Performs mandir darshan, parikrama and Purnahuti in the Vishnu Mahayagya
Seeks blessings from Bhagwan Shri Devnarayan Ji for the constant development of the nation and welfare of the poor
“Despite many attempts to break India geographically, culturally, socially and ideologically, no power could finish India”
“It is strength and inspiration of the Indian society that preserves the immortality of the nation”
“Path shown by Bhagwan Devnarayan is of ‘Sabka Vikas’ through ‘Sabka Saath’ and the country, today, is following the same path”
“Country is trying to empower every section that has remained deprived and neglected”
“Be it national defence or preservation of culture, the Gurjar community has played the role of protector in every period”
“New India is rectifying the mistakes of the past decades and honouring its unsung heroes”

মালাশ্বেরী দুঙ্গারী কি জয়, মালাশ্বেরী দুঙ্গারী কি জয়!

সাদু মাতা কি জয়, সাদু মাতা কি জয়!

সাভাই ভোজ মহারাজ কি জয়, সাভাই ভোজ মহারাজ কি জয়!

দেবনারায়ণ ভগবান কি জয়, দেবনারায়ণ ভগবান কি জয়!

তপস্বী সাদু মাতার পুণ্যভূমি থেকে মহান উদগাতা এবং যোদ্ধা বাগরাওয়াত, ভগবান দেবনারায়ণ এবং মালাশ্বেরী দুঙ্গারীর কর্মভূমির প্রতি নত মস্তকে আমি প্রণাম জানাই।

শ্রী হেমরাজ জি গুর্জর, শ্রী সুরেশ দাসজি, দীপক পাতিলজি, রামপ্রসাদ ধাবিজি, অর্জুন মেঘওয়ালজি, সুভাষ বেহেরিয়াজি এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা!

এই পবিত্র অনুষ্ঠানে ভগবান দেবনারায়ণজির বার্তা যখন এসেছে তখন ভগবান দেবনারায়ণজির ডাকের সুযোগ কেউ কী উপেক্ষা করতে পারেন? ফলে আজ আমি আপনাদের মধ্যে। আপনারা মনে রাখবেন যে প্রধানমন্ত্রী এখানে আসেননি। আমিও আপনাদের মতো ভক্তিপূর্ণ মনে তাঁর আশীর্বাদ নিতে এসেছি। আপনাদের মতো যজ্ঞশালায় নিবেদনে পূর্ণ সুযোগ আমারও হয়েছে। আমার অপার সৌভাগ্য যে আমার মতো একজন সাধারণ মানুষ আজ আপনাদের সঙ্গে একত্রিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে ভগবান দেবনারায়ণজি এবং তার ভক্তকূলের আশীর্বাদধন্য হচ্ছি। আজ ভগবান দেবনারায়ণ এবং ভক্তকূলের দর্শন পেয়ে আমি ধন্য। সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তকূলের মতো আমিও আজ এখানে এসেছি ভগবান দেবনারায়ণের আশীর্বাদ পেতে যাতে দেশ সেবায় এবং দরিদ্রদের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করে যেতে পারি।

বন্ধুগণ,

ভগবান দেবনারায়ণজির এটা ১১১১-তম অবতরণ মহোৎসব। এই উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপি উদযাপন চলেছে। গুর্জর সম্প্রদায় এই বিপুল সমাবেশকে সুনিশ্চিত করেছে তা এই অনুষ্ঠানের মহানুভবতা এবং স্বর্গীয় সুষমার এক যথাযথ উপস্থাপন। আমি আপনাদের সকলকে এবং এই সম্প্রদায়ের প্রত্যেকটি মানুষকে এই উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি।

ভাই ও বোনেরা,

আমাদের হাজার বছরের পুরনো ইতিহাস, সভ্যতা এবং সংস্কৃতি নিয়ে আমরা ভারতবাসীরা গর্ব অনুভব করি। পৃথিবীর বহু সভ্যতা সময়ের সঙ্গে নিজেদেরকে পরিবর্তন না করায় বিনষ্ট হয়ে গেছে। ভৌগলিকভাবে সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং মতাদর্শগতভাবে ভারতকে ভাঙার বহু চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু ভারতকে কেউ বিনষ্ট করতে পারেনি। ভারত কেবল এক ভূখন্ডই নয়, তা সভ্যতা, ভাবধারা, সংস্কৃতি, ঐক্য এবং সক্ষমতার এক পৃষ্ঠভূমিও। ফলে ভারত আজ উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভিত্তি রচনা করছে। এবং আপনারা কি জানেন এর পিছনে মহো অনুপ্রেরণা এবং শক্তি কী? কার শক্তিবলে ভারত আজও অবিচল এবং অমর?

আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,

এ শক্তি হল আমাদের সমাজের শক্তি। এই শক্তি দেশের কোটি কোটি মানুষের শক্তি। এই সামাজিক শক্তি সহস্র বছর ধরে ভারতের যাত্রাপথে এক মহান ভূমিকা পালন করে এসেছে। এটা আমাদের সৌভাগ্য, প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ যুগেই আমাদের সমাজের ভিতর থেকে এমন এক শক্তির আর্বিভাব ঘটেছে যার আলোকবর্তিকা আমাদের সকলকে পথ দেখিয়েছে এবং জনকল্যাণে পাথেয় হয়েছে। ভগবান দেবনারায়ণ ছিলেন তেমনই এক শক্তির আলয়। তিনি এমন এক অবতার যিনি আমাদের জীবন ও সংস্কৃতিকে শোষকদের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। ৩১ বছর বয়েসে তিনি অমর হন। সমাজ থেকে তিনি অশুভকে উৎখাত করে সামাজিক সমন্বয় এবং ঐক্যের ভাবধারা প্রসারের সাহস দেখিয়েছেন। ভগবান দেবনারায়ণ সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একত্রিক করে এক আদর্শ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করেছেন। এই কারণবশতই ভগবান দেবনারায়ণের প্রতি সমাজের প্রত্যেকটি সম্প্রদায়ের মানুষের বিশ্বাস এবং অপার শ্রদ্ধা রয়েছে। এই কারণবশতই ভগবান দেবনারায়ণ জন-জীবনে পরিবারের প্রধান হিসেবে পূজিত হন যার সঙ্গে পরিবারের সব রকম দুঃখ-আনন্দ ভাগ করে নেওয়া যায়।

ভাই ও বোনেরা,

জনকল্যাণে সেবাদানকে ভগবান দেবনারায়ণ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছেন। এখানে আগত প্রত্যেক ভক্ত এই শিক্ষা এবং এই আদর্শের ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যান। যে পরিবারে তিনি জন্মেছিলেন সেখানে প্রাচুর্য্যের কোনো অভাব ছিল না। কিন্তু বিলাস-ব্যাসনের পরিবর্তে জনকল্যাণের এবং সমাজ সেবার সেই কষ্টদীর্ণ পথকে তিনি বেছে নিয়েছিলেন। জীবিতের কল্যাণে তিনি তার সমস্ত শক্তি নিয়োগ করেছিলেন।

ভাই ও বোনেরা,

‘ভালা জি ভালা, দেব ভালা’। ‘ভালা জি ভালা, দেব ভালা’। এই বার্তার মধ্যে দিয়ে এক ন্যায়পরায়ণতা কল্যাণের মনোভাব ব্যক্ত হয়। ভগবান দেবনারায়ণ ‘সব কা বিকাশ’ (সকলের উন্নতি)র পথ দেখিয়েছেন ‘সবকা সাথ’ (প্রত্যেকের সহায়তা)র মাঝে। আজ দেশ এই পথ ধরে এগিয়ে চলেছে। যারা এতদিন পর্যন্ত অবহেলিত এবং বঞ্চিত ছিল, গত ৮-৯ বছর ধরে দেশ সমাজের প্রত্যেকটি সম্প্রদায়ের স্বশক্তি প্রদানের লক্ষ্যে চেষ্টা চালাচ্ছে। অবহেলিতদের অগ্রাধিকারের মন্ত্র নিয়ে আমরা কাজ করছি। আপনাদের হয়তো স্মরণে থাকবে যে গরিব মানুষের সব থেকে বড় উদ্বেগ ছিল যে রেশন পাওয়া যাবে না যাবে না বা গেলেও কতটা পাওয়া যাবে। আজকে প্রত্যেক সুবিধাভোগী নিখরচায় পুরো রেশনের সুবিধা পাচ্ছেন। দরিদ্র মানুষদের হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগকে ঘিরে যে উদ্বোগ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে তার নিরসন করা হয়েছে। গরিব মানুষদের বাড়িতে শৌচালয়, বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্যাস সংযোগ ব্যবস্থা আমরা করেছি। কিছু সংখ্যক মানুষের কাছে ব্যাঙ্কিং লেনদেন সীমাবদ্ধ ছিল। আজ ব্যাঙ্কের দরজা দেশের সমস্ত মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

বন্ধুগণ,

জলের যে কী গুরুত্ব রাজস্থান ছাড়া আর কেই বা তা ভালো বুঝতে পারে! স্বাধীনতার বহু দশক পরেও কেবলমাত্র ৩ কোটি পরিবারের কাছে নল বাহিত পরিশ্রত জলের সুযোগ ছিল। ১৬ কোটি গ্রামীণ বাড়িকে জলের জন্য রীতিমতো লড়াই করতে হতো। কেবলমাত্র গত সাড়ে ৩ বছরেই দেশজুড়ে প্রচেষ্টায় ১১ কোটিরও বেশি পরিবারে এখন পাইপ বাহিত পরিশ্রুত জল পৌঁছে গেছে। কৃষকদের জমিতে জল পৌঁছে দেওয়ার বৃহৎ কর্মকান্ড চলেছে। তা সেচের প্রথাগত প্রকল্পের বিন্যাস ঘটিয়েই হোক অথবা সেচ ব্যবস্থায় নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমেই হোক। কৃষকদের আজ সম্ভাব্য যাবতীয় সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র কৃষকরা এক সময় যারা সরকারের সাহায্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতেন, এই প্রথম তারা পিএম কিষাণ সম্মাননিধি মারফত প্রত্যক্ষ সুবিধা পাচ্ছেন। এই রাজস্থানেও ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি পিএম কিষাণ নিধি মারফত কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

