ढाई लाख करोड़ रुपए की बचत हुई है।

साथियों,

अब हमारी सरकार एक और ऐसी योजना लेकर आई है, जिससे आने वाले वर्षों में अनेक परिवारों की बचत और बढ़ेगी। हम बिजली का बिल ज़ीरो करने में जुटे हैं और बिजली से परिवारों को कमाई का भी इंतजाम कर रहे हैं। पीएम सूर्य घर- मुफ्त बिजली योजना के माध्यम से हम देश के लोगों की बचत भी कराएंगे और कमाई भी कराएंगे। इस योजना से जुड़ने वाले लोगों को 300 यूनिट तक मुफ्त बिजली मिलेगी और बाकी बिजली सरकार खरीदेगी, आपको पैसे देगी।

साथियों,

एक तरफ हम हर परिवार को सौर ऊर्जा का उत्पादक बना रहे हैं, तो वहीं सूर्य और पवन ऊर्जा के बड़े प्लांट भी लगा रहे हैं। आज ही कच्छ में दो बड़े सोलर प्रोजेक्ट और एक विंड एनर्जी प्रोजेक्ट का शिलान्यास हुआ है। इससे रिन्यूएबल एनर्जी के उत्पादन में गुजरात की क्षमता का और विस्तार होगा।

साथियों,

हमारा राजकोट, उद्यमियों का, श्रमिकों, कारीगरों का शहर है। ये वो साथी हैं जो आत्मनिर्भर भारत के निर्माण में बहुत बड़ी भूमिका निभा रहे हैं। इनमें से अनेक साथी हैं, जिन्हें पहली बार मोदी ने पूछा है, मोदी ने पूजा है। हमारे विश्वकर्मा साथियों के लिए देश के इतिहास में पहली बार एक राष्ट्रव्यापी योजना बनी है। 13 हज़ार करोड़ रुपए की पीएम विश्वकर्मा योजना से अभी तक लाखों लोग जुड़ चुके हैं। इसके तहत उन्हें अपने हुनर को निखारने और अपने व्यापार को आगे बढ़ाने में मदद मिल रही है। इस योजना की मदद से गुजरात में 20 हजार से ज्यादा लोगों की ट्रेनिंग पूरी हो चुकी है। इनमें से प्रत्येक विश्वकर्मा लाभार्थी को 15 हजार रुपए तक की मदद भी मिल चुकी है।

साथियों,

आप तो जानते हैं कि हमारे राजकोट में, हमारे यहाँ सोनार का काम कितना बड़ा काम है। इस विश्वकर्मा योजना का लाभ इस व्यवसाय से जुड़े लोगों को भी मिला है।

साथियों,

हमारे लाखों रेहड़ी-ठेले वाले साथियों के लिए पहली बार पीएम स्वनिधि योजना बनी है। अभी तक इस योजना के तहत लगभग 10 हज़ार करोड़ रुपए की मदद इन साथियों को दी जा चुकी है। यहां गुजरात में भी रेहड़ी-पटरी-ठेले वाले भाइयों को करीब 800 करोड़ रुपए की मदद मिली है। आप कल्पना कर सकते हैं कि जिन रेहड़ी-पटरी वालों को पहले दुत्कार दिया जाता था, उन्हें भाजपा किस तरह सम्मानित कर रही है। यहां राजकोट में भी पीएम स्वनिधि योजना के तहत 30 हजार से ज्यादा लोन दिए गए हैं।

साथियों,

जब हमारे ये साथी सशक्त होते हैं, तो विकसित भारत का मिशन सशक्त होता है। जब मोदी भारत को तीसरे नंबर की आर्थिक महाशक्ति बनाने की गारंटी देता है, तो उसका लक्ष्य ही, सबका आरोग्य और सबकी समृद्धि है। आज जो ये प्रोजेक्ट देश को मिले हैं, ये हमारे इस संकल्प को पूरा करेंगे, इसी कामना के साथ आपने जो भव्‍य स्‍वागत किया, एयरपोर्ट से यहां तक आने में पूरे रास्ते पर और यहां भी बीच में आकर के आप के दर्शन करने का अवसर मिला। पुराने कई साथियों के चेहरे आज बहुत सालों के बाद देखे हैं, सबको नमस्ते किया, प्रणाम किया। मुझे बहुत अच्छा लगा। मैं बीजेपी के राजकोट के साथियों का हृदय से अभिनंदन करता हूं। इतना बड़ा भव्य कार्यक्रम करने के लिए और फिर एक बार इन सारे विकास कामों के लिए और विकसित भारत के सपने को साकार करने के लिए हम सब मिलजुल करके आगे बढ़ें। आप सबको बहुत-बहुत बधाई। मेरे साथ बोलिए- भारत माता की जय! भारत माता की जय! भारत माता की जय!

बहुत-बहुत धन्यवाद!

डिस्क्लेमर: प्रधानमंत्री के भाषण का कुछ अंश कहीं-कहीं पर गुजराती भाषा में भी है, जिसका यहाँ भावानुवाद किया गया है।