মহামান্য, আমার ভাই, আমার বন্ধু,
ইথিওপিয়া সফর করতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। এটি আমার প্রথম ইথিওপিয়া সফর। কিন্তু এখানে পা রাখার মুহুর্তেই আমি আপনত্ব এবং গভীর আত্মীয়তার অনুভূতি অনুভব করেছি। ভারত এবং ইথিওপিয়ার মধ্যে হাজার হাজার বছর ধরে অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, সংলাপ এবং বিনিময় হয়েছে। ভাষা এবং সমৃদ্ধ ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ আমাদের দুটি দেশ বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের প্রতীক। উভয় দেশই শান্তি এবং মানব কল্যাণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ গণতান্ত্রিক শক্তি। আমরা দু’দেশই সহযাত্রী এবং গ্লোবাল সাউথের অংশীদার। আমরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছি।

ইথিওপিয়ায় আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর ইথিওপিয়াকে আফ্রিকান কূটনীতির জন্য একটি মিলনস্থল করে তোলে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব, আমাদের মিলিত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, ভারত নিশ্চিত করেছে যাতে আফ্রিকান ইউনিয়ন ২০২৩ সালে জি২০-এর সদস্য হয়। এই সমস্ত দিক মাথায় রেখে, আজ আমরা ভারত-ইথিওপিয়া সম্পর্ককে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করছি। এই পদক্ষেপ আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কে নতুন শক্তি, নতুন গতি এবং নতুন গভীরতা যোগাবে।
এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতের বিশাল সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য একটি স্পষ্ট পথচিত্র তৈরি করবে। আজ, আমাদের সহযোগিতার মূল দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে অর্থনীতি, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা। আমি আনন্দিত যে আমরা ভারতে ইথিওপিয়ান ছাত্রছাত্রীদের জন্য ছাত্রবৃত্তি দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মহামান্য,
পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ও পীড়িতদের প্রতি আপনার সমবেদনা এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে আপনার সমর্থনের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।আর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলির উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবারও, আমাকে এবং আমার প্রতিনিধিদলকে এত উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আমি আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।