বন্ধুগণ,

ভগবান দেবনারায়ণ সমাজ সেবার অঙ্গ হিসেবে এবং সমাজে স্বশক্তিকরণের জন্য ‘গৌ সেবা’ (গরুদের পরিচর্যা)কে একটি মাধ্যম করেছিলেন। গত কয়েক বছর ধরে ‘গৌ সেবা’র এই মনোভাব ক্রমাগত দেশজুড়ে শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে। আপনারা নিশ্চয় অবগত যে গবাদি পশুদের বহুবিধ সমস্যা, অর্থাৎ তাদের খুর, মুখ এবং পায়ের রোগ সংক্রান্ত বিষয়ে। দেশ জুড়ে নিখরচায় কোটি কোটি পশুর টিকাকরণের অভিযান চলেছে যাতে আমাদের গরু এবং পশু সম্পত্তিকে এইসব রোগের হাত থেকে মুক্ত করা যায়। গো কল্যাণে এই প্রথম দেশে রাষ্ট্রীয় কামধেনু কমিশন গঠন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গোকূল মিশনের আওতায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পশুপালনকে উৎসাহ যোগানো হচ্ছে। পশু সম্পত্তি আমাদের কেবলমাত্র ঐতিহ্যগত ধারা বা বিশ্বাসের বিষয় নয়। গ্রামীণ অর্থনীতির এটা এক শক্তিশালী আধার। ফলে এই প্রথম পশু পালকদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুযোগ প্রদান করা হয়েছে। আজ গোবর্ধন যোজনা চলেছে সারা দেশ জুড়ে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হল কৃষিজ বর্জ্য এবং গোবরকে সম্পদে রূপদান। প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গোবর থেকে তৈরি বিদ্যুৎকে দুগ্ধ কারখানাগুলি চালানোর কাজে ব্যবহার করারও চেষ্টা চালোনো হচ্ছে।

বন্ধুগণ,

গত বছর আমি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লাল কেল্লার প্রাকার থেকে ‘পঞ্চপ্রাণ’ (পাঁচটি সংকল্প)-এর ডাক দিয়েছিলাম। এর মূল লক্ষ্য হল যাতে আমরা আমাদের ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করতে পারি এবং দাশত্বের মানসিকতা মুক্ত হয়ে দেশের জন্য আমাদের কী করণীয় তা স্মরণ করতে পারি। সাধু-সন্তদের পথে হাঁটা এবং দেশের জন্য চরম আত্মাহুতি দেওয়া বীর হৃদয়দের শৌর্য্যকে স্মরণ করা ছিল এই প্রস্তাবের অঙ্গ। রাজস্থান হল এক ঐতিহ্যশালী ভূমি। এখানে রয়েছে সৃষ্টি, উদ্যম এবং উদযাপনের সমন্বয়। এখানে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম এবং সেবার মনোভাব। বীরত্ব এখানে ঘরোয়া রীতি। কলা এবং সঙ্গীত রাজস্থানের সঙ্গে সমার্থক। অনুরূপভাবে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এখানকার মানুষদের সংগ্রাম এবং সহিষ্ণুতার মনোভাব। ভারতের বিভিন্ন গৌরবজ্জ্বল মুহূর্তের সঙ্গে সমন্বিত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বকে প্রত্যক্ষ করার এটা এক প্রেরণাভূমি। তেলাজী থেকে পূবাজী, গোগাজী থেকে রামদেবজী, বাপ্পারাওয়াল থেকে মহারাণা প্রতাপ-এর মতো সব মহামানব, জন-নায়ক, স্থানীয় দেব-দেবী, সমাজ সংস্কারকগণ সব সময় দেশকে পথ দেখিয়েছে। এমন একটা সময় যায়নি যখন এই মৃত্তিকা দেশকে অনুপ্রেরণা যোগায়নি। এ প্রসঙ্গে গুর্জর সম্প্রদায় বীরত্ব, শৌর্য্য এবং দেশাত্ববোধের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেই হোক অথবা সংস্কৃতির সংরক্ষণই হোক, গুর্জর সম্প্রদায় প্রত্যেক পর্বেই শান্ত্রীর ভূমিকা পালন করেছে। ক্রান্তিবীর ভূপ সিং গুর্জরের নেতৃত্বে বিজলিয়া কৃষক আন্দোলন যা সমধিক পরিচিত বিজয় সিং পাটিল হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলনে ছিল তা এক মূল অনুপ্রেরণা। কোতওয়াল ধ্যান সিং জি এবং যোগরাজ সিং জির মতো অনেক যোদ্ধাগণ দেশের জন্য আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। রামপেয়ারী গুর্জর এবং পান্না দায়ের মতো মহিলা শক্তি প্রতি মুহূর্তে আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। এর থেকে বোঝা যায় গুর্জর সম্প্রদায়ের ভগিনী এবং কন্যাদের দেশ সেবা এবং সংস্কৃতিতে মহান অবদানকে। এই ধারা আজও ক্রমাগত ঋদ্ধ হয়ে চলেছে। দেশের কাছে এটা দুর্ভাগ্য যে এই অগুন্তি যোদ্ধারা ইতিহাসে তাদের প্রাপ্য স্থান পাননি। কিন্তু আজ নতুন ভারতে গত বেশ কয়েক দশকের ভ্রান্তি সংশোধনের চেষ্টা চলেছে। দেশের সংস্কৃতি এবং স্বাধীনতা ও দেশের উন্নয়নে যাদেরই অবদান রয়েছে তাদের সম্মুখে নিয়ে আসার কাজ চলেছে।

বন্ধুগণ,

নতুন প্রজন্মের কাছে আজ এটা অনুরূপভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে গুর্জর সম্প্রদায়ের তরুণরা ভগবান দেবনারায়ণের শিক্ষা এবং বার্তাকে এগিয়ে নিয়ে যান। এর ফলে গুর্জর সম্প্রদায়েরই কেবল স্বশক্তিলাভ নয়, দেশকেও তা এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

বন্ধুগণ,

রাজস্থান এবং ভারতের উন্নয়নে একবিংশ শতাব্দীর এই সময়কাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উন্নয়নে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সারা বিশ্ব আজ অনেক উচ্চাশা নিয়ে ভারতের দিকে তাকিয়ে। সারা বিশ্বের কাছে ভারত তার সক্ষমতা যেভাবে প্রদর্শন করেছে তা এই যোদ্ধা ভূমির গর্ব বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। আজকে বিশ্বের যাবতীয় মঞ্চে ভারত জোরের সঙ্গে তার বিবিধ বিষয়কে তুলে ধরছে। আজ ভারত অন্য দেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনছে। ফলে আজ দেশের মানুষের ঐক্যকে বিঘ্নিত করতে পারে এমন যাবতীয় বিষয় থেকে আমরা দূরে থাকবো। আজ সংকল্প পূরণের মধ্যে দিয়ে বিশ্বের কাছে আমাদের প্রত্যাশাকে জাগিয়ে তুলতে হবে। আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে ভগবান দেবনারায়ণজির আশীর্বাদধন্য হয়ে আমরা নিশ্চিতভাবে এই লক্ষ্যপূরণে সফল হব। আমাদের সকলের কঠোর পরিশ্রম সকলের সাহায্যেই সাফল্যের পথে আমাদের নিয়ে যাবে। এটা কী এক সমাপতন যে ভগবান দেবনারায়ণজির ১১১১-তম অবতরণ বর্ষে ভারত জি২০-তে সভাপতিত্ব করছে। ভগবান দেবনারায়ণজি পদ্মে অবতরণ করেছিলেন এবং জি২০ লোগোতে সমগ্র ধরিত্রীকে পদ্মে স্থাপন করা হয়েছে। এটাও আরও এক সমাপতন যে আমরা সেইসব মানুষ পদ্ম নিয়েই যাদের জন্ম। ফলে আপনাদের সঙ্গে এক গভীর সমন্বয় আমাদের রয়েছে। পূজনীয় সাধুরা যারা আমাদের আশীর্বাদ করতে এখানে বিরাট সংখ্যায় সমবেত হয়েছেন তাদের প্রতি আমি মাথা নত করি। একজন ভক্ত হিসেবে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোয় গুর্জর সম্প্রদায় আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এটা কোনো সরকারি অনুষ্ঠান নয়। এই সমাজের শক্তি এবং ত্যাগ আপনাদের মধ্যে পৌঁছানোর আমাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা!

জয় দেব দরবার! জয় দেব দরবার! জয় দেব দরবার!

প্রধানমন্ত্রী মূল ভাষণটি হিন্দিতে।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
 PLI schemes attract over Rs 2.16 lakh crore investment, generate 14.39 lakh jobs

Media Coverage

PLI schemes attract over Rs 2.16 lakh crore investment, generate 14.39 lakh jobs
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Uttar Pradesh has now emerged as one of the states with the highest number of international airports in India: PM Modi in Jewar
March 28, 2026
The inauguration of Phase-I of Noida International Airport marks a major step in Uttar Pradesh’s growth story and India’s aviation future: PM
UP has now emerged as one of the states with the highest number of international airports in India: PM
Airports are not just basic facilities in any country, they give wings to progress: PM
Our government is making unprecedented investments in modern infrastructure to build a Viksit Bharat: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

उद्धघाटन हो गया? उद्धघाटन हो गया? नहीं, अभी आधा काम हुआ है। मैंने सिर्फ वो पर्दा हटाया है, लेकिन मैं आज चाहता हूं इस एयरपोर्ट का उद्धघाटन यहां जो भी उपस्थित हैं, आप सब करें, और इसलिए आप अपना मोबाइल फोन निकालिये, अपने मोबाइल फोन का फ्लैश लाईट कीजिए और आपका इसका उद्धघाटन कर रहे हैं। आप दीया जलाकर के यहां उपस्थित हर व्यक्ति, आज इस एयरपोर्ट का उद्धघाटन कर रहा है। ये आपकी अमानत है, ये आपका भविष्य है, ये आपका पुरूषार्थ है और इसलिए इसका उद्धघाटन भी आपके हाथों से हो रहा है, आप अपने भारत माता की जय बोलकर के, हाथ ऊपर करके, फ्लैश लाईट पूरी तरह से दिखाइये। भारत माता जी जय। भारत माता जी जय। भारत माता जी जय। बहुत-बहुत धन्यवाद। अब उद्धघाटन हो गया।

उत्तरप्रदेश की राज्यपाल आनंदीबेन पटेल, यहां के मुख्यमंत्री योगी आदित्यनाथ जी, उप-मुख्यमंत्री केशव प्रसाद मौर्या, ब्रजेश पाठक, केंद्रीय मंत्रिमंडल के मेरे सहयोगी श्री राममोहन नायडू जी, पंकज चौधरी जी, ज्यूरिक एयरपोर्ट के चेयरमैन जोसेफ फेल्डर जी, अन्य मंत्रिगण, सांसद, विधायक, अन्य महानुभाव और मेरे प्यारे भाइयों और बहनों।

मैं देख रहा हूं, आज जहां भी मेरी नजर पड़ रही है, सारे युवा मुझे नजर आ रहे हैं, उत्साह से भरे युवा हैं, जोश से भरे हुए युवा हैं, क्योंकि इन युवाओं को पता है, ये जो काम हो रहा है ना, ये नौजवानों के भविष्य को नई उड़ान देने वाला काम हो रहा है। आज हम विकसित यूपी-विकसित भारत अभियान का एक नया अध्याय शुरू कर रहे हैं। देश का सबसे बड़ा प्रदेश, आज देश के सबसे अधिक इंटरनेशनल एयरपोर्ट्स वाले राज्यों में से एक हो गया है। और आज मेरे लिए गर्व और प्रसन्नता के दो कारण हैं। एक तो ये है कि इस एयरपोर्ट का शिलान्यास भी करने का सौभाग्य आप सबने मुझे दिया था और आप सबने इस एयरपोर्ट के उद्धघाटन का सौभाग्य भी मुझे दिया, लेकिन मैंने उस सौभाग्य को आपके साथ बांट दिया और आपके हाथों से उद्धघाटन करवा दिया। दूसरा, जिस उत्तर प्रदेश ने मुझे अपना प्रतिनिधि चुना, जिस उत्तर प्रदेश ने मुझे सांसद बनाया, उसकी पहचान के साथ, उस उत्तर प्रदेश की पहचान के साथ इस भव्य एयरपोर्ट का नाम भी जुड़ गया है।

साथियों,

नोएडा का ये एयरपोर्ट, आगरा, मथुरा, अलीगढ़, गाजियाबाद, मेरठ, इटावा, बुलंदशहर, फरीदाबाद, इस पूरे क्षेत्र को बहुत बड़ा लाभ होने वाला है। हिन्दुस्तान को और उत्तर प्रदेश को तो होना ही होना है। ये एयरपोर्ट पश्चिमी उत्तर प्रदेश के किसानों, छोटे और लघु उद्योगों, यहां के नौजवानों के लिए, अनेक नए अवसर लेकर आने वाला है। यहां से दुनिया के लिए विमान तो उड़ेंगे ही, साथ ही, ये विकसित उत्तर प्रदेश की उड़ान का भी प्रतीक बनेगा। मैं उत्तर प्रदेश को, विशेष रूप से पश्चिम उत्तर प्रदेश की जनता को इस भव्य एयरपोर्ट के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज का ये कार्यक्रम, भारत के नए मिज़ाज का प्रतीक है। आप सभी देख रहे हैं कि आज पूरा विश्व कितना चिंतित है। पश्चिम एशिया में एक महीने से युद्ध चल रहा है। युद्ध की वजह से कई सारे देशों में खाने-पीने के सामान, पेट्रोल-डीज़ल-गैस, खाद, ऐसी कई ज़रूरी चीज़ों का चारो तरफ संकट पैदा हो गया है। हर देश इस संकट का सामना करने के लिए कुछ न कुछ कोशिश कर रहा है, प्रयास कर रहा है। और हमारा भारत भी इस संकट का पूरी शक्ति से मुकाबला कर रहा है, देशवासियों की ताकत के भरोसे कर रहा है। भारत तो बहुत बड़ी मात्रा में कच्चा तेल और गैस, ये जहां युद्ध चल रह है ना, इस युद्ध से प्रभावित इलाके से मंगाता रहा है। इसलिए सरकार हर वो कदम उठा रही है, जिससे सामान्य परिवारों पर, हमारे किसान भाई-बहनों पर, इस संकट का बोझ न पड़े।

साथियों,

संकट के इस समय में भी, भारत ने अपने तेज़ विकास को निरंतर जारी रखा है। मैं सिर्फ पश्चिमी उत्तर प्रदेश की ही बात करुं, तो पिछले कुछ सप्ताह में ही, ये चौथा बड़ा प्रोजेक्ट है, जिसका शिलान्यास या लोकार्पण हुआ है। इन कुछ ही सप्ताह में, इस दौरान नोएडा में बहुत बड़ी सेमीकंडक्टर फैक्ट्री का शिलान्यास हुआ, इसी कालखड में देश की पहली दिल्ली-मेरठ नमो-भारत ट्रेन ने गति पकड़ी, इसी कालखंड में मेरठ मेट्रो का विस्तार किया गया, और इतने कम समय में आज नोएडा इंटरनेशनल एयरपोर्ट का आप सबके हाथों से उद्धघाटन भी हो गया।

साथियों,

ये सारे प्रोजेक्ट्स, यूपी के विकास के लिए, डबल इंजन सरकार के प्रयासों का शानदार उदाहरण हैं। सेमीकंडक्टर फैक्ट्री, भारत को टेक्नोलॉजी में आत्मनिर्भर बना रही है। मेरठ मेट्रो और नमो भारत रेल, तेज और स्मार्ट कनेक्टिविटी दे रही है। और ये हमारा जेवर एयरपोर्ट, पूरे उत्तर भारत को दुनिया से जोड़ रहा है। और आपने अभी वीडियो में देखा, ये ऐसा एयरपोर्ट बन रहा है, हर दो मिनट में एक जहाज उड़ेगा, हर दो मिनट में एक जहाज उड़ेगा। पहले सपा वालों ने नोएडा को अपनी लूट का ATM बना लिया था। लेकिन आज भाजपा सरकार में वही नोएडा, यूपी के विकास का सशक्त इंजन बन रहा है।

साथियों,

जेवर का ये एयरपोर्ट, डबल इंजन सरकार की कार्यसंस्कृति का भी बहुत अच्छा उदाहरण है। अब आप सोचिये, इस एयरपोर्ट को अटल बिहारी वाजपेयी जी की सरकार ने 2003 में ही फाइल में मंजूरी दे दी थी। 2003 में, आपमें से बहुत होंगे जिसका जन्म नहीं हुआ होगा, बहुत वो लोग होंगे जो उस समय 25-30 साल के 35 साल के हुए होंगे और आज रिटायर भी हो गए, लेकिन एयरपोर्ट नहीं बना। लेकिन केंद्र में कांग्रेस और यहां की पहले की सरकारों ने सालों तक इस एयरपोर्ट की नींव तक नहीं पड़ने दी। 2004 से 2014 तक ये एयरपोर्ट फाइलों में ही दबा रहा। जब हमारी सरकार बनी तो यूपी में सपा की सरकार थी। शुरु के दो-तीन सालों में सपा वालों ने इस पर काम नहीं होने दिया। लेकिन जैसे ही यहां भाजपा-NDA की सरकार बनी, दिल्ली में भाजपा-एनडीए की सरकार बनी, तो जेवर एयरपोर्ट की नींव भी पड़ी, निर्माण भी हुआ और अब ये शुरु भी हो गया है।

साथियों,

एयरपोर्ट के अलावा ये क्षेत्र देश के दो बड़े फ्रेट कॉरिडोर्स का भी हब बन रहा है। ये फ्रेट कॉरिडोर मालगाड़ियों के लिए बिछाई गई स्पेशल पटरियां हैं। इससे उत्तर भारत की बंगाल और गुजरात के समंदर से कनेक्टिविटी बेहतर हो गई है। और दादरी वो स्थान है जहां ये दोनों कॉरिडोर्स आपस में मिलते हैं। यानी यहां किसान जो उगाते हैं, यहां उद्योग जो कुछ बनाते हैं, वो जमीन से, हवाई मार्ग से, दुनिया के कोने-कोने तक तेज़ी से जा पाएगा। ऐसी मल्टी-मोडल कनेक्टिविटी के कारण, यूपी दुनियाभर के निवेशकों के लिए बहुत बड़ा आकर्षण बन रहा है।

साथियों,

जिस नोएडा को पहले अंधविश्वास के कारण अपने हाल पर छोड़ दिया गया था, कुर्सी जाने के डर से पहले के सत्ताधारी यहां आने से डरते थे, मुझे याद है यहां की सपा सरकार थी और मैंने नोएडा आने का कार्यक्रम बनाया, तो मुख्यमंत्री इतने डरे हुए थे कि वो उस कार्यक्रम में नहीं आए और मुझे भी डराने की लोगों ने कोशिश की, कि नोएडा मत जाओ मोदी जी, अभी-अभी प्रधानमंत्री बने हो। मैंने कहा इस धरती का आशीर्वाद लेने जा रहा हूं, जो मुझे लंबे अर्से तक सेवा करने का मौका देगा। अब वही इलाका पूरी दुनिया का स्वागत करने के लिए तैयार है। ये पूरा क्षेत्र, आत्मनिर्भर भारत के संकल्प को सशक्त कर रहा है।

साथियों,

इस क्षेत्र की अर्थव्यवस्था में, खेती-किसानी का बहुत महत्व है। मैं आज उन मेरे किसान भाई-बहनों का विशेष रूप से आभार व्यक्त करता हूं, जिन्होंने इस प्रोजेक्ट को साकार करने के लिए अपनी जमीनें दी है। उन किसानों के लिए जोरदार तालियां बजाइये दोस्तों, मेरे किसान भाई-बहनों के लिए जोरदार तालियां बजाइये। मेरे किसान भाई-बहन, आपके इस योगदान से ही, इस पूरे क्षेत्र में विकास का एक नया दौर शुरु होने जा रहा है। आधुनिक कनेक्टिविटी का जो विस्तार यहां हो रहा है, उससे पश्चिमी यूपी में फूड प्रोसेसिंग की संभावनाओं को और बल मिलेगा। अब यहां के कृषि उत्पाद दुनिया के बाज़ारों में और बेहतर तरीके से जा पाएंगे।

साथियों,

यहां मैं अपने किसान साथियों का एक और बात के लिए भी आभार व्यक्त करना चाहता हूं। आपके गन्ने से जो इथेनॉल बनाया गया है, उससे कच्चे तेल, कच्चे तेल पर देश की निर्भरता कम हुई है। अगर इथेनॉल का उत्पादन ना बढ़ता, पेट्रोल में उसकी ब्लेंडिंग ना बढ़ती, तो देश को हर वर्ष साढ़े चार करोड़ बैरल, साढ़े चार करोड़ बैरल यानी लगभग 700 करोड़ लीटर कच्चा तेल विदेशों से मंगवाना पड़ता। किसानों के परिश्रम ने देश को इस संकट के समय में इतनी बड़ी राहत दी है।

साथियों,

इथेनॉल से देश को तो फायदा हुआ ही है, किसानों को भी बहुत बड़ा लाभ हुआ है। इससे करीब डेढ़ लाख करोड़ रुपए की विदेशी मुद्रा बची है। यानी इथेनॉल न बनाते तो ये पैसा विदेश जाना जय था। बीते वर्षों में इतना सारा पैसा, देश के किसानों को मिला है, गन्ना किसानों को मिला है।

साथियों,

यहां के गन्ना किसानों ने तो पहले के वो दिन भी देखे हैं, जब कई-कई सालों तक गन्ने का बकाया लटका रहता था। लेकिन आज भाजपा की डबल इंजन सरकार के प्रयासों से गन्ना किसानों की स्थिति बेहतर हुई है।

साथियों,

किसी भी देश में एयरपोर्ट सिर्फ एक सामान्य सुविधा नहीं होता। ये एयरपोर्ट प्रगति को भी उड़ान देते हैं। साल 2014 से पहले, देश में सिर्फ 74 एयरपोर्ट थे। आज 160 से अधिक एयरपोर्ट्स देश में हैं। अब महानगरों के अलावा, देश के छोटे-छोटे शहरों में भी हवाई कनेक्टिविटी पहुंच रही है। पहले जो सरकारें रही हैं, वे मानती थीं कि हवाई यात्रा सिर्फ अमीरों के लिए ही होनी चाहिए। लेकिन भाजपा सरकार ने, सामान्य भारतीय के लिए हवाई यात्रा को आसान बना दिया है। हमारी सरकार ने उत्तर प्रदेश में हवाई अड्डों के नेटवर्क का तेज़ी से विस्तार करते हुए उनकी संख्या बढ़ाकर सत्रह कर दी है।

साथियों,

भाजपा सरकार का निंरतर प्रयास रहा है कि एयरपोर्ट भी बने और किराया-भाड़ा भी सामान्य परिवारों की पहुंच में रहे। इसलिए, हमने उड़ान योजना शुरु की थी। इस स्कीम के कारण, बीते कुछ सालों में एक करोड़ साठ लाख से अधिक देशवासियों ने उड़ान योजना से टिकट लेकर सस्ती दरों पर हवाई यात्रा की है। और मैं आपको एक और जानकारी देना चाहता हूं। हाल में ही केंद्र सरकार ने उड़ान योजना को और विस्तार दिया है। इसके लिए लगभग 29 हज़ार करोड़ रुपए की स्वीकृति दी गई है। आने वाले वर्षों में इसके तहत, छोटे-छोटे शहरों में 100 नए एयरपोर्ट और 200 नए हेलीपैड बनाने की योजना है। यूपी को भी इससे बहुत अधिक लाभ होगा।

साथियों,

भारत का एविएशन सेक्टर, बहुत तेज़ से गति और विकास कर रहा है। जैसे-जैसे भारत में नए-नए एयरपोर्ट बन रहे हैं, वैसे-वैसे नए हवाई जहाज़ों की ज़रूरत भी बढ़ती जा रही है। इसलिए देश की अलग-अलग एयरलाइन्स ने सैकड़ों नए जहाजों के ऑर्डर दिए हैं। ये जो नई सुविधाएं हैं, नए जहाज आ रहे हैं, इनको उड़ाने वाले, इनमें सर्विस देने वाले, मेंटनेस से जुड़े, ऐसे हर काम के लिए बहुत बड़ी संख्या में वर्कफोर्स की ज़रूरत रहेगी। ये युवाओं के लिए बहुत बड़ा अवसर है। इसलिए हमारी सरकार, एविएशन सेक्टर में ट्रेनिंग की सुविधाओं का भी विस्तार कर रही है।

साथियों,

आप जब अपनी कोई गाड़ी खरीदते हैं, तो ये जरूर देखते हैं कि उस गाड़ी बनाने वाली कंपनी का सर्विसिंग सेंटर आसपास है या नहीं है। आप जानकर हैरान हो जाएंगे कि हमारे देश में हवाई जहाजों की सर्विसिंग, यानी उनके मैंटनेंस, रिपेयर एंड ओवरहॉल की पुख्ता व्यवस्थाएं ही नहीं थीं। भारत के 85 एयरपोर्ट, 85 परसेंट हवाई जहाजों को आज भी मैंटनेंस, रिपेयर एंड ओवरहॉल यानी MRO के लिए, इस काम के लिए विदेश भेजना पड़ता है। इसलिए हमारी सरकार ने ठाना है कि MRO सेक्टर में भी भारत को आत्मनिर्भर बनाएंगे। अब भारत में ही, बहुत बड़े पैमाने पर MRO सुविधाएं विकसित की जा रही हैं। आज यहां जेवर में भी MRO सुविधा का शिलान्यास हुआ है। ये सुविधा जब तैयार हो जाएगी, तो ये देश-विदेश के विमानों को सेवा देगी। इससे देश को कमाई भी होगी, हमारा पैसा भी देश में ही रहेगा, और युवाओं को अनेक रोजगार भी मिलेंगे।

साथियों,

आज हमारी सरकार की प्राथमिकता देश के नागरिकों की सुविधा है। देश के नागरिक का समय बचे और उसकी जेब पर ज्यादा बोझ भी न पड़े, ये हमारा लक्ष्य है। मेट्रो और वंदे भारत जैसी आधुनिक रेल सेवाओं का इसी भाव से ही विस्तार किया जा रहा है। दिल्ली-मेरठ नमो भारत रेल, इसका कितना फायदा हो रहा है, ये भी हम सब देख रहे हें। अभी तक नमो भारत, ढाई करोड़ से अधिक लोग सफर कर चुके हैं। दिल्ली-मेरठ के जिस सफर में पहले घंटों लग जाते थे, अब वो सफर मिनटों में ही पूरा हो रहा है।

साथियों,

विकसित भारत के विकसित आधुनिक इंफ्रास्ट्रक्चर पर हमारी सरकार अभूतपूर्व निवेश कर रही है। बीते 11 वर्षों में इंफ्रास्ट्रक्चर का बजट छह गुणा से अधिक बढ़ाया गया है। इन वर्षों में 17 लाख करोड़ रुपये हाईवे और एक्सप्रेसवे पर खर्च किए गए हैं, एक लाख किलोमीटर से अधिक के हाईवे का निर्माण किया गया है। 2014 तक रेलवे में सिर्फ 20 हजार किलोमीटर रूट का बिजलीकरण हुआ था। जबकि 2014 के बाद से 40 हजार किलोमीटर से ज्यादा रेलवे ट्रैक का बिजलीकरण किया गया है। आज ब्रॉडगेज नेटवर्क का लगभग शत-प्रतिशत बिजलीकरण हो चुका है। आज कश्मीर घाटी हो या नॉर्थ ईस्ट की राजधानियां, ये पहली बार रेल नेटवर्क से जुड़ रही हैं। पोर्ट यानी बंदरगाहों की क्षमता, बीते दशक में दोगुने से अधिक हुई है। देश में नदी जलमार्गों की संख्या भी लगातार बढ़ रही है। विकसित भारत के निर्माण के लिए जरूरी हर क्षेत्र में भारत तेज़ी से काम कर रहा है।

साथियों,

विकसित भारत बनाने के लिए सबका प्रयास बहुत ज़रूरी है। ये आवश्यक है कि 140 करोड़ देशवासी कड़े से कड़ा परिश्रम करे, और वैश्विक संकटों का एकजुट होकर सामना करें। अभी जो युद्ध चल रहा है, इससे पैदा हुए संकटों का सामना कैसे करना है, इसके बारे में मैंने संसद में भी विस्तार से बताया है। मेरी कल देश के सभी मुख्यमंत्रियों से भी लंबी चर्चा हुई है और बड़ी सकारात्मक चर्चा हुई है। मैं आज आप सभी जनता-जनार्दन से फिर कहूंगा, मैं देशवासियों से फिर से कहूंगा। हमें शांत मन से, धैर्य के साथ, एकजुटता के साथ, मिल जुलकर के, इस संकट का सामना करना है। ये पूरे विश्व में परेशानी पैदा करने वाला संकट है। हमें अपने देश की सबसे ज्यादा चिंता करनी है। और यही हम भारतीयों की सबसे बड़ी ताकत है। मैं यूपी के, देश के सभी राजनीतिक दलों से भी आग्रहपूर्वक कहना चाहता हूं, विनती पूर्वक कहना चाहता हूं, इस प्रकार के संकट में ऐसी बातें करने से बचें, जो देश के लिए नुकसानदायक हैं। जो भारतीयों के हक में है, जो भारत के हित में है, वही भारत सरकार की नीति और रणनीति है। राजनीति के लिए गलत बयानबाज़ी करने वाले, राजनीतिक बहस में तो कुछ नंबर पा लेंगे, लेकिन देश को नुकसान पहुंचाने वाली हरकतों को देश की जनता कभी माफ नहीं करती। कोरोना के महासंकट के दौरान भी, कुछ लोगों ने अफवाहें फैलाईं, वैक्सीन को लेकर झूठ बोले, ताकि सरकार का काम मुश्किल हो, देश को नुकसान हो। परिणाम क्या हुआ? जनता ने चुनावों के दौरान ऐसी राजनीति को नकार दिया, ठुकरा दिया। मुझे पूरा भरोसा है, कि देश के सभी राजनीतिक दल भी इससे सबक सीखेंगे और देश के एकजुट प्रयासों को वो बल देंगे, ताकत देंगे। इसी आग्रह के साथ, एक बार फिर से उत्तर प्रदेश को इस शानदार एयरपोर्ट के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं।

मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

बहुत-बहुत धन्यवाद।